Tag: Bharatiya Janata Party bangla news

  • West Bengal Elections 2026: “বাংলার চেয়ে অন্যান্য রাজ্যে বদলি হয়েছে বেশি”, হাইকোর্টে জানাল নির্বাচন কমিশন

    West Bengal Elections 2026: “বাংলার চেয়ে অন্যান্য রাজ্যে বদলি হয়েছে বেশি”, হাইকোর্টে জানাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে প্রশাসনিক রদবদল বা আইএএস-আইপিএস অফিসারদের বদলি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেশ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। কমিশনের দাবি, নির্বাচনের (Election Commission India) সময় কেবল পশ্চিমবঙ্গেই নয়, অন্যান্য রাজ্যগুলোতেও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একই হারে বা তার চেয়েও বেশি সংখ্যক উচ্চপদস্থ আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে।

    আদালতে কমিশনের যুক্তি (West Bengal Elections 2026)

    শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে কমিশনের (Election Commission India) আইনজীবী জানান যে, নির্দিষ্ট সময় অন্তর এবং নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে অফিসারদের বদলি করা একটি স্বাভাবিক সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। এই কাজ সবসময়েই করা হয়ে থাকে। কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায় জানা গিয়েছে, গত কয়েকটি নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026)  উত্তরপ্রদেশ, বিহার বা তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলোতে নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গ অপেক্ষা বেশি সংখ্যক পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তাকে বদলি করা হয়েছে। ফলে পশ্চিমবঙ্গে কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটছে না।

    স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) স্পষ্ট করেছে যে, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়, বরং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। নির্বাচনকে ভয়মুক্ত এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশনের এই পদক্ষেপ। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কমিশনের এই যুক্তি খতিয়ে দেখছে। রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোয় এই আকস্মিক রদবদল (West Bengal Elections 2026) নিয়ে এর আগে সরব হয়েছিল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করে রাজ্য প্রশাসনকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কমিশনের এই পরিসংখ্যান সেই অভিযোগের পাল্টা জবাব হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

    রাজনৈতিক গুরুত্ব

    ২০২৬-এর নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আগে আইএএস ও আইপিএস অফিসারদের দায়িত্ব পরিবর্তন অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। বিশেষ করে জেলাশাসক (DM) এবং পুলিশ সুপার (SP) পদমর্যাদার অফিসারদের বদলি নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা (Election Commission)। আদালত এই বিষয়ে চূড়ান্ত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

  • Nitin Nabin: লক্ষ্য এবার নবান্ন! ২০২৬-এ বাংলায় পরিবর্তনের ডাক, আত্মবিশ্বাসী নিতিন নবীন

    Nitin Nabin: লক্ষ্য এবার নবান্ন! ২০২৬-এ বাংলায় পরিবর্তনের ডাক, আত্মবিশ্বাসী নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) পাখির চোখ করে বাংলায় ব্যাপক প্রচার অভিযান চালিয়েছে বিজেপি। সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin) তাঁর সফরের শুরুতেই জয়ের ব্যাপারে প্রবল আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলায় পরিবর্তনের সময় চলে এসেছে এবং আগামী নির্বাচনে বিজেপি একক শক্তিতেই সরকার গড়বে।”

    সংগঠন মজবুত করার কৌশল (Nitin Nabin)

    সফরের প্রথম দিন থেকেই নিতিন নবীন (Nitin Nabin) কলকাতা জোনের নেতাদের (West Bengal Elections 2026)  সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক শুরু করেছেন। সূত্রের খবর, বুথ স্তর থেকে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিচুতলার কর্মীদের মনোবল বাড়ানোই তাঁর এই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দলের প্রতিটি কর্মীকে সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে সরকারের ব্যর্থতাগুলি তুলে ধরতে হবে।

    জয়ের পূর্বাভাস ও রণকৌশল

    সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “বাংলায় মানুষ এখন এক বিকল্প শাসনের অপেক্ষায়। আমরা কেবল লড়াই করার জন্য নয়, জয়ের মানসিকতা নিয়ে ময়দানে নেমেছি। ২০২৬-এ বাংলায় পদ্ম ফুটবেই (West Bengal Elections 2026) ।” তিনি আরও জানান যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনকল্যাণমুখী প্রকল্প এবং ‘টিম ইন্ডিয়া’র ভাবাবেগই হবে বিজেপির তুরুপের তাস।

    তৃণমূলের পাল্টা জবাব

    নিতিন নবীন (Nitin Nabin) এই সফর এবং মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে দিল্লি থেকে নেতাদের আসা বাংলার মানুষের কাছে নতুন কিছু নয়। তৃণমূলের দাবি, বাংলার মাটি ও সংস্কৃতির সঙ্গে সাধারণ মানুষের নাড়ির টান কেবল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছে।

    কেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ?

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ২০২৬-এর আগে বাংলায় (West Bengal Elections 2026)  কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না। নিতিন নবীনের মতো অভিজ্ঞ সংগঠককে দায়িত্ব দেওয়া এটাই প্রমাণ করে যে, এবারের লড়াইকে বিজেপি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে। বিশেষ করে আসন বিন্যাস এবং প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি যে কঠোর পেশাদারিত্ব বজায় রাখবেন, তার ইঙ্গিত ইতিমধ্য়েই পাওয়া গেছে।

  • West Bengal Elections 2026: ভোট-ডিউটিতে নিয়োগ চিকিৎসকদেরও, চাকরিহারা শিক্ষকদের বিষয়ে কড়া কমিশন

    West Bengal Elections 2026: ভোট-ডিউটিতে নিয়োগ চিকিৎসকদেরও, চাকরিহারা শিক্ষকদের বিষয়ে কড়া কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খল করতে একগুচ্ছ নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)। এবারের নির্বাচনে প্রথাগত ভোটকর্মীদের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদেরও বিশেষ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার পথে হাঁটছে কমিশন। একইসঙ্গে, আইনি জটিলতায় কর্মচ্যুত শিক্ষকদের ভোটের কাজে ব্যবহার করা নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    চিকিৎসকদের অংশগ্রহণ; এক নতুন উদ্যোগ (West Bengal Elections 2026)

    সাধারণত নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) সময় ভোটকর্মীদের (Election Commission India) স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিকিৎসকরা ‘রিজার্ভ’ থাকেন। তবে এবার বুথ স্তরে এবং আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক মহলে ‘নজিরবিহীন’ বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে ভোট চলাকালীন কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা ভোটকর্মীদের অসুস্থতায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। সোমবার আরামবাগের প্রফুল্ল চন্দ্র সেন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের ৪৯ জন চিকিৎসককে ভোটের কাজে যোগদানের জন্য চিঠি পাঠায় কমিশন। ইতিমধ্যে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর-সহ বিভিন্ন বিভাগেরই চিকিৎসকদের ভোটের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    চাকরিহারা শিক্ষকদের নিয়ে কমিশনের স্পষ্ট বার্তা

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছরে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার জেরে রাজ্যে প্রচুর শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী কর্মচ্যুত হয়েছেন। তাঁদের ভোটের (West Bengal Elections 2026) ডিউটিতে নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধোঁয়াশা। এই বিষয়ে কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে। তবে আইনি জটিলতায় যাঁদের চাকরি গিয়েছে বা যাঁরা বর্তমানে চাকরিতে বহাল নেই, তাঁদের ভোটের কাজে নেওয়ার কোনও দায়িত্ব কমিশন নেবে না। এবার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন (Election Commission India) প্রক্রিয়া বজায় রাখতে শুধুমাত্র বর্তমানে কর্মরত এবং যাদের নথিপত্র বৈধ, তাঁদেরই ভোটকর্মী হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রশাসনিক তৎপরতা

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) এই কড়া অবস্থান আদতে ভোটের ময়দানে কোনও ধরনের বিতর্ক এড়ানোরই কৌশল। বিশেষ করে স্পর্শকাতর বুথগুলোতে অভিজ্ঞ এবং বিতর্কমুক্ত কর্মীদের মোতায়েন করাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। চিকিৎসক ও আধিকারিকদের নিয়ে দফায় দফায় প্রশিক্ষণ শিবিরও শুরু হতে চলেছে বলে কমিশন জানিয়েছে।

  • West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির ‘চার্জশিট’, সংকল্পপত্রের আগে দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশ

    West Bengal Elections 2026: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির ‘চার্জশিট’, সংকল্পপত্রের আগে দুর্নীতির খতিয়ান প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশলে বড়সড় বদল আনল ভারতীয় জনতা পার্টি। গত কয়েক বছরের রীতি ভেঙে এবার পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনী ইস্তাহার বা ‘সংকল্প পত্র’ প্রকাশের আগেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একটি বিশদ ‘চার্জশিট’ বা অভিযোগপত্র জনসমক্ষে আনতে চলেছে গেরুয়া শিবির। আগামী ২৮ মার্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) হাত ধরে এই পত্র প্রকাশিত হওয়ার কথা। ইতিমধ্যে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গিয়েছে ।

    কৌশলগত পরিবর্তন: কেন আগে চার্জশিট (West Bengal Elections 2026)?

    রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি এবার নেতিবাচক প্রচারের চেয়ে তথ্য ভিত্তিক আক্রমণে বেশি জোর দিচ্ছে। সাধারণ মানুষের কাছে উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে, বর্তমান সরকারের ‘ব্যর্থতা’ ও ‘দুর্নীতি’-র খতিয়ান তুলে ধরে একটি ক্ষেত্র তৈরি করতে চাইছে দল।

    আক্রমণের অভিমুখবঞ্চনার খতিয়ান

    গত ১৫ বছরের শাসনকালে নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা ও বালি পাচার এবং রেশনে অনিয়মের মতো বিষয়গুলোকে এই চার্জশিটে আইনি ও প্রশাসনিক নথির আদলে সাজানো হয়েছে।  বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই চার্জশিটে নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে কয়লা, পাথর ও বালি পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগগুলি এছাড়াও সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA) বঞ্চনা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির মতো বিষয়গুলোকেও অস্ত্র করবে পদ্ম-শিবির।

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদল এবং সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ (DA) না পাওয়ার বিষয়টিও এখানে গুরুত্ব পাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি পৌঁছানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বিজেপির নেতা- কর্মীদের। বিজেপির এই রণকৌশল কেবল সংবাদ সম্মেলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। স্থির হয়েছে কয়েকটি বিষয়কে মাথায় রেখে। তাঁর মধ্যে হল—

    জনসংযোগ

    দলের নিচুতলার কর্মীরা এই চার্জশিটের প্রতিলিপি নিয়ে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে ও বুথে সাধারণ মানুষের দুয়ারে যাবেন। তৃণমূলের গত কয়েক বছরের কাজের খতিয়ানের পাশে বিজেপির ‘ভিশন’ তুলে ধরা হবে।

    সংকল্পপত্র প্রেক্ষাপট

    চার্জশিটের (West Bengal Elections 2026) মাধ্যমে জনমানসে শাসকদলের প্রতি অনাস্থা তৈরির পর, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে ‘উজ্জ্বল ভবিষ্যতের’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে সংকল্পপত্র প্রকাশ করবে বিজেপি। বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের দাবি, শাসকদলের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করাই আমাদের প্রথম লক্ষ্য। মানুষ জানুক গত দেড় দশকে তাঁদের অধিকার কীভাবে হরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যে তাদের ইস্তাহার প্রকাশ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারসহ একাধিক জনমুখী প্রকল্পের প্রচার শুরু করেছে। পাল্টাপাল্টি এই ইস্তাহার ও চার্জশিটের লড়াইয়ে বাংলার নির্বাচনী পারদ যে আরও চড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

  • Nitin Nabin: ‘‘রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক’’, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো নিতিন নবীনের

    Nitin Nabin: ‘‘রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক’’, দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো নিতিন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী আবহে রাজ্যে এসে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে আশীর্বাদ প্রার্থনা করলেন ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। বুধবার সকালে তিনি সস্ত্রীক দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে উপস্থিত হয়ে মা ভবতারিণীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। বঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) এবং বিজেপির ক্ষমতা আসার জন্য মা কালীর কাছে প্রার্থনা করেন। ভক্তি ও প্রার্থনা করতে দক্ষিণেশ্বরের কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। রাজনৈতিক কর্মসূচির ব্যস্ততার মাঝেও এদিন সকালে মন্দিরে যান নিতিন নবীন। নিষ্ঠার সাথে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মন্দির চত্বর ঘুরে দেখেন।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    পুজো শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “বাংলার মানুষের সুখ, সমৃদ্ধি এবং রাজ্যের মঙ্গল কামনায় আমি মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি। রাজ্যে দুর্নীতির অবসান হোক। পশ্চিমবঙ্গকে সোনার বাংলা ও বিকশিত বাংলা তৈরি করার জন্য আশীর্বাদ মায়ের কাছে চেয়েছি। যে বাংলাকে তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য প্রসিদ্ধ, যে পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিকভাবে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করে, সেই সংস্কৃতি এখন আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে আদালতের অনুমতি ছাড়া পুজো করা সম্ভব হয় না।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) সামনে রেখে তাঁর এই সফর রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    একাধিক বৈঠক ও কর্মসূচি

    দক্ষিণেশ্বরে পুজো দেওয়ার পর নিতিন নবীন (Nitin Nabin) দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনী রণকৌশল নির্ধারণ এবং উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সাংগঠনিক পরিস্থিতি পর্যালোচনাই তাঁর এই সফরের মূল লক্ষ্য। ভোটমুখী বাংলায় কেন্দ্রীয় নেতাদের এই মন্দির দর্শন এবং জনসংযোগের প্রচেষ্টা রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। ভক্তি আর রাজনীতির (West Bengal Elections 2026) এই মেলবন্ধন কর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়কে নিতিন নবীনের সঙ্গে দেখা গিয়েছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে।

  • Central Forces: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! ইফতারের আমন্ত্রণে যোগ দিয়ে শাস্তির মুখে ৭ কেন্দ্রীয় জওয়ান

    Central Forces: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! ইফতারের আমন্ত্রণে যোগ দিয়ে শাস্তির মুখে ৭ কেন্দ্রীয় জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজ্যে মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force Jawan) ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। কোনো ব্যক্তির আতিথেয়তা গ্রহণ না করার যে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা ছিল, তা অমান্য করার অভিযোগে সাতজন জওয়ানকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। মুসলিম ধর্মীয় অনুষ্ঠান ইফতারে অংশ গ্রহণ করা মানেই অতিথি সেবা নেওয়া। ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনী কতটা সঠিক ভাবে নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করবে তা নিয়ে সংশয় থাকে। আর এটাই নির্বাচনী বিধিনিষেধ ভঙ্গের আরোপ।

    ঘটনা কী ঘটেছিল (Central Force Jawan)?

    মুর্শিদাবাদ জেলায় মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর সাতজন জওয়ান সম্প্রতি একটি স্থানীয় ইফতার মজলিসে যোগ দিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026) স্পষ্ট নির্দেশ ছিল যে, বাহিনীর কোনো সদস্যই স্থানীয় কারও বাড়িতে নিমন্ত্রণ রক্ষা বা খাদ্য গ্রহণ করতে পারবেন না। এই নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    সাত দিনের জন্য ‘প্যারা-মিলিটারি কাস্টডি

    কমিশনের নির্দেশে সেনাকর্মীদের উপর বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথমত তদন্ত করে কাস্টডিতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত সাতজনের মধ্যে তিনজনকে সাত দিনের জন্য ‘প্যারা-মিলিটারি কাস্টডি’তে পাঠানো হয়েছে। দুজনকে কড়া সতর্কতা দেওয়া হয়েছে এবং বাকি দুজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই সাতজন জওয়ানকেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরিয়ে ভিন রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আতিথেয়তার সংস্পর্শে আসা নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী

    নির্বাচন কমিশন পুনরায় স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ভোটের (West Bengal Elections 2026) কাজে আসা জওয়ানদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও পেশাদার থাকতে হবে। স্থানীয় কোনো প্রভাব বা আতিথেয়তার সংস্পর্শে আসা নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। এই কড়া পদক্ষেপের মাধ্যমে কমিশন অন্যান্য নিরাপত্তা কর্মীদেরও সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে। যদিও আগে জওয়ানদের রুটমার্চের সময়েও কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল, ভোটের কাজে এসে জওয়ানদের বিরুদ্ধে সাধারণের কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার পরেও এই ঘটনা সামনে আসে।

  • PM Modi: ৫ এপ্রিল আলিপুরদুয়ারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, জোরদার প্রচার শুরু বিজেপির

    PM Modi: ৫ এপ্রিল আলিপুরদুয়ারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, জোরদার প্রচার শুরু বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Elections 2026)-কে সামনে রেখে রাজ্যে প্রচারের গতি বাড়াচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তারই অঙ্গ হিসেবে আগামী ৫ এপ্রিল উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে নির্বাচনী জনসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখলে তৎপর বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মোদির সভাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। নির্বাচনী তৎপরতা ও ভোটমুখী বাংলায় বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের আনাগোনা বাড়ছে। আলিপুরদুয়ারে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    উত্তরবঙ্গের গুরুত্ব (PM Modi)

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উত্তরবঙ্গ বরাবরই বিজেপির (West Bengal Elections 2026) শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। আসন্ন নির্বাচনে এই ধারা বজায় রাখতেই মোদির (PM Modi) এই ঝটিকা সফর। তাঁর সভাকে ঘিরে ইতিমধ্যে নেতা-কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে বিজেপি অনেকটাই শক্তিশালী ফলে এখানে জয় নিয়ে একশ শতাংশ আশাবাদী বিজেপি। মোদির প্রচার ভোটে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে আশাবাদী বিজেপি।

    প্রস্তুতি তুঙ্গে

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। জনসভার স্থান নির্ধারণ ও নিরাপত্তার দিকটি খতিয়ে দেখতে ইতিবাচক তৎপরতা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে। প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফার ভোট ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফায় ১৪২ আসন এবং দ্বিতীয় দফায় ১৫২ আসনে ভোট গ্রহণ (West Bengal Elections 2026) হবে। তবে বিজেপির প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছেন। প্রচার এখন তুঙ্গে।

    চা-বলয় এবং আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের সমস্যাই হাতিয়ার

    সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হতে পারেন। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের চা-বলয় এবং আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলের সমস্যা ও সম্ভাবনা তাঁর ভাষণে উঠে আসতে পারে। আলিপুরদুয়ারের এই জনসভা ঘিরে জেলায় কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) সাফল্যের পুনরাবৃত্তি বিধানসভা নির্বাচনেও করতে চাইছে গেরুয়া শিবির, আর মোদির এই সফর সেই লক্ষ্যেই এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

  • Bhangar Blast: ভাঙড় বিস্ফোরণের তদন্তভার নিচ্ছে এনআইএ, ভোটে বড়সড় ষড়যন্ত্রের অনুমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সক্রিয় পদক্ষেপ

    Bhangar Blast: ভাঙড় বিস্ফোরণের তদন্তভার নিচ্ছে এনআইএ, ভোটে বড়সড় ষড়যন্ত্রের অনুমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সক্রিয় পদক্ষেপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে (Bhangra Blast) ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তভার হাতে নিতে চলেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে এনআইএ সূত্রে জানা গেছে। ভোটের আগে সংবেদনশীল এলাকায় এই ভাবে বিস্ফোরণের কারণে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভোটের আগে বুথগুলিকে ভয়মুক্ত করতেই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশ।

    বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণ (Bhangra Blast)

    গত সপ্তাহে ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়া অঞ্চলের পশ্চিম বামুনিয়া গ্রামে এক বিকট বিস্ফোরণ (NIA) ঘটে। তদন্তে উঠে এসেছে যে, সেখানে বোমা বাঁধার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিস্ফোরণের কিছু সময় পর উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ায় মসিউর কাজি নামে এক ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিশি তদন্তে জানা যায়, মসিউর দেগঙ্গার গাংনিয়া এলাকার তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলেন এবং তিনি ভাঙড়ে বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে জখম হয়ে মারা যান।

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    এই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই সুজয় মণ্ডল, যিনি পেশায় অ্যাম্বুল্যান্স চালক ও সুরজ মোল্লা নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে কোনও বড়সড় নাশকতামূলক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। ঘটনাস্থলের অদূরেই তল্লাশি চালিয়ে ৮৪টি তাজা বোমা ও একটি আগ্নেয়াস্ত্র (Bhangra Blast) উদ্ধার করা হয়েছে। এই বোমা কোন কাজে ব্যবহার করা হবে তার সন্ধান (NIA) করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

    এনআইএ-র ভূমিকা

    রাজ্য পুলিশ প্রথমে বিস্ফোরক আইনে (Explosive Substances Act) মামলা রুজু করেছিল। কেন্দ্রীয় নির্দেশের পর এনআইএ নতুন করে এফআইআর (FIR) দায়ের করে এই মামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনা নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। আইএসএফ (ISF)-এর দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, যদিও তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। এনআইএ-র (NIA) হস্তক্ষেপে এখন এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য রাজ্যে গত কয়েকবছরে খাগড়াগড়, পটাশপুর, এগরা, বারাসত, নানুর, সূতি, বেলডাঙা সহ একাধিক এলাকায় বাজি ও বোমা বিস্ফোরণের (Bhangra Blast) ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। বিজেপির অভিযোগ রাজ্যে কর্মসংস্থানের কারখানা নয়, বোমা বারুদের কারখানা গড়ে উঠেছে।

  • Ghaziabad: ইনস্টাগ্রামে টোপ দিয়ে চরবৃত্তি! উত্তরপ্রদেশে আন্তঃসীমান্ত পাক গুপ্তচর চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ১৮

    Ghaziabad: ইনস্টাগ্রামে টোপ দিয়ে চরবৃত্তি! উত্তরপ্রদেশে আন্তঃসীমান্ত পাক গুপ্তচর চক্রের পর্দাফাঁস, গ্রেফতার ১৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় থাবা বসানোর এক ভয়ঙ্কর ছক বানচাল করল গাজিয়াবাদ (Ghaziabad) পুলিশ। ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশের বেকার যুবকদের টাকার টোপ দিয়ে চরবৃত্তিতে লাগানোর অভিযোগে ১৮ জনকে গ্রেফতার (CCTV Operators Mobile Repairmen) করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে ৬ জন নাবালক। ধৃতদের বিরুদ্ধে সামরিক ঘাঁটি ও রেল স্টেশনের ভিডিও এবং গোপন তথ্য পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। দেশে এই ধরনের নেটওয়ার্কে অভিযান চালিয়ে বড়সড় নাশকতামূলক চক্রের পর্দা ফাঁস করেছে উত্তর প্রদেশ প্রশাসন।

    কীভাবে চলত এই চক্র (Ghaziabad)

    গাজিয়াবাদের (Ghaziabad) তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, এই চক্রটি মূলত গ্রামীণ এলাকার কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত অথচ কর্মহীন যুবকদের (CCTV Operators Mobile Repairmen) লক্ষ্য করত। কমটাকা রোজগার করে এবং আর্থিক চাহিদা রয়েছে এমন লোকজনকে কাজে লাগানো হত। মোবাইল রিপেয়ারিং, সিসিটিভি অপারেটর বা কম্পিউটার মেকানিকের কাজ জানা যুবকদের ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে খুঁজে বের করত হ্যান্ডলাররা। অভাবের সুযোগ নিয়ে তাদের মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে নামানো হত এই দেশবিরোধী কাজে। গত দুই বছর ধরে এই চক্রটি অবাধে সক্রিয় ছিল বলে জানা গেছে।

    অভিযানের সূত্রপাত

    গত ১৪ মার্চ কৌশাম্বী থানার (Ghaziabad) একজন বিট অফিসারের কাছে গোপন খবর আসে যে, ভৌয়াপুরে একদল যুবক সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করছে। তারা রেল স্টেশন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর গতিবিধির ভিডিও রেকর্ড করে বিদেশে পাঠাচ্ছিল বলে প্রথমে সন্দেহ করা হয়, এরপর জিজ্ঞাসাবাদ করতেই আসল তথ্য বের হয়। এর পরেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নওশাদ আলি, মীরা, সোহেল ওরফে রোমিও এবং ইরাম ওরফে মেহাক-সহ একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার (CCTV Operators Mobile Repairmen) করেছে।

    চাঞ্চল্যকর তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার

    পুলিশি (Ghaziabad) তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চমকপ্রদ তথ্য। নিজেরা স্মার্ট প্রযুক্তি, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ওটিপি পাচারের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতো। ফলে বিদেশি শত্রুদের যাতে আক্রমণ এবং আঘাত হানতে সুবিধা হয় সেই দিকের কথা মাথায় রেখে তথ্য পাচারের কাজ চলত। পুলিশ কমিশনার এলও ও ট্র্যাফিক রাজ করণ নায়ার  সাংবাদিক সম্মলেন করে বলেন, “গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ কৌশাম্বী থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ৬১(২) (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং ১৫২ (ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও অখণ্ডতা বিপন্নকারী কাজ) ধারার পাশাপাশি সরকারি গোপনীয়তা আইনের ৩ এবং ৫ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছে। এই মামলায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে ১৪ মার্চ পাঁচজন পুরুষ ও একজন মহিলাকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মোবাইল ফোনের গ্যালারিতে ‘আপত্তিকর’ ভিডিও ও ছবির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত অবস্থান তথ্য ছিল।” সূত্র আরও জানা গিয়েছে, এই চক্রটি ভারতে অবস্থিত দুই বা তিনজন নিয়ন্ত্রক চালাত, যারা বিদেশে থাকা নিয়ন্ত্রকদের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য সরবরাহ করত।

    স্মার্ট প্রযুক্তি

    ধৃতরা মোবাইলে এমন একটি বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করত যা ভিডিও বা ছবির ওপর সরাসরি জিপিএস কোঅর্ডিনেটস (GPS Coordinates) এবং সময় ফুটিয়ে তুলত।

    সিসিটিভি ক্যামেরা

    দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এবং সোনিপত রেল স্টেশনের মতো স্পর্শকাতর জায়গায় এরা সৌরশক্তি চালিত এবং সিম-কার্ড ভিত্তিক স্ট্যান্ডঅ্যালোন সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়েছিল, যার সরাসরি ফিড চলে যেত বিদেশে।

    ওটিপি পাচার

    ভারতীয় সিম কার্ডের ওটিপি (OTP) ৫০০ থেকে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে বিদেশে পাঠানো হত, যাতে পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা ভারতীয় নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলে তা চরবৃত্তিতে ব্যবহার করতে পারে।

    টাকার লেনদেন

    সাধারণ সিসিটিভি বসাতে যেখানে ৬-৭ হাজার টাকা দেওয়া হয়, সেখানে এই যুবকদের ১৬-১৭ হাজার টাকা দেওয়া হত। ধরা পড়ার ভয় এড়াতে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে না নিয়ে ইউপিআই (UPI)-এর মাধ্যমে বিভিন্ন পাবলিক সার্ভিস সেন্টার বা দোকান থেকে নগদে সংগ্রহ করা হত।

    অভিযুক্তদের তালিকা ও আইনি পদক্ষেপ

    গ্রেফতার হওয়া ১৮ জনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নামগুলি হলো নওশাদ আলি (২০), মীরা (২৮), সোহেল (২৩), ইরাম (২৫), প্রবীণ (১৯), রাজ বাল্মীকি (২১) প্রমুখ (CCTV Operators Mobile Repairmen)। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর আপত্তিকর ভিডিও, ছবি এবং লোকেশন ডেটা উদ্ধার করা হয়েছে। গাজিয়াবাদ (Ghaziabad) পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT) জানিয়েছে, “নওশাদ আলি এই চক্রের অন্যতম প্রধান পাণ্ডা ছিল। সে-ই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অপরাধপ্রবণ কিন্তু কোনও অপরাধমূলক রেকর্ড নেই—এমন যুবকদের খুঁজে বের করত। ধৃত মীরা এর আগেও অস্ত্র পাচারের অভিযোগে দিল্লি পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল।

    আদালতের কড়া অবস্থান

    ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের মধ্যে দুই জন জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দেশের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য এবং অখণ্ডতাকে বিপন্ন করার মতো গুরুতর অপরাধে লিপ্ত (CCTV Operators Mobile Repairmen)। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট-এর অধীনে মামলা রুজু করে তদন্ত প্রক্রিয়া জারি রেখেছে পুলিশ।

  • Santosh Pathak: কংগ্রেসে বড় ধাক্কা! পদ্মে যোগদান সন্তোষ পাঠকের, হতে পারেন প্রার্থীও

    Santosh Pathak: কংগ্রেসে বড় ধাক্কা! পদ্মে যোগদান সন্তোষ পাঠকের, হতে পারেন প্রার্থীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুরসভার দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর এবং বর্ষীয়ান নেতা সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak) কংগ্রেস ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (BJP) যোগ দিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনের আগে উত্তর কলকাতার (West Bengal Elections 2026) রাজনীতিতে এই ঘটনাকে কংগ্রেসের জন্য একটি বড় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। যে কংগ্রেস নেতা তৃণমূলের ভয়ঙ্কর আগ্রাসনের মধ্যেও নিজের ঘরকে অক্ষত রেখে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। সেই কংগ্রেস নেতা এখন বিজেপিতে। রাজনীতির একাংশের মত তাঁর এই সিদ্ধান্ত সময়পোযোগী। বিধানসভা ভোটে উত্তর কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসকে জোর ধাক্কা দেবে বিজেপি নেতৃত্ব।

    দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার (West Bengal Elections 2026)

    সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak) ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর এবং কলকাতার রাজনীতিতে কংগ্রেসের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন। তবে গুঞ্জন শুরু হয়েছে চৌরঙ্গী বিধানসভায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কংগ্রেসের যেমন মুখমাত্র ছিলেন, আবার একই ভাবে এই কেন্দ্র থেকে ২০২১ সালে নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) অংশগ্রহণও করেছিলেন। তবে জয়ী না হলেও তাঁর নেতৃত্ব এবং পরিচিতি প্রবল। বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেসের জন্য বিরাট ধাক্কা সন্তোষ পাঠকের যোগদান। সন্তোষ বলেন, “আমি ব্রাহ্মণ সন্তান। পুজো-অর্চনা যেমন জানি, তেমনই শ্রাদ্ধ করতেও জানি। এবার তৃণমূলের বিসর্জন দেওয়াই আমার লক্ষ্য।”

    বিজেপিতে যোগদান

    সোমবার নিউটাউনের কার্যলয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন সন্তোষ পাঠক (Santosh Pathak)। তবে যতদিন কংগ্রেসে ছিলেন আগে থেকেই পদ্মশিবিরে যোগদানের কথা জানিয়েছিলেন। সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য দফতরের এক অনুষ্ঠানে তিনি গেরুয়া শিবিরে শামিল হন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। রাজ্যসভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। সন্তোষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গত নির্বাচনে আমার জেতা আসন ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য পুলিশ আর তৃণমূল যা খুশি করেছে। আমি নিজে চোখে পুলিশকে ছাপ্পা মারতে দেখেছি। আমি বুঝে গিয়েছি, কংগ্রেসের পক্ষে তৃণমূলকে সরানো সম্ভব নয়। একমাত্র নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই এই রাজ্য থেকে তৃণমূলকে উৎখাত করা সম্ভব।” তবে দলত্যাগের কারণ স্বরূপ জানা গিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসের বর্তমান সাংগঠনিক (West Bengal Elections 2026) অবস্থান এবং নেতৃত্বের সাথে মতপার্থক্যের কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    রাজনৈতিক প্রভাব

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, “সন্তোষ পাঠকের (Santosh Pathak)  মতো প্রভাবশালী নেতার বিদায়ে উত্তর কলকাতায় কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তি অনেকটাই দুর্বল হলো। অন্যদিকে, বিজেপির জন্য এটি একটি বড় প্রাপ্তি।” তবে বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) উত্তরকলকাতায় বিজেপির জয় নিয়ে দারুণ আশাবাদী পদ্ম শিবির।

LinkedIn
Share