Tag: BCCI

BCCI

  • Champions Trophy: পাকিস্তানকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! পিসিবিকে কড়া সতর্কতা আইসিসির

    Champions Trophy: পাকিস্তানকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি! পিসিবিকে কড়া সতর্কতা আইসিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) কথা ভাবছে আইসিসি (ICC)। হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনে রাজি না হলে পাকভূমি থেকে সরবে প্রতিযোগিতা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল সূত্রে খবর, পাকিস্তান যদি হাইব্রিড মডেলের জন্য প্রস্তুত না হয় তবে অন্য কোনও দেশে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। মনে করা হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতেও এই টুর্নামেন্ট হতে পারে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান না খেলার সম্ভাবনা বেশি। আইসিসি, পিসিবি ও বিসিসিআই-এর বৈঠক হওয়ার কথা শনিবার, ৩০ নভেম্বর।

    হাইব্রিড মডেলেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

    ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) আয়োজক পাকিস্তান। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI) আইসিসিকে (ICC) জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানে দল পাঠানো হবে না। জয় শাহেরা হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের কথা বলেছেন। ভারতের ম্যাচগুলি সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আয়োজনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রতিযোগিতা আয়োজনের অধিকার ছাড়তে নারাজ। হাইব্রিড মডেল মানবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কর্তারা।  পিসিবি-র তরফ থেকে নাকি বলা হয়েছিল যে যদি ভারত পাকিস্তানে না যায় তাহলে তারা কখনই অন্য কোথাও এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করবে না। আইসিসি তাদের উপর চাপ দিলে তারা চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজন করবে না এবং খেলবেও না। এমন অবস্থায় এবার আইসিসি পিসিবি-র উপর চাপ দিতে তৈরি করল।

    চাপে পাকিস্তান

    আগামী বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে পাকিস্তানে হওয়ার কথা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy)। ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে জঙ্গি হামলার পর থেকে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সম্পর্ক বন্ধ। কোনও বহুদলীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্যও পাকিস্তানে যায় না ভারতীয় ক্রিকেট দল। গত বছর এশিয়া কাপের সময়ও রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের পাকিস্তানে পাঠায়নি বিসিসিআই। ভারতের ম্যাচ-সহ বেশ কিছু খেলা হয়েছিল শ্রীলঙ্কায়। সে ভাবেই যাতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করা যায়, তা ভাবছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। কিন্তু পাকিস্তান সায় না দেওয়ায় এবার পিসিবিকে কড়া ভাষায় জাবাব দিল আইসিসি। সূত্রের খবর, পিসিবিকে বলা হয়েছে তারা যদি হাইব্রিড মডেলে না খেলে তাহলে পাকিস্তানকে ছাড়াই হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। উল্লেখ্য আগামী কাল রবিবার, ১ ডিসেম্বর জয় শাহ আইসিসির সর্বোচ্চ পদের দায়িত্ব নেবেন। এরপরই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে চূড়ান্ত বৈঠকে বসবে আইসিসি, এমনই খবর। বৈঠকে থাকার কথা আইসিসির পূর্ণ সদস্য ১২টি বোর্ডের প্রতিনিধি, তিনটি সহযোগী সদস্য বোর্ডের প্রতিনিধি, এক জন নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক, আইসিসির চেয়ারম্যান এবং সিইও-র। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Border-Gavaskar Trophy: আচমকা দেশে ফিরছেন গম্ভীর! দ্বিতীয় টেস্টের আগে চিন্তার ছায়া ভারতীয় শিবিরে

    Border-Gavaskar Trophy: আচমকা দেশে ফিরছেন গম্ভীর! দ্বিতীয় টেস্টের আগে চিন্তার ছায়া ভারতীয় শিবিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবে ছন্দে ফিরেছে দল। নিউজিল্যান্ডের কাছে ঘরের মাঠে সিরিজ হারের পর প্রবল চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সেখান থেকে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন হয়েছে টিমের। সোমবার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ভারত বর্ডার গাভাসকর ট্রফির (Border-Gavaskar Trophy) প্রথম টেস্ট জিতে নিয়েছে পারথে। ২৯৫ রানে জিতেছে ভারত। দুরন্ত বুমরা, বিরাট-যশস্বীর সেঞ্চুরি, সব মিলিয়ে টিমগেম স্বস্তি দিচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। তার মধ্যেই ফের চিন্তার ছায়া ভারতীয় দলের সাজঘরে। পারিবারিক কারণে হঠাৎ অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরতে হচ্ছে কোচ গৌতম গম্ভীরকে (Gautam Gambhir)। তবে, দ্বিতীয় টেস্টের আগে তিনি আবার অস্ট্রেলিয়ায় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন, এমনই খবর।

    কেন ফিরছেন গম্ভীর

    ভারত-অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় টেস্ট অ্যাডিলেডে। গোলাপি বলে হবে সেই ম্যাচ। তার আগে ক্যানবেরায় অনুশীলন ম্যাচ খেলবে ভারত। বুধবার সেখানে যাবে দল। শনিবার থেকে শুরু প্রস্তুতি ম্যাচ। কিন্তু দলের সঙ্গে ক্যানবেরা যাবেন না গম্ভীর। তিনি দেশে ফিরে আসছেন। গম্ভীরের (Gautam Gambhir) এই দেশে ফেরতের খবর আগে থেকে জানাই ছিল না। হঠাৎই নাকি বিসিসিআইকে জানিয়ে জরুরিকালীন পরিস্থিততে দেশে ফিরেছেন। কোচ যে কোনও সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তিনিই পরিকল্পনা সাজান। সেই মতো ট্রেনিং করে, ম্যাচে খেলে টিম। গম্ভীরের এই দেশে ফেরত টিমকে চাপে ফেলে দিতে পারে, এমনই বলা হচ্ছে। গম্ভীর অবশ্য দেশে ফেরার জন্য ব্যক্তিগত কারণকেই তুলে ধরেছেন। কী কারণ, তা নিশ্চিত ভাবে বিসিসিআইকে জানিয়েছেন। কিন্তু ওই কারণ বাইরে আসেনি। বোর্ড অবশ্য গম্ভীরের সিদ্ধান্তকে স্বীকৃতি দিয়েছে। দ্বিতীয় টেস্টের আগে তিনি টিমের সঙ্গে যোগ দেবেন, এমনই জানিয়েছেন বোর্ডকে।

    আরও পড়ুন: নাইটদের নেতা কে হতে চলেছেন? নিলামের শেষবেলায় দল গুছিয়ে নিল কেকেআর

    দলের সঙ্গে রোহিত

    দ্বিতীয় টেস্টে দলে ফিরবেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তিনি প্রথম টেস্টে খেলেননি। ইতিমধ্যেই অস্ট্রেলিয়া পৌঁছে গিয়েছেন রোহিত। সেখানে গোলাপি বলে অনুশীলনও করছেন তিনি। রোহিতকে পারথে সাজঘরেও দেখা গিয়েছে। তিনি না থাকায় লোকেশ রাহুল ওপেন করেছিলেন। সঙ্গে ছিলেন যশস্বী জয়সওয়াল। মনে করা হচ্ছে রোহিত ফেরায় রাহুল আবার মিডল অর্ডারে ফিরবেন। দলে ফিরতে পারেন শুভমন গিলও। সেক্ষেত্রে বসতে হতে পারে দেবদূত পাড়িক্কলকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IPL 2025: আগামী তিন বছরের আইপিএলের শুরু ও শেষের তারিখ ঘোষণা বিসিসিআই-এর

    IPL 2025: আগামী তিন বছরের আইপিএলের শুরু ও শেষের তারিখ ঘোষণা বিসিসিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী তিন বছরের আইপিএল (IPL 2025) উইন্ডো জানিয়ে দিল বিসিসিআই (BCCI)। ২০২৫ সালের আইপিএল শুরু ১৪ মার্চ। ফাইনাল ২৫ মে। ২০২৬ সালের আইপিএল হবে ১৫ মার্চ থেকে ৩১ মে। ২০২৭ সালের আইপিএল ১৪ মার্চ থেকে ৩০ মে। বোর্ডের তরফে আইপিএলের দশটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ইমেল করে এই উইন্ডো জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়া ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর তরফে এমনটাই খবর। নিলামের দু’দিন আগে ঘোষিত হল আইপিএল শুরুর দিন। 

    কেন এই দিন ঘোষণা

    এর আগে, কখনও তিন বছরের আইপিএলের (IPL 2025) দিন একসঙ্গে ঘোষণা করেনি বোর্ড (BCCI)। ২০২৫ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত এই দিন ঘোষণার কোনও কারণ যদিও কিছু জানায়নি তারা। ২০২৬ সালে আইপিএল শুরু হবে ১৫ মার্চ থেকে। ফাইনালে ৩১ মে। ২০২৭ সালে ১৪ মার্চ থেকে শুরু হবে আইপিএল। ফাইনাল হবে ৩০ মে। প্রতি বছরই ফাইনালগুলি রবিবার দেখে রাখা হয়েছে। আগামী তিন বছরের জন্য আইপিএলের দিন ঘোষণা করে দেওয়ায় আন্তর্জাতিক সিরিজগুলিও সেই ভাবে রাখা যাবে। কোনও ক্রিকেটারের আইপিএল খেলতে যাতে অসুবিধা না হয় সেই কারণে বোর্ড এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ১৪ বছর পর ফের ভারতে আসছেন মেসি! কবে, কোথায় খেলবেন ফুটবলের রাজপুত্র?

    আগামী বর্ষে কটা ম্যাচ

    গত তিন মরশুমের মতো আগামী আইপিএলেও (IPL 2025) থাকছে মোট ৭৪টি ম্যাচ। যদিও আইপিএল মিডিয়া রাইটস বিক্রির সময় প্রাথমিক ভাবে বোর্ডের (BCCI) তরফে জানানো হয়েছিল, ম্যাচ সংখ্যা বাড়ানো হবে। সেই অনুযায়ী ২০২৫ ও ২০২৬ সালে ৮৪টি এবং ২০২৭ আইপিএলে ৯৪টি ম্যাচের কথা ছিল। আপাতত যা ঠিক হয়েছে, ৭৪টি ম্যাচই হবে ২০২৫ সালের আইপিএলে। আগামী ২৪ এবং ২৫ নভেম্বর আইপিএলের নিলাম। সেই দু’দিনে ঠিক হবে, আগামী তিন বছর কোন কোন ক্রিকেটার কোন দলে খেলবেন। এ বারের বড় নিলামের পর আগামী দু’বছর মিনি নিলাম হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Champions Trophy: ভারতকে ছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অসম্ভব, পাকিস্তানকে জানিয়ে দিল আইসিসি

    Champions Trophy: ভারতকে ছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অসম্ভব, পাকিস্তানকে জানিয়ে দিল আইসিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইব্রিড মডেলেই হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। বিসিসিআই-এর সঙ্গে কথা বলেই ঠিক করতে হবে চূড়ান্ত সূচি। আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে এমনই নির্দেশ দিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনও বার্তা আইসিসি-র তরফে দেওয়া না হলেও সূত্রের খবর, ভারতকে ছাড়া টুর্নামেন্ট অসম্ভব এমনই মত আইসিসি-র।

    আইসিসি-র নির্দেশ

    ভারত সরকার কিন্তু ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) খেলার জন্য টিম পাঠানো হবে না। দৃষ্টিহীনদের বিশ্বকাপ, কবাডি টিমের পাক সফর বাতিল করা হয়েছে, নিরাপত্তার কারণে। সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধ না হলে ওয়াঘার ওপারে যাবেন না রোহিতরা, জানিয়েছে বিসিসিআই-ও। এই অবস্থায় পাক ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি দাবি করেছিলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হবে পাকিস্তানেই। কোনও ভাবেই হাইব্রিড মডেল ফলো করা হবে না। প্রাথমিকভাবে পাকিস্তানের লাহৌর, রাওয়ালপিন্ডি ও করাচিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর বসার কথা। কিন্তু সেই নিয়ে জট অব্যাহত। তবে খবর অনুযায়ী আইসিসির তরফে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (PCB) হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের জন্য রাজি করানো হচ্ছে। আইসিসির তরফে পিসিবিকে বলা হয়েছে, ভারতকে ছাড়া কোনওভাবেই টুর্নামেন্ট সম্ভব নয়। 

    আরও পড়ুন: উন্নতির জোয়ার! ২০৩০ সালের মধ্যে ১৩ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত হবে ভারতের ক্রীড়া শিল্প

    কেন যাবে না ভারত

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল সূত্রে খবর, ভারতের দাবি মেনে হাইব্রিড মডেলে টুর্নামেন্ট আয়োজন না করলে বিরাট আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। আর তিন মাসও বাকি নেই, তাই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে চায় আইসিসি। ভারতের বিরুদ্ধে কোনও কথা বলতেও বারণ করা হয়েছে পিসিবি-কে, এমনই খবর।  বিসিসিআই-এর তরফে বলা হয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের ওপর বড়সড় হামলা চালাতে পারে জঙ্গিরা। পাকিস্তানের আমজনতা হয়তো ভারতীয় ক্রিকেটারদের উষ্ণ আতিথেয়তা জানাবে, কিন্তু পাকভূমে রোহিত শর্মাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা দলের ওপরে হামলার উদাহরণও উল্লেখ করা হয়েছে বিসিসিআইয়ের তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: ভারত ও আইসিসি-র চাপের কাছে নতিস্বীকার পাকিস্তানের, অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না ট্রফি

    Pakistan: ভারত ও আইসিসি-র চাপের কাছে নতিস্বীকার পাকিস্তানের, অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না ট্রফি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও আইসিসির চাপের কাছে নতি স্বীকার করল পাকিস্তান (Pakistan)। শুক্রবারই আইসিসি জানিয়েছিল যে, অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy Tour)। পাকিস্তানের তরফ থেকে আজ, শনিবার জানানো দেওয়া হয়েছে যে, ট্রফি ট্যুর করাচি, লাহোর ও রাওয়ালপিন্ডিতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। প্রসঙ্গত, বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে ধনী বোর্ড হল বিসিসিআই। তারাই আইসিসির কাছে আপত্তি জানিয়েছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ট্রফি যেন কোনওভাবেই না নিয়ে যাওয়া হয়। এক্ষেত্রে আপত্তি জানান বিসিসিআইয়ের বর্তমান সেক্রেটারি তথা আইসিসির হবু চেয়ারম্যান জয় শাহ। অবশেষে নতি স্বীকার করল পাকিস্তান।

    আইসিসির সঙ্গে আলোচনা পিসিবি-র 

    জানা গিয়েছে, পিসিবি (Pakistan) ইতিমধ্যে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করেছে যে কীভাবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy Tour) ট্যুর পাকিস্তানে করা যায়। প্রসঙ্গত, আগামী ১ ডিসেম্বর আইসিসি চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার গ্রহণ করতে চলেছেন জয় শাহ। তিনি আইসিসিকে বলেছিলেন যে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে যেন কোনওভাবে ট্রফি না নিয়ে যাওয়া হয়। আইসিসিকে আরও জানানো হয়েছিল, পাকিস্তানের অন্য যে কোনও শহর বা স্টেডিয়ামে যদি ট্রফি ট্যুর করানো হয়, তাহলে বিসিসিআইয়ের কোনও সমস্যা নেই।

    ভারত, পাকিস্তানে (Pakistan) কোনও ম্যাচই খেলতে চায় না

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তানে হওয়ার কথা রয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির। সেখানে আটটি দেশ খেলবে। কিন্তু এরই মধ্যে আপত্তি জানিয়েছে ভারত। কারণ পাকিস্তানের ভূমিতে কোনও ম্যাচে তারা খেলতে চায় না একাধিক কারণে। ভারতের ম্যাচগুলি দুবাইতে খেলার জন্য আবেদন জানিয়েছে বিসিসিআই। এর আগেও এশিয়া কাপের ম্যাচে দেখা গিয়েছিল, ভারতের ম্যাচগুলি শ্রীলঙ্কাতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং বাকিগুলো পাকিস্তানে আয়োজন করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানে ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার বিষয়টিও বড় করে দেখছে বিসিসিআই। তারা মনে করছে, সে দেশের জঙ্গিরা রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের টার্গেট করতে পারে। তার কারণ পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বাসে আক্রমণের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ICC: অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, পাক বোর্ডের পরিকল্পনা বাতিল করে জানাল আইসিসি

    ICC: অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, পাক বোর্ডের পরিকল্পনা বাতিল করে জানাল আইসিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের তিনটি শহরে যাবে না চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পরিকল্পনা বাতিল করে এমনটাই জানাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি (ICC)। প্রসঙ্গত, পিসিবির পরিকল্পনা ছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে যাওয়ার। তবে সেই পরিকল্পনাতে জল ঢেলে দিল আইসিসি। আগামীকাল ১৬ নভেম্বর থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে ঘুরবে এই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। সে দেশের স্কার্দু, মুরি, মুজফফরবাদ- এই তিন শহরেরই অবস্থান হল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। পিসিবি পরিকল্পনা করেছিল এই শহরগুলিতেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC) নিয়ে যাওয়ার। একইসঙ্গে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম পর্বতশৃঙ্গ গডউইন অস্টিন বা  K2.  সেখানেও নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিটি (Champions Trophy)। তবে সেই পরিকল্পনাও বাতিল করল আইসিসি। আইসিসির তরফে সাফ জানানো হয়েছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না ট্রফি।

    ঘন কুয়াশার কারণে আরও তিন শহরে যাবে না ট্রফি

    জানা যাচ্ছে, ইসলামাবাদে ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে এই ট্রফি (ICC)। একই সঙ্গে লাহোর, করাচি ও রাওয়ালপিন্ডিতেও ট্রফি নিয়ে যাওয়া হবে না বলে জানিয়েছে আইসিসি। কারণ সেখানকার ঘন কুয়াশা। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ নাগাদ পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) হওয়ার কথা রয়েছে। সে কারণেই সে দেশের বিভিন্ন শহরের ট্রফি ট্যুরের আয়োজন করেছিল পিসিবি। তবে পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হবেই, একথা নিশ্চিতভাবে এখনই বলা যাচ্ছে না।

    পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে রাজি নয় ভারত

    পাকিস্তানে গিয়ে ভারত চ্যাম্পিয়ন্স (ICC) ট্রফি খেলতে রাজি নয়। মোট আটটি দল খেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। তবে সমস্যা দেখা দিয়েছে ভারত ও পাকিস্তানকে নিয়ে। কারণ এই দুই দেশের রাজনৈতিক সমস্যা। প্রসঙ্গত পাকিস্তানে ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার বিষয়টিও বড় করে দেখছে বিসিসিআই। তারা মনে করছে, সে দেশের জঙ্গিরা রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের টার্গেট করতে পারে। তার কারণ পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বাসে আক্রমণের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Champions Trophy: দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে যাবে না ভারত

    Champions Trophy: দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে যাবে না ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) খেলতে আগামী বছর পাকিস্তানে যাবে না ভারত। বিসিসিআই সূত্রে খবর, ভারতীয় বোর্ডের (BCCI) তরফে নাকি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে এবং টুর্নামেন্টের সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তাঁরা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্য়াচ খেলতে পাকিস্তানে যাবে না।

    দুবাইতে হতে পারে ম্যাচ

    পরের বছরেই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) আসর বসার কথা। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ভেন্যু হিসেবে পাকিস্তানকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভারতীয় দল (Indian Cricket Team) আদৌ পড়শি দেশে খেলতে যাবে কি না, সেই নিয়ে প্রথম থেকেই সংশয় ছিল। বোর্ড সূত্রে খবর, বিসিসিআই (BCCI) দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং সেই কারণেই ভারত চায় কিছু ম্যাচ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুবাইতে আয়োজিত হোক। এই বিষয়ে অবগত এক সূত্র জানান, ‘হ্যাঁ, পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ খেলা নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা বিসিসিআইয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওরা নিরপেক্ষ কোনও স্থানে ম্যাচ আয়োজনের পক্ষে। এক্ষেত্রে দুবাই ভারতীয় দলের ম্যাচগুলি আয়োজনের জন্য জোরাল দাবিদার।’

    আরও পড়ুন: আইপিএলের মেগা অকশনে ১৫৭৪ ক্রিকেটার! কোন দেশের কত জন তালিকায়?

    কবে থেকে শুরু

    ১১ নভেম্বর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) সূচি ঘোষণা করতে পারে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা আইসিসি। ১০ থেকে ১২ নভেম্বর পাকিস্তানের লাহোরে যাওয়ার কথা আইসিসির একটি প্রতিনিধি দলের। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। সেই প্রতিযোগিতার জন্য পাকিস্তান কতটা তৈরি তা খতিয়ে দেখতে যাবে প্রতিনিধি দল। সেই সফর চলাকালীন প্রতিযোগিতার সূচি ঘোষণা হওয়ার কথা। ইতিমধ্যেই নাকি সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে খসড়া সূচি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও বাকি। জানা গিয়েছে, গ্রুপ এ-তে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। ইতিপূর্বে পিসিবি-র পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোনও দেশে এই টুর্নামেন্ট হাইব্রিড মডেলে আয়োজন করা হবে না। তবে উপায় না দেখে হয়ত বা নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরতে হতে পারে পাকিস্তানকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2025 Auction: আইপিএলের মেগা অকশনে ১৫৭৪ ক্রিকেটার! কোন দেশের কত জন তালিকায়?

    IPL 2025 Auction: আইপিএলের মেগা অকশনে ১৫৭৪ ক্রিকেটার! কোন দেশের কত জন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল ২০২৫-এর জন্য মেগা অকশনের তারিখ ও ভেন্যু নিশ্চিত করে দিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। একটি ইমেলে বোর্ড জানিয়েছে, ২৪ ও ২৫ নভেম্বর সৌদি আরবের শহর জেড্ডায় হবে আইপিএলের নিলাম অনুষ্ঠান। দু-দিনের মেগা অকশনে উঠবেন ১৫৭৪ জন ক্রিকেটার। এদের মধ্যে ২০৪ জন ক্রিকেটার দল পেতে পারেন। অর্থাৎ, ১৫৭৪ জন নথিভুক্ত ক্রিকেটারের মধ্যে ১৩৭০ জন আইপিএল খেলার সুযোগ পাবেন না। নিলামে যাঁরা নাম নথিভুক্ত করেছেন তাঁদের মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেটার ১১৬৫ জন। বিদেশি ক্রিকেটার ৪০৯ জন।

    কোথায় হবে নিলাম

    প্রথমে শোনা গিয়েছিল রিয়াধে হবে নিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের জেড্ডাকে বেছে নিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (BCCI) কর্তারা। জেড্ডার আবাদি আল জোহর এরিনায় দু’দিন ধরে আইপিএলের নিলাম হবে। প্রতিটি দল নিজেদের পরিকল্পনা মতো দুই থেকে ছ’জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে। নিয়ম অনুযায়ী, একটি দলে সর্বোচ্চ ২৫ জন ক্রিকেটার থাকতে পারেন। আইপিএলের ১০টি দল মিলিয়ে ৪৬ জন ক্রিকেটারকে আগামী তিন মরসুমের জন্য রেখে দিয়েছে।

    নিলামে কোন দেশের কতজন

    ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (BCCI) তথ্য অনুযায়ী, মেগা অকশনের ১৫৭৪ ক্রিকেটারের তালিকায় ভারতের ৪৮ জন ক্যাপড প্লেয়ার, ২৭২ জন বিদেশি ক্যাপড প্লেয়ার রয়েছেন। ১৫২ জন আনক্যাপড ভারতীয় প্লেয়ার যাঁরা গত আইপিএলেও অকশনের তালিকায় ছিলেন, এ বারও রয়েছেন। অতীতে আইপিএলে খেলা ৩ জন বিদেশি আনক্যাপড প্লেয়ারও রয়েছেন। আনক্যাপড ভারতীয় ক্রিকেটারের সংখ্যা মোট ৯৬৫। আনক্যাপড বিদেশি ক্রিকেটার রয়েছেন ১০৪ জন। সব মিলিয়ে ১৫৭৪ ক্রিকেটারের মধ্যে দল পাবেন সর্বাধিক ২০৪ জন। 


    বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯১ জন ক্রিকেটার রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার। অস্ট্রেলিয়ার ৭৬ জন ক্রিকেটার নিজেদের নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন। ইংল্যান্ডের ৫২ জন ক্রিকেটার এবং আফগানিস্তানের ২৯ জন ক্রিকেটার নিলামে নাম লিখিয়েছেন। শ্রীলঙ্কারও ২৯ জন ক্রিকেটার রয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের ৩৯ জন ক্রিকেটার আইপিএল খেলতে আগ্রহী। এ ছাড়াও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৩ জন, বাংলাদেশের ১৩ জন, নেদারল্যান্ডসের ১২ জন, আমেরিকার ১০ জন, আয়ারল্যান্ডের ন’জন, জিম্বাবোয়ের আট জন, কানাডার চার জন, স্কটল্যান্ডের দু’জন ক্রিকেটার নিলামে অংশগ্রহণ করছেন। ইতালি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এক জন ক্রিকেটারের নামও রয়েছে নিলামের তালিকায়। ভারতের লোকেশ রাহুল, ঋষভ পন্থ, শ্রেয়স আয়ার, ঈশান কিসান, মহম্মদ শামি, আরশদীপ সিং, মহম্মদ সিরাজের মতো প্রথম সারির ক্রিকেটারদের নাম রয়েছে নিলামে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rohit Virat: অস্ট্রেলিয়ায় ব‍্যর্থ হলেই ছাঁটাই! দাবি উঠছে রোহিত-বিরাটের অবসরের, কী ভাবছে বোর্ড?

    Rohit Virat: অস্ট্রেলিয়ায় ব‍্যর্থ হলেই ছাঁটাই! দাবি উঠছে রোহিত-বিরাটের অবসরের, কী ভাবছে বোর্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে এক যুগ পর সিরিজ হারল ভারত। শুধু হার নয়, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ টেস্ট সিরিজের ফল। পুরোপুরি ব্যর্থ ব্যাটিং অর্ডার। চূড়ান্ত ফেল ‘রো-কো’ (রোহিত-কোহলিকে একসঙ্গে এই নামেই ডাকা হয়) জুটি। যা নিয়ে নেটিজেনদের কটাক্ষের শেষ নেই। অনেকেরই দাবি, এবার সরে দাঁড়াক বিরাট-রোহিতরা। এই আবহেই বিসিসিআই সূত্রে খবর, আগামী দিনে জাতীয় দলের দরজা পাকাপাকি ভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের কাছে। অস্ট্রেলিয়া সফরের পরেই ভারতীয় দলের কিছু সিনিয়র ক্রিকেটারের ভবিষ্যত ঠিক হয়ে যাবে। 

    কী ভাবছে বোর্ড

    নিউজিল্যান্ডের কাছে চুনকাম হওয়ার পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চলেছে বোর্ড। পরবর্তী টেস্ট বিশ্বকাপের আগে ধীরে ধীরে সিনিয়রদের সরিয়ে দেওয়ার পথে হাঁটতে পারে তারা। মনে করা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়া সফর রোহিত, কোহলি, রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং রবীন্দ্র জাদেজার কাছে শেষ সুযোগ হতে পারে। প্রত্যেকেই আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের শেষ পর্বে। খারাপ ফল হলেই কোপ পড়তে পারে তাঁদের উপর। বোর্ডের এক সূত্র সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, “১০ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দল রওনা দেওয়ার আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হার যে বড়সড় ধাক্কা তাতে সন্দেহ নেই। তবে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দল ঘোষিত। সেখানে বদলের কোনও সম্ভাবনা নেই। যদি ভারত বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে যেতে না পারে, তা হলে নিশ্চিত থাকুন চার সিনিয়র ক্রিকেটার পরবর্তী ইংল্যান্ড সফরের বিমানে উঠবে না। হয়ত, ওই চার জন দেশের মাটিতে শেষ টেস্ট খেলে ফেলল।” 

    ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীদের দাবি

    দেশের মাটিতে পরপর বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মোট ৫টি টেস্ট ম্যাচ খেলল টিম ইন্ডিয়া (Team India)। এই পাঁচ টেস্টে দুই তারকা রোহিত ও  বিরাটের পরিসংখ্যান ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীদের যথেষ্ট রাগের কারণ হতে পারে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টিম ইন্ডিয়া ৩ টেস্টের সিরিজে ক্লিনসুইপ হওয়ার পর কোহলি ও রোহিতের উপর চটেছেন ভক্তরাও। রোহিত শর্মা দেশের মাটিতে শেষ ৫ টেস্ট ম্যাচে ১০ ইনিংসে করেছেন ১৩৩ রান। গড় ১৩.৩০। সর্বাধিক রান ৫২। যা এসেছিল বেঙ্গালুরু টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে। এ বছরের মার্চে ধর্মশালায় ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন রোহিত।

    অন্যদিকে ভারতের মাটিতে বিরাট কোহলির শেষ ৫ টেস্ট ম্যাচে যদি নজর রাখা হয়, তা হলে দেখা যাবে তিনি ২১.৩৩ গড়ে করেছেন ১৯২ রান। তাঁর সর্বাধিক স্কোর ৭০। যা এসেছিল বেঙ্গালুরু টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে। ২০২৩ সালের জুলাইতে পোর্ট অব স্পেনে ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট শতরান করেছিলেন বিরাট। এই আবহে রোহিত-বিরাট ম্যাজিকে পড়েছে টান। নেটিজেনদের দাবি, এবার ‘রো-কো’ জুটির থামা উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs Bangladesh: ঋষভ-গিলের জোড়া শতরান, বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের জয় সময়ের অপেক্ষা

    India vs Bangladesh: ঋষভ-গিলের জোড়া শতরান, বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারতের জয় সময়ের অপেক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে জয় থেকে আর মাত্র কয়েক কদম দূরে দাঁড়িয়ে আছেন রোহিতরা।  তৃতীয় দিনের শেষে শান্তদের রান ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান। বাংলাদেশের এখনও দরকার ৩৫৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ঋষভ পন্থ ও শুভমান গিলের সেঞ্চুরি। তার পর রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ঘূর্ণি। জোড়া ফলায় বেসামাল বাংলাদেশ।  

    জীবন যুদ্ধের নায়ক পন্থ

    কয়েক সেকেন্ডের ভুলে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল তাঁর জীবন। ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় অনিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল তাঁর ক্রিকেট ভবিষ্যৎ। ২০২২-এর ডিসেম্বরে বাংলাদেশ থেকে টেস্ট সিরিজ খেলে দেশে ফেরার চার দিন পরের সেই দুর্ঘটনার অভিঘাতে দুমরে যাওয়া স্বপ্ন ভেঙে যেতে দেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পন্থকে বাইশ গজে ফেরানোর চেষ্টার কসুর করেননি জয় শাহেরা। তরুণ উইকেটরক্ষক-ব্যাটারও হাল ছাড়েননি। ৬৩২ দিন পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে চেন্নাইয়ের কঠিন পিচে শতরান করলেন জীবন যুদ্ধের নায়ক ঋষভ পন্থ। 

    মিরপুরে খেলা শেষ টেস্টে ৭ রানের জন্য শতরান হাতছাড়া হয়েছিল। চেন্নাইয়ে সেই নাজমুল হোসেন শান্ত, শাকিব আল হাসানদের বিরুদ্ধেই ১০৯ রানের ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়লেন রুরকির তরুণ। ভারতীয় উইকেটরক্ষকদের মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটে মহেন্দ্র সিংহ ধোনির সবচেয়ে বেশি ছ’টি শতরানের নজির ছুঁয়ে ফেললেন পন্থ। বুঝিয়ে দিলেন ভারতীয় দলে উইকেটরক্ষকের জায়গার হক তাঁরই। ১২৮ বলের ইনিংসে ১৩টি চার, ৪টি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ৮৫.১৫।

    শতরান গিলের

    বাংলাদেশের বিপক্ষে তৃতীয় দিন ৩ উইকেটের বিনিময়ে ৮১ রান নিয়ে খেলা শুরু করেন গিল ও পন্থ। দ্রুত রান তুলতে থাকেন দুই তরুণ ক্রিকেটার। শতরান করেন গিলও। ১৭৬ বলে ১১৯ রানে অপরাজিত থাকেন। রাহুল দ্রাবিড়ের পর দ্বিতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসেবে ওয়ান ডাউনে নেমে মাত্র ৩৫ টি ম্যাচ খেলে চেন্নাইয়ের চিপকে শতরানের নজির গড়লেন। ইনিংসে ১০টি চার এবং ৪টি ছক্কা হাঁকান শুভমান। প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়ায় কম সমালোচিত হননি। কেন তাঁকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, সেই প্রশ্নও ওঠে। দ্বিতীয় ইনিংসে সব জবাব দিলেন এই তরুণ। গিল ও পন্থের জোড়া শতরানের ওপর ভর করে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ২৮৭ রান করে ডিক্লেয়ার করে ভারত। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ৫১৪ রানের লিড নেন রোহিতরা। 

    জয় সময়ের অপেক্ষা!

    চা বিরতির এক ঘণ্টা আগে ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেয় ভারত। লক্ষ্য ছিল এই এক ঘণ্টায় দ্রুত বাংলাদেশের উইকেট তোলা। কিন্তু সেটা হয়নি। বাংলাদেশের দুই ওপেনার জাকির হাসান এবং শাদমান ইসলাম মিলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন। জাকির হাসানকে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু ঘটান যশপ্রীত বুমরা। ভারতীয় পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বল লোভ সামলাতে না পেরে ব্যাট বাড়ান জাকির। বল চলে যায় গালিতে। যশস্বী জয়সওয়াল বল ধরতে ভুল করেননি। ৩৩ রান করে আউট হন জাকির। তার পর শুরু হয় অশ্বিনের (৬৩/৩) জাদু। দ্রুত ফিরে যান মোমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম। শাদমানও বাঁচতে পারলেন না অশ্বিনের ঘূর্ণি থেকে। খারাপ আলোর কারণে, নির্ধারিত সময়ের এক-ঘণ্টা আগেই শেষ হয় দিনের খেলা। না হলে, হয়ত বাংলাদেশের পরিস্থিতি আরও খারাপ হত। এখন সকলের নজর চতুর্থ দিনের দিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share