Tag: Bhopal

Bhopal

  • Pakistan: রমজান মাসে পাকিস্তানে ফলের বাজারে আগুন, রাশ ধরতে ব্যর্থ সরকার

    Pakistan: রমজান মাসে পাকিস্তানে ফলের বাজারে আগুন, রাশ ধরতে ব্যর্থ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য যাতে আম-আদমির নাগালের বাইরে না চলে যায়, সেজন্য মূল্য তালিকা প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সরকার (Pakistan)। অভিযোগ, তার পরেও রমজান মাসে দোকানিরা এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করছেন (Price Hikes)। বাজারের এই পরিস্থিতি ঊর্ধ্বমুখী মূল্য নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতাকে স্পষ্ট করে তুলেছে। ফলে অকার্যকর তদারকির চাপ ভোক্তাদের ওপরই পড়ছে। ফল ও সবজি বিক্রেতা ভ্রাম্যমাণ ঠেলাগাড়ি ব্যবসায়ীরা সরকারি মূল্যতালিকা না দেখিয়েই ব্যবসা করছেন। কলা প্রতি ডজন ২০০-৩০০ পাকিস্তানি রুপিতে (PKR) বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকারের নির্ধারিত মূল্য ২৩৭ রুপি। অবশ্য নিম্নমানের কলা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ রুপি প্রতি ডজন।

    আকাশ ছোঁওয়া দাম (Pakistan)

    পাক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ, তরমুজ বাজারে অপ্রতুল। যা মিলছে, তাও অত্যন্ত নিম্নমানের। তা সত্ত্বেও ক্রেতাদের প্রতি কেজি ৩০০ রুপি দিতে হচ্ছে, যেখানে সরকারি মূল্য ২৬২ রুপি প্রতি কেজি (Pakistan)। উচ্চমূল্যের কারণে অনেক খুচরো বিক্রেতা পাইকারি বাজার থেকে তরমুজ কিনতে যাচ্ছেন না। রমজানে জনপ্রিয় আর একটি ফল পেয়ারা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-৩০০ রুপিতে, যদিও সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম ১৫০-১৫২ রুপি (Price Hikes)। আপেল ও ডালিমের সরকারি মূল্য যথাক্রমে ৩৪০ ও ২৩৯ রুপি প্রতি কেজি। অথচ এগুলিই বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫০০ এবং ২৫০-৩০০ রুপি দামে (Pakistan)। বাজারে তরমুজ (ওয়াটারমেলন) প্রতি কেজি ১৫০-১৮০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যা সরকারি ১১৫ রুপির চেয়ে ঢের বেশি।

    কমলা লেবু প্রতি ডজন ৩০০-৪০০ রুপি

    উচ্চমানের বড় আকারের কমলা লেবু প্রতি ডজন ৩০০-৪০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে সরকারের নির্ধারিত মূল্য ১৩৬ রুপি। সবেদার সরকারি মূল্য প্রতি কেজি ১৫০ রুপি হলেও, খুচরো বিক্রেতারা নিচ্ছেন ২৫০-৩০০ রুপি প্রতি কেজি (Price Hikes)। পেঁয়াজ এবং আলুর দামও আকাশ ছোঁওয়া। এই দুই পণ্যের সরকারি মূল্য যথাক্রমে ৩৫ ও ২৩ রুপি প্রতি কেজি, যদিও বাজারে বিকোচ্ছে যথাক্রমে ৫০-৬০ এবং ৪০-৫০ রুপিতে। প্রশাসন জীবিত ব্রয়লার মুরগি ও মুরগির মাংসের খুচরো মূল্য যথাক্রমে ৩৩২ ও ৫০০ রুপি নির্ধারণ করেছে। যদিও এগুলি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ এবং ৫৫০-৬০০ রুপি দরে (Pakistan)।

     

  • Bhopal: চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার দুই বোন-সহ ৩

    Bhopal: চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার দুই বোন-সহ ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ এবং অসহায় তরুণীদের চাকরির টোপ দিয়ে যৌন চক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালের দুই বোন (Bhopal)। অভিযুক্ত আমরিন ও আফরিনকে পুলিশ তাদের সহযোগী চন্দন যাদব-সহ গ্রেফতার করে। ২১ ও ৩২ বছর বয়সী দুই মহিলাকে (Sex Racket Scandal) রবিবার রাতে গ্রেফতার করে বাগ সেওনিয়া থানায় হাজির করা হয়। আরও তিন অভিযুক্ত বিলাল, চানু ও ইয়াসির এখনও পলাতক।

    চাকরির টোপ দিয়ে ধরা হত শিকার (Bhopal)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আব্বাস নগরের একটি সাধারণ বস্তি এলাকায় বসবাসকারী এই দুই বোন সম্প্রতি ভোপালের সাগর রয়্যাল ভিলাসে একটি বিলাসবহুল ভিলায় উঠে যান। তদন্তকারীদের ধারণা, তরুণীদের শোষণ করে উপার্জিত অবৈধ অর্থেই এই স্থানান্তর সম্ভব হয়েছে।কর্তৃপক্ষের মতে, অভিযুক্তরা আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারের মেয়েদের টার্গেট করত। তাঁদের গৃহকর্মীর চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হত। মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতন, বিনামূল্যে থাকা-খাওয়া এবং তথাকথিত হাই-প্রোফাইল জীবনযাপনের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হত। যদিও চাকরির প্রতিশ্রুতি দ্রুতই দুঃস্বপ্নে পরিণত হত বলে অভিযোগ।

    কী বলছেন অভিযোগকারীরা

    দুই অভিযোগকারীরই দাবি, তাঁদের ধীরে ধীরে পার্টি, পাব ও লাউঞ্জে নিয়ে যাওয়া হত। সেখানে ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে মেলামেশার জন্য চাপ দেওয়া হত। এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগীদের জোর করে মদ ও এমডি ড্রাগ সেবনে বাধ্য করা হত। একাধিক ক্ষেত্রে তাঁদের মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ (Sex Racket Scandal)। ছত্তিশগড়ের মুঙ্গেলি জেলার এক অভিযোগকারীর (যিনি পেশায় বিউটিশিয়ান)দাবি, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁকে আহমেদাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে আমরিনের আত্মীয় ইয়াসির তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। এছাড়া বিলাল এবং চানুও বিভিন্ন সময়ে তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছে বলেও জানান তিনি। অন্য এক অভিযোগকারী (যিনি আমরিনের বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন) পুলিশকে জানান, আমরিন তাঁকে একা রেখে যাওয়ার পর নারায়ণ নগরে চন্দন যাদবের বোনের বাড়িতে চন্দন তাঁকে ধর্ষণ করে। তাঁর দাবি, মুখ খুললে তাঁকে প্রাণনাশ ও মানহানির হুমকিও দেওয়া হয়েছিল (Bhopal)।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ

    এই মামলার সব চেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলির একটি হল জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ। এফআইআর অনুযায়ী, চন্দন যাদব এক ভুক্তভোগীকে (Sex Racket Scandal) বলেন, “আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। তুমিও মুসলিম হয়ে যাও। তোমার ভালো পরিবারে বিয়ে দেব।” ভুক্তভোগী জানান, চাপের মুখে তিনি ধর্মান্তরিত হন এবং পরে তাঁকে বোরখা পরতে ও নমাজ আদায় করতে বাধ্য করা হয়। পুলিশ জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও ধর্ষণ সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক ধারায় তদন্ত করছে। সোমবার গ্রেফতারের সময় পুলিশ আমরিন, আফরিন ও চন্দনের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে। আধিকারিকরা জানান, আমরিনের ফোনে একাধিক সন্দেহজনক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ পাওয়া গিয়েছে, যেখানে বহু তরুণীর ছবি ছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই চক্রটি রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে বৃহত্তর নেটওয়ার্ক হিসেবে কাজ করছিল। ভুক্তভোগীদের দাবি, তাঁদের গুজরাট ও মুম্বইয়ে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে (Bhopal) অচেনা ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হত (Sex Racket Scandal)।

    চাকরি ছাড়ার কথা বললেই হুমকি

    ভুক্তভোগীরা পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাঁরা চাকরি ছাড়ার কথা বললেই হুমকি দেওয়া হত। আপত্তিকর অবস্থায় তাঁদের ছবি তুলে ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার গৌতম সোলাঙ্কি জানান, বাগ সেওনিয়া থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। তিনি বলেন, “মহিলা অভিযোগকারী ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন। মামলা রুজু হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। ভুক্তভোগী অভিযুক্ত মহিলার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে (Bhopal)।” পুলিশ এখন অভিযুক্তদের আর্থিক লেনদেন, ভ্রমণ রেকর্ড এবং ডিজিটাল যোগাযোগ খতিয়ে দেখছে। জানতে চাইছে, এটি বিচ্ছিন্ন কোনও অপরাধচক্র নাকি বৃহত্তর আন্তঃরাজ্য নেটওয়ার্কের অংশ (Sex Racket Scandal)।

     

  • Bhopal: ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে গাড়িতে ধর্ষণের অভিযোগ

    Bhopal: ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে গাড়িতে ধর্ষণের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোপালে একাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে চারটি গাড়িতে ধর্ষণের (Rape case) অভিযোগ উঠেছে। চাঁদাবাজি এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে জোর করার চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনা ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ভূপালে (Bhopal)। অভিযুক্তরা মৌলবাদীদের সঙ্গে সম্পর্কিত। দুষ্কৃতীদের এই দৌরাত্ম্যে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    গাড়ির ভেতরেই ছাত্রীকে ধর্ষণ (Bhopal) 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহপুরা (Bhopal) এলাকার একটি নামী স্কুলে পড়া মেয়েটি এক বন্ধুর মাধ্যমে আওসাফ আলী খান নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত হয়। তাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠার সুযোগ নিয়ে আওসাফ গাড়িতে করে খানুগাঁওয়ের একটি নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। এরপর গাড়ির ভেতরেই মেয়েটিকে ধর্ষণ (Rape case) করা হয়।

    ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেওয়া হতো

    ধর্ষণটি পরিকল্পিত ছিল। জানা গিয়েছে আওসাফের বন্ধু মাজ খান, যে আবার একটি জিমের মালিক, অন্ধকারে গাড়ির বাইরে লুকিয়ে ছিল এবং সে ঘটনার একটি ভিডিও করেছে বলে জানা গিয়েছে। এরপর ভিডিও নিয়ে ছাত্রীটিকে ব্ল্যাকমেইল করার কাজ চলছিল। সেই সঙ্গে এটাও বলে হুমকি দেওয়া হয়, যদি ১ লক্ষ টাকা না দেয়, তবে তারা এটি ভাইরাল করবে। এরপর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সেই নাবালিকা। পরে অবশ্য ৪০,০০০ টাকা দিতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু তার পরেও তাকে যৌন নির্যাতন এবং ব্ল্যাকমেইল করা হতে থেকে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং নামাজ পড়ার জন্য চাপ দেওয়া শুরু হয়। অবশেষে ছাত্রীটি (Rape case) তার পরিবারকে ঘটনাটি জানায় এবং হিন্দু সংগঠনগুলির সহায়তায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    পুলিশ (Bhopal) জানিয়েছে অভিযুক্তরা দুটি সেডান এবং একটি মাহিন্দ্রা থার সহ চারটি গাড়িতে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছে। পুলিশ এখন গাড়িগুলিকে জব্দ করেছে। ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে। মামলার তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্ত দলও গঠন করা হয়েছে।

  • Bhopal: কাঠ থেকে সন্ত্রাস! এক পাচার চক্রের সন্ধানে নেমে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য, ফাঁস হলো বিশাল নেটওয়ার্ক

    Bhopal: কাঠ থেকে সন্ত্রাস! এক পাচার চক্রের সন্ধানে নেমে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য, ফাঁস হলো বিশাল নেটওয়ার্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঠ পাচারের অর্থ দিয়ে চলত সন্ত্রাস (Terror-Funding Network)। কেনা হত অবৈধ অস্ত্র। মধ্যপ্রদেশের (Bhopal) আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলে অবৈধ কাঠ পাচারের একটি সাধারণ মামলার তদন্তে উঠে এল এমনই ভয়ঙ্কর তথ্য। তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মধ্যপ্রদেশের আলিরাজপুর জেলা। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED), ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA), রাজ্য এটিএস এবং একাধিক রাজ্যের বন দফতর এই জেলায় কাঠ পাচারের তদন্তে নেমেছে। দেখা গিয়েছে বেশ কিছু ক্ষেত্রে বন লুণ্ঠনের অর্থ সন্ত্রাসে ব্যবহৃত হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়েও।

    ২০০ কোটি টাকার খৈর কাঠ সাম্রাজ্য

    তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, গুজরাটের গোধরার বাসিন্দা মোহন তাহির গত তিন বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার খৈর (কাঠা) কাঠ অবৈধভাবে কেটে পাচার করেছেন। বাজারমূল্য অনুযায়ী, খৈরের ব্যাপক ব্যবহার (কাঠা উৎপাদনে) বিবেচনায় এই অঙ্ক ৭০০ কোটি টাকাতেও পৌঁছতে পারে। অভিযোগ অনুযায়ী, আলিরাজপুরের মালওয়াই গ্রামে ব্যক্তিগত জমিতে ‘শালিমার এন্টারপ্রাইজেস’-এর নামে একটি গোপন কাঠের ডিপো চালাতেন তাহির। ডিপোর দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন আরিফ (আলিফ) আলি মাকরানি, যাঁকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ২০২৪ সালের জুন মাসে গুজরাটে একটি ট্রাক অবৈধ খৈর কাঠসহ আটক হওয়ার পর এই চক্রের হদিশ মেলে। জেরায় চালক জানায়, কাঠটি আলিরাজপুরের একটি ডিপোতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে সুরাটের মাণ্ডভি ফরেস্ট ডিভিশনের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান চালিয়ে আলিরাজপুরের ডিপোটি সিল করে তদন্তকারী অফিসাররা।

    বৈধ ব্যবসার আড়ালে চোরাচালান

    বন দফতর পরে জানায়, ওই অঞ্চল থেকে প্রায় ১,৬০০ ঘনমিটার বা ২,০০০ মেট্রিক টনের বেশি খৈর কাঠ উদ্ধার হয়েছে, যা বৈধ ব্যবসার আড়ালে মজুত করা ছিল। মাণ্ডভি (সুরাট) বন বিভাগের আধিকারিক এইচ আর যাদব বলেন, “২০২৪ সালের জুলাইয়ে আমরা মামলা দায়ের করি। আলিরাজপুরের শালিমার এন্টারপ্রাইজেসে যাওয়ার পথে একটি ট্রাক আটক করা হয়। তদন্তে দেখা যায়, এই চক্র গুজরাট, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা হয়ে হরিয়ানা ও দিল্লি পর্যন্ত সক্রিয় ছিল এবং প্রায় দুই বছর ধরে চলছিল।”

    কাঠ থেকে সন্ত্রাস: তদন্তের ভয়াবহ মোড়

    তদন্ত আরও ভয়ঙ্কর মোড় নেয়, যখন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি আলিরাজপুর ডিপোর সঙ্গে উগ্রপন্থী নেটওয়ার্কের যোগসূত্র খুঁজে পায়। রাজ্য এটিএস-এর এক শীর্ষ কর্তা জানান, “আলিরাজপুরের ডিপো ও খৈর কাঠের মজুতের সঙ্গে আইএসআইএস-প্রভাবিত পদঘা মডিউলের যোগ মিলেছে। অবৈধ কাঠ ব্যবসা থেকে পাওয়া অর্থ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ডিপো পরিচালনাকারীদের সঙ্গে সাকিব নাচানের যোগসূত্রও সামনে এসেছে।” ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর, ইডি মহারাষ্ট্র, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, গুজরাট, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে মোট ৪০টি জায়গায় অভিযান চালায়। পিএমএলএ আইনের আওতায় চালানো এই অভিযানে উদ্ধার হয় ৯.৭০ কোটি টাকা নগদ, ৬.৬ কোটি টাকার সোনা ও গয়না, ২৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয় এবং হাওয়ালা নথি, ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়। মেলে উগ্রপন্থার সঙ্গে জড়িত নানা নথিও। ইডি জানিয়েছে, গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছিল যে হাওয়ালা, অবৈধ গবাদি পশু পাচার এবং খৈর কাঠ ব্যবসা থেকে আয় করা অর্থ চরমপন্থী কার্যকলাপে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ইডি অভিযানে চিহ্নিত অভিযুক্ত সচিন ফাকলে ও খলিল উসমান মুল্লার নাম আলিরাজপুর খৈর কাঠ মামলাতেও রয়েছে, যা সন্ত্রাস-অর্থায়নের অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে। এনআইএ-র দাবি অবৈধ কাঠ পাচারের টাকা জঙ্গি নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, অস্ত্র সংগ্রহে ব্যবহৃত হতো।

    মূল অভিযুক্ত পলাতক

    আদালতের নির্দেশে ডিপো ডি-সিল করার সময় গুজরাটের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি ড. মহেন্দ্র সিং কচ্ছাওয়া জানান, “ডিপোর মালিক মোহন তাহির পলাতক। ইমিগ্রেশন রেকর্ড অনুযায়ী তিনি হজ করতে দেশ ছেড়েছেন এবং ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ফেরেননি। অবৈধ খৈর কাঠ ব্যবসা থেকে অর্জিত অর্থ দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, ডিপো ম্যানেজারের সঙ্গে যুক্ত হাওয়ালা লেনদেনের তথ্য ইডি-কে দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রতি ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রায় ৪ কোটি টাকার লেনদেনের হদিশ মিলেছে।

    একাধিক বিষয় নিয়ে প্রশ্ন

    তদন্তকারীরা জানান, ২০২১ সালের পর মধ্যপ্রদেশে খৈরকে সংরক্ষিত প্রজাতির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়, ফলে পরিবহণ ও মজুতের নিয়ম শিথিল হয়। তবে প্রশ্ন উঠছে—গুজরাটে কাটা খৈর কাঠ কেন আলিরাজপুরে এনে মজুত করা হলো? শাল ও সেগুনের জন্য পরিচিত একটি ডিপোতে কেন শুধুই খৈর কাঠ ছিল? বন দপ্তরের কেউ কি জড়িত ছিলেন, নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে নীরবতা পালন করা হয়েছিল? ড. কচ্ছাওয়া স্পষ্ট করে বলেন, “যদি কোনো বন কর্মকর্তা জড়িত থাকেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” একাধিক সংস্থা—বন দফতর, পুলিশ, এটিএস, ইডি ও এনআইএ—তদন্তে নেমেছে। আলিরাজপুরের খৈর কাঠ কেলেঙ্কারি এখন আর শুধু অবৈধ লগিংয়ের মামলা নয়; এটি হয়ে উঠেছে এমন এক ভয়াবহ প্রশ্ন, যেখানে বন লুণ্ঠনের অর্থ সন্ত্রাসে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, এবং বছরের পর বছর ধরে কীভাবে একটি ২০০ কোটি টাকার ছায়া অর্থনীতি নীরবতার সুযোগে বেড়ে উঠল—তার উত্তর খোঁজা হচ্ছে।

  • Neha: অনুপ্রবেশ ও পরিচয় জালিয়াতি চক্রের পর্দা ফাঁস, নেহা আসলে বাংলাদেশি আবদুল!

    Neha: অনুপ্রবেশ ও পরিচয় জালিয়াতি চক্রের পর্দা ফাঁস, নেহা আসলে বাংলাদেশি আবদুল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পরিচয় জালিয়াতির সংগঠিত চক্রের পর্দা ফাঁস করল মধ্যপ্রদেশের ভোপাল পুলিশ। তারা গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশি (Bangladeshi) নাগরিক আবদুল কালামকে। গত আট বছর ধরে সে নেহা (Neha) নামে রূপান্তরকামী নারী সেজে ভোপাল শহরে বসবাস করছিল। বছর দশেক বয়সে ভারতে অনুপ্রবেশ করে কালাম। দু’দশক মুম্বইয়ে কাটানোর পর চলে আসে ভোপালের বুধওয়ারা এলাকায়। অভিযোগ, সেখানে রূপান্তরকারী পরিচয় নিয়ে স্থানীয় রূপান্তরকামী সম্প্রদায়ের সক্রিয় সদস্য হয়ে ওঠে সে। দালাদদের ধরে জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে আধার কার্ড, রেশন কার্ড মায় পাসপোর্ট পর্যন্ত জোগাড় করে ফেলেছিল সে।

    আবদুলই নেহা (Neha)

    তদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, আবদুল কেবল ভুয়ো পরিচয়পত্রই ব্যবহার করেনি, জাল পাসপোর্ট বানিয়ে সে বিদেশও ঘুরে এসেছে। বুধওয়ারা এলাকায় সে একাধিকবার বাসা বদল করেছে। স্থানীয়রা তাকে নেহা নামেই চেনেন। সে রূপান্তরকামী কিনা, তা জানতে চলছে শারীরিক পরীক্ষা। পুলিশ এও জেনেছে, আবদুল মহারাষ্ট্রেও রূপান্তরকামী সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এ থেকে স্পষ্ট, তার এই ছদ্মবেশ বড় কোনও চক্রের অংশ হতে পারে। রূপান্তরকামী সম্প্রদায়ের আর কেউ এই চক্রের সঙ্গে জড়িত কিনা অথবা সব জেনেও কেউ তাকে সাহায্য করেছে কিনা, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

    জাল পরিচয়পত্র

    জানা গিয়েছে, আবদুলকে (Neha) ভুয়ো পরিচয়পত্র জোগাড় করতে সাহায্য করেছে স্থানীয় দুই যুবক। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, এ পর্যন্ত যেসব তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তা হিমশৈলের চূড়ামাত্র, এর নেপথ্যে রয়েছে অনুপ্রবেশ ও জাল নথিপত্র তৈরির বিস্তৃত চক্র। আবদুলের মোবাইল ফোন থেকে পাওয়া কল রেকর্ড এবং চ্যাটগুলিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার শালিনী দীক্ষিত বলেন, “সে গত ৮-১০ বছর ধরে ভোপালে বসবাস করছে। তার আগে সে ছিল মহারাষ্ট্রে। আমরা একটি সূত্র থেকে তথ্য পেয়ে তার পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করি। এই সময়ের মধ্যে সে বাংলাদেশেও গিয়েছে। আমরা সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছি।”

    জানা গিয়েছে, প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে তার আগে এই পুরো (Bangladeshi) চক্রের বিস্তার এবং আবদুলের পুরানো কার্যকলাপ, বাংলাদেশে যাতায়াত এবং যোগাযোগ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে (Neha)।

  • Vande Bharat: মধ্যপ্রদেশে বন্দে ভারতের কোচে আগুন! হতাহতের কোনও খবর নেই 

    Vande Bharat: মধ্যপ্রদেশে বন্দে ভারতের কোচে আগুন! হতাহতের কোনও খবর নেই 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat) একটি কোচে আগুন! যা নিয়ে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, সোমবার সকালে ভোপাল থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল বন্দে ভারত। কিছুক্ষণ পরেই মধ্যপ্রদেশের কুড়ওয়াই কেথোরা এলাকায় হঠাৎ ট্রেনের একটি কোচে আগুন ধরে যায় বলে খবর। এর জেরে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও তরতাজা। এর মাঝেই অগ্নিকাণ্ডে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন যাত্রীরা। রেল সূত্রে খবর, আগুন লাগার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকল কর্মীরা। কোচের যাত্রীদের নিরাপদে বাইরে বার করে আনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।

    কীভাবে লাগল আগুন?

    রেলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, প্রথমে আগুন দেখা যায় ব্যাটারি বক্সে। প্রসঙ্গত, আগুন লাগার ঘটনা সামনে আসতেই রেল একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat) তলায় থাকা ব্যাটারির বাক্সে আগুন দেখা দিয়েছে। দমকল বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন এবং আগুন নিভিয়েছেন। যদিও ব্যাটারি বক্সে আগুন কীভাবে লাগল তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। রেল অবশ্য বলছে, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ নিয়ে তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে কোচে (Vande Bharat) আগুন লাগার ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

    সকাল ৮টায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোর ৫:৪০ নাগাদ মধ্যপ্রদেশের ভোপালের রানি কমলাপতি স্টেশন থেকে ট্রেনটি (Vande Bharat) রওনা হয়। এরপর ৮টা নাগাদ আগুন লাগার ঘটনা সামনে আসে। জানা গিয়েছে, এক্ষেত্রেও এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা। তাঁরা দমকল কর্মীদের সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। ভোপাল-দিল্লিগামী এই বন্দে ভারত ট্রেনটি সাড়ে সাত ঘণ্টায় ৭০১ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে। ট্রেনটি দিল্লির হজরত নিজামউদ্দিন স্টেশনে পৌঁছয় ভোপাল থেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘‘তৃণমূলের দুর্নীতি ভুলবে না বাংলা’’! মধ্যপ্রদেশের সভায় মন্তব্য মোদির

    Narendra Modi: ‘‘তৃণমূলের দুর্নীতি ভুলবে না বাংলা’’! মধ্যপ্রদেশের সভায় মন্তব্য মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নাম করে তৃণমূলের দূর্নীতির কথা জনসমক্ষে তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার ভোপালে বিজেপির বুথ কমিটির সভাপতিদের নিয়ে ‘মেরা বুথ সবসে মজবুত’ কর্মসূচিতে তৃণমূল শাসিত বাংলায় নানা দুর্নীতি চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ভোটমুখী মধ্য প্রদেশে এদিন সকালে রেলের এক কর্মসূচীতে অংশ নেন নরেন্দ্র মোদি। পাঁচটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু করেন তিনি। এরপর, ভোপালে বিজেপির বুথ কমিটির প্রধানদের এক জনসভায় অংশ নিয়েছেন তিনি। শুধু মধ্য প্রদেশের বিজেপির বুথ সমিতির প্রধানরা নন, গোটা দেশের বুথ কমিটির প্রধানরাই অংশ নেন এই সভায়।

    মোদির মন্তব্য

    এদিন কড়া ভাষায় তৃণমূলের সমালোচনা করলেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‘তৃণমূলের বিরুদ্ধে ২৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। রোজ ভ্যালি দুর্নীতি, সারদা দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, গরু পাচার, কয়লা পাচার চলছে। বাংলার মানুষ কখনও এই দুর্নীতি ভুলতে পারবে না।’’ চলতি মাসেই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘রোজগার মেলা’ কর্মসূচিতে পশ্চিমবঙ্গ এবং তৃণমূলের নাম না করে, নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, ‘‘সম্প্রতি আপনারা একটি রাজ্য থেকে পাওয়া খবরে দেখেছেন কী ভাবে ‘ক্যাশ ফর জব’ (টাকার বিনিময়ে চাকরি)-এর ঘটনা ঘটেছে। রেস্তরাঁয় রেট কার্ডের মতোই সেই রাজ্যে বিভিন্ন স্তরের সরকারি চাকরির বিভিন্ন ‘দর’ রয়েছে।’’এদিন সরাসরি তৃণমূলের নাম করে নিশানা করলেন মোদি।

    বিরোধীদের নিশানা

    সামনে লোকসভা ভোট। ২০২৪ ভোটের আগে দলের কর্মীদের উদ্দেশে মোদি বলেন, “পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশে মূল্যবৃদ্ধির অবস্থা মানুষের সামনে তুলে ধরুন। মানুষকে বোঝান, করোনা মহামারি সত্ত্বেও ভারতের অর্থনীতি বেশ ভাল অবস্থায় আছে। মোবাইল ডেটা, আয়ুষ্মান ভারতের মতো আমাদের বিভিন্ন নীতির ফলে মানুষের অনেক টাকা বেঁচেও যাচ্ছে। বিজেপি যে যে রাজ্যে ক্ষমতায় আছে, সব রাজ্যেই জ্বালানির দাম ১০০ টাকার নীচে রয়েছে। অবিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে কেন জ্বালানির দাম ১০০-র বেশি? মানুষের সামনে এই প্রশ্ন তুলুন।”

    আরও পড়ুন: “পাকিস্তান, বাংলাদেশে তিন তালাক নেই কেন?” মধ্যপ্রদেশের জনসভায় প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

    শুধু তৃণমূল নয়, গত ২৩ মে পটনায় নীতীশ কুমারের ডাকা বিজেপি বিরোধী বৈঠকে হাজির বিভিন্ন দলকে নিশান করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির কথায়, “দিন কয়েক আগে বিরোধী দলের নেতারা ছবি তোলার একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল। সেখানে যারা ছিলেন, তাদের সব মিলিয়ে ২০ লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতি রয়েছে। বিরোধীরা যারা একজোট হওয়ার চেষ্টা করছে, তাদের উপর রাগ নয়, দয়া করুন। এর আগে ২০১৯ সালেও আমরা শুনেছিলাম বিরোধী জোটের কথা। এবার একটু বেশি লাফালাফি করছে ওরা। আসলে এছাড়া ওদের কোনও উপায় নেই। ২০২৪ সালে আরও বেশি আসন জিতে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Serial Killer: ভোপালে সিরিয়াল কিলার আতঙ্ক, নেহাতই ‘বিখ্যাত’ হতে খুন, জানাল অভিযুক্ত

    Serial Killer: ভোপালে সিরিয়াল কিলার আতঙ্ক, নেহাতই ‘বিখ্যাত’ হতে খুন, জানাল অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সিরিয়াল কিলার’ (Serial Killer) আতঙ্ক ঘুম কেড়েছে ভোপালবাসীর (Bhopal)। নিছক ‘বিখ্যাত’ (Famous) হওয়ার নেশায় পাথর দিয়ে থেঁতলে একের পর এক মানুষ খুন। পুলিশের হাতে ধরা পড়ে নিজেই এমনটা জানিয়েছে সাম্প্রতিক কালের ‘স্টোন ম্যান’ (Stone Man)। বয়স মাত্র ১৯ বছর। আর তাতেই খবরের শিরোনামে আসার নেশা পেয়ে বসেছিল তাকে। সে কারণেই এমন পথ বেছে নেয় ওই যুবক। 

    আরও পড়ুন: দুবছর পর ফের মধ্যপ্রদেশের জঙ্গলে দেখা গেল ‘ব্ল্যাক প্য়ান্থার’, ভাইরাল ভিডিও

    শুধুমাত্র নিরাপত্তারক্ষীদের খুঁজে খুঁজেই শিকার বানাত সে। তারপর কোদাল, হাতুড়ি, পাথর দিয়ে খুন করত নিরীহ মানুষগুলিকে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৭২ ঘণ্টায় তিনজন নিরাপত্তারক্ষীকে খুন করেছে ওই অভিযুক্ত। মূলত নিরাপত্তারক্ষীরা যখন ঘুমিয়ে থাকতেন, তখনই তাঁদের ওপর আক্রমণ চালাত বলে জেরায় জানতে পেরেছে মধ্যপ্রদেশ (Madhya Pradesh) পুলিশ। অভিযুক্তের ফোনের টাওয়ারের লোকেশন ট্র্যাক করে শুক্রবার ভোর রাতে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  

    কেন নিরীহ মানুষকে খুন করত, এই প্রশ্ন করলে তার উত্তরে রীতিমতো হতবাক হয়ে যান পুলিশ আধিকারিকরা। অভিযুক্ত জানায় শুধুমাত্র ‘বিখ্যাত’ হতে চেয়েছিল সে। আর তাতেই একের পর এক নিরীহ মানুষের বলি।  

    অভিযুক্তের শেষ শিকার ছিলেন সাগর জেলার মঙ্গল আহিরবার। মঙ্গলবার রাতে তাঁর উপর হামলা চালায় ওই খুনি। বুধবার ভোপালের এক  হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। ওই ব্যক্তির দেওয়া বয়ান এবং সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ করেছিল পুলিশ। মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল কুড়ি হাজার টাকা। কিন্তু অবশেষে পুলিশই উদ্যোগ নিয়ে পাকড়াও করে তাকে।

    আরও পড়ুন: র্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করা ‘মির্চি বাবা’ 

    গত ২৮ অগাস্ট ৫০ বছরের কল্যাণ লোধী নামের এক ব্যক্তিকে প্রথম খুন করে ওই অভিযুক্ত। একটি কারখানায় নিরাপত্তারক্ষার কাজ করতেন তিনি। হাতুড়ি দিয়ে তাঁর মাথা থেঁতলানো হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সাগর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিক্রম সিংহ কুশওয়া। অভিযুক্তের দ্বিতীয় শিকার ছিলেন বছর ষাটের শম্ভু নারায়ণ দুবে। আর্টস অ্যান্ড কমার্স কলেজে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তাঁর মাথা পাথর দিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয়। মে মাসে উত্তম রাজাক বলে এক ব্যক্তিকে খুন করে সে। একটি ওভারব্রিজ কন্সট্রাকশন সাইটে নিরপত্তারক্ষীর কাজ করতেন তিনি। 

    পুলিশ আপাতত চারটি খুনের খোঁজ পেলেও, অভিযুক্ত নিজেই দাবি করেছে সে মোট ছয় জনকে খুন করেছে। এই বাকি দুজন কে, এখন তারই সন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Madhya Pradesh Stoneman: গ্রেফতার মধ্যপ্রদেশের তরুণ স্টোনম্যান, গ্যাংস্টার হতে চাওয়ায় বিপত্তি?  

    Madhya Pradesh Stoneman: গ্রেফতার মধ্যপ্রদেশের তরুণ স্টোনম্যান, গ্যাংস্টার হতে চাওয়ায় বিপত্তি?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়ের দশকে কলকাতায় ধারাবাহিক খুন করে চলেছিল স্টোনম্যান (Stone Man)। তাকে অবশ্য ধরা যায়নি। একই কায়দায় মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) বিভিন্ন জায়গায় ‘অপারেশন’ শুরু করেছিল একজন। শেষমেশ অবশ্য শনাক্ত করা গিয়েছে খুনিকে। করা হয়েছে গ্রেফতারও। বছর আঠারোর ওই সদ্য তরুণের নাম শিবপ্রসাদ ধুরভে (Shivprasad Dhurve)। এদিন স্কুলছুট ওই তরুণকে তোলা হয় স্থানীয় আদালতে। তাকে একদিনের পুলিশি রিমান্ড পাঠিয়েছে আদালত।

    জানা গিয়েছে, এই তরুণই পরপর চারটি খুন করেছে। এর মধ্যে তিনটি খুনই করেছে সাগর (Sagar) জেলায়, একটি ভোপালে (Bhopal)। যে চারজন খুন হয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই নিরাপত্তা রক্ষী, ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করা হয়েছে তাঁদের। এও জানা গিয়েছে, এদিন যখন শিবপ্রসাদকে কোর্টে তোলা হয়, তখন তাকে বিষণ্ন দেখায়নি। উল্টে পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর সময় সে ভিকট্রি চিহ্ন দেখিয়েছে। সাগরের এসপি তরুণ নায়েক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, শিবপ্রসাদ যে চারজনকে খুন করেছে, তা স্বীকার করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার দ্বারা প্রভাবিত হয়েই সে একাজ করেছে। বিখ্যাত হওয়ার জন্য সে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। তাই সে একাজ করেছে বলে জানিয়েছে।

    সাগর রেঞ্জের আইজি অনুরাগ বলেন, শিবপ্রসাদ প্রেরণা পাওয়ার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা রকম হিংসাত্মক ভিডিও দেখত। তাকে দেখে মানসিক রোগগ্রস্ত বলে মনে হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত তরুণ এও স্বীকার করেছে যে সে যখন পুণেতে থাকত, তখন সেখানেও সে একজনকে খুনের চেষ্টা করেছিল। তার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। জামিনে ছাড়া পেয়েছে বলেও পুলিশকে জানিয়েছে এই সদ্য তরুণ। শিকারকে খুন করে সে মোবাইল, টাকাপয়সা নিয়ে পালাত বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, শিবপ্রসাদ ধনী হতে চেয়েছিল, চেয়েছিল নাম করা গ্যাংস্টার হতেও।

    আরও পড়ুন :ভোপালে সিরিয়াল কিলার আতঙ্ক, নেহাতই ‘বিখ্যাত’ হতে খুন, জানাল অভিযুক্ত

    কী বলছেন অভিযুক্ত তরুণের পরিবার? শিবপ্রসাদের ভাই বলছেন, দাদার মধ্যে কিছু বদল দেখে গত চার বছর ওর সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। অভিযুক্ত তরুণের বাবা জানান, পড়াশোনা ছেড়ে শিবপ্রসাদ ছোট থেকেই বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করত। তবে যখনই বাড়ি আসত মায়ের কাছে টাকা চাইত। দিতে অস্বীকার করলে মাকে আত্মহত্যা করে মরতে বলত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share