Tag: beldanga

beldanga

  • Monohora Sweet: রসের বাঁধন, অথচ শুকনো! মনোহরার ইতিহাস সত্যিই যেন মন হরণ করে নেয়

    Monohora Sweet: রসের বাঁধন, অথচ শুকনো! মনোহরার ইতিহাস সত্যিই যেন মন হরণ করে নেয়

    হরিহর ঘোষাল

    রাজ্যজুড়ে মিষ্টির বাহার প্রচুর। জায়গা ভেদে সেখানকার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিখ্যাত, নামকরা কিছু মিষ্টি। রসগোল্লা, পান্তুয়া ছাড়াও রসের মিষ্টি হোক কিংবা ছানার সন্দেশ-মিষ্টির তালিকা বললে শেষ করা যাবে না। তবে, নাম যাই হোক না কেন, মিষ্টি খাওয়াতে খাদ্যরসিক বাঙালির জুড়ি ভার। এই প্রতিবেদনে আমরা জানাব, ব্রিটিশ আমলে তৈরি হওয়া মনোহরা (Monohora Sweet) মিষ্টির আদি কথা। বাংলাদেশের ঢাকার প্রাণহরার সঙ্গে মনোহরার ব্যুৎপত্তিগত সাদৃশ্যকে তুলে ধরার জন্য কবি মোহিতলাল মজুমদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বলতেন, “তোরা মিষ্টির নাম রাখিস প্রাণহরা, আর আমরা নাম রাখি মনোহরা।”

     নবাবি আমলের মনোহরা! (Monohora Sweet)

    মনোহরা হুগলি না মুর্শিদাবাদের, তা নিয়ে বিতর্ক চলতেই পারে। হুগলিবাসীর দাবি, এই মিষ্টি জনাইয়ে প্রথম তৈরি হয়েছিল। মুর্শিদাবাদে নবাবের দেশের মানুষরা আবার মনোহরা মিষ্টির (Monohora Sweet) তৈরির কৃতিত্ব বেলডাঙা, কান্দির ময়রাদের দিতে চান। বিতর্কে না গিয়ে, দুটি জেলারই মিষ্টি তৈরির ইতিহাস আমরা তুলে ধরছি। একটি মত থেকে জানা যায়, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে রজগোপাল সাহা বেলডাঙায় প্রথম মনোহরা মিষ্টি তৈরি করেছিলেন। বাংলা টপ্পার জনক রামনিধি গুপ্ত ওরফে নিধুবাবু শহরের বাবুগিরির গানে লিখেছেন “খাওয়াইব গণ্ডা গণ্ডা মনোহরা দেদো মণ্ডা। খেয়ে খেয়ে যাবে প্রাণটা, বলবে বলিহারি যাই।” মুর্শিদাবাদের কান্দি, বেলডাঙার মনোহরার সুখ্যাতি সেকালে কালাপানি পাড় হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সাহেবদের দেশেও।

    অন্য একটি মতে, মুর্শিদাবাদের নবাবদের খাস ময়রা এই মিষ্টি অষ্টাদশ শতকে আবিষ্কার করেন। জনৈক ময়রা বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার দহগ্রামের নিকট কিরীটকোনা গ্রামের কিরীটেশ্বরী মন্দিরের নিকট বাস করতেন। সেখানেই তিনি প্রথম মনোহরা মিষ্টি প্রস্তুত করেন। মুর্শিদাবাদের নবাবরা ডাবের শাঁস, কাজুবাদাম, এলাচ ও ক্ষীর দিয়ে তৈরি মনোহরা পছন্দ করতেন। নবাবির পতনের সঙ্গে সঙ্গে মনোহরা রাজকীয় পৃষ্ঠাপোষকতা থেকে বঞ্চিত হয়। যে মিষ্টি এককালে সমগ্র মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রস্তুত হত, তা ক্রমে বেলডাঙা, কান্দির মতো বিশেষ কিছু জায়গায় প্রস্তুত হতে থাকে। বাংলার মিষ্টির ইতিহাস নিয়ে যাঁরা চর্চা করেন, মনোহরার জন্মবৃত্তান্ত নিয়ে তাঁদের মধ্যে অনেক মতভেদ রয়েছে। সে যাই হোক, দুধসাদা মনোহরার মাথায় বাহারি কিসমিসের অলঙ্করণে সত্যিই মনোহরা মুর্শিদাবাদের এই মিষ্টি। বেলডাঙার মনোহরা যদি অসিত সাহা, মদনগোপাল সাহারা বাঁচিয়ে রাখেন, তবে কান্দির সুনাম রক্ষা করে চলেছেন শিবশক্তি দে বা রুদ্রদেব দত্তেরা। সেই ট্রাডিশন এখনও চলছে।

    কীভাবে বানানো হয়?

    চাঁচি, ক্ষীর আর ছানার সঙ্গে এলাচ, জায়ফল আর জয়িত্রীর মিশ্রণে তৈরি ‘পুর’ চিনির মোটা রসের আস্তরণে ঢেকে রাখার অননুকরণীয় শিল্পের নাম মনোহরা। ছানা এবং চিনি হল এই মিষ্টির আসল উপকরণ। ছানা ভালো করে মেখে নেওয়ার পরেই তাকে চিনির সঙ্গে পাক দেওয়া হয়। মেশানো হয় এলাচ, ডাবের শাসের পাতলা আস্তরণ। তারপর সেই পাক হাতে গোল করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে এটিকে রূপদান করা হয়। সবশেষে শিরায় সেটিকে মেশানো হয়। একবার কোট করেই তুলে নেওয়া হয়। ব্যস, মনোহরা তৈরি!

    জনাইয়ের মনোহরা

    হুগলির (Hooghly) জনাইয়ে প্রথম মনোহরা (Monohora Sweet) তৈরি হয়েছিল। এই মিষ্টি তৈরির ইতিহাস দু’শো বছরের ওপর। জনাইয়ের মনোহরার উৎপত্তি নিয়ে একাধিক মত প্রচলিত আছে। একটি মতে, ভীমচন্দ্র নাগের পিতা পরাণচন্দ্র নাগ ছিলেন বর্ধমান রাজের দেওয়ান। এক সময়ে তিনি দেওয়ানের চাকরি ছেড়ে মিষ্টির ব্যবসায় নামেন। হুগলি জেলার জনাইতে তিনি মিষ্টির ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করেন। এই সময়েই তিনি মনোহরা নামক মিষ্টির প্রচলন করেন। আর একটি মত থেকে জানা যায়, জনাইয়ের ময়রারা সন্দেশকে সংরক্ষণ করার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় ভুলবশতঃ সন্দেশকে চিনির রসে ডুবিয়ে ফেলেন। তার থেকেই সৃষ্টি হয় মনোহরা। এছাড়া জনাইয়ের জনৈক ললিত ময়রা ১৮৬০-এর দশকে মনোহরা মিষ্টি তৈরি করেন বলে দাবি করা হয়। আর একটি মত থেকে জানা যায়, জনাইয়ের জমিদার তখন কালীপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ান ছিলেন। সমৃদ্ধি ছিল শহরে। এমনই এক সময় ইংরেজ এক সাহেবের আগমনে রাজবাড়ি (কালীবাবুর বাড়ি) জুড়ে হইহই রইরই রব। মিষ্টি তো সবাই বানায়। তবে রসের বাঁধন থাকবে, ধাঁচ হবে শুকনো এমন মিষ্টি কোথায় পাওয়া যায়? সালটা ১৮৬৮ হবে, কালীবাবুর অনুরোধেই ন্যাড়া ময়রা বানালেন দুর্দান্ত স্বাদের এক মিষ্টি, নাম তখনও অজানা। ইংরেজ সাহেবের পাতে পড়তেই স্বাদ আস্বাদনে আর দেরি করলেন না। মিষ্টি মুখে দেওয়ার পরই একেবারে মিলিয়ে গেল। আবেগে আপ্লুত সাহেব কাটা কাটা বাংলায় বললেন, “এই মিষ্টি আমার মন হরণ করে নিয়েছে।” ব্যস! সেই থেকে মন হরণ করা এই মিষ্টির নাম হল মনোহরা।

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মনোহরার খুব ভক্ত ছিলেন!

    জনাইয়ের মনোহরা (Monohora Sweet) এক সময় কলকাতার রসগোল্লা, শক্তিগড়ের ল্যাংচা ও বর্ধমানের সীতাভোগের মতো সমান জনপ্রিয় ছিল। মুখে মুখে এর জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলায় এবং ক্রমে সারা ভারতে। ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় এবং ব্রিটিশ অভিজাতরা অতিথি আপ্যায়নের জন্য জনাইয়ের মনোহরা আনাতেন। ক্রমে ব্রিটেনেও মনোহরার বাজার তৈরি হয়। পরবর্তীকালে মনোহরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জার্মানিতেও রফতানি হতে থাকে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মনোহরার (Monohora Sweet) খুব ভক্ত ছিলেন। ছবি বিশ্বাস, উত্তম কুমার ও ছায়া দেবীর মতো বাংলা চলচ্চিত্রের নায়ক-নায়িকারা আউটডোর শুট করে কলকাতা ফেরার পথে প্রায়ই গাড়ি থামিয়ে মনোহরা কিনে বাড়ি ফিরতেন। আজও হাজারো মিষ্টির ভিড়ে মনোহরা নিজের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। মুর্শিদাবাদ-হুগলিবাসী বলে নয়, মনোহরার স্বাদ একবার যিনি চেখে দেখেছেন, তাঁর মন জয় করে নিয়েছে ব্রিটিশ আমলে জন্ম নেওয়া এই মিষ্টি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • World Cup 2023: বিশ্বকাপ ফাইনালে বিরাট আউট হতেই হৃদরোগে মৃত্যু হল বৃদ্ধের

    World Cup 2023: বিশ্বকাপ ফাইনালে বিরাট আউট হতেই হৃদরোগে মৃত্যু হল বৃদ্ধের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপ (World Cup 2023) ফাইনাল নিয়ে রবিবার দেশের সর্বত্র উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। সেই ফাইনাল খেলা দেখতে দেখতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে দেশের হার মেনে নিতে না পেরে আচমকাই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয় প্রবীণ এক ক্রিকেটপ্রেমীর। এভাবে মৃত্যুর ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের লোকজন। প্রতিবেশীরাও সুস্থ মানুষের এভাবে চলে যাওয়ার ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না। রবিবার মর্মান্তিক এই ঘটনার সাক্ষী থাকল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। বয়স ৬২ বছর।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (World Cup 2023)  

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সুকুমারবাবুও মুর্শিদাবাদ জেলায় ক্রিকেট খেলার সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন। ফলে, খেলার প্রতি তাঁর বরাবরই আগ্রহ ছিল। আর এবার বিশ্বকাপে (World Cup 2023)  ভারতের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ছিলেন তিনি। তাই, ফাইনাল নিয়ে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন। রবিবার দুপুরে খেলা শুরুর আগে সব কাজ শেষ করে টিভির সামনে বসেছিলেন। পরিবারের সকলকে নিয়ে খেলা দেখছিলেন তিনি। লাগাতার ভারতের উইকেট পড়তে থাকায় উৎকণ্ঠা বাড়ছিল সকলের মধ্যে। সুকুমারবাবু ঘামতে শুরু করেন। একমাত্র ভরসা ছিলেন বিরাট কোহলি। অর্ধশতরান করার পর তিনিও আউট হতেই তিনি উঠে ছাদে চলে যান। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুকে ব্যথা শুরু হয়ে যায় তাঁর। তাঁকে প্রথমে বেলডাঙা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর। প্রতিবেশীদের বক্তব্য, ক্রিকেট খেলা অনেকেই ভালোবাসে। তবে, এরকম ক্রিকেটপ্রেমী খুব কম দেখা যায়।

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    সুকুমারবাবুর স্ত্রী গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিশ্বকাপ (World Cup 2023) নিয়ে প্রথম থেকে ওর উৎসাহ ছিল। কোনও ম্যাচ বাদ দেয়নি। আর কয়েক দিন ধরেই শুধু ফাইনাল ম্যাচের কথা বলছিল। বিশ্বকাপ নিয়ে তাঁর বাড়তি উন্মাদনা ছিল। ভারতের উইকেট পড়তে থাকায় ভীষণ ভাবে ঘামতে শুরু করে আমার স্বামী। ছটফট করছিল। বিরাট কোহলি আউট হওয়ার পর ওর বুকে ব্যথা শুরু হয়। হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA: বেলডাঙায় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ এবার যুক্ত করল ইউএপিএ ধারা

    NIA: বেলডাঙায় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ এবার যুক্ত করল ইউএপিএ ধারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় দেড়় বছর আগে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডে ‘আন ল ফুল অ্যাক্টিভিটিস প্রিভেশন অ্যাক্ট’ অর্থাৎ ইউএপিএ যুক্ত করল এনআইএ (NIA)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে এমন কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে, যা সাধারণত মিলিটারি গ্রেনেডের মতো। সাধারণ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় যা মূলত উদ্ধার হয় না।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (NIA)

    এনআইএ ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি  বেলডাঙা থানার রামেশ্বরপুর গ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় একটি বাগানে ছোট পাম্পের ঘরে এই বিস্ফোরণ হয়েছিল। বিস্ফোরণে উড়ে যায় গোটা ঘরটি। ইয়াসউদ্দিন শেখ ওরফে ছাদি শেখ নামে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয় ঘটনাস্থল থেকেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের তরফে অভিযোগ করা হয়, ওই পাম্পের ঘরে বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। প্রথমে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে রাজ্য পুলিশ। ঘটনাস্থলে যান ফরেন্সিক আধিকারিকরা। ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে এই ঘটনার গুরুত্ব বুঝে তদন্তভার হাতে নেয় এনআইএ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে এনআইএ (NIA)। আবারও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান এনআইএ আধিকারিকরা। তবে ততদিনে ৯ মাস পেরিয়ে গিয়েছে। তদন্তে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৭৪ টি গ্রেনেড উদ্ধার করেছিল। সেই রিপোর্ট পুলিশ এনআইএ-এর হাতে তুলে দেয়। মামলার গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যায়। কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরির রিপোর্টের ভিত্তিতে ইউএপিএ-র আবেদন করা হয়। কারণ, সাধারণ বোমা তৈরির ক্ষেত্রে এই ধরনের জিনিস ব্যবহার করা হয় না। কী কারণে সেখানে এই ধরনের শক্তিশালী বোমা তৈরি করা হচ্ছিল তার সূত্র খোঁজার চেষ্টা করছে এনআইএ।

    আদালতে কী জানিয়েছে এনআইএ?

    আদালতে এনআইএ (NIA) জানায়, পাইপ বোমা বা বোমাতে লোহার টুকরো যা ব্যাবহার করা হয়েছে, তা সাধারণত মিলিটারি গ্রেনেডের মতো। ঘটনায় যারা গ্রেফতার হয়েছে এবং যারা জামিনে রয়েছে, তাদের জামিন বাতিল করার আবেদন জানানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: বেলডাঙায় বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে মৃত্যু, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Bomb Blast: বেলডাঙায় বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে মৃত্যু, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে অশান্তির ঘটনা ঘটেই চলেছে। এগরার খাদিকুল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভুমে বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) পর এবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বোমা বিস্ফোরণে ঘটনা ঘটে। বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম কামাল সেখ। তাঁর বাড়ি মহেশপুর এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    কামালসাহেব রাত পাহাড়ার কাজ করতেন। বুধবার রাতে তিনি বাড়়ি থেকে বের হন। তারপর আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, বুধবার রাতে বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনাটি ঘটেছে। এদিন স্থানীয়দের নজরে আসলে স্থানীয়রা বেলডাঙা থানায় খবর দেন। পুলিশ দেহটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মৃতের ভাই বলেন, দাদা রাত পাহাড়ার কাজ করত। এদিন সকালেই দেখি বোমা ফেটে দাদার মৃত্যু হয়েছে। কী করে এই ঘটনা তা বুঝতে পারছি না।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল বিধায়ক সেখ হাসানুজ্জামান বলেন, যেখানে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, পাশেই কংগ্রেস প্রার্থীর বাড়ি। কংগ্রেসের মদতেই বোমা তৈরির কাজ চলছিল। সেখানেই বিস্ফোরণ (Bomb Blast)  ঘটে। এরসঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।

    কী বললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব?

    কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক সেখ শফিউজ্জামান বলেন, ফাঁকা মাঠের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। এরসঙ্গে কংগ্রেসের কোনও সম্পর্ক নেই। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করছে। আসলে যে মারা গিয়েছে তারসঙ্গে কংগ্রেসের কোনও সম্পর্ক নেই।

    দু ব্যাগ ভর্তি বোমা উদ্ধার করল পুলিশ

    দু ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল মুর্শিদাবাদের সাদল এলাকায়। বৃহস্পতিবার সকালে মুর্শিদাবাদ জেলার খড়গ্রাম থানার সাদল এলাকার ফাঁকা মাঠের মধ্যে দুই ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিপুল পরিমাণ এই তাজা বোমা কে বা কারা কীসের জন্য মজুদ করে রেখেছিল তার তদন্ত শুরু করেছে খড়গ্রাম থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: বেলডাঙায় বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণ, মৃত তৃণমূল কর্মী

    Bomb Blast: বেলডাঙায় বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণ, মৃত তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগরার খাদিকুল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূমের পর এবার মুর্শিদাবাদ। পঞ্চায়েত ভোটের আগেই শনিবার বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনা ঘটল। আর সেই বিস্ফোরণে (Bomb Blast) মৃত্যু হল এক তৃণমূল কর্মীর। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম আলিম বিশ্বাস। তার বাড়ি কাপাসডাঙায়। পঞ্চায়েত ভোটের আগে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পঞ্চায়েত ভোটের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই মুর্শিদাবাদ জেলাজুড়ে ধারাবাহিকভাবে বোমা উদ্ধার হচ্ছে। দুদিন আগেই ভরতপুর থানার সরকারপাড়া গ্রামের জার ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার হয়। সেই জের কাটতে না কাটতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গিয়ছে, এদিন সকালে বেলডাঙার মজ্ঝমপুর নতুনপাড়া এলাকায় একটি পাটখেতে বোমা বাঁধতে গিয়েছিল ওই তৃণমূল কর্মী। সে পাটের জমিতে বোমা তৈরির সরঞ্জাম নিয়ে বোমা তৈরির কাজ করছিল বলে অভিযোগ। বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। তাতে ওই ব্যক্তি গুরুতর জখম হন। স্থানীয় মানুষরা বোমা বিস্ফোরণের আওয়াজ পেয়ে সেই পাটের খেতে গিয়ে দেখেন, ওই তৃণমূল কর্মী রক্তাক্ত অবস্থায় বসে ছিল। বেলডাঙা থানার পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। জখম তৃণমূল কর্মীকে উদ্ধার করে বেলডাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

    কী বললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব?

    প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক সেখ শফিউজ্জামান বলেন, আর কয়েকদিনের মধ্যেই ভোট। লড়াই করার উদ্দেশ্যে বোমা বাঁধছিল তৃণমূলের ভাইয়েরা। বোমা বাঁধতে গিয়ে বোমা ফেটে (Bomb Blast) মৃত্যু হয়েছে ওই তৃণমূল কর্মীর।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল বিধায়ক হাসানুজ্জামান সেখ বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। মৃত ওই যুবক তৃণমূল কর্মী না অন্য দল করত তা জানি না। বিরোধীরা অভিযোগ করতেই পারে। এনিয়ে আমি কিছু বলছি না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corruption: একশো দিনের প্রকল্পে দুর্নীতি! কাজ করেও মেলেনি টাকা, শুনলেন কেন্দ্রীয় টিম, কোথায় জানেন?

    Corruption: একশো দিনের প্রকল্পে দুর্নীতি! কাজ করেও মেলেনি টাকা, শুনলেন কেন্দ্রীয় টিম, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগ ছিল। সত্যতা যাচাই করতে রবিবার কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিরা মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকে কাশীপুর এলাকায় যান। সেখানে গিয়ে জবকার্ডধারীদের কাছে অভিযোগ শুনে কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিদের চক্ষু চড়কগাছ। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জবকার্ডধারীদের দিয়ে দিনের পর দিন ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ করানো হয়েছে। কিন্তু, তাঁরা কেউ টাকা পাননি। আলাউদ্দিন শেখ নামে এক জবকার্ডধারী বলেন, পঞ্চায়েতের  পক্ষ থেকে ১০০ দিনের কাজ দেওয়া হয়। দিনের পর দিন আমরা কাজ করেছি। কিন্তু, টাকা পাইনি। পঞ্চায়েতের প্রধান, পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে টাকার জন্য দরবার করেছি। কিন্তু, তাঁরা বলেছেন, কেন্দ্রীয় টিম এসে টাকা দেবে। তাই, এসেছি। মনোরমা মণ্ডল বলেন,  ১০০ দিনের কাজ করেছি। পঞ্চায়েত টাকা দেয়নি। কেন্দ্রীয় টিম এসেছে। তাঁদের কাছে আমরা সকলে নালিশ জানাতে এসেছি। আর এই এলাকায় কোনও যানবাহন নেই। রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে খুব সমস্যা হয়। কেন্দ্রীয় টিমের কাছে সেই অভিযোগও জানিয়েছি। কেন্দ্রীয় টিমের প্রতিনিধিরা কাশীপুর এলাকা পরিদর্শনের সময় এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে পড়েন। কারণ, ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজ করার পরও অধিকাংশ জবকার্ডধারী টাকা পাননি। ফলে, কেন্দ্রীয় টিম টাকা দেবে ভেবে নিয়ে তাঁরা ক্ষোভ উগরে দেন। পরে, কেন্দ্রীয় টিমের সদস্যরা এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে সমস্ত কিছু নথিভুক্ত করে নেন। এলাকার তাঁরা ছবি তাঁরা তুলে রাখেন।

    কেন বেলডাঙা-২ নম্বর ব্লক পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় টিম? Corruption

    ১০০ দিনের প্রকল্পে বড়সড় দুর্নীতি (Corruption)  হয়েছে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকে। আর তার তদন্ত করতেই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল জেলায় আসেন। শনিবারই দুই সদস্যের ওই প্রতিনিধি  বেলডাঙা-২ ব্লক অফিসে যান। দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তাঁরা ম্যারাথন বৈঠক করেন। সেখানে ১০০ দিনের প্রকল্পে যে সব দুর্নীতি (Corruption)  হয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিন কাশীপুর এলাকায় গিয়ে ১০০ দিনের প্রকল্পের সার্বিক পরিস্থিতি সরজমিনে তাঁরা খতিয়ে দেখেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share