Tag: bihar

bihar

  • Liquor Smuggling: দরজায় লুকোনো সারি সারি বোতল! মদ চোরাচালান করতে গিয়ে ধৃত ২

    Liquor Smuggling: দরজায় লুকোনো সারি সারি বোতল! মদ চোরাচালান করতে গিয়ে ধৃত ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুরাপ্রেমীদের কতই না কাণ্ড! মদ চোরাচালানের ঘটনা কতই না শোনা গিয়েছে। তবে এবারের ঘটনাটি একেবারেই আলাদা। পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়িতে করে ছ’টি কাঠের দরজা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। রাস্তায় পুলিশের তল্লাশি অভিযানের সময় সেই কাঠের দরজাগুলি নাড়াচাড়া করতেই আকাশ থেকে পড়লেন পুলিশরা। দরজাগুলো ভালো করে তল্লাশি করতে গিয়ে দেখলেন, দরজায় সারি সারি ভাবে লুকিয়ে রাখা হয়েছে মদের বোতল। তবে এক-দুটো নয়, এক সঙ্গে ২ হাজারেরও বেশি মদের বোতল সেই দরজাগুলোতে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির রোহিণী এলাকায়।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দিল্লি থেকে বিহারের উদ্দেশে প্রায় ২ হাজার ১১২ টি মদের বোতল পাচার করা হচ্ছিল। আর চোরাচালান করার ক্ষেত্রে এক অভিনব পথ বেছে নিয়েছে পাচারকারীরা। তবে তাতেও কোনও রেহাই পাওয়া গেল না। অবশেষে ধরা পড়ল পুলিশের হাতে। মদের বোতলগুলি কাঠের দরজার গায়ে এমন ভাবে লাগানো ছিল, যা দেখে সহজে কেউ বুঝতেই পারবেন না যে, কাঠের দরজার আড়ালে লুকিয়ে মদের বোতল পাচার করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ৫০% নয়, ৪৫% নম্বর থাকলেই বসা যাবে প্রাইমারি টেটে, নয়া ঘোষণা পর্ষদের

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আউটার নর্থ ডিস্ট্রিক্ট পুলিশ মদ চোরাচালানের অভিযোগে দুই ব্যক্তি- রোশন রাই এবং সর্বজিৎ সিং-কে গ্রেফতার করেছে ও যেই টেম্পো গাড়ি করে মদ পাচার করা হচ্ছিল তা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে৷ পুলিশ জানিয়েছে, সেই গাড়ি দিল্লি থেকে বিহারে যাওয়ার পথে পুলিশের একটি দল রোহিণীর কাছে গাড়িটিকে আটকে দেয় ও তল্লাশি চালিয়ে বোতলগুলি জব্দ করে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে।  

    আরও জানা গিয়েছে, বোতলগুলিকে বের করে আনতে পুলিশদের ছেনি ও হাতুড়ি ব্যবহার করতে হয়েছে। একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “বোতলগুলো এত চতুরভাবে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল যে, একজন সাধারণ মানুষ কখনই সন্দেহ করবে না যে অবৈধ কিছু চলছে।” এরপর অভিযুক্তরা এই মদ চোরাচালানের ঘটনা স্বীকার করেছে ও পুলিশ জানিয়েছে এই নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

  • Duronto Express: হাওড়াগামী দুরন্ত এক্সপ্রেসে ডাকাতি! বিহারে বন্দুকের মুখে সব হারালেন যাত্রীরা

    Duronto Express: হাওড়াগামী দুরন্ত এক্সপ্রেসে ডাকাতি! বিহারে বন্দুকের মুখে সব হারালেন যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়াগামী দুরন্ত এক্সপ্রেসে ডাকাতির (Robbery) অভিযোগ উঠল (Duronto Express)। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২০ জনের সশস্ত্র ডাকাতের একটি দল ট্রেনের উপর চড়ে যাত্রীদের জিনিসপত্র লুঠ করেছে। যদিও ডাকাতির বিষয়ে আপাতত কোনও খবর পায়নি বলে জানিয়েছে পূর্ব রেল।  

    জানা গিয়েছে, ভোর ৩টে নাগাদ পাটনা স্টেশন পার হতেই ট্রেনটির ছয়-সাতটি কামরায় প্রায় ২০ জন ডাকাতের দল উঠে পড়ে। তাদের হাতে অস্ত্র ছিল বলে যাত্রী দাবি। যাত্রীদের অভিযোগ, পাটনা স্টেশনেই ট্রেন থেকে নেমে যান রেল পুলিশের কর্মীরা। ট্রেনের চালক ওই সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, পাটনা ছাড়তেই কেউ এক জন চেন টানেন। তার পর থেমে যায় ট্রেন আর তাতে উঠে পড়ে ডাকাতের দলটি। 

    কেন ট্রেন থামিয়েছেন, তা নিয়ে চালককে প্রশ্ন করেন যাত্রীরা। চালক জানান, ট্রেনের চেন টানা হয়েছিল। সেজন্য থামিয়েছিলেন ট্রেন। এক যাত্রী জানান, পাটনা পর্যন্ত ট্রেনে জিআরপির আধিকারিকরা ছিলেন। পাটনায় ট্রেন থেকে নেমে যান তাঁরা। সঙ্গে যাত্রীদের নিজেদের ফোন এবং চার্জার লুকিয়ে রাখার পরামর্শ দেন। 

    আরও পড়ুন : মুখ্যমন্ত্রীর সফর, সরকারি টাকায় সাজছে তৃণমূল নেতার রিসর্ট! সত্য ফাঁস শুভেন্দুর 

    হাওড়ার এক জিআরপি আধিকারিক বলেন, “পাটনার কাছে একটি ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজন যাত্রীর সামগ্রী চুরি করা হয়েছে। পাটনায় জিআরপির কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন কয়েকজন যাত্রীরা। কিন্তু এই ঘটনাটি আমাদের এলাকায় ঘটেনি। আমরা যে অভিযোগ পেয়েছি, তা দানাপুর জিআরপির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।”

    মাসখানেক আগেও বন্দুক ঠেকিয়ে একই কায়দায় নয়াদিল্লি-হাওড়া দুরন্ত এক্সপ্রেসে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন  বিহারের সেই পুরনো ‘জঙ্গলরাজ’ ফিরে এল।

    পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক একলব্য চক্রবর্তী বলেছেন, “এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের কাছে এখনও পর্যন্ত কোনও খবর নেই। এরকম ঘটনা ঘটলে সাধারণত আমরা এতক্ষণে খবর পেয়ে যাই।’”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Nitish Kumar: ‘এখন যিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তিনি পাঁচবার শিবির বদলেছেন’, নীতীশকে শাহি কটাক্ষ

    Nitish Kumar: ‘এখন যিনি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তিনি পাঁচবার শিবির বদলেছেন’, নীতীশকে শাহি কটাক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহের নিশানায় নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। মঙ্গলবার বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে একহাত নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। নীতীশের নাম না করে তিনি বলেন, ক্ষমতার লোভে জয়প্রকাশের আন্দোলন থেকে বেরিয়ে এসে কংগ্রেসের কোলে বসে রয়েছেন নীতীশ। বিহারের শরণ জেলায় এদিন জয়প্রকাশ নারায়ণের ১২০তম জন্ম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন শাহ। সেখানেই নিশানা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে। অমিত শাহ বলেন, জয়প্রকাশ সারা জীবন নীতি-আদর্শ নিয়ে কাজ করেছিলেন। ক্ষমতার কথা তিনি কখনওই ভাবেননি।

    এদিন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) নাম না করেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন বিহারের যিনি মুখ্যমন্ত্রী তিনি পাঁচবার শিবির বদলেছেন। বিজেপি সঙ্গ ছেড়ে নীতীশ কুমার লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ে নয়া সরকার গড়েছেন। বিহারের এই নতুন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী তিনিই। আর উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়েছেন লালুপ্রসাদের ছেলে তেজস্বী যাদবকে। নাম না করে অমিত শাহ এদিন সেই প্রসঙ্গই টানেন বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    আরও পড়ুন : আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা নেই, রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানালেন নীতীশ

    এদিনের অনুষ্ঠানে নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) নাম না করেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাঁর রাজনৈতিক জীবনে সমতা দল গড়তে তিনি জনতা দল ভেঙেছিলেন। অল্প কিছুদিনের জন্যে সিপিএমের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন। বিজেপির সঙ্গে দীর্ঘ যাত্রা শুরু করার আগে তিনি এটা করেছিলেন। বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল ২০১৩ সাল পর্যন্ত। ২০১৭ সালে তিনি আবার এনডিএতে ফেরেন। তারপর ছিলেন পরবর্তী পাঁচ বছর। 

    এদিন প্রায় পনের মিনিট ধরে ভাষণ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার সিংহভাগই ছিল নীতীশ কুমারকে (Nitish Kumar) নিশানা করে। বাকি সময়টা তিনি কাটান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাজের প্রশংসায়। মোদি জমানায় যে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ হয়েছে সে ফিরিস্তি দেন শাহ। তিনি এও মনে করিয়ে দেন, জয়প্রকাশ নারায়ণের চিন্তাভাবনার পথেই চলছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের জন্য বিহার সফরে এলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর আগে তিনি এসেছিলেন সেপ্টেম্বরের ২৩-২৪। সেবার বিহারের ক্ষমতা চলে যাওয়ার জন্য পার্টি কর্মীদের ভেঙে পড়তে নিষেধ করেছিলেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Prashant Kishor: কয়েকজন নেতার সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়, সাফ জানালেন পিকে

    Prashant Kishor: কয়েকজন নেতার সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়, সাফ জানালেন পিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সঙ্গে বসে চা খাওয়া বিরোধী ঐক্য নয়। শনিবার সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা জানালেন ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। সম্প্রতি দিল্লি (Delhi) গিয়ে বিজেপি (BJP) বিরোধী কয়েকজন নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। এদিন তাঁকেই কটাক্ষ করেন প্রশান্ত কিশোর। তিনি বলেন, কেবল নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলাম আর চারজন নেতার সঙ্গে চা খেলাম, এতে আম জনতার কিছু আসে যায় না। তাই নির্বাচনেও এর কোনও প্রভাব পড়ে না।

    এক সময় নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেডেই ছিলেন পিকে (PK)। পরে নীতীশের সঙ্গে মনান্তরের জেরে দল ছাড়েন তিনি। এদিন নীতীশকে নিশানা করে প্রশান্ত কিশোর বলেন, ভোটে লড়ার ক্ষমতা কিংবা বিশ্বাসযোগ্যতা না থাকলে শুধু বৈঠক করে কী হবে? বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস এবং আরজেডির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে সরকার গড়েছেন নীতীশ। ঘটনাটি, প্রশান্ত কিশোরের মতে, রাজ্যের ঘটনা। অন্য কোনও রাজ্যে এর কোনও প্রভাব পড়বে না। তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও মহারাষ্ট্রে মহাজোট সরকার ছিল। এখন সেখানে এনডিএ সরকার চলছে। বিহারে এর কোনও প্রভাব পড়েনি। জেডিইউ দলের প্রাক্তনী প্রশান্ত কিশোর বলেন, বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি যাওয়ার কোনও প্রভাব জাতীয় রাজনীতিতে পড়েনি।

    আরও পড়ুন :আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা নেই, রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানালেন নীতীশ

    ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর বলেন, ২০১৫ সালে মানুষ ভোট দিয়েছিলেন মহাজোটের পক্ষে। কিন্তু ২০২০ সালের নির্বাচনে মানুষ তাদের জেতায়নি। বিহার রাজনীতির এই ধাক্কা এবং দুই ভোটের ফল দেশের সাধারণ নির্বাচনে কোনও প্রভাব ফেলেনি। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে দিল্লি গিয়ে বিজেপি বিরোধী দশ দলের নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। তাতে আদৌ কোনও লাভ হবে না বলেই মনে করেন ভোট কুশলী। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে চাইছেন নীতীশ। তাই শুরু করেছেন সলতে পাকানোর কাজ। তবে তাঁর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন যে অধরাই থেকে যাবে, এদিন সেদিকেই ইঙ্গিত করেন প্রশান্ত কিশোর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • BJP Attacks Nitish: বিজেপি বিরোধী জোট সুযোগ সন্ধানীদের, নীতীশকে নিশানা গেরুয়া শিবিরের

    BJP Attacks Nitish: বিজেপি বিরোধী জোট সুযোগ সন্ধানীদের, নীতীশকে নিশানা গেরুয়া শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে উদ্যোগী হয়েছেন বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। তাকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বুধবার গেরুয়া শিবিরের তরফে বিষয়টিকে সুযোগ সন্ধানীদের জোট (Opportunistic Alliance) বলে নিশানা করা হয়েছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে দেশ। তাই বিরোধীদের উদ্যোগ দানা বাঁধবে না বলেই মনে করে গেরুয়া শিবির।

    বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস এবং লালু প্রসাদ যাদবের আরজেডির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গড়েন জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ কুমার। তার পরেই তিনি উদ্যোগী হয়েছেন বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে। বিহারে গিয়ে নীতীশের সঙ্গে দেখা করেছেন কেসিআর। দিন কয়েক আগে দিল্লি এসে নীতীশ দেখা করেছেন বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে।

    নীতীশ যখন বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে চলেছেন, তখন বিহার ঘুরে এসে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, খরায় জর্জরিত বিহার। খুন জখমের ঘটনা সেখানে প্রতিদিনের ঘটনা। বিহারের কুর্সিতে নীতীশ রয়েছেন দীর্ঘ দিন। কখনও বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে, কখনও বা অন্য কোনও দলের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে। সেই তিনিই ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বিজেপি বিরোধী একাধিক রাজনৈতিক দলের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা সেরেছেন। নীতীশের দাবি, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে যেনতেন প্রকারে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ২০২৪, মেগা বৈঠকে বিজেপি, কী আলোচনা হল জানেন?

    রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, উনি (নীতীশ) বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে একজোট করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে দেশ এই সুযোগ সন্ধানী জোটকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। এবং এদের আর কেউ বিশ্বাস করবে না। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের পর দেশে স্থায়ী সরকার এসেছে। মোদির নেতৃত্বে আশা-আকাঙ্খা পূরণ হয়েছে জনতার। সমাজে উন্নয়নযজ্ঞ চলছে। তিনি বলেন, মোদি বিশ্বে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। ব্রিটেনকে পিছনে ফেলে দেশকে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত করেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে নীতীশ সবার শেষে বলেও মন্তব্য করেন রবিশঙ্কর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bihar Politics: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    Bihar Politics: প্রশান্ত কিশোরকে কোনও অফারই দেওয়া হয়নি, সাফ জানাল নীতীশের দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলেকশন স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোরকে (Prashant Kishor) কোনও অফার দেওয়া হয়নি। সাফ জানিয়ে দিলেন জনতা দল ইউনাইটেড (jdu) প্রধান লালন সিং। জেডিইউয়ের ওই নেতা জানান, বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের বৈঠক হলেও, তাঁকে দলে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।

    এক সময় নীতীশের দল জেডিইউয়ের নেতা ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। পরে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিরুপ মন্তব্য করায় ২০২০ সালে জেডিইউ থেকে বহিষ্কার করা হয় প্রশান্তকে। তার পর থেকে আর নীতীশ-প্রশান্ত মুখোমুখি হননি। সম্প্রতি ফের একবার নীতীশ-প্রশান্ত বৈঠকে বসেন। তার পরেই জল্পনা ছড়ায় প্রশান্তের পুরানো দল জনতা দল ইউনাইটেডেই ফিরছেন ইলেকশন স্ট্র্যাটেজিস্ট। প্রশান্তকে যে সময় দল থেকে বহিষ্কার করা হয়, সেই সময় বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার চালাচ্ছিলেন নীতীশ কুমার। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের সমালোচনা সহ্য করতে পারেননি জেডিইউ সুপ্রিমো। তার জেরেই বহিষ্কার করা হয় প্রশান্তকে।

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    মাসদুয়েক আগে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে রাষ্ট্রীয় জনতা দল ও কংগ্রেসের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে সরকার গড়েন নীতীশ। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হন লালু প্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী। তার পর এই প্রথম নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন প্রশান্ত। জনতা দল ইউনাইটেড প্রধান লালন সিং শনিবার জানান, কিশোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি বলেন, ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন। তিনি একজন ব্যবসায়ী। ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্যে তিনি মার্কেটিং করে চলেছেন। জনতা দল ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে তাঁকে কোনও অফার করা হয়নি। তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সেই মতো দেখা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ভোট জয়ে পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রশান্তের একটি সংস্থা রয়েছে। নাম আইপ্যাক। প্রশান্তের এই সংস্থা বিভিন্ন দলের হয়ে কাজ করে। একুশের ভোটে প্রশান্তের সংস্থা পশ্চিমবঙ্গে কাজ করেছিল তৃণমূলের হয়ে। অনেকেরই ধারণা, তার জেরেই ফের বাংলার ক্ষমতায় ফেরে তৃণমূল সরকার।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nitish Kumar: আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা নেই, রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানালেন নীতীশ

    Nitish Kumar: আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা নেই, রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানালেন নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) বিরোধী শিবিরকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে উদ্যোগী হলেন বিহারের (Bihar) মহাজোটের মুখ্যমন্ত্রী জনতা দল ইউনাইটেডের (JDU) নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। সোমবার দিল্লি উজিয়ে গিয়ে তিনি দেখা করলেন কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সঙ্গে। সূত্রের খবর, ভিন্ন দুই রাজনৈতিক দলের এই দুই নেতার আলোচনায় দেশের বর্তমান রাজনীতির প্রসঙ্গ নিয়েই আলোচনা হয়েছে। বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলকে কীভাবে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা যায় তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই ‘হুজুরে’র। কেবল কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী নন, এদিন নীতীশ দেখা করেছেন জনতা দল সেকুলার সুপ্রিমো এইচ ডি কুমারস্বামীর সঙ্গেও। কুমারস্বামীর বাসভবনে গিয়ে দেখা করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।

    এক সময় বিজেপির হাত ধরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন নীতীশ। সম্প্রতি গেরুয়া সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস এবং লালু প্রসাদ যাদবের আরজেডির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে মহাজোট গঠন করে সরকার গড়েন নীতীশ। এই মহাজোট সরকারেরও মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় লালু প্রসাদ যাদবের ছেলে তেজস্বীকে। তখনই জল্পনা ছড়ায় ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী পদে মুখ হতে পারেন নীতীশ। জল্পনা আরও জোরালো হয়, কারণ দিন কয়েক আগে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর বিহারে এসে দেখা করেন নীতীশের সঙ্গে। এদিন নীতীশ স্বয়ং দেখা করলেন রাহুল এবং কুমারস্বামীর সঙ্গে।

    আরও পড়ুন :জেডি(ইউ) ছেড়ে বিজেপিতে পাঁচ বিধায়ক, নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের

    জানা গিয়েছে, এদিন রাহুলের ঘণ্টাখানেক ধরে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন নীতীশ। তাঁর সঙ্গে রাহুলের বাসভবনে গিয়েছিলেন বিহারের জল সম্পদ মন্ত্রী তথা নীতীশের দলের নেতা সঞ্জয় কুমার ঝা। বৈঠক শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে নীতীশ বলেন, আঞ্চলিক দলগুলিকে দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আমি চেষ্টা করছি সাধারণ নির্বাচনের আগে বিরোধীদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে। প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরার কোনও ইচ্ছে আমার নেই। প্রসঙ্গত, এবারের দিল্লি সফরে নীতীশ দেখা করতে পারেন এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার, আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব এবং আইএনএলডি প্রধান ওম প্রকাশ চৌতালার সঙ্গে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Nitish KCR Meeting: নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে কেসিআর, সলতে পাকানো শুরু লোকসভা নির্বাচনের?

    Nitish KCR Meeting: নীতীশের সঙ্গে বৈঠকে কেসিআর, সলতে পাকানো শুরু লোকসভা নির্বাচনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Polls) সলতে পাকানোর কাজ শুরু করে দিলেন তেলঙ্গানার (Telangana) মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও (KCR)! বৈঠক করলেন বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) সঙ্গে। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তার পরেই প্রকাশ্যে এসেছে কেসিআরের উদ্যোগ।

    ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সাংবাদিকরা যখন প্রধানমন্ত্রিত্ব নিয়ে প্রশ্ন করছেন, তখন সাংবাদিক বৈঠক ছেড়ে উঠে যাচ্ছিলেন নীতিশ কুমার। সেই সময় কেসিআর নীতীশ কুমারকে বলছেন, আপনি বসুন না। নীতীশ তখন বলছেন, আপনি চলুন না। বিজেপি বিরোধী শিবিরের এই দুই নেতার মুখনিঃসৃত এই বসুন না, চলুন না শব্দগুলিই জন্ম দিয়েছে প্রধানমন্ত্রিত্বের গুঞ্জনের। ভিডিওটি ভাইরাল করা হয়েছে বিজেপির তরফে।

    এক সময় বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়েছিলেন নীতীশ। পরে বিজেপির হাত ছেড়ে কংগ্রেস এবং আরজেডির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গড়েন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হন আরজেডির তেজস্বী যাদব। এক সময় বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কেসিআরেরও। পরে রাজ্যে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত দেখে গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে দূরত্ব রচনা করেন তিনি। তার পরেই তিনি ডাক দিয়েছেন বিজেপি মুক্ত ভারত গড়ার। এর আগে বিজেপি বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সে প্রশ্নের জবাবে কেসিআর বলেছিলেন, নীতীশজি একজন দুর্দান্ত, প্রবীণ নেতা। যখন আমরা এক সঙ্গে বসব, তখন আমরা এ ব্যাপারে (প্রধানমন্ত্রিত্ব) সিদ্ধান্তে আসব।

    আরও পড়ুন : বিহারে নীতীশ মন্ত্রিসভার ৭২ শতাংশ মন্ত্রীই দুর্নীতিগ্রস্ত!

    নীতীশ কুমারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, দুই মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের একাংশ ভাইরাল করে বিজেপি অপব্যাখ্যা করছে। ওই সূত্রের দাবি, বৈঠক ছেড়ে নীতীশ কুমার বেরতে চাইছিলেন, কারণ সাংবাদিকরা তাঁকে বারবার একই প্রশ্ন করছিলেন। এ ব্যাপারে কেসিআরকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, কে বলেছে, আমি যদি কারও নাম প্রস্তাব করি, লোকে সেটা গ্রহণ করবে? আপনারা কেন এত তাড়াহুড়ো করছেন? তিনি বলেন, আমাদের (বিরোধীরা) বসতে হবে এবং এ ব্যাপারে কথা বলতে হবে। রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হবেন কিনা, সে ব্যাপারে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বিজেপি বিরোধী শক্তি একজোট হয়ে সমস্ত রকম চেষ্টা করব। ভিডিওটি শেয়ার করে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, নীতীশ কুমার কেসিআরকে অপমান করেছেন। বিজেপি নেতা অমিত মালব্যের প্রশ্ন, অপমানিত হতেই কী বিহার গিয়েছিলেন কেসিআর? 

  • Tejashwi Yadav: চাকরি পেতে জমি লিখে দেওয়ার মামলায় গ্রেফতার হতে পারেন লালু-পুত্র তেজস্বী!

    Tejashwi Yadav: চাকরি পেতে জমি লিখে দেওয়ার মামলায় গ্রেফতার হতে পারেন লালু-পুত্র তেজস্বী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি পেতে জমি লিখে দেওয়ার মামলায় (Land for Jobs Scam) গ্রেফতার হতে পারেন বিহারের (Bihar) উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব (Tejashwi Yadav)। তেজস্বীর বাবা লালুপ্রসাদ যাদব (Lalu Prasad Yadav) রেলমন্ত্রী ছিলেন ইউপিএ-১ (UPA-1) এর জমানায়। ওই সময়ই দুর্নীতি হয়েছিল বলে অভিযোগ। সিবিআইসয়ের (CBI) সূত্র উদ্ধৃত করে এ খবর জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা।

    সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের হাতে একটি হার্ড ডিস্ক এসেছে। তাতে রয়েছে একটি তালিকা। ওই তালিকায় ১ হাজার ৪৫৮ জন প্রার্থীর নাম রয়েছে। অভিযোগ, চাকরি পেতে এঁরা যাদবদের জমি লিখে দিয়েছিলেন। যে সময় এই কাণ্ড হয়, সেই সময় রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু প্রসাদ যাদব। তালিকা তৈরি করেছিলেন লালুর পুত্র তেজস্বী। সেই তেজস্বীই এখন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে। গত মাসে সিবিআই হানা দেয় তেজস্বীর বাড়িতে। তখনই উদ্ধার হয় হার্ড ডিস্ক। তার পরেই প্রকাশ্যে আসে কেলেঙ্কারি।

    সূত্রের খবর, চাকরি প্রার্থীদের দেওয়া জমি লিখে নেওয়া হয়েছিল বন্ধু এবং পরিবারের নামে। তল্লাশি চালানোর সময় তেজস্বীর বাড়ি থেকে যে হার্ড ডিস্ক উদ্ধার হয়, তাতে নাম যে হাজারেরও বেশি জনের নাম রয়েছে তার মধ্যে ১৬ জনের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই করা হয়েছে। তার পরেই দ্রুত এগোতে শুরু করেছে সিবিআই তদন্ত। জানা গিয়েছে, সিবিআই এ ব্যাপারে রেলকে চিঠি লিখতে চলেছে। ওই চিঠিতে ওই ১,৪৫৮ জন চাকরি প্রার্থীর সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য চাওয়া হবে। এঁরা ভুল নথি এবং শংসাপত্র দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন : দলকে কলঙ্ক মুক্ত রাখতে নয়া ফরমান তেজস্বী যাদবের, জানেন কী কী?

    সূত্রের খবর, এই প্রার্থীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে কী বেআইনি কাজ হয়েছে, তার তদন্ত করতে গিয়ে তেজস্বীকে গ্রেফতার করতে পারে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, তেজস্বীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু জোরালো প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সেটাকে হাতিয়ার করেই গ্রেফতার করা হতে পারে বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রীকে। ইউপিএ-১ আমলে ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত রেলমন্ত্রী ছিলে লালু প্রসাদ। সেই সময়ই দুর্নীতি হয়েছিল বলে সিবিআইয়ের অভিমত। চাকরি পেতে প্রার্থীরা টাকা নয়, জমি লিখে দিয়েছিলেন যাদব পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের নামে। এর পরিবর্তে রেলের বিভিন্ন জোনে এঁরা চাকরি পেয়েছেন গ্রুপ-ডি পদে। সিবিআইয়ের তরফে দায়ের করা এফআইআরেও বলা হয়েছে, চাকরি পেতে পাটনায় থাকা প্রচুর জমি প্রার্থীরা লিখে দিয়েছিলেন লালু প্রসাদের পরিবারের সদস্যদের নামে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

       

  • Bihar: জাতীয় পতাকাকে ‘ঢাল’ করেও মেলেনি রেহাই, বিহারে এডিএমের মার হবু শিক্ষককে

    Bihar: জাতীয় পতাকাকে ‘ঢাল’ করেও মেলেনি রেহাই, বিহারে এডিএমের মার হবু শিক্ষককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পতাকাকে (National Flag) ‘ঢাল’ করে প্রশাসনের লাঠির ঘা থেকে বাঁচার মরিয়া চেষ্টা করছেন বিক্ষোভকারী এক হবু শিক্ষক (Teacher)। তবে তাতেও রেহাই মেলেনি। কালো শার্ট ও সাদা প্যান্ট পরা ওই প্রতিবাদীর মাথায় এসে পড়ছে একের পর এক লাঠির ঘা। বিহারের (Bihar) রাস্তায় চাকরির দাবিতে জড়ো হওয়া বিক্ষোভরত এক হবু শিক্ষকের এহেন করুণ পরিণতিতে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অভিযোগের তির পাটনার (Patna) যে অতিরিক্ত জেলাশাসক (ADM), সেই কেকে সিংহের (KK singh) বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে পাটনার ডাকবাংলো মোড়ে জড়ো হয়েছেন শয়ে শয়ে সিটেট (CTET) এবং বিটেট (BTET) পাশ চাকরি প্রার্থীরা। সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে পথে নেমেছেন তাঁরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন জন অধিকার পার্টির সদস্যরাও। ডাকবাংলো মোড় থেকে রাজভবন পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু করতেই মাঠে নেমে পড়ে প্রশাসন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠি চালায় পুলিশ। সেই সময় কেকে সিংহকে দেখা যায় রণংদেহি মূর্তিতে। তাঁর লাঠির ঘা থেকে বাঁচতে জাতীয় পতাকাকে ঢাল করেছিলেন এক প্রতিবাদী। তার পরেও প্রহৃত হয়েছেন ওই হবু শিক্ষক। তাঁকে মাটিতে ফেলে হিড় হিড় করে টেনেও নিয়ে যান ওই এডিএম।

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    ভিডিও ভাইরাল হতেই নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)-তেজস্বী যাদব সরকারের তীব্র নিন্দা করেছে বিহার বিজেপি। দলের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে বলা হয়েছে, এই সরকার কি অন্ধ যে তেরঙ্গার ওপর লাঠি চালাচ্ছে? এই সরকার কি বধির যে যারা কার্তুজ চালায়, তাদের হাতে কলম দিচ্ছে? কারওর কারওর জন্য এটা শখের বিষয় হতে পারে, মজার বিষয় হতে পারে, কিন্তু জন সাধারণের জন্য এটা অসহায়তা।

    ঘটনার প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন পাটনার জেলাশাসক চন্দ্রশেখর সিংহ। ঘটনা সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী আরজেডি (RJD) নেতা তেজস্বী যাদবও (Tejaswi Yadav)। সম্প্রতি ১০ লক্ষ বেকারের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী। কোটার পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ লক্ষ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীও। তার পরে পরেই চাকরি প্রার্থীদের ওপর এই নির্মম প্রহারের ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই স্তম্ভিত শিক্ষামহল।

    আরও পড়ুন : বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

LinkedIn
Share