Tag: bengal police

bengal police

  • Suvendu Adhikari: ৪৩ হাজার শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ, প্রতি থানায় ৪টি ‘১১২’ গাড়ি! বাংলার পুলিশে বড় বদলের ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ৪৩ হাজার শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ, প্রতি থানায় ৪টি ‘১১২’ গাড়ি! বাংলার পুলিশে বড় বদলের ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা শূন্যপদ পূরণ এবং থানাগুলির পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে বড়সড় উদ্যোগের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য পুলিশে বর্তমানে প্রায় ৪৩ হাজার পদ খালি রয়েছে। পর্যাপ্ত পুলিশকর্মীর অভাবে একাধিক থানা সিভিক ভলান্টিয়ারের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতি কাটাতে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু নিয়োগ নয়, পুলিশের গাড়ি, থানার পরিকাঠামো, মহিলা থানা, সাইবার অপরাধ মোকাবিলা এবং জরুরি পরিষেবায় পুলিশের পৌঁছনোর সময় কমানো—একাধিক ক্ষেত্রে একসঙ্গে পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন তিনি।

    প্রতি এক লক্ষে পুলিশ মাত্র ১০৬ জন!

    রাজ্যে পুলিশের লোকবল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শুভেন্দু জানান, পশ্চিমবঙ্গে প্রতি এক লক্ষ মানুষের জন্য বর্তমানে মাত্র ১০৬ জন পুলিশকর্মী রয়েছেন। দেশের বহু রাজ্যের তুলনায় এই সংখ্যা যথেষ্ট কম বলেই দাবি করেছেন তিনি। সরকারের লক্ষ্য আগামী দিনে প্রতি এক লক্ষ মানুষের জন্য পুলিশের সংখ্যা অন্তত ২০০-তে নিয়ে যাওয়া। সেই লক্ষ্যে প্রথম ধাপে ৪৩ হাজার শূন্যপদ পূরণের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পুলিশ পদ তৈরি করার সম্ভাবনাও রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “সুপ্রিম কোর্টের জট কেটে গিয়েছে। নিয়োগ শুরু করুন। পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান এখানে রয়েছেন। আপনাকে বলছি, পুলিশে ম্যানপাওয়ার বাড়াতে হবে। আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করব।”

    মহিলা থানা ও সাইবার অপরাধে বাড়তি গুরুত্ব

    নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ মোকাবিলায় রাজ্যের মহিলা থানাগুলিকে আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তদন্তের জন্য প্রশিক্ষিত কর্মী এবং প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় রাজ্য পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন শুভেন্দু। তবে শুধু তদন্ত নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।সাইবার প্রতারণার ভয়াবহতা বোঝাতে একটি ঘটনার উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেউ হয়তো পিএফ ও গ্র্যাচুইটির টাকা জমিয়ে রেখেছিলেন, নাতনিকে ডাক্তার করবেন বলে। মাত্র ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে সব টাকা চলে গেল।”

    বিপর্যয় মোকাবিলায় আসছে ২০০ সদস্যের ‘অর্জুন’

    প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অগ্নিকাণ্ড এবং বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত কাজ করার জন্য সিভিল ডিফেন্সের অধীনে ২০০ সদস্যের একটি বিশেষ বাহিনী গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই বাহিনীর নাম রাখা হয়েছে ‘অর্জুন’। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য সৈনিক বোর্ডের মাধ্যমে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ৮০ জন প্রাক্তন সেনাকর্মীকে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামী দিনে অগ্নিবীরদেরও এই বাহিনীতে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    আমফানের সময় গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করতে দীর্ঘ সময় লেগেছিল বলে অভিযোগ তুলে পুরনো অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, “আগের সরকারের মন্ত্রী থাকাকালীন দেখেছিলাম, আমফানের সময় তিনদিনে একটাও গাছ সরাতে পারেনি। ৩০০ পুলিশের ওডিএমজি পাঠিয়েছিল ওড়িশা পুলিশ, তারা এসে ১২ ঘণ্টায় কাজ করে দিয়েছিল। আমরা দাঁড়িয়ে দেখলাম।” নতুন বাহিনীর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও রাস্তা পরিষ্কারের কাজ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    চার হাজার পুরনো পুলিশ গাড়ি বদলের পরিকল্পনা

    রাজ্য পুলিশের যানবাহনের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পুলিশের ডিজির সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পেরেছেন যে প্রায় ৪ হাজার পুলিশ গাড়ি বদলানো প্রয়োজন। একসঙ্গে এতগুলি গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে। তাই ধাপে ধাপে পুরনো গাড়ি সরিয়ে নতুন গাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, “একসঙ্গে চার হাজার গাড়ি দিতে না পারলেও বছরে এক হাজার করে দেব। পুলিশের লজিস্টিক্স এবং পরিকাঠামো বাড়ানো হবে।”

    প্রতিটি থানায় ৪টি করে ‘১১২’ গাড়ি

    জরুরি পরিষেবায় পুলিশের ‘রেসপন্স টাইম’ কমানোকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, উত্তরপ্রদেশে জরুরি ফোন পাওয়ার প্রায় ৬ মিনিটের মধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কলকাতায় রাস্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা তুলনামূলক ভাল হওয়ায় সাড়া দ্রুত মিললেও রাজ্যের বহু এলাকায় পরিস্থিতি ভিন্ন।শুভেন্দুর দাবি, রাজ্যের বহু জায়গায় পুলিশের গড় রেসপন্স টাইম প্রায় তিন ঘণ্টা। এই সময় কমাতে প্রতিটি থানায় জরুরি পরিষেবা নম্বর ‘১১২’-এর জন্য চারটি ডেডিকেটেড গাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, এবারের বাজেটে এর জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “বেঙ্গল পুলিশে লোকবল বাড়াতে হবে। প্রতি থানায় ৪টি ১১২ ডেডিকেটেড গাড়ি দিতে হবে। এবারের বাজেটে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। রাজ্যের ৫৫২টি থানায় একটি করে ১১২ গাড়ি পৌঁছে যাবে পুজোর আগেই। মহালয়াতেই ব্রিগেডে ৫৫২টি গাড়ির উদ্বোধন করা হবে।” পরবর্তী বাজেটে থানাপিছু আরও দু’টি গাড়ি দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

    দুর্নীতিতে কড়া বার্তা, ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর হিংসা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে দুর্নীতি দমন শাখার কাজেও আরও নজরদারি বাড়ানোর বার্তা দিয়েছেন তিনি। রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ, নারী নির্যাতন এবং পকসো আইনের আওতায় আসা অপরাধের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট করেছেন শুভেন্দু। তাঁর বার্তা, “রাষ্ট্রবিরোধীদের শায়েস্তা করতে কারও কথা শুনবেন না। আরজি কর বা পকসো আইনের আওতায় যে সব ঘটনা ঘটবে, তার মোকাবিলা করতে কারও নির্দেশের অপেক্ষা করার দরকার নেই। যত কঠোর হতে হয় হবেন, আপনাদের হয়ে শিল্ড হয়ে দাঁড়াব আমি।”

    পুলিশকর্মীদের রেশন ভাতা বাড়ল

    পুলিশ বাহিনীর নিচুতলার কর্মীদের জন্য আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। উৎসবের মাসে পুলিশকর্মীদের রেশন ভাতা ১,৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০০০ টাকা করা হয়েছে বলে ঘোষণা করেন তিনি। পুজোর মাসেই ৩৮ শতাংশ ডিএ-সহ আগাম বেতন দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ১৫ বছর চাকরি সম্পূর্ণ করা নিচুতলার পুলিশকর্মীদের নিজস্ব জেলা অথবা সংলগ্ন জেলায় পোস্টিংয়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তবে বাহিনীর একাংশের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। ঝাড়গ্রামের এক কনস্টেবলকে ৫ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকা-সহ ধরার প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, “এসিবি অনেককে ধরছে, তার মধ্যে ঝাড়গ্রামে এক কনস্টেবলও ৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা-সহ ধরা পড়েছে। এই লোভগুলো সম্বরণ করতে হবে।”

    নিয়োগ থেকে পরিকাঠামো—পুলিশ ব্যবস্থায় বড় রদবদলের ইঙ্গিত

    সব মিলিয়ে রাজ্য পুলিশের ক্ষেত্রে একাধিক স্তরে পরিবর্তনের পরিকল্পনা সামনে এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একদিকে ৪৩ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ, অন্যদিকে পুরনো গাড়ি বদল, থানার পরিকাঠামো উন্নয়ন, মহিলা থানা ও সাইবার ইউনিটকে শক্তিশালী করা এবং ‘১১২’ পরিষেবার রেসপন্স টাইম কমানোর উদ্যোগ—সব মিলিয়ে পুলিশ ব্যবস্থাকে আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্য সরকার। এখন নজর থাকবে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ড কত দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে এবং শূন্যপদ পূরণের ক্ষেত্রে সরকার কতটা দ্রুত বাস্তব পদক্ষেপ করে।

  • WB Police: পালাবদলের পরে বড় রদবদল পুলিশে, ১৭৯ অফিসারের বদলি ও পদোন্নতি বাংলায়

    WB Police: পালাবদলের পরে বড় রদবদল পুলিশে, ১৭৯ অফিসারের বদলি ও পদোন্নতি বাংলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর পুলিশ প্রশাসনে বিরাট রদবদল। একসঙ্গে কলকাতা এবং রাজ্য পুলিশে ১৭৯ জন আইপিএস-ডব্লিউবিপিএস-কে বদলি করার নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। বদলি করা হল কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি (ট্রাফিক) রূপেশ কুমারকে। বিধানসভা ভোটের আগে এই রূপেশকে ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জ্যাক’ বলেছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে সরানো হয়েছে এসটিএফে। রাজ্যের উচ্চপদস্থ কর্তাদের রদবদলের নোটিশ জারি করেছে হোম অ্যাফেয়ার্স দফতর। রাজ্য হোম অ্যাফেয়ার্স দফতেরের নোটিশ অনুযায়ী, ১৭৯ আইপিএস বদলির পাশাপাশি, একাধিক পুলিশ সুপারের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১২টি পুলিশ জেলার এসপি বদল করা হচ্ছে।

    কাকে কাকে বদলি

    অন্য দিকে এত দিন ফাঁকা ছিল কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম)। সেই পদেও নিয়োগ করা হয়েছে। সেখানকার যুগ্ম কমিশনারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বদলি হয়েছেন আইপিএস মুরলীধর শর্মা। মুরলীধরকে আইজি (আইবি) পদে বসানো হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে গত এপ্রিলে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার পদ থেকে সরানো হয়েছিল মুরলীধরকে। তার আগে মুরলীধরকে ভোটের পর্যবেক্ষক হিসাবে তামিলনাড়ুতে পাঠানোর কথা বলেছিল কমিশন। পরে সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় তারা। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদেই থেকে যান মুরলী। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি জেলায় পুলিশ সুপারকেও বদলি করা হয়েছে। আইপিএস কুণাল আগরওয়ালকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) নিয়োগ করা হয়েছে। সেখানে এত দিন ছিলেন যুগ্ম কমিশনার পদের এক আধিকারিক। ওই পদে ছিলেন সোমা দাস মিত্র। তাঁকে বদলি করা হয়েছে আইজি (পলিসি) পদে। রূপেশকে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) থেকে ডিআইজি (এসটিএফ) করা হয়েছে।

    রুটিন মাফিক বদলি

    নির্বাচনের আচরণবিধি লাগু হওয়ার পরে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশে বিরাট রদবদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। ভোট মেটার পরে নতুন সরকারের সময়ে এই প্রথম এত বড় মাপের রদবদল করা হলো। রুটিনমাফিক এই বদলির সিদ্ধান্ত বলেই নবান্ন সূত্রে খবর। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাঁকুড়া, মালদা রেঞ্জ-সহ একাধিক বিভাগের আইজিপি (ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ) পদে রদবদল হয়। পাশাপাশি একাধিক জেলার পুলিশ সুপার পদেও বদলি করা হয়েছে।

    কোথায় কোথায় বদলি

    • রাজেশ কুমার যাদবকে বাঁকুড়া রেঞ্জের আইজিপি থেকে এসটিএফ-এর আইজিপি।
    • গৌরব শর্মাকে ট্রাফিক আইজিপি পদ থেকে এসটিএফ-এর আইজিপি করা হয়েছে।
    • সুকেশ কুমার জৈনকে আইবি থেকে সিসিডব্লু-এর আইজিপি করা হল।
    • শীশ রাম ঝাঝারিয়া সংগঠন শাখা থেকে এসভিএসপিএ-র ডিরেক্টর হলেন।
    • মুরলীধর শর্মাকে আইবি-র আইজিপি হিসেবে নিযুক্ত করা হল।
    • শুভঙ্কর সিনহাকে সরকার কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার পদ থেকে আইজিপি করা হয়েছে (প্রভিশনিং)।
    • কুণাল আগরওয়ালকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) পদে রাখা হয়েছে।
    • ভি. সলোমন নেসাকুমারকে আইজিপি (পার্সোনেল) পদ দেওয়া হয়েছে।
    • শঙ্খশুভ্র চক্রবর্তীকে আইজি হোম গার্ড পদ দেওয়া হয়েছে।
    • উৎপল কুমার নস্করকে আইজিপি কারেকশনাল সার্ভিসেস-এ নিযুক্ত করা হয়েছে।
    • ফারহাত আব্বাস হলেন আইজিপি ট্রেনিং।
    • অঞ্জন চক্রবর্তীকে করা হল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির ডিরেক্টর।
    • রণেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় হলে আইবি-র আইজি।
    • স্বপন সরকারকে করা হল আইজিপি, অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ (ACB)।
    • সঙমিত লেপচার পদোন্নতি করে আইজিপি, আর্মড পুলিশ (উত্তরবঙ্গ) করা হয়েছে।
    • মেহমুদ আখতার পদোন্নতি পেয়ে আইজি ট্রাফিক।
    • অজয় কুমার ঠাকুরের পদোন্নতি হয়ে আইজিপি, সিআইডি করা হয়েছে।
    • সোমা দাস মিত্র পদোন্নতি পেয়ে হলেন আইজিপি (পলিসি)।
    • কৃষ্ণকলি লাহিড়ীর পদোন্নতি পেয়ে আইজি, সিসিডব্লু করা হয়েছে।
    • শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজা পদোন্নতি পেয়ে আইজিপি র‍্যাঙ্কে বহাল হলেন।
    • সূর্যপ্রতাপ যাদব বীরভূমের এসপি থেকে হলেন কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক)।
    • বারাসত পুলিশ জেলার এসপি পুষ্পা হলেন পূর্ব বর্ধমানের এসপি।
    • ওয়াই রঘুবংশী কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার এসপি পদ থেকে হলেন STF উত্তরবঙ্গের এসপি।
    • ঈশানী পাল ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা থেকে কলকাতা পুলিশের ডিসি (সাউথ ওয়েস্ট) হলেন।
    • অতুল ভি. হলেন কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার এসপি।
    • সায়ক দাসকে পূর্ব বর্ধমানের এসপি থেকে কলকাতা পুলিশের ডিসি (নর্থ) করা হল।
    • সুজাতা কুমারী বীণাপাণিকে জলপাইগুড়ির এসপি পদে বহাল করা হয়েছে।
    • জে. মার্সিকে বারাসত পুলিশ জেলার এসপি করা হল।
    • চন্দ্রশেখর বর্ধন হলেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার এসপি।
    • অভিষেক গুপ্ত হলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের এসপি।
    • প্রিয়ব্রত রায় হলেন পশ্চিমবঙ্গ ট্রাফিক পুলিশের এসপি।
    • শুভেন্দ্র কুমার বারুইপুর পুলিশ জেলার এসপি হলেন।
    • সুবিমল পাল হলেন কলকাতা পুলিশের ডিসি (ইস্ট সাবার্বান ডিভিশন)।
    • বিদিত রাজ ভুন্ডেশকে বীরভূমের এসপি পদ দেওয়া হয়েছে।
    • ভি. সি. সতীশ পাসুমার্তি বাঁকুড়ার এসপি পদ পেলেন।
    • সৌম্যদীপ ভট্টাচার্যকে এসটিএফ মালদার এসপি পদ দেওয়া হয়েছে।
    • চিন্ময় মিত্রকে করা হল কলকাতা পুলিশের ডিসি (রিজার্ভ ফোর্স)।
    • অমিত ভার্মা হলেন হাওড়া (গ্রামীণ)-এর এসপি।
    • সানি রাজ হলেন পুরুলিয়ার এসপি।
    • কুনওয়ার ভূষণ সিং হুগলি (গ্রামীণ)-এর এসপি।
    • চারু শর্মা শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি।
    • ইন্দ্র বদন ঝা SRP, শিলিগুড়ি। কল্যাণ সিনহা রায় আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ।
    • মণীশ জোশী কলকাতা পুলিশের ডিসি (ওয়্যারলেস)।
    • জয়ন্ত মুখোপাধ্যায় SRP, খড়গপুর।
    • অম্লান ঘোষ হোম গার্ড সংগঠনের সিনিয়র স্টাফ অফিসার।
    • দেবরাজ দাস বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে ডিসি।
    • পল্লবতী শারন্যা ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি।
  • Dilip Ghosh in Egra: “গুরু পাপে, লঘু দণ্ড”! এগরায় গিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দিলীপ

    Dilip Ghosh in Egra: “গুরু পাপে, লঘু দণ্ড”! এগরায় গিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধীকে সঠিক সাজা দেওয়া হচ্ছে না। “গুরু পাপে, লঘু দণ্ড” দেওয়া হচ্ছে। তাই এগরায় বিস্ফোরণের ঘটনায় এআইএ তদন্ত প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh in Egra)। এদিন তিনি কার্যত বিনা বাধাতেই এলাকা ঘুরে দেখেন। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। এরপরই গোটা ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তিনি।

    এগরায় দিলীপ যা বললেন

    এদিন বিস্ফোরণস্থলে গিয়ে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh in Egra) বলেন, “যে ধরনের ধারা দেওয়া হয়েছে, আমরা বিভিন্ন মিডিয়ায় দেখলাম, সাধারণ পাড়ায় মারপিট করলেও এর চেয়ে কঠিন ধারা দেওয়া হয়। আমরা কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি করলে এর থেকে কঠিন ধারা আমাদের দেওয়া হয়। পুরো সমাজবিরোধী কাজ হয়েছে।” স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তিনি বলেন, “স্থানীয়রা বলছে ২২ জন মারা গিয়েছেন। এর আগেও ওরা অপরাধ করেছে। এত বড় বিস্ফোরণ হল আর কোথাও বিস্ফোরণের ধারা নেই। দুমাস বাদে জামিন পেয়ে চলে আসবে। আবার বিজনেস শুরু হয়ে যাবে। আমার মনে হয় রাজ্য সরকার ও পুলিশ চাইছে এই ধরনের কাজ বন্ধ না হোক। পরোক্ষে ওরা সাপোর্ট করছে।”

    বিনা বাধায় ঘটনাস্থলে যান দিলীপ

    এদিন সংসদ দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh in Egra) সঙ্গে ছিলেন রাজ্য কমিটির সদস্য অনুপ কুমার চক্রবর্তী ও জেলা কমিটির সভাপতি সুদাম পন্ডিত। বোমা বিস্ফোরণে মৃত মাধবী বাগ ও অন্যান্য পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। বুধবারই এগরায় গিয়ে গ্রামবাসীদের একাংশের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইয়া। শুনেছিলেন চোর চোর স্লোগান। কার্যত তাড়া খেয়ে এলাকা ছেড়েছিলেন তৃণমূল নেতারা। তবে বৃহস্পতিবার বিজেপি নেতাদের তেমন কোনও পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়নি। তাঁরা এলাকায় গিয়ে বিস্ফোরণস্থল ঘুরে দেখেন।

    আরও পড়ুন: অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক

    এগরায় বিস্ফোরণ স্থল ঘুরে দেখেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। জেলা পুলিশ সুপার থেকে শুরু করে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছিলেন তিনিও।  এমনকি আগামী দিনে এগরা থেকে মহা মিছিলের ডাক দেন তিনি। উল্লেখ্য, গত বুধবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা ব্লকে খাদিকূল গ্রামে একটি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা এই ঘটনায় হতাহত হন। বাজি তৈরির নাম ওই কারখানায় বোমা তৈরি হতো বলে অভিযোগ তোলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিনা নথিতে কিভাবে দিনের পর দিন এভাবে বাজি তৈরি হতো তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Vote: রাজ্য পুলিশের কথায় যেন বিশ্বাস না করা হয়, কমিশনের কাছে দাবি বিজেপির

    Loksabha Vote: রাজ্য পুলিশের কথায় যেন বিশ্বাস না করা হয়, কমিশনের কাছে দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের কথায় যেন বিশ্বাস না করে কমিশন, সোমবার এমনই দাবি জানাল রাজ্য বিজেপি। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে এই দাবি জানান বিজেপির প্রতিনিধিরা (Loksabha Vote)। আগেই ঠিক ছিল ৪ মার্চ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা বৈঠক করবেন রাজনৈতিক দলগুলি সঙ্গে। সেইমতো এদিন সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। বিজেপির তরফ থেকে বৈঠকে হাজির ছিলেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপি সূত্রে খবর, রাজ্যজুড়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, ভোট পরবর্তী হিংসা এবং ভোটের দিন সন্ত্রাস- এই সমস্ত কিছুকেই তুলে ধরা হয়েছে কমিশনের সামনে।

    কী বললেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?

    বিজেপির প্রতিনিধি জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, “সাধারণ মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোট (Loksabha Vote) দিতে পারে, আমরা তাই বলেছি।” জানা গিয়েছে, সন্দেশখালির প্রসঙ্গও তোলা হয়েছে ফুল বেঞ্চের সামনে। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় আরও বলেন, “২০২১, পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা দেখেছে সাধারণ মানুষ। শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারের ঘটনা প্রমাণ করেছে পুলিশ ক্রিমিনালদের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করাতে এসে যেন পর্যবেক্ষকরা নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করে।রাজ্য পুলিশের কথায় যেন তারা বিশ্বাস না করেন। তারা যেন বিরোধী দলের ইনপুট, নিজেদের ইনপুট -এর উপর ভরসা করে।”

    পুলিশের ওপর ভরসা না করতে আবেদন কমিশনকে 

    সোমবার সকাল সাড়ে ন’টা থেকে রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে একের পর এক বৈঠক সারতে থাকে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা। নির্বাচন কমিশনের সামনে এক দফায় পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Loksabha Vote) করানোর প্রস্তাব রাখে তৃণমূল কংগ্রেস। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। সারা দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন করেছে কমিশন পশ্চিমবঙ্গে। এখানকার আইন-শৃঙ্খলার অবনতির কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সেখানে সারা রাজ্যে এক দফায় ভোট করানোর দাবি একেবারেই অযৌক্তিক বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এরিয়া ডমিনেশনের কাজে যেন লোকাল আইসিদের কথায় ভরসা না করে কমিশন, এমন আবেদনও করেছে বিজেপি। পাশাপাশি অবজারভারদের সঙ্গে আধা সেনার সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে ভুয়ো ভোটারদের কথাও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share