Tag: Bidhannagar municipal corporation

Bidhannagar municipal corporation

  • Krishna Chakraborty: বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদের অবসান, পদত্যাগ করলেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী

    Krishna Chakraborty: বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদের অবসান, পদত্যাগ করলেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আবহে বিধাননগর পুরনিগমের (Bidhannagar Municipal Corporation) মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন প্রবীণ তৃণমূল নেত্রী কৃষ্ণা চক্রবর্তী (Krishna Chakraborty)। ৪ জুন বৃহস্পতিবার, সল্টলেকের পুর ভবনে পুরকমিশনার রবি আগরওয়ালের কাছে তিনি তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন। একইসঙ্গে এই ইস্তফাপত্রের অনুলিপি পুরনগরোন্নয়ন মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিবকেও পাঠানো হয়েছে। ছোট লালা বাড়ির পর তৃণমূলের এবার হাত ছাড়া বিধাননগর পুরসভা।

    ইস্তফার কারণ ও তাঁর বক্তব্য (Krishna Chakraborty)

    যদিও মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী নিজে থেকে পদত্যাগের কারণ নিয়ে তেমন মন্তব্য করেননি। ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণকেই জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের যে যে বিষয় উঠে এসেছে তা হল-

    • ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত: সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কৃষ্ণা চক্রবর্তী (Krishna Chakraborty) জানান, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত। কারও প্রতি তাঁর কোনো ক্ষোভ বা অভিমান নেই।
    • পৌরপরিষেবায় ধারাবাহিকতা: মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেও গত ১৬ বছরের মতো আগামীদিনেও তিনি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করে যাবেন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন।
    • কৃতজ্ঞতা প্রকাশ: বিধাননগরের (Bidhannagar Municipal Corporation) নাগরিকদের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও ভালোবাসার জন্য তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিদায়বেলায় তিনি কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

    কার্যকালের মেয়াদ

    ২০১৯ সাল থেকে দু’দফায় বিধাননগরের (Bidhannagar Municipal Corporation)  মেয়রের দায়িত্ব সামলেছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী (Krishna Chakraborty)। বর্তমান বোর্ডে মেয়র হিসেবে তাঁর আরও প্রায় আট মাসের মেয়াদ বাকি ছিল।

    প্রশাসনিক প্রভাব

    রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে বিধাননগর পুরনিগমের (Bidhannagar Municipal Corporation) প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। তার ওপর সম্প্রতি কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমেরও পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যেই এই ইস্তফা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্যে ক্ষমতার হাতবদলের পর পুরনিগমগুলির রাশ ধরে রাখা শাসকদলের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ছিল। কৃষ্ণা চক্রবর্তীর এই পদত্যাগ সেই ধারাবাহিক প্রশাসনিক সংকটেরই একটি অংশ বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

  • Salt Lake: বিধাননগরে সম্পত্তি কর এক লাফে তিনগুণ! জেনে নিন নতুন হার

    Salt Lake: বিধাননগরে সম্পত্তি কর এক লাফে তিনগুণ! জেনে নিন নতুন হার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যানুয়াল বা বার্ষিক ভ্যালুয়েশন (AV) একই রয়েছে, বেড়েছে কর! বিধাননগরে (Bidhannagar) সম্পত্তি কর (Property Tax) রশিদ পেয়ে হতবাক বাসিন্দারা। নতুন কর কাঠামোয় (New tax regime) কোনও কোনও বাসিন্দাকে গুনতে হচ্ছে প্রায় তিনগুণের বেশি অঙ্ক। বিধাননগর পুরসভার (Bidhannagar municipal corporation) লক্ষ্য, নতুন কর কাঠামোর ফলে সম্পত্তি কর বাবদ আদায়, বর্তমান অর্থ বছরে ৯ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়াবে ২৫ কোটিতে। গত আর্থিক বছরে সম্পত্তি কর বাবদ আদায় ছিল প্রায় ১৬ কোটি টাকা।

    সম্প্রতি বিধাননগরে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের সম্পত্তি করের রশিদ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। নতুন জমানায় নতুন করের হার। গত অর্থবর্ষে যিনি মোটামুটি ৭০০ টাকার মত সম্পত্তি কর দিতেন, এবার তাঁর কাছে এসেছে ২৩০০ টাকার বিল। যদিও তাঁরা স্বীকার করছেন, কলকাতার (KMC) তুলনায় ট্যাক্সের হার কম। তবে তাঁদের দাবি, কর দামি হলেও আগেভাগে বাসিন্দাদের জানানো উচিত ছিল। বাড়তি কর দিতেও আপত্তি নেই অনেকের। অভিযোগ, বিধাননগর পুরসভার (BMC) কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল ট্যাক্সের রশিদের বণ্টনে সব বাসিন্দাদের কাছে, নয়া ট্যাক্স-কাঠামো সংক্রান্ত নোটিফিকেশন পাঠানো।

    যদিও বিধাননগর কর্তৃপক্ষের দাবি, “বাড়ি বা ফ্ল্যাটের ভ্যালুয়েশনের কোনও বদল করা হয়নি। সম্পত্তি করের ক্ষেত্রে, ১৯৯৭ সালের পুরনো ভ্যালুয়েশনই বজায় থাকছে। তবে বাড়ানো হয়েছে করের হার। যা হয়েছে আইন মেনেই। সে কারণেই নোটিফিকেশনের কোনও প্রয়োজন নেই।”

    কেমন হল সম্পত্তি করের নতুন হার?

    যে সব বাসিন্দাদের সম্পত্তির বার্ষিক ভ্যালুয়েশন (AV) ৯৯৯ টাকার মধ্যে, তাঁদের সম্পত্তি কর, AV/১০০+১০%
    যে সব বাসিন্দাদের সম্পত্তির বার্ষিক ভ্যালুয়েশন (AV) ৯৯৯ টাকার বেশি, তাঁদের দিতে হবে, AV/১০০০+২০%

    আরও একটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে বিধাননগর পুরসভার সম্পত্তি করের রশিদে। কর অনাদায়ে বা সময় পেরিয়ে গেলে ১০% হারে জরিমানাও দিতে হবে বাসিন্দাদের।

LinkedIn
Share