Tag: Bharatiya Janata Party

Bharatiya Janata Party

  • PM Modi’s Oil Diplomacy: মার্কিন ৩০ দিনের ছাড়ে রুশ তেল কেনা, মোদির ‘কৌশলগত তেল কূটনীতির’ সাফল্য দাবি বিজেপির

    PM Modi’s Oil Diplomacy: মার্কিন ৩০ দিনের ছাড়ে রুশ তেল কেনা, মোদির ‘কৌশলগত তেল কূটনীতির’ সাফল্য দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের অস্থায়ী ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করেছে। মার্কিন এই ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির “কৌশলগত তেল কূটনীতির” (PM Modi’s Oil Diplomacy) বড় সাফল্য বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। শুক্রবার বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক পোস্টে বলেন, “যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এগোচ্ছে, তখন রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস ভারতের কৌশলগত সংযম ও স্পষ্টতার সঙ্গে নেওয়া সিদ্ধান্ত দেখতে পারে না।”

    ৩০ দিনের অস্থায়ী ছাড়

    মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বৃহস্পতিবার জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জ্বালানি নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে তেল ও গ্যাস উৎপাদন রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছেছে। তিনি বলেন, “বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে ট্রেজারি বিভাগ ভারতীয় রিফাইনারিগুলিকে রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের একটি অস্থায়ী ছাড় দিচ্ছে।” বেসেন্ট আরও বলেন, “ভারত যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং আমরা আশা করি নয়াদিল্লি যুক্তরাষ্ট্রের তেল কেনাও বাড়াবে। ইরানের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে যে চাপ তৈরি হয়েছে, এই সাময়িক ব্যবস্থা তা কিছুটা কমাতে সাহায্য করবে।” তিনি জানান, এই ছাড়টি ইচ্ছাকৃতভাবে স্বল্পমেয়াদি রাখা হয়েছে এবং এটি মূলত সমুদ্রে আটকে থাকা তেলের চালান সংক্রান্ত লেনদেনের অনুমতি দেয়, ফলে রাশিয়ার সরকার এতে বড় ধরনের আর্থিক লাভ পাবে না।

    কংগ্রেসের সমালোচনা

    এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে প্রদীপ ভান্ডারি বলেন, “রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস ‘তেলের ঘাটতি’ নিয়ে ভুয়ো খবর ছড়িয়ে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করেছিল। এই সিদ্ধান্ত তাদের মুখে বড় ধাক্কা। ভারত ইতিমধ্যেই রাশিয়ার তেল কিনছে এবং সরবরাহে কোনও বিঘ্ন ঘটেনি।” একই সঙ্গে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের সমালোচনা করে বিজেপি বলেছে, এই সিদ্ধান্ত তাদের মুখে “ডিম ছুঁড়ে মারার” মতো। ভান্ডারি আরও দাবি করেন, ২০১৩ সালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইরান থেকে তেল কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছিল।

  • BJP: “বিষাক্ত মিথ্যা ছড়াচ্ছেন আর বিদেশ যাত্রা করছেন”, রাহুল গান্ধীকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    BJP: “বিষাক্ত মিথ্যা ছড়াচ্ছেন আর বিদেশ যাত্রা করছেন”, রাহুল গান্ধীকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে বিতর্ক চলাকালীন বিরোধী দলের নেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীকে একেবারে ধুয়ে দিলেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী। বুধবার তিনি অভিযোগ করেন, রাহুল (Rahul Gandhi) যাচাই না করেই অভিযোগ করেছেন এবং সংসদে অশোভন আচরণ করেছেন।

    রাহুলের বিষাক্ত মিথ্যা কথা (BJP)

    সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিবেদী অভিযোগ  করেন, রাহুল বিষাক্ত মিথ্যা কথা ছড়িয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় বিশ্বাস করেন এবং সংসদীয় কার্যক্রমে তাঁর আচরণ নিয়েও সমালোচনা করেন। ত্রিবেদী বলেন, “বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী যেন বিষাক্ত মিথ্যা কথা ছড়িয়ে বিদেশে চলে যাওয়ায় বিশ্বাস করেন। সংসদীয় কার্যক্রমে তাঁর আচরণ ঠিকঠাক ছিল না। লোকসভায় কংগ্রেসের আচরণ কলতলার ধারে দেখা আচরণের চেয়ে ভালো নয়। এ ধরনের আচরণ সংসদের পক্ষে অশোভন।” রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সময়কার সাম্প্রতিক বিতর্কের কথাও উল্লেখ করেন ত্রিবেদী, যখন কংগ্রেসের মহিলা সাংসদরা লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর আসনের কাছে প্রতিবাদ জানান। পরে স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে লোকসভায় না আসার অনুরোধ জানান, কারণ তিনি আগেই জেনেছিলেন, কংগ্রেস সাংসদরা প্রধানমন্ত্রীর আসনের কাছে গিয়ে “অভূতপূর্ব ঘটনা” ঘটাতে পারেন।

    মহিলাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার

    ত্রিবেদী বলেন, “আমরা দেখেছি কীভাবে মহিলাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল, যখন কিছু সদস্য ব্যানার হাতে ট্রেজারি বেঞ্চের দিকে এগোচ্ছিলেন। এটি শাহিনবাগের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়েছিল।” অপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীও (BJP) বাজেট বিতর্কে কংগ্রেস নেতার মন্তব্যের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “কোনও অভিযোগ করা হলে তা সংশ্লিষ্ট নথি দিয়ে প্রমাণ করতে হবে। তাঁর নিয়ম বা প্রমাণীকরণের অর্থ সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই। তাই তিনি যা খুশি বলে যান (Rahul Gandhi)।” তাঁর অভিযোগ, রাহুল তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বাজেটের ওপর মনোযোগ দেননি, বরং অসংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক বিষয় উত্থাপন করেছেন। মন্ত্রী বলেন, “তাঁদের (কংগ্রেস) ইতিহাস সম্পর্কে কোনও জ্ঞান নেই। তিনি বাজেট নিয়ে কথা বলেননি।”

    বিরোধী দলের নেতার পদমর্যাদা

    অধিবেশনের সময় সভাপতির আসন নিয়ে করা মন্তব্যের বিরোধিতা করে জোশী বলেন, “যখন কোনও সদস্য সভাপতির আসনে থাকেন, তখন তিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেন, কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত থাকেন না। সভাপতির আসনে বসলে তিনি কোনও দলের নন। তাঁকে তাঁর আগের দলীয় পরিচয় উল্লেখ করে অপমান করা বিরোধী দলের নেতার পদমর্যাদাকে খাটো করে। রাজনৈতিক লাভের জন্য তিনি বাজেট ছাড়া সব বিষয়ে কথা বলেছেন (Rahul Gandhi)।” প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর এই মন্তব্যগুলি করা হয়। লোকসভা সচিবালয় সূত্রে খবর (BJP), স্পিকার অপসারণের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন, ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিরোধী সাংসদদের জমা দেওয়া অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশে কিছু ত্রুটি পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। নোটিশে ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর ঘটনার উল্লেখ চারবার করা হয়েছিল, যা নিয়ম অনুযায়ী বাতিলের কারণ হতে পারত। তবে স্পিকার লোকসভার সচিবালয়কে নোটিশের ত্রুটি সংশোধন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।

    অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশ

    অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশ আসে এমন এক প্রেক্ষাপটে, যখন বিরোধী দল অভিযোগ করে যে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় রাহুলকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি। রাহুল ২০২০ সালের চিন-ভারত সংঘাত প্রসঙ্গে জেনারেল এম এম নারাভানের অপ্রকাশিত স্মৃতিকথা ‘ফোর স্টার্স অফ ডেস্টিনি’র উল্লেখ করেন। স্পিকার তাঁকে অপ্রকাশিত সাহিত্য উদ্ধৃত না করার নির্দেশ দেন (Rahul Gandhi)। এদিন লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার অভিযোগ করেন। প্রশ্ন করেন, তারা কি ভারত বিক্রি করতে লজ্জা পান না? তাঁর অভিযোগ, “ভারতমাতাকে কার্যত বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে (BJP)।”

    রাহুলের অভিযোগ

    তিনি বলেন, “আপনারাই স্বীকার করছেন যে আমরা এক বৈশ্বিক ঝড়ের মুখোমুখি, একক পরাশক্তির যুগ শেষ, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত বাড়ছে, এবং জ্বালানি ও অর্থব্যবস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবুও আপনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে জ্বালানি ও আর্থিক ব্যবস্থাকে এমনভাবে ব্যবহার করতে দিয়েছেন, যা আমাদের প্রভাবিত করছে। যখন আমেরিকা বলে আমরা কোনও নির্দিষ্ট দেশ থেকে তেল কিনতে পারব না, তখন এর মানে আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা বাইরের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। আপনি কি এতে লজ্জিত নন? আমি বলছি, আপনি ভারতের স্বার্থের সঙ্গে আপস করেছেন। আপনি কি লজ্জা পান না? যেন আপনি ভারতমাতাকে বিক্রি করে দিয়েছেন (Rahul Gandhi)।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিশানা করে রাহুল জানান, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না যে প্রধানমন্ত্রী ভারত বিক্রি করবেন, তবে তাঁর ওপর যে বাহ্যিক চাপ রয়েছে তাও মনে করিয়ে দেন রাহুল। তিনি প্রধানমন্ত্রীর চোখে ভয়ের ছাপ দেখতে পাচ্ছেন এবং “এপস্টাইন ফাইলস” তালাবদ্ধ থাকার প্রসঙ্গ তুলে ধরে (Rahul Gandhi) ইঙ্গিত করেন, কিছু অপ্রকাশিত চাপ কাজ করছে (BJP)।

     

  • PM Modi News: ভোট ঘোষণার পরে ৭৫ দিনে ১৮০ কর্মসূচি, কোন রাজ্যে ক’টি জনসভা করেছেন মোদি?

    PM Modi News: ভোট ঘোষণার পরে ৭৫ দিনে ১৮০ কর্মসূচি, কোন রাজ্যে ক’টি জনসভা করেছেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেখতে দেখতে লোকসভা নির্বাচন প্রায় শেষের দিকে। আগামী ১ জুন রয়েছে সপ্তম দফার ভোট। তারপরেই শেষ হবে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন। গণনা ৪ জুন। এরই মধ্যে অন্তিম দফার প্রচার-পর্ব শেষে বৃহস্পতিবার, ৩০ মে সন্ধ্যায় কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১ জুন পর্যন্ত ধ্যানরত থাকবেন তিনি। চলতি বছরের মার্চ মাসের ১৬ তারিখে লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা করে কমিশন। তারপর থেকেই দেশে ম্যারাথন প্রচার শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News), যা শেষ হয়েছে ইতিমধ্যে। বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর মিলেছে, প্রধানমন্ত্রী অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে মিছিল, জনসভা রোড শো মিলিয়ে ৭৫ দিনে ১৮০টি প্রচারের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। তবে এরমধ্যে ৫৭ দিনই তিনি প্রচারের কাজে অংশ নিয়েছেন।

    সব থেকে বেশি জনসভা উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্রে

    প্রতিদিন গড়ে তিনি তিনটি করে কর্মসূচিতে হাজির থেকেছেন। এমনও দিন ছিল যেদিন প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi News) পাঁচটি করে জনসভা করতে হয়েছে। আবার চারটি করে জনসভা করেছেন এমন দিনের সংখ্যা ২২। প্রচারে তিনি উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম ভারত চষে বেরিয়েছেন। সারা দেশের মধ্যে চারটি রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী সব থেকে বেশি সময় দিয়েছেন এবং এগুলি হল উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং মহারাষ্ট্র। প্রসঙ্গত, দেশের সবথেকে বেশি লোকসভার আসন রয়েছে উত্তর প্রদেশে। এবং সেই সংখ্যা ৮০। ২০১৯ সালে এনডিএ উত্তর প্রদেশে ৬৪টি আসন জিতেছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিহারেও অনেকটা সময় দিয়েছেন এবং এখানে ২০টি জনসভা করেছেন। মহারাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার সংখ্যা ১৯টি ও পশ্চিমবঙ্গে ১৮টি।

    পশ্চিমবঙ্গে জনজোয়ার মোদির সভাগুলিতে 

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের আলোচনায় বারবার উঠে আসছে, পশ্চিমবঙ্গের নাম। কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News) রোড শো সমেত ১৮টি নির্বাচনী জনসভা করেছেন এখানে। তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গ থেকে গতবারের লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসনে জয় পায় বিজেপি। এই সংখ্যা এবার বাড়াতে চাইছে গেরুয়া শিবির। শেষ দফার প্রচারে উত্তর কলকাতায় প্রধানমন্ত্রীর রোড শোতে জনজোয়ার শুরু হয়। কাতারে কাতারে মানুষ দুপাশে হাজির হন প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখতে। একই চিত্র দেখা গিয়েছে বিহার এবং মুম্বইতেও।

    দক্ষিণ ভারতে ৩৫ সভা

    দক্ষিণ ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)  নির্বাচনী প্রচারে যথেষ্ট জোর দিয়েছেন। দক্ষিণ ভারতের ৫ রাজ্যে ৩৫টি নির্বাচনী জনসভা করেছেন তিনি। যার মধ্যে কর্নাটকে ১১টি, তেলেঙ্গনায় ১১টি, তামিলনাড়ুতে ৭টি জনসভা করেছেন তিনি। ওড়িশায় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী জনসভার সংখ্যা ১০। মধ্যপ্রদেশে প্রধানমন্ত্রী দশটি নির্বাচনী জনসভা করেছেন। ঝাড়খণ্ডে প্রধানমন্ত্রী সাতটি জনসভা করেছেন। রাজস্থানে পাঁচটি ও ছত্তিশগড়ে চারটি জনসভা নরেন্দ্র মোদি করেছেন।

    নিজের রাজ্য গুজরাটে ৫টি সভা 

    অন্যদিকে তাঁর নিজের রাজ্য গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি নির্বাচনী জনসভা করেছেন। পাশের পাঞ্জাবে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News) সমাবেশ করেছেন চারটি। দিল্লি, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখন্ডে প্রধানমন্ত্রী দুটি করে জনসভাতে অংশ নিয়েছেন। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে প্রধানমন্ত্রী দুটি জনসভা করেছেন এবং জম্মু-কাশ্মীরে একটি সমাবেশ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: উস্কানিমূলক মন্তব্যে তৃণমূল বিধায়ককে শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন

    Election Commission: উস্কানিমূলক মন্তব্যে তৃণমূল বিধায়ককে শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মধ্যে বিপাকে তৃণমূল বিধায়ক। এবার দ্বিতীয় দফা ভোটের আগেই হামিদুল রহমানকে শোকজ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সম্প্রতি এক নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিরোধী ভোটারদের উদ্দেশ্যে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে এবার তাঁকে শোকজ করল কমিশন।

    ঠিক কী বলেছিলেন (Election Commission)?

    সম্প্রতি দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গোপাল লামার সমর্থনে নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রেখেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান। চোপড়া (Chopra) ব্লকের মাঝিয়ালি গ্রাম পঞ্চায়েতের চুয়াগাড়ি চৌরঙ্গী মোড়ের সভায় বক্তব্যের মাঝে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে হামিদুল রহমান (Hamidul Rahaman) বলেছিলেন, “যে বিরোধী ভোটাররা তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দেবেন না তাঁদের মনে রাখতে হবে ২৬ এপ্রিল ভোটের পর কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে যাবে। এলাকার বাহিনীর সঙ্গেই তখন থাকতে হবে। তখন কিছু হলে তাঁরা যেন বলতে না আসেন। তাই মূল্যবান ভোটগুলি নষ্ট করবেন না।” এই বক্তব্যের অভিযোগের ভিত্তিতে তৃণমূল বিধায়ককে শোকজ করেছে কমিশন (Election Commission)। ২৫ এপ্রিলের মধ্যে চোপড়ার বিধায়ককে জবাব দিহি করতে বলেছে কমিশন। যদিও এ ব্যাপারে চোপড়ার তৃণমূল বিধায়কের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি।

    বিজেপির বক্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়কের এই বক্ত্যবের তীব্র নিন্দা করেছিল বিজেপি। চোপড়ার বিজেপি (BJP) নেতা বরুণ সিংহ পাল্টা সতর্ক করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ককে। অন্যদিকে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) হামিদুল রহমানের এই বক্তব্যের পরেই কমিশনে (Election Commission) অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার বলেন, “নিশ্চিত পরাজয় বুঝে গিয়েই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা হুমকি দিতে শুরু করেছেন। পঞ্চাতের মত ভোটলুঠ এবার আমরা করতে দেব না।”

    আরও পড়ুনঃ প্রচারের শেষ দিনে সুকান্তর হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে শতাধিক কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক হিংসা হয়েছিল

    প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের অন্যতম উত্তেজনার কেন্দ্র ছিল চোপড়া। সিপিএম ও কংগ্রেস মিছিল করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় তাদের উপর গুলি চালানো ও বোমাবাজির অভিযোগও উঠেছিল। গুলিবিদ্ধ হয়ে এক সিপিএম কর্মীর মৃত্যুও হয়। আরও বেশ কয়েকজন গুরুতরভাবে আহতও হয়েছিল। এই ঘটনার পর উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। বিরোধীদের উপর তৃণমূল কংগ্রেসের এই হামলার পর বিরোধীরা কেউ মনোনয়নপত্র দাখিল করতেই পারেনি। একপ্রকার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Election Commission) জয়লাভ করে তৃণমূল কংগ্রেস। তাই এবার লোকসভা ভোটে আর তৃণমূলকে (TMC) এক চুলও জমি ছাড়তে নারাজ বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি প্রার্থীদের কীভাবে যেতে হবে মানুষের কাছে, জানালেন অমিত মালব্য

    Murshidabad: নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি প্রার্থীদের কীভাবে যেতে হবে মানুষের কাছে, জানালেন অমিত মালব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল বুধবার মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা বিজেপির পার্টি অফিসে (BJP party office) সংগঠনিক বৈঠক করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সহরকারী পর্যবেক্ষক কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য (amit malviya)। এদিন অমিত মালব্য বিজেপির প্রার্থীর (BJP candidate) হাতে সিম্বল তুলে দেন এবং নির্বাচনী প্রচারে বিজেপি প্রার্থীদের কীভাবে যেতে হবে মানুষের কাছে তাও বলে দিলেন। যদিও তিনি সাংবাদিকদের সামনে কোনও কথা বলতে রাজি হননি তিনি। অন্যদিকে আজ বৃহস্পতিবার বহরমপুরের কারবালা রোডে এক বেসরকারি অতিথি আবাসনে লোকসভা ভোটের জন্য বিজেপির কার্যালয় উদ্বোধন করেন। এখানেই আজ লোকসভার ইলেকশন (lok sabha election) ম্যানেজমেন্ট টিমের বৈঠক করা হয়।

    বিজেপি প্রার্থী গৌরীশংকর ঘোষের বক্তব্য (Murshidabad)

    এদিন মুর্শিদবাদে (Murshidabad) অমিত মালব্য, বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক আছে বলে জানান গৌরীশংকর ঘোষ। এখানে নির্বাচনে কী রকম লড়াই হবে এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও বলেন, “লড়াই বলতে তো মূলত মানুষের ভোট। এই ভোট মানুষ কেন বিজেপি (BJP) কে দেবে, সেটা মানুষকে বোঝাতে হবে। আজ রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের যে সন্ত্রাস চলছে, চাকরি চুরি, রেশন চুরি, গরু পাচারেও তৃণমূল (TMC) রেকর্ড তৈরি করেছে। সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচারের কথা সারা রাজ্য জুরে মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে বিগত ১০ বছর ধরে সব কা সাথ সবকা বিকাশ, সেবা, সুশাসন মানুষকে যেভাবে মোদি দিচ্ছেন সেই সার্বিক সুবিধাগুলি জনগণের কাছে তুলে ধরতে হবে।”

    করণীয় কাজ বলে দিলেন অমিত মালব্য

    মুর্শিদবাদ (Murshidabad) জেলা বিজেপি সভাপতি শাখারাভ সরকার বলেন, “লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে আজকে কারবালা রোডে (karbala road) নির্বাচনী কার্যালয় খোলা হল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের সহকারী পর্যবেক্ষক কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য। আজ আলোচনা হয় কীভাবে এই লোকসভা নির্বাচনে (general election 2024) দল কাজ করবে। সমস্ত বিষয়টি তিনি আজকে এখানে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেন। করণীয় কাজ এবং মানুষের কাছে গিয়ে কী কী বলা হবে সেই সমস্ত নিয়ে আলোচনা হয়।”

    আরও পড়ুনঃ কোন্নগরেও গার্ডেনরিচ-বিরাটির ছায়া! ফের পাঁচিল ধসে মৃত ২ শ্রমিক

    ৭ মে বিশেষ আলোচনা সভা

    উল্লেখ্য, আগামী ৭ই মে ভারতীয় জনতা পার্টি (bharatiya janata party) মন্ডল স্তরের কার্যকর্তা, বিধানসভার স্তরের কার্যকর্তা এবং এই জেলা (Murshidabad) কমিটিকে নিয়ে লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি সার্বিক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। মূলত কীভাবে মানুষের কাছে যেতে হবে, কীভাবে লড়াই করতে হবে এবং বিষয় ঠিক করা হবে উক্ত বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Vote: নির্বাচনী রাজনীতিতে অবতীর্ণ হলেন সুষমাকন্যা বাঁসুরি স্বরাজ, লড়বেন নয়াদিল্লি কেন্দ্র থেকে

    Loksabha Vote: নির্বাচনী রাজনীতিতে অবতীর্ণ হলেন সুষমাকন্যা বাঁসুরি স্বরাজ, লড়বেন নয়াদিল্লি কেন্দ্র থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Vote) ময়দানে নামলেন প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী সুষমা স্বরাজের কন্যা বাঁসুরি স্বরাজ। শনিবার সন্ধ্যায় আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের জন্য ১৯৫ জনের প্রথম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। ওই তালিকা অনুযায়ী, নয়া দিল্লি লোকসভা আসন থেকে বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বাঁসুরি। প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার পরই, বাঁসুরি স্বরাজ জানিয়েছেন, তাঁর মা স্বর্গ থেকে তাঁকে আশীর্বাদ করছেন। জনসেবার যে আদর্শ তাঁর মা স্থাপন করেছেন, তিনি তাই বজায় রাখার চেষ্টা করবেন (Loksabha Vote)।

    বিদেশ থেকে ব্যারিস্টারি পাশ করেন বাঁসুরি

    প্রসঙ্গত বাঁসুরি স্বরাজ হলেন একজন প্রখ্যাত আইনজীবী। গত বছরেই ভারতীয় জনতা পার্টি তাঁকে দিল্লি প্রদেশের দলের লিগ্যাল সেলের কো-কনভেনার হিসেবে নিযুক্ত করেছে। আইন পেশায় তাঁর ১৬ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ২০০৭ সালেই আইনজীবী হিসেবে দিল্লির বার কাউন্সিলের নাম লেখান বাঁসুরি। তাঁর উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন হয়েছে লন্ডনে। সেখান থেকেই তিনি ব্যারিস্টারি পাশ করেন, বিপিপি ল’ স্কুল থেকে। এরপরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। গত বছরই জাতীয় রাজধানী সংশোধন বিল নিয়ে কেজরিওয়াল সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানান বাঁসুরি (Loksabha Vote)। তখনই তিনি খবরের শিরোনামে আসেন। আম আদমি পার্টিকে সে সময় তিনি অযোগ্য এবং ঝগড়াটে বলে তোপ দাগেন।

    শনিবারই বিজেপির ১৯৫ আসনের প্রার্থী ঘোষণা, চাপে ইন্ডি জোট?

    প্রসঙ্গত শনিবারই বিজেপি প্রথম দফায় (Loksabha Vote) ১৯৫ আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। লোকসভার নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ পেল। এককথায় যা নজিরবিহীন। এখানে বিরোধীরা জোর ধাক্কা খেলো বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। কারণ ইন্ডি জোট নিয়ে এমনিতেই শুরু হয়েছে জট। তারপরে প্রার্থী নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। সেই পরিস্থিতিতে বিরোধীরা যখন প্রার্থী স্থির করতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন একসঙ্গে ১৯৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা ভোটের আগে, যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশ থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন মোদি

    Narendra Modi: ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশ থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন উত্তরপ্রদেশ থেকেই। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহর থেকে লোকসভা ভোটের নির্বাচনী প্রচারে দামামা বাজাবেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। আগামী ২৫ জানুয়ারি হতে চলেছে উত্তরপ্রদেশের ওই মেগা সভা। ভারতীয় জনতা পার্টির সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। সাধারণভাবে মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে লোকসভা ভোট শুরু হওয়ার কথা। তা চলবে মে মাস। এখন দেখার নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি কবে প্রকাশ হয়। বিভিন্ন সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, তৃতীয়বারের জন্য তৈরি হতে চলেছে মোদি সরকার (Narendra Modi)। ছন্নছাড়া বিরোধী নেতৃত্ব, আভ্যন্তরীণ বিবাদে অনেকটাই ব্যাকফুটে রয়েছে ইন্ডি জোট। রাজ্যে রাজ্যে আসন সমঝোতা এখনও করে উঠতে পারেনি তারা। এই অবস্থায় বিজেপির জয় সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    আরও পড়ুুন: পৃথিবীর অর্ধেক বয়সের ইতিহাসের সাক্ষী রামলালার শরীরের পাথর!

    মেগা সভার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে ওই মেগা সভার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। প্রসঙ্গত, পশ্চিম উত্তর প্রদেশের ১৪ টি আসনের মধ্যে ৮টিতেই জয়লাভ করেছিল বিজেপি। যে সিট গুলিতে জয় আসেনি সেগুলিতেও ঝাঁপাতে চাইছে গেরুয়া শিবির। এবং এই বুলন্দশহরকে নির্বাচনী প্রচারের  জন্য। বিজেপি শিবিরের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভায় হাজির হবেন কমপক্ষে পাঁচ লাখ মানুষ। প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) এই সভা হতে চলেছে বুলন্দশহরের নবোদা নামের গ্রামে।

    উত্তরপ্রদেশে বইছে গেরুয়া সুনামি

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইন্ডি জোট মুখ থুবড়ে পড়তে চলেছে উত্তরপ্রদেশে। অলিখিতবাবে রাজনীতিতে পরিচিত শব্দ রয়েছে, দিল্লির রাস্তা লক্ষ্ণৌ হয়ে যায়। উত্তরপ্রদেশে এই মুহূর্তে গেরুয়া সুনামি চলছে। গত ৭ বছর ধরে যোগী সরকারের সুশাসনের সঙ্গে সম্প্রতি নির্মিত হয়েছে রাম মন্দিরও। দলে দলে মানুষ এই মুহূর্তে অযোধ্যামুখী। এর সুফল বিজেপি পাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hindu Temple: হিন্দু মন্দিরে কর চাপানোর সিদ্ধান্ত কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের, আন্দোলনের ঘোষণা বিজেপির

    Hindu Temple: হিন্দু মন্দিরে কর চাপানোর সিদ্ধান্ত কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের, আন্দোলনের ঘোষণা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকে বিতর্কে কংগ্রেস সরকার। সে রাজ্যের সরকার বিধানসভায় ‘কর্নাটক হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং দাতব্য সংস্থা বিল’ পাস করিয়েছে। এরফলে কর বসতে চলেছে হিন্দু মন্দিরগুলিতে (Hindu Temple)। কংগ্রেস সরকারের এমন সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। কর্নাটক সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘হিন্দু বিরোধী’ হিসাবেও আখ্যা দিয়েছে গেরুয়া শিবির। শুধুমাত্র হিন্দু মন্দির ও হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতেই (Hindu Temple) কর বসানোর এমন সিদ্ধান্তে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বছরে ১ কোটির বেশি অনুদান পাওয়া মন্দিরগুলিতে ১০ শতাংশ কর

    কর্নাটকের কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার সরকার বিধানসভায় যে বিল পাশ করেছে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে বছরে ১ কোটি টাকার বেশি অনুদান পাওয়া মন্দির এবং অন্য হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। অন্যদিকে ১০ লাখ থেকে  ১ কোটি টাকা বার্ষিক আয় যে মন্দিরগুলির (Hindu Temple), সেখানে করের হার হবে ৫ শতাংশ। এমনিতেই বেশ কয়েকটি সমীক্ষা অনুযায়ী কর্নাটকে লোকসভা ভোটে বিজেপির অভূতপূর্ব সাফল্যের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কংগ্রেস সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে সে রাজ্যে বিজেপির পক্ষে হাওয়া আরও বাড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    কী বলছেন কর্নাটক বিজেপির সভাপতি?

    কর্নাটকের রাজ্য বিজেপির সভাপতি বিজয়েন্দ্র এবিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমাদের রাজ্যের কংগ্রেস সরকার ধারাবাহিক ভাবে হিন্দুবিরোধী নীতি গ্রহণ করছে। এ বার হিন্দু মন্দিরের অনুদানের দিকেও কুটিল দৃষ্টি দিয়েছে।’’ ভগবানের উদ্দেশে ভক্তরা যা দান করেন, তাতে কীভাবে কর বসাতে পারে সরকার? এমন প্রশ্নও তুলেছেন সে রাজ্যের গেরুয়া শিবিরের প্রধান। হিন্দু ভক্তদের (Hindu Temple) নিয়ে বিজেপি, কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতির মতে, ভক্তদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে এভাবেই প্রতারণা করছে কংগ্রেস সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • PM Modi : “ভারত লাভবান হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে”, প্রয়াণ দিবসে অটল বিহারী বাজপেয়ীকে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi : “ভারত লাভবান হয়েছে তাঁর নেতৃত্বে”, প্রয়াণ দিবসে অটল বিহারী বাজপেয়ীকে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর। বুধবার অটল বিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানাতে সদৈব অটল মেমোরিয়ালে যান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মূর্মূ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং অন্যান্য আরও অনেকে।

    বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা

    সোশ্যাল সাইটে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে লিখতে গিয়ে মোদি জানান যে, বাজপেয়ীর নেতৃত্বে দেশ ভালোভাবে লাভবান হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি লেখেন, “অটল বিহারী বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা জানাতে ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সঙ্গে আমিও যুক্ত হলাম। ভারত তাঁর নেতৃত্ব থেকে ভালভাবে লাভবান হয়েছে। দেশের উন্নতির ক্ষেত্রে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন যা ২১ শতকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়েছে”।

    গোয়ালিয়রে  ১৯২৪ সালে জন্ম হওয়া অটল বিহারী বাজপেয়ী বিজেপির অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রথম অকংগ্রেসীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পূর্ণ সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ১৯৯৬ সালের ১৬ মে থেকে ১ মে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। এবং পরবর্তীতে ১৯ মার্চ ১৯৯৮ সাল থেকে  ২২ মে ২০০৪ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হন। এছাড়া ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ে ক্যাবিনেটে বিদেশমন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। ২০১৮ সালে অগাস্টের ১৬ তারিখে দিল্লির এইমস হাসপাতালে প্রয়াত হন অটল বিহারী বাজপেয়ী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anil Antony: প্রতিষ্ঠা দিবসেই যোগদান! বিজেপিতে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা এ কে অ্যান্টনির ছেলে অনিল অ্যান্টনি

    Anil Antony: প্রতিষ্ঠা দিবসেই যোগদান! বিজেপিতে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা এ কে অ্যান্টনির ছেলে অনিল অ্যান্টনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের হাত ছাড়ার তিনমাসের মধ্যে বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এ কে অ্যান্টনির (A K Antony) ছেলে অনিল অ্য়ান্টনি (Anil Antony)। কেরলের কংগ্রেস নেতা অনিল অ্যান্টনি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই দল ত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Prime Minister Narendra Modi) উপর বিবিসির তথ্য়চিত্রে নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে মতবিরোধের সৃষ্টি হয় অনিলের।

    অনিল  অ্যান্টনিকে স্বাগত 

    ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবসেই বিজেপি নেতা পীযূষ গোয়েল, ভি মুরলিধরন এবং দলের কেরালা ইউনিটের প্রধান কে সুরেন্দ্রন আজ আনুষ্ঠানিক ভাবে অনিলকে (Anil Antony) দলে স্বাগত জানিয়েছেন। অনিল বলেন, “প্রত্যেক কংগ্রেস নেতাই ভাবেন তাঁরা কোন একটি পরিবারের জন্য কাজ করছেন। আমি ভাবি, আমি দলের জন্য কাজ করি।” বিজেপিতে আনুষ্ঠানিক যোগদান শেষে কার্যত দলের নেতা মন্ত্রীদের আনুগত্যের প্রতি প্রশ্ন তুলে দিলেন অনিল।  প্রাক্তন কংগ্রেস মন্ত্রীর ছেলের কথায়, “বহু মেরুকরণের যুগে ভারতকে সামনে এগিয়ে আনাই প্রধানমন্ত্রী মোদির লক্ষ্য।”

    অনিলের রাজনীতিতে যোগ

    ২০১৭ সালে, গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের সময়, অনিল অ্যান্টনি (Anil Antony) রাজনীতিতে যোগ দেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়, তাকে কেরালায় কংগ্রেসের ডিজিটাল মিডিয়া সমন্বয়কারী করা হয়েছিল। ২০০০ সালে, তিরুবনন্তপুরমের কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে বি টেক করার পরে, অনিল স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। অনিলকে তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুরের খুব ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হয়।

    আরও পড়ুন:’এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর লক্ষ্যে কাজ করে যান! বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা মোদির

    কেন কংগ্রেস ত্যাগ

    এদিন অনিল অ্যান্টনিকে (Anil Antony) বিজেপি সদর দফতরে নিয়ে যান কেরালার রাজ্য সভাপতি কে সুরেন্দ্রন। ইতিমধ্যেই অনিল অ্যান্টনি কেরালা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির (KPCC) সোশ্যাল মিডিয়া সমন্বয়কের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে তৈরি বিতর্কিত বিবিসি ডকুমেন্টারি নিয়ে একটি টুইট করেছিলেন, যার পরে দলে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। দল ছাড়ার আগে অনিল অ্যান্টনি (Anil Antony) কেরালায় কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়া সেল চালাতেন। দল ছাড়ার আগে তিনি বিবিসির তথ্যচিত্রকে ‘ভারতের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে অভিহিত করেছিলেন। ঘটনাচক্রে অনিল অ্যান্টনির বাবা এখনও কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতা। স্বাভাবিকভাবেই অনিলের গেরুয়া যোগ কংগ্রেসের জন্য অস্বস্তি তৈরি করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share