Tag: Bharat Ratna

Bharat Ratna

  • Bharat Ratna: মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হল প্রাক্তন দুই প্রধানমন্ত্রী সহ চারজনকে

    Bharat Ratna: মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করা হল প্রাক্তন দুই প্রধানমন্ত্রী সহ চারজনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিরার ভারতরত্ন সম্মানে (Bharat Ratna) ভূষিত করা হবে প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী এলকে আডবাণীকে। তার আগের দিন শনিবার দেওয়া হল মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান। দেশের সর্বোচ্চ এই নাগরিক সম্মানে ভূষিত করা হল দেশের নবম প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমহা রাও, দেশের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংহ, বিহারের দু’বারের মুখ্যমন্ত্রী কর্পূরী ঠাকুর এবং ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক বিজ্ঞানী এমএস স্বামীনাথন।

    মরণোত্তর সম্মান (Bharat Ratna)

    শনিবার মরণোত্তর এই সম্মান তুলে দেওয়া হয় এই চারজনের পরিবারের সদস্যদের হাতে। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে মরণোত্তর এই সম্মান নেন পিভি নরসিমহা রাওয়ের ছেলে পিভি প্রভাকর রাও, চৌধুরি চরণ সিংহের তরফে পুরস্কার নেন তাঁর নাতি জয়ন্ত চৌধুরি। কর্পূরী ঠাকুরের ছেলে রামনাথ ঠাকুর এবং বিজ্ঞানী স্বামীনাথনের মেয়ে নিত্যা রাও-ও এদিন (Bharat Ratna) রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে নিয়ে আসেন ভারতরত্ন পুরস্কার। ছয়ের দশকে ভারতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছিল কৃষিক্ষেত্রে। সেই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিজ্ঞানী স্বামীনাথন।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    এদিনের ভারতরত্ন প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, রাজ্যসভার বিরোধী নেতা তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার আগেই উত্তরপ্রদেশে জয়ন্ত চৌধুরির রাষ্ট্রীয় লোকদলের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে বিজেপি। চলতি বছর ভারত সরকার পাঁচজনকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করার কথা ঘোষণা করে।

    আরও পড়ুুন: “দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, প্রতিপক্ষ হিসাবে কাউকে ভাবছি না”, বললেন অমৃতা রায়

    এর মধ্যে চারজনই পেয়েছেন মরণোত্তর ভারতরত্ন পুরস্কার। এঁদের মধ্যে জীবিত রয়েছেন বিজেপির দ্বিতীয় সভাপতি তথা প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী এলকে আডবাণী। তাঁকে সম্মানিত করা হবে রবিবার। যেহেতু আডবাণী অসুস্থ, তাই তাঁর বাড়িতে গিয়ে ভারতরত্ন পুরস্কার দিয়ে আসবেন রাষ্ট্রপতি স্বয়ং। এদিনের ঘরোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ১৯৫৪ সাল থেকে ভারতরত্ন পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। দেশের প্রতি বিশেষ অবদানের জন্য দেওয়া হয় এই সম্মান। দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান এটি (Bharat Ratna)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Karpoori Thakur: মরণোত্তর ভারতরত্ন পাচ্ছেন বিহারের জননায়ক কর্পূরী ঠাকুর

    Karpoori Thakur: মরণোত্তর ভারতরত্ন পাচ্ছেন বিহারের জননায়ক কর্পূরী ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরে মরণোত্তর ভারতরত্ন পাচ্ছেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কর্পূরী ঠাকুর (Karpoori Thakur)। মঙ্গলবারই একথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সাল হল কর্পূরী ঠাকুরের জন্মশতবর্ষ। যিনি বিহারে জননায়ক নামেও পরিচিত ছিলেন। তাঁকে জনগণের নেতা বলা হত। জন আন্দোলন, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের মর্যাদা এবং সম্মানের দাবিতে তাঁর লড়াই, তাঁকে বিহারের জনগণের নেতা বানিয়ে তুলেছিল।

    সংক্ষিপ্ত জীবনী

    ১৯২৪ সালের ২৪ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন কর্পূরী ঠাকুর (Karpoori Thakur)। তিনি প্রয়াত হন ১৯৮৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। বিহারের পিছিয়ে পড়া মানুষের নেতা হিসেবে উঠে আসেন তিনি। বিহারের পিতাউনঝিয়া যা বর্তমানে পরিচিত কর্পূরী গ্রাম নামে। বিহারের সমস্তিপুর জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন অংশগ্রহণ করতে গিয়ে তিনি জেলও খেটেছেন। স্বাধীন ভারতে ১৯৫২ সালে তিনি প্রথমবারের জন্য বিধায়ক নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি নির্বাচিত বিধায়ক পদেই ছিলেন। ১৯৭৭ সালে তিনি সাংসদ হন। একমাত্র ১৯৮৪ সালেই তিনি নির্বাচনে পরাস্ত হন। কারণ সেবার ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুতে দেশজুড়ে সহানুভূতির হাওয়া তৈরি হয়। ১৯৬৭ সালের ৫ মার্চ থেকে ১৯৬৮ সালের ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত বিহারের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন কর্পূরী ঠাকুর। ১৯৭০ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হন সংযুক্ত সোশ্যালিস্ট পার্টির। কিন্তু ছয় মাসের মাথায় সরকারের পতন হয়। পরবর্তীকালে ১৯৭৭ সালে জুন মাসে তিনি আবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হন।

    কর্পূরী ঠাকুরের জনস্বার্থ নীতি

    বিহারে দীর্ঘদিন প্রশাসক থাকার সুবাদে তিনি অনেক রকমের নীতি গ্রহণ করেছিলেন। যেমন ইংরেজিকে বাধ্যতামূলক বিষয় থেকে বাদ দেন মাধ্যমিক পরীক্ষায়। মদ্যপানের উপর প্রতিবন্ধকতা লাগানো তাঁর কৃতিত্ব ছিল। সে সময় বিহারের বেকার ইঞ্জিনিয়াররা আন্দোলন শুরু করলে তিনি তাদের দাবিকে মান্যতা দেন এবং আট হাজার জন চাকরি পান। তাঁর আমলে বিহার সরকার ১৯৭০ সালে নিয়োগ করে মুঙ্গেরিলাল কমিশন। কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১২৮ টি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করে নামকরণ করা হয়। যাদের মধ্যে ৯৪টি ছিল অত্যন্ত পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়। জনতা পার্টির সরকারের আমলে কর্পূরী ঠাকুর (Karpoori Thakur) সংরক্ষণ নীতি আনেন। যা কর্পূরী ঠাকুর ফর্মুলা নামে পরিচিত। এখানে ২৬ শতাংশ সংরক্ষণের কথা বলা হয়। যেখানে ওবিসিরা পায় ১২ শতাংশ সংরক্ষণ, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া ওবিসিরা পায় ৮ শতাংশ সংরক্ষণ, মহিলাদের দেওয়া হয় ৩ শতাংশ সংরক্ষণ এবং উচ্চ বর্ণের জন্য থাকে ৩ শতাংশ সংরক্ষণ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ভারতরত্ন পাওয়ার অধিকার কি কেবল কংগ্রেসেরই”, বললেন মোদি

    PM Modi: “ভারতরত্ন পাওয়ার অধিকার কি কেবল কংগ্রেসেরই”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতরত্ন পাওয়ার অধিকার কেবল মাত্র একটি পরিবারেরই রয়েছে বলে মনে করে কংগ্রেস।” সোমবার এই ভাষায়ই গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে প্রায় ১৪ হাজার প্রকল্পের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পের মূল্য ১০ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি।

    চৌধুরী চরণ সিংহকে ভারতরত্ন

    সেই অনুষ্ঠানেই কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “দিন কয়েক আগে আমাদের সরকার কৃষক নেতা চৌধুরী চরণ সিংহকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেছে। তিনি ছিলেন উত্তরপ্রদেশের ভূমিপুত্র। তাঁর এই সম্মান দেশের কোটি কোটি কৃষক ও শ্রমিককে সম্মাননা জ্ঞাপন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা এটা বুঝতে চায়নি।” তিনি বলেন, “আপনারা অবশ্যই দেখেছেন, যখন চৌধুরী চরণ সিংহের নাম নিয়ে আলোচনা হয় পার্লামেন্টে, তখন কীভাবে কংগ্রেস বিষয়টিকে জটিল করে তুলেছিল।”

    “কংগ্রেস দলিতদের শ্রদ্ধা করে না”

    এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেসের লোকজন বিশ্বাস করেন, এ দেশে ভারতরত্ন পাওয়ার হক রয়েছে কেবল একটিই মাত্র পরিবারের। কংগ্রেস দশকের পর দশক ধরে বাবা সাহেব আম্বেদকরকে ভারতরত্ন দেয়নি, দিয়েছে নিজেদের পরিবারের লোকজনকে।” তিনি (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেস বাবা সাহেব আম্বেদকরকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেছিল ১৯৯০ সালে, তাঁর মৃত্যুর অনেক পরে। কংগ্রেস গরিবদের শ্রদ্ধা করে না। দলিত, পিছড়ে বর্গ, কৃষক, শ্রমিক এঁদেরও শ্রদ্ধা করে না। কারণ তাঁদের কথা কংগ্রেস কখনওই ভাবে না। এমনকি ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংহের জীবদ্দশায় কংগ্রেস তাঁর সঙ্গেও দর কষাকষি করেছিল।”

    আরও পড়ুুন: আদালতের নির্দেশকে অমান্য! সন্দেশখালিতে যেতে শুভেন্দুকে বাধা দিল পুলিশ

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “চৌধুরী সাহেব প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়েছিলেন। যদিও নীতির সঙ্গে আপোস করেননি। এটা দুঃখজনক ঘটনা যে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস তাঁর নামে রাজনীতি করলেও, তাঁর নীতি-আদর্শ অনুসরণ করেনি।” তিনি (PM Modi) বলেন, “চৌধুরী সাহেব ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য কী কী করেছিলেন, দেশ তা কখনও ভুলবে না। চৌধুরী সাহেবের আদর্শে প্রাণিত হয়ে আমরা অনবরত দেশের কৃষকদের শক্তিশালী করে চলেছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bharat Ratna: অ-বিজেপি দুই প্রধানমন্ত্রীকে ভারতরত্ন, কী বললেন নাড্ডা?

    Bharat Ratna: অ-বিজেপি দুই প্রধানমন্ত্রীকে ভারতরত্ন, কী বললেন নাড্ডা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনজনকে ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে বলে শুক্রবার জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এঁরা হলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের নরসিংহ রাও, দেশের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী তথা ভারতীয় লোক দলের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরি চরণ সিংহ এবং ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক এম স্বামীনাথন। স্বামীনাথন বিজ্ঞানী। কিন্তু বাকি দুজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। দুজনেই আবার ঘোরতরভাবে বিজেপি বিরোধী দলের নেতা ছিলেন। তা সত্ত্বেও কেন তাঁদের দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্নে ভূষিত করা হচ্ছে?

    ভারতরত্ন

    চরণ সিংহকে ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান দেওয়ার কারণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উনি কৃষকদের অধিকার ও তাঁদের কল্যাণের জন্য নিজের পুরো জীবন সমর্পণ করে দিয়েছিলেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হোন বা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোন বা বিধায়ক হোন, উনি সর্বদা দেশের উন্নতির জন্য কাজ করে গিয়েছেন।” কংগ্রেস নেতৃত্বকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “জরুরি অবস্থার সময় কঠোরভাবে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। আমাদের কৃষক ভাইবোনেদের প্রতি উনি যেভাবে নিজের জীবন সমর্পণ করেছেন এবং জরুরি অবস্থার সময় গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর যে অবদান রয়েছে, তা দেশের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।”

    নরসিমহা রাওয়ের প্রশংসা

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নরসিমহা রাওয়েরও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “ভারতের অর্থনীতিকে মজবুত করে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। যা দেশের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দিয়েছিল।”

    আরও পড়ুুন: পুলিশি হেফাজত আরাবুল ‘কারাবুলে’র, সিঁদুরে মেঘ দেখছে জাহাঙ্গিরের অনুগামীরা

    এই দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছাড়াও আরও একজনকে ভারতরত্ন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী এলকে আডবাণী। আডবাণী বিজেপি হলেও, বাকি দুই ভারতরত্ন-প্রাপক তো বিজেপি নন! দলীয় বৃত্তের মধ্যেই যে পুরস্কার ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়ে যায় (নিন্দকদের এহেন বক্তব্যের সঙ্গে মাধ্যম সহমত পোষণ করে না), সেখানে বিজেপি বিরোধী দুই রাষ্ট্রনেতাকে কেন দেওয়া হচ্ছে ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান? মোক্ষম জবাবটি দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তাঁর মতে, মোদি সরকার দলের ঊর্ধ্বে উঠে দেশবাসীর প্রতি যাঁরা অবদান রেখেছেন, তাঁদের সম্মানিত করেছে। নরসিমহা রাও সম্পর্কে নাড্ডা বলেন, “তিনি দ্রুত অর্থনীতির দুয়ার খুলে দিয়েছিলেন।” আর চরণ সিংহ সম্পর্কে তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, “আমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রকৃত প্রতিনিধি তিনি (Bharat Ratna)।”

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MS Swaminathan: ভারতরত্ন পাচ্ছেন ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক এমএস স্বামীনাথন, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    MS Swaminathan: ভারতরত্ন পাচ্ছেন ‘সবুজ বিপ্লবে’র জনক এমএস স্বামীনাথন, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত হচ্ছেন সবুজ বিপ্লবের জনক এম স্বামীনাথন (MS Swaminathan)। শুক্রবার তাঁর নাম ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমহা রাও এবং চৌধুরী চরণ সিংহকেও দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক নাগরিক সম্মান দেওয়া হচ্ছে।

    কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমাদের দেশের কৃষিক্ষেত্র ও কৃষকদের কল্যাণের ক্ষেত্রে অভাবনীয় অবদানের জন্য ডক্টর স্বামীনাথনজিকে যে ভারতরত্ন প্রদান করছে ভারত সরকার, তা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। কঠিন সময় কৃষিক্ষেত্রে ভারতকে আত্মনির্ভর করে তোলার ক্ষেত্রে উনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ডক্টর স্বামীনাথনের দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলে শুধু যে ভারতের কৃষিক্ষেত্রের আমূল পরিবর্তন হয়েছে, তা-ই নয়। তিনি দেশের খাদ্যসুরক্ষা ও সমৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করে গিয়েছেন। তাঁকে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। আমি সব সময় ওঁর চিন্তাভাবনা এবং পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছি।”

    কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান 

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তিনি চ্যালেঞ্জিং সময়ে ভারতকে কৃষিতে স্বনির্ভরতা অর্জনে সাহায্য করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন ও ভারতীয় কৃষির আধুনিকীকরণের জন্য চমৎকার প্রচেষ্টা করেছেন।” তিনি বলেন, “স্বামীনাথনের অন্তর্দৃষ্টিকে আমি মূল্য দিতাম।” গত সেপ্টেম্বরে চেন্নাইয়ে ৯৮ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি (MS Swaminathan)। দেশে দুর্ভিক্ষ রুখতে ও কৃষিক্ষেত্রে দেশকে স্বয়ং সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে ছয়ের দশকের শেষের দিকে সবুজ বিপ্লবের সূচনা করে ভারত সরকার। এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন স্বামীনাথন। উন্নত বীজ এবং জলসেচের মাধ্যমে পশ্চিম ভারত, মূলত পঞ্জাবে কৃষিক্ষেত্রের আমূল সংস্কার সাধন করা হয়। খাদ্যশস্যের জন্য বিদেশি রাষ্ট্র নির্ভরতা যে অনেকাংশে কমানো গিয়েছিল, তা স্বীকার করেন সকলেই।

    ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চের ডিরেক্টর জেনারেল পদে ছিলেন স্বামীনাথন। সেই সময় ভারত সরকারের কৃষি গবেষণা ও শিক্ষা দফতরের সচিবও ছিলেন তিনি। ২০০৭ ও ২০১৩ সালে পর পর দুবার রাজ্যসভায় মনোনয়ন দেওয়া হয় তাঁকে। কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৭১ সালে তাঁকে দেওয়া হয় রমন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার। পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণ পুরস্কারেও ভূষিত হন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, “কৃষিতে বৈপ্লবিক অবদানের বাইরেও ডক্টর স্বামীনাথন ছিলেন উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভরকেন্দ্র। বহু মানুষের পথ প্রদর্শক ছিলেন তিনি। গবেষণার প্রতি তাঁর সঙ্কল্প বহু বিজ্ঞানী এবং গবেষককে অনুপ্রাণিত করেছিল (MS Swaminathan)।”

    আরও পড়ুুন: ‘কেষ্ট’র নাকি শনির দশা চলছে! ৫০ কেজি ঘি দিয়ে বিরাট হোম-যজ্ঞের আয়োজন বোলপুরে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bharat Ratna: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাও, চৌধুরি চরণ সিং ও বিজ্ঞানী স্বামীনাথন পাচ্ছেন ভারতরত্ন

    Bharat Ratna: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাও, চৌধুরি চরণ সিং ও বিজ্ঞানী স্বামীনাথন পাচ্ছেন ভারতরত্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমা রাও এবং চৌধুরি চরণ সিং পাচ্ছেন ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান। পাশাপাশি বিজ্ঞানী এমএস স্বামীনাথনকেও ভারতরত্নে ভূষিত করা হবে। শুক্রবার একথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উল্লেখ্য তিনজনেই মরণোত্তর ভারত রত্ন পাচ্ছেন। প্রসঙ্গত মোদি সরকার এর আগেই দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান প্রদান করে প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী লাল কৃষ্ণ আডবাণী এবং বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কর্পুরি ঠাকুরকে।

    মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান পাচ্ছেন পি ভি নরসিমা রাও

    মরণোত্তর ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান প্রদান করা হচ্ছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমা রাওকে। এ নিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘‘নরসিমা রাও ভারতকে নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন। অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল…বিদেশ নীতি, ভাষা এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।’’

    মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান পাচ্ছেন চৌধুরি চরণ সিং

    মরণোত্তর ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান পাচ্ছেন চৌধুরি চরণ সিংহ। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, ‘‘দেশের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে চৌধুরি চরণ সিং-এর। তাঁর সমস্ত জীবন তিনি কৃষকদের অধিকার এবং বিকাশের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। জরুরি অবস্থা বিরুদ্ধে তিনি রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।’’

    মরণোত্তর ভারতরত্ন সম্মান পাচ্ছেন এম এস স্বামীনাথন

    গত বছরই প্রয়াত হন বিজ্ঞানী এমএস স্বামীনাথন। চলতি বছরে তাঁকে মরণোত্তর ভারতরত্ন (Bharat Ratna) সম্মান প্রদান করতে চলেছে মোদি সরকার। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, ‘‘তাঁর (স্বামীনাথন) উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে দেশের কৃষিক্ষেত্র এবং চাষীদের জন্য।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lal Krishna Advani: ভারতরত্ন পেয়ে কী প্রতিক্রিয়া জানালেন আডবাণী জানেন?

    Lal Krishna Advani: ভারতরত্ন পেয়ে কী প্রতিক্রিয়া জানালেন আডবাণী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: ভারতরত্নে ভূষিত হয়েছেন প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবাণী (Lal Krishna Advani)। শনিবারই এ খবর জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত হয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা আডবাণী। নবতিপর এই নেতা প্রকাশ করলেন কৃতজ্ঞতা।

    কী বললেন আডবাণী?

    ভারতরত্ন পাচ্ছেন শুনে আদবানি বলেন, “রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আন্তরিক ধন্যবাদ। যেদিন থেকে আরএসএসে যোগদান করেছি, আমি কেবলমাত্র দেশের প্রতি নিজের আত্মত্যাগের জন্যই পুরস্কার চেয়েছিলাম। প্রিয় দেশের জন্য যা যা প্রয়োজন, আমি করেছি। এটা কেবলমাত্র একটি পুরস্কার নয়, যে নীতি ও আদর্শকে আমি বহন করি, সেটির সম্মান।” এদিন হাতজোড় করে সকলকে ধন্যবাদ জানান আডবাণী। পাশে ছিলেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আডবাণীর মেয়ে প্রতিভা বলেন, “আমাদের পরিবার খুব খুশি। আজ মাকে খুব মিস করছি। ওঁর জীবনে মায়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য। খবরটা শুনে উনি খুব খুশি হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও দেশের সকলকে উনি করজোড়ে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। জীবন সায়াহ্নে এসে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পেয়ে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ তিনি।”

    রাজনাথ সিংহের প্রতিক্রিয়া

    আডবাণীকে (Lal Krishna Advani) ভারতরত্ন দেওয়ায় খুশি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “সম্মানীয় লালকৃষ্ণ আডবাণীজি, যিনি আমাদের সকলের অনুপ্রেরণা, তাঁকে ভারতরত্ন দেওয়ার সিদ্ধান্তে আমি অত্যন্ত খুশি। তিনি পবিত্রতার প্রতীক। রাজনীতিতে তাঁর একাগ্রতা শিক্ষনীয়। তাঁর সুদীর্ঘ জীবনে তিনি ভারতের রাজনীতিতে এবং দেশের উন্নতিতে অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছেন।”

    আরও পড়ুুন: আড়াল থেকে কলকাঠি নাড়তেন! আদালতে পার্থর পর্দাফাঁস করল সিবিআই

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির বর্ষীয়ান নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণীকে ভারতরত্ন দেওয়ার সিদ্ধান্তে আমি উচ্ছ্বসিত। তিনি লাখ লাখ পার্টি কর্মীর অনুপ্রেরণা। প্রাক্তন ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী তাঁর রাজনৈতিক জীবনে সকলকে অনুপ্রাণিত করেছেন। তাঁর প্রতিশ্রুতি, কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা, দেশকে একসূত্রে বেঁধে রাখার প্রচেষ্টা অতুলনীয়। স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার দিক থেকে তিনি বিরাট একটি স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করে দিয়েছেন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক উন্নতির ক্ষেত্রে তাঁর মতো রাজনীতিবিদ আজকে দিনে বিরল (Lal Krishna Advani)।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LK Advani Bharat Ratna: ভারতরত্ন পাচ্ছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী, ঘোষণা করলেন নরেন্দ্র মোদি

    LK Advani Bharat Ratna: ভারতরত্ন পাচ্ছেন লালকৃষ্ণ আডবাণী, ঘোষণা করলেন নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতরত্ন পাচ্ছেন প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণী (LK Advani)। শনিবার ঘোষণাটি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে আডবাণীর দুটি ছবি পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে যোঘণা করছি যে শ্রী লালকৃষ্ণ আডবাণীজিকে ভারতরত্ন প্রদান করা হচ্ছে। তাঁর সঙ্গে কথাও বলেছি আমি। ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত হওয়ার জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছি। আমাদের সময়ের অন্যতম শ্রদ্ধেয় রাষ্ট্রনায়ক। ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে তিনি যে অবদান রেখেছেন, তা অভাবনীয়। তৃণমূল স্তরে কাজ করার মাধ্যমে তাঁর জীবন শুরু করেছিলেন। সেই তিনিই উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমাদের দেশের সেবা করেছেন। আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী হিসেবে উনি (LK Advani) নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    তিনি লিখেছেন, “ওঁকে ভারতরত্ন প্রদান করতে পারা আমার কাছে অত্যন্ত আবেগের একটি মুহূর্ত। আমি যে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার এবং তাঁর কাছ থেকে শেখার অশেষ সুযোগ পেয়েছি, তার জন্য আমি সর্বদাই এটিকে আমার সাফল্য বলে মনে করব।” ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন। সেই সম্মানেই ভূষিত হতে চলেছেন বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আডবাণী (LK Advani Bharat Ratna)। তিনি ছিলেন দেশের সপ্তম উপ-প্রধানমন্ত্রী। ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

    এলকে আডবাণী

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের সদস্যও ছিলেন আডবাণী। দেশের সর্বাধিক সময় ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এই সৎ রাজনীতিবিদ। রাম জন্মভূমি আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন আডবাণী। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, “আডবাণীজি দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে সাধারণ জনগণকে যে পরিষেবা দিয়েছেন স্বচ্ছতা ও সততা বজায় রেখে, তা রাজনীতিতে মানদণ্ড তৈরি করেছে। দেশের অখণ্ডতা ও সংস্কৃতির পুনরুত্থানে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ওঁর সঙ্গে আলাপচারিতা করতে পারা ও ওঁর থেকে পাওয়া শিক্ষাকে আমি বরাবরই নিজের সৌভাগ্য (LK Advani Bharat Ratna) বলে মনে করেছি।”

    আরও পড়ুুন: ‘লোকসভার ফল বেরলেই রাজ্যে বিজেপি সরকার’, বললেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Saira Banu:  দিলীপ কুমারের স্মৃতিতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সায়রা বানু

    Saira Banu: দিলীপ কুমারের স্মৃতিতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সায়রা বানু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউডের কিংবদন্তী অভিনেতা দিলীপ কুমারের স্মৃতিতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তাঁর স্ত্রী সায়রা বানু। দীর্ঘ অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে ২০২১ সালের ৭ জুলাই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলিউডের অভিনেতা দিলীপ কুমার। প্রবীণ অভিনেত্রী সায়রা বানু তার প্রয়াত স্বামী, অভিনেতা দিলীপ কুমারের পক্ষে ভারতরত্ন ডঃ আম্বেদকর পুরস্কার গ্রহণ করার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। মঙ্গলবার অনুষ্ঠানে, তিনি বলেছিলেন যে তিনি এখনও তাঁর সঙ্গেই আছেন।

    আরও পড়ুন: কিশোর কুমারের চারটি বিয়ে! এই বিষয়ে কী বললেন তাঁর পুত্র অমিত কুমার

    উল্লেখ্য, সায়রা এবং দিলীপ ১৯৬৬ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং ২০২১ সালের জুলাইয়ে দিলীপের মৃত্যুর আগে পর্যন্ত অর্থাৎ ৫৫ বছর তাঁরা একসাথে ছিলেন। সম্প্রতি দিলীপ কুমারকে ভারতরত্ন ডঃ আম্বেদকর পুরস্কার (Bharat Ratna Dr Ambedkar Award) দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে মুম্বইয়ের এই অনুষ্ঠানে সায়রা বানু তাঁর স্বামীর তরফে উপস্থিত থাকেন ও পুরস্কারটি গ্রহণ করেন।পুরস্কার নেওয়ার সময় তিনি তাঁর স্বামীর কথা মনে পড়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি এদিন তাঁর বিষয়ে কথা বলার সময় তাঁকে কোহিনুর বলে সম্বোধন করে বলেন যে তাঁর স্বামীকে ভারত রত্ন সম্মানেও(Bharat Ratna) সম্মানিত করা উচিত।

    [insta]https://www.instagram.com/tv/Ceyq8aWKbbL/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    আরও পড়ুন: চার হাত, চার পা নিয়ে জন্মানো একরত্তি মেয়েকে নতুন জীবন দিলেন সোনু সুদ

    চোখ ভর্তি জল নিয়ে সায়রা বানু এদিন জানান, এই ধরণের অনুষ্ঠানে আসলে তাঁর দিলীপ কুমারের কথা আরও বেশি করে মনে পড়ে যায়। সেই জন্যই তিনি আসতে চান না। তিনি আরও জানান, দিলীপ সাহাব এই হিন্দুস্তানের কোহিনুর। তাই একজন কোহিনুর ভারত রত্ন সম্মান পাওয়ারই যোগ্য। তিনি স্মৃতিতে নয়, আজও তাঁর পাশে আছেন। আর এটাই তাঁর বিশ্বাস যে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি তাঁর পাশে হাঁটবেন। তাই তাঁর কখনও মনে হয় না যে তিনি নেই। যতদিন তিনি বাঁচবেন তিনি তাঁর সঙ্গী হয়েই থাকবেন। 

     

LinkedIn
Share