Tag: Biden

Biden

  • Washington Plane crash: বিমান দুর্ঘটনার দায় ওবামা-বাইডেনের ওপর চাপালেন ট্রাম্প

    Washington Plane crash: বিমান দুর্ঘটনার দায় ওবামা-বাইডেনের ওপর চাপালেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সন্ধ্যায় (স্থানীয় সময়) ওয়াশিংটনে (Washington Plane crash) বিমান দুর্ঘটনায় মৃত সকলেই। জেট বিমানের সঙ্গে সেনা কপ্টারের ধাক্কায় বিমানের ৬৭ জন যাত্রীই মৃত। তথ্য বলছে, বিগত দুই দশকে মার্কিন ইতিহাসে এটাই সবথেকে ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনা। সম্প্রতি, প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, তারপরেই সামনে এসেছে এই দুর্ঘটনা। তবে দুর্ঘটনার সব দায় তিনি প্রাক্তন দুই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও বারাক ওবামার কাঁধেই চাপিয়েছেন।

    ট্রাম্পের দাবি (Washington Plane crash)

    ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ফেডেরাল ডাইভার্সিটি পলিসি বা নীতির জন্যই (Washington Plane crash) এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রসঙ্গত, ওই বিমানে আমেরিকান ইগল ফ্লাইট ৫৩৪২-র সঙ্গে মার্কিন সেনার ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারের ধাক্কা লাগে, রেগান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল এয়ারপোর্টের সামনে। বিমানে ৬০ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। হেলিকপ্টারে তিনজন জওয়ান ছিলেন। ওয়াশিংটনে রেগান জাতীয় বিমানবন্দরের কাছে মাঝ আকাশে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পর একাধিক সংস্থা বিমানবন্দর লাগোয়া পটোম্যাক নদীতে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। মুখোমুখি সংঘর্ষে বিমানটি দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায় এবং পটোম্যাক নদীতে পড়ে। ডুবুরিরা নদীতে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হেলিকপ্টারটিও পড়ে ওই একই নদীতে।

    কী বললেন ট্রাম্প (Donald Trump)?

    দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও সামনে আসেনি। তদন্ত চলছে। মনে করা হচ্ছে, রেডিও কমিউনিকেশনে শোনা গিয়েছিল যে হেলিকপ্টারকে গতিপথ বদলাতে বলা হচ্ছিল। এরপরই দুর্ঘটনা ঘটে। এই আবহে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠক করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে মার্কিন সেনার হেলিকপ্টারের পাইলটকে নিয়েই প্রশ্ন তোলেন তিনি। ফেডেরাল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সুরক্ষা ব্যবস্থা শিথিল করে দিয়েছে কি না, সেই বিষয়েও সংশয় প্রকাশ করেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি। ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমরা জানি না কী করে দুর্ঘটনা ঘটল, তবে বেশ কিছু ধারণা ও মতামত উঠে আসছে।’’ ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমি নিরাপত্তাকে সবার ওপরে রাখি। কিন্তু ওবামা, বাইডেন এবং ডেমোক্র্যাটরা নীতিকে (পলিসি) কে প্রথমে রাখেন। তাঁরা আসলে বলতে চেয়েছেন আরও বেশি শ্বেতাঙ্গ। কিন্তু আমরা বলেছি যোগ্য লোকদের চাই।’’

  • G-20: দিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন না পুতিন, কী কারণ জানাল রাশিয়া?

    G-20: দিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন না পুতিন, কী কারণ জানাল রাশিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে জি-২০ (G-20) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্ট যে ভারতে আসছেন না তা পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকাভ স্পষ্ট করে দিয়েছেন। কিন্তু কেন আসছেন না পুতিন? সে কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পুতিনের মুখপাত্র বলেন, ‘‘জরুরি সামরিক সক্রিয়তার কারণেই প্রেসিডেন্ট পুতিন শারীরিকভাবে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে (G-20) হাজির থাকতে পারবেন না।’’ 

    কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল?

    যদিও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত হল যে ইউক্রেনের যুদ্ধে সে দেশে ধ্বংসলীলা, গণহত্যার কারণে পুতিনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক আদালতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। সে কারণেই ব্রিকসের গোষ্ঠীভুক্ত (G-20) দেশ হওয়া সত্ত্বেও পুতিন দক্ষিণ আফ্রিকার সম্মেলনে হাজির থাকেননি। একই কারণে তিনি ভারতীয় আসছেন না। প্রসঙ্গত, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বসছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন (G-20)। কূটনৈতিক মহলের আরও একটি অংশের মত হল, ‘‘ঠান্ডা লড়াই-এর সময় থেকেই রাশিয়ার সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। তার মধ্যে  ওয়াগনার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রিগোজিনের মৃত্যুতে সরাসরি রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে আমেরিকা। জো বাইডেন এই ঘটনার জন্য পুতিনকে দায়ী করেছেন। তাই কূটনৈতিক মহল মনে করছে যে বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ (G-20) এড়াতেই পুতিনের এমন সিদ্ধান্ত।

    আরও পড়ুুন: গ্রিসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয় রাশিয়ার

     প্রসঙ্গত, আগামী মাসের ৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে জি-২০ (G-20) সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হয় রাশিয়ার। তারপর থেকে দেশের সীমানা পেরননি পুতিন। ২০২২ সালের নভেম্বরে বালিতে সম্পন্ন হয়েছিল জি-২০ (G-20) সম্মেলনের বৈঠক। সেখানেও হাজির থাকেননি পুতিন। একমাত্র ২০১৯ সালে জাপানের জি-২০ (G-20) সম্মেলনের বৈঠকে পুতিন হাজির ছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • US President Election: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেনের প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতীয় বংশোদ্ভূত রামস্বামী?

    US President Election: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বাইডেনের প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতীয় বংশোদ্ভূত রামস্বামী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ফ্লোরিডার গভর্নর রন-ডি-সান্টিস এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত উদ্যোগপতি বিবেক রামস্বামী রিপাবলিকান প্রেসিডেনশিয়াল প্রার্থীদের (US President Election) মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে ডি-সান্টিস এবং রামস্বামী উভয়েই ১০ শতাংশ ভোট পেয়েছেন এবং অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এগিয়ে রয়েছেন ৫৬ শতাংশ নিয়ে।

    কী বলছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা?

    তবে এটা উল্লেখ করতে হবে যে ডি-সান্টিস, যিনি দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন জুন মাসে ২১ শতাংশ ভোট (US President Election) পাওয়ার পরে, বর্তমানে ১০ শতাংশ এসে দাঁড়িয়েছেন। অন্যদিকে রামস্বামী জুন মাসে ছিলেন ২ শতাংশে, বর্তমানে এসেছেন ১০ শতাংশে। রামস্বামীর সমর্থকদের প্রায় অর্ধেক সমর্থকই বলছেন যে তাঁরা অবশ্যই রামস্বামীকে ভোট দেবেন, ডি-সান্টিসের সমর্থকদের মধ্যে এই সংখ্যা মাত্র এক-তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৩০ শতাংশ। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের ৮০ শতাংশই বলছেন যে তাঁরা প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টকেই (US President Election) ভোট দেবেন। ওই সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে ডি-সান্টিস এবং রামস্বামী  খুবই কাছে রয়েছেন এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন।

    প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে আরও খুঁটিনাটি

    এমারসন কলেজ পোলিংয়ের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর স্পেনসার কিমবল জানান, রামস্বামী তাঁর ভোটারদের (US President Election) মধ্যে অনেক উন্নতি করেছেন এবং তাঁর ভোটারদের মধ্যে ১৭ শতাংশই আছে যারা স্নাতকোত্তর এবং যুব ভোটার। ৩৫ বছরে নিচে থাকা ভোটারদের মধ্যে ১৬ শতাংশই পেয়েছেন রামস্বামী। অন্যদিকে ডি-সান্টিস জুন মাসে স্নাতকোত্তর ভোট ৩৮ শতাংশ পেয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে অগাস্ট মাসে দেখা যাচ্ছে ২৪ শতাংশ কমে তা ১৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে এবং ৩৫ বছর এর নিচে বয়সীদের মধ্যে তার ভোটার ১৫ শতাংশ। রিপাবলিকান ভোটারদের (US President Election) ৮০ শতাংশই বলছেন যে তাঁরা বিতর্ক দেখতে চান। এই ভোট সংগঠিত হয় ১৬ এবং ১৭ অগাস্ট ১ হাজার জন রেজিস্টার্ড ভোটারের মধ্যে। যেখানে ৪৬৫ জন বলেন যে তাঁরা পরিকল্পনা করেছেন তাঁদের রাজ্যের রিপাবলিকানদের ভোটার দেওয়ার জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: বাইডেন-সুনক নয়, বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাষ্ট্রনেতা মোদি, বলছে আন্তর্জাতিক সমীক্ষা

    Narendra Modi: বাইডেন-সুনক নয়, বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাষ্ট্রনেতা মোদি, বলছে আন্তর্জাতিক সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্রনেতারা নেই তাঁর জনপ্রিয়তার ধারেকাছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হোক অথবা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, জনপ্রিয়তায় মোদিকে (Narendra Modi) টক্কর দিতে পারছেন না কেউই। রিপোর্ট বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাষ্ট্রনেতা হলেন নরেন্দ্র মোদি। বিশ্বের রাষ্ট্রনেতাদের জনপ্রিয়তা নিয়ে সমীক্ষা চালায় একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। তাতে দেখা যাচ্ছে গ্রহণযোগ্যতার নিরিখে নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) পছন্দ করছেন ৭৬ শতাংশ মানুষই। ২৯ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর এর মধ্যে এই সমীক্ষার তথ্য সংগ্রহ করে ‘মর্নিং কনসাল্ট’ নামের  মার্কিন সংস্থা।

    বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় মোদি

    তবে শুধুমাত্র ২০২৩ সালে ডিসেম্বর মাসেই নয়। এর আগেও একাধিক সংস্থার রিপোর্টে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থেকেছেন নরেন্দ্র মোদি। মার্কিন দেশে তাঁর বক্তব্য শুনতে উপচে পড়তো ভিড়। একই ছবি দেখা গিয়েছে অন্য দেশেও। দুবাই থেকে ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা— সর্বত্রই সমানভাবে জনপ্রিয় মোদি (Narendra Modi)। তা ফের প্রমাণ হল এই আন্তর্জাতিক রিপোর্টে।

    বিশ্বের বাকি রাষ্ট্রনেতারা কে কোন স্থানে?

    এদিকে এই সমীক্ষায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেক্সিকোর অ্যান্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাদর। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৬৬ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে আছেন সুইৎজারল্যান্ডের অ্যালেইন বারসেট। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৫৮ শতাংশ। এরপর তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৪৯ শতাংশ। এরপরই তালিকায় আছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৪৭ শতাংশ। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি রয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ৪১ শতাংশ। এই তালিকায় অষ্টম স্থানে আছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তালিকায় নবম স্থানে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাঁর গ্রহণযোগ্যতা মাত্র ৩৭ শতাংশ। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক ঠাঁই পাননি প্রথম দশে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Antony Blinken: নয়াদিল্লি আসছেন দুই মার্কিন কর্তা, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে ভারতকে গুরুত্ব দিচ্ছে আমেরিকা?

    Antony Blinken: নয়াদিল্লি আসছেন দুই মার্কিন কর্তা, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে ভারতকে গুরুত্ব দিচ্ছে আমেরিকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ চলছে গত পাঁচিশ দিন ধরে। ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত, আমেরিকা সহ বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশ। এমতাবস্থায় ইজারায়েল গেলেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন (Antony Blinken)। সেখান থেকে ফিরে ভারত সফরে আসবেন তিনি। ব্লিঙ্কেনের সফরসঙ্গী হিসেবে ভারতে আসছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিনও। ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধে ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। আবার হামাসের ডেরা প্যালেস্তাইনের গাজা স্ট্রিপে সাহায্য পাঠিয়েছে দুর্গতদের জন্যও। এমতাবস্থায় দুই মার্কিন কর্তার ভারত সফরের সিদ্ধান্তে চড়ছে জল্পনার পারদ।

    ব্লিঙ্কেন ও অস্টিন

    মার্কিন বিদেশ দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ব্লিঙ্কেন ও অস্টিন এ দেশে এসে দুটি বৈঠক করবেন। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করবেন ব্লিঙ্কেন (Antony Blinken)। আর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের সঙ্গে বৈঠক হবে অস্টিনের। বাইডেন প্রশাসনের এই দুই কর্তা গিয়েছেন ইসরায়েলে। সেখান থেকে জর্ডন হয়ে তাঁরা আসবেন ভারতে। তবে ব্লিঙ্কেন-জয়শঙ্কর এবং অস্টিন-রাজনাথ বৈঠক কবে হবে, সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানা যায়নি। আমেরিকার বিদেশ দফতর জানিয়েছে, ভারত-প্রশান্ত মহাসগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে ব্লিঙ্কেন-জয়শঙ্কর ও অস্টিন-রাজনাথের বৈঠকে। আলোচনায় ইজরায়েল-হামাস দ্বন্দ্বের প্রসঙ্গও উঠতে পারে।

    মোদি জমানায় ভারতের গুরুত্ব 

    নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ক্রমেই বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করছে নয়াদিল্লি। এতদিন ভারতকে বিশ্ব নেতৃত্ব সেভাবে গুরুত্ব না দিলেও, মোদি জমানায় দিচ্ছে। ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের প্রেক্ষিতে গুরুত্ব বেড়ে গিয়েছে ভারতের। ইহুদি রাষ্ট্র ইজরায়েলের পাশে দাঁড়ালেও, হামাসের গায়েও জঙ্গি তকমা সেঁটে দেয়নি ভারত। যদিও মুসলিম এই সংগঠনকে জঙ্গি বলে দেগে দিয়েছে আমেরিকা এবং ইউরোপের বেশ কিছু দেশ। এমতাবস্থায় হামাস দখলীকৃত প্যালেস্তাইনের গাজা স্ট্রিপে সাহায্য পাঠিয়েছে ভারত।

    আরও পড়ুুন: “বজরঙ্গবলীর গদাই হল তালিবানের দাওয়াই”, কেন বললেন যোগী আদিত্যনাথ?

    নিরপেক্ষ অবস্থান নেওয়ায় ভারতকেই পালন করতে হতে পারে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা। এতদিন এই ভূমিকাটা পালন করত কাতার। সেই কাতারকে পিছনে ফেলেই এগিয়ে যেতে চাইছে ভারত। এর একটা কারণ যদি ঘরোয়া রাজনীতির বাধ্যবাধকতা হয়, তবে অন্য কারণটা অবশ্যই বিশ্বে নয়া ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার বাসনা। সে স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরে লালন করছে (Antony Blinken) মোদি সরকার।

    সেই কারণেই কি ভারতে আসছেন বাইডেন প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্তা?  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • G20 Summit: জি২০ সম্মেলনে ভারতে আসছেন বাইডেন-মাঁক্র, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মোদি?

    G20 Summit: জি২০ সম্মেলনে ভারতে আসছেন বাইডেন-মাঁক্র, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি২০ শীর্ষ সম্মেলন (G20 Summit) উপলক্ষে ভারতে আসছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। এঁদের মধ্যে যেমন রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাঁক্র, তেমনি রয়েছেন পড়শি দেশ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। বাংলাদেশ অবশ্য জি২০-এর সদস্য দেশ নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকবেন আমন্ত্রিত দেশের প্রতিনিধি হিসেবে। এই বৈঠকে অবশ্য উপস্থিত থাকছেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে উপস্থিত থাকবেন দুই দেশেরই প্রতিনিধিরা।

    পার্শ্ববৈঠকে মোদি 

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে হবে পার্শ্ব বৈঠকও। বাইডেন এবং মাঁক্রর সঙ্গে আলাদা করে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। মাস কয়েক আগে আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাঁর সম্মানে হোয়াইট হাউসে আয়োজন করা হয় রাজকীয় নৈশভোজের। পরে বাস্তিল দিবস উপলক্ষে ফ্রান্সেও গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাঁকে ভূষিত করা হয় সে দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে।

    মধ্যাহ্নভোজ-নৈশভোজ

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে (G20 Summit) যোগ দিতে ভারতে আসছেন এই দুই রাষ্ট্রনেতাই। জানা গিয়েছে, এঁদের জন্য পৃথক ভোজসভার আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। একটি ভোজসভা হবে দিনের বেলায়, অন্যটি রাতে। তবে নৈশভোজ এবং সান্ধ্যভোজের কে কোনটিতে উপস্থিত থাকবেন, তা জানা যায়নি। শুক্রবার রাতে ভারতে আসছেন বাইডেন। আর রবিবার ভারত ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন মাঁক্র। তাই মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রিত হতে পারেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। আর নৈশভোজে যোগ দিতে পারেন বাইডেন।

    আরও পড়ুুন: জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-হাসিনা, আলোচনায় তিস্তা চুক্তিও?

    আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধ ও অতিমারি?

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে এবারের জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে (G20 Summit) অবশ্যাম্ভাবী হিসেবে উঠে আসবে ওই যুদ্ধ এবং বিশ্বরাজনীতিতে তার প্রভাবের প্রসঙ্গ। অতিমারি-উত্তর বিশ্বকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যে ১৭টি সাস্টেনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল বা দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে, তা নিয়েও হতে পারে আলোচনা। কথা হতে পারে গ্লোবাল সাউথ নিয়েও। করোনার আঁতুড়ঘর চিনের উহান প্রদেশ কীভাবে তামাম বিশ্বের ক্ষতি করেছে, সে প্রসঙ্গও উঠতে পারে জি২০-এর বৈঠকে। মহিলা উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নের ব্যাপারে যে নীতি নিয়েছে মোদি সরকার, সে প্রসঙ্গও উঠতে পারে। আলোচনায় উঠে আসতে পারে সরকারের অন্ত্যোদয় যোজনা প্রকল্পটিও।

    এদিকে, জি২০ সম্মেলনে চিনা প্রেসিডেন্ট যোগ দিচ্ছেন না শুনে হতাশা ব্যক্ত করলেন বাইডেন। তিনি বলেন, “আমি হতাশ, কিন্তু ওঁকে দেখতে যাব।” প্রসঙ্গত, নভেম্বরে আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোয় রয়েছে এপিইসি (APEC) সম্মেলন। ওই সম্মেলনে দেখা হতে পারে বাইডেন এবং জিনপিংয়ের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Joe Biden: পাকিস্তান বিশ্বের বিপজ্জনক দেশগুলির একটি, মার্কিন তোপে বেকায়দায় ইসলামাবাদ

    Joe Biden: পাকিস্তান বিশ্বের বিপজ্জনক দেশগুলির একটি, মার্কিন তোপে বেকায়দায় ইসলামাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন বিনা মেঘে বজ্রপাত! পাকিস্তানকে (Pkistan) বিশ্বের বিপজ্জনক দেশগুলির একটি বলে দেগে দিল আমেরিকা (America)। শনিবার লস অ্যাঞ্জেলেসে ডেমক্রেটিক কংগ্রেসনার ক্যাম্পেন কমিটির রিসেপশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। তখন তিনি বলেন, পাকিস্তান বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক দেশ। উপযুক্ত সুরক্ষা ছাড়াই পরমাণু অস্ত্র রেখেছে।

    এদিন বাইডেন (Joe Biden) বলেন, এই লোকটি (শি জিনপিং) যিনি বোঝেন তিনি কী চান, কিন্তু তাঁর সামনে রয়েছে সমস্যার পাহাড়। আমরা কীভাবে সেটা হ্যান্ডেল করব? রাশিয়ায় বর্তমানে যা চলছে, তাই বা হ্যান্ডেল করব কীভাবে? এর পরেই পাকিস্তানকে নিশানা করেন তিনি। বলেন, আমি মনে করি, বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক একটি দেশ হল পাকিস্তান। যারা সুরক্ষা ছাড়াই রেখেছে পারমাণবিক অস্ত্র। সম্প্রতি পাকিস্তানকে এফ-১৬ যুদ্ধ বিমানের সরঞ্জাম সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছিল আমেরিকা। তখন পাকিস্তানের হয়ে সাফাই দিতে গিয়ে মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছিলেন, খুব স্পষ্ট করে বলতে গেলে পাকিস্তানের কাছে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান। এগুলি পুরানো প্লেন এবং সিস্টেম, যা ইতিমধ্যেই তাদের কাছে রয়েছে। আমরা এই বহরের রক্ষণাবেক্ষণ ও টিকিয়ে রাখার জন্য সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করি। তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    মার্কিন বিদেশ সচিবের এহেন মন্তব্যের ছাপ পড়েছিল ভারত-মার্কিন সম্পর্কে। মার্কিন ওই সিদ্ধান্তের জেরে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল নয়াদিল্লি। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে আমেরিকায় গিয়ে বাইডেন সরকারকে কটাক্ষ করে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেছিলেন, আপনারা আমাদের বোকা বানাতে পারবেন না। ভারতের বিদেশমন্ত্রীর ওই মন্তব্যের পর বিবৃতি জারি করে শেহবাজ শরিফের দেশ বলেছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের দীর্ঘস্থায়ী এবং বিস্তৃত সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্কের মৌলিক নিয়মগুলিকে সম্মান করার এবং আমেরিকা ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে ভারতকে। ভারত তার কূটনৈতিক আচরণ খতিয়ে দেখুক।

    আরও পড়ুন: আগ্রহী খোদ আমেরিকা, ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে মোদির দেশ?

    এর পর এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক কূটনীতিকদের। সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগে চার বছর ধরে ধূসর তালিকায় রয়েছে পাকিস্তান। সেই কলঙ্ক মোছার কথা ছিল খুব শীঘ্রই। বাইডেনের এই মন্তব্যের জেরে শাহবাজ শরিফের দেশ যে বেশ বেকায়দায় পড়ল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share