Tag: Bhavanipur

  • Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের নাম পরিবর্তন করে ‘ঈশ্বরপুর’ রাখার দাবিতে ফের সরব হলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর সফরে এসে দলীয় এক সভায় দীর্ঘদিনের দাবিটিকে পুনরায় তুলে ধরেছেন। রবিবার, ১ মার্চ কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেছে বিজেপি। তৃণমূলের দুর্নীতি এবং মাত্রা ছাড়া নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে জনমনে সাহস জোগাতে বিশেষ এই যাত্রা বলে দাবি বিজেপির।

    ঐতিহাসিক দাবির পুনরাবৃত্তি (Nitin Nabin)

    নিতিন নবীন (Nitin Nabin) তাঁর ভাষণে উল্লেখ করে বলেন, “ইসলামপুরের প্রাচীন পরিচিতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ‘ঈশ্বরপুর’ নামটি গভীরভাবে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে এই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। এই মাটির সঙ্গে  জড়িয়ে আছে হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন, সমাজসংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা এবং বিপ্লবী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি। ইসলামপুরকে ঈশ্বরপুর করার জন্য বিজেপি-র এই পরিবর্তন যাত্রাকে শঙ্খধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানান৷ ইসলামপুর আর থাকবে না, ঈশ্বরপুর হবে৷ আপনাদের স্বপ্ন পূরণ হবে৷ রাজবংশী সম্প্রদায়ের মহান সমাজ সংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা, বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি বিজড়িত এই মাটিকে ঈশ্বরপুর আমরা বানিয়েই ছাড়ব৷”

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    নাম পরিবর্তনের দাবিকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) আরও বলেন, “বর্তমান শাসক দল তুষ্টিকরণের রাজনীতি করছে বলেই সাধারণ মানুষের ভাবাবেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের জন্য কালো কোর্ট পড়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন, কিন্তু এখানকার মা বোনদের কিছু হলে তখন মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে থাকেন। বাংলাদেশি ভোটারদের বাঁচানোর জন্য ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু আমরা আসাম, বিহারে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের চিহ্নত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।”

    মনোবল চাঙ্গা করতেই সফর

    নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই দাবিকে বিভাজনের রাজনীতি বলে কটাক্ষ করলেও, বিজেপি সমর্থকরা এই দাবিকে স্বাগত জানিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গে দলের সংগঠন মজবুত করতে এবং কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই তাঁর এই সফর। নাম পরিবর্তনের এই আবেগকে তিনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মানুষের দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে সচেষ্ট হবে।

  • Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোলপূর্ণিমা এবং বসন্ত উৎসবের আবহে কলকাতার ভবানীপুর এলাকায় হোলি উদ্‌যাপনে শামিল হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও এদিন তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে রঙের উৎসবে মেতে উঠতে দেখা যায়। ভবানীপুরের (Bhawanipur) হরিশ মুখার্জি রোড সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে শুভেন্দু অধিকারী সাধারণ মানুষের সঙ্গে আবির খেলেন এবং তাঁদের হোলির শুভেচ্ছা জানান।

    অশুভ শক্তির বিনাশ (Suvendu Adhikari)

    দোলের দিনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে শুভেন্দুকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। প্রথাগত রঙের উৎসবের পাশাপাশি ভক্তিমূলক গানেও অংশ নেন তিনি। গান ধরেন ‘গোরা গোরা গৌরাঙ্গ, হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই’। পরনে ছিল গৈরিক বসন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সমর্থকরা। হোলির উৎসবে অংশ গ্রহণে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাধুসন্তরা। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “নাস্তিকতা নিপাত যাক। সেকুলারিজ়ম নিপাত যাক। হিন্দুরা যাতে পশ্চিমবঙ্গে সুরক্ষিত থাকে এই প্রার্থনা করব।” সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, “হোলি হল অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সম্প্রীতির প্রতীক। এই উৎসবের রঙ যেন সাধারণ মানুষের জীবনে আনন্দ ও শান্তি বয়ে আনে, সেই কামনাই কামনাই জানাই।

    ভবানীপুর লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

    ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যাওয়ার পর ভবানীপুর (Bhawanipur) থেকে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে গত লোকসভা ভোটে এই এলাকায় তৃণমূলের তুলানয় অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। আগামী বিধানসভার নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিধানসভা। কারণ ইতিমধ্যে বিজেপির তরফে বিশেষ ওয়াররুম গঠন করা হয়েছে। এই এলাকায় ইতিমধ্যে এসএইআরে ৬০ হাজার নাম বাদ হয়েছে। ফলে ভোট অঙ্কের সমীকরণে হিন্দু ভোটের পাল্লা ভারি। অপর দিকে আরেক অনুষ্ঠানে মমতাও পাল্টা তোপ দেগে বলেছেন যে ভবানীপুরে তৃণমূলই জিতবে। বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) এই উপস্থিতি ও জনসংযোগ বিশেষ নজর কেড়েছে। তবে এদিন রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে উৎসবের মেজাজই ছিল প্রধান।

LinkedIn
Share