Tag: belghoria

belghoria

  • Bangladesh: ভারতীয় হিন্দু জানতেই খুনের চেষ্টা ঢাকায়! বেলঘরিয়ার যুবক ফিরলেন প্রাণ হাতে করে

    Bangladesh: ভারতীয় হিন্দু জানতেই খুনের চেষ্টা ঢাকায়! বেলঘরিয়ার যুবক ফিরলেন প্রাণ হাতে করে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) গিয়ে আক্রান্ত হলেন উত্তর ২৪ পরগনার বেলঘরিয়ার যুবক। অভিযোগ, ভারতীয় হিন্দু পরিচয় (Indian Hindu Assaulted) প্রকাশ্যে আসতেই তাঁর ওপর চড়াও হন বাংলাদেশের কট্টরপন্থীরা। টাকা, মোবাইল ছিনতাইয়ের পাশাপাশি তাঁকে খুনের চেষ্টা করা হয়। এলোপাথাড়ি কিল, চড়, ঘুষির সঙ্গে মুখে ছুরি দিয়ে এবং মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। জখম যুবকের মুখে দু’টি এবং মাথায় চারটি সেলাই পড়েছে। এমনকী, তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে প্রহৃত হয়েছেন সঙ্গে থাকা মুসলিম বন্ধুও। হামলাকারীরা সেই বন্ধুর মোবাইল ফোনটিও ছিনিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। এমনকী, যুবকের অভিযোগ, বাংলাদেশের পুলিশ-প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও সাহায্য তো মেলেইনি, উলটে কোথাও কোনও অভিযোগ জানালে তাঁদের খুন করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bangladesh)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ভারতীয় যুবকের (Bangladesh) নাম সায়ন ঘোষ (২২)। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বেলঘরিয়ার (Belghoria) ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের দেশপ্রিয় নগর এলাকায়। ২৩ নভেম্বর ঢাকায় বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। ফেরার কথা ছিল নভেম্বরের ২৬ তারিখ। অভিযোগ, ফেরার আগের দিন বন্ধুর সঙ্গে ঢাকার বাজারে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন সায়ন। সে সময়ই আচমকা এক দল লোক এসে তাঁদের ঘিরে ধরেন। শুরু হয় ‘জেরা’। ভারত থেকে গিয়েছেন এবং হিন্দু পরিচয় (Indian Hindu Assaulted) জানতে পেরেই নাকি তাঁর ওপর চড়াও হন তাঁরা। শুরু হয় মারধর। প্রকাশ্য রাস্তায় এমন ঘটনা দেখেও এগিয়ে আসেননি কেউই। শেষ পর্যন্ত ওই বন্ধুর তৎপরতায় দুষ্কৃতীরা পিছু হটে। তবে তত ক্ষণে রক্তে ভেসে যাচ্ছে সায়নের গোট শরীর।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবিতে পেট্রাপোল সীমান্তে আজ প্রতিবাদ-সভা শুভেন্দুর

    আক্রান্ত যুবক কী বললেন?

    সায়নের অভিযোগ, থানায় (Bangladesh) গিয়েও কোনও লাভ হয়নি। প্রথমেই পুলিশ চিকিৎসা করে আসতে বলে। কিন্তু সে ব্যাপারে কোনও সাহায্য করেনি। তার পর আহত অবস্থাতেই একের পর এক হাসপাতালে ঘুরেছেন সায়ন এবং তাঁর বন্ধু। কেউই সায়নের চিকিৎসা করতে রাজি হননি। শেষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে এসে চিকিৎসা হয় তাঁর। অভিযোগ, সায়নের কাছে থাকা মোবাইল এবং টাকাপয়সা সব কেড়ে নিয়েছে দুষ্কৃতীরা। ওই অবস্থাতেই ভয়ে কোনও মতে প্রাণ হাতে করে গেদে সীমান্ত থেকে চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে চলে আসেন সায়ন (Indian Hindu Assaulted)। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে জানিয়েছেন সায়ন। সোমবার তিনি বিষয়টি নিয়ে কলকাতায় বাংলাদেশ (Bangladesh) ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে গিয়ে অভিযোগ জানাবেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sealdah Railline: বারাকপুর থেকে দমদম যাওয়ার জন্য গোরা সাহেবরা ঘোড়া নিয়েই ট্রেনে উঠতেন!

    Sealdah Railline: বারাকপুর থেকে দমদম যাওয়ার জন্য গোরা সাহেবরা ঘোড়া নিয়েই ট্রেনে উঠতেন!

    হরিহর ঘোষাল

    হাওড়া-ব্যান্ডেল লাইন দিয়ে ১৮৫৪ সালেই ট্রেন চলাচল শুরু করে দিয়েছে রেল কোম্পানি। পরে, সেই রেলপথ বর্ধমান হয়ে রানিগঞ্জ পর্যন্ত চলে যায়। আর গঙ্গার পূর্ব পাড়ের বাসিন্দাদের নৌকা করে গঙ্গা পার হয়ে হেঁটে বেশ কিছুটা পথ গিয়ে সুযোগ মিলত ‘কু ঝিক ঝিক’ ট্রেনে চড়ার। মানে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে তবেই রেলগাড়ির দেখা মিলত। ফলে, গঙ্গার পূর্ব পাড়ের বাসিন্দাদের আক্ষেপ ছিল। তাই, গঙ্গার পূর্ব পাড়ে ট্রেন চালানো নিয়ে সেকালের জমিদার থেকে সাধারণ মানুষ, সকলেই বিভিন্ন জায়গায় দরবার শুরু করলেন। পূর্ব পাড় দিয়ে আদৌ রেলগাড়ি চলবে কি না, তা নিয়ে এই সব এলাকার মানুষের মধ্যে রাস্তাঘাটে জোর চর্চা হত। তবে, সেই আক্ষেপ বেশি দিন বয়ে বেড়াতে হয়নি। ১৮৫৭ সালে বারাকপুরের সেনা ছাউনিতে মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে হয়েছিল সিপাহী বিদ্রোহ। ঠিক তার পরের বছর, ১৮৫৮ সাল নাগাদ গঙ্গার পূর্ব পাড়ে শিয়ালদা (Sealdah Station) থেকে রেলগাড়ি চালানোর জন্য রেলপথ বসানোর উদ্যোগ শুরু হয়।

    শিয়ালদা রেলপথ তৈরির আদি কথা (Sealdah Station)

    শিয়ালদা (Sealdah Station) থেকে কুষ্টিয়া (এখন বাংলাদেশে) পর্যন্ত ১০৯ মাইল রেলপথ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। যদিও এখন এই রেলপথের অনেকটা অংশ বাংলাদেশের দিকে রয়েছে। এই দেশের রেলপথের শেষ স্টেশন গেদে। আর ওপারে রয়েছে দর্শনা স্টেশন। মৈত্রী এক্সপ্রেস এখন সেই পুরানো রেলপথ ধরে চলাচল করে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন রেলপথ তৈরির জন্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানির চুক্তি হয়। রেলপথ পাতার জন্য ২০০ ফুট চওড়া জমি অধিগ্রহণ করার কাজ শুরু হয়। ১৮৫৯ সালের ১৪ এপ্রিল ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি গেজের সিঙ্গল লাইন বসানোর কাজ শুরু হয়। ১৮৬২ সালে শিয়ালদা থেকে রানাঘাট পর্যন্ত প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। ট্রেনটি (Train) ছিল দু’কামরার। প্রথম শ্রেণির যাত্রীবাহী একটি কামরা ছিল। অন্যটি ছিল মালবাহী কামরা। ১৮৬২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর স্পেশাল ট্রেন শিয়ালদা থেকে কুষ্টিয়া যায়।

    প্যাসেঞ্জার ট্রেন কবে থেকে চালু হল?

    গঙ্গার পূর্বপাড়ে রেলগাড়ি চালু হওয়ার সময় শিয়ালদা (Sealdah Station) স্টেশনের নাম ছিল কলিকাতা। সেই সময়কার রেলওয়ে টাইম টেবিলের তথ্য সেই কথা বলছে। কলিকাতা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করত। কলিকাতা থেকে রানাঘাট পর্যন্ত প্যাসেঞ্জার ট্রেন যাতায়াত করা শুরু করেছিল ১৮৬২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর। প্রথম এই ট্রেনটিতে যাত্রী সংখ্যা ছিল ১১০০ জন। আর ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে শিয়ালদা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত নিয়মিত ট্রেন চলাচল শুরু হয়। যদিও গেদের পর থেকে এখন বাকি অংশটি বাংলাদেশের দিকে চলে গিয়েছে।

    ১৬০ বছর আগে শিয়ালদা মেন লাইনে কোন কোন স্টেশন ছিল?

    ১৬০ বছর আগে রেলগাড়ি চালু হওয়ার সময় বহু স্টেশনের কোনও চিহ্নমাত্র ছিল না। হাতে গোনা কয়েকটি স্টেশনের ওপর দিয়ে রেলগাড়ি ছুটত। সেই সময়কার নথি থেকে পাওয়া যায়, শিয়ালদা (Sealdah Station) বা কলিকাতার পর ছিল দমদমা স্টেশন। আসলে তখন দমদম নাম ছিল না, বলা হত দমদমা। তারপর বেলঘরিয়া, সোদপুর, বারাকপুর, ইছাপুর, শ্যামনগর, নৈহাটি, কাঁচরাপাড়া, মদনপুর, চাকদা, রানাঘাট। অন্যদিকে, এই সব স্টেশন বাদ দিলে উল্টোডাঙা, আগরপাড়া, খড়দা, টিটাগড়, পলতা, জগদ্দল, কাঁকিনাড়া, হালিশহর, কল্যাণী, শিমুরালি, পালপাড়া, পায়রাডাঙা-এই সব স্টেশনের কোনও চিহ্নমাত্র ছিল না। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে নতুন এই সব স্টেশনের অনুমোদন মিলেছে। আর রানাঘাট থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত স্টেশনের সংখ্যাও ছিল হাতেগোনা। রানাঘাটের পরের স্টেশন ছিল আড়ংঘাটা, বগুলা, কৃষ্ণগঞ্জ, মতিয়ারি, রামনগর, জয়রামপুর, চুয়াডাঙা, মুন্সিগঞ্জ, আলমডাঙা, হিলসিয়া, পোড়াদহ, জাগটি, কুষ্টিয়া।

    প্রথমে কত কামরার ট্রেন চালু হয়েছিল, কত ছিল ভাড়া?

    রেলগাড়ি চলাচল করার শুরুতে তিনটি কামরা থাকত-প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণির। প্রথম শ্রেণির কামরায় শিয়ালদা থেকে দমদমের ভাড়া ছিল ৪ আনা। বেলঘরিয়া-৬আনা, সোদপুর-৯ আনা, বারাকপুর-১৪ আনা, ইছাপুর-১ টাকা ১ আনা। দ্বিতীয় শ্রেণির ভাড়া ছিল দমদম-২ আনা, বারাকপুর-৬ আনা। তৃতীয় শ্রেণির কামরায় শিয়ালদা থেকে দমদম পর্যন্ত ১ আনা ভাড়া ছিল। আর বারাকপুর ছিল ৩ আনা ১০ পাই। বারাকপুর সেনা ছাউনি থেকে দমদম যাওয়ার জন্য গোরা সাহেবরা ঘোড়া নিয়ে ট্রেনে উঠতেন। সন্ধ্যা নামলেই গোরা সাহেবদের দাপাদাপির কারণে দেশিয় লোকজন ট্রেনে চড়তে ভয় পেতেন। এখন সবই ইতিহাস। এখন শিয়ালদার (Sealdah Station) এই লাইনে লোকাল ট্রেন, এক্সপ্রেস ট্রেনের ছড়াছড়ি। এখনও আদি রুট শিয়ালদা-গেদে লাইনে একাধিক লোকাল ট্রেন (Train) রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: বিজেপি করলে ভয়ঙ্কর খেলা হবে! হামলা চালিয়ে হুমকি তৃণমূলের

    Kamarhati: বিজেপি করলে ভয়ঙ্কর খেলা হবে! হামলা চালিয়ে হুমকি তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মদিনে স্বামী বিবেকানন্দের গলায় মালা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন বিজেপি কর্মীরা। হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে এবং তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    বিজেপি করলে ভয়ঙ্কর খেলা হবে বলে হুমকি তৃণমূলের (Kamarhati)

    বৃহস্পতিবার ছিল স্বামী বিবেকানন্দের ১৬১ তম জন্মদিন। সেই উপলক্ষে সকালে বেলঘরিয়ার নন্দননগর বাজারের কাছে থাকা বিবেকানন্দের মূর্তিতে মালা দিতে যান স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযোগ, সেখানে তাঁদের মালা দিতে বাধা দেওয়া হয় এবং তাঁদের সেখান থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। বিজেপির যুবনেতা সুশান্ত রায়চৌধুরীর অভিযোগ, ‘বিবেকানন্দের মূর্তিতে মালা দিতে গেলে আমাদের হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয় বিবেকানন্দ নাকি ওদের। আমরা প্রতিবাদ করাই আমাদের প্রকাশ্যে স্থানীয় কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কানু দাসের ছেলে সৈকত ওরফে জয় দাস দলবল নিয়ে আমাকে এবং আমার সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মীদের মারধর করে।  বাড়িতে গিয়েও শাসিয়ে আসে এবং ফোনে হুমকি দিয়ে বলে এলাকাছাড়া করে দেবে ‘। একই অভিযোগ আর এক বিজেপি কর্মী বিশ্বজিৎ মণ্ডলেরও। তাঁর অভিযোগ, কাউন্সিলরের ছেলে ফোনে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি এলাকায় বিজেপি করলে ভয়ঙ্কর খেলা হবে বলে হুমকি দেয়। বুথে এজেন্ট হয়ে বসা তো দূরের কথা বাড়ি ছাড়া করারও হুঁশিয়ারি দেয়। ঘটনায় তাঁরা যথেষ্ট আতঙ্কে রয়েছেন। আতঙ্কে রয়েছেন তাঁদের পরিবারও।

    প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা প্রকল্পের জন্য রেজিস্ট্রেশনে বাধা!

    প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা প্রকল্পের জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে কামারহাটির (Kamarhati) নন্দননগরেরই ওল্ড নিমতা রোডে। সেখানে একটি সাইবার ক্যাফে রয়েছে নরোত্তম সিংহ  নামে এক ব্যবসায়ীর। ব্যবসায়ীর বক্তব্য, সেখানে কয়েকজন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা প্রকল্পের জন্য রেজিস্ট্রেশন করছিলেন।  অভিযোগ আচমকা কয়েকজন এসে আমাকে হুমকি দেয় এবং বলে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কিত কোনও যোজনার ফর্মফিলাপ করা যাবে না।  দোকানে যারা ছিল তাঁদের হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং বেশি বাড়াবাড়ি করলে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। দুটি ঘটনাতেই স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলে এবং তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে বিজেপি নেতৃত্ব।  দুটি ঘটনার প্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবারই বেলঘরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির উত্তর শহরতলি জেলার সভাপতি অরিজিৎ বক্সি। তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।  না হলে আগামীদিনে বেলঘরিয়া জুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    যদিও কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার পুরপ্রধান গোপাল সাহা বলেন, ‘ যদি সত্যিই এরকম কিছু ঘটনা হয়ে থাকে তাহলে পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।  দলের কেউ জড়িত থাকলে সে বিষয়টিও দলীয় স্তরে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। বেলঘরিয়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Businessman: ভিনরাজ্যের ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রায় ২ কোটি টাকার প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূল যুব নেতা

    Businessman: ভিনরাজ্যের ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রায় ২ কোটি টাকার প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূল যুব নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিন রাজ্যের এক ব্যবসায়ীর (Businessman) সঙ্গে প্রায় ২ কোটি টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল বেলঘরিয়ার এক তৃণমূল যুব নেতার বিরুদ্ধে। তৃণমূল যুব নেতার নাম নীরু পাশোয়ান। তিনি কামারহাটির দাপুটে এক তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ। ইতিমধ্যেই প্রতারিতরা পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। কিন্তু, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Businessman)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারিত হওয়া ব্যবসায়ীর (Businessman) বাড়়ি ঝাড়খণ্ড। হাওড়ার কানোরিয়া জুটমিলের একটি জমি বিক্রির বিষয় নিয়ে নীরু পাশোয়ান সহ কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। তারা জমির কাগজপত্র দেখিয়েছিলেন। সেই মতো কয়েক দফায় ভিন রাজ্যের ব্যবসায়ীরা প্রায় ১ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। পরে, তাঁরা প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। টাকা পয়সা ফেরত দেওয়ার জন্য বলা হলেও তা দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। এতেই চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন প্রতারিতরা। প্রতারিত ব্যবসায়ীরা বলেন, কানোরিয়া জুটমিলের জমি দেখানো হয়েছিল। কাগজপত্র দেখে টাকা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, জমি তো হাতে আসেনি। পরে, খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, কাগজপত্র সব জাল। তাই, প্রশাসনের আমরা দ্বারস্থ হয়েছি।

    এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা 

    বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, তৃণমূলের ওই যুব নেতার মাথায় দলের বড় এক নেতার হাত রয়েছে। দলকে ভাঙিয়ে এসব করছে। বার বার এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। ব্যবসায়ীর (Businessman) কাছে প্রায় দু কোটি টাকা প্রতারণা করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে কোনও লাভ হচ্ছে না। আমরা চাই, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পুলিশ দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। সিপিএম নেতা মানস মুখোপাধ্যায় বলেন, এই ধরনের অপরাধের পরও পুলিশ উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভিন রাজ্যের মানুষের কাছে আমাদের আস্থা আরও চলে যাবে। তাই, প্রতারণার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ। তৃণমূলের ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায় বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখে দলগত যদি কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার থাকে তা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: এক ঘরে ভাইয়ের কঙ্কাল, পাশের ঘর থেকে উদ্ধার দাদার পচাগলা দেহ

    Barrackpore: এক ঘরে ভাইয়ের কঙ্কাল, পাশের ঘর থেকে উদ্ধার দাদার পচাগলা দেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার রবিনসন স্ট্রিটের কথা মনে আছে? বাড়ির মধ্যে নিজের মায়ের মৃতদেহ আগলে রেখেছিলেন পার্থ দে নামে এক ব্যক্তি। সেই রবিনসন স্ট্রিটের ছায়া দেখা গেল এবার বারাকপুর (Barrackpore) মহকুমার পূর্ব বেলঘরিয়া সেকেন্ড লেনের একটি বাড়িতে। তবে, বেলঘরিয়ার এই ঘটনাটি কিছুটা আলাদা। এখানে প্রায় ৬ মাস ধরে ভাইয়ের মৃতদেহ আগলে রেখেছিলেন দাদা। আর বাড়ির মধ্যেই দাদারও অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। সেই মৃতদেহ উদ্ধার হতেই বিষয়টি জানাজানি হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে বীরেন্দ্রকুমার দে (৬৬) নামে অবসরপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীর পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়দের থেকে পুলিশ খবর পেয়ে ওই দেহ উদ্ধার করতে এসে পাশের ঘর থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করে। যেটি তাঁর ভাই ধীরেন্দ্রকুমার দে’র (৬৩) বলে মনে করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা। দুজনেরই মানসিক সমস্যা ছিল। কয়েকদিন ধরে ওই বাড়িতে কারও সাড়াশব্দ না পাওয়ায় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। এদিন বারাকপুর (Barrackpore) কমিশনারেটের পুলিশ পৌঁছে একটি দেহ এবং একটি কঙ্কাল উদ্ধার করেছে। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, সম্ভবত পাঁচ-ছয় মাস আগে ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। সেই দেহ আগলেই দাদা এতদিন বসেছিলেন। দিন কয়েক আগে তাঁরও মৃত্যু হয়।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দা?

    স্থানীয় ক্লাবের সম্পাদক দীপজয় দাস বলেন, আসলে ওই বাড়ির পাশের এক বাসিন্দা আমাদের জানান, গত কয়েকদিন ধরেই বাড়ির কাউকে দেখা যাচ্ছে না। আমরা জানতে পেরে ওই বাড়িতে যাই। আদতে তিনতলা বাড়ি। দোতলা পর্যন্ত সমস্ত ঘর আমরা খুঁজেছি, কিছু পাইনি। তিনতলায় উঠতেই দুর্গন্ধ বেরিয়ে আসে। দুজন ওপরে গিয়ে দেখেন, ঘরের মধ্যেই একজনের মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। পরে, পুলিশ এসে সমস্ত বিষয়টি জানাজানি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরেন্দ্রবাবুরা চারভাই ও এক বোন। চার ভাইয়ের প্রত্যেকের মানসিক সমস্যা রয়েছে। দুই ভাই আগেই মারা গিয়েছেন। এক বোন রয়েছেন। তাঁর বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তাঁর সঙ্গে বারাকপুর (Barrackpore) কমিশনারেটের পুলিশ যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • The Kerala Story:  ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ আচমকা না দেখানোয় ক্ষুব্ধ দর্শকরা, হলের সামনে বিক্ষোভে বিজেপি, ধস্তাধস্তি

    The Kerala Story: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ আচমকা না দেখানোয় ক্ষুব্ধ দর্শকরা, হলের সামনে বিক্ষোভে বিজেপি, ধস্তাধস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হলে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) দেখতে এসে পুলিশি হেনস্থার শিকার হলেন সিনেমাপ্রেমীরা। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বিজেপির কর্মী-সমর্থক ছিলেন। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয়। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে বেলঘরিয়ার রূপমন্দির সিনেমা হলে। সিনেমাপ্রেমীরা এদিন হলে এসে সিনেমা না দেখতে পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    সোমবারই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) সিনেমাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বেশ কয়েকটি সিনেমা হলে সরকারি সেই নির্দেশিকা এসে না পৌঁছানোয় হল কর্তৃপক্ষ সিনেমা দেখানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে। বেলঘরিয়ার এই সিনেমা হলেও এদিন সকালের দিকে বিতর্কিত সিনেমাটি দেখানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। অনেকে এই সিনেমা দেখার জন্য অনলাইনে টিকিট কেটেছিলেন। সকাল সকাল এই সিনেমা হলের সামনে পৌঁছান সিনেমাপ্রেমীরা। তখনও কোনওরকম সিনেমা বন্ধের নোটিশ আসেনি। কিছুক্ষণ পর বেলঘরিয়া থানার পুলিশ এসে সিনেমা হলের সামনে হাজির হয়। ততক্ষণে সিনেমা হলে ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (The Kerala Story) বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়ে গিয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা সিনেপ্রেমীরা এরপরে বিক্ষোভে সামিল হন। সিনেমা হলের গেট ভাঙার চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে ভিড়কে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

    কী বললেন সিনেমাপ্রেমীরা?

    এক সিনেমাপ্রেমী সংযুক্তা মিত্র বলেন, আমি কলেজ ছাত্রী। আমার বাড়ি চুঁচুড়া। সাত সকালে বন্ধুদের সঙ্গে এই সিনেমা দেখার জন্য এসেছিলাম। আমাদের সামনে নোটিশ দিয়ে জানানো হল, এই সিনেমা দেখানো হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমাদের অনুরোধ, এই সিনেমা ব্যান না করে সকলের দেখার ব্যবস্থা করুন। নিউটাউনের বাসিন্দা অনুস্কা বণিক বলেন, বেলঘরিয়ার এই সিনেমা হলে দ্য কেরালা স্টোরি (The Kerala Story) সিনেমাটি চলছে। তাই এসেছিলাম। এখন সিনেমাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এত ভালো সিনেমা বন্ধ করা  উচিত হয়নি।

    কী বললেন বিজেপির যুব মোর্চার নেতা?

    এদিন বিজেপি-র যুব মোর্চার নেতা অচিন্ত্য মণ্ডল বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে নিয়ে সিনেমা দেখতে আসেন। সিনেমা দেখা নিয়ে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে তাঁদের প্রথমে বচসা হয়। পরে, ধস্তাধস্তি হয়। অচিন্ত্যবাবু বলেন, আমরা এই ঘটনার তীব্র বিরোধিতা করছি। আমরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: তোলার টাকা না পেয়ে কামারহাটিতে অটো চালকসহ তিনজনকে বেধড়ক মার! কাঠগড়ায় তৃণমূলের ছাত্র নেতা

    Kamarhati: তোলার টাকা না পেয়ে কামারহাটিতে অটো চালকসহ তিনজনকে বেধড়ক মার! কাঠগড়ায় তৃণমূলের ছাত্র নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  রাস্তায় অটো চালাতে গেলেও তোলা দিতে হবে। কামারহাটি (Kamarhati) এলাকায় রানা বিশ্বাস নামে এক তৃণমূলের ছাত্র নেতার এটাই নিদান। আর যে তাঁর কথার খেলাপ করেছে তাঁর কপালে জুটেছে মার। কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সন্দীপ রায়। তিনি পেশায় অটো চালক। রথতলা রুটে তিনি অটো চালান। আর তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। তাঁর কাছেও রানা ও তার দলবল গিয়ে তোলা চায়। সন্দীপ তা দিতে অস্বীকার করে। এটাই তাঁর অপরাধ। শনিবার রানা ও তাঁর দলবল মিলে সন্দীপ ও তাঁর দুই বন্ধুকে বেধড়ক পেটায় বলে অভিযোগ। সন্দীপসহ দুজনের চোট গুরুতর হওয়ায় তাঁদের সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সন্দীপের পরিবারের পক্ষ থেকে বেলঘরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই ইন্দ্রজিত্ মহান্তি এবং অক্ষয় শর্মাকে গ্রেফতার করেছে।

    হামলা নিয়ে কী বললেন আক্রান্ত পরিবারের লোকজন?

    রানা বিশ্বাস কামারহাটির (Kamarhati) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি। আর শাসকদলের না ভাঙিয়ে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। এমনই অভিযোগ আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর আত্মীয় বাবু রক্ষিতের। তিনি বলেন, রানা বিধায়কের নাম ভাঙিয়ে তোলাবাজি করে। আমার শ্যালক সন্দীপ রথতলায় অটো চালায়। ওর নিজের অটো। ওর কাছে থেকে রানা তোলা চেয়ে ছিল। ও তা দিতে রাজি হয়নি। এটাই ওর অপরাধ। শনিবার রানা তার দলবল নিয়ে এসে আমার শ্যালক আর তাঁর সঙ্গে দুই বন্ধুকে বেধড়ক মারধর করেছে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আক্রান্ত অটো চালকের মা বলেন, রানা একজন গুন্ডা। তৃণমূলের নাম করে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ায়। সবার কাছে তোলা চায়। আমার ছেলেকে ও খুব মেরেছে। আমরাও তৃণমূল করি। আমরা কী বিচার পাব না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে রানাকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

    কী বললেন কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার চেয়ারম্যান?

    এই ঘটনা নিয়ে কামারহাটি (Kamarhati)  পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, বিষষয়টি শুনেছি। তবে, তোলাবাজি না অন্য কোনও কারণে মারধর করা হয়েছে তা জানি না। ইতিমধ্যেই সমস্ত ঘটনা দলীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    হামলার ঘটনা নিয়ে কী বলল বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও নিন্দনীয়। তৃণমূলের নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠী সংঘর্ষ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হচ্ছে। কামারহাটি (Kamarhati)  তার ব্যতিক্রম নয়। দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share