Tag: bharatpur

bharatpur

  • Murshidabad: স্বামীর নিথর দেহতে মাথা রেখে কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হল স্ত্রীর, শোকে পাথর গ্রাম

    Murshidabad: স্বামীর নিথর দেহতে মাথা রেখে কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হল স্ত্রীর, শোকে পাথর গ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের কয়েক বছর যেতে না যেতেই ডিভোর্স। এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। আবার অনেকে ৬০ বছরে বয়সে এসে স্ত্রীকে ছেড়ে অন্যজনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন। এই আবহের মধ্যে একেবারে নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী থাকলেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরবাসী। পাঁচ দশক ধরে এক ছাতার তলায় কাটানো দম্পতি, জীবনের শেষবেলায় এসেও মৃত্যুও আলাদা করতে পারল না তাঁদের। স্বামীর মৃত্যুর কয়েক মিনিটের মধ্যে তাঁর বুকে মাথা দিয়ে মৃত্যু হল স্ত্রীর। হয়তো এরই নাম ভালোবাসা। মুর্শিদাবাদের ভরতপুর থানা এলাকার ভোলতা গ্রামের বাসিন্দারা চোখের সামনে এই ঘটনা দেখে কার্যত থ হয়ে গিয়েছেন।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Murshidabad)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম শঙ্কর মণ্ডল (৮৫) এবং  তাঁর স্ত্রী নিয়তি মণ্ডল (৬৮)। ছেলেপুলে, নাতি-নাতনি নিয়ে ভরা সংসার। একসঙ্গে দু’জনে ভরতপুরের (Murshidabad) ভোলতা  গ্রামে কাটিয়ে ফেলেছেন ৫০টা বছর। দীর্ঘদিন থেকেই শঙ্করবাবু ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত সমস্যায়। কয়েকদিন আগে তাঁকে ভরতপুর (Bharatpur) গ্রামীণ হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু, হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর ফের শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন তিনি। প্রায় ৬ দিন আর বিছানা ছেড়ে উঠতে পারেননি। অবশেষে রাত সাড়ে আটটা নাগাদ মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন তিনি। সবে তখন বাড়িতে উঠেছে কান্নার রোল। গ্রামের লোকজনও বাড়িতে এসে ভিড় জমান। বৃদ্ধ স্ত্রীকে অনেকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ৫০ বছর ধরে এক সঙ্গে পথ চলার সাথীকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বৃদ্ধের স্ত্রী। স্বামীর বুকের ওপর মাথা দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে এক সময় থেমে যান। কিছুক্ষণ পর পাড়ার লোকজন লক্ষ্য করেন, শঙ্করবাবুর বুক থেকে আর মাথা তুলছেন না নিয়তিদেবী। চুপচাপ হয়ে রয়েছেন। এ দৃশ্য দেখে সকলে ততক্ষণে ভেবেছেন হয়তো শোকের ধাক্কায় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। কিন্তু, কাছে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও কাজ হয়নি। কিছু সময় পর দেখা গেল তাঁর নিথর দেহ পড়ে গেল মাটিতে। খবর গেল গ্রামের চিকিৎসকের কাছে। চিকিৎসক এসে জানালেন স্বামীর মৃত্যুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই মৃত্যু হয়েছে স্ত্রীর। স্বামীর মৃত্যু শোক সামলাতে না পেরেই বোধহয় স্ত্রী নিজেও মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছেন বলে মনে করছেন সকলে।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    গ্রামবাসীরাও হতহবাক

    একযোগে মা-বাবাকে হারিয়ে শোকে পাথর সন্তান-সন্ততি থেকে নাতিনাতনিরাও। নতুন করে নিয়তি দেবীর মৃত্যুর খবর জানাজানি হতেই একেবারে গোটা গ্রাম (Bharatpur) ভেঙে পড়ে মণ্ডল বাড়িতে। গ্রামবাসীরা হতবাক হয়ে যান। তাঁরা বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দারুন মিলছিল। গ্রামে সকলে দাদু-ঠাকুমা বলত। কিন্তু, দুজনেই এভাবে একসঙ্গে চলে যাবে তা ভাবতেই পারছি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Murshidabad: তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন মিটতেই ফের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সালার এলাকা। ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা মহম্মদ আজাহারউদ্দিন ওরফে সিজারের বাড়িতে বোমাবাজি করার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, তৃণমূলের ভরতপুর-২ ব্লকের সভাপতির অনুগামীরা ওই বোমাবাজি করেছে। আর ভোট মিটতেই দলীয় নেতার ওপর ব্লক সভাপতির লোকজনের এই বোমাবাজি করার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে। তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ নেতার বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযুক্ত ব্লক সভাপতি, আক্রান্ত পুলিশ কর্মী! (Murshidabad)

    সিজার তৃণমূল কংগ্রেসের ভরতপুর-২ ব্লক (Murshidabad) প্রাক্তন সভাপতি। বর্তমানে তিনি তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন। শনিবার সাত সকালে সালার থানার উজুনিয়া গ্রামে বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরতপুর-২ ব্লক প্রাক্তন সভাপতি মহম্মদ আজাহারউদ্দিনের বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী বোমাবাজি শুরু করে। সেই সময় তৃণমূল নেতার বাড়ির লোকজন তালাবন্ধ করে ভিতরেই থেকে যায়। বোমাবাজির খবর পেয়ে সালার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সেই সময় বোমার আঘাতে এক পুলিশকর্মী জখম হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শাসকদলের ব্লক সভাপতি অত্যাচারে প্রাণ নাশের আশঙ্কায় আতঙ্কিত প্রাক্তন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা আজহারউদ্দিন সিজার। ইতিমধ্যেই তিনি থানায় অভিযোগ জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের গরম, কলকাতার পারদ ছুঁল ৩৮ ডিগ্রি! কবে বৃষ্টি, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    ব্লক সভাপতি আমাকে খুন করার চেষ্টা করছে

    তৃণমূল নেতা সিজার (Murshidabad) বলেন, ভোট মিটতেই পরিকল্পিতভাবেই দলের ব্লক সভাপতি আমাকে খুন করার ছক কষেছে। ও নিজেকে একজন খুনের মামলায় অভিযুক্ত। দুষ্কৃতীদের দিয়ে এসব করেছে। যে ভাবে আমার বাড়িতে হামলা হয়েছে, তাতে আমাকে খুন করা ব্লক সভাপতির উদ্দেশ্য তা পরিষ্কার। আমরা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    অভিযুক্ত ব্লক সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান সুমন বলেন, সিজার সব সময় দুষ্কৃতীদের নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। গ্রামের কোনও বিষয় নিয়ে গন্ডগোল হয়েছে। তারপরই এসব বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের সামনেই হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনওভাবেই জড়িত নই। সবটাই মিথ্যা অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Humayun Kabir: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের! তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ কমিশনের

    Humayun Kabir: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের! তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে (Humayun Kabir) শো-কজ করল নির্বাচন কমিশন। হুমায়ুন জানিয়েছেন তিনি এখনও শো-কজের চিঠি হাতে পাননি। চিঠি পেলে তার জবাব দেবেন। কমিশন সূত্রে খবর, গত ২ মে বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া কমিশনের কাছে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে বলে মনে করেই তাঁকে শো-কজের চিঠি ধরিয়ে জবাব তলব করা হয়েছে।

    কী বলেছিলেন কবীর

    সম্প্রতি একটি বুথ সম্মেলনে হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) বলেন, ‘ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দিতে না পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। যদি ভেবে থাকো, তোমরা ৭০ শতাংশ আর বাকি ৩০ শতাংশ মানুষ কিছু করবে না, তাহলে ভুল হবে। তোমরা কোথাও মসজিদ ভাঙলে ভেবো না যে আমাদের ছেলেরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে।’ তাঁর এই মন্তব্যে সাম্প্রদায়িকতার উস্কানি রয়েছে বলে অভিযোগ জানানো হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই অভিযোগের জেরে তাঁকে শোকজ করল কমিশন। যদিও হুমায়ুন দাবি করেছেন যে, সম্প্রতি জেলায় এসে বিজেপি নেতা উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কিছু মন্তব্য করেছিলেন। সেই সূত্রেই তাঁর এমন মন্তব্য। এর আগেও বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে হুমায়ুন কবীরকে। লোকসভা ভোটে ইউসুফ পাঠানকে প্রার্থী করায় তিনি প্রচারে না থাকার কথা জানিয়েছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। তবে পরে অবশ্য তাঁকে প্রচারে দেখা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: দেশে নির্বাচন পরিচালনায় পথিকৃৎ সুকুমার সেন, জানেন তাঁর কথা?

    হুমায়ুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    হুমায়ুনের (Humayun Kabir) এই আচরণের বিরুদ্ধে আগেই মুর্শিদাবাদের শক্তিনগর থানাতে অভিযোগ জানিয়েছিল বিজেপি। দলের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন শক্তিপুরে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গোকুলবিহারী ঘোষ। অভিযোগপত্রে তিনি জানিয়েছিলেন, গত ১ মে সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ শক্তিপুর সবজি মার্কেটে এক সভায় হুমায়ুন কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। বিজেপির দাবি, অবিলম্বে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: গণনার দিনেও মুর্শিদাবাদে বোমা বিস্ফোরণ, ভাঙল বাড়ি, জেলা জুড়ে শোরগোল

    Bomb Blast: গণনার দিনেও মুর্শিদাবাদে বোমা বিস্ফোরণ, ভাঙল বাড়ি, জেলা জুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারুদের স্তূপে দাঁড়িয়ে মুর্শিদাবাদের একের পর এক এলাকা। ভোটের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে এই জেলায় একাধিক বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনা ঘটেছে। কয়েকদিন আগেই বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে বেলডাঙায় এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। কান্দি, খড়গ্রাম থেকে সালার, ভরতপুর, বেলডাঙা, রানিনগর, হরিহরপাড়া, ডোমকল সহ একাধিক জায়গা থেকে প্রচুর পরিমাণে বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার ভোট গণনার দিন ফের বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল মুর্শিদাবাদে। এই জেলার ভরতপুর বিধানসভার আমলাই গ্রামে মজুত থাকা সকেট বোমা থেকেই বিস্ফোরণ ঘটে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    মঙ্গলবার ভোট গণনার দিন মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর এক নম্বর ব্লকের আমলাই গ্রামে মজুত থাকা সকেট বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। জানা গিয়েছে, বেশ কিছু সকেট বোমা একটি পরিত্যক্ত জায়গাতে রাখা ছিল। মূলত একটি বাড়ি লাগোয়া পরিত্যক্ত ঘরের মধ্যে বোমা মজুত রাখা ছিল। সেই পরিত্যক্ত ঘরটি এলাকার মানুষ শৌচাগার হিসাবে ব্যবহার করত। পাশেই রাস্তা রয়েছে। সেই ঘরে বোমাগুলি মজুত ছিল। সেখানেই এদিন আচমকা বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে বোমা তৈরির কিছু সরঞ্জাম। বোমা বিস্ফোরণের ফলে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। ঘটনার খবর পেয়ে ভরতপুর থানার পুলিশ আমলাই গ্রামে পৌঁছায়। এরপর পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ তাজা বোমা উদ্ধার করে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা গোটা এলাকায়।

    কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আমাদের গ্রাম শান্তিপূর্ণ। এখানে কোনও গণ্ডগোল হয় না। এদিন আচমকা বিকট আওয়াজে গোটা গ্রাম কেঁপে ওঠে। সকলেই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে দেখি, পরিত্যক্ত ওই ঘরটির অনেকটা অংশ ভেঙে গিয়েছে। রাস্তা দিয়ে এলাকার লোকজন যাতায়াত করেন। বিস্ফোরণে (Bomb Blast) বড় বিপদ হতে পারত। লোহাদহ গ্রামের বাসিন্দা শরদিন্দু মণ্ডল বলেন, আমলাইয়ের মতো গ্রামে এত বোমা কারা মজুত করল। পুলিশের তদন্ত করা দরকার। আমরা দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ‘বিধায়ক আগুন নিয়ে খেলছেন’, হুমায়ুনকে কেন একথা বললেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী?

    TMC: ‘বিধায়ক আগুন নিয়ে খেলছেন’, হুমায়ুনকে কেন একথা বললেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভরতপুরে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে শাসক দলের ছন্নছাড়়া অবস্থা। দলের নির্দেশকে অমান্য করেই তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ভরতপুর বিধানসভার অধিকাংশ পঞ্চায়েতে নির্দল প্রার্থী দাঁড় করিয়েছেন। কয়েকদিন আগেই সালারে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে বিধায়ক প্রকাশ্যে নির্দল প্রার্থীদের হয়ে লড়াই করার কথা বলেছিলেন। নির্দল প্রার্থীদের জয়ী করার তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এবার দলের এই বিধায়কের বিরুদ্ধে সরব হলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।

    তৃণমূল (TMC) বিধায়ককে নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    শুক্রবার ভরতপুর বিধানসভার একাধিক পঞ্চায়েত এলাকায় সভা করেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। দলীয় এই কর্মসূচিতে কোথাও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন না। এই প্রসঙ্গে সালারের সোনারুন্দিতে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দল বিরোধী কাজ করতে করতে বিধায়ক খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। বিধায়ক আগুন নিয়ে খেলছেন। জনগণকে দলবিরোধী কাজ করতে বাধ্য করবেন না। যদি শক্তি থাকে তৃণমূলের (TMC) পতাকা ছেড়ে, নৌকো বা বাস নিয়ে চলুন। কেউ ফুটো নৌকা পেয়েছে, কেউ পেয়েছে ভাঙা সাইকেল কেউ আবার চিহ্ন পেয়েছে ভাঙা বাস। কেউ পেয়েছে মোমবাতি, কেউ পেয়েছে টর্চ, দেখবেন আগামীদিনে ওরা কেউ থাকবে না। ভাঙা বাস যেমন রাস্তায় চলে না, ছোট নৌকাও তেমনি নদীতে চলে না। তৃণমূল নেত্রীর নির্দেশ মেনে চলুন। যাঁরা নির্দল দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে কোনও বিতর্ক নয়, দেখবেন জনসমর্থন আপনাদেরই থাকবে।’

    দলীয় কর্মীদের কী বার্তা দিলেন  মন্ত্রী?

    মুর্শিদাবাদের ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের শালু গ্রাম পঞ্চায়েতে এক কর্মী সভায় যোগদান করে তৃণমূলের (TMC) কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘কোনও রাজনৈতিক ভেদাভেদে যাবেন না। একজন মুসলমান আর একজন মুসলমানকে পেটাবেন না। মাথায় হাত বুলিয়ে পায়ে হাত দিয়ে গ্রামের লোককে বুঝিয়ে ভোট ভিক্ষা করে তৃণমূল নেত্রীর হাত শক্ত করুন। পরে, আমি কলকাতায় গিয়ে ৯০ ডিগ্রির ব্যবস্থা থেকে শুরু করে তাবিজ কবজ সবকিছুই করে দেব।’ এদিনের সভায় মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভরতপুর- ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান সুমন সহ বহু তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে, কোথাও বিধায়কের দেখা মেলেনি। হুমায়ুন কবীরকে বার বার ফোন করার পরও তিনি ফোন না ধরায় তাঁর প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Buddha Stupa: বুদবুদের এই গ্রামে এখন জোর কদমে চলছে খননের কাজ, জানেন কেন?

    Buddha Stupa: বুদবুদের এই গ্রামে এখন জোর কদমে চলছে খননের কাজ, জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর মহকুমার বুদবুদের ভরতপুর গ্রাম। ইতিহাস সমৃদ্ধ এই গ্রামের কথা অনেকের অজানা। এই গ্রামেই কয়েকশো বছর আগে বৌদ্ধস্তূপ (Buddha Stupa) ছিল। সেই বৌদ্ধস্তূপ (Buddha Stupa) হদিশ পাওয়া গিয়েছে। বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে এই বৌদ্ধস্তূপ (Buddha Stupa) । কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে সেখানে এখন জোর কদমে খনন কার্য চলছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রাচীন ঐতিহ্য বহনকারী স্থানগুলিকে আরও উন্নত করে সেখানে যাতে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা যায় সেই বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছেন। ভরতপুরে যে বৌদ্ধ স্তূপ (Buddha Stupa) রয়েছে সেটি প্রাচীন ইতিহাস বহন করে। রাজেন্দ্র যাদব নামে এক আধিকারিকের নেতৃত্বে এই এলাকায় খনন কাজ শুরু হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বৌদ্ধ ধর্মের নানান স্থান খনন করে অনেক প্রাচীন ইতিহাস তুলে ধরেছেন। এই এলাকায় সেই কাজ করার তিনি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। স্থানীয় সাংসদ এসএস আলুয়ালিয়া খনন কার্যের কাজ খতিয়ে দেখেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা দেশে প্রাচীন স্থাপত্যগুলিকে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখানে প্রাচীন ঐতিহ্য বিদ্যমান। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে খনন কার্য চালিয়ে তা পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরা হবে। খনন কার্য কেমন হচ্ছে তা সরজমিনে খতিয়ে দেখতে আমি এসেছিলাম।

    কী করে হদিশ মিলল এই বৌদ্ধস্তূপের (Buddha Stupa)?

    পঞ্চাশ বছর আগেও এই গ্রামের পাশেই বৌদ্ধস্তূপ রয়েছে তা এলাকার মানুষ জানতেন না। গ্রামের এক প্রবীণ বাসিন্দা নিত্যানন্দবাবু বলেন, আমরা তখন ক্লাস এইটে পড়ি। গ্রামের রাস্তা তৈরির জন্য গ্রামের পাশে উঁচু ঢিবির মাটি কেটে আনা হয়। তখনই আমরা বেশ কয়েকটি ইটের হদিশ পাই। রাতের বেলায় গ্রামবাসীরা জোটবদ্ধ হয়ে খননকার্য শুরু করেন। একটি মন্দিরের বেশ কিছু ইটের হদিশ পাই। আমরা বিষয়টি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে জানাই। তাদের উদ্যোগে সরকারি সাহায্যে শুরু হয় খননকার্য। সালটা ১৯৭১। বেশ কিছুটা এলাকা জুড়ে খননকার্য হয়। নোটিসও দেওয়া হয়। তারপর আচমকাই খননকার্য বন্ধ হয়ে যায়। ফলে, আবার বৌদ্ধস্তূপ (Buddha Stupa) সেই আগের জায়গায় চলে গিয়েছিল। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, এতদিন ধরে অবহেলায় পড়েছিল এই বৌদ্ধস্তূপ। নতুন করে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে ফের খনন কার্য শুরু হওয়ায় খুব ভাল লাগছে। আগামীদিনে এই গ্রামই বৌদ্ধস্তূপের (Buddha Stupa)  কারণে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। প্রচুর পর্যটক আসবে এই গ্রামে। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে বৌদ্ধস্তূপকে (Buddha Stupa)  ঘিরে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন ভরতপুর গ্রামের বাসিন্দারা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: “সহ্যের একটা সীমা আছে”! কেন বললেন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর?

    TMC: “সহ্যের একটা সীমা আছে”! কেন বললেন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় সভায় মাইক হাতে বক্তব্য রাখছেন মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুরের তৃণমূল (TMC) বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ভরতপুর-১ ব্লকেই সভার আয়োজন করা হয়েছে। বিধায়কের বক্তব্যে কোনও বিরোধী রাজনৈতিক দল বা দলের নেতার নাম নেই। দলেরই ভরতপুর-১ ব্লকের সভাপতি নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে তিনি কার্যত ক্ষোভ উগরে দিলেন। সভায় যতক্ষণ তিনি বক্তব্য রাখেন তাঁর আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুই ছিলেন দলের ব্লক সভাপতি। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের (TMC) কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে চলে এল।

    কী বললেন ভরতপুরের তৃণমূল (TMC) বিধায়ক?

    তৃণমূলের (TMC) ভরতপুর-১ ব্লকের সভাপতির সঙ্গে বিধায়কের বহুদিন ধরেই দ্বন্দ্ব লেগেই রয়েছে। ব্লক সভাপতি নজরুলসাহেব দলের বিধায়ককে পাত্তাই দেন না। এমনকী মিটিং, মিছিলে পর্যন্ত বিধায়ককে ডাকা হয় না বলে অভিযোগ। এনিয়ে দলের ব্লক সভাপতির ওপর বিধায়ক চরম রুষ্ট। শুক্রবার ভরতপুরে বিধায়কের উদ্যোগে সভা করা হয়। সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেই ব্লক সভাপতির প্রসঙ্গই বারে বারে উঠে আসে। ব্লক সভাপতিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিধায়ক বলেন, “তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে পঞ্চায়েতে ৫০ শতাংশ স্বচ্ছ প্রার্থীর নাম নিয়ে আসবো। তাঁদের সকলকে পঞ্চায়েতে দাঁড় করিয়ে জিতিয়ে আনব। আমার প্রার্থীদের জন্য ওদের (পড়ুন ব্লক সভাপতি) প্রচারে আসতে হবে না। আমরাও ওদের প্রচারে যাব না। কে কত প্রার্থী জিতিয়ে আনতে পারে তা দেখব। তিনি আরও বলেন, শনিবার ব্লক সভাপতির নেতৃত্বে এলাকায় মিছিল করা হবে বলে জানতে পেরেছি। আমরাও ব্লক সভাপতির মিছিলের পর পাল্টা মিছিল করব। মিছিলে কার কত কর্মী-সমর্থক রয়েছে তা প্রমাণ হয়ে যাবে”। এরপর তিনি ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে বলেন, “সহ্যের একটা সীমা আছে, সেই সীমা লঙ্ঘন করলে হুমায়ুন  কাউকে ছেড়ে কথা বলে না”।

    আরও পড়ুন: এক মিনিটের ছোট ভাইয়ের থেকে মাধ্যমিকে ২ নম্বর বেশি পেয়ে জেলায় সম্ভাব্য প্রথম অরুনাভ

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC)  ব্লক সভাপতি?

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুরে ব্লক সভাপতি এবং বিধায়কের মিছিল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, জেলা নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে তা বাতিল করা হয়েছে। বিধায়কের প্রসঙ্গে ভরতপুর-১ ব্লক তৃণমূলের (TMC) সভাপতি  নজরুল ইসলাম বলেন, “বিধায়ক নিজের মতো করে চলছেন। ৫০ শতাংশ প্রার্থী দাঁড় করিয়ে ভোটে জেতানোর কথা সবটাই বিধায়কের। আমাদের নয়। শুক্রবার আমাদের বাদ দিয়ে তিনি মিটিং করেছেন। আমরা এসব করিনি। আমরা সবসময় জোটবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। সেটা তিনি করেন না”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share