Tag: Bhutan

Bhutan

  • Sonam Yeshey: ৭ রানে ৮ উইকেট, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নজির ভুটানের সোনমের

    Sonam Yeshey: ৭ রানে ৮ উইকেট, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নজির ভুটানের সোনমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭ রানে ৮ উইকেট নয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন ভুটানের সোনম ইয়েশি। গত শুক্রবার ক্রিকেট দুনিয়ার নজর যখন ছিল অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অ্যাশেজ সিরিজের টেস্টে তখনই বাইশ গজে নয়া ইতিহাস রচনা করলেন ভুটানের তরুণ। নিঃশব্দে মায়ানমারের বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড গড়েন ২২ বছর বয়সি বাঁ-হাতি স্পিনার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এর আগে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের নজির ছিল মালয়েশিয়ার সিয়াজরুল ইদ্রুসের দখলে। ২০২৩ সালে চিনের বিরুদ্ধে তিনি ৮ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন।

    সোনমের দুরন্ত ঘূর্ণি

    চলতি বছরের শুরুতে বাহরিনের আলি দাউদ ১৯ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন ভুটানের বিরুদ্ধে। শুক্রবার ৭ রানে ৮ উইকেট নিয়ে সকলকে ছাপিয়ে গেলেন সোনম। গোলফু আন্তর্জাতিক মাঠে টস জিতে ভুটানকে ব্যাট করতে পাঠায় মায়ানমার। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তারা ১২৭ রান তোলে। ১২৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সোনমের দুরন্ত ঘূর্ণিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে প্রথম চারটি বলের মধ্যে তিনটিতেই উইকেট তুলে নেন সোনম। নিজের দ্বিতীয় ওভারে নেন চতুর্থ উইকেট। শেষ দুই ওভারে নেন আরও চারটি উইকেট। সোনমের ধাক্কায় মাত্র ৪৫ রানে শেষ হয়ে যায় মায়ানমারের লড়াই। ৮২ রানে জয়ী হয় ভুটান।

    অভিষেক ম্যাচেই ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন সোনম 

    ২০২২ সালের জুলাই মাসে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় সোনাম ইয়েশির। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নিজের প্রতিভার জানান দিয়ে আসছেন তিনি। অভিষেক ম্যাচেই ১৬ রান খরচ করে ৩ উইকেট শিকার করেছিলেন এই বাঁহাতি স্পিনার। এখন পর্যন্ত খেলা ৩৪টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তার মোট উইকেট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭-এ। ভুটান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (International Cricket Council) সহযোগী সদস্য। এই স্তরের বহু দেশের ক্রিকেটার এখনও অপেশাদার। তবে ভুটান ব্যতিক্রম। পুরুষ ও মহিলা জাতীয় দল মিলিয়ে ৩৬ জন ক্রিকেটার কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় বেতন পান। বর্তমানে ভুটান পুরুষদের টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে ৭৭ নম্বরে, মায়ানমার রয়েছে ৯৫ নম্বরে।

     

     

     

     

     

     

  • PM Modi in Bhutan: “পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, ভারত-ভুটান বন্ধুত্বের স্থায়ী প্রতীক” ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi in Bhutan: “পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, ভারত-ভুটান বন্ধুত্বের স্থায়ী প্রতীক” ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি হলেই ভুটানের জল ভারতে (Bharat Bhutan Relation) ঢুকে পড়ার সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে ডুয়ার্স এলাকার বিভিন্ন স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এই জল প্রবেশের ফলে। এই সমস্যার সমাধান হতে চলেছে। ভুটানে (PM Modi in Bhutan) ফুন্টশলিং-এর কাছে হাইড্রো ইলেকট্রিক প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন ভুটানের রাজা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুধু জল সমস্যার সমাধান নয়। এই প্রকল্পে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দু’দেশের কাজে আসবে। এই প্রকল্প দুই দেশের চিরন্তন বন্ধুত্বের প্রতীক, বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প

    ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদি যৌথভাবে উদ্বোধন করেন পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের, যা দুই দেশের বন্ধুত্বের এক স্থায়ী প্রতীক বলে অভিহিত করেন তিনি। এক্স-এ মোদি লেখেন, “উন্নয়নের জ্বালানি, বন্ধুত্বের গভীরতা ও টেকসই অগ্রগতির প্রতীক! জ্বালানি সহযোগিতা ভারত-ভুটান সম্পর্কের অন্যতম স্তম্ভ। আজ আমরা পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছি, যা আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্বের এক চিরন্তন প্রতীক।” ১০২০ মেগাওয়াটের পুনাতসাংচু-২ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক শক্তি-সহযোগিতার এক “ঐতিহাসিক মাইলফলক” বলে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। শক্তি সহযোগিতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভুটান বর্তমানে শতভাগ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে উৎপাদন করে। এই অগ্রগতি আরও এগিয়ে নিতে আজ নতুন এক হাজার মেগাওয়াটের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে, যা ভুটানের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৪০% বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি, দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা আরেকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজও পুনরায় শুরু হবে।”

    স্বল্পসুদে ঋণ সহায়তা

    ভুটান (Bharat Bhutan Relation) সফরে গিয়ে ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, সংযোগ, প্রযুক্তি ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে মতবিনিময় হয়। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ভুটানের জ্বালানি প্রকল্পগুলির জন্য ভারত ৪,০০০ কোটি টাকার স্বল্পসুদে ঋণ সহায়তা দেবে। তিনি আরও জানান, “ভারত ও ভুটানের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই ভাবনাতেই গত বছর ভারত সরকার ভুটানের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার জন্য ১০,০০০ কোটি টাকার সহায়তা ঘোষণা করেছিল। এই অর্থ রাস্তা, কৃষি, আর্থিক খাত থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যসেবার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হচ্ছে, যা ভুটানের জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করছে।”

    ভারত-ভুটান রেল যোগাযোগ

    সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে মোদি জানান, ভুটানের গেলেফু ও সামতসে অঞ্চল ভারতের বিস্তৃত রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এর জন্য ভুটানের গেলেফুতে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট খোলা হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এই চেক পোস্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে জানা গিয়েছে। সীমান্ত পরিকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে মোদি বলেন, “রেল ও সড়ক সংযোগের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় দ্রুত উন্নয়ন চলছে।” তিনি রাজা ওয়াংচুকের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্পের প্রশংসা করে জানান, ভারত গেলেফুর কাছে একটি নতুন ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট স্থাপন করবে, যাতে পর্যটক ও বিনিয়োগকারীদের চলাচল আরও সহজ হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে ভুটানের শিল্প ও কৃষকরা ভারতের বৃহৎ বাজারে সহজে প্রবেশাধিকার পাবেন। সংযোগ সুযোগ সৃষ্টি করে, আর সুযোগই সমৃদ্ধি আনে।”

    দিল্লি বিস্ফোরণে নিহতদের স্মরণে বিশেষ প্রার্থনা

    ভুটানের (PM Modi in Bhutan) রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক মঙ্গলবার থিম্পুতে দিল্লি বিস্ফোরণে নিহতদের স্মরণে এক বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই প্রার্থনায় হাজার হাজার ভুটানি নাগরিক অংশগ্রহণ করেন। প্রার্থনা সভায় রাজা বলেন, “আসুন, আমরা সবাই একসঙ্গে ভারত ও প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্য প্রার্থনা করি। মোদিজির সকল আশা, দৃষ্টি ও ভারতের সেবার উদ্দেশ্য সফল হোক। তিনি যেন প্রতিটি বাধা অতিক্রম করে আরও উজ্জ্বল, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারেন।” তিনি আরও যোগ করেন, “সবচেয়ে বড় কথা, আজ আমরা এক মুহূর্তের জন্য থেমে সেই মানুষগুলোর জন্য প্রার্থনা করতে চাই, যারা দুর্ভাগ্যবশত দিল্লিতে বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন। আমরা তাদের আত্মার শান্তি কামনা করি।”

    বিশ্ব শান্তির আশা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Bhutan) ভুটানের রাজা ও রানির সঙ্গে থিম্পু বুদ্ধিস্ট মনিস্ট্রিতে পিস প্রেয়ার ফেস্টিভ্যাল যোগ দেন। এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য বিশ্ব শান্তি কামনা করা। বুদ্ধিস্ট মনেস্ট্রিতে প্রার্থনা করতে দেখা যায় নরেন্দ্র মোদিকে। তিনি বলেন, “গৌতম বুদ্ধের পবিত্র ধাতু ভুটানে যে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে, তা আমাদের দুই দেশের চিরন্তন আধ্যাত্মিক বন্ধনের প্রতিফলন।” দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মঙ্গলবার ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ ও সৌজন্যপূর্ণ অভ্যর্থনা জানান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। ভুটানের চতুর্থ রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের ৭০তম জন্মবার্ষিকীতে যোগ দিতেই মূলত ভুটান গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

  • PM Modi In Bhutan: আগামী সপ্তাহেই ভুটান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী! রেল সংযোগ, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বিশদ ভাবনা

    PM Modi In Bhutan: আগামী সপ্তাহেই ভুটান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী! রেল সংযোগ, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বিশদ ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দিনের সরকারি সফরে ভুটান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In Bhutan)। আগামী সপ্তাহে ভুটানের বর্তমান রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের পিতা প্রাক্তন রাজা জিগমে সিংয়ে ওয়াংচুকের ৭০তম জন্মদিন উপলক্ষে ভুটানে যাওয়ার কথা রয়েছে মোদির। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সফরসূচি ঘোষণা করা হয়নি, তবু সূত্রমতে, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হবে জ্বালানি সহযোগিতা ও আঞ্চলিক সংযোগ আরও দৃঢ় করা। আগামী ১১ ও ১২ নভেম্বর ভুটান সফরে যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর। ২০১৪ সালের পর এটি হবে তাঁর চতুর্থ ভুটান সফর।

    জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন

    সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী মোদি ভুটান (Bharat-Bhutan Relation) সফরের সময় সেখানকার পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারেন এবং সেখানকার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন। ভুটানের সংবাদ মাধ্যম কুয়েনসেলের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রাক্তন রাজার ৭০তম জন্মদিন উদযাপনের সময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি সেখানে পুনাতসাংছু-দ্বিতীয় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধনও করবেন বলেও জানা গিয়েছে। ২০২৫ সালের শুরু থেকে চালু হওয়া এই প্রকল্প ভুটানের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ করবে এবং ভারতের কাছে বিদ্যুৎ রফতানিতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

    ভারত–ভুটান রেল সংযোগ প্রকল্পের অগ্রগতি

    প্রধানমন্ত্রী মোদি সফরের সময় ভারত–ভুটান রেল সংযোগ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। ভারত-ভুটান দুটি রেলপথের মধ্যে রয়েছে— আসামের কোকরাঝাড় থেকে দক্ষিণ ভুটানের গ্যালেফু পর্যন্ত ৬৯ কিমি লাইন এবং পশ্চিমবঙ্গের বানারহাট থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম ভুটানের সামতসে পর্যন্ত ২০ কিমি লাইন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ঘোষিত এই দুই প্রকল্প সীমান্তপারের যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কোকরাঝাড়–গ্যালেফু প্রকল্প, যার ব্যয় প্রায় ₹৩,৪৫৬ কোটি, এতে থাকবে ৬টি স্টেশন, ২টি গুরুত্বপূর্ণ সেতু, ২৯টি বড় ও ৬৫টি ছোট সেতু, ২টি পণ্যবাহী টার্মিনাল, ১টি উড়ালপুল এবং ৩৯টি আন্ডারপাস। নির্মাণের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে চার বছর। অন্যদিকে বানারহাট–সামতসে প্রকল্পের ব্যয় ₹৫৭৭ কোটি, যেখানে থাকবে ২টি স্টেশন, ১টি বড় সেতু, ২৪টি ছোট সেতু, ১টি ওভারপাস এবং ৩৭টি আন্ডারপাস। এটি তিন বছরের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা।

    পারস্পরিক সংযোগকে আরও গভীর করবে

    বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, এই প্রকল্পগুলো ভারত ও ভুটানের পারস্পরিক সংযোগকে আরও গভীর করবে। তিনি বলেন, “গ্যালেফু হলো ‘গ্যালেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু, যা ভুটানের রাজা স্বপ্নদর্শীভাবে পরিকল্পনা করেছেন। ভারত এই প্রকল্পে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। আসামের সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলবে।” সামতসে রেল প্রকল্প সম্পর্কে মিশ্রি আরও জানান, এই শহরটি শিল্পকেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হচ্ছে এবং এখান থেকে ডোলোমাইট, ফেরো-সিলিকন, কোয়ার্টজাইট ও পাথরচিপস ভারতের বাজারে রফতানি করা হতে পারে।

    ভারত-ভুটান সম্পর্কের বিকাশের উপর গুরুত্ব

    সোমবার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে ভারত-ভুটান সম্পর্কের বিকাশের উপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ‘ভারত-ভুটানের সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে উঠেছে হাজার বছর আগে, যা এখনও আমরা উপভোগ করছি। কারণ ভারতের অনেক আধ্যাত্মিক গুরু ভুটানে বা কখনও কখনও হিমালয়ের অন্যান্য অংশে ভ্রমণ করেছেন। অনেকে ভুটানে বাড়িও বানিয়েছেন।’ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে আরও বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির সহযোগিতায়, ভুটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিকে বজ্রযান অনুশীলনের কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তরিত করা হতে পারে। আগামী দিনে মোদির সহযোগিতায় গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিকে একটি বজ্রযান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে যথেষ্ট সদিচ্ছা রয়েছে এবং এই অংশগ্রহণ থেকে উপকৃত হয়েছে ভুটান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী থেকে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আমাদের রাজাদের এবং বর্তমান রাজার সম্পর্কও অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ।’

     

     

     

     

     

     

  • Bhutan PM: “প্রধানমন্ত্রী মোদি আমার দাদা, আমার গুরু,” তাইল্যান্ডে দাঁড়িয়ে বললেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

    Bhutan PM: “প্রধানমন্ত্রী মোদি আমার দাদা, আমার গুরু,” তাইল্যান্ডে দাঁড়িয়ে বললেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আমার দাদা। তিনি আমার গুরু।” শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এমনই প্রশস্তি করলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী (Bhutan PM) শেরিং টোবগে। দ্বীপরাষ্ট্র তাইল্যান্ডে শুক্রবার শেষ হয়েছে ষষ্ঠ বিমস্টেকের (BIMSTEC) শীর্ষ সম্মেলন। সেই সম্মেলনের ফাঁকেই শেষ দিন হয় ভারত ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। সেখানেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর গলায়। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে টোবগে বলেন, ‘‘আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমার দাদা বলে মনে করি। তিনি আমাকে নির্দেশনা দেন। তাই আমি তাঁকে আমার গুরু বলেও মনে করি। তাঁর সঙ্গে প্রতিটি বৈঠকই আমার জন্য খুব বিশেষ।’’

    মোদি ‘আধ্যাত্মিক নেতা’ (Bhutan PM)

    ভুটানের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘আধ্যাত্মিক নেতা’ বলেও অভিহিত করেন। আমেরিকান পডকাস্টার লেক্স ফ্রিডম্যানের সঙ্গে তাঁর পডকাস্টের প্রশংসা করে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথাগুলি শুনতে শুনতে আমার মনে হচ্ছিল, আমি যেন একজন আধ্যাত্মিক গুরুর কথা শুনছি।” তিনি জানান, পডকাস্টটি তিনি ইংরেজি এবং হিন্দি উভয় ভাষায়ই শুনেছেন। শেরিং টোবগে (Bhutan PM) বলেন, ‘‘আমি লেক্স ফ্রিডম্যানের প্রধানমন্ত্রী মোদির সাক্ষাৎকার শুনেছি। আমি এটি ইংরেজিতে শুনেছি। হিন্দিতেও শুনেছি। যদিও আমি খুব বেশি হিন্দি বুঝি না। তবে আমি এটি মূল ভাষায় শুনতে চেয়েছিলাম। আমি প্রধানমন্ত্রীকে সে কথা জানিয়েওছি।” তিনি বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে বলেছিলাম, দাদা, আমি সেই পডকাস্টটি শুনেছি এবং আমি একজন আধ্যাত্মিক নেতাকে দেখেছি। আমার মনে হচ্ছিল আমি যেন একজন আধ্যাত্মিক গুরুর ভাষণ শুনছি। এটি খুবই আধ্যাত্মিকভাবে পরিপূর্ণ ছিল।’’

    ভারতের নেতৃত্বের ভূমিকায় জোর

    বিমস্টেকের মধ্যে ভারত সব চেয়ে বড় দেশ। তাই ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ভারতের নেতৃত্বের ভূমিকার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “এই বৈঠকের সময় আমরা খুব সংক্ষেপে বিমস্টেকের কার্যক্রম ও ভারতের নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেছি। কারণ ভারত বিমস্টেকের সব চেয়ে বড় সদস্য রাষ্ট্র, সব চেয়ে জনবহুল সদস্য রাষ্ট্র, সব চেয়ে বড় অর্থনীতি এবং বিমস্টেক অঞ্চলের সব চেয়ে শক্তিশালী দেশ। আমরা ভারতের নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সেই নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন। তাই আমি বলেছি যে বিমস্টেকের জন্য অনেক ভালো কিছু (Bhutan PM) পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।”

  • PM Modi: ৮ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন জানেন?

    PM Modi: ৮ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৮ তারিখে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশকে। সরকারি সূত্রেই এ খবর মিলেছে। বুধবারই বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের নেতারা। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে এনডিএ জিতেছে ২৯২টি আসনে। সূত্রটি জানিয়েছে, মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল এবং মরিশাসের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

    কী বলছে শ্রীলঙ্কা? (PM Modi)

    শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহের অফিসের তরফে জানানো (PM Modi) হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বিক্রমসিংহে আমন্ত্রণ গ্রহণও করেছেন। মোদির জয়ে তাঁকে ফোনে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। এই সময়ই বিক্রমসিংহকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট সেই আমন্ত্রণ গ্রহণও করেছেন।

    আসছেন কারা?

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও ফোনে কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই সময়ই হাসিনাকেও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান তিনি। জানা গিয়েছে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহল প্রচণ্ড, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবীন্দ জুগানাউথকেও। প্রচণ্ডের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আলাদা করেও কথা হয়েছে। ফোনে আমন্ত্রণ জানানো হলেও, বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের অফিসিয়ালি নিমন্ত্রণ জানানো হবে আজ, বৃহস্পতিবার থেকে। ২০১৪ সালে যখন প্রথমবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি, সেই সময় উপস্থিত ছিলেন সার্কের (SAARC) অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানরা। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের পর যখন দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন মোদি, তখন উপস্থিত ছিলেন বিমস্টেক (BIMSTEC) দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানরা।

    আর পড়ুন: সরকার গড়ার সংখ্যা নেই, ‘ইন্ডি’ জোট বসবে বিরোধী আসনেই

    প্রসঙ্গত, অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই পেয়েছে ২৪০টি আসন। এনডিএ পেয়েছে ২৯২টি কেন্দ্রের রাশ। সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২টি আসন। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার জন্যই রাষ্ট্রপতির কাছে সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে এনডিএ (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi in Bhutan: থিম্পুতে মোদি, ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi in Bhutan: থিম্পুতে মোদি, ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের ভুটান সফরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Bhutan)। শুক্রবার সকালেই ভুটানের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। পারো বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে যান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরেই দেওয়া হয় গার্ড অফ অনার।  

    মোদিকে উষ্ণ আলিঙ্গন (PM Modi in Bhutan)

    লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই ফের সরকার গঠিত হবে বলে ধরে নিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ইতিমধ্যেই তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রেখেছেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধানরা। শান্তির দূত হিসেবেই ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে শুরু করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি। এহেন (PM Modi in Bhutan) আবহে এদিন পড়শি দেশ ভুটান রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবারই দেশে ফিরবেন তিনি। এদিন পারো বিমানবন্দরে পৌঁছতেই প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। সে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘অর্ডার অফ দ্য ড্রুক গ্যালপো’য় সম্মানিত করা হবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে।

    মোদির সম্মানে বন্ধ ভুটানের স্কুল

    ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে এদিন বন্ধ রাখা হয়েছে ভুটানের সমস্ত স্কুল। রাজধানী থিম্পুতে তাঁকে স্বাগত জানান স্কুল পড়ুয়া ও স্থানীয় বাসিন্দারা। সেওয়াং দোরজি নামে ভুটানের এক বাসিন্দা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানাতে আমরা অত্যন্ত উৎসাহিত। আজ ভুটানের সব স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে গিয়েছে ভুটানের পড়ুয়ারা।” চলতি বছরই সাধারণ নির্বাচন হয়েছে ভুটানে। সেই নির্বাচনে জিতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন শেরিং। তার পরেই ভারত সফরে এসেছিলেন তিনি। সেই সময় পরিকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ, শক্তি ও জ্বালানি, জলবিদ্যুৎ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা হয়েছিল ভারত ও ভুটানের মধ্যে।

    সম্প্রতি ভুটান সীমানায় তৎপরতা বাড়িয়েছে চিনা সেনা। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এহেন আবহে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভুটান সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পড়শি দেশ ভুটানও যাতে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার মতো চিনা ঋণের ফাঁদে না পড়ে, বেজিং যাতে ভুটানভূমকে কাজে লাগিয়ে ভারতকে চোখ রাঙাতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করতেই ভুটান সরকারের ডাকে লোকসভা নির্বাচনের মুখে সে দেশে গিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বিদেশমন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “থিম্পুতে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi in Bhutan) সফরে ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার চেষ্টা হবে।”

    আরও পড়ুুন: কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী চন্দ্রনাথের বোলপুরের বাড়িতে ইডি হানা, বাড়ি ঘিরে রেখেছে বাহিনী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • China: ভুটান সীমান্তের বিতর্কিত এলাকায় ফের বাড়ি বানাচ্ছে চিন!

    China: ভুটান সীমান্তের বিতর্কিত এলাকায় ফের বাড়ি বানাচ্ছে চিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুটান সীমান্তের বিতর্কিত এলাকায় ফের বাড়ি বানাচ্ছে চিন (China)। সীমান্ত সমস্যা মেটাতে বর্তমানে দু দেশের মধ্যে চলছে আলাপ আলোচনা। তার মধ্যেই সিঁধ কেটে চলেছে বেজিং। জানা গিয়েছে, বিতর্কিত ওই এলাকায় ইতিমধ্যেই তিনটি গ্রাম গড়ে ফেলেছে লালফৌজ। রবিবার এ খবর প্রকাশিত হয়েছে চিনা দৈনিক মর্নিং পোস্টে।

    সিঁধ কাটার ছবি উপগ্রহ চিত্রেও

    ভুটান সীমান্তে চিন যে গ্রাম গড়ছে, কিছু দিন আগেই তা জানা গিয়েছিল উপগ্রহ চিত্রে। বেয়ুল খেনপাজং অঞ্চলে নদীর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গ্রাম গড়ছে চিন। কেবল এই অঞ্চলে নয়, ভুটানের উত্তর, পশ্চিম এবং দক্ষিণ পশ্চিম ভূখণ্ডে চিন ক্রমশ দখলদারি চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিবেশী দেশ (এক্ষেত্রে ভুটান) দুর্বল জেনেই তাদের এই পদক্ষেপ। খুব (China) কৌশলে ভুটানের জমি দখল করছে চিন। জমি দখল করার পাশাপাশি ভুটানের সঙ্গে সীমান্ত সংক্রান্ত আলোচনাও চালাচ্ছে বেজিং। যার অর্থ, পিছু হটার বদলে ওই অঞ্চলে নির্মাণকাজ বহাল রাখার প্রশ্নে অনড় মনোভাব নিচ্ছে ড্রাগনের দেশ।

    চলছে নির্মাণ কাজ

    একটি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, হিমালয়ের কোলে প্রত্যন্ত গ্রামে চিন-ভুটান সীমান্তের বিতর্কিত এলাকায় নির্মাণ কাজ করছে চিন। নতুন করে ১৮ জন চিনা নাগরিক তাঁদের জন্য নতুন করে তৈরি বাড়িতে প্রবেশের জন্য অপেক্ষা করছে। বাড়িগুলিতে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ছবিও টাঙানো হয়েছে। চিনা ও তিব্বতি ভাষায় লেখা লাল উজ্জ্বল রংয়ের ব্যানারও। গত ২৮ ডিসেম্বর প্রথম দফায় লোকজন ঢোকে সীমান্তে চিনের তৈরি ওই বাড়িগুলিতে। দ্বিতীয় দফায় ঢুকবেন ১৮ জন।

    আরও পড়ুুন: তিন বছরেই বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তিনে আসবে ভারত, বলছে সমীক্ষা

    গৃহপ্রবেশের অপেক্ষা করছেন তাঁরাই। রিপোর্ট থেকে এও জানা গিয়েছে, বিতর্কিত এলাকায় চিন অন্তত তিনটি গ্রাম বানিয়েছে। তিব্বত অটোনোমাস রিজিয়নে স্থানীয় প্রশাসন ক্রমেই দখল করে চলেছে এলাকা। চিন এই সিঁদ কাটা নীতি প্রয়োগ করেছিল ভারতের ক্ষেত্রেও। তবে সেটা ভারত-চিন সীমান্তে নয়। সীমান্ত ঘেঁষে চিনের যে ভূখণ্ড রয়েছে, লাল ফৌজ নির্মাণকাজ চালাচ্ছিল সেখানেই। মার্কিন উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, ভুটানের ওই বিতর্কিত এলাকায় ১৪৭টি বাড়ি বানিয়েছে চিন (China)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bhutan Election: ব্যর্থ চিন! ভুটানের নয়া প্রধানমন্ত্রী ‘ভারতের বন্ধু’ শেরিং তোবগে, শুভেচ্ছা মোদির

    Bhutan Election: ব্যর্থ চিন! ভুটানের নয়া প্রধানমন্ত্রী ‘ভারতের বন্ধু’ শেরিং তোবগে, শুভেচ্ছা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুটানের ভোটে (Bhutan Election) জয়ী হল পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি (পিডিপি)। ভুটানে দ্বিতীয় দফার সংসদীয় নির্বাচনে ৪৭টি আসনের মধ্যে ৩০টি আসনে জিতেছে শেরিং তোবগের দল। ‘ভারত বন্ধু’ বলে পরিচিত শেরিং তোগবে। তিনিই পাহাড় ঘেরা ছোট্ট দেশে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় খুশি ভারতীয় কূটনীতিবিদরা। ইতিমধ্যেই শেরিং তোবগেকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।

    বিপুল ভোটে জয়লাভ

    মঙ্গলবার ভুটানে দ্বিতীয় তথা চূড়ান্ত দফার সংসদীয় নির্বাচন (Bhutan Election) হয়েছিল। মোট ৪৭টি আসনের মধ্যে ৩০টিতে জিতে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা পেয়েছে শেরিংয়ের দল পিডিপি। গত বছর গঠিত হওয়া চিন পন্থী নতুন দল ‘ভুটান টেন্ড্রেল পার্টি’ (বিটিপি) বাকি ১৭টিতে জিতে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি’তে বিরোধী শক্তি হয়েছে। সঙ্গত, ভুটানের সাধারণ নির্বাচন দু’টি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়া দু’টি দল দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে অংশ নেয়। নভেম্বরে অনুষ্ঠিত প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনে পিডিপি ৪২ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছিল। বিটিপির ঝুলিতে গিয়েছিল প্রায় ২০ শতাংশ।বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিংয়ের দল ‘ড্রুক নয়ামরুপ সোগপা’ (ডিএনটি) ২০১৮-র ভোটে ৩০টি আসনে জিতে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা পেলেও নভেম্বরের নির্বাচনে ১৫ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: মৃত্যুর পরও পারভেজ মুশারফকে মৃত্যুদণ্ড পাক শীর্ষ আদালতের

    ভারতের বন্ধু শেরিং

    প্রসঙ্গত, পিডিপি নেতা শেরিং ২০১৩-১৮ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন। তার সময় ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক কূটনীতি এবং বাণিজ্যিক সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল। ২০১৮ সালে ভারতেও এসেছিলেন শেরিং। দেখা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে। ভুটানের ভোটে (Bhutan Election) নাক গলানোর কম চেষ্টা করেনি চিন। ভারত বন্ধুদের হারানোর চেষ্টাও করলেও সফল হয়নি বেজিং।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বুধবার ভোটে জয়ের জন্য অভিনন্দনবার্তা পাঠিয়েছেন শেরিংকে। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘‘আমার বন্ধু শেরিং তোগবে এবং তাঁর দল পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টিকে সংসদীয় নির্বাচনে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানাই। এর ফলে ভারত-ভুটান দ্বিপাক্ষিক মৈত্রী এবং সহযোগিতা আরও নিবিড় হবে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Bhutan Rail Link: জিগমি ওয়াংচুকের সঙ্গে বৈঠক মোদির, এবার রেলপথে যুক্ত হতে চলেছে ভারত-ভুটান!

    India Bhutan Rail Link: জিগমি ওয়াংচুকের সঙ্গে বৈঠক মোদির, এবার রেলপথে যুক্ত হতে চলেছে ভারত-ভুটান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রেলপথে যুক্ত হতে চলেছে ভারত ও ভুটান (India Bhutan Rail Link)। রেলপথে ভারতের সঙ্গে ভুটানকে যোগ করতে জায়গা নির্বাচন করতে অচিরেই শুরু হবে সমীক্ষা। এ ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন ভুটানের রাজা জিগমি খেসার নামগেল ওয়াংচুক এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার বৈঠকে বসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও ভুটানের রাজা। সেখানেই নিশ্চিত হয়েছে ভারত-ভুটান রেলপথে সংযুক্তিকরণের বিষয়টি। আট দিনের ভারত সফরে এসেছেন ভুটানের রাজা। ৩ নভেম্বর তিনি আসেন অসমের গুয়াহাটিতে। সেখান থেকে পৌঁছান দিল্লিতে।

    মোদি-জিগমি বৈঠক

    এদিন প্রধানমন্ত্রী ও ভুটানের রাজার বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের বানারহাটের সঙ্গে ভুটানের সামসের মধ্যে রেল সংযুক্তিকরণের (India Bhutan Rail Link) ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। অসমের দারাঙ্গা ও ভুটানের সামদ্রুপে নতুন অভিবাসী চেকপয়েন্ট খোলা নিয়েও হয়েছে আলোচনা। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য-কাঠামো, ব্যবসা, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, মহাকাশ প্রযুক্তি ইত্যাদি নিয়েও মোদি-জিগমি (India Bhutan Rail Link) আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট-বার্তা 

    বৈঠকের পর ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী জানান, ভুটানের রাজা জিগমি খেসার নামগেল ওয়াংচুককে ভারতে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত। ভারত-ভুটান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আমরা অত্যন্ত উষ্ণ ও ইতিবাচক আলোচনা করেছি। ভুটানের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে জনগণের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য দৃষ্টি প্রসারিত করা হচ্ছে।

    বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, এদিনের বৈঠকে চিন ও ডোকলাম প্রসঙ্গও উঠেছে। এই সমস্যা সমাধান করতে প্রথমবার বেজিংয়ে অংশ নিতে চেয়েছে ভুটান। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এই অবস্থানে অস্বস্তিতে ভারত। বিদেশ সচিব বিনয়মোহন কোয়াত্রা জানান, মোদির সঙ্গে নামগিয়েলের বৈঠকে দুই দেশের জাতীয় স্বার্থ ও দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যদিও বৈঠকে তিনি সরাসরি ডোকলাম ও চিনের প্রসঙ্গের কথা বলেননি।

    আরও পড়ুুন: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন মহুয়ার! এথিক্স কমিটির বৈঠক পিছিয়ে হবে ৯ নভেম্বর

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারতীয় সেনা অভিযোগ করেছিল, চিন ও ভারত সীমান্ত লাগোয়া ডোকলামে ভুটানের জমিতে ঢুকে ঘাঁটি গেড়ে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে লালফৌজ। উপগ্রহ চিত্রেও ধরা পড়েছিল সেই ছবি। যদিও (India Bhutan Rail Link) তখন নয়াদিল্লির অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর   

    S Jaishankar: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ন’ বছরে সীমান্ত এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুই-ই মজবুত করেছে ভারত। সম্প্রতি সাংবাদিক বৈঠকে একথাই জানালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি জানান, জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থেই দেশের উত্তরে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করা হচ্ছে। দেশের নিরাপত্তা আরও সুরক্ষিত করতেই এসব করছে মোদি সরকার। তিনি জানান, খুব শীঘ্রই ভারত-কাঠমান্ডু রেলপথে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। জয়শঙ্কর বলেন, শেষ পর্যায়ে রয়েছে রক্সৌল-কাঠমান্ডু ক্রস বর্ডার রেলওয়ে প্রজেক্ট। প্রজেক্টটি সম্পূর্ণ হলে ভারতের সঙ্গে কাঠমাণ্ডুর যোগাযোগ হবে সুগম। বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “অসম থেকে ভুটান পর্যন্ত রেলপথে যোগাযোগ স্থাপন করার কথাও ভাবছে মোদি সরকার।”

    ভারত-নেপাল যোগ

    জানা গিয়েছে, বিহারের চম্পারণের রক্সৌল থেকে বীরগঞ্জ, নিজগড়, সিন্সেনারি এবং খোকনা হয়ে পৌঁছবে রেলপথ পৌঁছবে কাঠমান্ডুর কাছের জেলা ললিতপুরে। নেপালে চিনের প্রভাব ঠেকাতেই এই রেললাইন গড়ায় তড়িঘড়ি করছে নয়াদিল্লি। এই পথে কার্গো এবং টু-টায়ার দু ধরণের ট্রেনই চালানো হবে। এতে যেমন কাঠমান্ডু যাওয়া অনায়াস হবে, তেমনি অন্য দেশে জিনিসপত্র পাঠানোও সহজ হবে। মোট রাস্তার ৪২ কিমি হবে টানেলের মধ্যে। পথে পড়বে ৪০টি বাঁক। তৈরি করতে হবে ১২৪টি ব্রিজ।

    ভারত-ভুটান সেতুবন্ধন

    কেবল নেপাল নয়, ভুটানের সঙ্গেও রেলপথে যোগাযোগ গড়ে তুলতে চাইছে ভারত। এজন্য অসমের কোকরাঝাড় থেকে ভুটানের জিলেপেউ পর্যন্ত ব্রডগেজ লাইন পাতা হবে। খরচ ধরা হয়েছে হাজার কোটি টাকা। দুই দেশের এই সেতুবন্ধনে তৈরি করতে হবে ৫৭.৫ কিলোমিটার রেলপথ। বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “ভারত-ভুটান রেলপথ চালু হয়ে গেলে ভুটানে আরও বেশি করে পর্যটক যেতে পারবেন।”

    আরও পড়ুুন: বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে তলব করে চার-ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

    জানা গিয়েছে, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা ভারতের পক্ষে যতটা সহজ, ততটাই কঠিন হয়েছে মায়ানমার সীমান্তে ত্রিস্তরীয় হাইওয়ে তৈরির কাজ শেষ করা। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “হাইওয়ের কাজ অর্ধেক হয়ে পড়ে রয়েছে। বাকি থাকা কাজ শেষ করতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।” তিনি জানান, এই হাইওয়ের দৈর্ঘ দাঁড়াবে ১৪০০ কিলোমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share