Tag: Bengal BJP

Bengal BJP

  • West Bengal Assembly Election: দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির: একাধিক হেভিওয়েট মুখে চমক পদ্ম-শিবিরে

    West Bengal Assembly Election: দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির: একাধিক হেভিওয়েট মুখে চমক পদ্ম-শিবিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Assembly Election) সামনে রেখে রণকৌশল সাজাতে ব্যস্ত সব পক্ষই। এই আবহে আজ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য নিজেদের দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল ভারতীয় জনতা পার্টি (Bengal BJP)। প্রথম তালিকায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসনের নাম ঘোষণার পর, দ্বিতীয় তালিকায় মূলত উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু স্পর্শকাতর ও হেভিওয়েট কেন্দ্রের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন, অর্জুন সিং, নিশীথ প্রামাণিক, রূপা গাঙ্গুলি, পাপিয়া অধিকারী, শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের মতো একাধিক বড় নাম।

    ১১২টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপি (West Bengal Assembly Election)

    দ্বিতীয় দফায় আরও ১১২টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি (West Bengal Assembly Election)। প্রথম তালিকায় একটি কেন্দ্রের প্রার্থীও বদল করা হয়েছে। হাওড়ার শ্যামপুরে টিকিট পেয়েছেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূলের লাভলি মৈত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন বিজেপির রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। নোয়াপাড়ায় বিজেপির প্রার্থী ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংহ। ব্যরাকপুর বিধানসভার প্রার্থী হয়েছেন আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী। পানিহাটি কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম এখনও ঘোষণা করেনি বিজেপি (Bengal BJP)। তবে জল্পনা শুরু হয়েছে ওই কেন্দ্র থেকে আরজি কর হাসপাতালের ধর্ষণ-খুন কাণ্ডে নিহত চিকিৎসকের মাকে টিকিট দেবে বিজেপি নেতৃত্ব। এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও ঘোষণা করা হয়নি।

    উত্তরবঙ্গ ও মতুয়াগড়ে কে কে প্রার্থী?

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বিজেপি বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী স্থানীয় নেতাকে নির্বাচনী ময়দানে নামিয়েছে। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের মতো জেলাগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা কোচবিহারের প্রাক্তন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিককে মাথাভাঙায় প্রার্থী করা হয়েছে। টালিগঞ্জে পাপিয়া অধিকারী লড়বেন। যাদবপুরে টিকিট পেয়েছেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়। কৃষ্ণগঞ্জে প্রার্থী করা হয়েছে সুকান্ত বিশ্বাসকে। মতুয়া গড় হিসাবে পরিচিত বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ এবং গাইঘাটায় বিদায়ী বিধায়কদেরই (West Bengal Assembly Election) প্রার্থী করা হয়েছে। এখানে লড়ছেন যথাক্রমে অশোক কীর্তনিয়া, স্বপন মজুমদার এবং সুব্রত ঠাকুর। স্বরূপনগরে প্রার্থী হলেন তারক সাহা। হাবড়ার প্রার্থী করা হয়েছে বনগাঁ জেলা বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা বনগাঁ পুরসভার কাউন্সিলর দেবদাস মণ্ডলকে। উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দলে প্রার্থী করা হয়েছে প্রাক্তন আইপিএস রাজেশ কুমারকে। বিধাননগরে প্রার্থী করা হয়েছে চিকিৎসক শারদ্বৎ মুখোপাধ্যায়কে। রাজারহাট গোপালপুরে প্রার্থী তরুণ আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।

    দ্বিতীয় দফার তালিকায় দলের অভিজ্ঞ নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব ও তারকা প্রার্থীকে জায়গা দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, জনভিত্তি মজবুত করতেই এই কৌশল গ্রহণ করেছে বিজেপি।

    কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিলমোহর

    বেশ কিছু আসনে বর্তমান বিধায়কদের (West Bengal Assembly Election) ওপর পুনরায় আস্থা রাখা হলেও, কিছু ক্ষেত্রে নতুন ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থীদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মহিলা ও যুব প্রার্থীদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর চেষ্টা লক্ষণীয়।

    সন্দেশখালিতে বিজেপি (Bengal BJP) প্রার্থী সনৎ সর্দার। হিঙ্গলগঞ্জে প্রার্থী করা হয়েছে সন্দেশখালি আন্দোলনের নেত্রী রেখা পাত্রকে। কলকাতায় বেহালা পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার ইন্দ্রনীল খাঁ। কাশীপুর বেলগাছিয়ায় প্রার্থী হয়েছেন রিতেশ তিওয়ারি। রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি তাপস রায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে মানিকতলায়। বালিগঞ্জের প্রার্থী বিজেপির জাতীয় পরিষদ সদস্য শতরূপা। পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় প্রার্থী করা হয়েছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীকে। পুরুলিয়া সদরে সুদীপ মুখোপাধ্যায়, বাঁকুড়া সদরে টিকিট পেয়েছেন নীলাদ্রিশেখর দানা।

    দিল্লিতে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির (CEC) বৈঠকের পরেই এই নামের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে প্রচারের প্রস্তুতি ও দেওয়াল লিখনের কাজ শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    দ্বিতীয় দফায় ১১২টি আসনের পর এখন বাকি রইল ৩৮টি আসন। তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই তাদের সিংহভাগ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। পাল্টা হিসেবে বিজেপির (Bengal BJP) এই দ্বিতীয় তালিকা রাজনৈতিকভাবে (West Bengal Assembly Election) অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার, এই প্রার্থী নির্বাচন নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলে।

  • Assembly Election 2026: রিটার্নিং অফিসার হবে ন্যূনতম এসডিএম স্তরের আধিকারিক, বাংলায় কমিশনের নিয়ম মেনেই নির্বাচন

    Assembly Election 2026: রিটার্নিং অফিসার হবে ন্যূনতম এসডিএম স্তরের আধিকারিক, বাংলায় কমিশনের নিয়ম মেনেই নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে । যে কোনও মুহূর্তে নির্বাচনের (Assembly Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হতে পারে। তার আগেই রাজ্যে নির্বাচন পরিচালনায় বড় বদল আনল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে এই প্রথমবার অন্যান্য রাজ্যের মতো রিটার্নিং অফিসার পদে জেলাশাসকদের বদলে মহকুমা শাসক বা সমমর্যাদার আধিকারিকদের এই পদে নিয়োগ করল কমিশন। ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।

    উচ্চপর্যায়ের আধিকারিকদের রিটার্নিং অফিসার

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নয়া বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্যের সবকটি অর্থাৎ ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্যই মহকুমা শাসক বা তার উচ্চপর্যায়ের আধিকারিকদের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করে একটি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, ন্যূনতম এসডিএম-দের এই পদে নিয়োগ করার কথা। কিন্তু বিগত নির্বাচনগুলিতে রাজ্যের অনুরোধ মেনে নিচুতলার কর্মীদের রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছিল কমিশন। তবে এবার আর নিয়মের কোনও ব্যতিক্রম যে হবে না তা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল কমিশন। এবার পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের জন্য মহকুমাশাসক বা এসডিএম (সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট) পদমর্যাদার অফিসারদের ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হল বলে জানানো হয়েছে। এখন থেকে সারা দেশের নিয়ম মেনেই পশ্চিমবঙ্গেও এসডিএম সমমর্যাদা বা তার চেয়ে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরই রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হবে। এর থেকে নীচের পদের কাউকে নিয়োগ করা হবে না বলে জানান হয়েছে।

    তালিকায় জায়গা পেলেন কারা?

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়ালের কাছে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী যে পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাঠিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক, জেলা পরিষদের সচিব, জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক, জেলা সংখ্যালঘু উন্নয়ন আধিকারিক, জেলা তফসিলি জাতি-জনজাতি উন্নয়ন আধিকারিক, জেলা পরিকল্পনা আধিকারিক স্তরের অফিসারেরা এ বার রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন। অর্থাৎ, সব পদই উচুস্তরের। পশ্চিমবঙ্গে আগে নির্বাচনে ডিএমডিসি (ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ডেপুটি কালেক্টর) পদমর্যাদার আধিকারিকেরা রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করলেও এ বার সেই প্রবণতা থেকে যে কমিশন সরে এল সদ্যপ্রকাশিত তালিকাতেই তা স্পষ্ট।

    রিটার্নিং অফিসার নিয়োগে বাড়তি জোর কেন

    সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও সাফ বলেছিলেন ভোটের সময় রাজ্যে কোনওরকম অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। সেই লক্ষ্যেই এবার নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং অফিসার নিয়োগে বাড়তি জোর দিল কমিশন। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে নিয়মের বাইরে গিয়ে যে একটিও কাজ হবে না, তা পদে পদে বুঝিয়ে দিচ্ছে কমিশন। এতদিন পর্যন্ত রাজ্য সরকার সারা দেশের নির্ধারিত মানের চেয়ে নিম্ন পদমর্যাদারা অধিকারিকদের ইচ্ছামতো রিটার্নিং অফিসার হিসেবে বেছে নিত। তারপর সেই তালিকা পাঠান হতো নির্বাচন কমিশনের কাছে। কিন্তু এবার থেকে আর সেই জিনিস চলবে না। বরং আইন মেনে চলার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান অনেক বেশি কঠোর হয়েছে বলে খবর।

  • BJP Candidate List: বঙ্গভোটে বিধায়ক ও পুরনো নেতাদের অগ্রাধিকার বিজেপির! মোদির বাসভবনে চূড়ান্ত ১৫০ প্রার্থীর নাম?

    BJP Candidate List: বঙ্গভোটে বিধায়ক ও পুরনো নেতাদের অগ্রাধিকার বিজেপির! মোদির বাসভবনে চূড়ান্ত ১৫০ প্রার্থীর নাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের (WB Assembly Election) জন্য অন্তত ১৫০টি আসনের প্রার্থী (BJP Candidate List) চূড়ান্ত করে ফেলল বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব৷ এমনটাই খবর সূত্রের। বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রথম সারির নেতাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বৈঠকে বসেছিল দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও এ দিনের বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন৷ এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে বিপ্লব দেব, সুনীল বনশল, সতীশ ধন্দ, অমতি মালব্যরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন৷

    ১৫০-র বেশি আসনে প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত

    দলীয় সূত্রে খবর, বিজেপি-র এবারের প্রার্থী তালিকায় প্রত্যাশিত ভাবেই বর্তমান বিধায়কদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে৷ পাশাপাশি, দলের পুরনো কর্মী এবং সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে, টিকিট দেওয়ার ক্ষেত্রে এরকম নেতা কর্মীদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে৷ রাজ্যের ২৯৪টির মধ্যে ১৫০-র বেশি আসনে প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে। বর্তমান বিধায়কদের সিংহভাগই আবার টিকিট পাচ্ছেন বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। রাজ্যে এই মুহূর্তে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৬৫। সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রার্থী তালিকায় পুরনো জয়ী প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন। আগে কখনও বিধানসভা বা লোকসভার ভোটে লড়েননি, এমন কিছু নতুন মুখও টিকিট পাচ্ছেন। তবে তাঁরা সকলেই সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত।

    আসনগুলিকে এ, বি এবং সি- এই তিনটি শ্রেণিতে ভাগ 

    ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই অন্তত ১৫০ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দেওয়া হতে পারে। জয়ের সম্ভাবনা বিচার করে রাজ্যের বিধানসভা আসনগুলিকে এ,বি এবং সি- এই তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। জয়ের সম্ভাবনা সবথেকে বেশি, সেই আসনগুলিকে রাখা হয়েছে৷ এ ক্যাটেগরিতে৷ এই আসনগুলিতে ষোল আনা খাঁটি বিজেপি নেতা, কর্মী ছাড়া কাউকে টিকিট দেওয়া হবে না। বি ক্যাটেগরি মানে যেখানে জয় ও পরাজয়ের মধ্যে খুব বেশি ফারাক নেই। সি ক্যাটেগরি মানে যেখানে জয়ের আশা বিশেষ নেই, তবু লড়াই জারি থাকবে। কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাংশ এবং দার্জিলিং পাহাড়ের তিনটি আসন ছাড়া প্রায় সব আসন নিয়েই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা সেরে নিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা। সূত্রের খবর, অগ্নিমিত্রা পাল আসানসোল দক্ষিণ থেকে এবং দিলীপ ঘোষকে খড়্গপুর সদর থেকে প্রার্থী হিসেবে দেখা যেতে পারে।

  • Assembly Election 2026: দিল্লিতে শাহ-নবীনদের সঙ্গে বৈঠকে শমীক-শুভেন্দু, সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে আলোচনা

    Assembly Election 2026: দিল্লিতে শাহ-নবীনদের সঙ্গে বৈঠকে শমীক-শুভেন্দু, সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়ে আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections 2026) আগে দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে করলেন বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতারা (West Bengal BJP)। বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (J P Nadda) বাসভবনে বুধবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya), রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-সহ বঙ্গ বিজেপির একাধিক শীর্ষ পদাধিকারী। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এই বৈঠকে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, খুব শিগগিরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে। তার আগেই ২৯৪টি বিধানসভা আসনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করতে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    প্রার্থীতালিকা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা

    বুধবার সন্ধ্যায় জেপি নাড্ডার বাড়িতে দীর্ঘ ৬ ঘণ্টার বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। বৈঠকে বাংলার প্রতিটি আসন ধরে ধরে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আর তারপরই জোরালো জল্পনা বিধানসভা ভোটের জন্য বাংলার ২৯৪ আসনের প্রার্থী কি চূড়ান্ত করে ফেলেছে বিজেপি? শুধু মোদির অনুমোদনের অপেক্ষা। বুধবার সন্ধ্যায় জেপি নাড্ডার বাড়িতে বিজেপির বৈঠকে যোগ দিতে পৌঁছে যান বঙ্গ বিজেপির কোর কমিটি শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, অমিতাভ চক্রবর্তী, অমিত মালব্য-সহ অন্যরা। বিজেপি সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল যে, প্রার্থী তালিকা নিয়েই আলোচনা হবে সেই বৈঠকে। দলীয় সূত্রে খবর, সম্প্রতি সংগঠনের উদ্যোগে শুরু হওয়া ‘পরিবর্তন যাত্রা’র রাজনৈতিক প্রভাব ও ফলাফল নিয়েও বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিনিময় করেন রাজ্য নেতারা। একই সঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থীতালিকা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।

    আসন-ভিত্তিক কৌশল নির্ধারণ

    পাশাপাশি, বৈঠকে বাংলার প্রতিটি আসন ধরে ধরে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বৈঠকে সংগঠনকে আরও মজবুত করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে বুথস্তরে দলীয় কর্মসূচি সক্রিয়ভাবে চালানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংগঠনের শক্তি ও দুর্বলতার দিকগুলি এবং কোথায় প্রচার আরও জোরদার করা দরকার—এই সব বিষয় নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চাইতে পারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এছাড়াও রাজ্যের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং আসনভিত্তিক কৌশল নির্ধারণ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কোন কেন্দ্রে কোন দলের প্রভাব কতটা, সেই হিসেব করেই প্রাথমিক পর্যায়ে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

    আজ বৈঠক মোদির সঙ্গে

    বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত প্রায় সাড়ে ১২টা, প্রায় ৬ ঘণ্টা বৈঠকের পর জেপি নাড্ডার বাসভবন থেকে বেরিয়ে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, বৈঠকে বাংলার প্রতিটি আসন ধরে ধরে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলের পুরনো কর্মী ও সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে বলেই প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত মিলেছে। এবার বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির বৈঠক। জানা যাচ্ছে, ওই বৈঠকেই কেরল ও পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হতে পারে।

    রাজ্যে ভোট ঘোষণা শীঘ্রই!

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। তাই বাংলার আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী বাছাই নিয়ে জোর তৎপরতা ইতিমধ্যেই শুরু করেছে বিজেপি। আগামী ১৪ তারিখ কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভা হওয়ার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ওই সভা শেষ হওয়ার পর যে কোনও সময় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার আগেই স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যে বিজেপির রাজনৈতিক তৎপরতাও বাড়তে শুরু করেছে।

  • West Bengal Assembly Election: দিল্লিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপি, কী নিয়ে আলোচনা?

    West Bengal Assembly Election: দিল্লিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপি, কী নিয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় ভোটের (West Bengal Assembly Election) বাদ্যি বেজে গিয়েছে। এখন সবার মুখে শুধুই ভোট-ঘোষণা ও প্রার্থী বাছাইয়ের কথা। রাজ্য নেতৃত্বরাও তাদের ভোট প্রচারে ব্যস্ত। এই আবহে আজ, বুধবারই বঙ্গ বিজেপি (Bengal Bjp) নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি (BJP Central Committee)। দিল্লির বিজেপির সদর দফতরে এই বৈঠক বসতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সহ রাজ্য সংগঠনের একাধিক পদস্থ নেতৃত্ব। নির্বাচনী রণকৌশল সহ কথা হতে পারে প্রার্থী তালিকা নিয়েও।

    প্রার্থী তালিকা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা

    মঙ্গলবারই পরিবর্তন যাত্রার সমাপ্তির ঘোষণা করা হয়েছে। ১৪ তারিখ শনিবার ব্রিগেডে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারই মধ্যে বুধবার বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। দলীয় সূত্রে খবর, বিধানসভা নির্বাচনে রণকৌশল নির্ধারণই এই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য। দলীয় সংগঠকে আরও শক্তিশালী করতে বুথস্তরে কর্মসূচি জোরদার করা ও বিরোধী রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ-সব কিছু নিয়ে আলোচনা হবে। সেইসঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়েও প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হতে পারে। মার্চ মাসের শেষের দিকেই রাজ্যের নির্বাচনেই নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে ২৯৪ জন প্রার্থী বাছাই করে মার্চের শেষ থেকেই রাজ্য জুড়ে প্রচার পর্বে ঝাঁপিয়ে পড়তে তৎপর বঙ্গ বিজেপি শিবির। তারই রূপরেখা তৈরি হয়ে যেতে পারে বুধবারের বৈঠক।

    জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

    রাজ্য নেতৃত্বের কাছ থেকে জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সংগঠনের প্রস্তুতি সম্পর্কের রিপোর্ট চাইতে পারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কোথায় প্রচার জোরদার করতে হবে, কোন আসনে কোন দল শক্তিশালী তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। সেই বুঝেই প্রাথমিক ভাবে স্থির করা হতে পদ্ম শিবিরের প্রার্থীর নামও। রাজ্যে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র ফল নিয়েও আলোচনা হতে পারে। সূত্রের খবর, নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে করা ‘পরিবর্তন যাত্রা’র ফল নিয়ে আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরেই বিকেল ৩টে নাগাদ এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন রাজ্য বিজেপির সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য-সহ রাজ্য সংগঠনের একাধিক পদাধিকারীরা। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় কমিটির থেকে উপস্থিত থাকবেন নিতিন নবীন, অমিত শাহের মতো বিজেপির শীর্ষ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

    ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচি

    মার্চ মাসের শুরু থেকেই জেলায় জেলায় জনসংযোগে বাড়তি নজর দিয়েছিল পদ্ম শিবির। রাজ্যের শীর্ষ বিজেপি নেতারা তো ছিলেনই, বাইরের রাজ্যের বিধায়ক, মন্ত্রীদের নিয়ে এসে রাজ্য জুড়ে চলল ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচি। রাজ্যে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার আগেই পরিবর্তন যাত্রার মধ্য দিয়ে নেতারা গোটা রাজ্য একবার চষে ফেলেছেন এবং কর্মীদের সঙ্গে একদফা দেখাসাক্ষাৎ, আলাপ-আলোচনা সেরে নিয়েছেন। যা ‘ফাইনাল ম্যাচ’ শুরুর আগে ‘ওয়ার্ম-আপ’ হিসাবে কাজ করবে। প্রত্যেকটি জেলা তো বটেই, ‘যাত্রা’য় অধিকাংশ বিধানসভা কেন্দ্রও ছুঁয়ে ফেলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। জমায়েত বা কর্মসূচির চেহারা যেমনই হোক, সর্বত্র দলের কর্মীদের অন্তত রাস্তায় নামাতে পেরেছেন তাঁরা। ভোটের আগে কর্মীদের মধ্যে যে উৎসাহ জাগানো জরুরি ছিল, ‘পরিবর্তন যাত্রা’ তা পেরেছে বলে বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছেন।

    রাজ্যে পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কিত

    ইতিমধ্যেই কলকাতায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করে গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বিজেপি চাইছে ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যেন তিনটির বেশি দফায় না হয়। পাশাপাশি, রাজ্যে একটি হিংসাত্মক কার্যকলাপমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনকে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার কথাও বলা হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিজেপি একটি ১৬-দফা দাবি সনদ জমা দিয়েছে। বিজেপি প্রতিনিধি দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ ছিল রাজ্যে বর্তমানে মোতায়েন প্রায় ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার এবং পরিচালনা নিয়ে। দলের পক্ষ থেকে এসব বাহিনীর সদ্ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশের ভূমিকার সমালোচনাও করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তাতে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব অসন্তুষ্ট। একটি সহিংসতামুক্ত ও নির্ভীক পরিবেশ তৈরি করতে চাইলে, ভোটারদের ভোটদানে বাধাদানকারী রাজ্য পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কমিশনকে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, স্পর্শকাতর এলাকার পরিবর্তে ইচ্ছাকৃতভাবে তুলনামূলক শান্ত এলাকায় রুট মার্চ চালানো হচ্ছে।

    তৎপরতা বাড়াচ্ছে গেরু শিবির

    সম্প্রতি দুদিনের রাজ্য সফরে এসে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছে সুষ্ঠু, অবাধ ভোট হবে বাংলায়। তার জন্য প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar)। এবার শুধু নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণার পালা। ভোটমুখী এই বঙ্গে আরও তৎপরতা বাড়াতে চলেছে বিজেপিও (Bjp)। বিশেষজ্ঞমহলের মতে, এখনও ভোট ঘোষণা হয়নি। সবে মাত্র একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়ে আর বাংলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দিল্লি পাড়ি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার আগে নিজেদের আরেকটু ঝালাই করে নিচ্ছে গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের এখনও কিছুটা সময় থাকলেও বিজেপি এখন থেকেই সংগঠনকে প্রস্তুত করার কৌশল নিচ্ছে। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে এই বৈঠককে ভবিষ্যৎ নির্বাচনী প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈঠকের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বার্তা বা কৌশলের ইঙ্গিত মিলতে পারে।

  • West Bengal Assembly Election: রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, ১-২ দফায় ভোটের আর্জি

    West Bengal Assembly Election: রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, ১-২ দফায় ভোটের আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বর্তমানে কলকাতায় এসেছে। সোমবার সকালে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের প্রতিনিধিদের যে বৈঠক হয়েছে, সেখানে ভারতীয় জনতা পার্টির (Bengal BJP) পক্ষ থেকে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে মূলত অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভীতিমুক্ত নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

    সংক্ষিপ্ত দফায় নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)

    বিজেপির (Bengal BJP) পক্ষ থেকে কমিশনকে অনুরোধ করা হয়েছে যাতে রাজ্যজুড়ে নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) প্রক্রিয়া ১ থেকে ২ দফার মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। তাদের মতে, পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে দ্রুত ভোট গ্রহণ শেষ করলে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতে পারে। উল্লেখ্য ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ৮ দফায় ভোট হয়েছিল। যদিও সেই সময় নির্বাচন চলাকালীন এবং নির্বাচন উত্তর হিংসার রূপ মারাত্মক আকার নিয়েছিল। তাই বিজেপি হিংসামুক্ত করার দাবিতে অনড়।

    ১৬ দফা দাবি

    এদিন বিজেপির (Bengal BJP) তরফে প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়৷ কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে নির্বাচন নিয়ে (West Bengal Assembly Election) ১৬ দফা দাবি পেশ করেছে বিজেপি। কমিশনকে জানানো হয়, ৭-৮ দফায় নির্বাচন করা দরকার নেই। সেনসিনিটিভ বুথ চিহ্নিত করা প্রয়োজন৷ রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তা নিয়েও কমিশনের কাছে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বিজেপির প্রতিনিধি দল।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর কার্যকর ব্যবহার

    এদিন রাজ্য বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করার কথা জানানো হয়েছে। প্রতিটি বুথে কেবল রাজ্য পুলিশ নয়, বরং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) মোতায়েন করার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া বুথের বাইরেও যাতে বাহিনী টহল দেয়, সে বিষয়ে কমিশনকে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে (West Bengal Assembly Election) কোনও ভাবেই দুষ্কৃতীদের দ্বারা যাতে ভোট লুট না হয় সেই বিষয়েও আবেদন করা হয়।

    ভোটার তালিকা সংশোধন

    ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়া বা ভুয়া নাম থাকা নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের বিধানসভায় যাতে একটি ত্রুটিমুক্ত এবং স্বচ্ছ ভোটার তালিকা নিশ্চিত করা হয় সেই দিকে নজর দিয়ে জোরালো দাবি করেছে বিজেপি।

    নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা

    ভোটের সময় স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের প্রয়োজনীয়তা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও বিজেপি সরব হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ সোমবার দিনভর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর বিকেলে রাজ্যের প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। বিজেপির এই ১-২ দফায় ভোট (West Bengal Assembly Election) করানোর প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধেই নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ সাধারণত পশ্চিমবঙ্গে বড় নির্বাচনগুলো বেশ কয়েকটি দফায় অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ যখন পশ্চিমবঙ্গ সফরে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময়েই রাজ্যের এক রাজনৈতিক নেতার বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-এর উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নানা সময়ে অভব্য মন্তব্য করে সাংবিধানিক পদকে অপমান করেছেন বলে বার বার বিজেপি সরব হয়েছে।

    কল্যাণের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপের দাবি

    সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত অবমাননাকর ও প্রচ্ছন্ন হুমকিমূলক ভাষা প্রয়োগ করেছেন। শুধু তাই নয় জ্ঞানেশ কুমারের ‘আঙুল কাটা’-র মতো উস্কানি মন্তব্য করেছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। বিজেপি (Bengal BJP) দাবি করেছে এই আচরণ অগণতান্ত্রিক এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে। এই বিষয়টি নিয়ে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। তাঁদের মতে, সাংবিধানিক পদের অধিকারী কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের কুরুচিকর আক্রমণ কেবল ব্যক্তিগত অপমান নয়, বরং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও মর্যাদাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির রথযাত্রা ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, খাগড়াবাড়িতে রথ ভাঙচুর! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির রথযাত্রা ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, খাগড়াবাড়িতে রথ ভাঙচুর! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোচবিহারের (Cooch Behar) খাগড়াবাড়ি এলাকা। বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা বা রথযাত্রাকে (BJP Ratha Yatra) কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, বুধবার রাতে তাদের রথ লক্ষ্য করে ভাঙচুর চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

    স্পর্শকাতর এলাকা (Cooch Behar)!

    বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, স্থানীয় তৃণমূল নেতা সায়নদীপ গোস্বামী ও তাঁর অনুগামীরা বুধবার রাতে অতর্কিতে রথের (BJP Ratha Yatra) ওপর হামলা চালায়। উল্লেখ্য, খাগড়াবাড়ির (Cooch Behar) যে অংশে এই উত্তেজনা ছড়িয়েছে, সেখানেই কিছুদিন আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল। এলাকাটি অত্যন্ত রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর, তাই বিরোধীদের কাজকর্মকে বারবার টার্গেট করে গণতান্ত্রিক অধিকারকে নস্যাৎ করছে বলে বিজেপির অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই খাগড়াবাড়ি এলাকায় পরিবেশ থমথমে। রাস্তার দু’ধারে লাঠি ও বাঁশ হাতে দু’পক্ষের প্রচুর কর্মী-সমর্থক জড়ো হয়েছে। যে কোনও সময় বড়সড় সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, “তৃণমূল ধারাবাহিকভাবে কোচবিহার (Cooch Behar) এই অঞ্চলে সন্ত্রাস চালানোর চেষ্টা করছে। অনুপ্রবেশকারীদের মদত নিয়ে তারা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে।” অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর মতে, “কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ রয়েছে, তারই প্রতিফলন হতে পারে এই ঘটনা।” তবে প্রশাসনিক ভাবে এলাকার আইন শৃঙ্খলা যে বিঘ্নিত হয়েছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ভোটের মুখে কোচবিহারের এই অশান্তি প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। পুলিশ বর্তমানে কড়া নজরদারিতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতিন প্রসাদের শীতলকুচি (Cooch Behar) থেকে এই রথযাত্রার সূচনা করার কথা ছিল। সেই উদ্দেশ্যে রথটি কোচবিহারের জেলা কার্যালয় থেকে পুণ্ডিবাড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় মহিষবাথান এলাকায় আক্রমণের মুখে পড়ে। স্থানীয়দের অবশ্য অভিযোগ, একটি বোলেরো গাড়িতে আসা ৭-৮ জন দুষ্কৃতী হঠাৎ রথটি থামিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। বিজেপির দাবি, স্থানীয় তৃণমূল যুব নেতা সায়নদীপ গোস্বামীর নেতৃত্বেই এই হামলা চালানো হয়েছে। অবিলম্বে এই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি চান।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায়ের নেতৃত্বে কর্মীরা পুণ্ডিবাড়ি মোড়ে (Cooch Behar) পথ অবরোধ করে। সুকুমারবাবু বলেন, “তৃণমূল কাপুরুষের মতো অন্ধকারে হামলা চালিয়েছে। ক্ষমতা থাকলে সামনে এসে লড়াই করুক।” ঘটনার পর নিরাপত্তার খাতিরে ক্ষতিগ্রস্ত রথটি পুনরায় জেলা কার্যালয়ে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে বিজেপি নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছেন, নির্ধারিত সূচি মেনেই রথ শীতলকুচি যাবে।

    তৃণমূলের পাল্টা দাবি

    হামলার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। তাঁর দাবি, “স্রেফ প্রচারের আলোয় থাকার জন্যই বিজেপি নিজেরা গাড়ি ভাঙচুর করে তৃণমূলের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়ার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ থাকতে পারে, যার দায় তৃণমূলের নয়।”

    দু’পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা

    ঘটনার খবর পেয়ে পুণ্ডিবাড়ি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে। বিশেষ করে তৃণমূলের পক্ষ থেকেও পাল্টা বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়ায় দু’পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসন পুরো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। গত ১ মার্চ থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন কোচবিহার (Cooch Behar) থেকে পরিবর্তন যাত্রার (BJP Ratha Yatra) সূচনা করেছেন। রাজ্যে একসঙ্গে ৯টি জায়গা থেকে এই রথ বের হয়েছে। কোচবিহারে এই রকম ভাবে রথযাত্রার উপর হামলার ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে রাজ্যজুড়ে।

  • Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের নাম পরিবর্তন করে ‘ঈশ্বরপুর’ রাখার দাবিতে ফের সরব হলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর সফরে এসে দলীয় এক সভায় দীর্ঘদিনের দাবিটিকে পুনরায় তুলে ধরেছেন। রবিবার, ১ মার্চ কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেছে বিজেপি। তৃণমূলের দুর্নীতি এবং মাত্রা ছাড়া নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে জনমনে সাহস জোগাতে বিশেষ এই যাত্রা বলে দাবি বিজেপির।

    ঐতিহাসিক দাবির পুনরাবৃত্তি (Nitin Nabin)

    নিতিন নবীন (Nitin Nabin) তাঁর ভাষণে উল্লেখ করে বলেন, “ইসলামপুরের প্রাচীন পরিচিতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ‘ঈশ্বরপুর’ নামটি গভীরভাবে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে এই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। এই মাটির সঙ্গে  জড়িয়ে আছে হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন, সমাজসংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা এবং বিপ্লবী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি। ইসলামপুরকে ঈশ্বরপুর করার জন্য বিজেপি-র এই পরিবর্তন যাত্রাকে শঙ্খধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানান৷ ইসলামপুর আর থাকবে না, ঈশ্বরপুর হবে৷ আপনাদের স্বপ্ন পূরণ হবে৷ রাজবংশী সম্প্রদায়ের মহান সমাজ সংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা, বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি বিজড়িত এই মাটিকে ঈশ্বরপুর আমরা বানিয়েই ছাড়ব৷”

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    নাম পরিবর্তনের দাবিকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) আরও বলেন, “বর্তমান শাসক দল তুষ্টিকরণের রাজনীতি করছে বলেই সাধারণ মানুষের ভাবাবেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের জন্য কালো কোর্ট পড়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন, কিন্তু এখানকার মা বোনদের কিছু হলে তখন মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে থাকেন। বাংলাদেশি ভোটারদের বাঁচানোর জন্য ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু আমরা আসাম, বিহারে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের চিহ্নত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।”

    মনোবল চাঙ্গা করতেই সফর

    নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই দাবিকে বিভাজনের রাজনীতি বলে কটাক্ষ করলেও, বিজেপি সমর্থকরা এই দাবিকে স্বাগত জানিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গে দলের সংগঠন মজবুত করতে এবং কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই তাঁর এই সফর। নাম পরিবর্তনের এই আবেগকে তিনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মানুষের দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে সচেষ্ট হবে।

  • Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোলপূর্ণিমা এবং বসন্ত উৎসবের আবহে কলকাতার ভবানীপুর এলাকায় হোলি উদ্‌যাপনে শামিল হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও এদিন তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে রঙের উৎসবে মেতে উঠতে দেখা যায়। ভবানীপুরের (Bhawanipur) হরিশ মুখার্জি রোড সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে শুভেন্দু অধিকারী সাধারণ মানুষের সঙ্গে আবির খেলেন এবং তাঁদের হোলির শুভেচ্ছা জানান।

    অশুভ শক্তির বিনাশ (Suvendu Adhikari)

    দোলের দিনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে শুভেন্দুকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। প্রথাগত রঙের উৎসবের পাশাপাশি ভক্তিমূলক গানেও অংশ নেন তিনি। গান ধরেন ‘গোরা গোরা গৌরাঙ্গ, হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই’। পরনে ছিল গৈরিক বসন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সমর্থকরা। হোলির উৎসবে অংশ গ্রহণে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাধুসন্তরা। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “নাস্তিকতা নিপাত যাক। সেকুলারিজ়ম নিপাত যাক। হিন্দুরা যাতে পশ্চিমবঙ্গে সুরক্ষিত থাকে এই প্রার্থনা করব।” সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, “হোলি হল অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সম্প্রীতির প্রতীক। এই উৎসবের রঙ যেন সাধারণ মানুষের জীবনে আনন্দ ও শান্তি বয়ে আনে, সেই কামনাই কামনাই জানাই।

    ভবানীপুর লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

    ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যাওয়ার পর ভবানীপুর (Bhawanipur) থেকে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে গত লোকসভা ভোটে এই এলাকায় তৃণমূলের তুলানয় অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। আগামী বিধানসভার নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিধানসভা। কারণ ইতিমধ্যে বিজেপির তরফে বিশেষ ওয়াররুম গঠন করা হয়েছে। এই এলাকায় ইতিমধ্যে এসএইআরে ৬০ হাজার নাম বাদ হয়েছে। ফলে ভোট অঙ্কের সমীকরণে হিন্দু ভোটের পাল্লা ভারি। অপর দিকে আরেক অনুষ্ঠানে মমতাও পাল্টা তোপ দেগে বলেছেন যে ভবানীপুরে তৃণমূলই জিতবে। বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) এই উপস্থিতি ও জনসংযোগ বিশেষ নজর কেড়েছে। তবে এদিন রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে উৎসবের মেজাজই ছিল প্রধান।

  • Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমতার জনসভায় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র (Parivartan Yatra) মঞ্চ থেকে এদিন তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর রাজনৈতিক ইতিহাসের কথা মনে করিয়ে দেন।

    ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’ (Parivartan Yatra)

    শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) তাঁর ভাষণে বলেন, “বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস যে রাজনৈতিক কৌশল গ্রহণ করছে, তা আসলে একটি ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’।” একই ভাবে সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্মতলার অনশন মঞ্চের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সে সময় মুখ্যমন্ত্রী যে রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখে পড়েছিলেন, সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এসেছিলেন আজকের মঞ্চে উপস্থিত রাজনাথ সিং। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অটলবিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আদবানির এনডিএ জোটের শরীক ছিলেন এবং বিজেপিকে অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। অথচ বর্তমানে সেই তৃণমূলের শাসনকালেই বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার (Parivartan Yatra) চালানো হচ্ছে।”

    বাংলার মাটি থেকেই পরিবর্তনের ডাক এসেছে

    শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) সুরেই সুর মিলিয়ে রাজনাথ সিংও এদিন তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করে বলেন, “এবার আর এদিক ওদিক হলে হবে না। আর টিএমসির অত‍্যাচার চলবে না। এবার মমতা যাচ্ছেন। বাংলার উৎসাহ তাই বলে দিচ্ছে। বাংলায় পরিবর্তন হলে দারুণ গতিতে উন্নয়ন হবে। বিকাশ আর প্রগতি কেউ আটকাতে পারবে না। বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য তৈরি এবং বর্তমান সরকারের দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে বিজেপিই রাজ্যে উন্নয়নের (Parivartan Yatra) জোয়ার আনবে।”

    রাজ্যে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    রাজ্যে পরিবর্তনের ডাকে বিজেপি একাধিক জেলা থেকে পরিবর্তন সংকল্পের (Parivartan Yatra) ডাক দিয়েছে। ইতিমধ্যে নানা প্রান্ত থেকে যাত্রা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের হেভি ওয়েট নেতারা এই কর্মকাণ্ডে যোগদান করেছেন। মমতার বিরুদ্ধে প্রচারকে আরও জোরদার করতে বিজেপি ভোটের প্রচারকে আরও জোরদার করেছে। রাজ্যের তৃণমূলকে সরিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করতে দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সহ অনেক নেতা এখান বঙ্গে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। এই পরিবর্তন যাত্রার মূল লক্ষ্য হল মানুষের মনে তৃণমূলের ভয়কে দূরে সরিয়ে দেওয়া।

LinkedIn
Share