Tag: Bikini Killer

Bikini Killer

  • Charles Sobhraj: মুক্তি পেতে চলেছেন ‘বিকিনি কিলার’, জন্মসূত্রে ভারতীয় চার্লস শোভরাজ

    Charles Sobhraj: মুক্তি পেতে চলেছেন ‘বিকিনি কিলার’, জন্মসূত্রে ভারতীয় চার্লস শোভরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ বছর পর মুক্তি পেতে চলেছেন দুর্ধর্ষ সিরিয়াল কিলার চার্লস শোভরাজ (Charles Sobhraj)। বয়স জনিত কারণেই এই ফরাসি সিরিয়াল কিলারের মুক্তির ঘোষণা করেছে নেপাল সুপ্রিম কোর্ট। বিগত ২১ বছর ধরে চার্লসের ঠিকানা নেপাল জেল। কিছুদিন আগেই নেপালের সুপ্রিম কোর্টের কাছে মুক্তির জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে বিচারপতি স্বপ্না প্রধান মাল্লা ও বিচারপতি তিল প্রশাস শ্রেষ্ঠার ডিভিশন বেঞ্চ। নেপাল সুপ্রিম কোর্টের সেই সিদ্ধান্তের কথা জানান আদালতের মুখপাত্র বিমল পাউডেল। 

    কী অভিযোগ ছিল চার্লসের বিরুদ্ধে?  

    ২০০৩ সাল থেকে নেপাল জেলে রয়েছেন চার্লস (Charles Sobhraj)। জোড়া খুনের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। দুই বিদেশি পর্যটককে খুনের অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল নেপাল পুলিশ। নিহতদের মধ্যে একজন ছিলেন মার্কিন বাসিন্দা। কোনিয়ে জো বরোনজিক নামের ওই পর্যটকের বয়স হয়েছিল ২৯ বছর। অপরজন তাঁর ২৬ বছরের বান্ধবী লিউব়্যান্ট ক্যারিয়েরে। লিউব়্যান্ট কানাডার বাসিন্দা। ১৯৭৫-এ তাঁদের দুজনকে খুন করেন চার্লস শোভরাজ। দু’জনের মধ্যে একজনকে চার্লস কাঠমান্ডুতে হত্যা করেন। অপরজন ভাক্তপুরে খুনে হয়েছিলেন।      

    চার্লসের মা-বাবা ছিলেন ভারতীয়। তবে তাঁরা থাকতেন ভিয়েতনামে। গ্রেফতারির সময় তাঁর থেকে জাল পাসপোর্টও উদ্ধার করেছিল নেপাল পুলিশ। চার্লসের বিরুদ্ধে দুটি আলাদা মামলা রুজু হয়। 

    নেপাল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জোড়া খুনের পর দীর্ঘদিন ফেরার ছিল চার্লস (Charles Sobhraj)। পরে কাঠমান্ডুতে একটি ক্যাসিনোর সামনে ঘোরাঘুরির সময় তাঁকে গ্রেফতার করে নেপাল পুলিশ। প্রথমে কাঠমান্ডুর আদালতে ওঠে তার মামলা। সেখানে তাকে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক। পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্টে যায় ওই মামলা। সেখানেও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় চার্লসের। এর পর থেকে ২১ বছর ধরে জেলেই রয়েছেন চার্লস। এছাড়া জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করার জন্য ২ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছিল তাঁকে।  

    আরও পড়ুন: ‘না নর, না নারী…’, প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে এ কী বললেন তৃণমূলের কীর্তি আজাদ!    

    ভয়ঙ্কর এই খুনি ‘বিকিনি কিলার’ নামে পরিচিত হন গোটা বিশ্বে। নেপালে বেড়াতে আসা পর্যটকদের আক্রমণ করতেন এই ব্যক্তি। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক খুন, চুরি ও প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৬-র মধ্যে চার্লস শোভরাজ হয়ে উঠেছিলেন ত্রাস। এই সময়ের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ জনকে তিনি খুন করেছেন বলে দাবি পুলিশের।    

    জেলমুক্তির ১৫ দিনের মাথায় তাঁকে প্রত্যর্পণেরও নির্দেশ দিয়েছে নেপাল সুপ্রিম কোর্ট। জেলমুক্তির পর চার্লসকে (Charles Sobhraj) কোনও দেশের হাতে প্রত্যর্পণ করা হবে, তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি।

    সাত ও আটের দশকের গোড়ায় থাইল্যান্ড-সহ বিভিন্ন দেশে মহিলা পর্যটকদের মাদক খাইয়ে খুন করতেন তিনি। চার্লস যাদের খুন করতেন তারা বেশিরভাগই বিকিনি পরে থাকত। তাই শোভরাজকে বলা হত ‘দ্য স্পিলিটিং কিলার’। হত্যাকাণ্ডের পরে কোনও প্রমাণ না রেখেই পালানোর কায়দার জন্যে তাঁর নাম দেওয়া হয়েছিল ‘দ্য সারপেন্ট’।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Charles Sobhraj: জেলমুক্ত ‘বিকিনি কিলার’! ১৯ বছর পর নেপালের জেল থেকে বেরলেন চার্লস শোভরাজ

    Charles Sobhraj: জেলমুক্ত ‘বিকিনি কিলার’! ১৯ বছর পর নেপালের জেল থেকে বেরলেন চার্লস শোভরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১৯ বছর পর মুক্ত ‘বিকিনি কিলার’ চার্লস শোভরাজ (Charles Sobhraj)। নেপালের সুপ্রিম কোর্ট বুধবার তাঁর মুক্তির আবেদন মঞ্জুর করেছে। আর আজ, দেশটির সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই মুক্তি দিল একাধিক খুন, ধর্ষণ, লুটের ঘটনায় জেলখাটা ৭৮ বছরের এই কুখ্যাত ফরাসি নাগরিককে। ১৫ দিনের মধ্যেই তাঁকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    জেলমুক্ত ‘বিকিনি কিলার’

    কিছুদিন আগেই নেপালের সুপ্রিম কোর্টের কাছে মুক্তির জন্য আবেদন করেছিলেন চার্লস শোভরাজ (Charles Sobhraj)। সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে বিচারপতি স্বপ্না প্রধান মাল্লা ও বিচারপতি তিল প্রশাস শ্রেষ্ঠার ডিভিশন বেঞ্চ। বয়স জনিত কারণেই এই ফরাসি সিরিয়াল কিলারের মুক্তির ঘোষণা করেছে নেপাল সুপ্রিম কোর্ট, সূত্রের খবর।

    আজ, নেপালের এক সংবাদমাধ্যমে জানা যায়, আজ শোভরাজ কাঠমান্ডু জেলের বাইরে বেরিয়ে পুলিশের গাড়িতে ওঠেন। গাড়িতে করে তাঁকে অজ্ঞাত গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রের খবর, শোভরাজের হৃদযন্ত্রের সমস্যা থাকায় এরপর তাঁকে গঙ্গালাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে নেপালেই তাঁর অস্ত্রপচার হবে কি না, বা কবে শোভরাজ নেপাল ছেড়ে যাবেন, তা নিয়ে এখনও নির্দিষ্ট জবাব মেলেনি। এছাড়াও জানা গিয়েছে, বর্তমানে তাঁর পাসপোর্ট ও ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়ার চলছে। তাঁর আসল পাসপোর্ট শনাক্ত করার পরই ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে ফরাসি দূতাবাস।

    আরও পড়ুন: মুক্তি পেতে চলেছেন ‘বিকিনি কিলার’, জন্মসূত্রে ভারতীয় চার্লস শোভরাজ

    কী অভিযোগ ছিল চার্লসের বিরুদ্ধে?

    ‘বিকিনি কিলার’ ছাড়াও শোভরাজ (Charles Sobhraj) ‘দ্য স্প্লিটিং কিলার’ এবং ‘দ্য সারপেন্ট’ নামেও পরিচিত। দিল্লিতে ৩ পর্যটককে বিষ খাওয়ানোর দায়ে তিহার জেলেও দিন কেটেছে শোভরাজের। ১৯৮৬ সালে তিহার থেকেও পালাতে সক্ষম হয়েছিল চার্লস শোভরাজ। পরে অবশ্য গোয়া থেকে ফের তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ১৯৯৭ সালে ভারত থেকে মুক্তি পেয়ে ফ্রান্সে গিয়েছিল শোভরাজ। পরে সেখান থেকে ২০০৩ সালে নেপালে ফিরলে তাঁকে ফের গ্রেফতার করা হয়েছিল। ১৯৭৫ সালে কাঠমান্ডুতে দুই পর্যটককে খুনের মামলায় শোভরাজকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এছাড়াও সাত-আটের দশকের গোড়ায় তাইল্যান্ড-সহ বিভিন্ন দেশে মহিলা পর্যটকদের মাদক খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। পুলিশের দাবি, জেরায় শোভরাজ ১২ জনকে খুনের কথাও স্বীকার করেন। যদিও দাবি, অন্তত ২০ জনের খুনে হাত রয়েছে তাঁর। কিন্তু পরে তিনি মুক্তির আবেদন করায় তা মঞ্জুর করে নেয় নেপালের সুপ্রিম কোর্ট। ফলে তিনি এখন মুক্ত।

LinkedIn
Share