Tag: Bengal BJP

Bengal BJP

  • Arijit Das Thakur: তোলাবাজির অভিযোগে ফের গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর, তালিকায় এবার অরিজিৎ দাস ঠাকুর

    Arijit Das Thakur: তোলাবাজির অভিযোগে ফের গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর, তালিকায় এবার অরিজিৎ দাস ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই একের পর এক শাসকদলের বিদায়ী নেতা ও কাউন্সিলরের গ্রেফতারির পালা চলছে। সুদীপ পোল্লে এবং সচিন সিংয়ের পর এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কলকাতা পুরনিগমের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অরিজিৎ দাস ঠাকুর (Arijit Das Thakur)। তোলাবাজিসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে গড়ফা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। বুধবারই তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। গত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি এবং তোলাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বিজেপি সরকার।

    ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ (Arijit Das Thakur)

    তৃণমূল নেতাদের (TMC Councillor) বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তৎকালীন বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি এই নিয়ে বারবার সরব হলেও, শাসকদলের পক্ষ থেকে কোনও সদর্থক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠত। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চিত্রটি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আইন এখন নিজের পথে চলছে এবং একের পর এক প্রভাবশালী নেতার শ্রীঘরে ঠাঁই হচ্ছে। অরিজিতের বিরুদ্ধে মূলত স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা তোলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই এভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ধরপাকড় চলছে।

    অরিজিৎ দাস ঠাকুর (Arijit Das Thakur) তৃণমূলের দীর্ঘদিনের প্রবীণ নেতা দুলাল দাস ঠাকুরের পুত্র। এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল। অথচ, সম্প্রতি দল তাঁকে নিজেদের আইটি (IT) সেলে বড়সড় দায়িত্বও দিয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না; ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গড়ফা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

    এক নজরে সাম্প্রতিক গ্রেফতারি

    কলকাতা পুরনিগমে এই নিয়ে পরপর তিনজন তৃণমূল কাউন্সিলর (TMC Councillor) পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। যারা যারা অসৎ উপায় অবলম্বন করে মানুষের জনজীবনকে বিপন্নকে করেছেন তাঁদের আরও কয়েকজন সম্পর্কে অভিযোগগুলি ছিল ভীষণ গুরুতর। সুদীপ পোল্লে, ওয়ার্ড নম্বর ১২৩, কলকাতা পুরনিগমের প্রথম কাউন্সিলর হিসেবে কয়েকদিন আগে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। এরপর সচিন সিং, ওয়ার্ড নম্বর ৩৬, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভাঙচুর, লুটপাট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে গত ২৭ মে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

    সচিন সিংয়ের গ্রেফতারির নেপথ্যে রয়েছে ২০২১ সালের ৪ মে-র একটি ঘটনা। অভিযোগকারী আদর্শ পাণ্ডে দাবি করেন, ওই দিন বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ সচিন সিংয়ের নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতী তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর পাশাপাশি তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। সেই পুরনো মামলার তদন্তে নেমেই পুলিশ সচিনকে গ্রেফতার করে। আর তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পুলিশের জালে ধরা পড়লেন ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের অরিজিৎ দাস ঠাকুর (Arijit Das Thakur)।

  • Suvendu Adhikari: বুধবার থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার অর্থ মিলবে, তারকেশ্বর থেকেই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

    Suvendu Adhikari: বুধবার থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার অর্থ মিলবে, তারকেশ্বর থেকেই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বর্তমান শাসকদলের একাধিক জনকল্যাণমুখী রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবায়ন করতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এক বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, “অন্নপূর্ণা যোজনা-র (Annapurna Yojana) আওতায় প্রতিশ্রুতি মতন অর্থ প্রদানের প্রক্রিয়া বুধবার (৩ জুন) থেকেই শুরু হতে চলেছে।” এই প্রসঙ্গে তিনি মঙ্গলবার তারকেশ্বর থেকে আরও বলেন, “যত দ্রুত ফর্ম ফিলআপ হবে, তত দ্রুতই চালু হবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার।” এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী আবহে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল ও পারদ চড়তে শুরু করেছে।

    ঘুষপেটিয়াকে টাকা দেওয়া হবে না (Annapurna Yojana)

    উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে রাজ্যের মহিলাদের জন্য এই ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’-র (Annapurna Yojana) কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। শাসকদলের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের বিকল্প হিসেবে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, তারা ক্ষমতায় এলে রাজ্যের মহিলাদের আর্থিক সহায়তার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে। এরপর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায় যে রাজ্যে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছে। ২০২৬ সালে ঐতিহাসিক রায়ে বিধানসভায় বিজেপি সরকার গড়তেই ঠিক কথা মতো কাজ শুরু করে দিয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তারকেশ্বরে বলেন, “কাল থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া শুরু হবে। যাঁরা ফর্ম পূরণ করেছেন, তাঁরা টাকা পাবেন। আমরা যা বলি, ভেবেচিন্তেই বলি। কোনও ঘুষপেটিয়াকে টাকা দেওয়া হবে না। সরকারি ভাতা যোগ্যদের পাশাপাশি অযোগ্যদের খাতায়ও ঢুকেছে। যাঁরা অন্নপূর্ণার ফর্ম এখনও পূরণ করেননি, তাঁরাও বঞ্চিত হবেন না। তাঁদের অ্যাকাউন্টেও আগের মতো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকবে।”

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার লুঠ করেছেন, ছাড়ব না

    এই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “আগামীকাল থেকেই যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই যোজনার অর্থ সরাসরি প্রেরণের প্রক্রিয়া আরম্ভ হবে। যাঁরা ১২ পাতা, ১৬ পাতা, ১৮ পাতা করছেন, এই জনগণের দ্বারা রিজেক্টেড নেতা এবং তাঁদের দলের লোকেদের বলব যে, এই সংখ্যাটা কত হবে আমরা জানি না। তাঁদের আমলে অনুপ্রবেশকারীরা তো ভাতা পেয়েছেনই, তার সঙ্গে হাজার হাজার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা, যাঁরা মহিলা নন বা এই কর্মসূচির আওতায় আসেন না, তাঁরাও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Annapurna Yojana) লুঠ করেছেন। আমি কাউকে ছাড়বো না।”

    দুর্নীতি নিয়ে সরব

    একই সঙ্গে, এই কর্মসূচির ঘোষণা মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যের বর্তমান শাসকদল ও রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “রাজ্যের বর্তমান প্রশাসন সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও কেন্দ্রীয় অনুদান সুপরিকল্পিতভাবে সাধারণের কাছে পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতি প্রশ্রয় পাচ্ছে। এসআইআরে নাম বাদ যাওয়া এবং এই রাকিবুল, মুস্তাফিজুর, তারিকুলরা মিলে অন্তত ৩০ লক্ষ ভুয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা তুলেছে। ৩০ লক্ষ গুণিতক ১৫০০ টাকা করে যদি হিসাব করেন, জনগণের কত হাজার কোটি টাকা এরা লুঠ করেছে, এটা তার প্রমাণ। আমরা এদের একেবারে গ্রাসরুট থেকে ক্র্যাক ডাউন করব আইনের মাধ্যমে।”

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে শুভেন্দু অধিকারীর এই দ্রুত পদক্ষেপ (Annapurna Yojana) এবং পাল্টা প্রকল্প চালুর ঘোষণা আসলে আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে গ্রামীণ ও শহরতলীর মহিলা ভোটারদের নিজেদের পক্ষে ধরে রাখার একটি সুদূরপ্রসারী কৌশল।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘কাশ্মীরে পাথরবাজি বন্ধ হয়েছে, বাংলাতেও হবে’’, পার্ক সার্কাসে পৌঁছে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘কাশ্মীরে পাথরবাজি বন্ধ হয়েছে, বাংলাতেও হবে’’, পার্ক সার্কাসে পৌঁছে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার পার্ক সার্কাস সংলগ্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সাম্প্রতিক অবনতি এবং অশান্তির ঘটনায় অত্যন্ত কঠোর মনোভাব প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নবান্নে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যে কোনও অবস্থাতেই অরাজকতা বা আইন অমান্য করার ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পুলিশ প্রশাসনকে মুক্তহস্ত করা হয়েছে। এর পর পার্ক সার্কাসে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দাঁড়িে তাঁর সাফ কথা, “হাতে পাথর তুলে নেওয়া, ধর্মীয় স্লোগান দিয়ে গন্ডগোল করা পশ্চিমবঙ্গে আর চলবে না।”

    প্রশাসন কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সরকারের প্রধান অঙ্গীকার। পার্ক সার্কাসে যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং আইন-শৃঙ্খলার পরিপন্থী। সাধারণ মানুষের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করা হলে প্রশাসন কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।”

    একই ভাবে আহত পুলিশকর্মী এবং সিআরপিএফদের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ওঁদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। কতটা জখম হয়েছেন দেখলাম। আমাদের পুরো বাহিনী গতকাল যে ভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করেছে, বড় অঘটন ঘটতে দেয়নি, মানুষজনকে বাঁচিয়েছে, তাঁদেরও আমি সাপোর্ট দিতে এসেছিলাম। বলেছি, সরকার আপনাদের সঙ্গে আছে। আপনারা ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) অনুযায়ী, ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করবেন। আপনাদের মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্বদা আপনাদের পাশে রয়েছে। নগরপালের নেতৃত্বে পুরো দল রয়েছে।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, “পূর্বতন সরকারের আমলে সুনির্দিষ্ট তোষণ নীতির কারণে কিছু সমাজবিরোধী যে প্রশ্রয় পেয়েছিল, নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থায় তা সম্পূর্ণ নির্মূল করা হবে।”

    স্পর্শকাতর এলাকায় ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার নির্দেশ

    শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “যে কোনও রাজনৈতিক সংগঠন, ধর্মীয় সংগঠন পুলিশকে জানিয়ে তাদের কর্মসূচি করতে পারে। কিন্তু মানুষ জড়ো করে ধর্মীয় স্লোগান দেওয়া, পাথর ছোড়া… কাশ্মীরে, শ্রীনগরে পুলিশকে পাথর ছোড়া বন্ধ হয়েছে, আমার মনে হয় পশ্চিমবঙ্গ তথা কলকাতাতেও এ বার বন্ধ হবে। আমি আবেদন করব, এই কাজগুলো আর করবেন না। যদি মনে করে থাকেন, আগের সরকার আছে, আগের নিয়ম আছে, পুলিশফোর্সকে হাত-পা বেঁধে রেখে দেওয়া হবে, তা হলে কিন্তু ভুল করবেন। তাই ‘ক্লিয়ার মেসেজ’ দিচ্ছি, এই ধরনের অশান্তি, গুন্ডামিতে ‘জিরো টলারেন্স’। দেশ-বিরোধী, সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ চালাতে দেব না। হোম মিনিস্টার হিসাবে আমি লাস্ট ওয়ার্ড বলে গেলাম, একটা পুলিশের গায়ে যদি হাত পড়ে, এই সরকার তার জন্য আইন প্রয়োগ করে যত দূর যেতে হয় যাবে। শুধু অ্যারেস্ট (গ্রেফতার) নয়, কনভিকশন (দণ্ড) করানো পর্যন্ত ক্লোজ় মনিটরিংয়ের দায়িত্ব আমাদের হাতে থাকবে। আর পুলিশ বন্ধুদের বলব, আপনাদের প্রশিক্ষণের সময় যা বলা হয়েছে, বিএনএস যা বলে, আপনাদের ঊর্ধ্বতন যে নির্দেশ দেবেন, সেই অনুযায়ী ভয়মুক্ত হয়ে কাজ করবেন।”

    পার্ক সার্কাস ময়দান এবং সংলগ্ন এলাকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখার ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) স্থানীয় নাগরিকদের উস্কানিমূলক আচরণ বা গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকার এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আইন শৃঙ্খলার সঙ্গে বিন্দু মাত্র আপস নয়

    দুষ্কৃতীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আপনারাও কান খুলে শুনে নিন, এটাই শেষ ঘটনা। এর পর এমন ঘটনা ঘটতে দেব না। এর পর এমন ঘটনা যদি ঘটান, আমার থেকে খারাপ কোনও পুলিশমন্ত্রী হবে না।” রাজনৈতিক মহলের মতে, পার্ক সার্কাসের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নবগঠিত বিজেপি সরকার স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছে যে, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রশ্নে তারা বিন্দুমাত্র আপস করতে রাজি নয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) এই কড়া অবস্থান রাজ্যে সুশাসন ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

  • Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শুক্রবার, একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়নের পথে ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শুক্রবার, একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়নের পথে ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে স্বাধীনতার পর বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিধায়ক, জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি (Suvendu Adhikari) করতে চলেছেন নয়া মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক (Cabinet Meeting)। এই বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তুঙ্গে। এই প্রথম বৈঠকেই বঙ্গবাসীর জন্য বেশ কিছু বড় প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হতে পারে। গত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল পরিচালিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে যে কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে রাজ্যবাসীকে প্রাপ্য সরকারি অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে, সেগুলি দ্রুত বাস্তবায়িত করা হবে।

    সোমবার বিকেল ৫টায় বৈঠক (Suvendu Adhikari)

    বিজেপি সূত্রে খবর, নয়া মুখ্যমন্ত্রী সরকার পরিচালনা করবেন মহাকরণ থেকে। তবে মহাকরণে সংস্কারের কাজ চলায় আপাতত বিধানসভায়ই বসবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। ইতিমধ্যেই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর নামে বিশেষ ফলকও বাসানো হয়েছে। সোমবার নবান্ন সভাঘরে প্রথম বড় বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের ডিজিপি, এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) থেকে শুরু করে সব জেলার পুলিশ সুপারদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার বিকেল ৫টায় এই বৈঠক হবে। এরপর শুক্রবার নবান্নেই বিজেপি সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট (Cabinet Meeting) বৈঠকের সম্ভাবনা। নবান্নেই বসবে নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ চালু করেনি। এই বৈঠকে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত হতে পারে রাজ্যে এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের প্রয়োগ নিশ্চিত করা। এর ফলে সাধারণ মানুষ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।

    সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA)

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ নিয়ে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ রয়েছে। প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই ডিএ নিয়ে কোনও ইতিবাচক ঘোষণা বা কিস্তি মেটানোর পরিকল্পনা করা হতে পারে।

    কৃষক ও যুবকদের জন্য প্রকল্প

    কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘পিএম কিষান নিধি’র সুবিধা রাজ্যের প্রতিটি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের জন্য নতুন কোনও রূপরেখা তৈরি করা হতে পারে।

    প্রশাসনিক রদবদল

    নবান্নের অন্দরে এবং পুলিশ প্রশাসনে বড়সড় রদবদল ঘটিয়ে প্রশাসনকে আরও গতিশীল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ব্রিগেডে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)  সঙ্গে শপথ নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু। প্রোটেম স্পিকার হিসেবে শপথ নেবেন তাপস রায়। বুধ ও বৃহস্পতিবার শপথ নেবেন বাকি বিধায়করা। শুভেন্দুর নেতৃত্বে এই প্রথম মন্ত্রিসভার (Cabinet Meeting) বৈঠকটি মূলত ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারে’র উন্নয়নমূলক মডেলকে সামনে রেখে পরিচালিত হতে পারে। যেখানে কেন্দ্রের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে দ্রুত রাজ্যে কার্যকর করাই হবে নয়া সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

  • PM Modi: শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারকে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, জানুন তাঁর অবদানের কথা

    PM Modi: শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারকে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, জানুন তাঁর অবদানের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে মাতরমের ১৫০ বছরে পূরণ হল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন! পশ্চিমবঙ্গের কুর্সিতে বসল বিজেপি। আজ, শনিবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হল ব্রিগেডে। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ছিলেন আরও অনেকে। এই ভিড়েই ছিলেন শ্যামাপ্রসাদের সহযোগী মাখনলাল সরকারও। তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করলেন প্রণামও। নবতিপর মাখনলালের চোখেমুখে তখন স্পষ্ট আত্মতুষ্টির ছাপ (BJP History)।

    শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (PM Modi)

    ভারতীয় জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। পরে এই সংগঠনই বিজেপি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই শ্যামাপ্রসাদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন মাখনলাল। ১৯৫২ সালে যখন শ্যামাপ্রসাদ কাশ্মীরে ভারতীয় ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকা উত্তোলনের আন্দোলন করছিলেন, তখনও তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাখনলাল। তার  জেরে গ্রেফতার হন তিনি। দেশাত্মবোধক গান গাওয়ায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই সময় দেশে রাজ করছে কংগ্রেস। আদালতে তোলা হয় মাখনলালকে। বিচারপতি তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলেন।

    মাখনলালের সাফ কথা 

    মাখনলাল সাফ জানিয়ে দেন, “ক্ষমা চাইব না, কারণ কোনও অপরাধ করিনি (PM Modi)।” বিচারপতি তাঁকে সেই গানটি গাইতে বলেন। মাখনলাল গানটি গেয়ে শোনান বিচারপতিকে। তারপরেই পুলিশকে বিচারপতির নির্দেশ, এঁকে ফার্স্ট ক্লাসের টিকিট কেটে দিন, সঙ্গে দিন ১০০ টাকাও। বঙ্গ বিজেপির সবচেয়ে প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে অন্যতম মাখনলাল। এই প্রথম বঙ্গে প্রতিষ্ঠিত হল বিজেপি শাসন। সেখানেই তাঁকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

    শ্যামাপ্রসাদের শেষ সময়ের সঙ্গী মাখনলাল

    মাখনলাল বিজেপি-অনুগত প্রাণ। শ্যামাপ্রসাদের জীবনের শেষের দিনগুলিতেও তাঁর সঙ্গে ছিলেন মাখনলাল। কাশ্মীরে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় শ্যামাপ্রসাদের। তাঁর শেষ সময়েও সঙ্গী ছিলেন এই মাখনলাল। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বিজেপির তৎকালীন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মাখনলালের শিলিগুড়ির বাসভবনে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছিলেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে (BJP History) এ পর্যন্ত কীভাবে বিজেপিতে অবদান রেখেছেন মাখনলাল, এদিনের অনুষ্ঠানে তা স্মরণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (PM Modi)।

     

  • Suvendu Adhikari: পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন, মেদিনীপুর থেকে মহাকরণ— ফিরে দেখা শুভেন্দুর রাজনৈতিক যাত্রা

    Suvendu Adhikari: পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন, মেদিনীপুর থেকে মহাকরণ— ফিরে দেখা শুভেন্দুর রাজনৈতিক যাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে (West Bengal CM) এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হতে চলেছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির অভাবনীয় সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্র পরিবর্তনের অন্যতম কারিগর হিসেবে তাঁর এই উত্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আগামীকাল ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিনে শপথ নেবেন।

    সূচনা ও তৃণমূল পর্ব (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল নব্বইয়ের দশকে জাতীয় কংগ্রেসের হাত ধরে। পরবর্তীতে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সেনাপতি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকারের পতন ঘটিয়েছিল। কিন্তু এরপর ২০২১ সালের বিধানসভার নির্বাচনের আগে নিজের মন্ত্রীসভার পদ আর দায়িত্ব ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। এরপর  নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিরোধী দলনেতার ভূমিকায় কাজ করেন। অবশেষে দুই বার মমতাকে হারিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদে শপথ নেবেন বিজেপির এই বিধায়ক (West Bengal CM)।

    সাংসদ থেকে মন্ত্রী

    আসুন এক নজরে দেখে নিই তাঁর রাজনৈতিক জীবন –

    ১৯৯৫: রাজনৈতিক সূচনা

    পারিবারিক ঐতিহ্যের হাত ধরে রাজনীতিতে অভিষেক। কাঁথি পৌরসভার কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সংসদীয় রাজনীতির আঙিনায় প্রথম পদার্পণ করেন।

    ১৯৯৯: তৃণমূলের সংগঠক হিসেবে উত্থান

    কংগ্রেস ত্যাগ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান। সে বছর লোকসভা নির্বাচনে তমলুক কেন্দ্রে দলের জয়ের নেপথ্য কারিগরের ভূমিকা পালন করেন শুভেন্দু।

    ২০০১ – ২০০৪: প্রাথমিক চড়াই-উতরাই

    ২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মুগবেড়িয়া এবং ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তমলুক কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও বামফ্রন্ট প্রার্থীদের কাছে পরাজিত হন।

    ২০০৬: প্রথম বিধানসভা জয়

    দক্ষিণ কাঁথি কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন।

    ২০০৭ – ২০০৮: নন্দীগ্রাম আন্দোলন ও সাংগঠনিক ম্যাজিক

    ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামের ভূমি রক্ষা আন্দোলনে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব তাঁকে রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে। এর সুফল মেলে ২০০৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে, যেখানে তাঁর নেতৃত্বে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ বামমুক্ত হয়। ওই বছরই তিনি যুব তৃণমূলের সভাপতির দায়িত্ব পান।

    ২০০৯: লোকসভায় জয় ও দিল্লি যাত্রা

    তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে বাম দুর্গ ধসিয়ে দিয়ে বিপুল ভোটে সাংসদ নির্বাচিত হন। পাশাপাশি কাঁথি পৌরসভার চেয়ারম্যান পদের দায়িত্বও গ্রহণ করেন।

    ২০১১ – ২০১৪: ক্ষমতার কেন্দ্রে পদার্পণ

    রাজ্যে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের পর মেদিনীপুর অঞ্চলে তাঁর রাজনৈতিক আধিপত্য আরও বৃদ্ধি পায়। ২০১৪ সালে পুনরায় তমলুক থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। তবে এই সময়েই দলের মধ্যে সাংগঠনিক রদবদল নিয়ে তাঁর কিছুটা অসন্তোষ তৈরি হয়।

    ২০১৬: মন্ত্রী হিসেবে অভিষেক

    নন্দীগ্রাম থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভায় যোগ দেন। পরিবহণ এবং সেচ দফতরের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিত্বের দায়িত্বভার সফলভাবে সামলান।

    ২০১৯ – ২০২০: দূরত্ব ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত

    দলের অভ্যন্তরীণ রদবদল এবং পর্যবেক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে থাকে। অবশেষে ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুরে অমিত শাহের উপস্থিতিতে তৃণমূল ত্যাগ করে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP) যোগদান করেন।

    ২০২১: নন্দীগ্রামের যুদ্ধ ও বিরোধী দলনেতা

    বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে এক অভাবনীয় জয় হাসিল করেন। ফলস্বরূপ, বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার গুরুদায়িত্ব তাঁর কাঁধে বর্তায়।

    ২০২৬: বাংলার প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। বাংলার রাজনীতির ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সূচনা করে তিনি পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হন।

    ২০২৬-এর ঐতিহাসিক জয়

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রাম থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েন। জিতেছিলেন ১৯৫৬ ভোটে। নিজের ঘরের মাঠে মমতাকে হারানোর পর এ বার মমতার পাড়ায় এসে তাঁকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দু’টি কেন্দ্র থেকে তিনি ভোটে (West Bengal CM) লড়েছেন। মমতার বিরুদ্ধে শুধু জয়ই পাননি, আগের চেয়ে সেই জয়ের ব্যবধানও অনেক বাড়িয়েছেন। ভবানীপুরে মমতাকে তিনি হারিয়েছেন ১৫ হাজারের বেশি ভোটে।

    বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে লক্ষ্য

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমাদের সরকারের মূল মন্ত্র হবে ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ এবং সবকা বিশ্বাস’। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং বাংলাকে পুনরায় সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করাই  প্রশাসনের অগ্রাধিকার হবে। বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি যারা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কমিশন গঠন করা হবে। যারা সরকারি অর্থ নয়ছয় করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেব। আগামী দিনে সংকল্পপত্রের প্রত্যেকটা সংকল্প সময়ের মধ্যে পূরণ করা হবে।”

    তৃণমূল নেত্রীর একসময়ের প্রধান সহযোগী থেকে আজ তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এবং শেষ পর্যন্ত রাজ্যের মসনদে আসীন হওয়া— শুভেন্দু অধিকারীর এই রাজনৈতিক বিবর্তন বাংলার ইতিহাসে এক দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে।

  • Newtown BJP Worker: নিউটাউনে বিজেপি কর্মী খুন! নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সহ ৪

    Newtown BJP Worker: নিউটাউনে বিজেপি কর্মী খুন! নির্বাচন-পরবর্তী হিংসার অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সহ ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নির্বাচন-পরবর্তী (West Bengal Election 2026) রেশ কাটতে না কাটতেই নিউটাউনের (Newtown BJP Worker) এক বিজেপি কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় এক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপরদিকে মালাদায় বিজেপি কর্মী খুনে এবার ২ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিজেপির অভিযোগ দুই ক্ষেত্রেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা খুন করেছে বিজেপি কর্মীদের।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (Newtown BJP Worker)

    ৫ মে নিউটাউন থানা এলাকায় এক বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডলকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়েই তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভার জয়ী বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে বিজয় মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন মধু। সেই সময় আচমকা ওই মিছিলে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডারা হামলা চালায়।  অভিযোগ, তৃণমূল নেতা কমল মণ্ডল এবং তার অনুগামীরা ওই বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত বিজেপি কর্মীর পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের (West Bengal Election 2026) ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ সংশ্লিষ্ট তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত তৃণমূল নেতার নাম কমল মণ্ডল। টেকনো সিটি থানার পুলিশ বুধবার ভোরে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে। ধৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনার নেপথ্যে আর কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা চলছে। রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভার জয়ী বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে বিজয় মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন মধু। সেই সময় আচমকা ওই মিছিলে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডারা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। মহিলাদের উপর মারধরও করা হয়। তবে ব্যাপক মারধরের কারণেই মধু মণ্ডলের মতো বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

    রাজনৈতিক তরজা

    নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) পর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ। বিজেপির (Newtown BJP Worker) অভিযোগ, জয়লাভের পর তৃণমূল কর্মীরা সুপরিকল্পিতভাবে বিরোধীদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে, এটি একটি ব্যক্তিগত বিবাদের ফল এবং আইন তার নিজস্ব পথেই চলবে।

    পুলিশি পদক্ষেপ

    এলাকা শান্ত রাখতে এবং আর কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহলদারি বাড়ানো হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ (West Bengal Election 2026) এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান সংগ্রহ করে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চালাচ্ছে নিউটাউন (Newtown BJP Worker) থানার পুলিশ। এলাকায় থমথমে পরিবেশ বজায় থাকলেও পরিস্থিতি বর্তমানে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছে বিরোধী পক্ষ।

    ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা

    অন্যদিকে, মালদা জেলায় এক বিজেপি সমর্থককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই বর্বরোচিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে চাপা উত্তেজনা রয়েছে। প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে বাড়ি ফেরার পথে ওই ব্যক্তির ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর ওপর আঘাত করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    ফোন করে ডেকে নিয়ে যায়

    বুধবার গভীর রাতে ইংরেজ বাজার পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের গাদুয়া মোড় এলাকায় হত্যা করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, বুধবার রাতে কয়েকজন যুবক প্রথমে কিশানকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরে মহেশপুরের বাগানপাড়া এলাকা থেকে, কিশানের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। দেহের পাশ থেকে একটি বড় ছুরিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই তদন্তে নামে জেলা পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত মোটিভ বা উদ্দেশ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি রাজনৈতিক শত্রুতা নাকি ব্যক্তিগত বিবাদের জেরে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

  • CM Oath Ceremony: থাকবেন মোদি-শাহ, তৈরি হচ্ছে হ্যালিপ্যাড, নতুন মুখ্যমন্ত্রীর ব্রিগেডের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তারকা সমাবেশ

    CM Oath Ceremony: থাকবেন মোদি-শাহ, তৈরি হচ্ছে হ্যালিপ্যাড, নতুন মুখ্যমন্ত্রীর ব্রিগেডের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তারকা সমাবেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। বিশেষ সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, রাজ্যের আসন্ন নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান (Cm Oath Ceremony) হবে ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। এই অনুষ্ঠানকে এক অনন্য রূপ দিতে এবং জাতীয় স্তরে বার্তা পাঠাতে বিশাল আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি (Bengal BJP) শাসিত একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং এনডিএ জোটের একাধিক নেতাদের উপস্থিতি থাকবে। সভাস্থলে তৈরি হচ্ছে হ্যালিপ্যাড থাকছে এলাহি আয়োজন। ২৫ শে বৈশাখ, শনিবার হবে শপথ গ্রহণ।

    রাজকীয় শপথ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা (Cm Oath Ceremony)

    সচরাচর রাজভবনের লন বা প্রেক্ষাগৃহে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হলেও, এবার তা জনসমক্ষে বিশাল আয়োজনে করার চিন্তাভাবনা চলছে। ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডকে এই বিশেষ মুহূর্তের (Cm Oath Ceremony) সাক্ষী হিসেবে বেছে নেওয়া হবে। বিজেপি স্বাধীনতার পর এই প্রথম সরকার গড়বে বঙ্গে। ফলে নেতা কর্মী সমর্থক এবং রাজ্যবাসীর জন্য বিশেষ চমক রেখেছে বিজেপি (Bengal BJP)। শনিবার সকাল ১০.৩০টায় কলকাতায় নামবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকার কথা বিজেপি শাসিত বা এনডিএ জোটের ২০টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা।

    তারকা সমাবেশ ও ভিভিআইপি উপস্থিতি

    এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিত থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও বিজেপির শীর্ষ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপি শাসিত মুখ্যমন্ত্রীদেরও (Cm Oath Ceremony) আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। একই সঙ্গে এনডিএ শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং নেতারাও বঙ্গ বিজেপির নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণে থাকবেন বলে সূত্রের খবর।

    রাজ্যের মন্ত্রীসাভায় জায়গা পেতে পারেন বেশ কিছু বিজেপি নেতা। তাঁদের মধ্যে রিয়েছেন, অগ্নিমিত্রা পাল, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, শঙ্কর ঘোষ, স্বপন দাশগুপ্ত, অজিত কুমার জানা, নিশীথ প্রামাণিক, সৌরভ শিকদার, দিলীপ ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, ইন্দ্রনীল খাঁ, দীপাঞ্জন চক্রবর্তী, জুয়েল মুর্মু, বঙ্কিম ঘোষ, নমন রাই, সজল ঘোষ, রুদ্রনীল ঘোষ, সুব্রত ঠাকুর।

    ব্রিগেডে প্রস্তুতি সম্পর্কে দেবজিৎ সরকার বলেন, “ব্যবস্থা আশা করি ভালোই হবে। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বাঙালির সরকার, জনতার সরকার, পশ্চিমবঙ্গবাসীর সরকার। বিজেপি বিধায়করা সরকার নিশ্চয়ই চালালেও, এটা মানুষের সরকার। টাইট সিকিওরিটি। কারণ সেদিনের জন্য সারা ভারতের পাওয়ার সেন্টার এখানে।”

    রাজনৈতিক গুরুত্ব

    কলকাতায় ব্রিগেডের ময়দান রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সেখানে শপথ গ্রহণ (Cm Oath Ceremony) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলে তা যেমন শাসক শিবিরের শক্তি প্রদর্শন হবে, তেমনই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের একটি বিশেষ প্রয়াস হিসেবেও গণ্য হবে। উল্লেখ্য এই ২৫ বৈশাখ এবং শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানকে বড় করে দেখছে বিজেপি (Bengal BJP)। রবীন্দ্রনাথের জন্ম দিনের দিনে বাঙালির আবেগকে কাজে লাগাবে বঙ্গের নতুন সরকার।

    নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি

    প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশাল জনসমাগমের কথা চিন্তা করে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোগত প্রস্তুতির (Cm Oath Ceremony) রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সরকারি ঘোষণা আসেনি, তবে রাজনৈতিক মহলে কান পাতলে এই রাজকীয় শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়ে জোর চর্চা শোনা যাচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর এই পরিকল্পনার বিস্তারিত রূপরেখা স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • CRPF: ‘সিআরপিএফের ধাক্কায় মৃত্যু হাওড়ার বৃদ্ধের’! ভিডিও প্রকাশ করে অভিষেকের মিথ্যা অভিযোগ নস্যাৎ কমিশনের

    CRPF: ‘সিআরপিএফের ধাক্কায় মৃত্যু হাওড়ার বৃদ্ধের’! ভিডিও প্রকাশ করে অভিষেকের মিথ্যা অভিযোগ নস্যাৎ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধাক্কা মেরে অতীশিপর বৃদ্ধকে মেরে ফেলেছে সিআরপিএফ (CRPF)! এমন একটি গুরুতর অভিযোগে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সরব হয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjees)। একই ভাবে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। এবার নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগের পাল্টা সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করে মৃত্যুর আসল কারণ প্রকাশ্যে এনে তৃণমূল নেতাকে পাল্টা জবাব দিয়েছে। বিরোধীদের দাবি, ভোট আবহে অস্থিরতা এবং গুজব ছড়িয়ে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলার ষড়যন্ত্র করছে তৃণমূল। ঘটনার প্রকৃত সত্যতা প্রকাশ্যে আসতেই প্রকট হয়ে গেল তৃণমূলের মানুষ ক্ষেপানোর ষড়যন্ত্র। ফের মুখ পুড়ল শাসকদলের।

    বুথের ভিতরের ভিডিও প্রকাশ (CRPF)

    নির্বাচনের দিন হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের একটি বুথে এক বৃদ্ধ ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjees) অভিযোগ করেন যে, লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআরপিএফ ধাক্কা দিয়েছে তাই পরে যান বৃদ্ধ, এরপর পরিস্থিতির চাপে ওই ভোটারের মৃত্যু হয়েছে। আর এই ঘটনার জন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরাই দায়ী করেছেন অভিষেক। তবে ঘটানা যে তা ঘটেনি, তা বলেই এরপর ওই বুথের ভিতরের ভিডিও প্রকাশ করে কমিশন। একই ভাবে এই তৃণমূল নেতার সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট দেখে বেশকিছু সংবাদ মাধ্যম সংবাদ পরিবেশনও করেছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই

    চিকিৎসকের রিপোর্ট ও প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ওই ভোটারের মৃত্যু হয়েছে শারীরিক অসুস্থতা বা হৃদরোগের কারণে। এর সঙ্গে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। কমিশন এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করে এবং প্রাথমিক তদন্তের পর একটি ভিডিও তথ্য প্রকাশ করে বিবৃতি দেয়। ভিডিওতে কথাও দেখা যায়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CRPF) বুথের ভিতরে রয়েছেন। কমিশনের বক্তব্য-

    অসন্তোষজনক অভিযোগ

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjees) দাবিকে ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে কমিশন জানিয়েছে যে, ভোটারদের নিরাপত্তার জন্য বুথগুলিতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা (CRPF) ছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়কে ব্যবহার করা অনুচিত। বাহিনীর বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে যে মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা অপচেষ্টার প্রবণতা তৈরি হয়েছে তাও কমিশন অঙ্গিত দেয়।

    মনোবল ভাঙার চেষ্টা

    হাওড়ায় ভোটারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের তোলা অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে কমিশন। কমিশনের মতে, এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক স্বাভাবিক মৃত্যু, যার পেছনে কোনও প্রশাসনিক ত্রুটি ছিল না। তৃণমূল নেতৃত্বের (Abhishek Banerjees) দাবি, কমিশন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত না করেই এই রিপোর্ট দিয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের তরফে বলা হয়েছে, ভুয়ো দাবি করে লোক ক্ষেপানোর কাজ করছেন মমতা-অভিষেক। পরাজয় নিশ্চিত জেনেই শাসকদল সাধারণ মানুষের মৃত্যুকে নিয়ে রাজনীতি করছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর (CRPF) মনোবল ভাঙার চেষ্টা চালাচ্ছে। কমিশন এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে চূড়ান্ত ময়না তদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করছে। তবে আপাতত কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা কোনও অভিযোগই ধোপে টেকেনি। তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডের গালে সপাটে চড় পড়েছে।

  • West Bengal election 2026: ৪ মে সকাল ৮টা থেকে গণনা শুরু, কারা সরকার গড়বে স্পষ্ট হবে দুপুর ১২টার মধ্যেই?

    West Bengal election 2026: ৪ মে সকাল ৮টা থেকে গণনা শুরু, কারা সরকার গড়বে স্পষ্ট হবে দুপুর ১২টার মধ্যেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে  রাজ্যবাসী। গত ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল— দুই দফায় সম্পন্ন হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ (West Bengal election 2026)। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের সেই রায় এখন ইভিএম-বন্দি হয়ে স্ট্রংরুমে অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী সোমবার, ৪ মে সকাল ৮টা থেকে শুরু হতে চলেছে সেই বহুপ্রতীক্ষিত ভোট গণনা। কার হাতে উঠবে পশ্চিমবঙ্গের শাসনের  চাবিকাঠি, তার প্রাথমিক ইঙ্গিত সোমবার দুপুরের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) ইতিমধ্যে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

    গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি (West Bengal election 2026)

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) পক্ষ থেকে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে অভূতপূর্ব নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি জেলায় নির্ধারিত গণনা কেন্দ্রের চারপাশে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। স্ট্রংরুম (West Bengal election 2026) থেকে শুরু করে গণনা কক্ষ পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারি থাকবে। ভোটারদের ভোট প্রথমে ইভিএমে, তারপর ভিভিপ্যাটে জমা হয়। ইভিএমের দু’টি অংশ। এক, ব্যালট ইউনিট। দুই, কন্ট্রোল ইউনিট। সব বুথেই ইভিএম মেশিনের পাশে ছিল একটি ভিভিপ্যাট মেশিন। ভোটারেরা ইভিএমে বোতাম টিপে নিজের মত জানান। তবে তিনি যেখানে ভোট দিলেন, সেই প্রার্থীর নামেই ভোটটি সংরক্ষিত হল কি না, তা ভোটারেরা দেখতে পান ভিভিপ্যাট মেশিনে।

    স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা

    ভোটগ্রহণের (West Bengal election 2026) পর ইভিএমগুলি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ‘সিল’ করে নির্দিষ্ট স্ট্রংরুমে রাখা হয়েছে। গণনার দিন সকালে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও প্রার্থীদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সেই সিল খোলা হবে। কমিশন সব পক্ষকে সমানে রেখেই গণনার কাজ করবে বলে জানিয়েছে। যেহেতু এই ইভিএমে আগামী সরকার গড়ার ভোট বন্দি রয়েছে তাই তাকে সবদিক থেকে সুরক্ষিত রাখাই কমিশনের একমাত্র কাজ। ৪ ঘণ্টাই স্ট্রংরুমগুলির পাহারায় থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আগে স্ট্রংরুমগুলির নিরাপত্তায় ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। ওই সংখ্যা আর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য ন্যূনতম ২৪ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে।

    গণনা কক্ষের বিন্যাস

    প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের (West Bengal election 2026) জন্য আলাদা আলাদা গণনা কক্ষ বা হলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদি কোনও কক্ষ আকারে বড় হয়, তবে নিয়ম মেনে সেটিকে সুনির্দিষ্ট অংশে বিভক্ত করা হয়েছে। এককক্ষ থেকে অন্য কক্ষে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও থাকছে কড়া বিধিনিষেধ। গণনায় প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতার মেলবন্ধন করবে কমিশন। এবারের নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন বেশ কিছু নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    গণনা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে থাকবে একটিই প্রবেশপথ। ঘরের দরজায় রয়েছে ‘ডবল লক সিস্টেম’। কে, কখন স্ট্রং রুমে ঢুকছেন, কখন বার হচ্ছেন, সবটাই লিখে রাখতে হচ্ছে লগবুকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সেই কাজ করছেন সবসময়। স্ট্রংরুমের পাশাপাশি ভোট গোনার জন্য আলাদা ভাবে গণনাকক্ষ তৈরি করা হেয়ছে। সেটিও নিরাপত্তার বলয়ে সুরক্ষিত থাকবে। প্রতিটি কক্ষের জন্য আলাদা প্রবেশ ও বাহির পথ থাকবে, সেটাই নিয়ম।

    কিউআর কোড যুক্ত পরিচয়পত্র

    গণনাকেন্দ্রে অবৈধ প্রবেশ রুখতে এবার কমিশন নতুন প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে। ভোট গণনা কর্মী থেকে শুরু করে রাজনৈতিক এজেন্ট (West Bengal election 2026)— প্রত্যেকের পরিচয়পত্রে একটি সুনির্দিষ্ট কিউআর (QR) কোড থাকবে। তিন স্তরের যাচাই পর্ব পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে এই কোড স্ক্যান করার পরেই তবেই গণনাকক্ষে প্রবেশের অনুমতি মিলবে। গণনা কক্ষে থাকবেন রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, কাউন্টিং স্টাফ, টেকনিক্যাল স্টাফ, কাউন্টিং সুপারভাইজ়ার, কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তি ও অবজ়ার্ভার, দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী, প্রার্থী বা তাঁদের এজেন্ট।

    ভিডিও নজরদারি ও নিষেধাজ্ঞা

    নির্বাচন কমিশনের সাফ নির্দেশ, গণনাকেন্দ্রের (West Bengal election 2026) ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং ইভিএম বা ব্যালট পেপারের ছবি তোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে গোটা প্রক্রিয়াটি সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারিতে থাকবে এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি ভিডিওগ্রাফি করা হবে।

    ভোট গণনার পর্যায়ক্রম

    সোমবার সকাল ৮টায় যখন গণনা শুরু হবে, তখন প্রথমেই গুরুত্ব পাবে পোস্টাল ব্যালট। সাধারণত প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে পোস্টাল ব্যালটের ঝোঁক বোঝা সম্ভব হয়। এরপর সকাল ৮টা ৩০ মিনিট নাগাদ শুরু হবে ইভিএম (EVM) মেশিনে জমা পড়া ভোটের গণনা। প্রতিটি রাউন্ডের শেষে রিটার্নিং অফিসার আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল (West Bengal election 2026) ঘোষণা করবেন, যা সরাসরি কমিশনের পোর্টালে আপলোড করা হবে।

    গণনার হিসাব রাখার জন্য মূলত দু’টি ফর্ম দেওয়া হয়। ফর্ম ১৭সি এবং ফর্ম ২০। ফর্ম ১৭সি-র প্রথম অংশ পূরণ করেন প্রিসাইডিং অফিসার। সেই অংশে থাকে— মোট কত জন ভোট দিয়েছেন, কত ভোট ইভিএমে রেকর্ড হয়েছে— গণনার সময় এটি ব্যবহার হয়। দ্বিতীয় অংশ পূরণ করেন গণনা পর্যবেক্ষক। এই অংশে থাকে নোটায় কত ভোট পড়েছে, প্রতিটি প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন। দ্বিতীয় অংশের ফলাফল প্রথম অংশের মোট ভোটের সঙ্গে মিলতেই হবে

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জনমানস

    পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের এই লড়াইয়ে এবার মূলত দ্বিমুখী বা ত্রিমুখী সংঘর্ষের চিত্র ফুটে উঠেছে। একদিকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তাদের উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে চতুর্থবারের জন্য জনসমর্থন চাইছে, অন্যদিকে বিরোধী দল বিজেপি এবং বাম-কংগ্রেস জোট পরিবর্তনের ডাক দিয়ে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে। বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এক্সিট পোলগুলি ইতিমধ্যেই নানা ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছে, তবে বাংলার সাধারণ মানুষের প্রকৃত রায় জানার জন্য সোমবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।

    ফলাফল ঘোষণার পর শান্তি ও শৃঙ্খলা

    ২০২৬ সালের এই বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal election 2026) শুধু একটি সরকার গঠনের লড়াই নয়, বরং রাজ্যের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণের এক অগ্নিপরীক্ষা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে যেন ফলাফল ঘোষণার পর শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা হয়। আগামী ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের ললাট লিখন স্পষ্ট হবে। জনগণের রায় যে পক্ষেই যাক না কেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ গণনা প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই গণতন্ত্রের জয়গান ঘোষিত হবে— এটাই কাম্য।

LinkedIn
Share