Tag: bengal governor

bengal governor

  • Bengal Governor: ‘‘ডিভিসি নয়, কংসাবতীর জলেই বন্যা’’, মমতার তত্ত্ব খারিজ করে দাবি রাজ্যপালের

    Bengal Governor: ‘‘ডিভিসি নয়, কংসাবতীর জলেই বন্যা’’, মমতার তত্ত্ব খারিজ করে দাবি রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ডিভিসি তত্ত্বের বিরোধিতা করলেন রাজ্যপাল (Bengal Governor)। তাঁর দাবি, ডিভিসি (দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন) নয়, রাজ্যের বন্যার জন্য দায়ী রাজ্য নিজেই। এর ব্যাখ্যাও করেন সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন কংসাবতী বাঁধের জল ছাড়ার কারণেই এই বন্যা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এখানেই থেমে থাকেননি রাজ্যপাল। এবিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও দিয়েছেন বোস (Bengal Governor)। 

    ডিভিসির ওপর দায় না চাপিয়ে বন্যা মোকাবিলা করুন, মন্তব্য রাজ্যপালের (Bengal Governor)

    আনন্দ বোসের মতে, কোনও বাঁধই বন্যা পুরোপুরি আটকাতে পারে না, যদি জমা জলের পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকে। রাজ্যপাল (Bengal Governor) চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাফ জানিয়েছেন যে, কংসাবতী, শিলাবতী ও দ্বারকেশ্বর নদী এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত এবং কংসাবতী নদীর ওপর মুকুটমণিপুর বাঁধ থেকে জল ছাড়ার ফলে এইসব জায়গা প্লাবিত হয়েছে। রাজ্যপালের মতে, বাঁকুড়া, বীরভূম, মেদিনীপুরের মতো জেলাগুলি কোনওভাবেই ডিভিসি-এর আওতাভুক্ত নয়। ডিভিসির ওপর দায় না চাপিয়ে বন্যা মোকাবিলা করুন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অভিযোগ, রাজ্যকে না জানিয়ে জল ছাড়া হয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার মুখ্যমন্ত্রীর সেই দাবিকে নস্যাৎ করেছে। 

    ডিভিসি (DVC) ইস্যুতে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করার সময় ডিভিসির (DVC) সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মমতার মন্তব্যে পাল্টা তোপ দেগেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। বিজেপি নেতা বলেন, ‘‘উনি কি জানেন যে পশ্চিম বাংলার পশ্চিমাঞ্চলের ৭ থেকে ৮টি জেলায় আলো জ্বলে, কারখানা চলে, ট্রেন যায় ডিভিসির বিদ্যুতে। একটা পাওয়ার প্ল্যান্ট করতে পারেননি, এক ইউনিট বিদ্যুৎ নতুন করে জেনারেট করতে পারেননি, ডিভিসির ওপর নির্ভর করেন, আবার ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবেন বলেছেন, আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি। আপনার যদি সাহস থাকে তাহলে ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেখান। রাজ্যের ৮টা জেলা অন্ধকারে ডুববে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Governor CV Bose: ‘‘দুর্নীতির আতুঁড়ঘর আরজি কর, হিমশৈলের চূড়া সবে দেখা যাচ্ছে’’, তোপ বোসের

    Governor CV Bose: ‘‘দুর্নীতির আতুঁড়ঘর আরজি কর, হিমশৈলের চূড়া সবে দেখা যাচ্ছে’’, তোপ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজিকর হাসপাতালে ধর্ষণ-খুন (RG Kar Rape Murder) এবং তার পরে হামলাকাণ্ডের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Bose)। মমতা, যিনি একইধারে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বটে, তাঁকে ‘‌জেকিল এবং হাইডের’ সঙ্গে তুলনা করলেন।

    ‘দুর্নীতির আঁতুড়ঘর আরজি কর’

    আরজি কর (RG Kar Rape Murder) হাসপাতালকে দুর্নীতির আঁতুড়ঘর বলে শুক্রবারই তোপ দাগলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাজ্যপাল বলেন, ‘‘দুর্নিতীর আতুঁড়ঘর আরজি কর, হিমশৈলের চূড়া সবে দেখা যাচ্ছে।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘আমি ওই হাসপাতাল থেকে একাধিক অভিযোগ পেয়েছি।’’ রাজ্যপাল (Governor CV Bose) এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বলেন, ‘‘জেকিল এবং হাইডের মতো আচরণ করছেন। আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Rape-Murder) ঘটনায় মুখ্য়মন্ত্রীকে দীর্ঘ চিঠি লিখেছিলাম। পদক্ষেপ করার পরামর্শ দিয়েছিলাম। সংবিধানের ১৬৭ ধারায় রিপোর্টও চেয়েছিলাম। গত পাঁচ বছরে এমন ৩০ চিঠি পাঠিয়েছি। কোনও উত্তর পাইনি। এটা অসাংবিধানিক। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন অভিযুক্ত ফাঁসি দাও এবং তারপর বিচার চলুক। মুখ্যমন্ত্রী জেকিল এবং হাইডের মতো আচরণ করছেন।’’

    আরজি করে দুষ্কৃতী তাণ্ডব নিয়ে কী বলছেন বোস (Governor CV Bose)

    অন্যদিকে, গত ১৪ অগাস্ট মেয়েদের রাত দখলের কর্মসূচির মধ্যেই ব্যাপক দুষ্কৃতী তাণ্ডব চলে আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Rape-Murder)। ভাঙচুর চালানো হয় হাসপাতালের একাধিক ওয়ার্ডে। জরুরি বিভাগও তাণ্ডব থেকে রেহাই পায়নি। নার্স-ডাক্তারদের ওপরেও হামলা চালানো হয়। পুলিশকে ভয়ে লুকোতে হয়। এনিয়েও মমতা প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলেছেন রাজ্যপাল। তাঁর মতে, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে এর মোকাবিলা করতে।’’

    তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা? বিস্ফোরক রাজ্যপাল

    তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও রাজ্যপাল (Governor CV Bose) বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন। সংবাদসংস্থা এএনআই–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজ্য বলেন, ‘‘আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যাই হোক না কেন, তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয়েছে। ওই তরুণী চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করে তদন্তের মোড় ঘোরানোর চেষ্টাও হয়েছে।’’

    পুলিশের তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল

    আরজি কর ইস্যুতে (RG Kar Rape-Murder) পুলিশের তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল (Governor CV Bose)। তাঁর কথায়, ‘‘আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখেছি আন্দোলনকারীরা সুবিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। প্রায় প্রত্যেকে তাঁদের পাশে আছে। আমাদের উচিত তাঁরা যাতে সুবিচার পান, সেই ব্যবস্থা করা। এই মামলায় অবশ্যই পুলিশের ব্যর্থতা আছে। মানুষের মনে সন্দেহ জাগছে, কে পুলিশ আর কে চোর? পুলিশ যেভাবে তদন্ত করেছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট নই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ’’, মমতাকে চিঠি দিয়ে রিপোর্ট তলব বোসের

    CV Ananda Bose: ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ’’, মমতাকে চিঠি দিয়ে রিপোর্ট তলব বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে কার্যকর হওয়া নতুন তিন আইনের পর্যালোচনার জন্য কমিটি গঠন করল নবান্ন। এরপরই রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, এই সিদ্ধান্তের পরেই রাজ্যের কাছে নতুন কমিটি সম্পর্কে তথ্য তলব করেছেন রাজ্যপাল বোস। শুধু তা-ই নয়, কেন্দ্রের প্রস্তাবে রাজ্য সরকার সময়ে জবাব দিয়েছিল কি না, তা-ও জানতে চেয়েছেন তিনি। রাজ্যপালের কথায়, ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হয়ে উঠতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ।’’

    রাজ্যের তৈরি কমিটি

    জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে দেশে কার্যকর হয়েছে তিন নতুন ফৌজদারি আইন। ‘ভারতীয় দণ্ডবিধি’, ‘ফৌজদারি কার্যবিধি’ এবং ‘ভারতীয় সাক্ষ্য আইন’ বাতিল হয়ে লাগু হয়েছে ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ও ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম। কার্যকর হওয়া ওই তিন আইন খতিয়ে দেখতে বুধবার সাত সদস্যের একটি কমিটি গড়েছে রাজ্য সরকার। কমিটিতে থাকছেন অসীম রায়, মলয় ঘটক, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অ্যাডভোকেট জেনারেল সঞ্জয় বসু, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার। তাঁর এই তিন নতুন আইন নিয়ে পর্যালোচনা করবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আগেই বলেছিলেন যে, এই আইন নিয়ে বাদল অধিবেশনে সরব হবে তাঁর দল। তার আগেই আইন খতিয়ে দেখতে এই কমিটি গঠন করা হল। নবান্নর তৈরি করা সেই কমিটি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)।

    আরও পড়ুন: গুজরাট থেকে বাংলা, রাজস্থান থেকে কর্নাটক! জানেন ভারতের পেশা-বৈচিত্র্য

    রাজ্যপালের বক্তব্য

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) কাছে এই কমিটি তৈরির উদ্দেশ্য জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তিনি এক্স মাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলা ব্যানানা রিপাবলিক হতে পারে না।’’ তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকার যখন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে নয়া আইন প্রনয়ণের আগে মতামত চেয়েছিল, তখন কোনও প্রত্যুত্তর রাজ্য দিয়েছিল কি?’’ রাজভবন সূত্রে খবর, ঠিক কী কারণে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে, কমিটির কাজ কী হবে, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর মত, ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হয়ে উঠতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ। সারা দেশ যখন নতুন আইন অনুযায়ী চলছে, তখন বাংলা তার থেকে আলাদা হতে পারে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “শেষ পর্যন্ত লড়ব…”! মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বাংলা ভাষাতেই বিস্ফোরক বিবৃতি রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “শেষ পর্যন্ত লড়ব…”! মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বাংলা ভাষাতেই বিস্ফোরক বিবৃতি রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাজভবনের বাইরে ধরনায় বসার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তার পালটা দিলেন রাজ্যপাল বোস। ভিডিয়ো বার্তায় মমতার ছুড়ে দেওয়া চ্যালেঞ্জ কার্যত গ্রহণ করে নেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লি থেকে ফিরে রাজ্যপাল বললেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী আমার সম্মানীয় সহকর্মী। তাঁকে রাজভবনে স্বাগত। তিনি রাজভবনের ভিতরে এসেই তাঁর যাবতীয় প্রতিবাদ, বিক্ষোভ দেখাতে পারেন। রাজভবনের সম্মাননীয় অতিথি হয়েই আসতে পারেন প্রতিবাদ জানাতে।’’

    কী বললেন রাজ্যপাল

    এদিন ভাঙা ভাঙা বাংলায় বলা ভিডিয়ো বার্তা প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, ‘কাজ করার জন্য আমি বাংলায় এসেছি। আমি রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য। নতুন প্রজন্মের বিকাশের কথা মাথা রেখে বিশ্ববিদ্যালগুলি দুর্নীতি ও হিংসামুক্ত হওয়া প্রয়োজন। আমি চাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভারতে সেরা হোক। আমার মতে এটা সম্ভব। কারণ আমাদের রাজ্যে মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা রয়েছেন, গুণী অধ্যাপকরা রয়েছেন। সেই কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভারত সেরা হতে পারে।’ রাজ্যপাল বলেছেন, ‘‘শিক্ষা মাফিয়াদের একটা শিক্ষা হওয়া দরকার। ক্যাম্পাসের নরখাদকদের তাদের অপকর্মের জবাবদিহি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে মেধানাশকারী যে হিংসা চলছে, তাতে অবিলম্বে দাঁড়ি টানা দরকার।’’ মুখ্যমন্ত্রীর ধরনার হুঁশিয়ারি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বোস। রাজ্যপাল বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে রাজভবনের ভিতরেও স্বাগত। যা প্রতিবাদ করার বাইরে নয়, রাজভবনের ভিতরে এসে করুন।’

    আরও পড়ুন: ‘‘একুশের শতক এশিয়ার শতক’’! আসিয়ান-ইন্ডিয়া সামিটে কী বললেন মোদি?

    কেন উপাচার্য নিয়োগ

    উপাচার্য নিয়োগ প্রসঙ্গে তাঁর করা পদক্ষেপের পক্ষেও সাফাই দিয়েছেন রাজ্যপাল বোস। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য উপাচার্য থাকা প্রয়োজন। শিক্ষা দফতর উপাচার্য নিয়োগ করেছে। সুপ্রিম কোর্ট এই সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করেছে। সেই কারণে উপাচার্যদের চলে যেতে হয়েছে। সেই অবস্থায় আমি অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করেছি। শিক্ষা দফতর বলল এটা ভুল এদিকে কলকাতা হাইকোর্ট বলছে এটা ঠিক। সরকার মনোনীতদের উপাচার্য নিয়োগ করতে পারিনি। কারণ কেউ দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল, কারও বিরুদ্ধে ছাত্রীকে হেনস্থা করার অভিযোগ রয়েছে। কেউ আবার রাজনৈতিক খেলা খেলছিল। এটা খুব দুঃখজনকে যে পাঁচজন উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। তাঁরা আমাকে জানিয়েছে, তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা দফতরের তরফে চাপ তৈরি করা হয়েছে।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share