Tag: Beer

Beer

  • FIFA World Cup 2022: কাতারে বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, হতাশ সুরাপ্রেমীরা

    FIFA World Cup 2022: কাতারে বিশ্বকাপে বিয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, হতাশ সুরাপ্রেমীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের খেলা (FIFA World Cup 2022) শুরু হতে বাকি মাত্র দু দিন। তার আগে ফিফা এবং কাতার যা ঘোষণা করল, তা শুনে মাথায় হাত সুরাপ্রেমীদের। শুক্রবার ফিফা এবং কাতার এক যোগে জানিয়ে দিল, সে দেশের আটটি বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামের আশপাশে বিয়ার (Beer) বিক্রি করা যাবে না। ফিফার তরফে জানানো হয়েছে, আয়োজকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ইসলামিক রাষ্ট্রগুলিতে…

    কাতার ইসলামিক রাষ্ট্র। ইসলামিক রাষ্ট্রগুলিতে মদ্যপানের ক্ষেত্রে নানা নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কাতারেও তা রয়েছে। তবে বিশ্বকাপ আয়োজকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের একটি চুক্তি হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছিল, বিশ্বকাপ যতদিন চলবে, ততদিন কাতারে বিয়ার পান করার ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। তার পরেও হঠাৎ করে খেলা শুরুর মাত্র দু দিন আগে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা বুঝতে পারছেন না সুরাপ্রেমীরা। ঘটনাটিতে যে কাতারের শাসক পরিবারের সায় রয়েছে, তা জানা গিয়েছে সে দেশের মিডিয়া রিপোর্ট থেকেই।

    কাতার প্রশাসনের এহেন সিদ্ধান্তে মাথায় হাত ফিফার (FIFA)। কারণ এবার বিশ্বকাপের মূল স্পনসর একটি বিয়ার প্রস্তুতকারী সংস্থা। বিশ্বকাপ উপলক্ষে ব্যবসা ভালো হওয়ার কথা ভাবছিলেন তাঁরা। কিন্তু কাতার প্রশাসনের আচমকা এক সিদ্ধান্তে এক লহমায় বদলে গেলে সব কিছু। যদিও আগে ঠিক হয়েছিল, খেলা শুরুর আধ ঘণ্টা আগে স্টেডিয়াম এবং ফ্যান পার্কে বিয়ার বিক্রি করা হবে। কিন্তু কাতার প্রশাসনের এই নিষেধাজ্ঞার জেরে এখন আর তা হচ্ছে না।

    আরও পড়ুন: কাতারে ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন জগদীপ ধনখড়

    এক সময় জানা গিয়েছিল, ফ্যান পার্কে বিক্রি করা হবে বিয়ার। সেখানে এক গ্লাস বিয়ারের দাম ধার্য করা হয়েছিল ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১১০০ টাকা। এক গ্লাস বিয়ারের দাম ১১০০ টাকা হওয়ায় দাম বেড়েছিল অনুপানেরও। স্যালাডের দাম হয়েছিল ৯০০ টাকা। তুলনায় সস্তা গ্রিক স্যালাড। তার দাম ৫০০টাকা। এসব নিয়েও ক্ষোভ ছিল সুরাপ্রেমীদের একাংশের মনে। সেই ক্ষোভই এবার আরও বাড়ল বিয়ার নিষিদ্ধ হওয়ায়। জানা গিয়েছে, কেবল ফ্যান পার্ক নয়, বিয়ার মিলবে না হোটেলগুলিতেও।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Liquor price hike: ক্লাব অনুদানের টাকা তুলতে পুজোর আগেই বাড়ছে মদের দাম

    Liquor price hike: ক্লাব অনুদানের টাকা তুলতে পুজোর আগেই বাড়ছে মদের দাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসছে পুজো বাড়ছে মদের দাম। বাড়তি রোজগারের টাকাতেই পুজোয় ক্লাব অনুদানের টাকা তুলে নিতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। শুধু তাই নয়, পুজোর আবহ তৈরি করে মদের বিক্রি বাড়াতেই ভাদ্রের মল মাসেও দুর্গাপুজো নিয়ে পদযাত্রা করে বাঙালিকে মাতিয়ে দেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে নবান্নের অন্দরের খবর।

    আবগারি দফতর সূত্রের খবর, সবকিছু ঠিকঠাক চললে মহালয়ার দিন সাতেক আগেই দিশি এবং ফরেন লিকারের(বিলিতি)দাম ৭ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে আবগারি শুল্কের কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। দিশি এবং ফরেন লিকারের উৎপাদকেরা তাদের ডিস্টিলারি থেকে মদ উৎপাদনের খরচ বাড়ার কারণে উৎপাদন মূল্য বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলেন।গত ছমাস ধরে সেই প্রস্তাব থাকলেও নবান্ন তা মঞ্জুর করেনি। দুর্গাপুজোর ক্লাব অনুদান ঘোষণার দুএকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মদের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন। যদিও সরকার আবগারি শুল্কের কোনও পরিবর্তন করছে না, তবুও মদের দাম বাড়ার ফলে বেভারেজ কর্পোরেশনের লেনদেনে ব্যাপক প্রভাব পড়বে। মদের উৎবপাদন মূল্য যত বেশি হবে বেভকো তত বেশি কমিশন পাবে। ফলে ইডিপি বাড়ার ফলে নবান্নের রোজগার বাড়বে। সেই টাকাতেই ক্লাবগুলিতে দেওয়া পুজোর অনুদাম তুলে নেওয়া হবে।

    আবগারি কর্তাদের আশা, সরাসরি কর আদায় না বাড়লেও বাড়তি দামের ফলে আরও মোটা টাকার লেনদেন হবে, তাতে অন্তত ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব বাড়তে পারে। পুজোর অনুদানের খরচ মদ বিক্রি করে দুমাসেই তুলে নিতে পারবে রাজ্য।রাজ্যে এখন প্রায় দেড় কোটি কেস ফরেন লিকার এবং ১ কোটি কেস বিয়ার বিক্রি হয়। করোনার সময় দীর্ঘদিন মদের দোকান বন্ধ থাকায় আবগারি রাজস্ব কমে গিয়েছিল। ২০২১ এর নভেম্বরে সরকার মদের দাম অনেকটাঅ কমিয়ে দিয়েছিল। তার ফলে বিলিতি মদ বা বিয়ারের বিক্রি প্রায় ৫০% বেড়ে গিয়েছে। এখন মদ্যপায়ীদের পানের অভ্যাস আগের মতো ফিরে আসায় সরকার ফের মদের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে মদের উৎপাদন মূল্য বাড়ানোর পিছনে কোনও এক রহস্য আছে বলেও শোনা যাচ্ছে।

    আবগারি দফতর জানাচ্ছে, দুর্গাপুজো থেকে ছট পর্যন্ত প্রতি বছরই মদের বিপুল বিক্রি হয়। উৎসবের মরশুমে বাঙালি হাতখুলে খরচও করে থাকে। ফলে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি মদের দাম বাড়ালে বিক্রিতে খুব একটা প্রভাব পড়বে না। বরং বাড়তি আয় দিয়ে পুজোর আগে নবান্নের বাড়তি খরচ পুষিয়ে দেওয়া যাবে।

    মদের দাম বৃদ্ধির কানাঘুষো খবর বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক দীপক বর্মন বলেন, ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। একদিকে দুর্গাপুজোর সহায়তা দিতে ক্লাবগুলিকে অনুদান দিচ্ছে সরকার। সেই টাকা তোলা হচ্ছে মদের বিক্রি এবং দাম বাড়িয়ে। ভাদ্রের মল মাসেও মুখ্যমন্ত্রী পুজোর আবহ তৈরি করতে চাইছেন।যাতে এখন থেকেই মদে মেতে ওঠে যুব সমাজ। ঘুরিয়ে মদের দাম বাড়িয়ে তাদের পকেট কেটেই ক্লাব অনুদানের টাকা তুলছে নবান্ন। বাঙালি আর কবে বুঝবে?  আর কত ঠকবে?     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Beer: বিয়ার খেলে কমবে একাধিক রোগ-ব্যাধি! এমনই দাবি গবেষণায়

    Beer: বিয়ার খেলে কমবে একাধিক রোগ-ব্যাধি! এমনই দাবি গবেষণায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিন বিয়ার (Beer) খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো? সত্যিই ভালো না ক্ষতিকর, এই নিয়ে দ্বিধা অনেকের মনেই রয়েছে। কিন্তু নতুন গবেষণা বলছে, নিরাপদ মাত্রায় বিয়ার স্বাস্থ্যের জন্য বরং ভালো।

    আরও পড়ুন: মূত্র, নর্দমার জল থেকে বিয়ার! চোখ কপালে সুরাপ্রেমীদের

    একটি নতুন রিপোর্টে বলা হয়েছে, যে অ্যালকোহলিক বা নন-অ্যালকোহলিক হোক, বিয়ার আপনার পেটের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষ করে পুরুষদের ক্ষেত্রে। বিয়ারের মধ্যে থাকে ভিটামিন বি, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ফসফরাস, ফোলেট ও কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়া। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, বিয়ার অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটার জন্য ভালো যেটি খাবার হজমের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    সম্প্রতি, ১৯ জন কে নিয়ে একটি গবেষণা করা হয় ও তাঁদের দুটি গ্রুপে ভাগ করে দেওয়া হয়। এরপর দুটি গ্রুপের সদস্যদের প্রতিদিন ৩৩০ মিলিলিটার করে অ্যালকোহলিক বা নন-অ্যালকোহলিক বিয়ার দেওয়া হয়। চার সপ্তাহ পর দেখা যায়, তাদের সবারই অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমে ভালো ব্যাকটেরিয়া দেখা যায় ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি হয়। বিয়ারে অ্যালকোহলের মাত্রা থাকে ৫ থেকে ৭ শতাংশ। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে বিয়ার খেতে হবে। কারণ কখনওই মাত্রাতিরিক্ত বিয়ার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। 

    আরও পড়ুন:ওবেসিটিতে ভুগছেন? মদ্যপান নৈব নৈব চ! হতে পারে ক্যানসারও

    তবে বিয়ার শুধুমাত্র পেটের জন্যই নয়, গবেষণায় দাবি যে এটি ক্রনিক রোগ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ কমাতেও সাহায্য করে থাকে। বিয়ারে থাকে গুড কোলেস্টেরল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং একাধিক খনিজ উপাদান, যা ব্যাড কোলস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। বিয়ার, ক্যান্সার সৃষ্টিকারী এনজাইমগুলিকে বাধা দিয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে থাকে।

    আবার বিয়ারের মধ্যে রয়েছে সহজপাচ্য কার্বোহাইড্রেট এবং অল্প পরিমাণ শর্করা। ফলে এটি মেটাবোলিজমের জন্যও ভালো। অন্যদিকে ত্বকের জন্যও বিয়ার অত্যন্ত উপকারী। বিয়ার ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। বিয়ার  কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে থাকে। তবে যদি কোনও রোগ ব্যাধি থাকে, তবে তাঁর বিয়ার খাওয়া থেকে দূরে থাকাই ভালো।

  • Beer From Urine: মূত্র, নর্দমার জল থেকে বিয়ার! চোখ কপালে সুরাপ্রেমীদের

    Beer From Urine: মূত্র, নর্দমার জল থেকে বিয়ার! চোখ কপালে সুরাপ্রেমীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মূত্র (Urine), নর্দমার জল (Sewage Water) থেকে তৈরি হচ্ছে বিয়ার (Beer)! কেউ কস্মিন্কালে শুনেছে এমন কথা! এমনটাই ঘটছে সিঙ্গাপুরে (Singapore)। এক অভিনব কায়দায় সুরা তৈরি করছে ‘নিউব্রু’ (New Brew) নামের এক সংস্থা। তাদের দাবি, মূত্র ও নর্দমার জল থেকে তৈরি এই বিয়ারই নাকি বিশ্বের সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব বিয়ার। নোংরা জল পরিশুদ্ধ করে তৈরি হচ্ছে এই বিশেষ ধরনের বিয়ার। 

    কেনই বা এই বিচিত্র পদ্ধতিতে বিয়ার তৈরির পরিকল্পনা নিল এই সংস্থা? সংস্থার এই বিষয়ে বক্তব্য, বিশ্বে যেভাবে জল সংকট বাড়ছে, তাতে আগামী কয়েকবছরে পানীয় জলের বিপুল পরিমাণ ঘাটতি দেখা দেবে। এই আবহে জলের সংরক্ষণ ও পুনর্ব্যবহারের প্রয়োজন রয়েছে। সেই কথা মাথায় রেখেই এই বিয়ার সংস্থা এই অভিনব পন্থায় বিয়ার তৈরি করছে। 

    আরও পড়ুন: এ কেমন শখ! মানুষ থেকে কুকুর হল জাপানি যুবক

    কিন্তু এই পন্থা কিন্তু খুব একটা নতুন নয়। ২০১৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্যান দিয়েগোর এক বিয়ার সংস্থা  এমনভাবেই নোংরা জলকে পরিশ্রুত করে বিয়ার তৈরি করেছিল।  
     
    সিঙ্গাপুরের ওই সংস্থা জানিয়েছে, তাদের বিয়ারের অন্যতম প্রধান উপাধান ‘নিওয়াটার’ (NeWater)। নর্দমার জলকে পরিশোধিত করে তৈরি করা হয় এই উপাদান। একধিক পরীক্ষা এবং পরিশ্রুতকরণের প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় এই নিওয়াটারকে। সংস্থার আরও দাবি, তাদের বিয়ার তৈরি করা হয় ৯৫ শতাংশ পরিশোধিত জল দিয়ে। আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বিধি মেনেই এই বিয়ারের জল পরিশোধিত করা হয়। বেশ কয়েক দফায় কড়া পরীক্ষা করা হয়। তারপর তৈরি করা হয় ‘আলট্রা ক্লিন’ জল। আর তা দিয়েই তৈরি হয় বিয়ার।  

    আরও পড়ুন: নিলামে উটের দাম হাঁকা হচ্ছে ১৪ কোটি! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে সরগরম নেটপাড়া

    গত মাসেই জাতীয় জল সংস্থা পিইউবি এবং স্থানীয় বিয়ার সংস্থা ব্রুয়ারি ব্রুওয়ার্কজের যৌথ উদ্যোগে লঞ্চ হয়েছে এই নতুন বিয়ার ব্র্যান্ড।

LinkedIn
Share