Tag: bihar

bihar

  • Bihar Priest Killed: চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে খুন পুরোহিতকে, রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জ

    Bihar Priest Killed: চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে খুন পুরোহিতকে, রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক পুরোহিতের ক্ষতবিক্ষত দেহ (Bihar Priest Killed) উদ্ধারকে ঘিরে রণক্ষেত্র বিহারের গোপালগঞ্জের দানাপুর এলাকা। চোখ উপড়ে, পুরুষাঙ্গ কেটে নৃশংসভাবে খুন করা হয় ওই পুরোহিতকে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে শেষে করা হয় গুলি। খুন হওয়া ওই পুলিশ কর্মীর ভাই বিজেপির প্রাক্তন ডিভিশনাল প্রেসিডেন্ট।

    জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ

    গত ছ’ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন বিহারের গোপালগঞ্জের ওই পুরোহিত। শনিবার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর। দেহ উদ্ধার করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে উত্তেজিত জনতা। জনতার সঙ্গে সংঘর্ষে জখম হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মী। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত পুরোহিতের নাম মনোজ কুমার। দানাপুর গ্রামের শিবমন্দিরের পুরোহিত ছিলেন তিনি। মনোজের ভাই অশোক কুমার শাহ বিজেপি নেতা। ছ’ দিন আগে বাড়ি থেকে মন্দিরে যাওয়ার পথে অপহরণ করা হয় মনোজকে। নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় পরিবারের তরফে। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ।

    পুলিশের গাড়িতে আগুন  

    শনিবার গ্রাম লাগোয়া একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয় মনোজের গুলিবিদ্ধ দেহ। স্থানীয়দের (Bihar Priest Killed) অভিযোগ, পুলিশি তদন্তে গাফিলতির কারণেই মৃত্যু হয়েছে মনোজের। দেহ উদ্ধার করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে উত্তেজিত জনতা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় জাতীয় সড়কে দাঁড় করিয়ে রাখা পুলিশের গাড়িতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। অশান্তির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে যান গোপালগঞ্জের এসডিপিও প্রাঞ্জল। তিনি জানান, পুরোহিত খুনের তদন্ত শুরু হয়েছে। তার পরেই নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি।

    আরও পড়ুুন: “ভোট লুট, অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপে সেরা অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার” কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মনোজের আর এক ভাই সুরেশ শাহ বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম ভাই ফিরে আসবে। কিন্তু ছ’ দিন পরে দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁর। আমরা জানি না কেন ওকে হত্যা করা হল।” এসডিপিও জানান, দানাপুর গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। পর্যাপ্ত পুলিশি প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “জাতীয় সড়ক এখন পরিষ্কার। পুলিশ আধিকারিকদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়েছে জনতা। এফআইআর করা হবে। তার পরেই করা (Bihar Priest Killed) হবে পরবর্তী পদক্ষেপ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Slams Nitish: পুজোর ছুটিতে কাঁচি, ইদে তিনদিন স্কুলে ছুটি! বিহারকে ‘ইসলামিক রিপাবলিক’ কটাক্ষ বিজেপির

    BJP Slams Nitish: পুজোর ছুটিতে কাঁচি, ইদে তিনদিন স্কুলে ছুটি! বিহারকে ‘ইসলামিক রিপাবলিক’ কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুদের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পুজোতে স্কুলের ছুটির দিনে কাটছাঁট করে দিল বিহারের স্কুল শিক্ষা দফতর। উল্টোদিকে, দুই ইদে তিনদিন করে ছুটির (School Holidays) কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ মুসলিমদের দুই পরবে মোট ছয়দিন স্কুল বন্ধ থাকবে। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিজেপি (BJP Slams Nitish) নেতৃত্ব। রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলেছেন, লালু প্রসাদ ও নীতীশ কুমার মিলে রাজ্যটিকে ‘ইসলামিক রিপাবলিক অফ বিহার’ বানিয়ে ফেলছেন। আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে নীতীশকে ‘তোষণ সম্রাট’ বলে কটাক্ষ করেন।

    ভোটের জন্য তোষামোদ

    বিহার সরকারের শিক্ষা দফতরের বক্তব্য, শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী ২২০ দিন স্কুল খোলা রাখতেই ছুটির তালিকায় অদলবদল করতে হয়েছে। গত ২৯ আগস্ট বিহার সরকারের আর একটি সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। তখন শিক্ষা দফতর বছরের বাকি দিনগুলিতে প্রাপ্য কুড়িটি ছুটি কমিয়ে আটটি করে দিয়েছিল। বিতর্কের মুখে সেই নির্দেশিকা বাতিল করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের স্কুলের ছুটির ক্য়ালেন্ডার প্রকাশ্য়ে এসেছে। এরপরই সোশ্য়াল মিডিয়ায় নানা মন্তব্য ভেসে আসছে। এই নতুন ক্যালেন্ডারে দেখা যাচ্ছ সব মিলিয়ে ৬০দিন ছুটি রয়েছে। (BJP Slams Nitish) তার মধ্য়ে তিনদিন করে ঈদ আর বকরিদের জন্য। দুর্গাপুজো আর ছটের জন্য় যেমন ছুটি তেমন ওই পরবের জন্য়ও ছুটি। অন্যদিকে, দুটি হিন্দু পরব হরতালিকা তিজ এবং জিতিইয়ার ছুটি কমানো হয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলের দাবি, নীতীশ কুমারের সরকার ভোটের জন্য একটা সম্প্রদায়কে তোষামোদ করছে। বিজেপি সাংসদ সুশীল মোদির দাবি, হিন্দুদের সেন্টিমেন্টকে আঘাত করা হয়েছে। মুসলিমদের উৎসবে ছুটির দিন এভাবে বাড়িয়ে দেওয়া আর হিন্দুদের উৎসবে কমিয়ে দেওয়া এর পেছনে কোনও যুক্তি নেই (BJP Slams Nitish)।

    আরও পড়ুন: লোকাল ট্রেনে এসি কোচ! ডিসেম্বরেই শিয়ালদা শাখায় চালু নতুন পরিষেবা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nitish Kumar: জন্মনিয়ন্ত্রণ-নারীশিক্ষা নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য, ক্ষমা চাইলেন নীতীশ কুমার

    Nitish Kumar: জন্মনিয়ন্ত্রণ-নারীশিক্ষা নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য, ক্ষমা চাইলেন নীতীশ কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মনিয়ন্ত্রণ ও নারীশিক্ষা নিয়ে বলতে গিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) এহেন মন্তব্যে তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। বুধবার বিধানসভায় বিরোধীদের প্রবল চাপের মুখেও পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। শেষমেশ বাধ্য হন ক্ষমা চাইতে। নীতীশ বলেন, “আমার কথায় যদিও কারও আঘাত লেগে থাকে, তাহলে তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আর যাঁরা আমার ভুল ধরিয়ে দিয়ে সমালোচনা করেছেন, তাঁদের অভিনন্দন জানাই।”

    কী বলেছিলেন নীতীশ?

    নীতীশের মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্কের জন্ম হয় বিধানসভায়, মঙ্গলবার। এদিন জন্ম নিয়ন্ত্রণে নারীশিক্ষার গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে অকৃতদার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিয়ের পর থেকে পুরুষরা রোজ রাতে সঙ্গমে ইচ্ছুক থাকে। মেয়েরাই পারেন তাঁদের সংযত করতে। তাতেই জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ।” তিনি (Nitish Kumar) বলেন, “বিহারে নারীশিক্ষার প্রসার হয়েছে। শিশুকন্যা যদি শিক্ষিত হয়, তাহলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণও সহজ হবে। মেয়েদের বিয়ে হলে স্বামীরা রোজ রাতে সঙ্গমে মিলিত হতে চায়। তাতে করে একটি করে সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু পড়াশোনা জানা মেয়েরা সেটা আটকাতে পারে। ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঠেকানো অনেক সহজ হয়ে পড়বে।” এর পরেই সভায় শুরু হয় হট্টগোল।

    কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির 

    বিজেপির মহিলা নেত্রী নিক্কি হেমব্রম বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী একটু পরিশীলিত ভাষায় বললে কী ক্ষতি হত! মহিলাদের সম্পর্কে কোনও সম্মানজ্ঞান নেই তাঁর।” মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, “নারী স্বাধীনতা ও মহিলাদের পছন্দ-অপছন্দের ক্ষেত্রে এই জাতীয় মন্তব্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। আমরা এর তীব্র নিন্দা করছি।” নীতীশের ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানায় কমিশন। দিল্লি কমিশন ফর উইমেনের চেয়ারপার্সন স্বাতি মালিওয়ালও মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলেন।

    ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে এদিন বিধানসভায় নীতীশ (Nitish Kumar) বলেন, “আমি আমার কথা ফিরিয়ে নিচ্ছি। আমার মন্তব্যকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আমি শুধু নারীশিক্ষার কথা বলেছি। আমার বক্তব্যে কেউ আঘাত পেয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।”

    আরও পড়ুুন: এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ প্রাক্তন ‘প্রেমিক’ জয়ের, কী জানালেন থানায়?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Narendra Modi: ‘‘দেশে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে’’, বিহারের জাতিগত সমীক্ষা নিয়ে বিরোধীদের তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Narendra Modi: ‘‘দেশে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে’’, বিহারের জাতিগত সমীক্ষা নিয়ে বিরোধীদের তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীরা জাতপাতের ভিত্তিতে দেশকে ভাগ করতে চাইছে। গরিব মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা চলছে। সোমবার গোয়লিয়রে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) এই অভিমত ব্যক্ত করেন। তাঁর কথায়, আগেও  দেশকে জাতপাতের নামে ভাগ করার চেষ্টা করা হয়েছে। এখনও তা চলছে। দেশকে জাতপাতের ভিত্তিতে ভাগ করার চেষ্টা মহাপাপ।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) মধ্যপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচারে যান। সেখানে জনসভা থেকেই বিহারের জাতিগত সমীক্ষা নিয়ে বিরোধীদের নিশানা করে মোদি বলেন, ‘‘বিরোধীরা জাতের নামে দেশকে বিভাজনের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে। বর্ণের মাধ্যমে বিভাজনের চেষ্টা চালানো পাপ।’’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘ওরা দরিদ্রদের অনুভূতি নিয়ে খেলত। আজও একই খেলা খেলছে। আগেও তারা জাতির নামে দেশভাগ করছে এবং আজও একই পাপ কাজ করছে। আগে ওরা দুর্নীতিতে দোষী হয়েছিল এবং আজ আরও দুর্নীতিগ্রস্ত হয়েছে।’’ এই ইস্যুতে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব মোদি বলেন, “মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে প্রথমেই জাতির ভিত্তিতে সমীক্ষা করবে এবং ওবিসিদের সংখ্যা জানবে…।” এর ফলে ওবিসিদের সংরক্ষণ কমতে পারে বলেও আশঙ্কাবার্তা দেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: লাইনে পাথর, লোহার রড! চালকের তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়াল বন্দে ভারত

    কেন এই মন্তব্য মোদির

    উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলাকালীনই সোমবার বিহারে জাতিভিত্তিক জনগণনার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে নীতীশ কুমার সরকার। নীতীশ কুমারের রাজ্যে অতি পিছিয়েপড়া শ্রেণির মধ্যে পড়েছেন ৩৬ শতাংশ মানুষ, পিছিয়েপড়া শ্রেণির মধ্যে রয়েছেন ২৭.১ শতাংশ। সবেমিলিয়ে রাজ্যে পিছিয়েপড়া মানুষ রয়েছে ৬৩.১ শতাংশ। বিহারের ১৩ কোটি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে তপসিলি জাতির মানুষ রয়েছেন ১৯.৭ শতাংশ মানুষ। এছাড়াও তপসিলি উপজাতিভূক্ত মানুষ রাজ্যের ১.৭ শতাংশ। রাজ্যে জেনালের ক্যাটিগোরির মানুষ মাত্র ১৬ শতাংশ। রাজ্যে ভূমিহারের হার ২.৮৬ শতাংশ, ব্রাহ্মণ ৩.৬৬ শতাংশ, মুখ্যমন্ত্রী জাতি কুড়মিরা রয়েছেন ২.৮৭ শতাংশ।  এর পরেই নাম না করে বিহারের ‘মহাগঠবন্ধন’ সরকারের উদ্দেশে তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Narendra Modi) নরেন্দ্র মোদি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bihar Protest: বিধানসভা অভিযানে লাঠিচার্জ পুলিশের, বিজেপি নেতা সহ মৃত ২

    Bihar Protest: বিধানসভা অভিযানে লাঠিচার্জ পুলিশের, বিজেপি নেতা সহ মৃত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভ থামাতে বেপরোয়া লাঠিচার্জ করেছিল পুলিশ। তার জেরে প্রাণ হারালেন বিজেপির (BJP) এক নেতা সহ মোট দুজন। ঘটনার জেরে উত্তাল বিহার। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ (Bihar Protest) কর্মসূচি পালন করে গেরুয়া শিবির। নীতীশের ইস্তফার দাবিতে সোচ্চারও হন তাঁরা। বিধানসভার ভিতরেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বিজেপি।

    বিধানসভা অভিযান

    বৃহস্পতিবার বিধানসভা অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপি। দলের কর্মী-সমর্থকরা জড়ো হয়েছিলেন পাটনা শহরে। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ছোড়ে পুলিশ। তারপরেও হটে না গিয়ে কর্মসূচি জারি রেখেছিলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। এর পরেই এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জ করতে শুরু করে পাটনা পুলিশ। পুলিশের লাঠির ঘায়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বিজেপির এক মহিলা কর্মীর। জখম (Bihar Protest) হন বেশ কয়েকজন। এঁদের মধ্যে ছিলেন বিজেপির জেহানাবাদ জেলার সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার সিংহও। পুলিশের লাঠির ঘায়ে গুরুতর জখম হন বিজয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তাঁর।

    বেপরোয়া পুলিশ

    শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিহারে আন্দোলন করছে বিজেপি। গেরুয়া কুর্তি, শাড়ি পরে এদিন বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তাঁরা আওয়াজ তোলেন, নীতীশ-তেজস্বী ইস্তফা দাও। বিজেপি নেতাদের কয়েকজনকে দেখা যায় প্রচার রথে উঠে স্লোগান দিতে। বিক্ষোভকারীদের রুখতে পাটনার ডাকবাংলো মোড়ের কাছে ব্যারিকেড করে পুলিশ। পাটনার পুলিশের সিনিয়র সুপারিনডেন্ট রাজীব মিশ্র বলেন, আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধ্য হয়ে জলকামান ছোড়ে। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটায়।

    বিজয়ের মৃত্যুতে শোক (Bihar Protest) প্রকাশ করেছেন বিহার বিজেপির নেতা সুশীল কুমার মোদি। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, পুলিশের লাঠিচার্জে আমাদের এক কর্মীর মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর। আমরা পুলিশের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করব। এসবের জন্যই দায়ী নীতীশ কুমার। ট্যুইট-বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। তিনি লিখেছেন, বিহার সরকার গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হানছে, যাতে তারা দুর্নীতির অনুশীলন চালিয়ে যেতে পারে। 

    এদিকে, ঘটনার প্রতিবাদে বিধানসভায়ও বিক্ষোভ দেখান পদ্ম শিবিরের বিধায়করা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পিকার অওয়ধ বিহারী চৌধুরী মার্শাল ডেকে বিক্ষোভকারী বিধায়কদের সভার বাইরে বের করে দেন। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধ্বস্তিও হয় বিধায়কদের।

    আরও পড়ুুন: “আক্রান্তদের অপরাধ, তাঁরা মোদিকে ভালবাসেন”, ‘শান্তিকক্ষ’ থেকে বেরিয়ে বললেন রবিশঙ্কর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bridge Collapse: তিন সপ্তাহের মধ্যে দু’বার, বিহারে ফের ভাঙল নির্মীয়মাণ ব্রিজ

    Bridge Collapse: তিন সপ্তাহের মধ্যে দু’বার, বিহারে ফের ভাঙল নির্মীয়মাণ ব্রিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফারাক মাত্র তিন সপ্তাহের। তার মধ্যেই ফের ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ ব্রিজ (Bridge Collapse)। বিহারের (Bihar) খাগাড়িয়া জেলার ঘটনায় চাঞ্চল্য। শনিবার দুর্ঘটনার সময় ব্রিজে কেউ না থাকায় মৃত্যুর কোনও খবর নেই। জখমও হননি কেউ। ব্রিজটি তৈরি হচ্ছিল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে। তাই সেতুটি কীভাবে ভেঙে পড়ল তা জানতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন এনএইচএআই কর্তৃপক্ষ।

    ভাঙল ব্রিজ

    সপ্তাহ তিনেক আগে খাগাড়িয়া জেলায় গঙ্গা নদীর ওপর ভেঙে পড়েছিল নির্মীয়মাণ ব্রিজ। এদিন দুপুরে আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে মেচি নদীর ওপর নির্মীয়মাণ ব্রিজের পিলারের একটি অংশ। ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার প্রজেক্ট ডিরেক্টর অরবিন্দ কুমার বলেন, এদিন মেচি নদীর ওপর নির্মীয়মাণ একটি ব্রিজের পিলার ভেঙে পড়ে। পাটনা থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব ৪০০ কিমি। এনএইচ ৩২৭-ই-র ওপর নির্মীয়মাণ ওই ব্রিজটি (Bridge Collapse) কিষানগঞ্জ ও কাটিহারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ব্রিজটির পিলার গাঁথাইয়ের সময় শ্রমিকের ভুলের জন্যই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। তবে ঘটনার তদন্তে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    স্বপ্ন ভাঙল নীতীশের!

    এর আগে বিহারে ব্রিজ ভেঙে পড়েছিল ৪ জুন। ভাগলপুরে আগুইয়ানি-সুলতানগঞ্জ সংযোগকারী নির্মীয়মাণ ব্রিজটি ভেঙে পড়েছিল হুড়মুড়িয়ে। প্রথমে সেতুর একটি অংশ ভেঙে পড়ে, কয়েক সেকেন্ড পর ভেঙে পড়ে গোটা ব্রিজটাই। সেদিনও হতাহতের কোনও খবর ছিল না। গত বছরও ভেঙে পড়েছিল নির্মীয়মাণ এই ব্রিজটি (Bridge Collapse)। ফের কাজ শুরুর পর আবারও ঘটে দুর্ঘটনা। আগুইয়ানি থেকে সুলতানগঞ্জ পর্যন্ত যোগাযোগকারী এই সেতু মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের স্বপ্নের প্রকল্প।

    আরও পড়ুুন: অসমে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, মৃত ৩, ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এদিনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিহার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশন। রাজ্যের সমস্ত ব্রিজের স্ট্রাকচারাল অডিটের ওপর জোর দিয়েছে তারা। সম্পূর্ণ এবং নির্মীয়মাণ সব ব্রিজেরই স্ট্রাকচারাল অডিট করানো প্রয়োজন বলে মনে করে অ্যাসোসিয়েশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
  • Suvendu Adhikari:  “জেল খাটা আসামিরা পাটনায় জড়ো হয়েছিল”, বিরোধী বৈঠককে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “জেল খাটা আসামিরা পাটনায় জড়ো হয়েছিল”, বিরোধী বৈঠককে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের সিন্ডিকেটের ফ্যামিলি গেট টুগেদার।” বিহারের (Bihar) পাটনায় বিজেপি বিরোধী দলগুলির বৈঠককে এই ভাষায়ই কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “বছরের পর বছর জেল খাটা আসামিরা পাটনায় জড়ো হয়েছিল। এরা সবাই মিলে আগামিদিনে তিহাড় জেলে যাবে।”

    লক্ষ্য দুর্নীতিকে বাঁচিয়ে রাখা!

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “বৈঠকের মূল আলোচ্যসূচি ছিল বাংলা সহ গোটা দেশে দুর্নীতিকে বাঁচিয়ে রাখা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মোদিজিকে সরানোর চেষ্টা এই প্রথম নয়, ২০১৯ সালেও কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে ইউনাইটেড ইন্ডিয়ার স্লোগান দিয়েছিলেন। তার ফল কী হয়েছিল, সবাই দেখেছে। পাটনার বৈঠকে তৃণমূল সহ যে সব রাজনৈতিক দল ছিল, তারা নিজেদের দুর্নীতিকে টিকিয়ে রাখতেই একে অপরকে ভোট দেওয়ার আবেদন করছেন। এসব করে কোনও লাভ হবে না। দেশকে বাঁচাতে গেলে নরেন্দ্র মোদিজিকেই ভোট দিতে হবে।”

    শুভেন্দুর নিশানায় অভিষেকও

    তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পাটনায় গিয়েছেন তাঁরই ভাইপো তথা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নাম না করে তাঁকেও নিশানা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বলেন, “ছবিতে দেখা গেছে গরু পাচারকারীরা পাটনায় গিয়ে লালু প্রসাদের পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নিয়েছেন। বলেছেন, লালুজি, গরু পাচার তো শেষ! এবার গো-খাদ্য চুরি করতে চাই। কীভাবে তা করব, তার ট্রেনিং দিন।”

    এদিন ট্যুইটও করেন শুভেন্দু। তৃণমূল শব্দের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ট্যুইটে শুভেন্দুর কটাক্ষ, “টিএমসি মানে হল তৃণমূল মার্কবাদী কংগ্রেস। এই তিনের যোগফল তৃণমূল কংগ্রেস বা টিএমসি।” বিজেপি বিরোধীদের একাসনে বসিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস আর সিপিএম হল তৃণমূলের বি-টিম। আর নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের বি-টিম হল তৃণমূল+সিপিএম। কেরলের চিত্রটা আবার কংগ্রেস বনাম সিপিএম। গোটা বিষয়টাই দ্বিধাগ্রস্ত ব্যাপার। তাহলে কি এই দলগুলি পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের বিরুদ্ধে বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলে?”

    ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, “বোকা কংগ্রেস এবং সিপিএম কর্মীরা তাঁদের রক্ত দিচ্ছেন দলের জন্য, মাঠে ঘাম ঝরাচ্ছেন, যেখানে এই দলগুলির শীর্ষ নেতারা পাটনায় সেটিং করছেন। এ থেকেই প্রমাণ হয় বিজেপি-ই একমাত্র পার্টি পশ্চিমবঙ্গে যারা তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে।” ওই বৈঠককে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তিনি বলেন, “এটা এক ধরনের স্বীকারোক্তি যে কংগ্রেসের মতো একটি শতাব্দী প্রাচীন দল তারা একা আর নরেন্দ্র মোদির মোকাবিলা করতে পারছে না।”

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন হলিউড খ্যাত গায়িকা, চাইলেন আশীর্বাদও

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Heatwave: চলছে তাপপ্রবাহ, তিনদিনে উত্তর প্রদেশ, বিহারে মৃত ৯৮

    Heatwave: চলছে তাপপ্রবাহ, তিনদিনে উত্তর প্রদেশ, বিহারে মৃত ৯৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষা ঢুকে গিয়েছে দেশে। তবে উত্তর প্রদেশ (Uttar Pradesh) ও বিহারে (Bihar) এখনও দেখা নেই সজল মেঘের। বরং চলছে তাপপ্রবাহ (Heatwave)। তাপপ্রবাহের জেরে গত তিন দিনে উত্তর প্রদেশ ও বিহারে মৃত্যু হয়েছে মোট ৯৮ জনের। এর মধ্যে উত্তর প্রদেশে মারা গিয়েছেন ৫৪ জন, বিহারে ৪৪ জন। এই যে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, এঁরা প্রত্যেকেই বালিয়া জেলার বাসিন্দা।

    তাপপ্রবাহের কারণে অসুস্থ

    জেলা হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাপপ্রবাহের কারণে অসুস্থ হয়ে ১৫, ১৬ এবং ১৭ জুন যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে তিনদিনে এই হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ৪০০-রও বেশি রোগী। যাঁরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, তাঁদের সিংহভাগেরই বেশির বয়স ৬০ বছরের বেশি। বালিয়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়ন্ত কুমার বলেন, “তাপপ্রবাহের কারণে রোগীরা কোনও না কোনও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

    কীভাবে মৃত্যু 

    বেশিরভাগ রোগীর মৃত্যু হয়েছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে, ব্রেন স্ট্রোক এবং ডায়েরিয়ার কারণে।” গত কয়েক দিন ধরে বালিয়ার তাপমাত্রা পেরিয়েছে ৪০ ডিগ্রির ঘর। শুক্রবার জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৫ ডিগ্রি বেশি।

    আরও পড়ুুন: “প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফরে মিলবে তাৎপর্যপূর্ণ ফল”, বললেন জয়শঙ্কর

    তাপপ্রবাহ (Heatwave) চলছে বিহারেও। তাপপ্রবাহের জেরে গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪৪ জনের। এর মধ্যে কেবল পাটনায়ই মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের। বাকি ৯ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে রাজ্যের অন্যান্য জেলা থেকে। রাজ্যের ১৮টি জেলায় চলছে তাপপ্রবাহ। জানা গিয়েছে, শনিবার রাজ্যের ১১টি জেলায় তাপমাত্রা ছিল ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে। পাটনায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপপ্রবাহের কারণে ২৪ জুন পর্যন্ত রাজ্যের সব জেলায় স্কুল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ১৮ এবং ১৯ জুন ওরঙ্গাবাদ, রোহতাস, ভোজপুর, বক্সার, কাইমুর এবং আরওয়াল জেলায় আবহাওয়া দফতরের তরফে জারি করা হয়েছে চরম তাপপ্রবাহের (Heatwave) সতর্কতা। এই জেলাগুলিতে জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। কমলা সতর্কতার পাশাপাশি রাজ্যের কয়েকটি জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bihar Bridge Collapse: জলে গেল ১৭১০ কোটি! বিহারে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ নদী-সেতু

    Bihar Bridge Collapse: জলে গেল ১৭১০ কোটি! বিহারে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ নদী-সেতু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেন তাসের ঘর! বিহারের ভাগলপুরে একেবারে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল গঙ্গার ওপর একটি নির্মীয়মাণ সেতু (Bihar Bridge Collapse)। ঘটনাটি রবিবার ঘটেছে ভাগলপুরে। ঘটনার সময় নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন কয়েকজন স্থানীয়। তাঁরা পুরো দৃশ্যটি মোবাইলবন্দি করেন। এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

    প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি

    সুলতানগঞ্জ-আগুয়ানিঘাট সেতুটি ভাগলপুরকে জোড়ার জন্য তৈরি করা হচ্ছিল। তবে, ওই সময় কোনও নির্মাণের কাজ চলছিল না। ফলে, ছিলেন না কোনও নির্মাণ-কর্মীও। যে কারণে, কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে সেতুটির ৩২৮ ফুট উঁচু অংশ সম্পূর্ণ গঙ্গায় মিশে গিয়েছে। ভেঙে পড়েছে তিনটি পিলার। ভাগলপুরের এসডিও ধনঞ্জয় কুমার সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, সন্ধ্যা সওয়া ৭টা নাগাদ আচমকাই সেতুটির ৩টি স্তম্ভ ভেঙে পড়ে। যার জেরে মুহূর্তের মধ্যে গোটা সেতুটিই গঙ্গার জলে ধসে পড়ে। 

    একই সেতু ভাঙল দু-বার!

    এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, এই নিয়ে এই সেতুটি দ্বিতীয়বার ভেঙে পড়ল (Bihar Bridge Collapse)। এর আগে, গত বছর এপ্রিল মাসে ভেঙে পড়েছিল সেতুটি। এর পর গত নভেম্বর মাসে রিভিউ বৈঠকে সেতু ভেঙে পড়ার কারণ জানতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। প্রথমবার সেতু ভেঙে পড়ার পরই আইআইটি রুরকির রিপোর্টে সেতুর কিছু অংশ পুনরায় তৈরি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। সেই রিপোর্টের উপরে ভিত্তি করেই সরকার সেতুর নকশায় বদল এনেছিল। 

    আরও পড়ুন: কীভাবে ক্ষতিপূরণ চাইবেন মৃত ও আহতদের পরিবার? পদ্ধতি জানাল রেল

    প্রশ্নের মুখে নীতীশ প্রশাসন

    কিন্তু, সেই ঘটনার পর ১৪ মাস কাটতে না কাটতেই গতকাল যেভাবে সেতুর একাংশ ভেঙে (Bihar Bridge Collapse) পড়ল, তাতে প্রশ্নের মুখে নীতীশ কুমার প্রশাসন। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, এই সেতুর নির্মাণের জন্য ১৭১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। নির্মাণকাজও প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল। চলতি বছরের নভেম্বর বা ডিসেম্বর নাগাদ সেতুটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এদিনের ঘটনার পর, উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব জানান, সেতু ভেঙে পড়ার আসল কারণ জানতে তদন্ত করা হবে। আইআইটি মুম্বই, আইআইটি রুরকি ও এনআইআইটি-র অধ্যাপকরা এই দুর্ঘটনার তদন্ত করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • STF: পঞ্চায়েত ভোটের আগে মুঙ্গের থেকে দেদার অস্ত্র ঢুকছে রাজ্যে! এসটিএফের জালে ৩

    STF: পঞ্চায়েত ভোটের আগে মুঙ্গের থেকে দেদার অস্ত্র ঢুকছে রাজ্যে! এসটিএফের জালে ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে এগরার খাদিকুলে ভানু বাগের বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১১ জনের মৃত্যুর পর পুলিশ-প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। রাজ্য জুড়ে শুরু হয় তল্লাশি। জেলায় জেলায় বস্তা বস্তা তাজা বোমা উদ্ধার হয়। এখনও বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শাসক দলের নেতাকর্মীরা বোমা মজুত রাখার ঘটনায় জড়িত রয়েছেন, এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা বিরোধীদের আনা সেই অভিযোগ প্রমাণিত করেছে। বোমা তৈরির পাশাপাশি পঞ্চায়ত ভোটের আগে এবার মুঙ্গের থেকে রাজ্যে দেদার অস্ত্রও ঢুকছে। সোমবার কাটোয়া রেল স্টেশনে বেঙ্গল এসটিএফ (STF)-এর জালে তিনজন ধরা পড়ার ঘটনা সেকথাই প্রমাণ করছে।

    ধৃতদের কাছ থেকে কত অস্ত্র উদ্ধার করল এসটিএফ (STF)?

    গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার রাত ১১টা নাগাদ কাটোয়া রেল স্টেশনে জিআরপিকে সঙ্গে নিয়ে এসটিএফ অভিযান চালায়। তিন ব্যক্তিকে আটক করে এসটিএফ (STF)। এই তিনজন কাটোয়া স্টেশনের টিকিট কাউন্টারের কাছে দাঁড়িয়েছিল। আগ্নেয়াস্ত্র সহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। তিনজনের মধ্যে একজনের বাড়ি বিহারের মুঙ্গেরে ও বাকি দুজনের বাড়ি মুর্শিদাবাদে। ধৃতদের নাম কাউসার সেখ, শ্রীলাল মণ্ডল এবং সুদীপ খান। কাউসারের বাড়ি মুর্শিদাবাদের নওদায়। সুদীপের বাড়ি মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায়। আর শ্রীলালের বাড়ি বিহারের মুঙ্গেরে। এদের কাছ থেকে তিনটি পিস্তল, ছটি ম্যাগাজিন ও ১৪ রাউন্ড গুলি বাজেয়াপ্ত করে এসটিএফ। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পর মঙ্গলবার সকালে তিনজনের মেডিক্যাল পরীক্ষা করা হয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। তবে, স্টেশনের টিকিট কাউন্টারের কাছে কেন তারা অপেক্ষা করছিল, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে, তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে। হরিহরপাড়া এবং নওদা এলাকার যে দুজনকে ধরা হয়েছে, তাদের নামে আগে কোনও থানায় মামলা রয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share