Tag: Bengal Recruitment scam

Bengal Recruitment scam

  • Jiban Krishna Saha: ২১ তারিখ পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে জীবনকৃষ্ণ, জেরায় উঠে আসবে আর কী কী তথ্য?

    Jiban Krishna Saha: ২১ তারিখ পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে জীবনকৃষ্ণ, জেরায় উঠে আসবে আর কী কী তথ্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে (Jiban Krishna Saha) ৪ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল আলিপুরের বিশেষ আদালত। সোমবার সকালে তাঁকে মুর্শিদাবাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে কলকাতায় নিয়ে আসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। প্রথমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর পর তাঁকে পেশ করা হয় আদালতে। সেখানেই শাসক দলের বিধায়ককে আগামী ২১ তারিখ পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে পাঠিয়ে দেন বিচারক।

    পরতে পরতে নাটক

    জীবনকৃষ্ণ সাহার (Jiban Krishna Saha) বাড়িতে সিবিআই হানা ও তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেফতার হওয়া—এই দুইয়ের মধ্যে ফারাক ছিল প্রায় ৬৭ ঘণ্টার, যার পরতে পরতে লুকিয়ে ছিল একাধিক নাটকীয় মুহূর্ত। সেই শুক্রবার সকালে শুরু হয় তদন্তকারীদের অভিযান। সিবিআই দেখেই বাড়ির পাশের পুকুরে নিজের জোড়া মোবাইল ফেলে দেন জীবনকৃষ্ণ। সেই শুরু। এক সময় বিধায়ককে দেখা যায়, পাঁচিল টপকে পালানোর চেষ্টাও করছেন। তাঁকে পাকড়াও করা হয়। তারপর পুকুরের জল ছেঁচে ৩৮-ঘণ্টা পর একটা মোবাইল উদ্ধার করা হয়। ৬৫-ঘণ্টা পর পুকুরের ধারের ঝোপ থেকে দ্বিতীয় ফোনও উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘক্ষণ জেরা পর্বের পর অবশেষে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে জীবনকৃষ্ণকে গ্রেফতার করে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: উদ্ধার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের দ্বিতীয় মোবাইল, কীসের খোঁজে ফের তল্লাশি পুকুরে?

    আদালতে সওয়াল সিবিআইয়ের

    এদিন আদালতে পেশ করা হলে, বিধায়কের জামিনের আর্জির বিরোধিতা করে সিবিআইয়ের আইনজীবী দাবি করেন, ‘‘জীবনকৃষ্ণ (Jiban Krishna Saha) প্রার্থীদের থেকে টাকা নিয়ে কোটি কোটি টাকা তুলেছেন৷ টাকার বিনিময়ে বহু অযোগ্য প্রার্থীকে সরকারি চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। তাঁর বাড়ি থেকে প্রচুর নথি উদ্ধার হয়েছে। তল্লাশির সময় ফোন পুকুরে ছুড়ে ফেলে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। সিবিআইয়ের আইনজীবীর আরও দাবি, জীবনকৃষ্ণের বাড়ি থেকে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত প্রচুর মূল্যবান নথি পাওয়া গিয়েছে৷

    পাল্টা জীবনকৃষ্ণর (Jiban Krishna Saha) আইনজীবী বলেন, ‘জীবনকৃষ্ণকে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি নির্দোষ। তাঁর বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা ও ছোট সন্তান রয়েছে। তাই তাঁকে যেন জামিন দেওয়া হয়।’ সওয়াল শুনে ধৃত তৃণমূল বিধায়ককে ৪ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    কী জানার চেষ্টায় সিবিআই?

    নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে কেন্দ্রীয় এজেন্সির নজরে রাজ্যের আরও কয়েকজন বিধায়ক। সিবিআই-এর দাবি, ইতিমধ্যেই ৮-১০ জন বিধায়কের নাম উঠে এসেছে। বিভিন্ন জেলার এই বিধায়করা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন। কেউ নিজের লেটার প্যাডে চাকরির সুপারিশ করেছেন। কেউ আবার চাকরিপ্রার্থীদের তালিকা পাঠিয়েছেন। এই চাকরি-বিক্রি চক্রে আরও কোনও বিধায়ক আছেন কি না, তা জানতে জীবনকৃষ্ণ সাহাকে (Jiban Krishna Saha) জেরা করতে চায় সিবিআই। প্রয়োজনে বিভিন্ন ব্যক্তির ও সন্দেহভাজনদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হবে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ককে। 

  • Recruitment Scam: ‘‘গলাকাটা দামে বিক্রি হয়েছে চাকরি’’, নিয়োগ মামলায় পর্যবেক্ষণ বিচারপতি সিনহার

    Recruitment Scam: ‘‘গলাকাটা দামে বিক্রি হয়েছে চাকরি’’, নিয়োগ মামলায় পর্যবেক্ষণ বিচারপতি সিনহার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) সিবিআইয়ের বিস্তারিত রিপোর্ট যেন মৌচাকের মতো বহুমুখী। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট জমা করেছিল সিবিআই এবং ইডি। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha) এই মন্তব্য করেন। ওই রিপোর্ট নিয়ে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ এবং তাঁর নির্দেশনামা বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়েছে।

    বিচারপতির পর্যবেক্ষণ

    নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) সিবিআই রিপোর্ট চমকে দেওয়ার মতো। অনেকটা মৌচাকের মতো বহুমুখী। সিবিআই-এর রিপোর্ট দেখে মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। বৃহস্পতিবারের শুনানিতে বিচারপতি এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন। বিচারপতি বলেন, “যে পরিমাণ টাকা পাচার করা হয়েছে, তা চমকে দেওয়ার মতো। টাকা এক হাত থেকে আরেক হাতে বিভিন্ন স্তরে গিয়েছে। এই অপরাধ এক হাত থেকে আরেক হাতে, এক দফতর থেকে আরেক দফতরে মসৃণভাবে প্রবেশ করেছে। শুধু রাজ্য না রাজ্যের বাইরেও টাকা গেছে। অপরাধের তীব্রতা শকিং।” আদালতের (Calcutta High Court) পর্যবেক্ষণ, “সরকারি চাকরি এখানে গলাকাটা দামে বিক্রি হয়েছে।” যেহেতু তদন্ত চলছে, তাই তদন্তের স্বার্থে রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা হবে না, বলেও জানান বিচারপতি সিনহা (Justice Amrita Sinha)।

    আরও পড়ুুন: “ভারতের গণতন্ত্রে ঐতিহাসিক দিন”, এক দেশ এক ভোট প্রসঙ্গে বললেন শাহ

    সিবিআইকে নির্দেশ আদালতের (Calcutta High Court)

    তদন্ত দ্রুত শেষ করে ট্রায়াল শুরু করা উচিত বলেই মনে করে আদালত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে আদালতের নির্দেশ, সুজয় কৃষ্ণ ভদ্রের ভয়েস স্যাম্পেলের রিপোর্ট শীঘ্রই সংগ্রহ করতে হবে। নির্দেশনামা অনুযায়ী, ইডির রিপোর্ট দেখে মনে হচ্ছে, পিএমএলএ (টাকা তছরুপ)-এর মামলায় ইডিকে আরও সক্রিয় পদক্ষেপ করতে হবে। এক অভিযুক্তের কণ্ঠস্বরের নমুনা সিএফএসএল থেকে দ্রুত আনার জন্য ইডিকে পদক্ষেপ করতে হবে। আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ, অপরাধ কী ভাবে এগিয়েছে, বিশেষত ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থা, তার ডিরেক্টর এবং কর্মীরা কী ভাবে এত টাকা সঞ্চয় করেছেন, যা ইডির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে। পরবর্তী শুনানির দিন, আগামী ২৪ এপ্রিল ইডি-সিবিআইকে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid in Kolkata: নিয়োগ-তদন্তে ফের সক্রিয় ইডি, কলকাতার ৬ জায়গায় চলছে অভিযান

    ED Raid in Kolkata: নিয়োগ-তদন্তে ফের সক্রিয় ইডি, কলকাতার ৬ জায়গায় চলছে অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে ফের ‘অ্যাকশনে’ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এবার গোয়েন্দারা হানা দিয়েছেন এই মামলায় জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও প্রোমোটারের বাড়িতে। এছাড়া, তল্লাশি চলছে বাঁশদ্রোনি, বালিগঞ্জ ফাঁড়ি মিলিয়ে মোট ৬ জায়গায় চলছে তল্লাশি (ED Raid in Kolkata)। শুক্রবার সাত-সকালে কলকাতার একধিক জায়গায় একযোগে অভিযানে দিয়েছে ইডি-র টিম। 

    কী জানা যাচ্ছে?

    এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, নিয়োগকাণ্ডের (Recruitment Scam) তদন্তে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক জায়গায় এই অভিযান সংগঠিত হচ্ছে। শুক্রবার ভোরে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরোয় ইডি অফিসারদের গাড়ি। বিভিন্ন ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে একাধিক জায়গায় চলে যায় এক-একটি টিম। মোট ৬ জায়গায় তল্লাশি চালানো (ED Raid in Kolkata) হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। একটি টিম এসেছে নাকতলায়। সেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির ঠিক উল্টোদিকেই পাঁচতলা বাড়ি রাজীব দে-র। সেখানে তল্লাশি অভিযান ইডি-র। এর পাশাপাশি, বালিগঞ্জ ফাঁড়িতে রাজীব দে-র শ্রীরাম কনস্ট্রাকশনের অফিসেও তল্লাশিতে নামেন ইডি আধিকারিকরা। তল্লাশি চলছে বাঁশদ্রোণীর একটি বাড়িতেও। ইডি সূত্রে খবর, ওই বাড়িটিও রাজীবের মালিকানাধীন।

    কেন হানা এই প্রোমোটারের বাড়িতে?

    জানা যাচ্ছে, রাজীব বরাবরই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। ইডি সূত্রে দাবি, বিপুল পরিমাণ কালো টাকা বাজারে খাটিয়েছেন পার্থ ঘনিষ্ঠ এই প্রোমোটার। তাঁর নামে একাধিক বেনামি সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে ইডি সূত্রে। এর আগেও ৩-৪ বার রাজীব দে-কে নোটিস পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। আরও জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পার্থ ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে জেরা  (Recruitment Scam) করে ইডি। তখনই রাজীব দে-র নাম উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সূত্রেই, এই সকল জায়গায় অভিযানে (ED Raid in Kolkata) যাওয়ার পরিকল্পনা হয়। 

    রেশনকাণ্ডেও অ্যাকশনে ইডি

    এর আগে, মঙ্গলবার সকালে রেশন দুর্নীতির তদন্তে শহরের ৬ জায়গায় হানা দেয় ইডি। বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে ইডি আধিকারিকরা পার্ক স্ট্রিট, রাসেল স্ট্রিট, বাগুইহাটি, কৈখালি ও সল্টলেকের বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়েছিলেন। রাতভর জেরা করার পর সল্টলেকের আইবি ব্লকের বাড়ি থেকে বুধবার সকালে গ্রেফতার করা হয় বিশ্বজিৎ দাস নামে এক ব্যবসায়ীকে। তিনি বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং রেশন মামলাতেই ধৃত শঙ্কর আঢ্য ওরফে ডাকুর ঘনিষ্ঠ বলে খবর ইডি সূত্রে। ওই মামলায় মোট গ্রেফতারির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার। এর আগে গ্রেফতার হয়েছেন ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান। ইডি গ্রেফতার করেছে রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুকে। তাঁর সূত্রে ধরে ধরা হয় বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য ওরফে ডাকুকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ময়দানে ইডি, ধৃত প্রসন্ন রায়ের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি

    SSC Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ময়দানে ইডি, ধৃত প্রসন্ন রায়ের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকালে ফের শহরে অভিযানে নামল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Raid)। বৃহস্পতিবার সাতসকালে সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে, রেশন দুর্নীতি নয়, এদিন নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের (SSC Recruitment Scam) তদন্তে ইডি-র এই বিরাট অভিযান। বিভিন্ন ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে শহরের বিভিন্ন জায়গায় একযোগে হানা দিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। জানা যাচ্ছে, প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে থাকার অভিযোগে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়া ‘মিডলম্যান’ প্রসন্ন রায়ের একাধিক ঠিকানায় হানা দিয়েছে ইডি।

    ভোর সাড়ে ৬টা থেকে ‘অ্যাকশন’

    এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, ভোর ৬টা নাগাদ সিজিও থেকে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে শহরের বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে পৌঁছে যান ইডি আধিকারিকরা (ED Raid)। সাড়ে ৬টা থেকে শুরু হয় ‘অ্যাকশন’। একদিকে যেমন প্রসন্ন রায়ের ফ্ল্যাট, অফিসে হানা দিয়েছে ইডি, ঠিক তেমনই তার ঘনিষ্ঠদের বাড়িতেও পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী টিম। এদিন মোট ৭টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। সঙ্গে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।

    নিউটাউনের একাধিক জায়গায় হানা

    সাড়ে ছ’টা নাগাদ নিউটাউনের দুটি ভিলায় হানা দেন গোয়েন্দারা। এই ভিলা দুটি প্রসন্ন রায়ের বলেই সূত্রের খবর। নিউটাউনের সিজি ব্লকে একটি অভিজাত আবাসনে হানা দেয় অন্য টিম। জানা যাচ্ছে, এই আবাসনেই ফ্ল্যাট রয়েছে প্রসন্নর। এছাড়া, আরও একটি দল এ-এইট ব্লকে রয়েছেন। জানা যাচ্ছে, প্রদীপ সিং নামে এক ব্যক্তির এ-ফাইভ ফ্ল্যাটেও চলছে তল্লাশি। এই প্রদীপ হলেন প্রসন্নর সহযোগী। তিনিও নিয়োগ মামলায় জামিন পেয়েছিলেন। 

    চাকরি বিক্রির মিডলম্যান প্রসন্ন!

    শুধু নিউটাউন নয়, নয়াবাদেরও একটি আবাসনেও হানা দিয়েছে ইডি (ED Raid)। জানা যাচ্ছে, আবাসনের তিন তলার ফ্ল্যাটে থাকেন পরিবহণ ব্যবসায়ী রোহিন ঝা। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা। এই রোহিত প্রসন্ন রায়ের ঘনিষ্ঠ। ইডি সূত্রের দাবি, চাকরি বিক্রির (SSC Recruitment Scam) মিডলম্যান হিসেবে কাজ করতেন পরিবহণ ব্যবসায়ী প্রসন্ন। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে সম্প্রতি জামিন পেয়েছেন তিনি। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে নিয়োগ মামলার তদন্তের জন্য কলকাতা হাইকোর্টে গঠিত হয়েছে বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ। সেই বেঞ্চেই চলছে নিয়োগ মামলার শুনানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক এখন দিল্লিতে, আজ ইডি-র দিল্লি দফতরেই ডাকা হবে তৃণমূল সাংসদকে?

    Abhishek Banerjee: অভিষেক এখন দিল্লিতে, আজ ইডি-র দিল্লি দফতরেই ডাকা হবে তৃণমূল সাংসদকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আজ, মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। কলকাতার দফতরে তাঁকে সশরীরে হাজির থাকতে বলা হয়েছে। কিন্তু, এই মুহূর্তে দিল্লিতে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। সেখানে দলের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন তিনি। এদিকে, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, ৩ অক্টোবর (আজ) তদন্তের কাজ যেন কোনও অবস্থাতেই ব্যাহত না হয়। ফলে, আজ অভিষেক হাজিরা না দিলে কী কী পদক্ষেপ করতে পারে ইডি?

    তলব কলকাতায়, অভিষেক রয়েছেন দিল্লিতে 

    অভিষেকের (Abhishek Banerjee) শিবিরের দাবি, আজ যে তিনি ইডি দফতরে অভিষেক হাজিরা দিচ্ছেন না, তা একপ্রকার নিশ্চিত। তাদের যুক্তি, অভিষেক যে আজ সমনে হাজিরা দেবেন না, তা তিনি সমাজমাধ্যমে ঘোষণা করে দিয়েছেন। এদিকে ইডি সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সে অভিষেক যে হাজিরা দিচ্ছেন না, সোমবার রাত অবধি সেরকম কোনও তথ্য তাদের কাছে লিখিত আকারে জানানো হয়নি। ফলে ইডি তদন্তকারীরা অভিষেকের হাজিরার সম্ভাবনা ধরে নিয়েই প্রস্তুতি নিয়েছেন। তাঁদের পাল্টা বক্তব্য, সমাজমাধ্যমে কে কী লিখল, তা ইডি-র (Enforcement Directorate) কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। 

    ‘তদন্তের কাজ যেন ব্যাহত না হয়’

    আবার, অভিষেকের (Abhishek Banerjee) ওই দাবি কলকাতা হাইকোর্টের নজরে আনলে বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে বলতে শোনা গিয়েছে, কোনও অবস্থাতেই ৩ অক্টোবর তদন্তের কাজ যেন ব্যাহত না হয়। এর আগের শুনানিতে, ভরা আদালতে ইডি-র প্রতিনিধিকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি সিনহা। এমনও প্রশ্ন ওঠে, যে ইডি কি ইচ্ছাকৃতভাবে মামলাকে ঝুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে? ফলে, সব মিলিয়ে প্রবল চাপে থাকা ইডি আজ কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেই দিকে নজর রয়েছে সকলের, বিশেষ করে রাজনৈতিক মহলের। 

    কী পদক্ষেপ করতে পারে ইডি?

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়ানো লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সিইও হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে অভিষেককে। সেই সিইও-র তরফে গরহাজিরার চিঠি এলে, তার পরে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে বলে দাবি ইডির (Enforcement Directorate)। মূল প্রশ্ন হচ্ছে, আদালতের সামনে ইডি-কে প্রমাণ করতে হবে যে, তদন্তে ব্যাঘাত ঘটেনি। গত শুনানিতে ইডি-র তদন্তকারী অফিসারকে সরিয়ে দেওয়ার পরে আদালতে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি জানিয়েছে, ১০ অক্টোবরের মধ্যে তারা বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেবে। ফলে, সেই দিক দিয়ে তদন্তকারী সংস্থার কাছে আরও কয়েকদিন রয়েছে। অভিষেককে এর মধ্যে নতুন করে তলব করা হতে পারে। 

    অভিষেককে দিল্লি অফিসেই ডাকা হবে?

    আবার, অভিষেক (Abhishek Banerjee) যদি দিল্লিতে থাকার কথা জানিয়ে হাজিরা এড়ানোর চিঠি দেন, সেক্ষেত্রে অভিষেককে দিল্লিতেই ইডির সদর দফতরে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তাব দিতে পারে তারা। এটা করলে হাইকোর্টের নির্দেশকে কার্যকর করতে ইডি যে কতটা সচেষ্ট, সেই বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরতে পারবে। পাশাপাশি, এই সময়ের মধ্যে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর অপর দুই ডিরেক্টর তথা অভিষেকের বাবা-মা অমিত ও লতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে ইডি। ১০ অক্টোবর আদালতে ইডি (Enforcement Directorate) কী রিপোর্ট জমা দেয়, সেই দিকে নজর থাকবে আদালতের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: তদন্তে ‘অখুশি’! মানিক মামলায় সিবিআইয়ের সিট প্রধানকে তলব হাইকোর্টের

    Justice Abhijit Ganguly: তদন্তে ‘অখুশি’! মানিক মামলায় সিবিআইয়ের সিট প্রধানকে তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে সিবিআই-এর কাজে ‘হতাশ’ হয়ে এবার মানিক ভট্টাচার্যের মামলায় এবার সিট প্রধানকে তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। 

    ২৭ তারিখ তলব অশ্বিনী শেনভিকে

    মঙ্গলবার প্রাথমিকের উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) মামলার শুনানি চলছিল হাইকোর্টে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) এজলাসে। সিবিআইয়ের কাজকর্মে উষ্মা প্রকাশ করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘‘তদন্ত রিপোর্ট দেখার পর বলতে হচ্ছে সিবিআই তদন্ত সম্পূর্ণ ব্যর্থ। এটা ছাড়া বিকল্প কিছু বলার নেই।’’ সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা করে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, সিবিআই বোকা সেটা বিশ্বাস করি না। কিন্তু মন দিয়ে কাজ করেনি। এই মামলায় সিবিআইয়ের পারফরম্যান্স খুবই খারাপ। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলি করেনি। সাধারণ মানুষ জানুক, সিবিআই ফেল করেছে। সিবিআই অফিসার নির্লজ্জ। থার্ড ক্লাস ক্লার্কের মতো কাজ। আগে লোকে সিবিআইকে ভয় পেত। এখন হাসে। ডাকলেও যায় না।

    আরও পড়ুন: “মানিক ভট্টাচার্যের কিছু অনুগামী গন্ডগোল করছেন”! শুনানিতে পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    এর পরই, এই দুর্নীতির তদন্তে থাকা সিবিআই সিটের প্রধান অশ্বিনী শেনভিকে হাজিরার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি (Justice Abhijit Ganguly)। ২৭ সেপ্টেম্বর তাঁকে ডাকা হয়েছে আদালতে। বিচারপতির নির্দেশ, আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টোয় তাঁকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। তদন্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি জানিয়েছেন, গাফিলতির কারণ সিটের প্রধানকে জানাতে হবে।

    “সিবিআই-মানিক ভট্টাচার্য যোগসাজশ”!

    এর আগও, মানিক মামলায় সিবিআইয়ের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি। সোমবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআইকে ভর্ৎসনা করে বলেছিলেন, “আমার তো মনে হয় সিবিআই-মানিক ভট্টাচার্যের মধ্যে যোগসাজশ আছে।” তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “ওএমআর শিট নষ্ট করা নিয়ে মানিক ভট্টাচার্যকে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন? সুপ্রিম কোর্ট কড়া পদক্ষেপ করতে বারণ করেছে, জিজ্ঞাসাবাদ করতে তো বারণ করেনি।” বিচারপতি (Justice Abhijit Ganguly) বলেন, “আমার নির্দেশের পরেও সিবিআই মানিক ভট্টাচার্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করেননি। দীর্ঘদিন ছেড়ে রেখে দিয়েছিলেন, আমার তো মনে হয় যোগসাজশ আছে। আমার তো মনে হয় সিবিআই-মানিক ভট্টাচার্যের মধ্যে যোগসাজশ রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: “মনে হয় সিবিআই-মানিক ভট্টাচার্যের মধ্যে যোগসাজশ আছে”, মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manik Bhattacharya: বুধবার সকালেও ফের প্রেসিডেন্সি জেলে সিবিআই, আবারও মানিককে জেরা শুরু

    Manik Bhattacharya: বুধবার সকালেও ফের প্রেসিডেন্সি জেলে সিবিআই, আবারও মানিককে জেরা শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতে এক দফা জেরা-পর্ব হয়েছিল। এবার বুধবার সকালেই দ্বিতীয় দফায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) জেরার জন্য কলকাতার প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। এদিন সকাল ৯টা নাগাদ আবারও প্রেসিডেন্সি জেলে যান তদন্তকারীরা। পোস্টিং-দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়েই তাঁকে জেরা করা হবে বলে সিবিআই সূত্রের খবর। আজ কি মানিককে হেফাজতে নেবে সিবিআই? বাড়ছে জল্পনা।

    এর আগে, মঙ্গলবার দুপুরেই প্রাথমিক নিয়োগকাণ্ডের (Primary TET Scam) নতুন মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাটার্যকে রাতেই জেরা করার নির্দেশ সিবিআইকে দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। সেই মতো মঙ্গলবার রাতেই প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছে যায় সিবিআই আধিকারিকের দল। প্রায় দু’ঘণ্টার ওপর সময় ধরে জেলবন্দি মানিককে করা হয় জেরা। 

    জেরায় চার সদস্যের সিবিআই টিম

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ প্রেসিডেন্সি জেলে (Presidency Jail) পৌঁছয় সিবিআইয়ের ৪ সদস্যের টিম। ওই টিমের নেতৃত্বে ছিলেন একজন এসপি পদমর্যাদার অফিসার। ছিলেন, দু’জন ইন্সপেক্টর। বিচারপতির নির্দেশ ছিল, গোটা জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। সেই মোতাবেক, এদিন সিবিআই টিমে ছিলেন একজন ভিডিয়োগ্রাফি এক্সপার্টও। সূত্রের খবর, জেলের ভিতর ইন্টারোগেশন রুমে নিয়ে যাওয়া হয় প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya)। সেখানেই এসপি কল্যাণ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে মানিককে জেরা করছেন দু’টি পৃথক মামলার তদন্তকারী আধিকারিক মলয় দাস, ওয়াসিম আক্রম। প্রায় আড়াই ঘণ্টা জেলে ছিল সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ বেরিয়ে যান তাঁরা।

    কী নিয়ে নতুন মামলা?

    প্রাথমিক শিক্ষকদের ‘পোস্টিং’ নিয়ে দুর্নীতির (Teacher Posting Scam) অভিযোগ তুলে একটি মামলা করেন সুকান্ত প্রামাণিক। তাঁর দাবি, ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া চলাকালীন তাঁদের বলা হয়েছিল নিজের জেলায় কোনও শূন্যপদ নেই। অভিযোগ, কাউন্সেলিং-এর ঠিক ১৭ দিন পরই চার জেলায় ৪০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। গতকাল, এই মামলার শুনানি হয় হাইকোর্টে। শুনানি চলছিল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) এজলাসে। কাদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল, টাকার লেনদেন হয়েছিল কি না, সেটাই জানতে চায় আদালত। সেখানেই বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, প্রাথমিকের নিয়োগে এটা পরিকল্পিত ভাবে দুর্নীতি হয়েছে। মানিক ছক কষে এই দুর্নীতি ‘ডিজাইন্ড কোরাপশন’ করেছেন। মানিক এই মামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি। তিনি নির্দেশ দেন, প্রয়োজনে মানিককে হেফাজতেও নিতে পারে সিবিআই। এমনকী, এই মামলায় আর্থিক দুর্নীতির দিক উঠে আসলে, তার তদন্তে ইডি-কে যুক্ত করা হবে বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: ছক কষেই দুর্নীতি! জেলে গিয়ে মানিককে জেরা করার নির্দেশ সিবিআই-ইডিকে

    ‘ডিজাইন্ড কোরাপশন’ ঠিক কী?

    ২০২০ সালের প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে হয়েছিল কাউন্সেলিং। পরের বছর জুলাই মাসে কাউন্সেলিংয়ের বিজ্ঞপ্তি জারি করে পর্ষদ। সেখানে চতুরতার সঙ্গে ড্রাফট লেখা হয়েছিল। হোম ডিস্ট্রিক্ট ফাঁকা না দেখিয়ে, প্রেফার্ড ডিস্ট্রিক্টকে পছন্দ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। কাউন্সেলিং পর্বে প্রার্থীদের বলা হয় ‘লাস্ট চান্স’। যদিও সেবারই তাঁরা প্রথম সুযোগ পাচ্ছিলেন। এখানেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠে আসছে, পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly)। তিনি জানান, যে মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পেয়েছেন মানিক (Manik Bhattacharya), সেই মামলার সঙ্গে এই নতুন মামলার কোনও যোগ নেই। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, তদন্ত চালিয়ে গেলেও, মানিকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saayoni Ghosh: ‘অসম্পূর্ণ’ নথি পাঠিয়েছেন! সায়নীকে ফের তলবের পথে ‘অসন্তুষ্ট’ ইডি?

    Saayoni Ghosh: ‘অসম্পূর্ণ’ নথি পাঠিয়েছেন! সায়নীকে ফের তলবের পথে ‘অসন্তুষ্ট’ ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার তাঁর এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। বলা হয়েছিল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ঋণের কাগজ সহ আয়-ব্যয়ের যাবতীয় নথি নিয়ে হাজির হতে। কিন্তু, হাজির তো হননি-ই, উল্টে ‘অসম্পূর্ণ’ নথি পাঠিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠল যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh) বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় ‘অসন্তুষ্ট’ ইডি। 

    সায়নীর থেকে নথি তলব

    নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) তদন্তে অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুব নেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে যোগসূত্রে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হাজিরার জন্য সায়নী ঘোষকে (Saayoni Ghosh) সমন পাঠায় ইডি। গত শুক্রবার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে ১১-ঘণ্টা ধরে জেরা করার পর বুধবার নথি সহ হাজির হতে বলা হয়। নিয়োগকাণ্ড (Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুব নেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে সায়নীর আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে ইডি। কুন্তলের থেকে সায়নী কোনওভাবে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছিলেন কিনা, বা কুন্তলের টাকা সায়নীর অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল কিনা, তা দেখতেই সায়নীকে বুধবার তাঁর যাবতীয় ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়নীকে আয়কর জমা দেওয়ার ফাইল এবং সম্পত্তির হিসাব নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল। যুবনেত্রীর যত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তার তথ্য এবং লেনদেনের নথিও নাকি আনতে বলা হয়েছিল। পাশাপাশি, তিনি ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে ফ্ল্যাট কিনেছেন বলে যে দাবি করেছেন, তার কাগজপত্রও আনতে বলা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় ৩৯২৯টি পদে শুনানি পিছল সুপ্রিম কোর্টে

    কী নথি পাঠাননি সায়নী?

    কিন্তু, গতকাল, অর্থাৎ বুধবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে সায়নী (Saayoni Ghosh) ইডি দফতরে হাজিরা দেননি। তিনি আইনজীবীর হাত দিয়ে ৫৩০ পাতার নথি পাঠিয়ে দেন। নিজে চলে যান পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে। ইডি সূত্রে খবর, সায়নীর পাঠানো নথি পরীক্ষা করে দেখা যায় যে সেগুলি ‘অসম্পূর্ণ’। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজের নামে থাকা ফ্ল্যাটের নথি জমা দিলেও, মায়ের নামে কেনা ফ্ল্যাটের কোনও নথি জম দেননি তিনি। সূত্রের খবর, মায়ের নামে যে‌ ফ্ল্যাটটি সায়নী ঘোষ কিনেছিলেন তখন তিনি ২০ লক্ষ টাকা নগদ দিয়েছিলেন। এই টাকার উৎস জানতে চেয়েছিল ইডি। কিন্তু তার নথি পাঠানো হয়নি। পাশাপাশি ‘কলোনি ল্যান্ড’ বলে একটি সম্পত্তিও বিক্রি করা হয়েছিল এর মধ্যে। সেই সম্পত্তি বিক্রির টাকা লেনদেনের নথিও জমা দেওয়া হয়নি, সূত্রের খবর এমনটাই। কোথা থেকে টাকা এসেছিল, কোথায় জমা পড়েছিল, কিছু জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। 

    সায়নীর ওপর ‘অসন্তুষ্ট’ ইডি

    সূত্রের খবর, সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh) এই ‘অসম্পূর্ণ’ নথি জমা দেওয়া নিয়ে মোটেও ‘সন্তুষ্ট নন’ তদন্তকারীরা। তাঁদের কথায়, “যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছিল সায়নীকে। সেক্ষেত্রেও কেন সম্পূর্ণ তথ্য জমা দেননি তিনি?” তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সায়নী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে পাওয়া গিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য। ভবিষ্যতে এই তথ্য সামনে রেখে সায়নীকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তদন্তকারীরা। সায়নী ইমেলে ইডিকে জানিয়েছিলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং ফলপ্রকাশের পর তাঁকে ডাকলে তিনি সশরীরে হাজিরা দেবেন। তবে আজ নির্বাচনী প্রচার শেষ হচ্ছে। ইডি সূত্রের খবর, নথি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইতে সায়নীকে আবার তলব করা হতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saayoni Ghosh: ভোট-প্রচারে ব্যস্ত! আজ ইডি হাজিরা এড়ালেন সায়নী, পাঠালেন নথি

    Saayoni Ghosh: ভোট-প্রচারে ব্যস্ত! আজ ইডি হাজিরা এড়ালেন সায়নী, পাঠালেন নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত শুক্রবার নিয়োগকাণ্ডে ১১-ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ-পর্ব শেষে ইডি-র দফতর থেকে বেরিয়ে এসে যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh) দাবি করেছিলেন, যতবার ইডি ডাকবে, ততবার তিনি সশরীরে আসবেন। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘‘৫ জুলাই আবার যাব। সশরীরেই হাজিরা দেব। যতবার ডাকবে ততবার যাব।’’ আজ, ৫ জুলাই তাঁকে আয়-ব্যয় ও সম্পত্তির যাবতীয় নথি সহ তলব করা হয়েছিল। কিন্তু, গেলেন না সায়নী। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে দাবি করা হয়েছে, তিনি নাকি মঙ্গলবার রাতে ইডিকে ইমেলে না যাওয়ার কারণ জানিয়েছেন। যদিও ইডি-র দাবি, সকাল ১১টা পর্যন্ত কোনও চিঠি পায়নি তারা। তবে, এদিন আইনজীবী মারফৎ সায়নী নাকি নথি পাঠিয়েছেন তদন্তকারী সংস্থাকে।

    কোথায় ভোট-প্রচারে ব্যস্ত সায়নী?

    স্থানীয় সূত্রে খবর, আজ ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ গলফ গ্রিনের ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যান যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী সায়নী (Saayoni Ghosh)। তবে বাড়িতে তাঁর বাবা–মা আছেন। আজ সকালে জানা যায়, তিনি ইডি দফতরে যাচ্ছেন না। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বিষয়টি প্রকাশ্যে জানিয়ে দেন। কুণাল সংবাদমাধ্যমে জানান, সায়নী ঘোষ এখন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কাজে ব্যস্ত। তাই দ্বিতীয় দফার ডাকে সাড়া দিতে পারছেন না। ভোট মিটলে যাবেন। সায়নীর ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনি যে বুধবার ইডি দফতরে যেতে পারছেন না, তা মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ নাকি ই-মেল করে তদন্তকারী সংস্থাকে জানিয়ে দিয়েছেন সায়নী। ইডি দফতরে না গেলেও বুধবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে তৃণমূলের ভোটপ্রচারে দেখা গিয়েছে সায়নীকে। সেখানে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে সায়নী বলেন, “ইডিকে নথি পাঠিয়ে দিয়েছি। বলেছি প্রয়োজনে ভার্চুয়ালি যোগ দেব। কিন্তু ভোটের মাত্র দু’দিন বাকি। দলের যুব সভানেত্রী হিসাবে আমার একটা দায়িত্ব আছে।” তাঁর সংযোজন, “১১ তারিখের পর, যত বার ডাকবে, তত বার যাব।” ইডি সূত্রে খবর, আজ সকাল ১১টা পর্যন্ত তারা সায়নী ঘোষের কোনও চিঠি হাতে পাননি। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগকাণ্ডে আজ ফের তলব ইডি-র, সায়নী কি সশরীরে হাজিরা দেবেন?

    ৫৩০ পাতার নথি পাঠিয়েছেন সায়নী (Saayoni Ghosh)?

    তবে, সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ এক ব্যক্তিকে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢুকতে দেখা যায়। সংবাদমাধ্যমের তরফে প্রশ্ন করা হয়, তিনি সায়নীর আইনজীবী কি না। প্রশ্নের উত্তরে ‘হ্যাঁ’ বলেন ওই ব্যক্তি। তবে সায়নী বুধবার হাজিরা দেবেন কি না, এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দেননি তিনি। তাঁর হাতে তিনটি ফাইল ছিল। যা থেকে মনে করা হয়, নিজে উপস্থিত না থাকলেও তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য আইনজীবী মারফত ইডি আধিকারিকদের নথি পাঠিয়ে দিলেন সায়নী। সায়নীর ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, ইডির দাবি মতো, ৫৩০ পাতার নথি আইনজীবীর হাত দিয়ে পাঠিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের একটি সম্পত্তি কেনাবেচা সংক্রান্ত নথি থেকেই প্রথমে সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh) নাম উঠে আসে। এর বাইরে, একাধিক আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে সায়নীর নাম সামনে এসেছে বলে দাবি ইডি সূত্রে। সূত্রের দাবি, বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তলকে জেরাতেও উঠেছে যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রীর নাম। এছাড়া একাধিক সাক্ষী তাঁদের বয়ানে সায়নীর নাম বলেছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saayoni Ghosh: নিয়োগকাণ্ডে আজ ফের তলব ইডি-র, সায়নী কি সশরীরে হাজিরা দেবেন?

    Saayoni Ghosh: নিয়োগকাণ্ডে আজ ফের তলব ইডি-র, সায়নী কি সশরীরে হাজিরা দেবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) আজ, বুধবার ফের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা তৃণমূল নেত্রী তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষের (Saayoni Ghosh)। সূত্রের খবর, আজ তাঁকে তাঁর ব্যাঙ্ক সহ বিভিন্ন নথি নিয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। এর আগে, গত শুক্রবার সায়নীকে দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা জেরা করা হয়েছিল। সেদিনই তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, বুধবার অর্থাৎ আজ ওই নথি নিয়ে হাজির হতে।

    যাবতীয় সম্পত্তি ও ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে তলব

    নিয়োগকাণ্ড (Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুব নেতা কুন্তল ঘোষের সঙ্গে তাঁর কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছে কিনা তা জানতে সায়নীকে তাঁর যাবতীয় ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে আজ আসতে বলা হয়েছে ইডির তরফে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সায়নীকে আয়কর জমা দেওয়ার ফাইল এবং সম্পত্তির হিসাব নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। যুবনেত্রীর যত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তার তথ্য এবং লেনদেনের নথিও নাকি আনতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ১১ ঘণ্টা ইডির জেরা! নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বুধবার ফের তলব সায়নীকে

    কুন্তলরে টাকায় ফ্ল্যাট?

    দক্ষিণ কলকাতায় অভিজাত এলাকায় সায়নীর (Saayoni Ghosh) একটি ফ্ল্যাট আছে। কমবেশি ৮০ লক্ষ টাকার ওই ফ্ল্যাট কিনতে ৬০ লক্ষ টাকা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে কিনেছেন বলে দাবি করেন সায়নী। ফ্ল্যাটটি বুক করতে তাঁকে সেভিংস ভেঙে বাকি ২০ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে বলেও তাঁর দাবি। তদন্তকারীদের দাবি, ওই ২০ লক্ষ টাকা তিনি কুন্তলের থেকে পেয়েছিলেন। ইডি সূত্রের খবর, সেই অভিযোগ সায়নী অস্বীকার করেন। এই জন্যই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি, ঋণ সংক্রান্ত নথি দেখতে চান ইডির আধিকারিকরা। সেদিন সায়নীর কাছে সেই নথি ছিল না। আজ সেই নথি নিয়েই ইডি দফতরে যেতে হবে সায়নীকে। 

    প্রচারের বাইরে সায়নী

    গত মঙ্গলবার, অর্থাৎ ২৬ জুন পূর্ব বর্ধমানে ভোট প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)। সেই সময় তিনি জানতে পারেন যে, তাঁকে শুক্রবার ডাকা হয়েছে। কলকাতায় রাতে ফিরে তিনি বুধবার সকালে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যান বলে জানা যায়। পরের দুদিন কার্যত তাঁকে পাওয়া যায়নি। তিনি পুরো লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে তাঁর দলের লোকেরাই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, কৌতুহল জাগে যে আদৌ সায়নী ইডি দফতরে হাজিরা দেবেন তো! সব জল্পনাকে সরিয়ে সায়নী অবশ্য শুক্রবার সশরীরে তদন্তকারীদের সামনে উপস্থিত হন।

    আজ হাজিরা দেবেন কি?

    সমন পাওয়ার পর থেকে সেই প্রথমবার সায়নীকে প্রকাশ্যে দেখা যায়। আবার গভীর রাতে, ইডি দফতর ছাড়ার সময় তাঁর দেখা মেলে। আবার তিনি চলে যান অন্তরালে। এবার অবশ্য, যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন করেননি। গতকাল, পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়াতে দলের হয়ে পঞ্চায়েতের প্রচারে অংশ নেওয়ার কথা ছিল সায়নীর (Saayoni Ghosh)। প্রচার তালিকায় তাঁর নামও ছিল। কিন্তু, তিনি দলকে জানিয়েছেন যে, তাঁর মা হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। সেই কারণেই তিনি প্রচারে যেতে পারছেন না। এরপরই, সায়নীর আজকের হাজিরা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তিনি কি আজ সশরীরে হাজিরা দেবেন নাকি আইনজীবী মারফৎ নথি পাঠাবেন? যদিও, এর আগের দিন সায়নীকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘‘৫ জুলাই আবার যাব। সশরীরেই হাজিরা দেব। যতবার ডাকবে ততবার যাব।’’ তবে, ইডি সূত্রে দাবি, সায়নী নিজে না আসতে পারলে তা লিখিতভাবে তদন্তকারী সংস্থাকে জানাতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share