Tag: bengal ration scam

bengal ration scam

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতিতে ১০ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি! আদালতে নয়া তথ্য ফাঁস ইডির

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতিতে ১০ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি! আদালতে নয়া তথ্য ফাঁস ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) আবারও চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির৷ রেশন দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু বর্তমানে জেলে। এই আবহে এবার আদালতে রেশন-মামলায় ১০ হাজার কোটির দুর্নীতির কথা জানাল ইডি। এর মধ্যে ১ হাজার কোটির মালিকানাও জেনে গিয়েছে তাঁরা। তবে রেশন দুর্নীতির বাকি ৯ হাজার কোটি টাকার উৎস কী এবার সেদিকেই নজর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার।   

    ইডির দাবি (ED) 

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বাকি এই ৯ হাজার কোটির দুর্নীতি (Ration Scam) করেছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে থাকা আরও একাধিক রাইস ও আটা মিল এবং এই সমস্ত রাইস মিল ও আটা মিলগুলির মালিকদের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তবে এই সকল প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের নাম পরিচয় এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে আনেননি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এই সকল প্রভাবশালী আটা এবং রাইস মিলের মালিকদের সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি৷ মূলত তদন্তকারী আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করবেন যে, ওই সকল রাইস মিল এবং আটা মিলের মালিকরা তাঁদের টাকা কোথায় পাঠাতেন? কার কার কাছে যেত সেই টাকা৷  

    আরও পড়ুন: ১৫ মিনিটের বেশি দেরি হলেই অর্ধদিবস ছুটি কাটা! সরকারি কর্মীদের জন্য কড়া নিয়ম কেন্দ্রের

    শুক্রবার বিশেষ ইডি আদালতে রেশন মামলায় (Ration Scam) ধৃত বাকিবুর রহমান, তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যদের জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল। সেখানেই ১০ হাজার কোটির দুর্নীতির কথা ফাঁস করে ইডি (ED)। প্রসঙ্গত, এর আগে এই বাকিবুরকে জেরার সময়ই উঠে এসেছিল বালুর নাম। এরপর তাঁর গ্রেফতারি হয়। তবে এবার ইডির এই তদন্তে আবারও নতুন কোনও মোড়ের দেখা মিলবে কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: “কান এসেছে, এরপর মাথাও আসবে”, জ্যোতিপ্রিয়র গ্রেফতারির পর কী ইঙ্গিত দিলেন সুকান্ত?

    Jyotipriya Mallick: “কান এসেছে, এরপর মাথাও আসবে”, জ্যোতিপ্রিয়র গ্রেফতারির পর কী ইঙ্গিত দিলেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার বালুরঘাটে নিজের বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলনে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) গ্রেফতারি নিয়ে ব্যাপক কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “গ্রেফতার তো সময়ের অপেক্ষা ছিল। চোরেদের অনেক আগেই গ্রেফতার করা দরকার ছিল। যে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বাকিবুরের কাছে পাওয়া গেছে, সম্পত্তি বলার থেকে রাজত্ব বলা ভালো, সেই সম্পত্তি বা রাজত্ব আদতে কার? কার সম্পত্তি বাকিবুরের নামে আছে, এর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। আমরা বহু চাল চুরির অভিযোগ পেয়েছি। বোঝাই যাচ্ছে যত চোর আরেস্ট হচ্ছে, চোরেদের ছটফটানিও ততই বাড়ছে। কান এসেছে, এরপর মাথাও আসবে।”

    এত সম্পত্তি কোথা থেকে? (Jyotipriya Mallick)

    বাড়ির খোঁজ পাওয়া প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “তদন্ত হওয়া উচিত। আমরা বুঝতে পারছি না, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকরা (Jyotipriya Mallick) কোন চাকরি বা কোন ব্যবসা করতেন যে এত টাকার সম্পত্তির মালিক এই কয়েক বছরে হয়ে গিয়েছেন। ছয় কোটি টাকার বাংলো তাঁর। আমার তো মনে হয় গরিব মানুষের ১০০ দিনের কাজের সব টাকা এদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। এঁরাই চুরি করেছেন। সেই জন্য এই অবস্থা হয়ে আছে। এত টাকার সম্পত্তির মালিক, আর গরিব মানুষেরা টাকা পায় না।”

    কার্নিভাল নিয়ে কী বললেন?

    কার্নিভাল দেখার জন্য রাজ্যপালের কাছে কোনও আমন্ত্রণপত্র যায়নি। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  ও তাঁর দলবল এই রাজ্যটা চালাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ রাজ্যটাকে তাঁর পৈতৃক সম্পত্তি বলে মনে করেন। স্বাভাবিকভাবে তাঁর ইচ্ছে, তাঁর জমিদারি যেভাবে খুশি তিনি চালাবেন। রাজ্যপাল কেন, বিরোধী দলের কারোর আমন্ত্রণ নেই। পুজো মানে মা দুর্গা মমতা ব্যানার্জির জন্য পশ্চিমবঙ্গে আসেন, আর মমতা ব্যানার্জির কাছ থেকে পারমিশন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ থেকে চলে যান। কার্নিভালটা তিনি এইভাবেই তৈরি করেছেন। আগে তো আর দুর্গাপুজো হত না, মমতা ব্যানার্জি আসার পর দুর্গাপুজো হচ্ছে! উনি এইভাবে চালাতে চাইছেন। রাজ্যের মানুষ সমস্ত কিছু দেখছেন। সময় আসছে। রাজ্যের মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিতে জুতো দিয়ে বাড়ি মারবে।

    পাশাপাশি এদিন বালুরঘাট ব্লকের উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী বোল্লা মন্দিরে বোল্লা মায়ের কাঠামো পুজোতে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Ration Scam: রেশনকাণ্ডে চতুর্থ গ্রেফতার, ইডি-র জালে শঙ্কর-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ

    Ration Scam: রেশনকাণ্ডে চতুর্থ গ্রেফতার, ইডি-র জালে শঙ্কর-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন ‘দুর্নীতি’ মামলায় (Ration Scam) আরও একজনকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বুধবার সকালে বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান ‘ডাকু’ শঙ্কর আঢ্যর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ দাসকে গ্রেফতার করেছে ইডি (ED Arrests Businessman)। এই নিয়ে রেশনকাণ্ডে মোট গ্রেফতারির সংখ্যা দাঁড়াল চার। এর আগে গ্রেফতার হয়েছেন ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান। ইডি গ্রেফতার করেছে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুকে। তাঁর সূত্রে ধরে ধরা হয় বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য ওরফে ডাকুকে। এ বার শঙ্করের ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীকে ধরল ইডি। 

    রাতভর জেরার পর গ্রেফতার

    মঙ্গলবার সকাল ৭টা নাগাদ, সল্টলেকে বিশ্বজিতের প্রাসাদোপম বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। একইসঙ্গে মেট্রোপলিটন এলাকায় তাঁর আরও একটি ফ্ল্যাট, বাগুইআটির অফিস-সহ ৬টি জায়গায় চলে তল্লাশি। তবে তখন ব্যবসায়ী কলকাতার বাইরে ছিলেন। বিকেলে বিমানে কলকাতা পৌঁছলে তাঁকে বিমানবন্দরেই আটক করেন ইডির গোয়েন্দারা (Ration Scam)। নিয়ে যাওয়া হয় বাড়িতে। রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। তদন্তকারীদের দাবি, বিভ্রান্তিকর জবাব দিয়ে তদন্তকে বিপথে চালনা করার চেষ্টা করছিলেন বিশ্বজিৎ। এমনকী তথ্য গোপন করেন তিনি। এর পরই, তদন্তে অসহযোগিতা এবং বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকার জেরে এদিন সকালে গ্রেফতার (ED Arrests Businessman) করা হয়েছে ব্যবসায়ীকে। সেই সঙ্গে ধৃত ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ হাওয়ালা-সংক্রান্ত নথি উদ্ধার হয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার। 

    কীভাবে হত টাকা-পাচার?

    শঙ্করকে গ্রেফতারের পর আদালতে ইডি জানিয়েছিল, ৯০টির বেশি ফরেক্স বা বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সংস্থা রয়েছে শঙ্কর এবং তাঁর পরিবারের। ওই সংস্থাগুলির মাধ্যমে ২০ হাজার কোটি টাকা তিনি বিদেশে লেনদেন করা হয়েছে। ইডি গোয়েন্দারা জানিয়েছিলেন, মধ‌্যপ্রাচ‌্য থেকে মূলত বাংলাদেশ হয়ে পাচার হওয়া সোনার বিস্কুট বা সোনার বাটের একটি বড় অংশ এসে পৌঁছয় উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ ও তার আশপাশের অঞ্চলে (Ration Scam)। ওই সোনা পাচারের অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ ছিল শঙ্কর আঢ‌্যর হাতে। অভিযোগ, সোনা পাচারকারীদের মাধ‌্যমে শঙ্করই বনগাঁ থেকে ওই সোনা কখনও ট্রেন, আবার কখনও বা সড়কপথে পাচার করতেন কলকাতায়। সেই সোনা তাঁরই এক আত্মীয়ের লোকজন কলকাতায় বসে নিতেন।

    বিশ্বজিতের ভূমিকা ঠিক কী?

    গোয়েন্দা আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, শঙ্কর ঘনিষ্ঠ বিশ্বজিতের (ED Arrests Businessman) বিদেশি মুদ্রা কেনাবেচার ব্যবসা রয়েছে, সোনার ব্যবসা রয়েছে, এছাড়াও এক্সপোর্ট ইমপোর্ট সংস্থা রয়েছে। ইডির অভিযোগ, মোটা কমিশনের বিনিময়ে এই ব্যবসায়ী শংকর আঢ্যকে কালো টাকা সাদা করতে সাহায্য করেছেন। বিদেশি মুদ্রার সংস্থার মাধ্যমে শঙ্করের কালো টাকা বিদেশে পাচার করেছেন তিনি। ভুয়ো আমদানি দেখিয়ে কালো টাকা সাদা করেছেন। জানা গিয়েছে, আজই বিশ্বজিৎ দাসকে হেফাজতে চেয়ে আদালতে পেশ করবে তারা (Ration Scam)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid in Kolkata: রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযান ইডির, শহরের ৬ জায়গায় একযোগে হানা

    ED Raid in Kolkata: রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযান ইডির, শহরের ৬ জায়গায় একযোগে হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Raid in Kolkata)। মঙ্গলবার সকালে শহরজুড়ে ‘অ্যাকশন’ ইডি-র। বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে শহরের বিভিন্ন জায়গায় একযোগে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। শুরু হয়েছে তল্লাশি-অভিযান। 

    সাত-সকালে দুয়ারে ইডি

    এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে জানা গিয়েছে, রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় সল্টলেক-সহ কলকাতার ছ’জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি (ED Raid)। একটি দল সল্টলেক আইবি ব্লকে পৌঁছেছে। নিউ আলিপুরের একটি বহুতলে পৌঁছে গিয়েছে তদন্তকারীদের একটি দল। বাগুইআটির একটি আবাসনেও চলছে ইডির হানা। এছাড়া— পার্ক স্ট্রিট-রাসেল স্ট্রিট, বন্দর এলাকা, বাগুইহাটি-কৈখালি এলাকার একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছেন ইডি গোয়েন্দারা। তদন্তকারীদের সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও। সূত্রের খবর, ৮ থেকে ১০টি টিম আজ তদন্তে বেরিয়েছে। এদিন ২টি মামলায় মূলত তল্লাশি চলছে। একটি রেশন দুর্নীতি, অপরটি স্টক এক্সচেঞ্জ সংক্রান্ত।

    এক বিশ্বজিৎ দাসকে খুঁজছে ইডি, কে তিনি?

    সূত্রের খবর, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ সল্টলেকে আইবি ব্লকে যেখানে হানা দেয় ইডি-র (ED Raid in Kolkata) দল, তা বিশ্বজিৎ দাস নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি। জানা গিয়েছে, সেই সময় বিশ্বজিৎ বাড়িতে ছিলেন না। ‘সার্চ ওয়ারেন্ট’ দেখিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢোকেন ইডি আধিকারিকেরা। বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী। খবর পেয়ে পৌঁছে যায় বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এদিন বিশ্বজিতের দুটো ফ্ল্যাটে তল্লাশি চলে। তাঁর আমদানি রফতানির ব্যবসা আছে। পাশাপশি ফরেন মানি এক্সচেঞ্জেরও ব্যবসা আছে বলে জানা গিয়েছে।

    শঙ্কর আঢ্যর ঘনিষ্ঠ বিশ্বজিৎ!

    ইডি (ED Raid in Kolkata) সূত্রের খবর, শঙ্করকে গ্রেফতারের পর আদালতে ইডি জানিয়েছিল, ৯০টির বেশি ফরেক্স বা বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সংস্থা রয়েছে শঙ্কর এবং তাঁর পরিবারের। ওই সংস্থাগুলির মাধ্যমে ২০ হাজার কোটি টাকা তিনি বিদেশে লেনদেন করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রেশনকাণ্ডে যে কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করা হয়েছিল, সেই টাকা কোথায় এবং কী ভাবে বিনিয়োগ করা হয়েছে, তা জানতেই এই তল্লাশি অভিযান চলছে। ইডি-র আরও দাবি, এই বিশ্বজিৎ শঙ্কর আঢ্যর ঘনিষ্ঠ। রেশনকাণ্ডের (Ration Scam) এই টাকা নয়ছয়ের সঙ্গে যোগ রয়েছে বিশ্বজিতের। সেই সংক্রান্ত তথ্যপ্রমাণ জোগাড় করতেই এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি ।

    এছাড়া, এদিন বাগুইআটির একটি অভিজাত আবাসনে হানা দেয় ইডি। আবাসনটি হানিস তসরিওয়াল নামে এক ব্যবসায়ীর। অন্যদিকে, দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুরে ব্যবসায়ী সুনীল কায়ানের বাড়িতে তল্লাশি (ED Raid in Kolkata) চলছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালির ‘বাঘ’কে ধরতে জাল পাতছে ইডি, হাত মেলাল এনআইএ, আয়কর, বিএসএফ-ও

    Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালির ‘বাঘ’কে ধরতে জাল পাতছে ইডি, হাত মেলাল এনআইএ, আয়কর, বিএসএফ-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেখতে দেখতে ৬ দিন পার! এখনও অধরা সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। কোন ডেরায় তিনি ঘাপটি মেরে বসে আছেন, মেলেনি তার খোঁজ। তবে, বসে নেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ধীরে ধীরে জাল বিছোতে শুরু করে দিয়েছে তারা। আর এই কাজে তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বিএসএফ থেকে শুরু করে এনআইএ, এমনকী আয়কর দফতরও।

    শাহজাহানকে নিয়ে নতুনভাবে ব্লু-প্রিন্ট

    রেশন দুর্নীতির তদন্তে গত শুক্রবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) সরবেরিয়াতে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) ডেরায় অভিযানে গিয়েছিল ইডি। সেখানেই তাদের ওপর হামলা হয়। শাহজাহানের অনুগামীরা বাঁশ, লাঠি ও ইট দিয়ে হামলা চালায় ইডি অফিসার ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওপর। হামলার জেরে মাথা ফেটে যায় ৩ ইডি আধিকারিকের। ক্ষতিগ্রস্ত হয় তদন্তকারী সংস্থার গাড়ি। সেদিনকার মতো সন্দেশখালি থেকে খালি হাতে চলে এলেও, শাহজাহানকে ধরতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে ইডি। নতুনভাবে ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: কলকাতায় ইডির ডিরেক্টর, বৈঠক করলেন রাজ্যপালের সঙ্গেও

    সমন্বয় বৃদ্ধি ও নিখুঁত গ্রাউন্ড রিপোর্টে জোর

    মঙ্গলবারই, কলকাতায় এসেছিলেন ইডি-র ডিরেক্টর রাহুল নবীন। এখানকার আঞ্চলিক আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। পরবর্তী পদক্ষেপ কীভাবে করতে হবে, কীভাবে এগোতে হবে তদন্তে, সেই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সূত্রের খবর, নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। যে এলাকায় অভিযান হবে আগে সেই এলাকার নিখুঁত গ্রাউন্ড রিপোর্ট তৈরি করারও নির্দেশ দিয়েছেন ডেপুটিদের।

    ইডিকে সাহায্যের আশ্বাস বাকি কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির

    এর পাশাপাশি, দ্বিতীয় বৈঠক রাহুল নবীন করেন অন্যান্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এবং নিরাপত্তা সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে। জানা গিয়েছে, সিজিও কমপ্লেক্সে সিআইএসএফ, সিআরপিএফ, বিএসএফ, আয়কর ও এনআইএ-র প্রতিনিধিদলের সঙ্গে দেখা দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন ইডি ডিরেক্টর। প্রত্যেক এজেন্সির থেকে বিভিন্নভাবে সাহায্যের অনুরোধ করেন। সূত্রের খবর, প্রত্যেকটি এজেন্সি ইডিকে যথাসাধ্য সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: “রাজ্যের হাতে ধরা দিলে পুলিশ শাহজাহানকে লাশ বানিয়ে দিতে পারে”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    নতুন করে জাল বিছানোর কাজ শুরু

    এর পরই, শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) ধরতে জাল বিছানোর কাজ নতুন করে শুরু করেছে ইডি। তবে, এবার একা নয়। এই কাজে তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বিএসএফ থেকে শুরু করে এনআইএ, এমনকী আয়কর দফতরও। জানা যাচ্ছে, সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) হল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা। তাই সেখানে বিএসএফ-এর বিচরণ। শাহজাহান যাতে স্থল বা জলসীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে না পৌঁছতে পারে, তার জন্য বিএসএফ সতর্ক। শাহজাহানের নামে লুক আউট নোটিশ জারি করা হয়েছে। তা হাতিয়ার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে সতর্ক করা হয়েছে। অন্যদিকে, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া নিয়ে আগে অভিযোগ উঠেছিল শাহজাহানের বিরুদ্ধে। মানব পাচার যোগ খতিয়ে দেখবে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। শাহজাহানের আর্থিক হাল হকিকত নিয়ে তথ্য সংগ্রহে আয়কর দফতর। 

    ‘বাঘের’ ধরা পড়াটা এখন সময়ের অপেক্ষা

    ফলে, এজেন্সির ফাঁসে সন্দেশখালির শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। ধীরে ধীরে তাকে ঘিরে ফেলছে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি। শেখ শাহজাহানকে তাঁর অনুগামীরা ‘বাঘ’ বলে ডাকেন। অনুগামীদের মতে, শাহাজাহান নাকি হলেন ‘প্রকৃত সুন্দরবনের বাঘ’। আবার স্থানীয় একাংশ মানুষের কাছে, তিনি ছিলেন ‘মূর্তিমান ত্রাস’। আতঙ্কের অপর নাম। তাঁর অত্য়াচার দিনের পর দিন সহ্য করতে হয়েছে সেখানকার গরিব সাধারণকে। এখন সেই ‘বাঘ’, সেই ‘মূর্তিমান ত্রাস’ এখন বেপাত্তা। তবে, বেশিদিন নয়। শেখ শাহাজাহানকে ধরতে এবার সঠিক জাল বিছিয়েছে ইডি। সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) ‘বাঘের’ ধরা পড়াটা এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: কলকাতায় এলেন ইডি ডিরেক্টর, মঙ্গলে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত?

    Sandeshkhali Incident: কলকাতায় এলেন ইডি ডিরেক্টর, মঙ্গলে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) আধিকারিকদের ওপর হামলার ঘটনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া হবে, তা স্থির করতে রাজ্যে এলেন সংস্থার ডিরেক্টর রাহুল নবীন। সোমবার রাতে কলকাতায় পা রাখেন তিনি। তাঁর সঙ্গে এসেছেন আরও কয়েকজন উচ্চ পদস্থ অফিসার। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকালে সল্টলেকের ইডি দফতরে শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী পদক্ষেপের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করবেন।

    সন্দেশখালি ও বনগাঁয় ইডি-র ওপর হামলা

    রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনায় হানা দিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। প্রথমে সকালে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) এবং বিকেলে ওই জেলারই বনগাঁয় একইদিনে দু’বার আক্রান্ত হতে হয় ইডিকে। ওইদিন ভোরে সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়েছিল ইডি (Enforcement Directorate)। সেইসময় তাঁদের ঘিরে ধরে প্রায় হাজার খানেক মানুষ। ইডি ও বাহিনীর ওপর চলে হামলা। গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। হামলার ঘটনায় মাথা ফাটে তিনজন ইডি অফিসারের। অন্যদিকে, রাতে বনগাঁয় তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যকে গ্রেফতার করার পর ইডির গাড়িতে হামলা চালানো হয়।

    এখনও বেপাত্তা শেখ শাহজাহান… 

    এদিকে, ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা জেলবন্দি প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। কখনও জানা যাচ্ছে, তিনি বাংলাদেশে গা ঢাকা দিয়েছেন। আবার কখনও শোনা যাচ্ছে, তিনি সুন্দরবন অঞ্চলে কোথাও একটা ঘাপ্টি মেরে বসে রয়েছেন। তাঁর খোঁজে আইবি এবং বিএসএফের সাহায্য নিচ্ছে ইডি (Enforcement Directorate), এমনটাই খবর সূত্রের। সন্দেশখালির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। ঘটনার পর চারদিন কেটে গেলেও, এখনও কেন শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হল না, সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

    কোনও বড় অভিযানের অপেক্ষায় ইডি?

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) ও বনগাঁ— এই জোড়া হামলার ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে তো বটেই, আলোড়ন ফেলে দেয় কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও। হামলার পর, ইডি বিষয়টা চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, সংস্থাক শীর্ষ কর্তার রাজ্যে আগমন ইঙ্গিতবাহী। সূত্রের খবর, আজকের বৈঠকে শাহজাহানকে পাকড়াও করার পাশাপাশি, এই দুর্নীতিকাণ্ডে শিকড়ে পৌঁছতে যা যা করণীয় এবং তার জন্য তদন্তকারী সংস্থার যা যা প্রয়োজন— সব কিছুই দেওয়ার আশ্বাস নিয়ে হাজির হয়েছেন রাহুল নবীন। ইডি (Enforcement Directorate) আধিকারিকদের কার্যত ‘ফ্রি-হ্যান্ড’ দিতে পারেন, যাতে তাদের মনোবল চাঙ্গা হতে পারে। সিজিও কমপ্লেক্স চত্বরে জোর জল্পনা— শীঘ্রই কোনও বড় পদক্ষেপ করতে পার ইডি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতির অভিযানে তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে গিয়ে আক্রান্ত ইডি

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতির অভিযানে তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে গিয়ে আক্রান্ত ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত ইডি। স্থানীয় তৃণমূল নেতার অনুগামীদের রোষের মুখে পড়লেন ইডি অফিসরা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। মারমুখী জনতার হাত থেকে কোনও ক্রমে রক্ষা পান ইডি আধিকারিকরা। 

    বালু-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে অভিযান

    রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) তদন্তে শুক্রবার সকালে রাজ্যের একাধিক জায়াগায় হানা দিয়ে ইডি-র বিভিন্ন দল। একটি দল গিয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে। সেখানে বালু-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের সরবেড়িয়ার বাড়িতে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আধিকারিকরা। শাহজাহান উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ। একই সঙ্গে সন্দেশখালি ১-ব্লকের তৃণমূল সভাপতিও।

    শাহজাহান শেখের অনুগামীদের বিক্ষোভ

    জানা গিয়েছে, বহু ডাকাডাকির পরও শাহজাহানের বাড়ি থেকে কারও সাড়া পাননি ইডির আধিকারিকরা। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর সেই বাড়ির তালা ভাঙার চেষ্টা করেন ইডির (Enforcement Directorate) তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেই সময়েই বেশ কয়েক জন স্থানীয় ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। তাঁরা নিজেদের তৃণমূল নেতার অনুগামী পরিচয় দিয়ে ইডি আধিকারিকদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ইডি আধিকারিও বাহিনীর জওয়ানদের ধাক্কা মেরে সরিয়ে দেওয়া হয়। প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। 

    ২ ইডি আধিকারিকের মাথা ফেটেছে

    ইডি আধিকারিকরা সেখান থেকে বেরিয়ে যেতেই কেন্দ্রীয় আধিকারিক (Enforcement Directorate) ও বাহিনীকে দেখেই রণংদেহি আকার ধারণ করে নেতার অনুগামীরা। বেশ কয়েকটি রাস্তা কাঠের গুঁড়ি দিয়ে অবরোধ করা হয়। টায়ারে আগুন ধরিয়ে প্রতিবাদ করতেও দেখা যায় একাংশকে। এরা পাশাপাশি, ইট-পাটকেল হাতে রাস্তায় নামেন বেশ কয়েক জন। মুহুর্মুহু ইট পড়তে থাকেন ইডি ও বাহিনীর গাড়ির ওপর। দুই আধিকারিকের মাথা ফেটে যায়। আক্রান্ত এক ইডি আধিকারিক বলেন, “আচমকা হামলা শুরু হল। তাতেই ২জনের মাথা ফেটেছে। আমরা ফিরে যাচ্ছি।”

    আরও এক বালু-ঘনিষ্ঠ শঙ্কেরর ডেরায় ইডি

    একই সময়ে ইডির (Enforcement Directorate) আর একটি তদন্তকারী দল উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যর শ্বশুরবাড়িতে হানা (Ration Scam) দেয়। বনগাঁর শিমূলতলায় তৃণমূল নেতার শ্বশুর বিনয়কুমার ঘোষের বাড়ি। সেই বাড়িতেই তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি। পরে কলকাতাক ইএম বাইপাসে শঙ্করের বাড়িতেও হানা দেন ইডি আধিকারিকেরা। শঙ্কর এবং শাহজাহান, দু’জনেই প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (বালু)-র ‘ঘনিষ্ঠ’।

    ১২ জায়গায় একযোগে হানা ইডির

    ইডি সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) তদন্তে এদিন বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে মোট ১২টি জায়গায় হানা দেয় ইডি (Enforcement Directorate)। কলকাতার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা দিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। গোপাল মল্লিক নামে ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। তবে এক্ষেত্রে বাড়ির ভেতরে লোক থাকলেও কেউ দরজা খুলছেন না বলে অভিযোগ। বিজয়গরের একটি আবাসনেও হানা দিয়েছেন তদন্তকারীরা। কল্যাণ সিংহ রায় নামে ওই ব্যক্তি পেশায় চাটাড একাউন্টে। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: বালুর দফতরে হানা ইডি-র, উদ্ধার ১০ কোটির এফডি, ৮০০ ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্প-পেপার!

    Jyotipriya Mallick: বালুর দফতরে হানা ইডি-র, উদ্ধার ১০ কোটির এফডি, ৮০০ ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্প-পেপার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির তদন্তে বড় সাফল্য পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED on Ration Scam)। এবার অরণ্য ভবন থেকে উদ্ধার হলো কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি-নথি। খোদ বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের (Jyotipriya Mallick) চেম্বারে হানা দিয়ে সেখান থেকে ১০ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ও জীবন বিমার নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি উদ্ধার হয়েছে প্রচুর ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্প-পেপার। সব নথি খতিয়ে দেখছে ইডি।

    আশঙ্কা ছিলই ইডি-র

    রেশন দুর্নীতির তদন্তে (ED on Ration Scam) নেমে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী অধুনা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) ওরফে বালুর আরও ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সম্পত্তির খোঁজে খানা-তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। সেই সূত্রে, ইডির নজরে ছিল সল্টলেকে অবস্থিত বনমন্ত্রীর দফতর। তদন্তকারীদের আশঙ্কা ছিল, এখানেও অনেক সম্পত্তির হদিশ মিলতে পারে। তল্লাশি চালালে হয়ত তা উঠে আসতে পারে। সেই সব ভেবেই বুধবার, সল্টলেকের অরণ্য ভবনে হানা দেয় ইডি-র দল। আর তাতে যা উঠে আসে, তা দেখে চক্ষু চড়কগাছ! 

    কী কী উদ্ধার হলো?

    জানা গিয়েছে, অরণ্য ভবনের ন’তলায় বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয়র (Jyotipriya Mallick) চেম্বার থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল সম্পত্তির নথি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মন্ত্রীর চেম্বার থেকে বালু ও তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে থাকা ১০ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ও এলআইসি পলিসির বন্ড উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও দুটি সম্পত্তির নথি হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। এখানেই শেষ নয়। সম্পত্তি কেনার কাজে ব্যবহৃত ৮০০টি ‘ব্যাকডেটেড’ স্ট্যাম্প পেপার উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। এছাড়া, উদ্ধার হয়েছে ধান কেনাবেচার নথিও।

    চার্জশিটে কী ছিল?
     
    এর আগে, রেশন বণ্টন দুর্নীতির মামলায় জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mallick) ও তাঁর ঘনিষ্ঠ রেশন ডিলার তথা আটা ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ১৬২ পাতার চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছে ইডি। তাতেও বালুর বিপুল সম্পত্তির দাবি করেছিলেন গোয়েন্দারা। ইডির দাবি ছিল, রেশন দুর্নীতিতে জ্যোতিপ্রিয়র লাভ হয়েছে প্রায় ৩৬ কোটি টাকা। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি পাওয়া গিয়েছে। চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনা বাবদ রাজ্য সরকারের ৪৫০ কোটি টাকা জ্যোতিপ্রিয় ও বাকিবুরের পকেটে গিয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়।

    তদন্তে নতুন মোড়?

    এবার ইডির দাবি, নতুন সম্পত্তির খোঁজ মেলায় গোটা তদন্ত-প্রক্রিয়া মায় মামলায় নতুন মোড় আসবে (ED on Ration Scam)। উদ্ধার হওয়া নথি নিয়ে বালুকে (Jyotipriya Mallick) ফের প্রশ্ন করার ভাবনা রয়েছে ইডির। কী কারণে ওই বিপুল সংখ্যক ব্ল্যাঙ্ক স্ট্যাম্প পেপার জড়ো করা হয়েছিল? এর সঙ্গে রেশন দুর্নীতির কোনও যোগসূত্র আছে কিনা তা, খতিয়ে দেখছেন তদনম্তকারীরা। সূত্রের খবর, বুধবারেও মন্ত্রীর আপ্ত-সহায়ককে ডেকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে বন দফতর সূত্রের খবর। পাশাপাশ, মন্ত্রী-ঘনিষ্ঠ আধিকারিকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mallick: হাতে মেরুন ডায়েরি! বালুর বিরুদ্ধে ইডি-র হাতিয়ার বাকিবুর, আপ্ত সহায়কদের বয়ান?

    Jyotipriya Mallick: হাতে মেরুন ডায়েরি! বালুর বিরুদ্ধে ইডি-র হাতিয়ার বাকিবুর, আপ্ত সহায়কদের বয়ান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি মামলায় (Ration Distribution Scam) বর্তমানে এনফোর্সেমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick) ওরফে বালু। গত ২ দিন ধরে তাঁকে দফায় দফায় জেরা করেছেন ও করে চলেছেন তদন্তকারীরা। এই কাণ্ডে তল্লাশি অভিযানের সময় মন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক অভিজিৎ দাসের বাড়ি থেকে একটি মেরুন ডায়েরি উদ্ধার করেছিল ইডি। সেটাই এখন তদন্তকারীদের কাছে তুরুপের তাস হয়ে উঠেছে। কেন?

    ইডির হাতে মেরুন ডায়েরি! কী আছে তাতে?

    ইডি সূত্রে খবর, ওই ডায়েরিতে প্রচুর ‘এন্ট্রি’ রয়েছে। বেশিরভাগই টাকা লেনদেনের। কোন তারিখে, কার থেকে কত টাকা এসেছে, কোথায় সেই টাকা জমা হয়েছে, সেই সব তথ্য দিনক্ষণ ধরে ধরে ডায়েরিতে তুলে রাখা আছে। শুধু তাই নয়। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, একাধিক জায়গায় রয়েছে ‘মন্ত্রীর নাম’-ও (Jyotipriya Mallick)। কোথায়, কখন, কোন জায়গায় মন্ত্রী বাকিবুরের সঙ্গে বৈঠক করে সংস্থা খোলার নির্দেশ দিয়েছিলেন সেই সব তথ্যই ওই মেরুন ডায়েরিতে রয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর। 

    আরও পড়ুন: চালু না হওয়া গোডাউনে চালের বস্তা বোঝাই ট্রাক ঢুকত কার? বালুর জন্মভিটেয় বাকিবুর যোগ

    প্রাক্তন সহায়কদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা বালুকে?

    জানা যাচ্ছে, এই মেরুন ডায়েরিতে লেখা তথ্যকে হাতিয়ার করে বালুকে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করছে ইডি। যদিও, তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এখনও সব অভিযোগই (Ration Distribution Scam) অস্বীকার করছেন মন্ত্রীমশাই। যে কারণে, এবার ওই ডায়েরির মালিক তথা প্রাক্তন আপ্ত সহায়কের মুখোমুখি বসিয়ে জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mallick) জেরা করার ভাবনাচিন্তা করছেন তদন্তকারীরা। সেই লক্ষ্যেই আজ বৃহস্পতিবার, সিজিওতে ফের তলব করা হয়েছে অভিজিৎ দাসকে। এর আগে, বুধবার মন্ত্রীর অফিসের প্রাক্তন কর্মী অমিত দে-কেও আজ সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তাঁর বয়ানও পৃথকভাবে রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রয়োজনে, তাঁকেও জ্যোতিপ্রিয়র মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jyotipriya Mullick: হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয়, ছাড়া পেলেই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শুরু

    Jyotipriya Mullick: হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয়, ছাড়া পেলেই ইডি হেফাজতের মেয়াদ শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বণ্টন দুর্নীতি (Ration Distribution Scam) মামলায় শুক্রবার বিচারক ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশের পরই আদলতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mullick) । বর্তমান বনমন্ত্রী তথা দাপুটে তৃণমূল নেতাকে ভর্তি করা হয়েছে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন তিনি। তবে, আদালত জানিয়ে দিয়েছে, ইডি হেফাজতের মেয়াদ শুরু হবে হাসপাতাল থেকে মন্ত্রীমশাই ছাড়া পাওয়ার পর থেকে। যে কারণে, জ্যোতিপ্রিয়র অসুস্থতা ও চিকিৎসার ওপর কড়া নজর রেখেছে ইডি।

    নির্দেশ শুনেই অসুস্থ বালু

    রেশন বণ্টন দুর্নীতির (Ration Distribution Scam) তদন্তে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ছ’টা নাগাদ প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mullick) ওরফে বালুর বাড়ির দুয়ারে হাজির হয়েছিল ইডি। প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি-জিজ্ঞাসাবাদের পর ভোর পৌনে তিনটে নাগাদ তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। নিয়ে আসা হয় সিজিও কমপ্লেক্সে। পরে, শুক্রবার বেলায় শারীরিক পরীক্ষার পর দুপুরে মন্ত্রীমশাইকে পেশ করা হয় ব্যাঙ্কশাল আদালতে। আদালত জ্যোতিপ্রিয়কে ১০ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠিয়ে দেয়। তবে এর মধ্যেই আচমকা অসুস্থ বোধ করায় জ্যোতিপ্রিয়কে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই সময় কিছুক্ষণের জন্য শুনানিতে ছেদ পড়ে। এদিকে, বিচারকের কাছে ইডি আবেদন করে যাতে হাসপাতালে মন্ত্রীর থাকার সময় যাতে হেফাজতের মেয়াদ থেকে বাদ দেওয়া হয়। তা মেনে, আদালত জানিয়ে দেয় যে, হাসপাতালে যতদিন মন্ত্রী থাকবেন, সেটা হেফাজতের মধ্যে ধরা হবে না। অর্থাৎ, হেফাজতের মেয়াদ শুরু হবে মন্ত্রী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেই।

    স্থিতিশীল জ্যোতিপ্রিয়

    বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি জ্যোতিপ্রিয় (Jyotipriya Mullick)। সিসিইউ-তে তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, রাজ্যের মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। হাসপাতালে ভর্তির পরই জ্যোতিপ্রিয়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন ইন্টারনাল মেডিসিন, নিউরোলজি, কার্ডিওলজি এবং নেফ্রোলজির বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। সেখানে তাঁর সিটি স্ক্যান, এমআরআই এবং রক্তের বিভিন্ন রকম পরীক্ষা করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রের খবর তাঁর সিটি স্ক্যান ও এমআরআই রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে। তবে, এখনও কিছুদিন সেখানে থাকতে হবে মন্ত্রীকে। 

    ইডি-র পছন্দ কমান্ড হাসপাতাল

    গতকাল আদালতে শুনানির সময় জ্যোতিপ্রিয়কে (Jyotipriya Mullick) কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করানোর আবেদন করেছিল ইডি। পরিবারের তরফে পছন্দের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার আবেদন জানানো হয়। পরিবারের আবেদনই মঞ্জুর করেন বিচারক। তবে, আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পর অভিযুক্ত সুস্থ বোধ করলে তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাবে ইডি। সেই মুহূর্তেই কমান্ড হাসপাতালকে জ্যোতিপ্রিয়র জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করতে হবে। ঠিক এই কারণে, জ্যোতিপ্রিয়র অসুস্থতা ও হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসার ওপর কড়া নজর রেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, মন্ত্রী একটু সুস্থ হলেই তাঁকে কমান্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করতে চাইছে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share