Tag: bihar

bihar

  • Ram Kripal Yadav: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন রামকৃপাল

    Ram Kripal Yadav: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন রামকৃপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার দুষ্কৃতীদের নিশানায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। পাটলিপুত্রের বিজেপি প্রার্থী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বিদায়ী সদস্য রামকৃপাল যাদবের (Ram Kripal Yadav)  কনভয় লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ল দুষ্কৃতীরা। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন তিনি। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে পাটলিপুত্রের মাসাউরি এলাকায়।

    বুথে গিয়ে মেটালেন ঝামেলা (Ram Kripal Yadav)

    জানা গিয়েছে, পয়লা জুন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের আরও কয়েকটি আসনের সঙ্গে ভোট হয়েছে বিহারের পাটলিপুত্রেও। এই লোকসভা কেন্দ্রেরই একটি বুথ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন আরজেডি বিধায়ক রেখা পাশোয়ান। সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বুথে ঝামেলা হচ্ছে খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে চলে যান রামকৃপাল (Ram Kripal Yadav)। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর পর কনভয় নিয়ে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    মন্ত্রীর কনভয়ে গুলি

    মাসাউরি এলাকায় পৌঁছতেই তাঁর কনভয় লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তাঁর সঙ্গে থাকা লোকজনকে আটকে রেখে মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। গুলি চালানোর খবর পেয়ে ছুটে আসেন স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এর পরেই চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। হামলার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিজেপি। দুষ্কৃতীদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবিও তোলা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারির আশ্বাস দেয়। তার পরেই ওঠে অবরোধ। পূর্ব পাটনার পুলিশ সুপার ভরত সোনি বলেন, “পাটনা-জোহানাবাদ রোডে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর গাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে বলে একটি অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।”

    আর পড়ুন: পরপর দুটি গুলি, আর তার পরেই মাথা কেটে বিজেপি কর্মীকে নৃশংসভাবে খুন!

    রামকৃপালের বিরুদ্ধে বিজেপি-বিরোধীদের বাজি লালু প্রসাদ যাদবের মেয়ে রাজ্যসভার সাংসদ মিশা ভারতী। আরজেডির প্রার্থী মিশার পিছনে রয়েছে কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম, সিপিআই-এমএলের সমর্থন। তাতেও শেষ রক্ষে হবে কিনা, তা জানা যাবে ৪ জুন, লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন। প্রসঙ্গত, বিহারের রাজনীতিতে লালু ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন রামকৃপাল। পরে তিনি নাম লেখান গেরুয়া খাতায়। ২০১৪ সাল থেকে তিনি পাটলিপুত্রের সাংসদ। এই দুই নির্বাচনেই তিনি (Ram Kripal Yadav) গোহারান হারিয়েছেন মিশাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Post Poll Violence: ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিহারের সারণে নিহত ১, জখম দুই, বন্ধ ইন্টারনেট

    Post Poll Violence: ভোট-পরবর্তী হিংসায় বিহারের সারণে নিহত ১, জখম দুই, বন্ধ ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বিঘ্নে চলছিল পঞ্চম দফার নির্বাচন। ২০ মে, সোমবার নির্বাচন হয়েছে দেশের ৪৯টি আসনে। এর মধ্যে ছিল বিহারের কয়েকটি আসনও। ভোট কেমন হচ্ছে, তা দেখতে দুপুরে বেরিয়েছিলেন আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদবের মেয়ে রোহিণী আচার্য। সারণ জেলার ছাপড়ার একটি বুথে আরজেডি প্রার্থী রোহিণী যেতেই আরজেডির কর্মী-সমর্থকরা সংঘর্ষে (Post Poll Violence) জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে।

    সংঘর্ষের নেপথ্যে (Post Poll Violence)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এলাকায় গিয়ে রোহিণী সটান ঢুকে পড়েন একটি বুথে। ভোটারদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও করতে শুরু করেন। এর পরেই এলাকা ছেড়ে চলে যান আরজেডি সুপ্রিমোর মেয়ে। পরে আরজেডি কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের একপ্রস্ত বচসা হয়। মঙ্গলবার সকালে দু’পক্ষে সংঘর্ষ (Post Poll Violence) বাঁধে। ঘটনায় হত হন একজন। জখম হয়েছেন দু’জন। এঁরা হলেন মনোজ যাদব ও গুড্ডু যাদব।

    প্রকাশ্যে চলল গুলি

    জানা গিয়েছে, অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা প্রকাশ্যে গুলি ছোড়ে। গুলি লাগে মনোজ ও গুড্ডুর গায়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় একজনের। মনোজ ও গুড্ডুকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় হাসপাতালে। অশান্তির আগুন যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য দু’দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। অশান্তি পাকানোর অভিযোগে আটক করা হয়েছে দু’জনকে। সারণের পুলিশ সুপার গৌরব মঙ্গলা বলেন, “হিংসায় যারা ইন্ধন জোগাচ্ছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দু’দিনের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।”

    আর পড়ুন: “আরএসএসে ছিলাম, ফিরে যেতেও প্রস্তুত”, অবসর নিয়ে বললেন বিচারপতি দাশ

    এই সারণ কেন্দ্র থেকেই আরজেডির টিকিটে লড়ছেন লালুর মেয়ে রোহিণী। তাঁর বিরুদ্ধে পদ্ম প্রতীকে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির বিদায়ী সাংসদ রাজীব প্রতাপ রুডি। এক সময় সারণ থেকেই লড়ে সংসদে গিয়েছিলেন লালু। রোহিণী যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দেন, সেদিন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাবা লালু প্রসাদ এবং দাদা তেজস্বী যাদবও (Post Poll Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ডের অন্যতম শক্তিপীঠ উগ্রতারা ছিন্নমস্তা মন্দির, দুর্গাপুজো হয় টানা ১৬ দিন ধরে!

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ডের অন্যতম শক্তিপীঠ উগ্রতারা ছিন্নমস্তা মন্দির, দুর্গাপুজো হয় টানা ১৬ দিন ধরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের নিকটতম প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) লাতেহার জেলা বিখ্যাত তার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য। এখানকার গভীর-অগভীর অরণ্য, বন্যপ্রাণী, ঝর্ণা, পাহাড় সহজেই যে কোনও প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকের হৃদয় জয় করে নিতে পারে। কিন্তু লাতেহার মানেই কি শুধু বেতলা অরণ্য অথবা নেতারহাট? এর বাইরেও এই অঞ্চলে রয়েছে এমন কিছু স্থান, যেগুলির আকর্ষণও কিন্তু কোনও অংশে কম নয়।এমনই একটি স্থান হল টোরির উগ্রতারা ছিন্নমস্তা মন্দির বা উগ্রতারা নগর ভগবতী মন্দির। প্রায় ৪০০ বছরের প্রাচীন এই মন্দিরটি ষষ্ঠদশ শতাব্দীতে নির্মাণ করেন টোরির রাজা। স্বয়ং রানী অহল্যা বাই এই মন্দিরে পুজো দিয়ে গিয়েছেন। ঝাড়খণ্ডের অন্যতম শক্তিপীঠ বলে এই মন্দিরকে মান্যতা দেন ভক্তজনেরা। এখানে টানা ১৬ দিন ধরে দুর্গাপুজো হয়, যা সচরাচর অন্য কোথাও দেখা যায় না।

    দূর দূরান্ত থেকে আসেন ভক্তরা (Jharkhand) 

    মন্দির স্থাপনের পর থেকেই এখানকার পরম্পরা অনুযায়ী ‘জিউনিয়া তেওহার’-এর দ্বিতীয় দিন মায়ের পবিত্র কলস স্থাপন করা হয় এবং মা অষ্টাদশভূজার পুজো শুরু হয়। তার পর থেকে ভক্তি সহকারে এবং বিবিধ আচার মেনে ১৬ দিন ধরে মায়ের পুজো হয়। এই সময় দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা আসেন এই মন্দিরে। শুধু মাত্র ঝাড়খণ্ড থেকেই নয়, এখানে পুজো দিয়ে মনস্কামনা পূর্ণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ভক্তরা আসেন পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা থেকেও। মূলত মিছরি এবং নারকেল দিয়ে মায়ের পুজো দেওয়া হয়। তবে পশুবলি দেওয়ার প্রথাও আছে এখানে।

    বেতলা থেকে সময় লাগে তিন-চার ঘণ্টা

    লাতেহার শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে এই মন্দিরের দূরত্ব প্রায় ৩৮ কিমি। চটকা-চতরা মূখ্য মার্গে (Jharkhand) অবস্থিত এই মন্দিরে পৌঁছনোর সড়ক পথ আছে। টোরি শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১০ কিমি। আর রাঁচি থেকে টোরির দূরত্ব প্রায় ৮৫ কিমি। যাওয়া যায় বেতলা অরণ্য থেকেও। বেতলা থেকে যেতে সময় লাগে প্রায় তিন-চার ঘণ্টা। এই সমগ্র পথেই রয়েছে আরও বেশ কয়েকটি পর্যটন স্থল। ঘুরে নেওয়া যায় সেগুলোও। আর যাতায়াতের পথের দৃশ্যও বেশ মনোরম।

    যাতায়াত এবং থাকা (Jharkhand)

    যাতায়াত-রাঁচি বা বেতলা, দুই জায়গা থেকেই এই মন্দির দর্শন করে আবার ফিরে গিয়ে রাত্রিবাস করা যায় রাঁচি বা বেতলায়। সেক্ষেত্রে ট্রেনে এসে রাঁচি বা বেতলা থেকে গাড়ি নিয়ে আসাই সুবিধার। 
    থাকা খাওয়া-রাঁচিতে রয়েছে প্রচুর হোটেল। এছাড়াও এই পথে রয়েছে বেশ কিছু বন বাংলো। বুকিং করার জন্য যোগাযোগ করতে হবে ডিএফও-র সঙ্গে। প্রয়োজনে ফোন করা যেতে পারে ০৯৯৫৫৫২৭৩৭১ নম্বরে। আর গাড়ি বা জঙ্গল সাফারির জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে ০৬২০৬২২০৩১৪ নম্বরে (Jharkhand)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের পর এবার বিহারে সীতার মন্দির! নির্বাচনের মধ্যেই বড় ঘোষণা শাহের

    Amit Shah: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের পর এবার বিহারে সীতার মন্দির! নির্বাচনের মধ্যেই বড় ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের পর এবার বিহারে তৈরি হবে সীতার মন্দির। লোকসভা ভোটের আবহে এমনই প্রতিশ্রুতি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এবছর লোকসভা নির্বাচনে অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরির প্রতিশ্রুতি রক্ষা করাকে অন্যতম হাতিয়ার করেছে বিজেপি। আর এবার তাদের পরবর্তী লক্ষ্য সীতা মন্দিরের (Grand Sita Temple) কোথাও জানিয়ে দিলেন শাহ। অর্থাৎ রামলালার পর এবার রামচন্দ্র-পত্নী সীতার মন্দির বিজেপি তৈরি করবে বলে বিহারের মানুষকে কথা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: “১ লক্ষ ১৪ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতবেন অর্জুন”, রোড শোয়ে ভিড় দেখে বললেন সুকান্ত

    সীতামঢ়ীতে সীতার মন্দির নির্মাণ (Grand Sita Temple)

    বৃহস্পতিবার নেপাল সীমান্ত ঘেঁষা বিহারের সীতামঢ়ী জেলায় একটি নির্বাচনী প্রচারে যান অমিত শাহ। হিন্দু পুরাণমতে সীতামঢ়ীতেই দেবী সীতার জন্ম। সেখানে তিনি জানান যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যেমন অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি করেছেন ঠিক তেমনি সীতার জন্মস্থানেও একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হবে। শাহ (Amit Shah) বলেন, ‘‘বিজেপি ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতিকে ভয় করে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যায় রামলালার জন্মস্থানে মন্দির নির্মাণ করেছেন। কিন্তু তাঁর একটি কাজ এখনও অসমাপ্ত রয়েছে— মা সীতার জন্মস্থান সীতামঢ়ীতে বিশাল মন্দির নির্মাণ। সেই কাজ তিনি সমাপ্ত করবেন।’’
    যদিও এদিন এই প্রতিশ্রুতির পর শাহ (Amit Shah) বলেন, “অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি থেকে যাঁরা নিজেদের সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিলেন, তাঁদের দ্বারা এই কাজ সম্ভব নয়। একমাত্র নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপিই পারে সীতার জন্মস্থানে মন্দির তৈরি করতে। আমরা রামায়ণ সার্কিটের মাধ্যমে জনকপুর এবং সীতামঢ়ীকেও সংযুক্ত করব। এই মন্দির এমন এক মন্দির তৈরি হবে যা শুধু বিহার, ভারত, পূর্বাঞ্চল বা মিথিলাঞ্চল নয়, গোটা বিশ্বকে সীতামাড়ির প্রতি আকৃষ্ট করবে।” 

    বিরোধীদের কটাক্ষ শাহর 

    আগামী সোমবার বিহারের যে ৪০টি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হবে তার মধ্যে অন্যতম সীতামঢ়ী। শাহ (Amit Shah) এদিন প্রচারে বিরোধীদের বিঁধতে গিয়ে বলেন, “লালু প্রসাদ যাদব পাওয়ার, পলিটিক্সের জন্য, নিজের ছেলেকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য সেই কংগ্রেসের কোলে গিয়ে বসেছেন, যারা সব সময় পিছিয়ে পড়া মানুষের বিরোধিতা করে এসেছে। লালু প্রসাদ যাদব বিহারে জঙ্গলরাজের জন্য পরিচিত। আমি জনগণকে জিজ্ঞাসা করতে চাই যে তারা জঙ্গলরাজ চান নাকি উন্নয়ন রাজ চান? লালু অ্যান্ড কোম্পানি কি এখানে উন্নয়ন করতে পারবে? একমাত্র নরেন্দ্র মোদিই পারেন বিহারকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sushil Modi: ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন, প্রয়াত বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা সুশীল মোদি

    Sushil Modi: ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন, প্রয়াত বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা সুশীল মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ তথা বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদি। সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির এইমসে প্রয়াত হন তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২। বর্ষীয়ান এই বিজেপি নেতা গত এক মাস ধরে দিল্লির এইমসের আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, আমার দলীয় সহকর্মী এবং কয়েক দশকের বন্ধু সুশীল মোদিজির অকাল প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত। বিহারে বিজেপির উত্থান এবং দলের সাফল্যে তিনি অনবদ্য অবদান রেখেছেন। জরুরী অবস্থার তীব্র বিরোধিতা করে তিনি ছাত্র রাজনীতিতে নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন।

    দলের প্রতি দায়বদ্ধ 

    বিহারে ২০০৫ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত চার দফায় জোটসঙ্গী বিজেপির নেতা সুশীলকে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে পাশে পেয়েছিলেন নীতীশ কুমার। রাজনীতির ময়দানে সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ ছিলেন সুশীল।  চলতি মাসের গোড়ায় হিন্দিতে এক্স পোস্টে সুশীল লিখেছিলেন, ‘‘গত ছ’মাস ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছি। এখন মনে হল সবাইকে বিষয়টি জানানো দরকার। লোকসভা ভোটে আর কিছু করতে পারব না। প্রধানমন্ত্রীকে সব কিছু বলে দিয়েছি। তবে দেশ, বিহার এবং আমার পার্টির কাছে আমি কৃতজ্ঞ এবং নিবেদিত থাকব।’’ 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীত্বের ১০ বছর! বারবার মোদি গ্যারান্টিতে কেন ভরসা করেন দেশের মানুষ?

    শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল

    সুশীল মোদির এভাবে চলে যাওয়ায় শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। তিন দশক ধরে বিহারের রাজনীতিতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। লোক জনশক্তি পার্টির প্রধান রামবিলাস পাসোয়ানের মৃত্যুর পর বিহারে খালি হওয়া রাজ্যসভার একটি আসনে ২০২০ সালের উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছিলেন সুশীল। ২০২৫ সাল পর্যন্ত ওই পদে তাঁর মেয়াদ ছিল। বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং থেকে শুরু করে রবিশঙ্কর প্রসাদ-সহ আরও অনেকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Love Jihad: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    Love Jihad: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন আরও এক ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে আরও এক হিন্দু তরুণী। এবারের ঘটনাস্থল বিহার। এখানকার এক দলিত হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করে নেপালে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সমীর আলম নামে এক বিবাহিত যুবককে (Love Jihad)।

    লাভ জিহাদ (Love Jihad)

    জানা গিয়েছে, বিহারের নারকাটিয়াগঞ্জের বছর ছাব্বিশের সমীর মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে জোর করে সিঁদুর পরিয়ে দেয় বছর সতেরোর মেয়েটির সিঁথিতে। পরে নাবালিকা বুঝতে পারে, পরিচয় গোপন করে তার সঙ্গে প্রতারণা করেছে সমীর। এরপর সমীর মেয়েটিকে কার্যত ঘরবন্দি করে রাখে। বার দুয়েক পালানোর চেষ্টা করলেও, সফল হয়নি সে (Love Jihad)। এর পরেই মেয়েটিকে নেপালে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সমীর। সেই মতো মেয়েটিকে নিয়ে সে রওনা দেয় নেপালের উদ্দেশে। সীমান্তে সমীরকে জেরা করেন সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা।

    পাচারে যুক্ত অভিযুক্ত আলম!

    এই প্রথম নয়, সমীর আগেও মিথ্যা পরিচয় দিয়ে হিন্দু তরুণীদের বিয়ে করে ধর্মান্তরিত করে নেপালে বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ। সমীর এবং ওই মেয়েটিকে নিয়ে থানায় যান সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা। সেখানেই গ্রেফতার করা হয় সমীরকে। তদন্ত চালাতে গিয়ে পুলিশ সমীরের মোবাইল থেকে আপত্তিকর কিছু ভিডিও এবং ছবিও উদ্ধার করেছে। সমীর যে নারী পাচারে যুক্ত, তাও জেনেছেন তদন্তকারীরা। ২০২২ সালের ১১ মে-ও এক হিন্দু দলিত মেয়েকে পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: “শেষ জীবনেও মুখ্যমন্ত্রীকে চোর চোর শুনতে হবে”, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

    হিন্দু মহিলাকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ কর্নাটকে

    এদিকে, বছর আঠাশের এক বিবাহিত মহিলাকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরণ করার অভিযোগ উঠল তাঁর স্বামী-সহ সাতজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল কর্নাটক। ওই মহিলার অভিযোগ, রফিক নামের এক ব্যক্তির খপ্পরে পড়েন তিনি। নিজের স্ত্রীর সামনেই রফিক তাঁকে ধর্ষণ করে। তাঁকে বোরখা পরতেও বাধ্য করে। নিষেধ করা হয় সিঁদুর পরতেও। এমনকী, রফিকের স্ত্রী ওই মহিলাকে রফিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে উৎসাহ দেয়। পরে ওই মহিলার ছবি তুলে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করে রফিক। সিঁদুর পরতে না দেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে পাঁচ ওয়াক্ত নমাজ আদায় করতেও বলে রফিক। ইসলামে ধর্মান্তরিত হতেও দেওয়া হয় চাপ। গ্রেফতার করা হয়েছে রফিককে (Love Jihad)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: “বিহারকে লণ্ঠনের যুগে নিয়ে যেতে চাইছে ইন্ডি জোট”, তোপ শাহের  

    Amit Shah: “বিহারকে লণ্ঠনের যুগে নিয়ে যেতে চাইছে ইন্ডি জোট”, তোপ শাহের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডি’কে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। লালু-রাবড়ির জমানাকে তিনি ‘জঙ্গল-রাজ’ বলেও অভিহিত করেন। বিহারের কাটিহারে একটি নির্বাচনী প্রচারে যোগ দিয়েছিলেন শাহ।

    ‘পরিবারবাদ’কেও নিশানা

    তিনি বলেন, “দরিদ্রদের জীবনে পরিবর্তন এনেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।” এদিনের জনসভায় ‘পরিবারবাদ’কেও নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পরিবারবাদকে ধ্বংস করেছেন। তিনি বর্ণভেদের অবসান ঘটিয়েছেন। ইতি টেনেছেন তুষ্টিকরণের রাজনীতিতে। সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের মানোন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছেন তিনি। আজ লালু যাদব ও কংগ্রেস যৌথভাবে বিজেপি ও জনতা দল ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমে পড়েছে।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “আপনারা স্মরণ করতে পারেন লালু-রাবড়ির জমানার কথা। তখন বিহার জঙ্গলরাজে পরিণত হয়েছিল। আজ তিনি (লালু যাদব) কংগ্রেসের হাত ধরেছেন। আমি তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এই কংগ্রেস পার্টিই পিছড়েবর্গের বিরোধিতা করেছিল। কাকাসাহেব কালেলকর কমিশনের রিপোর্ট চেপে দিয়েছিল। কেবল তাই নয়, এরা বিরোধিতা করেছিল মণ্ডল কমিশনের রিপোর্টেরও।”

    আরও পড়ুন: “বাড়িতে পুরুষ না থাকলে মেয়েদের হাত ধরে টানাটানি করে তৃণমূল কর্মী”, বললেন নির্যাতিতা

    ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    শাহ বলেন, “গরিব, পিছড়েবর্গ এবং ওবিসিরা প্রত্যেকেই নৃশংসতার শিকার। এনডিএ সরকার যখন থেকে কেন্দ্রের ক্ষমতায় এসেছে, নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, তার পর থেকেই বন্ধ হয়েছে নৃশংসতা।” তিনি বলেন, “নীতীশজি রাজ্যের প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছেন। কিন্তু ইন্ডি জোট বিহারকে সেই লণ্ঠনের যুগে নিয়ে যেতে চাইছে। তারা ওবিসির বিরোধিতা করছে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস এবং লালু যাদব সত্তর বছর ধরে ৩৭০ ধারা এড়িয়ে চলছিলেন। আর উনিশের অগাস্ট মাসে মোদিজি এই ধারা রদ করেন।” শাহ বলেন, “মোদিজি নক্সালিজম শেষ করেছেন। সন্ত্রাসবাদকে দুরমুশ করে দিয়েছেন। এক সময় দেশে ইউপিএ সরকার ছিল। সেই জমানায় পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদীরা প্রায়ই এদেশে আসত, এখানে বিস্ফোরণ ঘটাত।” তিনি বলেন, “উরি এবং পুলওয়ামায় আক্রমণের দশ দিনের মধ্যেই মোদিজি সার্জিক্যাল এবং এয়ারস্ট্রাইক করেছেন। ভেঙে দিয়েছেন সন্ত্রাসবাদের মেরুদণ্ড।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “বিজেপিই প্রথম ওবিসি নেতা, যাঁকে বিজেপি প্রধানমন্ত্রী পদে বসিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mahavir Jayanti 2024: আজ মহাবীর জয়ন্তী, জানুন এই বিশেষ দিনটির ইতিহাস ও মাহাত্ম্য

    Mahavir Jayanti 2024: আজ মহাবীর জয়ন্তী, জানুন এই বিশেষ দিনটির ইতিহাস ও মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মহাবীর জয়ন্তী। জৈন ধর্মের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উৎসবগুলির মধ্যে একটি হল মহাবীর জয়ন্তী (Mahavir Jayanti 2024)। এই বিশেষ দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন জৈন ধর্মের ধর্ম গুরু মহাবীর। তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এই দিনটি পালন করা হয়। তিনি জৈন ধর্মের প্রধান গুরু ছিলেন, তিনিই এই ধর্মের প্রচারক ছিলেন। প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে মহাবীর জয়ন্তী পালিত হয়। এই বিশেষ দিনটি জৈন সম্প্রদায়ের মানুষেরা আড়ম্বরের সঙ্গে পালন করে থাকেন।

    কবে মহাবীর জয়ন্তীর তারিখ ও সময়?

    চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের ত্রয়োদশীতে মহাবীর জন্মগ্রহণ করেন। এই বছর তাঁর ২৬২২ তম জন্মদিন উদযাপন করা হবে। পঞ্জিকা অনুসারে এটি ২০ এপ্রিল রাত্রি ১০ টা ৪১ মিনিট শুরু হবে  এবং ২২ এপ্রিল রাত্রি ১ টা ১১ মিনিটে শেষ হবে। অর্থাৎ এবছর ২১ এপ্রিল, রবিবার, মহাবীর জয়ন্তীর উৎসব পালন করা হবে।

    মহাবীরের জীবন

    কথিত আছে যে, ভগবান মহাবীর বিহারের (Bihar) কুন্দলপুরের রাজ ঘরানায় ৫৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শৈশবে তাঁর নাম ছিল বর্ধমান। ৩০ বছর বয়সে তিনি সিংহাসন ত্যাগ করে আধ্যাত্মিকতার পথে হাঁটেন। জৈন ধর্মে বিশ্বাস করা হয় যে, ১২ বছরের কঠোর নীরব তপস্যার পর ভগবান মহাবীর (Lord Mahavir) তাঁর ইন্দ্রিয়কে জয় করে ছিলেন। নির্ভীক, সহনশীল এবং অহিংস হওয়ার কারণে তাঁকে মহাবীর নাম দেওয়া হয়েছিল। ৭২ বছর বয়সে তিনি পাওয়াপুরী থেকে মোক্ষলাভ করেন। সাধকদের মধ্যে মহাবীর যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁকে শান্তি, সম্প্রীতি, পবিত্রতা, ধর্ম প্রচারকের একজন বলে মনে করা হতো। মহাবীর ছিলেন জৈন ধর্মের সব থেকে বড় গুরু এবং ২৪ তম সর্বশেষ তীর্থঙ্কর।

    পুজো পদ্ধতি ও নিয়ম-রীতি

    মহাবীর জয়ন্তীর দিন, জৈন ধর্মের (Jainism) লোকেরা প্রভাতফেরি, শোভাযাত্রা বের করেন। তার পরে মহাবীরের মূর্তি সোনা ও রুপোর কলসে অভিষেক করা হয়। এই সময়, জৈন সম্প্রদায়ের গুরু ভগবান মহাবীরের (Mahavir) শিক্ষার কথা বলা হয় এবং সেগুলিকে অনুসরণ করতে শেখানো হয়।

    আরও পড়ুনঃ সনাতন ধর্মের যজ্ঞের আগুনেই জন্ম গণিত-বিজ্ঞান-কলাশাস্ত্রের বহু সূত্রের!

    সত্য ও অহিংসার প্রচারক ছিলেন মহাবীর

    সর্বোপরি মহাবীর জয়ন্তীর (Mahavir Jayanti 2024) উৎসব জৈন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতাকে উৎসর্গ করা হয়। তিনি তাঁর জীবদ্দশায় অহিংসা ও আধ্যাত্মিক স্বাধীনতার প্রচার করেছিলেন এবং মানুষকে সকল জীবের প্রতি সম্মান করতে শিখিয়েছিলেন। তাঁর দেওয়া সমস্ত শিক্ষা ও মূল্যবোধ জৈন ধর্ম নামক ধর্মের প্রচারে ব্যবহার কোরা হয়েছিল। তিনি সত্য ও অহিংসার মতো বিশেষ শিক্ষার মাধ্যমে বিশ্বকে সঠিক পথ দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর অনেক বক্তৃতা দিয়ে মানুষকে সঠিকভাবে পরিচালিত করেছিলেন। জীবনের আধ্যাত্মিক মার্গের পথ তিনি দেখিয়ে ছিলেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Polls: ফের ভাঙন ‘ইন্ডি’ জোটে, বিজেপিতে যোগ বিহারের তিন বিধায়কের

    Lok Sabha Polls: ফের ভাঙন ‘ইন্ডি’ জোটে, বিজেপিতে যোগ বিহারের তিন বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ভাঙন ‘ইন্ডি’ জোটে। মঙ্গলবার কংগ্রেসের দুই ও আরজেডির এক বিধায়ক ঘোষণা করলেন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা (Lok Sabha Polls)। মহাগটবন্ধনের মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপি শিবিরে ফিরেছেন নীতীশ কুমার। তার পর থেকে বিহারে ভাঙছে ‘ইন্ডি’ জোট। এদিন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর উপস্থিতিতে তাঁরা যোগ দেন বিজেপিতে।

    কারা যোগ দিলেন বিজেপিতে?

    এদিন যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিলেন, তাঁরা হলেন কংগ্রেসের মুরারী গৌতম ও সিদ্ধার্থ সৌরভ। আরজেডির বিধায়ক সঙ্গীতা দেবীও হাতে তুলে নিয়েছেন গেরুয়া ঝান্ডা। মহাগটবন্ধন সরকারে মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নীতীশ। সেই সরকারের মন্ত্রী ছিলেন মুরারী। আর পাটনা জেলার বিক্রম বিধানসভা কেন্দ্রের দু বারের বিধায়ক সিদ্ধার্থ। মোহানিয়া কেন্দ্রের সঙ্গীতা আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের ঘনিষ্ঠ অনুগামী হিসেবে পরিচিত ছিলেন (Lok Sabha Polls)।

    ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা ব্যর্থ

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিজেপি শিবিরে ভিড়েছিলেন নীতীশ। তখনই জল্পনা ছড়িয়েছিল, কংগ্রেসের ১৯ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১০ জন হাত-সঙ্গ ছাড়তে চলেছেন। ভাঙন ঠেকাতে তড়িঘড়ি কংগ্রেস শাসিত তেলঙ্গনার একটি রিসর্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিধায়কদের। তার পরেও অবশ্য এড়ানো গেল না ভাঙন। লোকসভা নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ভাঙন তত বাড়বে বই কমবে না বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। বিহার বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৪৩ জন। এর মধ্যে বিজেপি, জেডি(ইউ) এবং পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী জিতন রাম মাঝির দল এইচএএমের জোটের দখলে রয়েছে ১২৮টি আসন।

    আরও পড়ুুন: “মমতা ভোটের রাজনীতি করছেন”, সন্দেশখালিকাণ্ডে তোপ ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীর

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁছেছিল বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছিল ইন্ডি। জন্মলগ্ন থেকেই অশান্তির চোরা স্রোত বইছে ইন্ডির অন্দরে। কখনও প্রধানমন্ত্রী মুখ কে হবেন তা নিয়ে, কখনও আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জোটের কোনও এক নেতার মঞ্চ শেয়ার করা নিয়ে অশান্তি লেগেই রয়েছে। এরই মাঝে পদ্মার ভাঙনের মতো নিত্য ভাঙছে জোট। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই বাড়তে থাকবে ভাঙন। তাই বিজেপিকে মাত দিতে গিয়ে জন্ম হয়েছিল যে জোটের, নির্বাচনের আগে সেই জোট আদৌ টেকে কিনা, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন (Lok Sabha Polls)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Motihari: অবাক কাণ্ড! বিহারে ব্রিজের নীচে আটকে গেল বিমান, তারপর কী হল জানেন?

    Motihari: অবাক কাণ্ড! বিহারে ব্রিজের নীচে আটকে গেল বিমান, তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকাশের যান নেমে এল রাজপথে! আস্ত ব্রিজের নীচে আটকে পড়ে একটি বিমান। শুক্রবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের মতিহারি (Motihari) এলাকায়। এই ঘটনা দেখতে এলাকায় ব্যাপক ভিড় জমে যায়। অনেকে মোবাইলে সেই ছবি তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করে দেন। যা মুহূর্তে ভাইরালও হয়ে যায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Motihari)

    স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ক্র্যাপ করা বিমানটি একটি ট্রেলার করে মুম্বই থেকে আসামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এমনিতেই দৈত্যাকার বিমানটিকে ট্রেলারে করে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় পথচলতি সকলের নজর কাড়ছিল সেই দৃশ্য। তবে, ২৭ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ট্রেলারটি মতিহারির (Motihari) পিপরাকোঠি এলাকায় আসতেই বিপত্তি বাধে। কারণ, রাস্তা দিয়ে চলাচলের পথে একটি ওভারব্রিজ রয়েছে। ট্রাক চালক মনে করেছিলেন, বিমানটি নিয়ে ব্রিজের নীচে দিয়ে সহজেই চলে যেতে পারবেন, সেই মতো তিনি ব্রিজের নীচে দিয়ে ট্রেলারটি বের করার চেষ্টা করেন। কিন্তু, কিছুটা যাওয়ার পর নিজের ভুল বুঝতে পারেন চালক। কিন্তু, ততক্ষণে ব্রিজের নীচে আটকে যায় বিমানটি। আর এই ঘটনার জেরে ব্যস্ত রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে রীতিমতো নাকাল হতে হয়। যদিও পরে, ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতায় ট্রেলার সহ বিমানটিকে ব্রিজের নীচে থেকে বের করা সম্ভব হয়। পরে, নিরাপদে গন্তব্যে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেই বেশ কয়েক ঘণ্টা লেগে যায়। এর আগে, ২০২২ সালের নভেম্বরে মাস নাগাদ অন্ধ্র প্রদেশে একই ঘটনা ঘটেছিল। একটি বিমান অন্ধ্র প্রদেশের বাপটলা জেলার একটি রাস্তার আন্ডারপাসে আটকে গিয়েছিল। এই ঘটনার  জের মিটতে না মিটতে ফের বিহারে এই ঘটনা ঘটল।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রাস্তার মধ্যে এভাবে বিমান দেখতে পাব তা আশা করিনি। রাস্তায় ব্যাপক যানজট দেখে ব্রিজের নীচে প্রথমে বিমান ভেঙে প়়ড়েছিল ভেবেছিলাম। কিন্তু, কিছুক্ষণ পর ভ্রম কাটে। পুলিশের তৎপরতায় বড় কোনও বিপদ হয়নি জেনে ভাল লাগছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share