Tag: BCG vaccine supply

  • India: ফের একবার আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াল ভারত, এবার কী সাহায্য করা হচ্ছে?

    India: ফের একবার আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াল ভারত, এবার কী সাহায্য করা হচ্ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়াল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারত। মঙ্গলবার জানা গিয়েছে, আফগানিস্তানের শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধে টিকাকরণ কর্মসূচিকে সমর্থন করতে ১৩ টন বিসিজি (BCG) টিকা এবং সংশ্লিষ্ট শুকনো সামগ্রী সরবরাহ করল ভারত। বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া তথ্যেই জানা গেল এ খবর।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য (India)

    এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত আফগানিস্তানের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রককে ১৩ টন বিসিজি টিকা এবং সংশ্লিষ্ট শুকনো সামগ্রী দিয়েছে, যাতে দেশটির শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধ টিকাকরণ কর্মসূচি আরও জোরদার করা যায়।” এই চালানটি আফগানিস্তানের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে, যাতে দেশের শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধ কর্মসূচি শক্তিশালী করা যায়। ভারত দীর্ঘদিন ধরে আফগানিস্তানকে মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে, এর মধ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং টিকা দানও রয়েছে। ৩ এপ্রিল আফগানিস্তানে ভূমিকম্পের পরেও এই সাহায্য অব্যাহত রয়েছে। এর আগে, ৫ এপ্রিল বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ভারত বন্যা ও ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত আফগানিস্তানকে মানবিক সহায়তা দিয়েছে।

    ভারত আফগানিস্তানের জনগণের পাশে রয়েছে

    সেই সময় রণধীর জয়সওয়াল এক পোস্টে জানিয়েছিলেন, ভারত দুর্যোগ ত্রাণ সামগ্রী যেমন রান্নার সরঞ্জাম, স্বাস্থ্যবিধি কিট, প্লাস্টিক শিট, ত্রিপল, স্লিপিং ব্যাগ ইত্যাদি পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, “ভারত আফগানিস্তানের জনগণের পাশে রয়েছে এবং এই কঠিন সময়ে মানবিক সহায়তা দান অব্যাহত রাখবে।” জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় ১৩১টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে এবং ৬৫০টির আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ৩,০০০-এর বেশি জেরিব কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে, আফগানিস্তান সরকার রাষ্ট্রসংঘের নিষেধাজ্ঞার ব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করেছে। সাম্প্রতিক তালিকাকে তারা “অযৌক্তিক এবং অকার্যকর” বলে অভিহিত করেছে।

    আফগানিস্তানের মুখপাত্রের বক্তব্য

    এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, “এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা নীতিগত ব্যর্থতা এবং সঠিক বিশ্লেষণের অভাব প্রকাশ করে।” তিনি বলেন, “বারবার একই পদক্ষেপ করা যুক্তিহীন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি এর প্রভাব যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।” মুজাহিদ আরও বলেন, “এই নিষেধাজ্ঞাগুলি মূলত সাধারণ আফগান জনগণের ক্ষতি করে, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের নয়।” তিনি সতর্ক করেন, ব্যক্তিদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শেষ পর্যন্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বৃহত্তর সমাজকেও প্রভাবিত করে।

    প্রসঙ্গত, এই মন্তব্যগুলি এসেছে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পর। সেখানে ১৯৮৮ সালের নিষেধাজ্ঞা কমিটি চারজন প্রবীণ তালিবান কর্তার তথ্য আপডেট করা হয়েছে। এঁরা হলেন, মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ, আবদুল গনি বরাদর, আমির খান মুত্তাকি এবং হেদায়াতুল্লাহ বাদরি।

     

LinkedIn
Share