Tag: Bengal Political News

Bengal Political News

  • Post Poll Violence in Bengal: অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কড়া কমিশন

    Post Poll Violence in Bengal: অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কড়া কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence in Bengal) রুখতেও কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কোথাও ভাঙচুর বা হিংসার ঘটনা দেখলেই অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর ডিরেক্টর জেনারেলকে সতর্ক থাকতে বলেছেন জ্ঞানেশ (CEC Gyanesh Kumar)। সর্বদা নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে জেলাশাসক এবং পুলিশকর্তাদেরও।

    ভোট-পরবর্তী হিংসা কোথায় কোথায়

    ভোটের ফলপ্রকাশ হয়েছে সোমবার। আর রাত গড়াতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর মিলতে শুরু করে। সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ভোট–পরবর্তী হিংসায় চার জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গিয়েছে। সূত্রের খবর, তাঁদের মধ্যে দু’জন তৃণমূল ও দু’জন বিজেপির কর্মী। মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির রাজবাড়ি এলাকায় ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে জখম হন ন্যাজাট থানার ওসি ভরত প্রসূন কর। সূত্রের খবর, তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন ওই পুলিশ অফিসার। সেই সময়ে দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলি তাঁর পায়ে লাগে, তাঁকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মিনাখাঁর এসডিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। কলকাতা–সহ প্রায় গোটা রাজ্য উত্তপ্ত। বিজয়ী দল বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের তরফে এই পরিস্থিতিতে পুলিশ ও প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ করার নির্দেশ এবং দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে শান্তি বজায় রাখার জোরালো বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ কমিশনের

    ভোটের নির্ঘণ্টা ঘোষণার সময়ই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন, ভোট-পর্ব মিটে যাওয়ার পরও কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বাংলায়। ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবার এই নিয়ে আরও কড়া বার্তা দিলেন তিনি। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিদাতা এবং ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন। বাংলায় ভোটের ফল বেরনোর পর বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুরের খবর পাওয়া যায়। এই নিয়েই এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার ​এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ডিজি-সহ সমস্ত ডিএম, এসপি এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের হিংসা রোধে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। নিরবচ্ছিন্ন টহল দিতে হবে বলে জানিয়েছেন। জ্ঞানেশ কুমারের নির্দেশ,​ ভাঙচুরকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিদাতারাও ছাড় পাবেন না বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। রাজনীতির রং না-দেখে হিংসার ঘটনায় পদক্ষেপ করার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালার কাছে আর্জি জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।

  • Shamik Bhattacharjee: “কোনও রাজনৈতিক হিংসা নয়, বিজেপির পতাকা নিয়ে অশান্তি করলে দল থেকে বের করে দেব”, বার্তা শমীকের

    Shamik Bhattacharjee: “কোনও রাজনৈতিক হিংসা নয়, বিজেপির পতাকা নিয়ে অশান্তি করলে দল থেকে বের করে দেব”, বার্তা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি (BJP)। ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৭টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কড়া অবস্থান নিয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব এবং কলকাতা পুলিশ। রাজ্যে এককভাবে ক্ষমতায় আসার পরই দলগতভাবে লিখিত নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বিরোধী দলের বুথ, পার্টি অফিস বা সাইনবোর্ড দখল করা যাবে না। একই সঙ্গে অটো ও টোটো স্ট্যান্ড কিংবা বাজার দখলের মতো ঘটনাও বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের কাজ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    রাজনৈতিক হিংসার জায়গা নেই

    বাংলায় পালা বদলের পর থেকেই শহর ও শহরতলির বিভিন্ন জায়গা থেকে ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ সামনে এসেছে। কোথাও কোথাও তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর বা দখলের অভিযোগ উঠেছে, আবার কলকাতার রাস্তাতেও ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি শিমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharjee) এই বিষয়ে অত্যন্ত কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন,“আমি একটা কথা পরিষ্কার করে জানিয়ে দিচ্ছি, বিজেপির পতাকা নিয়ে কোথাও যদি কোনও রাজনৈতিক হিংসা চলে, কোনও তৃণমূল অফিসের উপর আক্রমণ হয়, মুখ্যমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যদি কদর্য ভাষা ব্যবহার করা হয়, তাকে দল থেকে বার করে দেব। সেই অধিকার আমার পার্টির সংবিধান আমাকে দিয়েছে। প্রশাসনকে দেখতে হবে যে বিজেপির পতাকা নিয়ে যদি টোটো স্ট্যান্ড, অটোস্ট্যান্ড থেকে যদি টাকা চায়, কঠোরতম ব্যবস্থা নেবেন। তাকে গ্রেফতার করবেন। কোনও রঙ দেখে কাজ করবেন না। কোনও রাজনৈতিক হিংসার জায়গা পশ্চিমবঙ্গে নেই। এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে বলেই মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন।”

    কলকাতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে

    ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই শহরের পরিস্থিতি যাতে কোনওভাবে উত্তপ্ত না হয়, সেদিকে কড়া নজর রাখছে কলকাতা পুলিশ। সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়ানো ভুয়ো খবরের বিষয়েও এদিন সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলায় কলকাতা পুলিশের তরফে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে জানানো হয়েছে, ভোটের ফল প্রকাশের পর অনেক বিভ্রান্তিকর পোস্ট ছড়ানো হচ্ছে। অন্য জায়গার ছবি ও ভিডিও কলকাতার বলে চালানো হচ্ছে। শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে যাঁরা ভুল খবর ছড়াচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে। কলকাতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নাগরিকদের কাছে পুলিশের আবেদন, কোনও খবর যাচাই না করে সমাজমাধ্যমে ছড়াবেন না, ভয় পাবেন না।

  • Ratna Debnath: “স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতির শিকড় খুঁজব”, ভোটে জিতে মেয়ের জন্য ন্যায়বিচারই প্রধান লক্ষ্য ‘ডক্টর দেবনাথের মা’র

    Ratna Debnath: “স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতির শিকড় খুঁজব”, ভোটে জিতে মেয়ের জন্য ন্যায়বিচারই প্রধান লক্ষ্য ‘ডক্টর দেবনাথের মা’র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি দূর করার ডাক দিলেন আরজিকরের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath)। বাংলায় দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূল জমানার অবসান ঘটেছে সোমবার। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রথমবার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। আর এই শিবিরের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী রত্না দেবনাথ। পানিহাটি (Panihati) কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন তিনি। সদ্য নির্বাচিত এই বিধায়কের লক্ষ্যও স্থির। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার হুঙ্কার দিয়েছেন অভয়ার মা।

    মমতাকে চ্যালেঞ্জ অভয়ার মা-এর

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রত্না দেবনাথ প্রথমেই নিজের জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, “বাংলায় অনেক অভিযোগ, চাকরি নেই, স্কুলগুলিতে তালা পড়ে গেছে, বলেছিলাম তৃণমূলের মূল উপড়ে ফেলব, আমি হয়তো সেটা পেরেছি।” বিজেপির জয়ী প্রার্থী আরও বলেন, “পানিহাটি থেকে ঘোষ পরিবারের থ্রেট কালচার দূর করব, এই ভয়ের থেকে পানিহাটিকে মুক্ত করতে পারব।” বিধানসভায় গিয়ে প্রথম কোন কাজ করবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমার মেয়ে যে দুর্নীতির জন্য খুন হয়েছে, সেই স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি কতটা গভীরে সেটা খুঁজে বের করব।” প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য দফতরের মন্ত্রী ছিলেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মত, সেক্ষেত্রে রত্না দেবনাথ সোজাসুজি তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন।

    চাই মমতার জেল-যাত্রা

    ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) গড় হিসেবে পরিচিত, সেখানেই ১৫ হাজারের বেশি ভোটে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন তিনি। এনিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রত্না দেবনাথ বলেন, “ওঁর জেলযাত্রা ও ফাঁসি চাই। মমতা মুখ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং পুলিশমন্ত্রী। আমার মনে হয়, আমি আমার মেয়ের মৃত্যুর ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রথম ধাপটি পার করেছি। আমাদের সমাজে নারীরা নিরাপদ নন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই নির্দেশ দিয়েছিলেন যে রাত ৮টার পর মহিলাদের বাইরে যাওয়া উচিত নয়। আমরা সেই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেয়েছি।” সবশেষে তিনি বলেন, “রাজনীতিতে একটা পদ পেয়েছি। কিন্তু আমি অভয়া, তিলোত্তমার মা হয়ে থাকতে চাই না। মেয়ের নাম প্রকাশ্যে আনতে পারি না, তবে ডক্টর দেবনাথের মা হয়েই থাকতে চাই।”

  • Modi on Bengal BJP Win: ভয়মুক্ত বাংলা থেকে আয়ুষ্মান ভারত, কর্মসংস্থান থেকে নারী সুরক্ষা! ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’-এর লক্ষ্যে বার্তা মোদির

    Modi on Bengal BJP Win: ভয়মুক্ত বাংলা থেকে আয়ুষ্মান ভারত, কর্মসংস্থান থেকে নারী সুরক্ষা! ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’-এর লক্ষ্যে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়মুক্ত বাংলা গড়তে পরিবর্তনের পথে হেঁটেছে বঙ্গবাসী। বাংলায় উঠেছে গেরুয়া ঝড়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শক্ত কাঁধেই ভরসা রেখেছে বাঙালি। তাই বাঙালি অস্মিতাকে সম্মান জানিয়ে বঙ্গ জয়ের পর আদ্যোপান্ত বাঙালি সাজে নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদিও। বাংলায় পদ্মের এই বিপুল জয়ে বড় বার্তা দিয়েছেন তিনি (PM Modi)। আগামীর বাংলা গড়তে কী প্ল্যান, তা খোলসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন মোদির বঙ্গ জয়ের উৎযাপনে ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লাইন। প্রধানমন্ত্রীর মুখেও শোনা যায়,’চিত্ত যেথা ভয় শূন্য়-উচ্চ যেথা শির’। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুরুদেবের এই লাইনের মতোই বাংলার মানুষ এবার থেকে ভয় শূন্য হয়ে মাথা উঁচু করে জীবন যাপন করতে পারবেন। রাজ্য়বাসীর উন্নয়নের স্বার্থে দিনরাত কাজ করবে বিজেপি।

    কর্মসংস্থানের বার্তা

    পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের আগামীর রূপরেখা কেমন হবে, তার স্পষ্ট আভাস দিয়ে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী। দিলেন তরুণদের কর্মসংস্থানের বার্তা। একই সঙ্গে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের জেরে পশ্চিমবঙ্গে যে কোনও প্রকল্প থমকে থাকবে না, সেই আভাসও দিয়ে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন মোদির প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার বক্তৃতায় প্রত্যাশিত ভাবেই পশ্চিমবঙ্গের জন্য ছিল মোদির বিশেষ বার্তা। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যপূরণ করতে যে ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ’-কেও সঙ্গে চাই, তা বুঝিয়ে দিলেন জয়ের পরে প্রথম বক্তৃতায়। স্পষ্ট করে দিলেন, ভারতের উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে, তাল মিলিয়ে চলবে পশ্চিমবঙ্গ। জানালেন রাজ্যের যুবক-যুবতীদের কাজের জন্য রাজ্য ছাড়তে হবে না। এখানেই গড়ে উঠবে নতুন শিল্প। খুলবে বন্ধ কারখানা।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিলেন, রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হবে। বস্তুত, রাজ্য-কেন্দ্রের টানাপড়েনের জেরে এই স্বাস্থ্য প্রকল্পটি দীর্ঘ দিন পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর হয়নি। তা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে এবং তারও আগে থেকে বার বার তৃণমূলকে বিঁধেছেন মোদি, অমিত শাহ এবং বিজেপির অন্য নেতারা। এবার পশ্চিমবঙ্গে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালু করার কথা বলে প্রধানমন্ত্রী এ-ও বুঝিয়ে দিতে চাইলেন যে আগামী দিনে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও প্রকল্প থেকে ‘বঞ্চিত’ থাকবে না রাজ্যবাসী।

    নারী শক্তির জয়গান

    এ বারের নির্বাচনী প্রচারে বিজেপির বার বার মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়ে সরব হয়েছে। এ বার পশ্চিমবঙ্গ-জয়ের পরেও রাজ্যবাসীকে সেই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি জানান, নারী শক্তি আজ বিকশিত ভারতের সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলেছে। কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা ‘নারী শক্তি বন্দন’ বিলে বাধা দিয়ে নারীশক্তির অপমান করেছিল, যার যোগ্য জবাব বাংলার মা-বোনেরা দিয়েছেন। মোদির কথায়, “কংগ্রেস, তৃণমূল (TMC) ও ডিএমকে (DMK)-কে এদেশের মা-বোনেরা আজ উচিত শিক্ষা দিয়েছেন।” বিপুল জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে মোদি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ৯৩ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা এক কথায় ঐতিহাসিক। এখানে মহিলাদের ভোটদান ছিল চোখে পড়ার মতো।

    রাজনৈতিক হিংসার অবসান

    বক্তৃতার সময়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজনৈতিক হিংসা এবং অশান্তি দূর করারও বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, “পশ্চিমবাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় অনেক জীবন নষ্ট হয়েছে। এ বার বদলা নয়, বদলের কথা হবে। ভয় নয়, ভবিষ্যতের কথা হবে।” পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে এই প্রথম বার ভয়ের বদলে গণতন্ত্রের জয় হল বলেও মনে করছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে ভোটের সময়ে আগে হিংসা, ভয় এবং নিরপরাধদের মৃত্যুর খবর পাওয়া যেত। কিন্তু এ বার গোটা দেশ এক অন্য ধরনের খবর পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। নির্বাচনী হিংসায় এক জনেরও মৃত্যু হয়নি— এমন ঘটনা এই প্রথম বার ঘটল। গণতন্ত্রের এই উৎসবে বন্দুকের আওয়াজ নয়, জনতা জনার্দনের কণ্ঠ শোনা গিয়েছে।” পশ্চিমবঙ্গের সব রাজনৈতিক দলকে ‘নির্বাচনী হিংসার অভ্যাস’ বদলে ফেলারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    নিশানায় কংগ্রেস-কমিউনিস্টরা

    কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করে মোদি বলেন, “কংগ্রেস আজ আর্বান নকশালদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। যে মাওবাদ জঙ্গল থেকে শেষ হয়ে যাচ্ছে, কংগ্রেস তাকে নিজেদের দলের অন্দরে জায়গা দিচ্ছে।” তিনি মনে করিয়ে দেন যে, আজ দেশে এমন একটিও রাজ্য নেই যেখানে কমিউনিস্ট শাসন টিকে আছে। এটি কেবল রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং চিন্তাধারার বদল।

    অনুপ্রবেশ নিয়ে সরব

    মোদির কথায়, “পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল।” বিজেপির এই জয়কে পশ্চিমবঙ্গে নতুন সূর্যোদয়ের সঙ্গে তুলনা করেন তিনি। মোদি প্রতিশ্রুতি দেন, “আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যতের এমন একটি যাত্রার সূচনা হচ্ছে, যেখানে বিকাশ, অটুট বিশ্বাস পায়ে পা মিলিয়ে চলবে। অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেও কড়া আইনি পদক্ষেপের বার্তা দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। অনুপ্রবেশকারীরা গরিব মানুষদের রোজগার নষ্ট করছে। মোদি এদিনের সভা থেকে বলেন, ‘‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মা কতটা শান্তি পেয়েছে, সেটা ভাবছি। উনি ১৯৫১ সালে জনসংঘর স্থাপনা করে প্রতি কার্মীকে বলেছিলেন, দেশের জন্য বাঁচতে হবে, দেশের জন্য মরতে হবে। তিনি জীবন দিয়ে প্রমাণ দিয়েছেন, যাঁরা রাষ্ট্রকে সামনে রাখে, তাঁরা প্রাণ দিতে ভয় পায় না। পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের অংশ করে রাখতে শ্যামাপ্রসাদজি লড়াই করেছিলেন। উনি বাংলাকে কেন্দ্র করে যে সমৃদ্ধ ভারতের স্বপ্ন দেখেছেন, এবার তা পূরণ হবে।’’

  • Suvendu Adhikari: ‘এই জয় হিন্দুত্বের’ নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরে মমতাকে হারিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘এই জয় হিন্দুত্বের’ নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরে মমতাকে হারিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই জয় হিন্দুত্বের। হিন্দুদের ভোটেই জয় পেয়েছেন ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতাকে ১৯৫৬ ভোটে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। এদিন ভবানীপুরে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে জেতেন তিনি। তাঁর জয়ের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। আর কর্মীদের সেই উচ্ছ্বাসের মধ্যেই শুভেন্দু বলেন, “আমাকে ভবানীপুরের মুসলিমরা ভোট দেননি। আমাকে জিতিয়েছেন হিন্দু, জৈন, শিখ সমাজ। আমি তাঁদের প্রণাম করি। এই আসন জেতা দরকার ছিল। এই আসন না জিতলে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন পূরণ হত না। এ জয় হিন্দুত্বের জয়, বাংলার জয়।”

    সিপিএম সমর্থকরাও ভোট দিয়েছেন

    তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর ‘ঘরের মাঠে’ ১৫ হাজারের বেশি ভোটে হারালেন শুভেন্দু। দ্বিতীয়বার মমতাকে হারিয়ে শুভেন্দু জানান, সিপিএম সমর্থকরাও তাঁকে ভোট দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “ধন্যবাদ জানাব বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা নরেন্দ্র মোদিজিকে। আর কৃতজ্ঞতা জানাব আমার নেতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজিকে। তিনি আমাকে এই কেন্দ্রে দাঁড়াতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। উৎসাহিত করেছিলেন।” এতদিন রাজনৈতিক হিংসায় যেসব বিজেপি কর্মীর প্রাণ গিয়েছে, এদিন জয়ের পর তাঁদেরও স্মরণ করলেন শুভেন্দু। বলেন, “আমার এই জয় ৩০০ বিজেপি কর্মীকে উৎসর্গ করছি, যাঁদের আত্মবলিদানে আজকে বাংলায় পরিবর্তন হয়েছে।” এদিন জয়ের পর শুভেন্দুকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহ ছিল চোখের পড়ার মতো।

    ভবানীপুরের মানুষকে কুর্নিশ শাহের

    ভবানীপুরে তাঁর হয়ে কাজ করতে আসা রাজস্থানের বিজেপি (BJP in Bengal) বিধায়কদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। এদিন, শুভেন্দুর জয়ের পর এক্স হ্যান্ডলে অমিত শাহ লেখেন, “ভবানীপুরের মানুষকে কুর্নিশ। তাদের রায় স্পষ্ট করে দিয়েছে, একজন অরাজক শাসকের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে।” বাংলায় বিজেপির জয়ের পর নরেন্দ্র মোদিও বলেন, “বাংলায় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে, নতুন সূর্যোদয় হয়েছে।”

    কত ভোট পেলেন শুভেন্দু

    কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভবানীপুরে শুভেন্দু পেয়েছেন ৭৩৯১৭টি ভোট। মমতা ৫৮১১২টি। ভবানীপুরের পাশাপাশি এ বারও পূর্ব মেদিনীপুরর তাঁর পুরনো আসন নন্দীগ্রামে জয়ী হয়েছেন শুভেন্দু। সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে জানিয়েছেন, সেখান থেকেই নন্দীগ্রামের গণনাকেন্দ্র হলদিয়ার উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন তিনি। ভবানীপুরে জয়ের ব্যবধান ১৫ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও নিজের গড় নন্দীগ্রামে শুভেন্দু এ বার জিতেছেন ১০ হাজারেরও কম ভোটে। তা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় সরাসরি শুভেন্দু জানিয়ে দিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের ভোট না পাওয়ার কারণেই নন্দীগ্রামে জয়ের মার্জিন কম হয়েছে তাঁর।

  • Amit Shah: ১৫২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৬টিতেই জয়! অমিত শাহের প্রথম দফার পূর্বাভাসকেও ছাপিয়ে বিজেপির জয়জয়কার

    Amit Shah: ১৫২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৬টিতেই জয়! অমিত শাহের প্রথম দফার পূর্বাভাসকেও ছাপিয়ে বিজেপির জয়জয়কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফায় ভোট হওয়া আসনগুলিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের করা ভবিষ্যৎবাণীকেও ছাপিয়ে গেল ভারতীয় জনতা পার্টি। ১৫২টি আসনের মধ্যে বর্তমান প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১১৬টি আসনেই বিজেপি প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন বা এগিয়ে রয়েছেন (এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত)। উল্লেখ্য বিধানসভার নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) প্রচারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) আত্মবিশ্বাসী হয়ে বলেছিলেন, “১৫২-র মধ্যে ১১০ পাবই।” এবারে ফলাফলে একই চিত্র দেখা গিয়েছে।

    পূর্বাভাস ও বর্তমান চিত্র (Amit Shah)

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) পূর্বে যে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিলেন, গণনার প্রাথমিক ঝড়ে বিজেপি সেই গণ্ডিও অতিক্রম করে গিয়েছে। প্রথম দফার অন্তর্গত ১৫২টি আসনের মধ্যে ১১৬টিতে বিজেপির জয়লাভ করা বা এগিয়ে থাকা রাজনৈতিক মহলের অনেক সমীকরণই বদলে দিয়েছে। তবে এই ফলাফলে বিজেপি ৬টি আসন বেশি পেয়েছে বিজেপি। প্রথম পর্যায়েই বড়সড় পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। এই প্রথম পর্বে বিজেপি ১১৬টি পেলেও তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ৩২টি আসন। প্রবীণ বিজেপি নেতা শাহের বক্তব্যে সিলমোহর পড়েছে।

    শক্তিশালী নির্ণায়ক ও রাজনৈতিক গুরুত্ব

    এই বিপুল ব্যবধান শাসক ও বিরোধী—উভয় শিবিরের জন্যই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদি এই প্রবণতা বজায় থাকে, তবে তা চূড়ান্ত ফলাফলে (West Bengal Elections 2026) বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। প্রাথমিক এই ফলাফলের ঝোঁক বিজেপি শিবিরে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম দফার এই ফলাফল সামগ্রিক নির্বাচনের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে এক শক্তিশালী নির্ণায়ক হয়ে উঠতে পারে। যদিও চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Modi-Shah on Bengal Election: “পদ্ম ফুটল বঙ্গে, এই জয় সারাজীবন মনে থাকবে’’, টুইট মোদির, কী বললেন শাহ?

    Modi-Shah on Bengal Election: “পদ্ম ফুটল বঙ্গে, এই জয় সারাজীবন মনে থাকবে’’, টুইট মোদির, কী বললেন শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় গেরুয়া ঝড়ের পরই নিজের সামাজিক মাধ্যম থেকে পোস্ট করে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই জয় সারাজীবন মনে থাকবে বলে নিজের পোস্টে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল জমানার অবসানের পরই নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি নিজের পোস্ট থেকে সরাসরি আক্রমণ করেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। পাশাপাশি বাংলার জনতাকে কোটি কোটি প্রণাম জানিয়েছেন। এটি টিএমসি-র ভয়ের ওপর নরেন্দ্র মোদির ভরসার জয় বলেও অভিহিত করেন তিনি।

    বাংলার মানুষের সমস্ত স্বপ্ন এবং আশা পূরণ হবে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্গবাসীর উদ্দেশে লেখেন, “বাংলার মানুষ বিজেপি-কে অবিশ্বাস্য জয় এনে দিয়েছে। আমি তাঁদের আশ্বস্ত করছি, আমাদের পার্টি বাংলার মানুষের সমস্ত স্বপ্ন এবং আশা পূরণ করার জন্য যা করার তাই করবে। সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষের জন্য সুযোগ এবং মর্যাদা দেবে এই সরকার।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির রেকর্ড সম্ভব হত না আমাদের কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম না থাকলে। আমি সকলকে স্যালুট জানাচ্ছি। দীর্ঘ কয়েক বছর ওরা অনেক কষ্ট করেছে, অনেক বাধা সহ্য করেছে। ওরাই আমাদের পার্টির শক্তি।’’

    সোনার বংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করা হবে

    এবারের নির্বাচনে প্রধান ইস্যু ছিল এসআইআর। যেভাবে এই বিষয়টি নিয়ে রাজ্যে শোরগোল পড়েছিল তাতে অনেকেই ভেবেছিলেন যে এখানে ব্যাকফুটে যাবে বিজেপি শিবির। তবে সোমবার রাজ্যের ভাগ্যে ছিল অন্যকিছু। যত বেলা গড়িয়েছে ততই দেখা গিয়েছে রাজ্যবাসী বিজেপির হাতেই পরবর্তী ৫ বছরের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে। একের পর এক গণনাকেন্দ্র থেকে বিজেপির উত্থানের খবর সামনে আসতে থাকে। ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়তে থাকে তৃণমূল কংগ্রেস। বিরাট ব্যবধানে নিজের খেলা দেখাল বিজেপি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ বলেন, “এই বিপুল জনাদেশ ভয়, তোষণ এবং অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষকদের বিরুদ্ধে বাংলার মানুষের জোরালো জবাব।’’ তিনি বলেন, “গঙ্গোত্রীতে গঙ্গা মায়ের উদ্যম থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত এবার গেরুয়া ধ্বজা গর্বের সঙ্গে উড়বে। শূন্য থেকে আজ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছনোর এই কঠিন যাত্রায় যে সব কর্মী নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, হিংসার শিকার হয়েছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন, তবুও আদর্শের পথ থেকে একচুলও সরেননি, সেই সকল কর্মী ও তাঁদের পরিবারকে প্রণাম জানাই। বাংলার মানুষ এই বিপুল জনসমর্থনের মাধ্যমে BJP-র সেই সকল শহিদ কর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।’’ শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষ ভাবে অভিনন্দন জানান অমিত শাহ। চৈতন্য মহাপ্রভু, স্বামী বিবেকানন্দ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো মহাপুরুষদের পবিত্র ভূমি বাংলার হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শাহের দাবি, সোনার বংলার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে বিজেপি দিন রাত এক করে দেবে।

  • Abhishek Banerjee: প্রার্থী নন, তাও কেন ঢুকলেন? হেস্টিংস গণনাকেন্দ্রে অভিষেককে বের করে দিল নির্বাচন কমিশন

    Abhishek Banerjee: প্রার্থী নন, তাও কেন ঢুকলেন? হেস্টিংস গণনাকেন্দ্রে অভিষেককে বের করে দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হেস্টিংসের ভোটগণনা কেন্দ্রে প্রবেশ করায় তৃণমূল কংগ্রেসের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) কেন্দ্র ত্যাগ করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন (West Bengal Elections 2026)। সূত্রের খবর অনুযায়ী, আজ গণনার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে তিনি সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। তবে কমিশনের নিয়মানুযায়ী, বিশেষ অনুমতি ব্যতীত গণনা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাঁকে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়। বিজেপির অভিযোগ গণনাকে প্রভাবিত করতে এসেছিলেন মমতার ভাইপো।

    মূল ঘটনার সারসংক্ষেপ (Abhishek Banerjee)

    বিধানসভা ভোটের (West Bengal Elections 2026) গণনা চলছিল সোমবার। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই ফলাফলে তৃণমূলের ক্রমশ ভরাডুবি আর বিজেপির সবদিকে জয়জয়কার হচ্ছিল। ইতিমধ্যে ভোটগণনা চলাকালীন হেস্টিংসের সংশ্লিষ্ট গণনা কেন্দ্রে আকস্মিক উপস্থিত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এরপর নির্বাচনী আধিকারিকরা তাঁকে দেখেই তৎপর হয়ে ওঠে। বিষয়টি কমিশনের নজরে আসতেই নির্বাচনী আচরণবিধি ও নিরাপত্তা প্রোটোকল বজায় রাখতে তাঁকে কেন্দ্র থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এরপর পরিস্থিতি বেগতিক বুঝেই কমিশনের এই নির্দেশের পরেই শান্তভাবে এলাকা ত্যাগ করেন।

    হার বুঝেই কমিশনকে তোপ মমতার

    ভোটগণনার (West Bengal Elections 2026) দিন নির্বাচনী স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিশন সাধারণত অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে থাকে। এই ঘটনাটি কমিশনের প্রশাসনিক সতর্কতারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে। গণনা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষাভাবে কাজ করছে না। রাজ্যের প্রায় ১০০টি জায়গায় গণনা প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে।” এই প্রসঙ্গে কল্যাণীর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “কল্যাণীতে সাতটি মেশিনে গরমিল ধরা পড়েছে। যেখানে ভোটের সংখ্যার কোনও মিল নেই।”

  • Central Force at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফাইল লোপাট আটকাতে পৌঁছল পুলিশও, চলছে তল্লাশি

    Central Force at Nabanna: নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফাইল লোপাট আটকাতে পৌঁছল পুলিশও, চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীলবাড়ি দখলের পথে বিজেপি। এই আবহে আঁটাসাঁটো করা হল নবান্নের নিরাপত্তা। নবান্ন ঘিরে ফেলল কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force at Nabanna)। নবান্নের যে ক’টা ঢোকা ও বেরনোর গেট রয়েছে, সেই সমস্ত জায়গায় মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নবান্নের পাহারায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনকি, নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের অনুমান, প্রশাসনিক মূল ভবন বা অন্যান্য সরকারি দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নিয়ে যাতে কেউ ঢুকতে বা বেরোতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

    নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মূলত নবান্ন মন্দিরতলা এলাকা ও হাওড়া কমিশনারেটের অধীনে পড়ে। কিন্তু নবান্নের ভিতরে পাহারায় থাকেন কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের কর্মীরা। এই মুহূর্তে যাঁরা নবান্নে কর্মরত ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকে বেরনোর সময়ে ব্যাগ চেক করা হচ্ছে। কেউ কোনও সরকারি ফাইল নিয়ে বের হচ্ছেন কিনা, সেটা দেখা হচ্ছে। তবে কার নির্দেশে চেকিং চলছে, তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ প্রত্যেকেই। ১৩ ও ১৪ তলা, মূলত যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বসে থাকেন, রাজ্যের সচিবালয়, সেটা ডিরেক্টর অফ্ সিকিউরিটির অধীনে এতদিন পর্যন্ত ছিল। ভোট ঘোষণার পর থেকেও একই ধারা বজায় ছিল। বেলা গড়াতে যখন তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির আসনের ব্যবধান অনেকটাই বাড়তে শুরু করে, তখনই সূত্র মারফত খবর পাওয়া যায়, নবান্নের সমস্ত গেটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

    ফাইলপত্র সুরক্ষিত রাখতেই এই পদক্ষেপ

    একটি মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে, শিক্ষা, রেশন থেকে পুরনিয়োগ – বিভিন্ন দুর্নীতি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেইসব তদন্ত সংক্রান্ত নথি সুরক্ষিত রাখতেই নবান্নের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য সুবীর সাহা দাবি করেছেন, নবান্ন, বিভিন্ন সচিবালয়, ডিরেক্টরেটের বিভিন্ন ফাইল সরানো হচ্ছে বলে তাঁদের কাছে খবর এসেছে। বিভিন্ন ডিজিটাল ফাইল মুছে ফেলা হচ্ছে। নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে ফাইল। আর সেই কাজটা একশ্রেণির রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি, পুলিশও পৌঁছেছে নবান্নে। সূত্রের খবর, চিটফান্ড থেকে শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি, আরও কিছু কেলেঙ্কারি হয়েছে কি না, তা দেখার জন্য ফাইলপত্র খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। সরকার বদলের মুহূর্তে সেই সব ফাইল যাতে সরিয়ে ফেলা না যায়, নবান্ন এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস থেকে যাতে কিছু বের করে নিয়ে না নেওয়া যায়, কিছু যাতে নিয়ে ঢোকা না যায়, তার জন্যই সতর্কতামূলক ভাবে এই ব্যবস্থা।

  • Assembly Election 2026: বাংলার ভোটে পালাবদলের ইঙ্গিত, ফলতা বিতর্কে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

    Assembly Election 2026: বাংলার ভোটে পালাবদলের ইঙ্গিত, ফলতা বিতর্কে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) গেরুয়া ঝড়। ইতিমধ্যেই বাংলার মসনদে পট পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। রাজ্যে ১৫ বছর তৃণমূল শাসনের অবসানে বাংলার সিংহাসনে বসতে চলেছে বিজেপি। উত্তর থেকে দক্ষিণ বাংলার শহর থেকে গ্রামে গেরুয়া রঙের আবির উড়ছে। বিকেল চারটে পর্যন্ত ২৯৩ আসনের মধ্যে বিজেপি প্রায় ১৯৮টি আসনে এগিয়ে, যেখানে টিএমসি এগিয়ে মাত্র ৮৯টি আসনে। এর পরেই ডায়মন্ড হারবারের ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ নিয়ে অভিষেকর (Abhishek Banerjee) মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করা হয়।

    ফলতা নিয়ে ‘চ্যালেঞ্জ’ থেকে বিতর্ক

    ২৯ এপ্রিল, বুধবার রাজ্যের ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। সে দিনই ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অন্তর্গত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ২৮৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। কিন্তু ভোটের দিন ওই বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গা থেকে নানা অভিযোগ ওঠে। পরে ওই কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথের পুনর্নির্বাচনের দাবিও তোলা হয়। শনিবার রাতে কমিশন জানায়, গোটা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রেই আবার নতুন করে নির্বাচন হবে। তার পরেই বিজেপি অভিষেকের ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ নিয়ে খোঁচা দেয়। বিজেপি নেতা অমিত মালবীয় এক্স পোস্টে লেখেন, ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল চুরমার’। সেই পোস্টের জবাব দেন অভিষেক। এক্স পোস্টে তাঁর পাল্টা, ‘আপনাদের বাংলা বিরোধী গুজরাতি গ্যাং এবং তাদের দালাল জ্ঞানেশ কুমারের পক্ষে আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলে কালি ছেটানো সম্ভব নয়।’

    ‘ভারতবর্ষকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি..’! অভিষেকের মন্তব্যে বিতর্ক

    অভিষেক আরও লেখেন, ‘আপনাদের যা কিছু আছে, সব নিয়ে চলে আসুন। আপনাদের সবচেয়ে শক্তিধরকে পাঠান, দিল্লি থেকে কোনও এক গডফাদারকেও পাঠান। যদি ক্ষমতা থাকে ফলতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন।’ অভিষেকের কথায়, ‘‘আমি গোটা ভারতবর্ষকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি— ক্ষমতা থাকলে সর্বশক্তি নিয়ে ফলতায় চলে আসুন।’’ তাঁর এই মন্তব্য বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করে অভিষেক পরোক্ষভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)-কে নিশানা করেন। কিন্তু, তাঁর ভাষাচয়ণ অন্য বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন,  ‘গোটা ভারতবর্ষ’ উল্লেখ করে নিজের বিপদ নিজে ডেকে এনেছেন অভিষেক। তাঁদের প্রশ্ন, ফলতা কী ভারতের বাইরে? অনেকেই এক্ষেত্রে সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে ওঠা উগ্র ভারত-বিরোধী উক্তির সঙ্গে মিল খুঁজে পাচ্ছেন অভিষেকের মন্তব্যের। তাঁদের আশঙ্কা, এহেন দেশ-বিরোধী বক্তব্যের জন্যে বড় বিপাকে পড়তে হবে তৃণমূলের সেনাপতি ও তাঁর চ্যালাচামুন্ডাদের।

    নির্বাচন কমিশনের কড়া পদক্ষেপ

    ফলতা কেন্দ্রে “গুরুতর নির্বাচনী অনিয়ম ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার” অভিযোগে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয় কমিশন। ফলতায় নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে মোতায়েন করা হয় আইপিএস অফিসার অজয়পাল শর্মা-কে, যিনি কড়া পদক্ষেপ নিয়ে ভোটে অনিয়ম রুখতে চেষ্টা করেন। তাঁর সঙ্গে টিএমসি প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের তীব্র সংঘর্ষও হয়, যা রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে।

LinkedIn
Share