Tag: Bihar News

Bihar News

  • Khan Sir: আরও ঘনীভূত প্রিন্স যাদবের মৃত্যু রহস্য, পোস্টমর্টেম নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন

    Khan Sir: আরও ঘনীভূত প্রিন্স যাদবের মৃত্যু রহস্য, পোস্টমর্টেম নিয়েও উঠছে বড় প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবিন্দু অ্যাকাডেমির পরিচালক রৌশন আনন্দের ভাই প্রিন্স যাদবের রহস্যজনক মৃত্যুকে (Murder Case) ঘিরে ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করছে বিতর্ক। রৌশন সরাসরি জনপ্রিয় শিক্ষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ফৈজল খান ওরফে ‘খান স্যারে’র (Khan Sir) বিরুদ্ধে তাঁর ভাইকে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। প্রিন্সের পোস্টমর্টেম প্রক্রিয়া নিয়েও উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।

    সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা! (Khan Sir)

    রৌশনের দাবি, তাঁর ভাইকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, এবং এর পেছনে খান স্যার ও তাঁর সহযোগীদের ভূমিকা রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি পাটনার কদমকুয়াঁ থানায় লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন। দাবি জানিয়েছেন, খান স্যারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের। যদিও পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি নেপালে ঘটায় জুরিসডিকশন সংক্রান্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাই এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এফআইআর দায়ের করা হয়নি। ২১ জুন রৌশনের সমর্থক এবং তাঁর ছাত্রছাত্রীরা পাটনা কলেজ থেকে কার্গিল চক পর্যন্ত মোমবাতি মিছিল করেন। তাঁদের দাবি, দ্রুত খান স্যারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করতে হবে।

    পুরনো দ্বন্দ্ব

    উল্লেখ্য, রৌশন ও খান স্যার (Khan Sir) দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। দু’জনেই সরকারি চাকরির পরীক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য কোচিং সেন্টার চালান। রৌশনের অভিযোগ, গত ২ জুন পোস্টার সরানোকে কেন্দ্র করে দুই কোচিং সেন্টারের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, তাঁকে ফাঁসানোর জন্য একটি গুলিচালনার ঘটনা সাজানো হয়েছিল। সেই মামলায় তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। রৌশনের আরও অভিযোগ, জেলে থাকার সময় তাঁর বিরুদ্ধে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র করা হয়। সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ তাঁর ভাই প্রিন্সের হত্যাকাণ্ড।

    অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ

    গত ১৩ জুন নেপালের বিরাটনগরের একটি হোটেলের ঘর থেকে উদ্ধার হয় প্রিন্সের দেহ। গুলিচালানোর (Murder Case) মামলায় নাম জড়ানোর পর কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে তিনি গিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন নেপালে। রৌশন বলেন, “খান স্যারের (Khan Sir) করা মিথ্যা মামলায় আমায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। আমি জেলে থাকাকালীন আমার ছোট ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি প্রিন্সের জন্য ন্যায়বিচার চাই, এবং দাবি জানাই নিরপেক্ষ তদন্তের।” এদিকে, সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করেছেন খান স্যার। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পেছনে তৃতীয় কোনও পক্ষ ষড়যন্ত্র করে থাকতে পারে। খান স্যার বলেন, “রৌশন আনন্দ ও আমার মধ্যে যে বিরোধ চলছে, তার সুযোগ নিয়ে কেউ এই ষড়যন্ত্র করেছে। আমি উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। দোষী যে-ই হোক, তার কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তদন্তে সবরকমভাবে সহযোগিতা করতে আমি প্রস্তুত।”

    পোস্টমর্টেম নিয়ে সন্দেহ

    প্রিন্সের পোস্টমর্টেম হয়েছিল নেপালের কোসি হাসপাতালে। পুরো প্রক্রিয়া মাত্র ২০ মিনিটেই শেষ হওয়ায় নতুন করে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।সচরাচর একটি পূর্ণাঙ্গ পোস্টমর্টেমে হৃদ্‌যন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি, লিভার-সহ একাধিক অঙ্গের বিস্তারিত পরীক্ষা করতে ঘণ্টা দুয়েক সময় লাগে। অভিযোগ, প্রিন্সের ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া ঠিকঠাক ফলো করা হয়নি। প্রাথমিক রিপোর্টে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন (Khan Sir), মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ভিসেরা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই জানা যাবে মত্যুর প্রকৃত কারণ। বর্তমানে ভিসেরা নমুনা নেপালের ধরান শহরের একটি পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

    প্রশ্ন যেখানে

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কোসি হাসপাতালের এক প্রবীণ চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মৃতদেহ প্রথম দেখেই তাঁর কাছে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, পোস্টমর্টেমের সময় কোনও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন না। পুলিশ দ্রুত পোস্টমর্টেম-পর্ব শেষ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছিল (Khan Sir)। অভিযোগ অনুযায়ী, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করা (Murder Case) হয়নি। যেমন— বিষক্রিয়া পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়নি, অ্যালকোহল টেস্ট হয়নি, ফুসফুস পরীক্ষা করা হয়নি, পরীক্ষা করা হয়নি জিভ। হৃদ্‌যন্ত্র কাটা হলেও, পুরোপুরি খোলা হয়নি, এবং সর্বোপরি, মাথার সম্ভাব্য আঘাতের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়নি এসব অভিযোগের সত্যতা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। তবে ঘটনাকে ঘিরে সন্দেহ আরও বেড়েছে।

    বয়ানে অসঙ্গতি!

    প্রিন্সের সঙ্গে নেপালে ছিলেন তাঁর পাঁচ বন্ধুও। প্রথমে তাঁরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, সবাই একসঙ্গে ছিলেন এবং প্রিন্স অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু নেপাল পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সময় বদলে যায় তাঁদের বয়ান। নয়া বয়ানে বলা হয়, ঘটনার সময় শুধুমাত্র লাড্ডু যাদব প্রিন্সের সঙ্গে হোটেলের রুমে ছিলেন। বাকিরা গিয়েছিলেন অন্যত্র। লাড্ডুও প্রথমে নিজেকে রুমের বাইরে বলে দাবি করলেও, পরে কবুল করেন, তিনিও ঘটনাস্থলে ছিলেন (Khan Sir)। বারবার বয়ান পরিবর্তনের কারণে পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নিয়েছে। যদিও তাঁদের সঙ্গে থাকা এক নেপালি সহযোগী জামিন পেয়েছেন বলে সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, ঘটনাটি নেপালে ঘটায় তদন্তের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেপাল পুলিশের ওপরই রয়েছে। তাই ভারতীয় পুলিশ সরাসরি তদন্ত করতে পারবে না। চূড়ান্ত ভিসেরা রিপোর্ট এবং মৃত্যুর কারণও নেপালের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই প্রকাশ করবে। যদি মৃতের পরিবার তদন্তের ফলে সন্তুষ্ট না হয় (Murder Case), তাহলে তাদের ভারতীয় দূতাবাসের মাধ্যমে নেপাল সরকারের কাছে আপিল করতে হবে (Khan Sir)।

     

  • Coaching Vandalism Row: নেপালে রহস্য মৃত্যু রৌশন স্যারের ভাইয়ের, খান স্যার কোচিং ভাঙচুর বিতর্কে নয়া মোড়

    Coaching Vandalism Row: নেপালে রহস্য মৃত্যু রৌশন স্যারের ভাইয়ের, খান স্যার কোচিং ভাঙচুর বিতর্কে নয়া মোড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল বিহারের জনপ্রিয় শিক্ষক রৌশন আনন্দ (রৌশন স্যার)-এর ভাই প্রিন্স আনন্দের। বর্তমানে নেপালে ছিলেন (Coaching Vandalism Row) তিনি। অনুমান, মৃত্যুর সময় মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন তিনি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় নেপাল পুলিশ। প্রিন্সের সঙ্গে থাকা পাঁচ বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে নেপাল পুলিশ। জানা (Khan Sir) গিয়েছে, মৃত্যুর আগে নেপালে প্রিন্সের সঙ্গে ছিলেন অন্তত ছ’জন বন্ধু। খবর পেয়ে প্রিন্সের পরিবারের সদস্যরা রওনা দিয়েছেন নেপালের উদ্দেশে।

    নেপালে প্রিন্সের মৃত্যুতে রহস্য (Coaching Vandalism Row)

    পাটনার একটি ভাঙচুর মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলে রয়েছেন রৌশন স্যার। এই ঘটনায় তাঁর ভাই প্রিন্সের নামও অভিযুক্তদের তালিকায় ছিল। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রৌশন স্যার এবং জনপ্রিয় শিক্ষক খান স্যার (ফয়সাল খান)-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলে আসছে। পাটনার জ্ঞান বিন্দু জিএস অ্যাকাডেমি এবং খান গ্লোবাল স্টাডিজের মধ্যে এই বিরোধ একাধিকবার সংঘর্ষ, ভাঙচুর এমনকি গুলিচালনার পর্যায়েও পৌঁছেছে। সম্প্রতি খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার হন রৌশন স্যার। এদিকে, খান স্যার আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। এর মধ্যেই নেপালে প্রিন্সের মৃত্যু জন্ম দিয়েছে (Coaching Vandalism Row) নয়া বিতর্কের।

    দুই স্যারের বিবাদ

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালেও প্রিন্সের বিরুদ্ধে খান স্যারের কোচিং সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি ক্লাসরুমে ঢুকে হিংসাত্মক আচরণ করেছিলেন। খান স্যার আগে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, রৌশন স্যার তাঁর প্রতিষ্ঠানে বোমা নিয়ে হামলা ও কর্মীদের ওপর আক্রমণের ঘটনায় জড়িত। আবার, রৌশন স্যারের দাবি, ২০২৩ সালে তাঁর কোচিং সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন খান স্যার। জানা গিয়েছে, বিহার পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষার ফলকে কেন্দ্র করে দুই কোচিং সেন্টারের মধ্যে উত্তেজনার পারদ আরও চড়েছে। উভয় প্রতিষ্ঠানই সফল প্রার্থীদের কৃতিত্ব নিজেদের বলে দাবি করায় পোস্টার ছেঁড়া, সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে (Khan Sir)। প্রসঙ্গত, পাটনার মুসাল্লাহপুর এলাকার কিষান কোল্ড স্টোরেজ ক্যাম্পাসের রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়েও দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিবাদ রয়েছে। এই একই ক্যাম্পাস থেকে দুই শিক্ষকের কোচিং সেন্টারও চালানো হয় (Coaching Vandalism Row)।

     

  • PM Modi: ১,৭৪৯ কোটি টাকায় নির্মিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ১,৭৪৯ কোটি টাকায় নির্মিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বিহারের রাজগিরে উদ্বোধন করলেন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের (New Nalanda University Campus)। নতুন এই ক্যাম্পাসটির উদ্বোধন হল ঠিক প্রাচীন নালন্দার ধ্বংসাবশেষের কাছেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধনের আগেই প্রাচীন নালন্দার ধ্বংসাবশেষের স্থানও পরিদর্শন করেন। পরে তা সমাজ মাধ্যমে পোস্টও করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এদিন নতুন ক্যাম্পাসে একটি ফলকও উন্মোচন করেন।

    মোট খরচ ১,৭৪৯ কোটি টাকা

    প্রসঙ্গত, নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস (New Nalanda University Campus) তৈরিতে খরচ হয়েছে মোট ১,৭৪৯ কোটি টাকা। নতুন ক্যাম্পাসে ৪০টি শ্রেণি কক্ষ রয়েছে। এগুলিতে মোট ১,৯০০ পড়ুয়া বসে পড়াশোনা করতে পারবে। নতুন ক্যাম্পাসে দুটি অডিটোরিয়াম রয়েছে। প্রত্যেকটি অডিটোরিয়ামে ৩০০ আসন রয়েছে। ক্যাম্পাসের মধ্যেই তৈরি করা হয়েছে একটি ছাত্রাবাস। যেখানে সাড়ে পাঁচশোর ওপর পড়ুয়া থাকতে পারবে। এর পাশাপাশি সেখানে একটি অ্যাম্পিথিয়েটারও তৈরি করা হয়েছে। যেখানে ২,০০০ জন বসতে পারবে। ক্যাম্পাসে রয়েছে বিভিন্ন স্পোর্টস কমপ্লেক্সও।

    পঞ্চম শতাব্দীতে গড়ে উঠেছিল প্রাচীন নালন্দা

    প্রসঙ্গত, প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় (New Nalanda University Campus) স্থাপিত হয়েছিল পঞ্চম শতাব্দীতে। দেশ-বিদেশের বহু পণ্ডিত এবং ছাত্রদের জ্ঞান চর্চার পীঠস্থান হয়ে উঠেছিল নালন্দা। পরবর্তীকালে দ্বাদশ শতাব্দীতে ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজির আক্রমণে ধ্বংস হয় প্রাচীন ভারতের এই বিশ্ববিদ্যালয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অক্সফোর্ড প্রতিষ্ঠার ৫০০ বছর আগে ভারতে জ্ঞান চর্চার কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল নালন্দা। ২০১৬ সালে রাষ্ট্রসঙ্ঘ নালন্দাকে হেরিটেজ সাইটের তকমা দিয়েছে।

    নতুন ক্যাম্পাসের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে 

    ২০১৪ সালে মোদি সরকার (PM Modi) ক্ষমতায় আসার পরেই নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুনভাবে গড়ে তোলার প্রয়াস শুরু হয়। নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। বুধবার নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধনে হাজির ছিলেন বহু বিশিষ্ট মানুষ। যাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সহ আরও ১৭ টি দেশের প্রতিনিধি। ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের (New Nalanda University Campus) মধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে সোলার প্ল্যানেট। এর পাশাপাশি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টও বসানো হয়েছে। ওয়াটার রিসাইকেল প্লান্টও তৈরি করা হয়েছে। পরিবেশ বান্ধব ভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Prashant Kishor: নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত হল পিকে-র দল, ৪০ আসনেই প্রার্থী দেবে বিহারে

    Prashant Kishor: নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত হল পিকে-র দল, ৪০ আসনেই প্রার্থী দেবে বিহারে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের দল ‘জন সূরজ পার্টি’কে নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত করলেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। জানা গিয়েছে, বিহারে ৪০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে পিকের দল। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে ‘জন সূরজ পার্টি’কে আপেল প্রতীক প্রদান করা হয়েছে। আপেল সাধারণভাবে যাঁরা নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তাঁদেরই দেওয়া হয়। তবে পিকে-র দলকে কেন আপেল প্রতীক দেওয়া হল এব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। সারা দেশে নথিভুক্ত সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিরই প্রতীক সামনে এনেছে কমিশন। এই তালিকা ইতিমধ্যে পাঠানো হয়েছে বিহারেও। যদিও তাঁর নিজের দল গঠনের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)।

    ‘জন সূরজ পার্টি’র সভাপতি

    জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ‘জন সূরজ পার্টি’র সভাপতিকে যাবতীয় প্রয়োজনীয় নথি পাঠিয়ে দিয়েছে। ‘জন সূরজ পার্টি’র সভাপতির ঠিকানা দেওয়া রয়েছে দক্ষিণেশ্বর বিল্ডিং, ১০ হেলার রোড, নয়াদিল্লি। তবে ‘জন সূরজ পার্টি’র সভাপতির নাম এখনও সামনে আসেনি। প্রসঙ্গত, বিহারের রাজনীতিতে প্রশান্ত কিশোর নীতীশ-বিরোধী বলেই পরিচিত। সম্প্রতি, নীতীশ ফিরে গিয়েছেন এনডিএ শিবিরে। সেই সময়ই নীতীশের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন পিকে। তিনি বলেন, “তিনি (নীতীশ কুমার) তাঁর জীবনের শেষ ইনিংস খেলছেন।” পিকে-র আরও দাবি, “নীতীশ কুমার আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ২০টির বেশি আসন পাবেন না, সেটা যে জোটের সঙ্গেই লড়াই করুন।” তাঁর এই ভবিষ্যদ্বাণী ভুল হবে না দাবি জানিয়ে পিকে-র বিস্ফোরক মন্তব্য, “যদিও ২০টির বেশি আসন পান, তাহলে আমি আমার কাজ ছেড়ে দেব।”  রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নীতীশকে টেক্কা দিতেই নয়া পার্টি স্থাপন করলেন পিকে।

    পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ফল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী

    সম্প্রতি বাংলাতে লোকসভার ফলাফল নিয়ে পূর্বাভাস দেন পিকে। গত মার্চ মাসে হায়দরাবাদে একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রশান্ত কিশোর বলেন, ‘‘বাংলায় লোকসভা ভোটের ফলাফল নিয়ে আমি এখনই কোনও ভবিষ্যদ্বাণী করতে চাই না। তবে বেশিরভাগ লোক যা ভাবছে, তার বিপরীতে গিয়ে আমি এটা বলতে চাই যে বিজেপি খুব সম্ভাবত তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ে ভালো করবে। বাংলা থেকে বিজেপির ফলাফল আশ্চর্যজনক ভাবে ভালো হবে। এর জন্য প্রস্তুত থাকুন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Open Classroom at Ganga Ghat: গঙ্গার ঘাটে মুক্ত পাঠশালা, বিনামূল্যে প্রস্তুতি চলছে চাকরির জন্য  

    Open Classroom at Ganga Ghat: গঙ্গার ঘাটে মুক্ত পাঠশালা, বিনামূল্যে প্রস্তুতি চলছে চাকরির জন্য  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে, বিহারের (Bihar) রাজধানী পাটনায় (Patna) গঙ্গার ঘাটে (Ganga Ghat) কয়েক মাস ধরে শনি ও রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সমাগম ঘটছে পড়ুয়াদের। ঘাটের সিঁড়িতে একরকম ঠাসাঠাসি করে বসেই চলছে ক্লাস (Open classroom)। কারুর কোলে খাতা তো কারুর  চাতালের উপর।  একটানা লিখে যাচ্ছে শয়ে শয়ে ছেলে-মেয়ে।

    গঙ্গার ঘাটে পড়ুয়াদের এই সমাগমের নেপথ্যে রয়েছেন শিক্ষক এস কে ঝা (S K Jha)। নিজের অর্জিত শিক্ষাই অকাতরে বিলিয়ে চলেছেন ৩০ বছরের এই যুবক। আর শুধু নিজে নন, সমমনস্ক জনা তিরিশের একটি দলও জুটিয়ে ফেলেছেন তিনি। সকলে মিলে গঙ্গার ঘাটেই খুলে বসেছেন পাঠশালা।

    অনলাইন শিক্ষার যুগে সেই পাঠশালায় ভিড়ও করছেন শয়ে শয়ে ছেলেমেয়ে। শুধু পাটনা বা বিহার নয়, সীমান্ত লাগোয়া উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড তো বটেই, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ এমনকি রাজস্থান থেকেও সেই পাঠশালায় নাম লিখিয়েছেন অনেকে। ক্লাস শুরু হয় সকাল ৬টা নাগাদ। কিন্তু ভোর ৪ টেতেও পৌঁছে যান অনেকে। গোল হয়ে বসে চলে গ্রুপ স্টাডি। স্কুল বা কলেজের পড়াশোনা নয়, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় (Competitive Exams) পাশ করে চাকরি জোটানোর পড়াশোনাই (study for govt jobs) করে তারা। পরস্পরকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করার তাগিদ রয়েছে এই পড়ুয়াদের মধ্যে।

    দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা ছেলেমেয়েদেরই এই পাঠশালার কৃতিত্ব দিচ্ছেন শিক্ষক এস কে ঝা। তিনি জানিয়েছেন, ক্লাস করতে যাঁরা আসেন, অধিকাংশই হয় রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড (RRB) অথবা স্টাফ সিলেকশন কমিশনে (SSC) চাকরি প্রার্থী (job aspirants)। নন টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটেগরি (NTPC) পরীক্ষায় প্রথম ধাপ উতরে গিয়েছেন। পরের ধাপের পরীক্ষার কোনও হাল-হদিশ নেই। তাই বলে প্রস্তুতিতেও ফাঁক রাখা যায় না। কিন্তু পয়সা খরচ করে কোচিং নেওয়ার সাধ্য নেই কারও। তাই দূরে হলেও, বিনে পয়সার পাঠশালাতেই ভিড় করেন সকলে।

    শনি-রবি, সপ্তাহে এই দু’দিন ক্লাস বসে। ৩০-৩৫ জনের একটি দল রয়েছে। সপ্তাহভর পরিশ্রম করে প্রশ্নপত্র তৈরি করেন তাঁরা। ৯০ মিনিটের পরীক্ষা। ১২০টি প্রশ্ন। তা লিখতেই সপ্তাহে দু’দিন ১২০০-১৪০০ ছেলেমেয়ে ভিড় করেন। তাতে পরীক্ষার প্রস্তুতিও যেমন সারা হয়, আবার কোথাও আটকে গেলে জেনে নেওয়া হয় সমাধানও। 

     

LinkedIn
Share