Tag: bhagwad gita mass chanting

bhagwad gita mass chanting

  • Gita Mass Recitation: রেকর্ড গড়ার পথে ব্রিগেড! ‘লক্ষ কণ্ঠের গীতা পাঠে’ মুখরিত কলকাতা

    Gita Mass Recitation: রেকর্ড গড়ার পথে ব্রিগেড! ‘লক্ষ কণ্ঠের গীতা পাঠে’ মুখরিত কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশা ছিলই। গত কয়েকদিন ধরেই চড়ছিল পারদ। সেই প্রত্যাশা পূরণ করে তা কার্যত ছাপিয়ে গেল রবিবাসরীয় ব্রিগেডে। ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’ (Gita Mass Recitation) ঘিরে রেকর্ড ভিড়ের সমাগম কলকাতায়। সমবেত শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত হল শহরের আকাশ-বাতাস। লক্ষ কণ্ঠের গীতাপাঠে (Lokkho Kanthe Gita Path) গমগম করছে তিলোত্তমা।

    ব্রিগেডমুখী জনজোয়ার

    আজ সকাল থেকে কলকাতার আকাশ ছিল ঘন কুয়াশাচ্ছন্ন। দৃশ্যমানতা ছিল একেবারেই কম। যে কারণে, ব্যাঘাত ঘটেছে যাতায়াতে। কারণ, লোকাল থেকে শুরু করে ফেরি, মেট্রো থেকে শুরু করে বাস— সবকিছুর গতি ছিল স্লথ। তাও ব্রিগেডমুখী জনজোয়ারে কোনও ভাঁটা পড়েনি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে বাড়তে থাকে ভিড়। শিয়ালদা-হাওড়ায় জমায়েত হয়ে শুরু করে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা উৎসাহী মানুষের। 

    সনাতনীদের মিলনমেলা

    এদিনের ব্রিগেড কর্মসূচি হল সনাতনীদের মিলনমেলা (Gita Mass Recitation)। এই অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে সনাতন সংস্কৃতি পরিষদ, মতিলাল ভারততীর্থ সেবা মিশন আশ্রম এবং অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদের একাধিক সংগঠন। গীতা পাঠের (Lokkho Kanthe Gita Path) মঞ্চে রয়েছেন দ্বারকার শঙ্করাচার্য থেকে শুরু করে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দ্বৈতাপতি ও বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের সাধু-সন্তরা। এই অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছেন কাতারে-কাতারে মানুষ।

    কাতারে কাতারে জমায়েত

    লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠকে কেন্দ্র করে ব্রিগেডে হাজির হন কাতারে কাতারে মানুষ। বিভিন্ন বয়সের প্রচুর মানুষ গীতাপাঠে সামিল হন। আগতদের সুবিধার্থে অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদের পক্ষ থেকে হাওড়া স্টেশনের বিপরীতে মঞ্চ করা হয়। সেখান থেকেই তাঁদের গাড়ি করে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে পাঠানো হয়। সাড়ে দশটায় শুরু হয় শোভা যাত্রা। তারপরই হয় আরতি। সাড়ে ১১টা অবধি চলে বেদ পাঠ। গীতাপাঠ (Lokkho Kanthe Gita Path) শুরু বেলা ১২টা ২০ মিনিটে।

    উপস্থিত বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব 

    এদিনের ব্রিগেড কর্মসূচি নয় কোনও রাজনৈতিক দলের। তবে, গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। গীতাপাঠের (Gita Mass Recitation) এই অনুষ্ঠানে বঙ্গ বিজেপির একাধিক বিধায়ক-সাংসদ এবং নেতাকে হাজির থাকতে দেখা গিয়েছে। দিলীপ ঘোষ থেকে শুভেন্দু অধিকারী। সুকান্ত মজুমদার থেকে অগ্নিমিত্রা পাল এবং লকেট চট্টোপাধ্যায়কেও গীতাপাঠে অংশ নিতে দেখ গিয়েছে। লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ অনুষ্ঠানে হাজির হন হিরণও।

    উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘‘রাজনৈতিক পরিবেশের কোনও বিষয় নেই। এটা একটা সাংস্কৃতিক কার্যক্রম (Gita Mass Recitation)। সেখানে সবাই অংশ নিয়েছে। আমরাও অংশ নিয়েছি। ব্রিগেড তো বাংলার কুরুক্ষেত্র।’’ এর আগে, মোদির লেখা এই চিঠি প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ অনুষ্ঠানকে সমর্থন জানিয়ে আমাদের উৎসাহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।’’

    আরও পড়ুন: চলে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বার্তা, আজ ব্রিগেডে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’

    দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘সমাজকে জাগাতে হবে। এক জায়গায় সকলকে আনতে হবে।’’ সকালে শঙ্করাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তাঁর থেকে আশীর্বাদ নেওয়ার ছবি নিজের এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে শেয়ারও করেছেন মেদিনীপুরের সাংসদ।

    বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার বলেন, ‘‘আমরা এর রাজনীতিকরণ করিনি। মানুষের মধ্যে দৃঢ়তা আনা, মানুষের মধ্যে সামাজিক কাজকর্মে চেতনা বাড়াতে, সংগঠিত করতে এই উদ্যোগ। গীতাতে তো মানুষের জন্য কাজ করারই শ্লোক রয়েছে।” এরমধ্যেই, ব্রিগেডর কর্মসূচিতে (Gita Mass Recitation) কেন পুলিশ নেই, অথচ অদূরে পার্ক স্ট্রিটে ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন নিয়ে রাজ্যকে রাজ্যকে তোপ দাগেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gita Mass Recitation: চলে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বার্তা, আজ ব্রিগেডে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’

    Gita Mass Recitation: চলে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বার্তা, আজ ব্রিগেডে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা। তার পরেই শহরের আকাশ মুখরিত হবে শঙ্খধ্বনিতে। বাতাসে ভেসে আসবে লক্ষ মানুষের সমবেত কণ্ঠে গীতার শ্লোক-বাণী। আজ, রবিবার ব্রিগেডে হতে চলেছে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’ (Gita Mass Recitation)। যাকে ঘিরে গোটা শহর তো বটেই, সমগ্র রাজ্যে তীব্র উৎসাহ ও উদ্দীপনার পারদ চড়ছে। এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ভিড় জমাতে শুরু করেছেন কলকাতায়। রবিবার ভোর থেকেই ব্রিগেডে জমায়েত শুরু হয়ে গিয়েছে। একটু পরেই সমস্বরে গীতা পাঠে মেতে উঠবেন সকলে।

    বিশেষ বার্তায় কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

    এই অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। কিন্তু, বিশেষ প্রয়োজনে শেষ মুহূর্তে তাঁর এই সফর বাতিল করতে হয়েছে। তবে, স্বয়ং হাজির না হতে পারলেও, কর্মসূচির আগে বিশেষ বার্তা পাঠালেন তিনি। শনিবার রাতে আয়োজকদের হাতে চলে আসে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি। তাতে মোদি লিখেছেন, ‘‘সনাতন সংস্কৃতি সংসদ, মতিলাল ভারততীর্থ সেবা মিশন আশ্রম এবং অখিল ভারতীয় সংস্কৃত পরিষদের উদ্যোগে কলকাতায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ (Gita Mass Recitation) কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এক লক্ষ মানুষের সমবেত গীতা পাঠের কর্মসূচি সত্যিই প্রশংসনীয়। দীর্ঘ পরম্পরা, অগাধ জ্ঞান ও দার্শনিক-আধ্যাত্মিক বুদ্ধির মেলবন্ধনের দ্বারা গঠিত আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সম্প্রীতি আমাদের শক্তি। মহাভারতের সময় থেকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন, বর্তমান সময়েও গীতা সকলকে অনুপ্রাণিত করে। ভারতের সংস্কৃতি অনুযায়ী জীবনযাপনের এবং অগ্রগতির বহু পরস্পর সংযুক্ত পথ দেখায় গীতা। আমি নিশ্চিত, একসঙ্গে এত মানুষের কণ্ঠে গীতাপাঠ আমাদের সামাজিক সম্প্রীতিকে আরও জোরদার করবে। একইসঙ্গে দেশের উন্নয়ন-যাত্রার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় শক্তি প্রদান করবে। উন্নত, শক্তিশালী ভারত গড়ে তোলার জন্য ২০৪৭ সাল পর্যন্ত সুযোগ আছে। ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ সকলের জন্য শান্তি নিয়ে আসুক। আয়োজকদের আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’’ সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) এই বার্তা ব্রিগেডে পাঠ করা হতে পারে। 

    ১ লক্ষ ৩০ হাজার জমায়েত হবে

    এদিকে, ব্রিগেডে এখন সাজো সাজো রব। এক লক্ষ জমায়েতকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ব্রিগেড ময়দানকে ২০টি ব্লকে ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রতি ভাগে ৫ হাজার করে মানুষের গীতা পাঠের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ব্রিগেডে উপস্থিত থাকবেন দ্বারকার শঙ্কারাচার্য সদানন্দ সরস্বতী এবং পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দ্বৈতাপতি। গীতাপাঠের জন্য ব্রিগেডে তৈরি হয়েছে বিশাল মঞ্চ। দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে মঞ্চকে। বড় মঞ্চটি উঁচু। সেখানে থাকবেন সাধু-সন্তরা। বড় মঞ্চের নিচে যে ছোট মঞ্চ তৈরি হয়েছে, সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। বাংলা ছাড়াও, অন্যান্য রাজ্যের থেকে প্রায় ১৫০০ সাধু-সন্তের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ৩০ হাজারের উপর ফর্মরেজিস্ট্রেশন হয়ে গিয়েছে।

    শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে শুরু অনুষ্ঠান

    আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, সকাল ১০টা থেকে মূল অনুষ্ঠানটি শুরু হবে।  শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের (Gita Mass Recitation) সূচনা হবে। এর সঙ্গে সঙ্গীত পরিবেশন হওয়ার কথা। ১০টা থেকে শুরু হবে ভজন। সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হবে শোভাযাত্রা। এরপর শোভাযাত্রা শেষ হলেই আরতি শুরু হবে ১১টা ৫ মিনিট থেকে। ১০ মিনিট হবে আরতি। এরপর শুরু হবে বেদ পাঠ। সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বেদপাঠ চলবে। পৌনে ১২টায় স্বাগত ভাষণ শুরু হবে। ভাষণ শেষ হলে ফের শুরু হবে গীতাপাঠ। মোটামুটি ১২টা ১০ থেকে শুরু হবে গীতাপাঠ। এক ঘণ্টা ধরে চলবে গীতাপাঠ। সেখানে গীতাপাঠে গলা মেলাতে পারবেন ভক্তরা। সওয়া ১টা নাগাদ গীতাপাঠ শেষ হওয়ার পরে বক্তব্য রাখবেন দ্বৈতাপতিজি। এরপরই শেষ হবে গীতাপাঠের আসর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share