Tag: Behala

Behala

  • Durga Puja: বেহালার ক্লাবের থিম ‘ফুচকা মণ্ডপ’, আর তাতেই বিপত্তি! মণ্ডপের ফুচকা খাচ্ছে দর্শনার্থীরাই

    Durga Puja: বেহালার ক্লাবের থিম ‘ফুচকা মণ্ডপ’, আর তাতেই বিপত্তি! মণ্ডপের ফুচকা খাচ্ছে দর্শনার্থীরাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বেহালার নতুন দল ক্লাবের এবারের থিম ‘ফুচকা-মণ্ডপ’। আর তাতেই বিপত্তি। ফুচকা খেয়ে পেট পুজোতে মেতে উঠেছেন দর্শনার্থীরা। পুজো উদ্যোক্তাদের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তবে কে কার বারণ শোনে। এই নিয়ে প্রবল শোরগোল পড়েছে বেহালার ‘নতুন দল’ ক্লাবের পুজোকে ঘিরে। সাবধান করতে মাইকিং করা হচ্ছে কিন্তু কাজে লাগছে না কিছুই।

    ফুচাকার পেট পুজো (Durga Puja)

    ফুচকা একটি লোভনীয় খাবার। আট থেকে আশি সকলেই এই খাবার খেতে পছন্দ করেন। দুর্গা পুজোতে (Durga Puja) প্রত্যেক পুজো মণ্ডপে ফুচকার দোকান অবশ্যই চোখে পড়ে। এবার এই লোভানীয় খাবার দিয়েই গোটা একটা পুজোর আস্ত প্যান্ডেল নির্মাণ করে, রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছে বেহালার ‘নতুন দল’। পুজো উদ্যোগতারা ভেবেছিলেন, বাঙালি প্রিয় খাবার দিয়েই এবারের মণ্ডপ সাজিয়ে দর্শনার্থীদের মন জয় করে নেবেন, কিন্তু সপ্তমী থেকেই ‘নতুন দলের’ কর্মকর্তাদের কপালে চিন্তার কালো মেঘ ঘনিয়ে আসে। কারণ, যে ফুচকা দিয়ে মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে, তা আগত দর্শনার্থীরাই খেয়ে ফেলছেন বলে জানা গেছে। মণ্ডপ সজ্জার ফুচকা যদি পেট পুজোয় যায়, তাহলে মণ্ডপের সৌন্দর্য কীভাবে শোভাবর্ধন করবে!

    ফুচাকার মণ্ডপ

    মহালয়ার পর দেবীপক্ষের সূচনার পর, এই নতুন দলের পুজোর উদ্বোধন হয়। এই পুজো মণ্ডপ নির্মাণের শিল্পী হলেন অয়ন সাহা। গোটা পুজো মণ্ডপের প্যান্ডেল হল ফুচকা দিয়ে তৈরি। মণ্ডপের প্রবেশ থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত, উপরে নিচে ডানে বামে চতুর্দিকে কেবল ফুচকা আর ফুচকার সমাহার। কিন্তু সপ্তমী থেকেই মণ্ডপে (Durga Puja) সাজানো ফুচকার সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।

    ক্লাবের কর্মকর্তার বক্তব্য

    পুজো ক্লাবের (Durga Puja) কর্মকর্তা সন্দীপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “১ লক্ষের বেশি ফুচকা দিয়ে মণ্ডপ সাজানো হয়েছে। ফুচকা কমবেশি সবাই ভালোবাসেন, আর তাই হাতের কাছে পেয়ে কেউ লোভ সামলাতে পারছেন না। মণ্ডপ থেকেই ফুচকা তুলে নিচ্ছেন। কেউ খাচ্ছেন আবার কেউ সঙ্গে করে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে। মণ্ডপের এই সকল ফুচকা, আসল ফুচকা। ফুচকাকে মুচমুচে রাখতে বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়েছে। তাই এই ফুচকা খেলে পেট খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

    ইতিমধ্যে মাইকে বার বার ঘোষণা করা হচ্ছে যে ‘দয়া করে মণ্ডবের ফুচকায় কেউ হাত দেবেন না, ওই ফুচকায় কেমিক্যাল আছে, খেলে শরীরের বিপদ হতে পারে।’ যদিও স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে মণ্ডপের সুরক্ষার বিষয়টিকে নজর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের সতর্ক করা হয়েছে।  

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Road Accident: লরির ধাক্কায় মৃত খুদে পড়ুয়া! পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধে ধুন্ধুমার বেহালায়

    Road Accident: লরির ধাক্কায় মৃত খুদে পড়ুয়া! পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধে ধুন্ধুমার বেহালায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় (Road Accident) এক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুকে ঘিরে শুক্রবার অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল বেহালা। জানা গিয়েছে, মৃত পড়ুয়ার নাম সৌরনীল সরকার। এই ঘটনার জেরে ধুন্ধুমার বেঁধে যায় গোটা এলাকায়। জনতার রোষে পুলিশের ভ্যান দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে বেহালায়। সরকারি বাসেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। পাল্টা পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। স্থানীয়দের বিক্ষোভে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার রোডও বিক্ষুব্ধ জনতা অবরোধ করে। অভিযোগ, দুর্ঘটনার (Road Accident) পর লরিচালককে ধরা গেলেও, পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছে। পরে, সকাল দশটা নাগাদ কোনা এক্সপ্রেসওয়ের বাবলাতলা নামক জায়গা থেকে লরি চালককে গ্রেফতার করেছে হাওড়া ট্রাফিক পুলিশ।

    জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধ

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শুক্রবার সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ মাটি বোঝাই একটি লরি প্রচণ্ড গতিতে এসে ধাক্কা মারে বড়িশা হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রকে। তার বাবা ছিটকে গিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই খুদে পড়ুয়ার (Road Accident)। গুরুতর জখম তার বাবা সরোজ সরকারকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যাসাগর হাসপাতালে। সেখান থেকে তাঁকে পাঠানো হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। বর্তমানে, এসএসকেএম-এর ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন পড়ুয়ার বাবা। এদিকে, এই দুর্ঘটনার পরই রাস্তা অবরোধ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে স্থানীয় মানুষজন। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। পুলিশ ভ্যানে আগুন লাগিয়ে দেয় ক্ষিপ্ত জনতা। পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় (Road Accident)। পথচলতি সাধারণ মানুষকে এই কারণে ব্যাপক দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়। এরপরে পরিস্থিতি সামাল দিতে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী ও পুলিশের তরফে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়েছে বলে খবর রয়েছে।

    বিক্ষোভকারীদের দাবি

    এদিন বিক্ষোভকারীরা বলতে থাকেন যে পুলিশ নিজের কাজ করে না। ঘুষ খেতে ব্যস্ত। পুলিশ সচেষ্ট হলে এমন ঘটনা কি ঘটতে পারে? এদিন স্কুলের অভিভাবকদের মুখেও শোনা যায় ক্ষোভের সুর। তাঁরা ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলতে থাকেন যে স্কুলের সামনে কোনও ট্রাফিক পুলিশ থাকে না। দূরে যারা বসে থাকে তারা সবসময় ফোন নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে। অন্যদিকে বড়িশা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘‘আমার একটি ছেলেকে এইভাবে হারাতে হবে (Road Accident) আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। পুলিশ যদি সচেতন হতো, তাহলে এই ঘটনা ঘটত না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalighater Kaku: আগামী মঙ্গলবার ‘কালীঘাটের কাকু’ সুজয়কৃষ্ণকে তলব ইডির

    Kalighater Kaku: আগামী মঙ্গলবার ‘কালীঘাটের কাকু’ সুজয়কৃষ্ণকে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীঘাটের কাকু (Kalighater Kaku) ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে এবার ডেকে পাঠাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রের খবর, আগামী মঙ্গলবার (৩০ মে) সংস্থার দফতরে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। সকাল সাড়ে ১১টায় তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হতে বলা হয়েছে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের প্রাক্তন কর্মী সুজয়কৃষ্ণের বেহালার বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি।

    নোটিস পাঠানো হয়েছে

    গত শনিবার তৃণমূলের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সদস্য জ্ঞানানন্দ সামন্তের বিবিরবহাটের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে রাহুল বেরা নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকেও তলব করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রের খবর। ওই দিন বেহালার ফফিরপাড়া রোডে তল্লাশি অভিযানের সময় সুজয়ের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি। সূত্রের খবর, সেই মোবাইল থেকে উদ্ধার হওয়া কিছু ‘তথ্য’ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পরে তাঁকে। এ সংক্রান্ত নোটিস ইতিমধ্যেই সুজয়কৃষ্ণের (Kalighater Kaku) কাছে পাঠানো হয়েছে।  কালীঘাটের কাকুর কথা প্রথম শোনা গিয়েছিল তাপস মণ্ডলের মুখে। তার আগে গোপাল দলপতির কথায় ইঙ্গিত মিলেছিল কালীঘাটের কাকু সম্পর্কে। এরপর নিয়োগকাণ্ডে একাধিক ধৃতের মুখ থেকে সুজয়কৃষ্ণের নাম উঠে আসে।

    আরও পড়ুন: ৮ ডিএ আন্দোলনকারীকে আগাম জামিন কলকাতা হাইকোর্টের! কেন জানেন?

    নিয়োগকাণ্ডে এই কালীঘাটের কাকুর (Kalighater Kaku) ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। এর আগে সিবিআই ডেকে পাঠিয়েছিল তাঁকে। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েন তিনি। তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছিল, ‘কালীঘাটের কাকু’র আসল নাম সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। সেই সুজয়কে এর আগে দু’বার তলব করেছিল সিবিআই। প্রথম বার হাজিরা দিলেও পরে তিনি নিজে হাজিরা দেননি। বদলে আইনজীবীকে দিয়ে নথিপত্র পাঠিয়ে দেন। সুজয় সে সময় জানান, তাঁর কাছে কিছু নথি চাওয়া হয়েছিল। সেগুলি আইনজীবীকে দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি নিজেই জানান, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি আইনজীবীর মাধ্যমে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share