Tag: bikash ranjan bhattacharya

bikash ranjan bhattacharya

  • CPM: দুর্নীতির সমস্ত পরিকল্পনা করেছেন মমতা, তিন ঘণ্টা জেরা করলেই সব বেরিয়ে আসবে, বললেন বিকাশ

    CPM: দুর্নীতির সমস্ত পরিকল্পনা করেছেন মমতা, তিন ঘণ্টা জেরা করলেই সব বেরিয়ে আসবে, বললেন বিকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ-দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড় গোটা রাজ্য। দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর মানিক ভট্টাচার্য এবং সবশেষে জীবনকৃষ্ণ সাহা গ্রেফতার হয়েছেন। ইতিমধ্যেই তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বিরুদ্ধে সিবিআই-এর তদন্ত শুরু হতে চলেছে। এই দুর্নীতির সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। এরইমধ্যে বুধবার দুপুরে বারাসত জেলা আদালতে একটি মামলার সূত্রে এসে বিশিষ্ট আইনজীবী তথা সিপিএম (CPM) নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য দুর্নীতির জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) সরাসরি দায়ী করলেন। তিনি বলেন, গোটা দুর্নীতিটাই পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। আর সেই পরিকল্পনা করা হয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) এবং রাজ্যের সচিবালয় থেকে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় তো দু-নম্বরে ছিলেন। আমরা বারবার সওয়াল করেছি, সমস্ত কিছুর জন্যই দায়ী হচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করলেই সবকিছু বেরিয়ে আসবে। নিয়োগ-দুর্নীতি নিয়ে বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের হয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন বিকাশবাবু। ফলে, তাঁর এই বক্তব্য যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    মুকুল রায়ের দিল্লি যাত্রা নিয়ে কী বললেন বর্ষীয়ান সিপিএম (CPM) নেতা?

    মুকুল রায়কে জোর করে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায় অভিযোগ করেছিলেন। এর পিছনে বড় টাকার খেলা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছিলেন। যদিও দিল্লিতে গিয়ে সেই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেছেন বিধায়ক মুকুল রায়। তিনি বলেছেন, কেউ জোর করেনি। আমি স্বেচ্ছায় দিল্লি এসেছি। বিজেপিতে থেকে রাজনীতি করারও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। এসব নিয়ে যখন তর্ক-বিতর্ক চলছে, তখন তাঁর দিল্লি যাত্রাকে কটাক্ষ করলেন সিপিএম (CPM) নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বিকাশবাবু আরও বলেন, মুকুল রায় কি এমনি এমনি দিল্লি গিয়েছেন। মুকুলকে মমতা (Mamata Banerjee) পাঠিয়েছেন। শরীর খারাপের যে কথা বলা হচ্ছে তা সবটাই নাটক। মমতাই তাঁকে পাঠিয়েছেন। আসলে তিনি চেষ্টা করছেন নিজেকে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাঁচাতে। কারণ, তদন্ত যে জায়গায় গিয়েছে, সেখান থেকে তাঁদের বাঁচার কোনও রাস্তা নেই, একমাত্র অমিত শাহ আর নরেন্দ্র মোদির পায়ে ধরা ছাড়া। সেইজন্যই মুকুলকে এজেন্ট করে পাঠানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • NJC Bill: রাজ্যসভায় পেশ ন্যাশনাল জুডিশিয়াল বিল, কী আছে প্রস্তাবিত আইনে?

    NJC Bill: রাজ্যসভায় পেশ ন্যাশনাল জুডিশিয়াল বিল, কী আছে প্রস্তাবিত আইনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হয়েছে ৭ ডিসেম্বর, বুধবার। চলবে এ মাসেরই ২৯ তারিখ পর্যন্ত। শুক্রবার তৃতীয় দিনে রাজ্যসভায় পেশ হয় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল ২০২০। এটি একটি প্রাইভেট মেম্বার বিল। (NJC Bill) বিলটি পেশ করেন বিজেপির রাজস্থানের সাংসদ। এদিন রাজ্যসভায় একটি প্রাইভেট মেম্বার বিল পেশ করেন সাংসদ সিপিএমের (CPM) বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যও (Bikash Ranjan Bhattacharya)।

    বিলের বক্তব্য…

    সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টগুলির বিচারপতিদের নিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করতেই আনা হয়েছে বিলটি (NJC Bill)। বিলটিতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন গঠনের। এই কমিশনই রেকমেন্ড করবেন কে হবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, কারা হবেন বিচারপতি, হাইকোর্টের বিচারপতিই বা কারা হবেন। এদিন ধ্বনিভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর পেশ করা হয় ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন বিল (national judicial commission bill) ২০২২। প্রস্তাবিত আইনটির উদ্দেশ্য হল, একটি জুডিশিয়াল স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করা। বিচারকদের দায়িত্ব দেওয়া। একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সমীচিন মেকানিজম তৈরি করা যাতে করে সুপ্রিম কোর্ট কিংবা হাইকোর্টের কোনও বিচারপতির বিরুদ্ধে যদি অসদাচরণ অথবা অদক্ষতার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তদন্তের কাঠামো তৈরি করা। কোনও বিচারপতিকে সরিয়ে দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে সংসদের আলোচনা রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরার বিষয়টিও প্রস্তাব করা হয়েছে ওই বিলে।

    আরও পড়ুন: ‘মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর ভারত’, বললেন জয়শঙ্কর

    সিপিএম সাংসদ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের (Bikash Ranjan Bhattacharya) ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন বিল (NJC Bill) ২০২২ এর বিরোধিতা করেন আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডা। তাঁর যুক্তি, ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশনের যে ধারণা, সেই বিষয়টি তিনবার বিবেচনা করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। বিচারপতিদের স্বাধীনতায় গুরুত্ব দিয়ে তিনবারই সেটি খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চাড্ডা বলেন, আমরা এমন একটা কাজ করার চেষ্টা করছি, যা সাংবিধানিকভাবে অসম্ভব। আম আদমি পার্টির সাংসদ বলেন, আমার মতে বর্তমানে বিচারপতিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে যে কলেজিয়াম প্রথা রয়েছে, তা ভালভাবেই চলছে। এই প্রথায় কিছু ইমপ্রুভমেন্ট করার সুযোগও থাকতে পারে। যা বিচারব্যবস্থার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে করা যেতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share