Tag: Bhagwant mann

Bhagwant mann

  • Bhagwant Mann: বৈঠকে দুর্ব্যবহার! নেতাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ, কৃষকরা চটে লাল ভগবন্ত মানের ওপর

    Bhagwant Mann: বৈঠকে দুর্ব্যবহার! নেতাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ, কৃষকরা চটে লাল ভগবন্ত মানের ওপর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কৃষকদের লাগাতার উস্কানি দিয়েছিল আম আদমি পার্টি (Bhagwant Mann)। কৃষকদের উস্কানি দিয়েই তাদের ক্ষমতায় আসা। এমনটাই বলেন অনেকে। সেই অতীতেরই নাটকীয় পরিবর্তন সামনে এসেছে। পাঞ্জাবের কৃষকরা আম আদমি পার্টি সরকারের বিরুদ্ধেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। কৃষক নেতাদের এক বিক্ষোভ প্রদর্শন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই এই সংঘাতের সূচনা হয়। আম আদমি পার্টির ভগবন্ত মান সরকারের বিরুদ্ধে বিগত কয়েকদিন ধরেই কৃষকদের সঙ্গে সংঘাত চলছে।

    ৩ মার্চ প্রথম সংঘাতের খবর সামনে আসে (AAP)

    এই সংঘাতের খবর প্রথম সামনে আসে গত ৩ মার্চ, যেখানে কৃষক নেতাদের সঙ্গে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর (Bhagwant Mann) চন্ডীগড়ে একটি নিষ্ফল বৈঠক হয়। কৃষকরা অভিযোগ জানাতে থাকেন অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করেছেন ভগবন্ত মান। ঠিক তার পরের দিন ৪ মার্চ তাঁর দুর্ব্যবহারের জন্য কোনও রকমের অনুশোচনা দেখা যায়নি পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর কণ্ঠে। কিন্তু তিনি সদর্পে ঘোষণা করেন, ‘‘হ্যাঁ আমি মিটিং ছেড়ে চলে যাই। আমরা তাঁদের সব দাবি মেনে নেব না। তাঁদেরকে আমরা ট্রাকের উপর বসে রাস্তা জ্যাম করতে দেব না। কারণ আমি তিন কোটি পাঞ্জাববাসীর অভিভাবক।’’ এরপরে ৫ মার্চ থেকে পাঞ্জাবের পুলিশ ঠিক ভগবন্ত মানের (Bhagwant Mann) হুমকিকেই বাস্তবায়িত করতে থাকে। জায়গায় জায়গায় চেক পয়েন্ট তৈরি করা হয়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতে কৃষকদেরকে আটকানো হয়।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    প্রসঙ্গত, বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন বিভিন্ন কারনে কৃষকরা চটে গিয়েছেন পাঞ্জাবের আপ সরকারের ওপর। এই নিয়ে কুলদীপ সিং যিনি গুরু নানকদেব বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক, তিনি বলেন, ‘‘পাঞ্জাব সরকার মনে করছে যে কৃষক আন্দোলন স্থিমিত হয়ে গিয়েছে এবং যে ধরনের শক্তিশালী কৃষক সংগঠন ছিল, সেটা আর নেই। সেই কারণেই আপ সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে না।’’ একইসঙ্গে কেউ কেউ বলছেন যে পাঞ্জাবের আপ সরকার মনে করছে যে কৃষকদেরকে সবসময় সন্তুষ্ট রাখা সম্ভব নয়। তাই তারা আর তোষণের পথে যাচ্ছে না। প্রসঙ্গত, বিগত ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও ব্যাপক ভরাডুবি হয় পাঞ্জাবে (Bhagwant Mann) আম আদমি পার্টির। ১৩টির মধ্যে মাত্র তিনটি আসনে জয় লাভ করে তারা।

  • Kejriwal: মানকে সরিয়ে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন কেজরিওয়াল? আপের বৈঠক ঘিরে শুরু জল্পনা

    Kejriwal: মানকে সরিয়ে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন কেজরিওয়াল? আপের বৈঠক ঘিরে শুরু জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ব্যাপক ভরাডুবি হয়েছে আপের। খোদ পরাস্ত হয়েছেন দলের সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Kejriwal)। এই অবস্থায় জল্পনা শুরু হয়েছে পাঞ্জাবে আপের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে এবং কেজরিওয়াল হতে পারেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির দাবি, কেজরিওয়াল মানকে (Bhagwant Mann) মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। গেরুয়া শিবিরের এই দাবির পরেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনীতিতে।

    মঙ্গলবার বৈঠক হয় আপের (Kejriwal)

    জল্পনা আরও বাড়ে গত মঙ্গলবার। ওই দিন রাজধানীতে কাপুরথালা হাউসে আপের একটি বিশেষ বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেজরিওয়াল, দলের প্রবীণ নেতা মণীশ সিসোদিয়া, মুখ্যমন্ত্রী মান এবং পঞ্জাবের সমস্ত বিধায়ক ও গুরুত্বপূর্ণ দলীয় নেতারা। এরপরেই বিজেপির প্রবীণ নেতা তথা রাজৌরি গার্ডেনের নবনির্বাচিত বিধায়ক মনজিন্দর সিং সিরসা একটি ভিডিওতে দাবি করেছেন, ‘আপের জাতীয় আহ্বায়ক মানকে ‘অযোগ্য’ বলে চিহ্নিত করে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

    বিজেপির দাবি

    দিল্লির নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পরেই এই বৈঠক নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। শোনা যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Kejriwal) দিল্লিতে মানকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মহিলাদের জন্য ১,০০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়া, মাদকের অপব্যবহার- এই সব কারণের জন্যই নাকি কেজরিওয়াল সরিয়ে দিতে চান মানকে। বৈঠকের পরেই বিজেপি দাবি করে, দিল্লির নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Kejriwal) দিল্লিতে পাঞ্জাবের বিধায়কদের একটি সভা ডেকেছেন। শোনা যাচ্ছে, তিনি মানকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি পাঞ্জাবের আপ বিধায়কদের বলতে বাধ্য করছেন যে কেজরিওয়াল একজন ভালো মানুষ এবং মানের পরিবর্তে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করা উচিত।প্রসঙ্গত, ১১৭ সদস্যের পাঞ্জাব বিধানসভায় আপের ৯৩ জন এবং কংগ্রেসের ১৬ জন বিধায়ক রয়েছে।

  • Indi Alliance: বাংলার পর পাঞ্জাবেও ধাক্কা খেল কংগ্রেস, ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল স্পষ্ট

    Indi Alliance: বাংলার পর পাঞ্জাবেও ধাক্কা খেল কংগ্রেস, ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল স্পষ্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডি জোটে (Indi Alliance) ফের ধাক্কা। তৃণমূল কংগ্রেসের পর এবার আপ। বাংলার পর পাঞ্জাব। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে পাঞ্জাবে জোট করবে না আম আদমি পার্টি। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান বলেন, পাঞ্জাবের ১৩ টি লোকসভা আসনের জন্য ইতিমধ্যেই ৪০ জন প্রার্থীর নাম স্থির করেছে আপ। এরপর এখান থেকে শেষ ১৩ জনকে বেছে নেওয়া হবে। আপের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে এখনও কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। 

    বাংলার পর পাঞ্জাব

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন বঙ্গে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করবে না তৃণমূল কংগ্রেস। আপের এই সিদ্ধান্তের ফলে কংগ্রেস শিবির যে অনেকটাই চাপে পড়ে গেল এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় জোট হবে কী হবে না তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছিল। কিন্তু কংগ্রেসের ওপর ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি একাই লড়বেন। অর্থাৎ বিজেপি বিরোধী ‘ইন্ডি’ জোট (Indi Alliance) বাংলায় ধাক্কা খেল। তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, পাঞ্জাবেও একা লড়াই করার কথা ঘোষণা করে দিল আম আদমি পার্টি। বুধবার মান রীতিমতো ঘোষণা করে জানিয়েছেন যে আপ পঞ্জাবে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করবে না। কারণ, পঞ্জাবে কংগ্রেসই আম আদমি পার্টির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। দুই প্রধান বিরোধী দল পঞ্চনদের রাজ্যে জোট করলে সুবিধা পেয়ে যাবে সুরজিৎ সিং বাদলের অকালি দল এবং বিজেপি। সেটা হতে দিতে চান না আম আদমি পার্টি নেতৃত্ব। জানা গেছে, ১৩ টি লোকসভা আসনেই তারা প্রার্থী দেবে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হবে। 

    আরও পড়ুন: লোকসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট নয়, মমতার মন্তব্যে ইন্ডি জোটের দফারফা

    নড়বড়ে ইন্ডি জোট

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস একা লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপর পাঞ্জাবে আপ একক লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিল। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এর ফলে বড় নড়বড়ে হয়ে গেল ইন্ডি জোট (Indi Alliance)। কেন্দ্রে শক্তিশালী বিজেপি সরকারের সামনে এই জোট খুব একটা দাঁড়াতে পারবে না বলেও অভিমত অনেকের। যে জোটে শুরু থেকেই একে অপরের সঙ্গে সমঝোতা হয় না তারা একমত হয়ে ভবিষ্যতে দেশ চালাতে পারবে না এমন ভাবনা অমূলক, বলেই অনুমান বিশেষজ্ঞদের। বিরোধীদের নিজেদের মধ্যেই বিরোধিতা প্রতিদিনই চোখে পড়ছে দেশবাসীর। আসন বন্টন তো বিরোধী জোটের গলার কাঁটা। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhagwant Mann: বিদ্যুৎ বাঁচাতে নয়া অফিস টাইম ঘোষণা পঞ্জাব সরকারের, কখন শুরু অফিস?

    Bhagwant Mann: বিদ্যুৎ বাঁচাতে নয়া অফিস টাইম ঘোষণা পঞ্জাব সরকারের, কখন শুরু অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুৎ (Power) বাঁচাতে নয়া অফিস টাইম ঘোষণা করল পঞ্জাবের (Punjab) ভগবন্ত মান (Bhagwant Mann) সরকার। শনিবারই ঘোষণা করা হয়েছে অফিসের নতুন সময়। মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির (BJP) ভগবন্ত মান বলেন, সরকারি অফিসগুলি এবার থেকে শুরু হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। অফিস ছুটি হবে বেলা ২টোয়। ২ মে থেকে এভাবেই অফিস চলবে ১৫ জুলাই পর্যন্ত। মুখ্যমন্ত্রী জানান, গ্রীষ্মকালে অফিস টাইমের এই বদল প্রচুর বিদ্যুৎ বাঁচাবে।

    ভগবন্ত মান (Bhagwant Mann) বলেন…

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পঞ্জাব স্টেট পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেড জানিয়েছে বিদ্যুতের চাহিদ সব চেয়ে বেশি হয় বেলা দেড়টা থেকে। তাই সরকারি অফিসগুলি যদি ২টোয় ছুটি হয়ে যায়, তাহলে ৩০০ থেকে ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাঁচবে। বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা সূত্রে খবর, বিদ্যুতের সব চেয়ে বেশি চাহিদা থাকে দেড়টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। মুখ্যমন্ত্রী জানান, অফিস টাইমের এই বদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষ এবং কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে। তিনি জানান, বিদেশে এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে দীর্ঘদিন। তবে ভারতে এই প্রথম।

    গোটা দেশের মতো পঞ্জাবেও (Bhagwant Mann) এতদিন ১০টা থেকে ৫টা অবধি অফিস হত। দিনের যে সময় বিদ্যুতের চাহিদা সব চেয়ে বেশি হয়, সেই সময়ই কাজের গতিও থাকে বেশি। তাই চাহিদা ও জোগানের ফারাক থাকে। নয়া অফিসের সময় সীমা চালু হলে বিদ্যুতের চাহিদা এক লপ্তে কমে যাবে অনেকখানি। সেই বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাবে গৃহস্থের। পঞ্জাবের (Bhagwant Mann) কংগ্রেস সরকারকে হারিয়ে গত বছরই ক্ষমতায় আসে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হন মান। তার পর থেকে একের পর এক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালু করেছেন তিনি। যার জেরে উপকৃত হচ্ছেন পঞ্জাববাসী। এবার বিদ্যুৎ বাঁচাতে তাঁর এহেন পদক্ষেপ দৃষ্টান্ত হয়ে রইল গোটা দেশে। এখন দেখার, বিদ্যুৎ বাঁচাতে আর কোন রাজ্য এহেন পদক্ষেপ নেয় কিনা।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর সভার আগেই খেজুরিতে তৃণমূলীদের তাণ্ডব! একাধিক বাড়ি ভাঙচুর, আক্রান্ত বহু বিজেপি কর্মী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhagwant Mann: সত্যিই মদ্যপ ভগবন্তকে নামিয়ে দেওয়া হয় বিমান থেকে? তদন্তের নির্দেশ বিমানমন্ত্রীর

    Bhagwant Mann: সত্যিই মদ্যপ ভগবন্তকে নামিয়ে দেওয়া হয় বিমান থেকে? তদন্তের নির্দেশ বিমানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তর্মুখী বিমান চলাচল এবং বিমান পরিবর্তনের জন্য আসল সময়ের থেকে দেরিতে ছেড়েছিল ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে দিল্লিগামী বিমান। এর সঙ্গে পাঞ্জাবের (Punjab) মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের(Bhagwant Mann) কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে লুফথানসা কর্তৃপক্ষ। বিমান দেরিতে ছাড়ার কারণ জানতে চাওয়া এক নেটিজেনের প্রশ্নের উত্তরে ট্যুইটারে বিমান সংস্থাটি জানিয়েছে, বিমানের ট্র্যাফিক সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে দিল্লিগামী বিমানটি ছাড়তে বিলম্ব হয়। অন্য কোনও কারণ নেই।

    উল্লেখ্য, পাঞ্জাবের বিরোধী দলনেতা সুখবীর সিং বাদল অভিযোগ করেছিলেন, জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরে রবিবার যখন পৌঁছেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান তখন তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। সহযাত্রীরা জানিয়েছেন, তাঁর পা টলছিল। অশান্তিও করছিলেন। সেই কারণে লুফথানসা কর্তৃপক্ষ তাঁকে বিমান থেকে নামিয়ে দিতে বাধ্য় হয়। তাঁর মালপত্র বিমানে থেকে যাওয়ায় তা নামাতে দেরি হয়। সেজন্য বিমান ছাড়তেও বিলম্ব হয়।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে বিদেশি বিনিয়োগ আনার উদ্দেশে আট দিনের জার্মানি সফরে গিয়েছিলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে বিমান ধরে দিল্লি ফেরার কথা ছিল তাঁর। দুপুর ১.৪০ মিনিটে বিমান ছাড়ার কথা থাকলেও তা আসলে ছাড়ে বিকাল ৫.৩৪ মিনিটে। এরপরেই সেই দেরির কারণ হিসেবে মানকে দায়ী করে ট্যুইট করেন শিরোমনি আকালি দল নেতা সুখবীর সিং।

    আরও পড়ুন: মিলল সোনিয়ার সম্মতি, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট পদে অশোক-শশী লড়াই?

    বিমান দেরিতে ছাড়ার কারণ দর্শালেও ভগবন্ত মান মদ্যপ অবস্থায় বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন কিনা সেকথা জানতে চাওয়া হলে অবশ্য লুফথানসার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, তথ্যসুরক্ষার কারণে কোনও নির্দিষ্ট যাত্রী সম্পর্কে তথ্য দিতে তারা রাজি নয়। আপ যদিও আগেই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বলা হয়েছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। এর কোনও ভিত্তি নেই। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে, বলে জানিয়েছেন  বিমানমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Vijay Singla: ১৪ দিনের জেল হেফাজতে ঘুষকাণ্ডে ধৃত পাঞ্জাবের বরখাস্ত হওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    Vijay Singla: ১৪ দিনের জেল হেফাজতে ঘুষকাণ্ডে ধৃত পাঞ্জাবের বরখাস্ত হওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার গঠনের মাত্র দু’মাস কেটেছে। তার মধ্যেই দুর্নীতির অভিযোগে বরখাস্ত হয়েছেন পাঞ্জাবের (Punjab) আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party) সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজয় সিংলা (Vijay Singla)। এবার তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। নিজের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রীকে বরখাস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান (Bhagwant Mann)। বরখাস্ত করার পরেই এদিন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেন ভগবন্ত। তার পরেই মঙ্গলবার বিজয় সিংলাকে গ্রেফতার করে পাঞ্জাব পুলিশ।    

    মামলাটি মোহালি আদালতে উঠলে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। বিজয় সিংলার বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পে কাজের বিনিময়ে ঠিকাদারদের থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার পাঞ্জাবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজয় সিংলা, বরখাস্ত মন্ত্রিসভা থেকেও

    এবিষয়ে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রতিটি টেন্ডার পিছু এক শতাংশ করে কমিশন চাইছিলেন অভিযুক্ত মন্ত্রী৷ বিগত সরকারের আমলে দুর্নীতি হলেও এই সরকার দুর্নীতি বরদাস্ত করবে না বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, তিনি জানতে পারেন যে, মন্ত্রিসভার একজন সদস্য টেন্ডার প্রতি এক শতাংশ করে কমিশন চাইছেন। বিষয়টি জানতেই দ্রুত পদক্ষেপ নেন তিনি। 

    বিজয় সিংলার স্পেশ্যাল ডিউটি অফিসার প্রদীপ কুমারের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁকেও ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবারই পুলিশ গ্রেফতার করে বিজয় সিংলা এবং প্রদীপ কুমারকে। বিপুল ভোটে জিতে মার্চে পাঞ্জাবে ক্ষমতায় আসে আপ (AAP)। প্রতিশ্রুতি ছিল রাজ্যে দুর্নীতি দমন করা। মাত্র দুমাস যেতে না যেতেই সেই দলের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় অস্বস্থিতে আম আদমি পার্টি।

    মুখ্যমন্ত্রীর শপথের দিন দুয়েক পরে আম আদমি পার্টির ১০ বিধায়ক ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দাঁতের ডাক্তার বিজয় সিংলা। পাঞ্জাবের মনসা কেন্দ্র থেকে তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। তাঁর হাতেই স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, বিজয় সিংলা নিজের অন্যায়ের কথা স্বীকার করেছেন।

     

     

  • Bhagwant Mann Marriage: দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী, পাত্রী ৩২ বছরের গুরপ্রীত

    Bhagwant Mann Marriage: দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী, পাত্রী ৩২ বছরের গুরপ্রীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন পাঞ্জাবের (Punjab) মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান (Bhagwant Mann)। বৃহস্পতিবার চণ্ডিগড়ে হয়েছে তাঁর বিয়ে। ডক্টর গুরপ্রীত কৌরকে (Dr Gurpreet Kaur) বিয়ে করছেন তিনি। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও (Arvind Kejriwal) ভগবন্ত মান-এর বিয়েতে যোগ দেবেন। ঘরোয়াভাবেই বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আজ, বৃহস্পতিবার নিজের বাসভবনেই চিকিৎসক গুরপ্রীত কৌরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন তিনি। শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও দলের নেতা-নেত্রীদেরই আমন্ত্রণ করা হয়েছে তাঁর বিয়েতে। এর মধ্যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বিশেষ অতিথি ভগবন্ত মানের।

    [tw]


    [/tw]

    ৩২ বছরের মেয়ে গুরপ্রীত কৌরের সঙ্গে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর বিয়ে নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালে আম্বালার মহাঋষি মারকেণ্ডশ্বর বিশ্ববিদ্যালয় (Maharishi Markandeshwar University) থেকে ডাক্তারি পাশ করেছেন গুরপ্রীত। তিন বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট তিনি। বড় দুই দিদি আমেরিকা আর অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। গুরপ্রীত বর্তমানে মোহালিতে থাকেন।  কোনওরকম জাঁকজমক ছাড়াই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা।

    ভগবন্ত মান এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য ছাদনাতলায় বসেছেন। তাঁর প্রথম স্ত্রী ইন্দরপ্রীত কৌর(Inderpreet Kaur) -এর সঙ্গে ২০১৫ সালেই বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। তাঁদের দুই ছেলে-মেয়েও রয়েছে। দিলশান (Dilshan) ও সীরাট (Seerat) তাঁর দুই সন্তানই পিতার দ্বিতীয়বারের বিয়ে নিয়ে যথেষ্ট উৎসুক ছিল। বাগদানের অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করেছিল তারা।

    ভগবন্ত মানের ক্যাবিনেটের সহকর্মী অমন অরোরা (Aman Arora), হরজোত সিং (Harjot Singh) তাঁকে ট্যুইটারের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, আপ নেতা রাঘব চাড্ডা সহ অনেকেই এদিন বিয়ের আসরে হাজির ছিলেন। 

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

     

  • Punjab: দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার পাঞ্জাবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজয় সিংলা, বরখাস্ত মন্ত্রিসভা থেকেও

    Punjab: দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার পাঞ্জাবের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজয় সিংলা, বরখাস্ত মন্ত্রিসভা থেকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার পাঞ্জাবের (Punjab) স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজয় সিংলা (Vijay Singla)। মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা মাত্রই স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান (Punjab CM Bhagwant Mann)।

    কংগ্রেসকে (congress) হঠিয়ে মাস দুয়েক আগে পাঞ্জাবের ক্ষমতায় আসে আম আদমি পার্টি (AAP)। ভোটের আগে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের আশ্বাস দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) পার্টি। কংগ্রেস শাসনকালে পাঞ্জাবে নানা কেলেঙ্কারির অভিযোগ আসছিল। স্বভাবতই দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি মনে ধরে ভোটারদের। তার জেরেই বিপুল জনাদেশ নিয়ে পাঞ্জাবের তখ্তে বসে কেজরিওয়ালের দল। মুখমন্ত্রী হন ভগবন্ত মান।

    মান মন্ত্রিসভার বয়স ১০ সপ্তাহের কাছাকাছি। এখনই উঠেছে দুর্নীতির অভিযোগ। কাঠগড়ায় রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিজয় সিংলা (vijay singla)। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা মাত্রই তাঁকে বরখাস্ত করেন মান। সিংলার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সরকারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক শতাংশ কমিশন নিচ্ছিলেন তিনি। তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন শাখা। তার পরেই প্রথমে বরখাস্ত এবং তারই কিছুক্ষণ পরে গ্রেফতার করা হয় সিংলাকে। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকে জানানো হয়েছে, সিংলার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রমাণ মেলার পরেই বরখাস্ত করা হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুন : দুর্নীতি ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ,ইস্তফা দিলেন কর্নাটকের মন্ত্রী[tw]



    [/tw]

    পঞ্জাবের কোনও নেতা, মন্ত্রী, আমলা বা যে কোনও সরকারি কর্মচারীকে দুর্নীতিতে জড়িত থাকতে দেখলেই, তা ভিডিও করে বা প্রমাণ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মানের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠিয়ে দিলেই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুর্নীতি রুখতে নিজের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর রাজ্যের মানুষের সঙ্গে শেয়ারও করেছেন মান।

    পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেই মান জানিয়ে দিয়েছিলেন, দুর্নীতি রুখতে কাউকেই রেয়াত করা হবে না। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় ইতিমধ্যেই কয়েকজন সরকারি কর্মচারীকে শাস্তিও দিয়েছেন। এবার শাস্তির খাঁড়া পড়ল তাঁরই মন্ত্রিসভার এক মন্ত্রীর ঘাড়ে। মন্ত্রীকে বরখাস্ত করে মন্ত্রিসভার পাশাপাশি সরকারি কর্মীদেরও মান বার্তা দিলেন বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

    আরও পড়ুন : দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে তড়িঘড়ি ৭ হাজার পদ তৈরি এসএসসি-তে?

    মান সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমর্থনে ট্যুইট করেছেন আপ নেতামন্ত্রীরা। দলের তরফে পাঞ্জাবের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব চাড্ডা ট্যুইট করে বলেন, আম আদমি পার্টিই একমাত্র রাজনৈতিক দল, যারা অখণ্ডতা, সাহস এবং সৎ পথে চলার কথা শুধু মুখেই নয়, কাজেও করে দেখানোর ক্ষমতা ধরে। তাঁর সংযোজন, আমরা এটা দিল্লিতেও দেখেছি। এবার পাঞ্জাবেও একই ঘটনার সাক্ষী হলাম।

    প্রসঙ্গত, স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এমন ঘটনা ঘটল, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী তাঁরই মন্ত্রিসভার কোনও সদস্যকে বরখাস্ত করলেন। ২০১৫ সালে দুর্নীতির অভিযোগে তাঁর এক মন্ত্রীকে বরখাস্ত করেছিলেন কেজরিওয়াল স্বয়ং। এবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীকে ট্যুইট কেজরিওয়াল লিখেছেন, ভগবন্ত তোমায় নিয়ে গর্বিত। তোমার কাজ আমার চোখে জল এনে দিয়েছে। আজ গোটা জাতি আপকে নিয়ে গর্ব অনুভব করবে।

     

LinkedIn
Share