Tag: Bengal news

Bengal news

  • Adani Group: রাইটার্স বিল্ডিং সংস্কারের দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে, খরচ হতে পারে ১০০ কোটি টাকারও বেশি

    Adani Group: রাইটার্স বিল্ডিং সংস্কারের দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর হাতে, খরচ হতে পারে ১০০ কোটি টাকারও বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১৩ বছরেও শেষ হয়নি ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং সংস্কারের কাজ। এখনও পর্যন্ত মাত্র ২৫ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এবার ঔপনিবেশিক আমলের এই ঐতিহ্যবাহী ভবন সংস্কারের দায়িত্ব আদানি গোষ্ঠীর (Adani Group) হাতে তুলে দিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে রাজ্য। সংস্থার সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির আওতায় সংস্কারের কাজ করা হবে। প্রকল্পটি শেষ করতে ১০০ কোটি টাকারও বেশি খরচ হতে পারে বলে খবর (Writers Building Restoration)।

    রাজ্য সরকারের এক পদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার সম্পূর্ণ করতে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সংস্থাটি সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির আওতায় এই কাজ করবে। সংস্কার শেষ করতে তাদের ১০০ কোটি টাকারও বেশি খরচ হতে পারে।

    আদানি গোষ্ঠীর বক্তব্য (Adani Group)

    আদানি গোষ্ঠী জানিয়েছে, রাজ্য সরকারের সঙ্গে দু’টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে তারা। একটি ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং সংস্কারের জন্য। অন্যটি ‘আদানি পুজো প্রিভিউে’র মাধ্যমে কলকাতার দুর্গাপুজোর শিল্পকলা ও ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার জন্য।

    রাজ্য সরকারের মালিকানাধীন কোনও ঐতিহ্যবাহী ভবন সংস্কারের দায়িত্ব এই প্রথম কোনও বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হল। প্রশাসনের একটি সূত্রের কথায়, “এত দিন সমস্ত ঐতিহ্যবাহী ভবনের সংস্কার করত পূর্ত দফতর অথবা ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ। এই প্রথম কোনও ঐতিহ্যবাহী ভবন সংস্কারের দায়িত্ব পাচ্ছে বেসরকারি সংস্থা।”

    বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে, এমন একটি রাজ্যের পক্ষে এই উদ্যোগ ইতিবাচক ইঙ্গিত হতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসনের একাংশ। তাদের মতে, রাজ্যের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি বড় বেসরকারি সংস্থাগুলির আগ্রহ বাড়ছে।

    তবে রাইটার্স বিল্ডিং সংস্কারে দীর্ঘসূত্রিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রশাসনের একটি সূত্রের বক্তব্য, “রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কারের কাজ কার্যত থমকে গিয়েছিল। প্রায় ১৩ বছরে রাজ্য সরকার মাত্র ২৫ শতাংশ কাজ শেষ করতে পেরেছে। রাইটার্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভবনের সংস্কারে এত বিলম্ব হলে তা ভাল বার্তা দেয় না।”

    পুরনো চেহারায় ফিরিয়ে আনাই লক্ষ্য

    ২০১৩ সালের মাঝামাঝি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিবপুরের ভারতীয় প্রযুক্তি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের তৈরি পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্বাধীনতার পরে নির্মিত আটটি অংশ ভেঙে ফেলার কথা ছিল। উদ্দেশ্য ছিল, রাইটার্স বিল্ডিংকে ব্রিটিশ আমলের পুরনো চেহারায় ফিরিয়ে আনা (Adani Group)।

    মূল ভবনের পাশাপাশি এক, দুই, তিন, চার ও পাঁচ নম্বর অংশ অক্ষত রেখে সেগুলির সংস্কারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ১৯৪৭ সালের পরে অতিরিক্ত সরকারি দফতরের জায়গা তৈরি করতে নির্মিত তৃতীয় তলগুলি সরিয়ে ভবনগুলিকে স্বাধীনতার আগের চেহারায় ফিরিয়ে আনার কথা ছিল। পাশাপাশি এ, বি, সি, ডি, ই, এফ এবং জি অংশ ভেঙে ফেলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছিল।

    এক সরকারি আধিকারিকের কথায়, “স্বাধীনতার পরে অতিরিক্ত নির্মাণের ফলে ভবনগুলির অবস্থা ক্রমশ খারাপ হচ্ছিল। সেই কারণেই অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ সরিয়ে ভবনের উপর চাপ কমানো জরুরি ছিল। কিন্তু সরকার বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ায় সংস্কারের কাজ কখনও ঠিক মতো গতি পায়নি।”

    গত ১৩ বছরে রাজ্য সরকার কেবল এ, বি, ই এবং এফ অংশ ভেঙেছে। পাশাপাশি এক ও দুই নম্বর অংশের উপরের তলগুলিও সরানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এক নম্বর অংশ এবং মূল ভবনের একটি অংশের সংস্কার সম্পূর্ণ হয়েছে। প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, সব মিলিয়ে মোট কাজের মাত্র ২৫ শতাংশ শেষ হয়েছে (Adani Group)।

    একসময় রাইটার্স বিল্ডিং থেকেই পরিচালিত হত রাজ্য প্রশাসনের যাবতীয় কাজ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে ২০১৩ সালের অক্টোবরে রাজ্য সচিবালয় রাইটার্স থেকে নবান্নে স্থানান্তরিত হয়। তার পর থেকেই ঐতিহাসিক ভবনটির সংস্কারের কাজ চলছে।

    কাজ করবে আদানি গোষ্ঠী

    প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ আমলা জানিয়েছেন, সংস্কারের দায়িত্ব নেওয়ার পরে আদানি গোষ্ঠীকে মূল পরিকল্পনা মেনেই কাজ করতে হবে। প্রায় এক বছরের মধ্যে বাকি কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ইতিমধ্যেই আদানি গোষ্ঠীর একটি প্রতিনিধিদল রাইটার্স বিল্ডিং পরিদর্শন করেছে। ওই দলের নেতৃত্বে ছিলেন কলকাতায় সংস্থার উপদেষ্টা তথা পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক সঞ্জয় থাড়ে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন পূর্ত দফতরের আধিকারিকেরাও।

    পূর্ত দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “সংস্কারের বাকি কাজ কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, তা নিয়ে শীঘ্রই বিস্তারিত রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে (Adani Group)।”

    প্রাথমিকভাবে রাইটার্স বিল্ডিং সংস্কারের জন্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছিল। তবে ইতিমধ্যেই কাজের একটি অংশ শেষ হয়েছে। ফলে বাকি সংস্কারের জন্য আদানি গোষ্ঠীকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা খরচ করতে হতে পারে বলে প্রশাসনের একাংশের অনুমান (Writers Building Restoration)।

     

  • Suvendu Adhikari: তিন মাসে রাজস্ব বৃদ্ধি প্রায় ১৮%, কর না বাড়িয়েই আয় বাড়ানোর দাবি রাজ্যের

    Suvendu Adhikari: তিন মাসে রাজস্ব বৃদ্ধি প্রায় ১৮%, কর না বাড়িয়েই আয় বাড়ানোর দাবি রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার বদলের পর রাজ্যের রাজস্ব আদায়ে যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছিল, তিন মাসের হিসাবেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নতুন কোনও কর চাপানো হয়নি, অথচ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রথম তিন মাসে রাজস্ব আদায় বেড়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ। এর আগে (Suvendu Adhikari) প্রথম এক মাসেই অতিরিক্ত প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের কথা জানিয়েছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতিতে এই বৃদ্ধিকে (Revenue Collection) তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। একদিকে বিপুল ঋণের দায়, অন্যদিকে সামাজিক প্রকল্প, সরকারি কর্মীদের বেতন-পেনশন, মহার্ঘ ভাতা এবং পরিকাঠামো খাতে ক্রমবর্ধমান ব্যয়—সব মিলিয়ে রাজ্যের নিজস্ব আয় বাড়ানো এখন অর্থ ব্যবস্থাপনার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

    নজর কর ফাঁকি ও রাজস্ব ফাঁক বন্ধে (Suvendu Adhikari)

    রাজ্য সরকারের বক্তব্য, করের হার বাড়িয়ে নয়, আদায়ের ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করেই এই সাফল্য এসেছে। স্টেট জিএসটি, আবগারি, স্ট্যাম্প ডিউটি ও রেজিস্ট্রেশন ফি, মোটর ভেহিকল ট্যাক্স, বিদ্যুৎ শুল্ক এবং পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের উপর ভ্যাট—রাজ্যের নিজস্ব কর-রাজস্বের গুরুত্বপূর্ণ উৎসগুলিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

    খনি, পাথর খাদান ও বালি-সহ প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে সরকারের প্রাপ্য অর্থ নিশ্চিত করার উপরেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রয়্যালটি আদায়, খনিজ পরিবহণের বৈধ কাগজপত্র পরীক্ষা এবং করযোগ্য লেনদেনের সঠিক হিসাব রাখার ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

    জেলাভিত্তিক রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যানও নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কোথায় প্রত্যাশার তুলনায় সরকারি আয় কম হচ্ছে, তার কারণ খুঁজে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে। সরকারের লক্ষ্য, নিয়মিত করদাতাদের উপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে কর সংগ্রহের পরিধি এবং দক্ষতা বাড়ানো।

    তিন মাসেও ঊর্ধ্বমুখী রাজস্ব

    সরকারের প্রথম মাসেই আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যান সামনে এসেছিল। পরে আড়াই মাসের হিসাবেও রাজস্ব বৃদ্ধির হার প্রায় ১৫ শতাংশে পৌঁছনোর কথা জানানো হয়। তিন মাসের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ্যে আসার পর সেই হার আরও বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ। অর্থ দফতরের কর্তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, প্রথম মাসের সাময়িক সাফল্য পরের দু’মাসেও ধরে রাখা গিয়েছে।

    ‘রেভিনিউ লিকেজ’ বন্ধে জোর

    সরকারি মহলের একটি বড় অংশের মতে, রাজস্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হল এতদিনের ফাঁকফোকর বন্ধ করা। বিশেষ করে খনি, খাদান, বালি ও পাথরের ব্যবসায় সরকারের প্রাপ্য অর্থ পুরোপুরি কোষাগারে পৌঁছচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    প্রশাসনের দাবি, বৈধ নথি ছাড়া খনিজ পরিবহণ, রয়্যালটি ফাঁকি কিংবা করযোগ্য লেনদেনের সম্পূর্ণ হিসাব সরকারি ব্যবস্থার বাইরে থেকে গেলে রাজস্বের বড় অংশ হারিয়ে যায়। সেই ধরনের অনিয়ম রুখতেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারের আশা, এই ব্যবস্থা আরও কার্যকর হলে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ আরও বাড়বে (Suvendu Adhikari)।

    তবে এই সাফল্যের স্থায়িত্ব নিয়েই এখন উঠছে বড় প্রশ্ন। একটি আর্থিক বছরের কয়েক মাসে রাজস্ব বাড়লেই দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হয় না। বছরের শেষ পর্যন্ত এই বৃদ্ধির হার ধরে রাখা সম্ভব হয় কি না, সেটাই হতে চলেছে সরকারের সামনে পরবর্তী পরীক্ষা।

    বিপুল ঋণের মধ্যে বাড়তি রাজস্বের গুরুত্ব

    রাজ্যের ঋণের পরিমাণ ইতিমধ্যেই সাড়ে ৭ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বলে প্রশাসনিক মহলের দাবি। ঋণের সুদ পরিশোধেই প্রতি বছর বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প, কর্মীদের বেতন-পেনশন, মহার্ঘ ভাতা এবং উন্নয়নমূলক পরিকাঠামো খরচ।

    এই পরিস্থিতিতে নিজস্ব রাজস্বের পরিমাণ বাড়ানো গেলে সরকারের উপর অতিরিক্ত ঋণনির্ভরতার চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে নতুন প্রকল্প বা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির জন্য আর্থিক পরিসরও বাড়তে পারে।

    সরকারের অবস্থান, করের হার বাড়িয়ে সাধারণ মানুষ বা ব্যবসায়ীদের উপর নতুন বোঝা চাপানোর পরিবর্তে করের আওতা বাড়ানো এবং ফাঁকি রোখাই আপাতত বেশি কার্যকরী পথ। প্রথম মাসে অতিরিক্ত রাজস্ব এবং তিন মাসে প্রায় ১৮ শতাংশ বৃদ্ধির পরিসংখ্যানকে সেই নীতির প্রাথমিক ফল হিসেবেই দেখছে প্রশাসন।

    দীর্ঘমেয়াদি বৃদ্ধির জন্য শিল্প ও বিনিয়োগ জরুরি

    অর্থনীতিবিদদের একাংশ অবশ্য মনে করছেন, শুধু কর ফাঁকি বন্ধ করা বা প্রশাসনিক নজরদারি বাড়িয়ে দীর্ঘদিন রাজস্ব বৃদ্ধির একই হার ধরে রাখা সম্ভব নয়। এর জন্য রাজ্যে নতুন শিল্প স্থাপন, ব্যবসার সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার প্রয়োজন। শিল্পায়ন এবং বিনিয়োগকে তাই রাজস্ব বৃদ্ধির স্থায়ী ভিত্তি হিসেবে দেখছে সরকার (Suvendu Adhikari)। প্রথম তিন মাসের পরিসংখ্যান আপাতত রাজ্য প্রশাসনকে স্বস্তি দিয়েছে। তবে এই গতি আগামী মাসগুলিতেও অব্যাহত থাকে কি না, আর রাজস্ব বৃদ্ধির (Revenue Collection) সঙ্গে রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কতটা গতি পায়— আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্যবাসী।

     

  • Ex TMC MLA: ক্যানিংয়ে সরকারি জমি দখল করে ক্যাফে, তৃণমূলের ইমরান মোল্লার ‘ব্যবসা কেন্দ্রে’ বুলডোজার অভিযান

    Ex TMC MLA: ক্যানিংয়ে সরকারি জমি দখল করে ক্যাফে, তৃণমূলের ইমরান মোল্লার ‘ব্যবসা কেন্দ্রে’ বুলডোজার অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের মৌখালিতে সরকারি জমি দখল করে তৈরি হয়েছিল ক্যাফে। এই অভিযোগে ক্যাফে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন (Matla River Encroachment)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বুলডোজার দিয়ে ‘অরণ্যের কূলে’ নামের ওই ক্যাফের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়। ক্যাফেটির মালিকানা রয়েছে তৃণমূল নেতা তথা ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার নামে (Ex TMC MLA)।

    গড়াগড়ি খাচ্ছে ইমরানের সাধের ক্যাফে (Ex TMC MLA)

    প্রশাসন সূত্রে খবর, মৌখালি সেতুর কাছাকাছি মাতলা নদীর চর এবং সেচ দফতরের জমির ওপর অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছিল ক্যাফেটি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট দফতর বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারপরেই নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে জারি করা হয় নোটিশ। শেষমেশ ভেঙে দুরমুশ করে দেওয়া সরকারি জমি দখল করে গড়ে তোলা ব্যবসার কেন্দ্র। জানা গিয়েছে, তদন্ত চলাকালীন ইমরানকে ক্যাফের বৈধ নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য মহকুমাশাসকের দফতরে ডাকা হয়েছিল। প্রশাসনের দাবি, জমা পড়া নথি যাচাই করে দেখা যায়, ক্যাফে নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদনের কোনও বৈধ প্রমাণ মেলেনি। সরকারি জমি দখলের অভিযোগও প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়। এরপরই জারি করা হয় ক্যাফে ভাঙার নির্দেশ।

    বুলডোজার অভিযান

    ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় এনআইএর হাতে শওকত গ্রেফতার হওয়ার পর তদন্তের সূত্র ধরেই এই ক্যাফে নিয়ে নতুন করে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই জমির নথি ও নির্মাণের বৈধতা খতিয়ে দেখা হয় (Ex TMC MLA)। অভিযান চলাকালীন এলাকায় যাতে অপ্রীতিকর কোনও পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, তাই ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার। বুলডোজার অভিযান চলাকালীন সময়ে ঘটনাস্থলে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন ক্যানিং মহকুমা পুলিশের আধিকারিক, জীবনতলা থানার কর্তারা এবং প্রশাসনের অন্যান্য শীর্ষ আধিকারিক। মোতায়েন করা হয়েছে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রচুর জওয়ানকে।

    অবৈধ জমির ওপর কারবার!

    ক্যাফে ভাঙার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমিতে ব্যবসা চললেও, এতদিন কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই সময় যত গড়িয়েছে, ততই ফুলে ফেঁপে উঠেছে অবৈধ জমির ওপর গড়ে তোলা কারবার। প্রশাসনের দাবি, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই আইন অনুযায়ী এই (Matla River Encroachment) পদক্ষেপ করা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ক্যাফে ভাঙার কাজ শেষ হওয়ার পর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়াও (Ex TMC MLA)।

  • Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Jan Kalyan Shibir: উপচে পড়া ভিড়, আরও একদিন বাড়ানো হল জনকল্যাণ শিবিরের মেয়াদ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জনকল্যাণ শিবিরে (Jan Kalyan Shibir) সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তাই শিবিরের মেয়াদ আরও একদিন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার ফলতা থেকে তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিনই শিবিরের শেষ দিন ছিল। তবে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে বৃহস্পতিবারও রাজ্যজুড়ে জনকল্যাণ শিবির চালু থাকবে।

    মেয়াদ বাড়ল জনকল্যাণ শিবিরের (Jan Kalyan Shibir)

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই শিবিরের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা এক জায়গা থেকেই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।” তাঁর দাবি, সরকারের লক্ষ্য হল সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পদ্ধতিতে প্রকৃত উপভোক্তাদের হাতে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। তিনি জানান, ১৫ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু অনেক জায়গায় সময়ের অভাবে পর্যাপ্ত শিবির করা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ লাইন পড়ছে এবং প্রচুর মানুষ পরিষেবা নিতে শিবিরে ভিড় করছেন। সেই কারণেই শিবিরের মেয়াদ একদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শিবিরে ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, জনকল্যাণ শিবিরে মোট ৫৪টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প। তিনি জানান, রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার তথা সাড়ে ৬ কোটি মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় এসে দেশের যে কোনও সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে বছরে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসার সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি (Suvendu Adhikari) জানান, গ্রামীণ এলাকার স্বল্প আয়ের পরিবারগুলি এই প্রকল্পের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ১০০ ইউনিটে ৩০ হাজার টাকা, ২০০ ইউনিটে ৬০ হাজার টাকা এবং ৩০০ ইউনিটে ৭৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পাবেন। এজন্য জনকল্যাণ শিবিরে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

    লক্ষ্মীর ভান্ডার পেয়েছে অ-লক্ষ্মীরাও!

    অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ব্লকে প্রায় সাড়ে চার হাজার পুরুষ এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগর-২ ব্লকে ১৭৩ জন পুরুষ বেআইনিভাবে ওই প্রকল্পের টাকা তুলেছেন। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং সিআইডি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, গত ৩ জুন অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় ২৮ লাখ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৫ লাখ মহিলা এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করেছেন। তাঁদের তথ্য যাচাই করে পোর্টালে আপলোডও করা হয়েছে (Jan Kalyan Shibir)। আগামী ২২ জুন প্রথম রাজ্য বিধানসভায় বাজেট পেশ করবে পদ্ম সরকার। সে প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “যুবসমাজ, সরকারি কর্মী, শিক্ষিত চাকরিপ্রার্থী এবং কৃষকদের জন্য একাধিক নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

    ফলতার জন্য বিশেষ ঘোষণা

    এদিকে, ফলতায় একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ফলতাকে আদর্শ বিধানসভা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে এসইজেডে শিল্পতালুক গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলতা গ্রামীণ হাসপাতালকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করা হবে। মহিলা কলেজ, দমকল কেন্দ্র তৈরির অনুমোদন, ফলতা থানাকে আরও শক্তিশালী করা এবং মহিলাদের জন্য (Suvendu Adhikari) পৃথক হেল্পডেস্ক চালুর পাশাপাশি অতিরিক্ত মহিলা পুলিশকর্মী নিয়োগের কথাও ঘোষণা করেন (Jan Kalyan Shibir) পদ্ম সরকারের প্রধান শুভেন্দু অধিকারী।

     

  • Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি অভিষেকের ওপরই নির্ভর করেন, তাহলে তাঁর সঙ্গেই থাকুন। আর যদি তাঁর থেকে দূরে সরে আসেন, তাহলে আমি আপনার পাশে আছি।” বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata TMC Rebellion)। মমতার হাতে গড়া সাধের তৃণমূলে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় এমনিতেই শ্যাম রাখি না কূল দশা তৃণমূল সুপ্রিমোর।

    ‘ভাইপো কালচারে’র জের! (Mamata TMC Rebellion)

    এহেন আবহে কল্যাণের এই হুমকি বার্তায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তৃণমূলের মমতাপন্থী নেতারা। তৃণমূলে ‘ভাইপো কালচার’ শুরুর পর থেকেই বইতে শুরু করেছিল অশান্তির চোরাস্রোত। তবে সে সবকে কোনওদিনই পাত্তা দেননি (Kalyan Banerjee) দলনেত্রী। উল্টে সাপ এবং ব্যাঙ-দু’পক্ষকেই তাঁবে রাখতে একের পর এক ‘গেম’ খেলে গিয়েছেন তিনি। তবে তাতে যে বিশেষ কাজ হয়নি, তার প্রমাণ মিলল ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল গাড্ডায় পড়তেই। ভেঙে দু’খান হয়ে গেল কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ার ‘কারিগর’ মমতার দল।

    অভিষেককে নিশানা কল্যাণের

    এদিন কল্যাণ প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁর পরিবর্তে অন্য আইনজীবী নিয়োগ করাকে কেন্দ্র করে ‘ভাতিজা’র বিরুদ্ধে অসম্মান করার অভিযোগ তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। তিনি জানান, একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তাঁকে অপমান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আর তিনি যে অভিষেকের হয়ে কোনও মামলায় সওয়াল করবেন না, তাও জানিয়ে দেন এই তৃণমূল সাংসদ। অভিষেককে নিশানা করে কল্যাণ বলেন, “ওঁর অহংকারী মনোভাবের কারণেই দলের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। উনি কাউকেই সম্মান করতে জানেন না।” তিনি জানান, দলের প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও, মমতা এখনও ফোন করেননি। তবে তিনি যে তৃণমূলের অন্যান্য সাংগঠনিক ও আইনি বিষয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন, তাও জানিয়ে দিয়েছেন এই আইনজীবী নেতা।

    ফাটল চওড়া হচ্ছে তৃণমূলে

    এদিকে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। গত তিনদিনে পদত্যাগ করেছেন রাজ্যসভার তিন সাংসদ। বুধবার রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন প্রকাশ চিক বরাইক। ৮ জুন ইস্তফা দিয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। আর ১০ জুন পদত্যাগ করেন সুস্মিতা দেব। প্রকাশ জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মতামতকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে তাঁকে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের বাসভবনে যেতে দেখা যায়, যা নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনার পারদ আরও চড়েছে।এদিকে, তৃণমূলের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনও সংযুক্তির জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। যদিও বুধবার দিল্লিতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন (Mamata TMC Rebellion) অভিষেক। অন্যদিকে, বিদ্রোহী তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, তাঁদের সঙ্গে সমর্থন রয়েছে ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন। বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, লোকসভায় ২০ জন সাংসদ পৃথক আসন বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন। এ থেকেই (Kalyan Banerjee) স্পষ্ট, তৃণমূলের ছত্রখান হওয়াটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

  • CID SIT Probe: অভিষেককে তলবের মাঝেই বড় পদক্ষেপ সিআইডির! সই জালিয়াতি মামলায় বিশেষ সিট গঠন

    CID SIT Probe: অভিষেককে তলবের মাঝেই বড় পদক্ষেপ সিআইডির! সই জালিয়াতি মামলায় বিশেষ সিট গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ ঘিরে তদন্তে আরও তৎপর হল সিআইডি (CID)। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে তলব করার পাশাপাশি মামলার তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এক ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিকের নেতৃত্বে এই দলে রয়েছেন এক ডিএসপি, দুই ইনস্পেক্টর এবং আরও কয়েকজন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

    সইকাণ্ডে সিট গঠন সিআইডির

    সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে সম্প্রতি সোনারপুরে হেনস্তার ঘটনার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণে তিনি নির্ধারিত দিনে উপস্থিত থাকতে পারবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সিট গঠনের সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারী মহলের একাংশ। সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করেই আলাদা তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। দ্রুত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করাই এই দলের মূল লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বাহারুল ইসলাম এবং কুণাল ঘোষের কাছেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।

    বিতর্কের কেন্দ্রে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন

    বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। গত ৬ মে কালীঘাটে তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয় এবং উপস্থিত বিধায়কেরা হাত তুলে সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানান। তবে সেই সময় বিধানসভায় জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পূর্ণ করা হয়নি। পরবর্তীতে ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় শপথগ্রহণের সময় বিধায়কদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়। এরপর ১৯ মে কালীঘাটে আরেকটি বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের সই নেওয়া হয়। অভিযোগ, ওই স্বাক্ষরের ভিত্তিতেই ৭০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল।

    গণস্বাক্ষরে জালিয়াতির সন্দেহ…

    বিধানসভার সচিবালয় নথি যাচাই করতে গিয়ে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরে অসঙ্গতি খুঁজে পায়। দুটি পৃথক নথিতে স্বাক্ষরের অমিল ধরা পড়ায় জালিয়াতির সন্দেহ তৈরি হয়। এরপর বিধানসভার সচিব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, কারা স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছিলেন, কী পরিস্থিতিতে নথি প্রস্তুত হয়েছিল এবং কোনও স্বাক্ষর জাল করা হয়েছিল কি না। প্রয়োজনে আরও কয়েকজন বিধায়ক ও দলের নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলেও সূত্রের দাবি। এদিকে, গোটা ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করছে তদন্তকারী সংস্থা। তাঁর সম্ভাব্য হাজিরার আগেই সিট গঠন হওয়ায় স্পষ্ট, মামলার তদন্ত দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সিআইডি।

  • Suvendu on Mamata-Abhishek Security: শুভেন্দুর প্রথম বড় নিরাপত্তা সিদ্ধান্ত! মমতা পাচ্ছেন বিশেষ সুরক্ষা, কমছে অভিষেকের নিরাপত্তা

    Suvendu on Mamata-Abhishek Security: শুভেন্দুর প্রথম বড় নিরাপত্তা সিদ্ধান্ত! মমতা পাচ্ছেন বিশেষ সুরক্ষা, কমছে অভিষেকের নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকেই একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে ধারাবাহিকভাবে একাধিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। প্রথমে প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক, তারপর জেলাশাসক এবং উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। শীর্ষ পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আলোচনা করেন শুভেন্দু। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে রাজনীতিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেখানে তিনি নির্দেশ দেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান নিরাপত্তা বলয় একই রকম বহাল থাকবে। তবে একইসঙ্গে, মুখ্যমন্ত্রী এও জানান, যাঁদের বাস্তবিক নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই, তাঁদের জন্য অপ্রয়োজনীয় নিরাপত্তা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র প্রভাব বা মর্যাদা প্রদর্শনের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয় কেন করা হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই সিদ্ধান্তের জেরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মমতার নিরাপত্তায় গুরুত্ব

    প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন, যাতায়াত এবং জনসভা বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁকফোকর বা গাফিলতি যেন না থাকে, সে বিষয়েও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করছে। বিশেষ করে ভোটপর্বের পর শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথের খুনের ঘটনায় রাজ্যের হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। শুভেন্দুর স্পষ্ট নির্দেশ ছিল— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী। ওঁর নিরাপত্তা একই রকম বহাল থাকবে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যাতে কোনো রকম শিথিলতা বা ওঁর প্রতি কোনো অসম্মান না হয়, তা দেখার জন্য আমি প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি। এই সম্মান ওঁর প্রাপ্য।’’

    অভিষেকের নিরাপত্তায় কাটছাঁট

    অন্যদিকে, একই সময়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা বলয়ে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, তাঁর জন্য বরাদ্দ অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিশেষ পাইলট কারের সুবিধা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। নবান্ন সূত্রে খবর, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ হিসেবে যে নিরাপত্তা প্রটোকল প্রযোজ্য, ভবিষ্যতে অভিষেকের ক্ষেত্রেও সেই ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ‘জেড প্লাস’ নিরাপত্তা বলয়ে ছিলেন অভিষেক। তবে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই তাঁর নিরাপত্তা ধাপে ধাপে কমানো শুরু হয়। সোমবার বিকেলেই এই সংক্রান্ত প্রশাসনিক নির্দেশিকা জারি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুধু অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী নয়, পাইলট কারের সুবিধাও তুলে নেওয়া হচ্ছে। এতদিন অভিষেকের সঙ্গে পাইলট কার চলতে দেখা গেলেও সরকারি নির্দেশের পর আর সেই সুবিধা থাকবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা মেনেই তাঁর নিরাপত্তা পুনর্গঠন করা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে দাবি।

    শুভেন্দুর ইতিবাচক বার্তা

    ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই অভিষেকের নিরাপত্তা বলয়ে কাটছাঁট শুরু হয়। তৃণমূল সরকারের আমলে কড়া নিরাপত্তায় মোড়া থাকত ক্যামাক স্ট্রিট এলাকা। কিন্তু সরকার বদলের পর প্রথমেই তাঁর দফতরের সামনে থেকে পুলিশ প্রহরা তুলে নেওয়া হয়। পরে বাড়ির সামনের নিরাপত্তাও কমানো হয়। শান্তিনিকেতনে তাঁর বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় পুলিশের স্ক্যানার-সহ অন্যান্য নিরাপত্তা সরঞ্জাম। শুধু অভিষেক নন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের নিরাপত্তাতেও পরিবর্তন আসে। ১৮৮এ, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তাঁর বাড়ির সামনে থাকা অতিরিক্ত নিরাপত্তা কমানো হয়। রাজ্যে পালাবদলের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর বাড়ির গলির মুখে থাকা ‘সিজার্স ব্যারিকেড’ সরিয়ে দেওয়া হয়, পরে লালবাজারের তরফেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করা হয়। রাজনৈতিক মতভেদ থাকা সত্ত্বেও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি শুভেন্দু অধিকারীর এই সম্মান প্রদর্শনকে ইতিবাচক বলেই দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। প্রশাসনিক স্তরে এই নির্দেশ জারি করে তিনি যেমন সৌজন্য ও পরম্পরার বার্তা দিয়েছেন, তেমনই স্পষ্ট করেছেন যে রাজ্যে ভিভিআইপি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পক্ষপাতের কোনও স্থান থাকবে না।

  • CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    CM Suvendu Initiates Census: পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা শুরুতে ছাড়পত্র, আগের তৃণমূল সরকারকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর প্রশাসনিক ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিল শুভেন্দু অধিকারী সরকার। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা (Census) প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, অবিলম্বে কেন্দ্রের নির্দেশিকা কার্যকর করা হবে এবং প্রশাসনিক স্তরে প্রস্তুতিও শুরু হবে।

    মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    এই ঘোষণা করতে গিয়েই আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর অভিযোগ, ২০২৫ সালের ১৬ জুন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া-র দফতর থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছিল, যেখানে রাজ্যে আসন্ন জনগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু সেই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তৃণমূল সরকার সংবিধান এবং রাজ্যের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা প্রক্রিয়া আটকে রাখা হয়েছিল, যাতে মহিলাদের সংরক্ষণ কার্যকর না হয়। আজ মন্ত্রিসভা অবিলম্বে ওই বিজ্ঞপ্তি কার্যকর করার অনুমোদন দিয়েছে।”

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই জনগণনা?

    ভারতে সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর জনগণনা হয়। শেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। ২০২১ সালের জনগণনা কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে স্থগিত হয়ে যায়। এরপর এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গভাবে সেই প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।

    জনগণনা শুধুমাত্র জনসংখ্যা গণনার বিষয় নয়, এর উপর নির্ভর করে—

    • ● কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিকল্পনা
    • ● খাদ্য নিরাপত্তা ও রেশন বণ্টন
    • ● স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অবকাঠামো পরিকল্পনা
    • ● নগরায়ণ ও আবাসন নীতি
    • ● ভবিষ্যতের নির্বাচনী সীমানা পুনর্নির্ধারণ (Delimitation)
    • ● মহিলাদের সংরক্ষণ ইস্যুতে রাজনৈতিক তাৎপর্য
    • ● বিরোধী রাজ্যগুলি এই প্রক্রিয়া বিলম্বিত করছে!

    শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট, এই সিদ্ধান্তকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে নয়, রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও তুলে ধরতে চাইছে নতুন সরকার। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সংসদে পাশ হওয়া নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম অনুযায়ী লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করতে হলে নতুন জনগণনা এবং পরবর্তী ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া জরুরি। এই কারণেই জনগণনা বিলম্বিত হওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছিল। বিজেপির অভিযোগ, বিরোধী শাসিত কিছু রাজ্য পরোক্ষে এই প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করেছে।

    কী কী প্রস্তুতি শুরু হবে?

    সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর থেকেই বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতর জেলাশাসক, ব্লক প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় শুরু করবে।

    প্রাথমিক পর্যায়ে যে কাজগুলি শুরু হতে পারে—

    • ● প্রশাসনিক সীমানা ও ওয়ার্ড সংক্রান্ত তথ্য আপডেট
    • ● বাড়ি তালিকাকরণ (House Listing)
    • ● তথ্য সংগ্রহের জন্য ফিল্ড স্টাফ ও এনুমেরেটর প্রস্তুতি
    • ● ডিজিটাল ডেটা সংগ্রহের অবকাঠামো গড়ে তোলা
    • ● জেলা ও পুরসভা স্তরে সমন্বয় বৈঠক

    রাজ্য প্রশাসনের একাংশ জানিয়েছে, ক্যাবিনেট অনুমোদনের পর থেকেই বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে।

    নতুন সরকারের প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ

    বিশ্লেষকদের মতে, নতুন বিজেপি সরকারের এটি অন্যতম প্রথম বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। সরকার ইতিমধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু এবং কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় বাড়ানোর মতো বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল জনগণনা। নতুন সরকার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বার্তা দিতে চাইছে যে, তারা কেন্দ্রের নীতি ও প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের সঙ্গে দ্রুত সামঞ্জস্য স্থাপন করছে।

    এখনও স্পষ্ট নয় সময়সূচি

    যদিও জনগণনা শুরু করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, এখনও পর্যন্ত সরকার কোনও নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করেনি।

    এখনও জানা যায়নি—

    • ● বাড়ি তালিকাকরণ কবে শুরু হবে
    • ● মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কবে হবে
    • ● জনগণনা প্রক্রিয়া শেষ করতে কত সময় লাগবে

    তবে সরকারি সূত্রের দাবি, কেন্দ্রের সঙ্গে চূড়ান্ত সমন্বয়ের পর বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।

LinkedIn
Share