Tag: Bengali Cinema

Bengali Cinema

  • Bengali Cinema: সেলুলয়েডের পর্দায় ভোটে লড়া দাপুটে ‘বিন্দু মাসি’ মমতার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন

    Bengali Cinema: সেলুলয়েডের পর্দায় ভোটে লড়া দাপুটে ‘বিন্দু মাসি’ মমতার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিন্দু মাসি! পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এই নামের সঙ্গে খুব ভালোভাবেই পরিচিত। নব্বই দশকে টলিপাড়ার জনপ্রিয় ভিলেন অভিনেত্রী অনামিকা সাহা ওরফে বিন্দু মাসি। এক সময় পর্দায় অসাধারণ অভিনয় দক্ষতার পরিচয় বহন করতেন তিনি। পর্দাতে চোখ রাঙানো দাপুটে ভিলেন হলেও বাস্তবে তিনি ঠিক ততটাই শান্ত স্বভাবের, যিনি গুছিয়ে কথাটুকুও বলতে পারেন না বলে নিজেই দাবি করেন। সবাইকে নিয়ে গল্পের আসর বসাতে তিনি খুব পছন্দ করেন। জানা গেল, এই বিন্দু মাসি অর্থাৎ অনামিকা সাহাকে দলে যোগ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এর উত্তরে তিনি কী বলেছিলেন, তা সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে সব কিছু জানিয়েছেন।

    রাজনীতির হাতছানিও টলাতে পারেনি

    তিনি জানান, অনেক বছর আগের কথা। মমতা ব্যানার্জিকে তিনি যখন প্রথম দেখেন, সেই ঘটনা এখনও তাঁর মনে আছে। তাঁর কথায়, “ঠিক বিয়ের পর যখন আমি শ্বশুরবাড়ি ফিরছি, তখন লক্ষ্য করি, পথে একটা মেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে, আর তাকে ঘিরে অনেক পুলিশ। পরে বাড়ি এসে শ্বশুরমশাইয়ের কাছে জানতে পারি, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন তিনি সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। ওই দিনটাই ছিল আমার প্রথম দেখা মমতাকে। এর পরে সেই মমতাকে আমি মুখ্যমন্ত্রী হতে দেখি। তখন আমি ভেবেছিলাম, আমি তো কিছু করতে পারলাম না। আবার বিয়ের পর শ্বশুরমশাইও আমার কাজ বন্ধ করে দিলেন, না হলে আজ কোন জায়গায় পৌঁছে যেতাম। এসব সত্ত্বেও তিনি কিন্তু নিজেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়াতে চাননি, এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

    ভোটে দাড়ানোর মমতার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দেন

    অনামিকা আরও জানান, তিনি আগে এক যাত্রা দলে কাজ করতেন, সেখানে তাপস পাল ও শতাব্দী রায় এক দলে আর অভিষেক চট্টোপাধ্যায় ও অনামিকা অন্য দলে কাজ করতেন। কিন্তু যাত্রা শেষে প্রায় একই হোটেলে সবাই থাকতেন। সেখানে জমে উঠত আসর। আর ঠিক এই রকম এক মুহূর্তে একটা ফোন আসে। আর তাপস সেই সময় অনামিকাকে জানায়, মমতাদি চাইছে তিনি যেন ভোটে দাঁড়ান। সেই প্রসঙ্গে অনামিকা বলেন, “আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ, আমি অভিনয় ছাড়া কিছু পারি না, আর রাজনীতি আমি কিছু বুঝি না। আর আমি অত মিথ্যা কথা বলতেও পারি না।” তাই সেই জায়গায় শতাব্দী ভোটে দাঁড়ায়।

    সরাসরি রাজনীতির মঞ্চে ‘না’

    প্রচারকার্যেও মমতা অনামিকাকে চেয়েছিলেন। সেই কথা মতো মোট ২৪টি প্রচারে তিনি অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু এই বছর আর প্রচারকার্যে যাননি অনামিকা। সিরিয়ালের কাজ, শারীরিক অসুস্থতা এইসবের জন্য তিনি আর প্রচারে যাননি। আর তাছাড়াও অনামিকার মেয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি যদি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কোনও কাজে যান, থাকলে তাঁকে আর মা বলে ডাকবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Sharmila Tagore: উদ্যোগী ঋতুপর্ণা, দীর্ঘ ১৪ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন শর্মিলা ঠাকুর!

    Sharmila Tagore: উদ্যোগী ঋতুপর্ণা, দীর্ঘ ১৪ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন শর্মিলা ঠাকুর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকেই যাঁর ক্যারিয়ারের শুরু, সেই বাংলা থেকেই বিগত কয়েক বছর ধরে দূরে সরে গিয়েছেন তিনি। আর এবার সব দূরত্ব কাটিয়ে আবার বাংলা সিনেমাতে দীর্ঘ ১৪ বছর পর ফিরে আসছেন শর্মিলা ঠাকুর (Sharmila Tagore)। আর শর্মিলা ঠাকুরের বাংলাতে প্রত্যাবর্তনের পিছনে যাঁর উদ্যোগ সবচেয়ে বেশি, তিনি আর কেউ না, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। গত শুক্রবার শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে এই সিনেমার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়। ছবির নাম ঠিক করা হয়েছে ‘পুরাতন’। ছবিটি পরিচালনা করছেন সুমন ঘোষ। আর ছবিটি প্রযোজনা করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এই ছবিতে দেখা যাবে ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তকেও।

    শর্মিলা ঠাকুর (Sharmila Tagore) কী জানিয়েছেন এই ছবি সম্পর্কে?

    বাংলা সিনেমায় প্রত্যাবর্তনে খুবই যে খুশি শর্মিলা ঠাকুর, অনুষ্ঠানের দিনই তাঁর বক্তব্যে সেটি প্রকাশ পায়। বাংলাতে তার শেষ ছবি ‘অন্তহীন’, সেখানেও তিনি অসাধারণ অভিনয় করেন। তারপরই হঠাৎ বাংলা সিনেমা থেকে অনেক দূরে সরে যান তিনি। তিনি (Sharmila Tagore) এই প্রত্যাবর্তন নিয়ে বলেন, “আসলে এখন ভালো ছবি করতে চাই,  আর ঋতুপর্ণার সাথে তো আমার অনেকদিনের ভালো পরিচয়, সুমনের ছবিও আমি দেখেছি। আশা করছি একটি ভালো ছবিই উপহার দিতে পারব সবাইকে।”

    শর্মিলার (Sharmila Tagore) এই বাংলা ছবিতে ফিরে আসা নিয়ে কী জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা?

    ঋতুপর্ণা জানান, “আসলে সুমনের সঙ্গে আমার শর্মিলা ঠাকুরের বিষয়ে কথা হয়। পরে তিনি এই ছবির চিত্রনাট্য পড়েন এবং আমাদের সম্মতি দেন এই ছবি নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার।” 
    অপরদিকে এই ছবির পরিচালক সুমন ‘কাবুলিওয়ালা’ নামক এক ছবির শুটিংয়ের জন্য কাশ্মীরে ছিলেন। তাই শুক্রবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত থাকতে পারেননি। খুব তাড়াতাড়ি এই নতুন ছবির কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক থেকে প্রযোজক। বাংলাতে শর্মিলার (Sharmila Tagore) আবার ফিরে আসার খবরে খুশি তাঁর ভক্তমহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • National Film Awards: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চে সেরার শিরোপা সুরিয়া-অজয় দেবগনের, জয়জয়কার অভিযাত্রিকের 

    National Film Awards: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মঞ্চে সেরার শিরোপা সুরিয়া-অজয় দেবগনের, জয়জয়কার অভিযাত্রিকের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের পুরোনো ছন্দে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের অনুষ্ঠান। শুক্রবার এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ৬৮তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের (National Film Award) বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করল ডিরেক্টোরেট অফ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল বিভাগ (Directorate of Film Festival Department)। এবার মঞ্চে উঠেই পুরস্কার নিলেন বিজয়ীরা। গত দুবছর করোনার কারণে ভার্চুয়ালি পালন হয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের অনুষ্ঠান। তাই এবার মনোনয়ন তালিকায় রয়েছে ২০২০ সালের কিছু সিনেমা। 

    আরও পড়ুন: ‘অলবিদা’ লিখে ইনস্টাগ্রামে সব পোস্ট ডিলিট করলেন আদনান সামি! রহস্য কী?

    এবার সেরা ফিচার ছবির স্বীকৃতি পেল সুরারাই পোত্রু। সেরা জনপ্রিয় ছবি তানহাজি। সেরা ছবির তালিকায় রয়েছে বাংলার ছবিও। সেরা সিনেম্যাটোগ্রাফি এবং সেরা বাংলা ছবির জন্যে পুরস্কার পেল অভিযাত্রিক। 

    আরও পড়ুন: ইতিহাস বিকৃতি, মণি রত্নম এবং বিক্রমকে আইনি নোটিস

    সেরা পরিচালকের শিরোপা পেলেন সচীদানন্দন কে আর। মরণোত্তর এই সম্মান পেলেন সচীদানন্দন, ওরফে সচী। ২০২০ সালেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪৭ বছর বয়সে প্রয়াত হন এই পরিচালক। 

    এক নজরে সেরাদের তালিকা  

    সেরা ফিচার ছবি: সুরারাই পোত্রু

    সেরা পরিচালক: সচীদানন্দন কে আর

    সেরা জনপ্রিয় ছবি: তানহাজি

    সেরা ডেবিউ পরিচালকের জন্য ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার: ম্যান্ডেলা

    সেরা শিশুদের ছবি: সুমি

    সেরা অভিনেতা: সুরারাই পোত্রুর জন্য সুরিয়া ও তানহাজ়ির জন্য অজয় দেবগন

    সেরা অভিনেত্রী: অপর্ণা বালামুরালি

    সেরা সাপোর্টিং অভিনেতা: বিজু মেনন

    সেরা সাপোর্টিং অভিনেত্রী: লক্ষ্মী প্রিয়া চন্দ্রমৌলী

    সেরা শিশু শিল্পী: ‘তকতক’ ছবির জন্য অনীষ মঙ্গেশ গোসাভি এবং ‘সুমি’ ছবির জন্য আকাঙ্ক্ষা পিঙ্গলে ও দিব্যেশ ইন্দুলকর

    সেরা সঙ্গীত পরিচালক: আলা বৈকুণ্ঠপুরামুলো

    সেরা মহিলা গায়ক: নানছাম্মা

    সেরা মহিলা গায়িকা: সাইনা

    সেরা অডিয়োগ্রাফি: দোল্লু 

    সেরা সিনেম্যাটোগ্রাফি: অভিযাত্রিক

    সেরা নন-ফিচার ছবি: থ্রি সিস্টার্স

    সেরা পোশাক পরিকল্পনা: তানহাজি

    সেরা মেকআপ: নাট্যম

    সেরা স্ক্রিনপ্লে: সুরারাই পোত্রু

    সেরা অসমীয়া ছবি: ব্রিজ

    সেরা বাংলা ছবি: অভিযাত্রিক

    সেরা হিন্দি ছবি: তুলসীদাস জুনিয়র

    সেরা তেলুগু ছবি: কালার ফটো

    সেরা তামিল ছবি: শিবারণজানিয়ুম ইন্নম শিলা পেঙ্গাল্লুম

    বিশেষ জুরি পুরষ্কার

    হিন্দিতে সেরা ফিচার ছবি: তুলসীদাস জুনিয়র

    কন্নড়ের সেরা ফিচার ছবি: দোল্লু 

    মালায়ালামের সেরা ফিচার ছবি: থিঙ্কলাজচা নিশ্চয়াম

    তামিলের সেরা ফিচার ছবি: শিবারণজানিয়ুম ইন্নম শিলা পেঙ্গাল্লুম

    হরিয়ানভিতে সেরা ফিচার ছবি: দাদা লখমি
     
    ডিমাসায় সেরা ফিচার ছবি: সামখোর

    টুলুতে সেরা ফিচার ছবি: জিটিগে  

    সেরা নন ফিচার ছবি

    পারিবারিক মূল্যবোধের উপর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র: কুমকুমারচান, অভিজিৎ অরবিন্দ দলভি

    সেরা পরিচালনা: ওহ দ্যাটস ভানু, আরভি রামানি

    সেরা সঙ্গীত পরিচালনা: ১২৩২ কিমি- মারাঙ্গে তো ওয়াহিন জাকার, বিশাল ভরদ্বাজ

    সেরা সিনেমাটোগ্রাফি: সাবদিকুন্না কালাপ্পা, নিখিল এস প্রবীণ

    সেরা অডিওগ্রাফি: পার্ল অফ দ্য ডেজার্ট, অজিত সিং রাঠোর

    সেরা সম্পাদনা: বর্ডারল্যান্ডস, অনাদি আথালে

    সেরা ন্যারেশন ভয়েসওভার: র‌্যাপসোডি অফ রেইনস , শোভা থারুর শ্রীনিবাসন

    বেস্ট অন লোকেশন সাউন্ড: জাদুই জঙ্গল, সন্দীপ ভাটি এবং প্রদীপ লেখওয়ার 

    সিনেমার সেরা বই: কিশ্বর দেশাইয়ের দ্য লংগেস্ট কিস 

    সিনেমার সেরা বই (বিশেষ উল্লেখ): এমটি অনুনাহভাঙ্গালুদে পুস্তকাম, অনুপ রামকৃষ্ণান এবং সূর্য দেবের কালি পাইনে কালিরা সিনেমা

    সেরা চলচ্চিত্র সমালোচক: এই বছর কোন বিজয়ী নেই।

    সর্বাধিক চলচ্চিত্র বন্ধুত্বপূর্ণ রাজ্য: মধ্যপ্রদেশ

     

     

     

     

     

LinkedIn
Share