Tag: bihar political turmoil

bihar political turmoil

  • Nitish Kumar: রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই বিহারে বদলি করা হল ৪৭৮ জন আমলাকে

    Nitish Kumar: রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই বিহারে বদলি করা হল ৪৭৮ জন আমলাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টালমাটাল বিহারের (Nitish Kumar) রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এমতাবস্থায় ৪৭৮ জন আমলাকে বদলি করলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। এঁদের মধ্যে সার্কেল অফিসার এবং রাজস্ব দফতরের পদস্থ কর্মীরাও রয়েছেন। ট্রান্সফারের এই কাজটি করেছে রাজস্ব ও ভূমি রাজস্ব দফতর। সূত্রের খবর, বদলির কাজটি হয়েছিল গত জুন মাসে।

    নীতীশ ফিরছেন এনডিএ শিবিরে!

    যদিও নানা সমস্যায় এতদিন কার্যকর হয়নি সেই নির্দেশ। ঘটনার পরেই জল্পনা ছড়ায় ‘মহাগটবন্ধন’ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতে পারেন নীতীশ। হাত মেলাতে পারেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র সঙ্গে। বছর দেড়েক আগে এই জোট ছেড়েই নীতীশ ভিড়েছিলেন মহাগটবন্ধনে। দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। তার আগে ফের একবার নীতীশ হাত ধরতে পারেন বিজেপি নেতৃ্ত্বাধীন জোটের। শুক্রবারই ২২ জন আইএএস, ৭৯ আইপিএস এবং বিহার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভের ৪৫ জন আধিকারিককে বদলি করেছিল রাজ্য সরকার (Nitish Kumar)। পাঁচ জেলাশাসককেও বদলি করা হয়েছিল। তার পর শনিবার বদলি করা হল ৪৭৮ জনকে।

    কাকে কোথায় বদলি 

    জানা গিয়েছে, পাটনার জেলাশাসক চন্দ্রশেখর সিংকে স্পেশাল সেক্রেটারি করে নিয়ে আসা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে। তিনি ২০১০ ব্যাচের আইএএস অফিসার। কিছুদিন আগে স্টেট এডুকেশন দফতরের সঙ্গে বিবাদের জেরে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন তিনি। তাঁর স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে ২০১১ ব্যাচের আইএএস অফিসার কপিল অশোককে। তিনি কারা দফতরের আইজি। ২০১৩ ব্যাচের আইএএস অফিসার নওল কিশোর চৌধুরী। তিনি গোপালগঞ্জের জেলাশাসক। তাঁকে ভাগলপুর জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আবার ভাগলপুরের জেলাশাসক সুব্রত কুমার সেনকে দেওয়া হয়েছে মুজফফরপুরের দায়িত্ব। তিনি ২০১৩ ব্যাচের আইএএস।

    আরও পড়ুুন: দুই বিচারপতির দ্বন্দ্ব, দু’ তরফেরই বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত সুপ্রিম কোর্টে

    এনডিএ শিবির ছেড়ে আসা নীতীশের দল বদলের ‘অভ্যাস’ বহু পুরানো। ২০১৫ সালে আরজেডির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গঠন করেছিলেন নীতীশ। পরে হাত ধরেন বিজেপির। সেবার এভাবেই তিনি বাঁচিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি। ২০২০ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকে গিয়েছিলেন বিজেপিকে আঁকড়ে ধরে। পরে ফের শত্রুতা ভুলে হাত ধরেন লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডির। আবারও ভিড়েন বিজেপি শিবিরে। বছর দেড়েক আগে বিজেপির পাট চুকিয়ে মহাগটবন্ধনের মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ। এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের তিনি (Nitish Kumar) ঝুঁকছেন বিজেপির দিকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: নীতীশ নিয়ে বিপাকে ‘মহাজোট’, সরকার বাঁচাতে সপ্তাহান্তে ছোটাছুটি আরজেডির

    Nitish Kumar: নীতীশ নিয়ে বিপাকে ‘মহাজোট’, সরকার বাঁচাতে সপ্তাহান্তে ছোটাছুটি আরজেডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার ফের বিপাকে আরজেডি-জেডিইউ-কংগ্রেস ‘মহাজোট’। গত কয়েকদিন ধরে বিহার-জুড়ে জোর জল্পনা, মহাজোটের সঙ্গ ছেড়ে ফের বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে ফিরতে চলেছেন জেডিইউ-র সর্বেসর্বা তথা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। এই নিয়েই বিহারের রাজনীতিতে (Bihar Politics) এখন তোলপাড়। চারদিকে ছোটাছুটি পড়ে গিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের। কোথাও সরকার বাঁচানোর চেষ্টা, তো কোথাও নতুন সরকার গড়ার প্রয়াস।

    আসনেই লুকিয়ে রসায়ন…

    বিহারে বিধানসভায় মোট আসন সংখ্যা ২৪৩। ম্যাজিক ফিগার ১২২। আরজেডির রয়েছে ৭৯টি আসন। জেডিইউয়ের হাতে রয়েছে ৪৫টি আসন। বিজেপির রয়েছে ৭৮টি আসন। এছাড়াও বিহারে কংগ্রেসের ১৯ ও বামেদের ১৬ জন বিধায়ক রয়েছেন (Bihar Politics)। এনডিএ শরিক জিতেন রাম মানঝির হিন্দুস্তানি আওয়ামি মোর্চার ৪ জন বিধায়ক রয়েছেন। আরজেডির সঙ্গে যদি কংগ্রেস ও বামেদের বিধায়ক সংখ্যা যোগ করা যায়, তাহলে মোট সংখ্যা ১১৪-তে পৌঁছে যায়, যা ম্যাজিক ফিগারের থেকে আট কম। অন্যদিকে, নীতীশ (Nitish Kumar) যদি এনডিএ-তে যোগ দেন, সেক্ষেত্রে বিজেপির ৭৮-এর সঙ্গে জেডিইউ-এর ৪৫ ও হাম-এর ৪ যোগ করলে সংখ্যাটা পৌঁছে যায় ১২৭-এ। যা ম্যাজিক ফিগার থেকে পাঁচ বেশি। এদিকে, জিতেন রাম মানঝির সঙ্গে কথা বলে লালু প্রসাদ যাদব তাঁর ছেলেকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী করার প্রস্তাবও দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও জিতেন রাম মানঝি বলেছেন, তিনি এনডিএ-র সঙ্গে আছেন, তাদের সঙ্গেই থাকবেন।

    রাজনৈতিক নেতাদের ছোটাছুটি…

    এই পরিস্থিতিতে সপ্তাহান্তে পর পর বৈঠক ও কৌশল নির্ধারণে ব্যস্ত বিহারের রাজনৈতিক দলগুলি (Bihar Politics)। একদিকে, নীতীশকে (Nitish Kumar) আটকানোর রণকৌশল নির্ধারণ দলের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করছেন বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী তথা আরজেডি নেতা ও লাল-পুত্র তেজস্বী যাদব। আজ, শনিবার ও রবিবার— এই দুদিন মহাজোটের কাছে ‘অ্যাসিড-টেস্ট’ হতে চলেছে। সূত্রের খবর, আরজেডির শীর্ষ নেতৃত্ব তেজস্বীর বাসভবনে মিলিত হতে চলেছেন। শুক্রবারের বৈঠকে তেজস্বী দলীয় নেতাদের জানান যে, গোটা পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রকে দায়ী করেন। মহাজোট থেকে আরজেডি-র সমর্থন তুলে নেওয়া উচিত বলে প্রস্তাব পেশ করেন কয়েকজন নেতা। কিন্তু, তেজস্বী নেই প্রস্তাব খারিজ করেন। পরিস্থিতি বিচার করতে বৈঠকে ব্যস্ত বিজেপিও। শনিবার ও রবিবার কার্যনির্বাহী বৈঠক ডেকেছে বিহার বিজেপি। অন্যদিকে, বিহার প্রদেশ কংগ্রেস নেতা শাকিল আহমেদ জানিয়েছেন, পূর্ণিয়াতে শনির দুপুরে বৈঠকে বসছে দলের বর্তমান ও প্রাক্তন বিধায়করা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share