Tag: bidyut chakrabarty

bidyut chakrabarty

  • Visva Bharati: প্রাক্তন উপাচার্যের বাড়িতে ঢুকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ, করা হল ভিডিও

    Visva Bharati: প্রাক্তন উপাচার্যের বাড়িতে ঢুকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ, করা হল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলায় দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে বীরভূম জেলার পুলিশ। এদিন প্রাক্তন উপাচার্যের বাড়তিতে ঢুকেই পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় করা হয়েছে ভিডিও রেকর্ডিং এবং পুরো প্রক্রিয়াকে লিখিত আকারে নেওয়া হয়েছে। শেষে প্রাক্তন উপাচার্যকে দিয়ে সইও করানো হয় বলে জানা গিয়েছে।

    রাজ্য সরকারের সঙ্গে সংঘাত (Visva Bharati)

    বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী নিজের কার্যকালে একাধিক বিষয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে গিয়েছিলেন। শাসক দলের নেতারা ক্যাম্পাসে দৌরাত্ম্য চালায়। তৃণমূলের নেতাদের অবৈধভাবে জায়গা দখল, পৌষমেলা বন্ধ, মেলার মাঠে বেআইনি দখল, বসন্ত উৎসবের নামে অপসংস্কৃতি থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসে দেওয়াল দেওয়া ইত্যাদি নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সর্বোপরি অমর্ত্য সেনের জমি দখলকে ঘিরে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সংঘাতে গিয়েছিলেন তিনি। ফলে শাসক দল, পুলিশকে দিয়ে প্রাক্তন উপাচার্যের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক স্বার্থে প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে বলে মনে করছে অনেকেই।

    ফলক বিতর্ক

    বিদ্যুৎ চক্রবর্তী উপাচার্য থাকার সময় ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সম্মান পাবার পর থেকেই বিশ্বভারতী (Visva Bharati) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পসের একাধিক জায়গায় ফলক লাগানো হয়। আর তা থেকে শুরু হয়েছিল তুমুল বিতর্ক। বিতর্কের কারণ ছিল ফলকে উপাচার্য হিসাবে বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, আচার্য হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর নাম ছিল। ছিল না রবীন্দ্রনাথের নাম। আর নাম না থাকার কারণে বিভিন্ন মহলে প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল।

    নোটিশ পাঠিয়েছিলেন শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সদস্য

    এই ফলক বিতর্কের জন্যই বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রাক্তন উপাচার্যকে নোটিশ পাঠিয়েছিল পুলিশ। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নোটিশে মূল অভিযোগ করেছিলেন শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার। গত ১৪ নবভেম্বর বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে শান্তিনিকেতন থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই ফলকে নাম নিয়ে রাজ্যের রাজ্যাপাল সিভি আনন্দ বোসও তৎকালীন উপাচার্যের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছিলেন। যদিও ইতিমধ্যেই বিশ্বভারতীর ফলক পরিবর্তনের জন্য নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। গঠন করা হয়েছে চার সদস্যের একটি কমিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati University: বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মেয়াদ ফুরোল, বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয় মল্লিক

    Visva Bharati University: বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মেয়াদ ফুরোল, বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয় মল্লিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীর উপাচার্য পদ থেকে অবসর নিলেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। নতুন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হলেন সঞ্জয় মল্লিক। বিশ্বভারতীয় উপাচার্য থাকাকালীন তাঁর বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক সময়ই তৈরি হয় বিতর্ক। সম্প্রতি ইউনেস্কো বিশ্বভারতীকে হেরিটেজ তকমা দেওয়ার পরে ফলকে তাঁর এবং আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম থাকলেও, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম না থাকায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

    বিতর্কের মাঝেই সরলেন  বিদ্যুৎ

    ফলক-বিতর্কের মাঝেই মেয়াদ শেষ হল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর। সম্প্রতি বিশ্বভারতীর পক্ষে উপাসনা গৃহ, ছাতিমতলা এবং রবীন্দ্রভবনের উত্তরায়ণের সামনে শ্বেতপাথরের ফলক বসানো হয়েছে। তাতে লেখা হয়েছে, ‘ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’। তার ঠিক নীচে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদ্যুতের নাম রয়েছে। তাতে কবিগুরুর উল্লেখ নেই। গুরুদেবের নাম না থাকায় বিশ্বভারতীকে বার্তা দিতে দেখা যায় রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকেও। আবার বিবৃতি জারি করে সমালোচনাকারীদের পালটা জবাব দেয় বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষও। সেই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, অতীতেও এমন বেশকিছু ফলক বিশ্বভারতীতে বসানো হয়েছে, যেগুলিতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম নেই। 

    আরও পড়ুন: এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ প্রাক্তন ‘প্রেমিক’ জয়ের, কী জানালেন থানায়?

    জল্পনা ছিল হয়ত শেষ মুহূর্তে বিদ্যুতের চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির নির্দেশ  আসতে পারে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। বুধবার বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হন সঞ্জয়কুমার মল্লিক। কলাভবনের অধ্যক্ষ সঞ্জয় বিশ্বভারতীর কর্মসমিতিরও সদস্য। তাই বিদ্যুতের মেয়াদ শেষে বিশ্বভারতী অ্যাক্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে প্রবীণ অধ্যাপক হিসাবে উপাচার্যের ভার নিলেন তিনি। বুধবার বাসভবন ‘পূর্বিতা’ থেকে দুপুরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে সরকারি কাগজে সই করেন বিদ্যুৎ। উপাচার্য হয়ে আসা থেকে নানা বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। কর্মজীবনের শেষ দিনেও তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হতে পারে, এই আশঙ্কায় আগেভাগেই মহিলা পুলিশ-সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। পাশাপাশি ছিল বিশ্বভারতীর নিরাপত্তারক্ষীরাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati: ‘বসন্ত উৎসবের নামে হত তাণ্ডব, বন্ধ করেছি’, বললেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য  

    Visva Bharati: ‘বসন্ত উৎসবের নামে হত তাণ্ডব, বন্ধ করেছি’, বললেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীতে (Visva Bharati) বসন্ত উৎসবের (Basanta Utsav) নামে ২০১৯ সালে তাণ্ডব দেখেছিলাম। সেই তাণ্ডবই আমরা বন্ধ করেছি। বুধবার বিশ্বভারতীর উপাসনা গৃহে বসে কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী (Bidyut Chakrabarty)। বসন্ত উৎসবের পরিবর্তে এবার হবে বসন্ত বন্দনা। ৩ মার্চ হবে এই ঋতু বন্দনা।

    বিশ্বভারতী (Visva Bharati) আর বসন্ত উৎসব…

    বিশ্বভারতী আর বসন্ত উৎসব প্রায় সমার্থক হয়ে গিয়েছিল। ফি বছর এই উৎসবে শামিল হতে ভিড় করতেন হাজার হাজার পর্যটক। করোনা অতিমারির নিষেধাজ্ঞার জেরে দু বছর বন্ধ ছিল এই উৎসব। ২০২২ সালেও উৎসব বন্ধ রাখেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। সেবার উৎসব বন্ধ রাখার কারণ হিসেবে ছাত্র আন্দোলনের কথা বলেছিলেন উপাচার্য। এবার তিনি বললেন বসন্ত উৎসবের নামে তাণ্ডবের কথা।

    বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, বিশ্বভারতীতে (Visva Bharati) বসন্ত উৎসবের নামে ২০১৯ সালে তাণ্ডব দেখেছিলাম। সেই তাণ্ডবই আমরা বন্ধ করেছি। তার বদলে করা হচ্ছে বসন্ত বন্দনা। তিনি বলেন, ২০১৯ সালে বসন্ত উৎসব বসন্ত তাণ্ডবে পরিণত হয়েছিল। তাই বন্ধ করেছি। এখন বসন্ত বন্দনা হচ্ছে। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ উৎসব চাননি, চেয়েছিলেন বন্দনা। উৎসবের নামে এই তাণ্ডব হবে, ভাবতে পারেননি রবীন্দ্রনাথ। তাই বিশ্বভারতী এই তাণ্ডব বন্ধ করতে চেয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘সব ক্রিয়ারই বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে’, উদয়নকে মনে করালেন সুকান্ত

    উপাচার্যের অভিযোগ, বসন্ত উৎসবের নামে তাণ্ডবের পিছনে কিছু বুড়ো খোকার ভূমিকা থাকে। তিনি জানান, ৩ মার্চ হবে বসন্ত বন্দনা। এখানে বাইরের কারও প্রবেশাধিকার থাকবে না। উপস্থিত থাকবেন কেবল বিশ্বভারতীর ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। উপাচার্য বলেন, বিশ্বভারতীতে অশিক্ষিত ও অল্প শিক্ষিতের সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে। যাঁরা বিশ্বভারতীর অনেক ক্ষতি করছেন।

    এর আগেও একবার আশ্রমিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) উপাচার্য। তখনও তিনি বলেছিলেন, শান্তিনিকেতনের রাবীন্দ্রিক, আশ্রমিক এবং প্রাক্তনীরা অশিক্ষিত ও অল্প শিক্ষিত। তাঁর কটাক্ষ, বিশ্বভারতীকে কলুষিত করেছেন এঁরা।

    প্রসঙ্গত, অনেকের মতে, ১৯০৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বসন্ত পঞ্চমীতে শমীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে যে ঋতু উৎসবের সূচনা হয়, তারই পরিবর্তিত ও পরিমার্জিত রূপ শান্তিনিকেতনের আজকের এই বসন্ত উৎসব। সরস্বতী পুজোর দিন শুরু হলেও, পরবর্তীকালে সে অনুষ্ঠান বিভিন্ন বছর ভিন্ন ভিন্ন তারিখ ও তিথিতে হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amartya Sen: অমর্ত্যর বাড়ি সম্পর্কিত যে কাগজ মমতা দেখাচ্ছেন, তা অপ্রাসঙ্গিক, সাফ জানালেন উপাচার্য

    Amartya Sen: অমর্ত্যর বাড়ি সম্পর্কিত যে কাগজ মমতা দেখাচ্ছেন, তা অপ্রাসঙ্গিক, সাফ জানালেন উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) বাড়ি সম্পর্কিত যে কাগজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দেখাচ্ছেন, তা প্রাসঙ্গিক নয়। মঙ্গলবার এই দাবি করলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati) কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী বলেন, যে নথিপত্র মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন, তা ভুল। কারণ এই জমিটা তাঁর বাবা আশুতোষ সেনের নামে। লিজ হোল্ড জমি কখনও যিনি গত হয়েছেন তাঁর নামে ট্রান্সফার হয় না। যে তথ্যটা মুখ্যমন্ত্রীর স্তাবকেরা তাঁকে দেয়নি।

    উপাচার্য বলেন…

    উপাচার্য বলেন, জমির মিউটেশন হয় ২০০৬ সালে। জমিটির মিউটেশন বাবদ ও প্রতি বিঘায় কর বাবদ রাজ্যকে দিয়েছেন ১৮ হাজার ৯৪০ টাকা। ৩৩ ডেসিমেলে এক বিঘা। যদি অমর্ত্য সেনের কাছে সেই জমিটা থাকতো, তাহলে উনি ১৩৮ ডেসিমেলের কর দিতেন। কিন্তু উনি তা দেননি। তাই উনি ভাল করে জানতেন যে ওঁর কতটা জমি রয়েছে। ২০০৬ সালে জমিটা ট্রান্সফার হয়। তখন সেই ডকুমেন্ট আমরা রাজ্য সরকারকে পাঠিয়ে দিই। উপাচার্য বলেন, গতকাল মুখ্যমন্ত্রী যে ডকুমেন্ট দেখিয়েছেন, সেখানে কোথায় অমর্ত্য সেনের নাম রয়েছে? সবটাই আছে আশুতোষ সেনের নামে। অমর্ত্য সেন আশুতোষ সেনের উত্তরাধিকার হওয়ার জন্য সেই জমিটা পেয়েছেন। জানি না মুখ্যমন্ত্রী কী করে বলছেন জমিটা অমর্ত্য সেনের নামে আছে? সরকারের সব তথ্য ভুল। জমিটা কিন্তু আমাদের। রাজ্য বলছে জমিটা ল্যান্ড ব্যাঙ্ক থেকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জমিটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিনেছিলেন।

    আরও পড়ুুন: ‘সবার আগে দেশ, সব থেকে আগে দেশবাসী’, বাজেট প্রসঙ্গে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বিশ্বভারতীর উপাচার্য জানান, তাঁদের কাছে যে নথি রয়েছে, তাতে অমর্ত্য সেনের ১.২৫ একর জমিই রয়ছে। তিনি বলেন, অমর্ত্য সেনের কোনও অপমান হোক, সেটা চাই না। কারণ তিনি এখনও পর্যন্ত আলোচনায় বসে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। উপাচার্য বলেন, সরকার পক্ষ, প্রশাসনের লোকজন থাকুন। বিশ্বভারতীর লোকজনও থাকুন। সবার উপস্থিতিতে জমির মাপজোক করা হোক। উপাচার্যের দাবি, বিশ্বভারতীর বিপুল পরিমাণ জমি দখল হয়ে গিয়েছে। নিয়ম মেনে সেগুলি উদ্ধারের চেষ্টাই তিনি করছেন বলে দাবি উপাচার্যের। সেই কারণেই উপাচার্য চান, ওই জমি ফিরিয়ে দিয়ে অন্যদের বার্তা দিন অমর্ত্য (Amartya Sen)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share