Tag: Birbhum News

Birbhum News

  • Birbhum News: দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের জের, সাঁইথিয়ার পাঁচ গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৭ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ইন্টারনেট

    Birbhum News: দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষের জের, সাঁইথিয়ার পাঁচ গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৭ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ইন্টারনেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত বীরভূমের সাঁইথিয়া (Birbhum News)। এরই জেরে এলাকায় বন্ধ করে দেওয়া হল ইন্টারনেট পরিষেবা। রাজ্য সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৭ মার্চ পর্যন্ত এই ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকবে। এই নির্দেশ রাজ্য সরকারের স্বরাষ্ট্র এবং পার্বত্য বিষয়ক বিভাগের প্রধান সচিবের তরফ থেকে জারি করা হয়েছে। রাজ্যের প্রশাসনিক আধিকারিকরা ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, মূলত গুজব ছড়ানো এবং অবৈধ কার্যকলাপকে রুখতেই গতকাল অর্থাৎ ১৪ মার্চ থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী গতকাল দোলের দিন এই অশান্তি শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত প্রশাসন এই ঘটনার জেরে ২০ জনকে আটক করেছে বলেছে জানা গিয়েছে।

    কী বলা হল সরকারি নির্দেশিকায় (Birbhum News)

    সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, টেলিযোগাযোগ আইন ২০২৩-এর অধীনে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। মূলত দোলের দিন পাথর ছোড়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে বীরভূমের সাঁইথিয়ার (Sainthia) একাধিক এলাকা। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে এমন সংঘর্ষের কারণে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয় ওই অঞ্চলগুলিতে। বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রচুর পুলিশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই এলাকাগুলিতে প্রচুর পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    কোন কোন গ্রাম পঞ্চায়েত থাকছে এর আওতায়?

    পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং গুজব যাতে না ছড়ায় সেই উদ্দেশে এমন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। নির্দেশিকায় (Birbhum News) স্পষ্ট বলা হয়েছে, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকলেও ভয়েস কল এবং এসএমএস পরিষেবাগুলি স্বাভাবিক থাকবে। অর্থাৎ সাধারণ ফোন কল বা এসএমএস করতে পারবেন ওই অঞ্চলের মানুষজন। জানা গিয়েছে, সাঁইথিয়ার (Birbhum News) হাটোরা গ্রাম পঞ্চায়েত, মঠ পালসা গ্রাম পঞ্চায়েত, হরিসারা গ্রাম পঞ্চায়েত, দারিয়াপুর গ্রাম পঞ্চায়েত, এবং ফুলুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে।

  • Birbhum News: বীরভূমের স্কুলে পড়ুয়াদের মুখে রাম নাম, বাধা তৃণমূলপন্থী শিক্ষকের, প্রতিবাদ বিজেপির

    Birbhum News: বীরভূমের স্কুলে পড়ুয়াদের মুখে রাম নাম, বাধা তৃণমূলপন্থী শিক্ষকের, প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বুধবার ছিল বীরভূমের পুরন্দরপুর হাইস্কুলের নবীনবরণ উৎসব। আর সেখানেই পড়ুয়াদের মুখে রাম নামে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক শিক্ষকের (Birbhum News) বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, ওই শিক্ষক তৃণমূলপন্থী সংগঠনের নেতাও বটে। নিজেও সংবাদমাধ্যমের সামনে স্বীকার করেছেন যে অ্যাকাডেমিক বোর্ডের সেক্রেটারি তিনি। কেন রামের নামে আপত্তি? এ নিয়েই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া (মাধ্যম ভিডিও এর সত্যতা যাচাই করেনি) একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নবীনবরণে ছাত্ররা নিজেদের নাম বলার আগে ‘রাম-রাম’ ধ্বনি দিচ্ছে, কেউ বা বলছে ‘জয় শ্রী রাম’। ভিডিওতে তখনই তৃণমূলপন্থী শিক্ষক নেতা উঠে দাঁড়িয়ে বলছেন, ‘‘রাম নাম নেওয়া যাবে না। শুধু নিজের নাম বলতে হবে।’’ কেন রাম নাম নেওয়া যাবে না? এই প্রশ্ন তুলে ইতিমধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে গেরুয়া শিবির (Birbhum News)।

    কী বলছেন বিজেপি (BJP) নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?

    সংবাদ মাধ্যমকে রাজ্য বিজেপির নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বীরভূমে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। আমরা বুঝতে পারছি না পশ্চিম বাংলায় বাস করছি নাকি পশ্চিম বাংলাদেশে আছি!’’ এনিয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি পোস্টও (Birbhum News) করেছেন। নিজের ফেসবুক পোস্টে জগন্নাথবাবু লিখছেন, ‘‘বাংলায় বাঁচতে হলে নেওয়া যাবে না রামের নাম। দিন কয়েক আগে বীরভূমের পুরন্দরপুর হাইস্কুলে এই ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটেছে। স্কুলে সেদিন একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ ছিল। এই এলাকা সন্ত্রাসকবলিত। তার মধ্যেই নবাগত ছাত্ররা ভারতীয় সংস্কৃতি মেনে নিজের পরিচয় দেওয়ার আগে রাম-রাম বলছিল। হঠাৎ স্কুলের এক শিক্ষক ( তিনি শোনা যায় তৃণমূলের নেতা, বকলমে স্কুলটি চালান) ঘোষণা করেন, ছাত্ররা রামের নামে পরিচয় দিতে পারবে না। আমরা কি পশ্চিমবঙ্গে বাস করছি, নাকি রাজ্যটা পশ্চিম বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে।’’ নেটপাড়ায় ওই ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির কমেন্ট বক্সে ভেসে আসছে নানা মন্তব্য। জনৈক শিক্ষকের প্রতি একজনের মন্তব্য, ‘‘রামের নাম নেওয়া যাবে না তবে কি ভারত মুর্দাবাদ বলতে হবে!’’

    কী বলছেন ওই শিক্ষক?

    যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই তৃণমূলপন্থী শিক্ষক নেতার মতে, সেদিন কোনও ঘটনাই নাকি ঘটেনি। সংবাদমাধ্যমের (Birbhum News) কাছে তাঁর দাবি, জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে ছাত্রসমাজের মধ্যে নাকি বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে, তাই তিনি রামের নাম নিতে বাধা দিয়েছেন। ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, ‘‘বিদ্যালয়গুলিতে সরস্বতী পুজোর রীতি বহু পুরনো, তা সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে রয়েছে। তেমনই ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে রাম-রাম ধ্বনিতে একে অপরকে সম্বোধন করার রীতি রয়েছে। ছাত্র সমাজের মধ্যে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে, এই যুক্তিতে এবার কি সরস্বতী পুজোতেও বাধা দিতে দেখা যাবে এই শিক্ষককে?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কল আছে জল নেই! ভোটের প্রচারে গিয়ে ফের ক্ষোভের মুখে শতাব্দী রায়

    Birbhum: কল আছে জল নেই! ভোটের প্রচারে গিয়ে ফের ক্ষোভের মুখে শতাব্দী রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তা খারাপ, নেই জল! সাঁইথিয়ায় (saithiya) প্রচারে বেরিয়ে গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় (satabdi ray)। যদিও শতাব্দীর বক্তব্য, “কোথাও ক্ষোভ নেই। বীরভূমের (Birbhum) গ্রামবাসীরা শুধুমাত্র তাঁর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন।” ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী (Birbhum) 

    বীরভূমে (Birbhum) ভোটের প্রচারে বেরিয়ে কয়েকদিন যাবৎ যেখানেই যাচ্ছেন, গ্রামবাসীদের প্রচুর অভিযোগ শুনতে হচ্ছে শতাব্দী রায়কে। রাস্তা ও জল নিয়েই সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসছে তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভাগুলির দিকে। যেখানেই যাচ্ছেন শতাব্দীকে সামনে পেয়ে রীতিমতো অভিযোগের ডালা সাজিয়ে ধরছেন গ্রামবাসীরা। আবাসন প্রকল্পে ন্যায্য প্রাপকেরা বঞ্চিত হয়েছেন এই অভিযোগও এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জলের সমস্যার কথা বললেও এই সমস্যার সুরাহা হয়নি এলাকায়। বহু গ্রামে ইটের রাস্তা রয়েছে, নেই কোনও পাকা রাস্তা। যদিও এলাকাবাসীর অভিযোগকে মোটেই ক্ষোভ-বিক্ষোভ হিসেবে দেখছেন না শতাব্দী রায়। তাঁর দাবি, “প্রার্থীকে সামনে পেয়ে আবদার করেছেন মাত্র।” এমনকী যাঁরা সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করছিলেন তাঁদেরকে ধমক দিয়ে বসেন তৃণমূলের এই তারকা প্রার্থী।

    গানে প্রচার শতাব্দীর

    বীরভূমে এখন চাঁদিফাটা রোদুর। দাবদাহ উপেক্ষা করেই চলছে প্রচার। প্রচার জোরালো করতে “জিতব আমি, জিতব আমরা” গানটি লিখেছেন নিজেই। কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ইতিমধ্যে গানের শুটিং সেরে ফেলেছেন তিনবারের সাংসদ শতাব্দী। হুডখোলা জিপে চলছে সেই গানে তালে তালে প্রচার। তবে গানের একটি পংক্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক দানা বাঁধতে শুরু করেছে। গানের মধ্যে রয়েছে, “এই বাংলার মা বোনেরা মমতাকেই চায়। কেন না তারা সুখে আছে মমতার ভরসায়।”

    আরও পড়ুন: ‘রাম নবমী আটকানোর সমস্ত রকমের ষড়যন্ত্র করেছে তৃণমূল’, তোপ মোদির

    বিজেপির বক্তব্য

    বিরোধীদের অভিযোগ, মানুষের দয়ায় রাজনীতিবিদরা জয়ী হন। নিজের দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পান। রাজনীতিবিদের ভরসায় মানুষের দিন চলে এটা ঔদ্ধত্যের বহিঃপ্রকাশ। মনোবল তলানিতে নাকি ঔদ্ধত্যের বহিঃপ্রকাশ! বিজেপি প্রার্থী দেবাশীষ ধরের জবাব, “গান গেয়ে ভিডিও শুট করে মানুষের কাছে প্রচারে যেতে হচ্ছে এখন। কাজকর্ম ভালোভাবে করলে ভিডিও শুটিংয়ের দরকার পড়ত না। অহংকার বেড়ে গেলে মানুষ জবাব ভোট বাক্সে দিয়ে দেবে। বিজেপি মুখপাত্র রাজর্ষি লাহিড়ী বলেন, “যে কোনও সরকার মানুষের কাছ থেকে কর আদায় করে। তাঁর একটা অংশ জনগণের মধ্যে প্রকল্প রূপে ফিরিয়ে দেয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে প্রকল্প চালু করেছেন সেটাও জনগণের ট্যাক্সের টাকা। কোনও নেতা নিজের পকেট থেকে টাকা বের করে দিচ্ছে না। শতাব্দী হয়তো মনে করছেন তিনি বা তাঁর দলনেত্রী জনগণকে দয়া করেন।” উল্লেখ্য প্রচারের জন্য ভিডিও আগে কখনও করতে হয়নি শতাব্দীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: জেলা সভাপতি পদ থেকে সরানো হল অনুব্রতকে, বাড়ছে কাজল গোষ্ঠীর দাপট?

    Anubrata Mondal: জেলা সভাপতি পদ থেকে সরানো হল অনুব্রতকে, বাড়ছে কাজল গোষ্ঠীর দাপট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় জেলায় তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিবর্তন হল আজকে। একাধিক সংগঠনিক জেলায় দলের জেলা সভাপতি পদে বদল আনা হয়েছে। বীরভূমের ক্ষেত্রেও সরানো হল অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। তবে জেলা সভাপতি পদে ওই জেলায় অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। সভাপতি পদের জায়গায় লেখা রয়েছে ‘কোর কমিটি টু কমিটি’। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১২ অগাস্ট গ্রেফতার করা হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত এই নেতা বর্তমানে বন্দি রয়েছেন দিল্লির তিহাড় জেলে। গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মন্ডলের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলেরও। সুকন্যাও বর্তমানে বাবার (Anubrata Mondal) সঙ্গেই তিহাড় জেলে রয়েছেন। বীরভূম জেলায় দলের চেয়ারম্যান করা হয়েছে রাজ্যের মন্ত্রী আশীস বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    বীরভূমে বাড়ছে কাজল গোষ্ঠীর প্রভাব!

    আগামী বছরে রয়েছে লোকসভার ভোট। তার আগে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কমিটির রদ-বদলে কেষ্টর নাম না থাকা রাজনৈতিকভাবে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে। একটি অংশ মনে করছে গরু পাচার মামলার কেষ্ট লম্বা কারাবাস হতে চলেছে এটা ধরে নিয়েই তাঁকে সরানো হল। অন্যদিকে, আরেকটি অংশের মতে, কেষ্টর (Anubrata Mondal) হাত থেকে ক্ষমতার ভরকেন্দ্র সরে যাওয়ার ইঙ্গিত গত পঞ্চায়েত ভোটেই দেখা গিয়েছে। যখন তাঁর বিরোধী নেতা কাজল শেখকে দায়িত্ব আনা হয়। তাই বীরভূম জেলা সভাপতি পদ থেকে কেষ্টর (Anubrata Mondal) সরে যাওয়াতে অনেকে কাজল শেখেরও হাত দেখছেন।

    একাধিক জেলায় বদল সভাপতি পদে

    অন্যান্য বেশ কিছু জেলাতেও রদবদল সামনে এসেছে। যেমন বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি পদে সরানো হয়েছে আবু তাহের খানকে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন অপূর্ব সরকার। বাঁকুড়া সংগঠনেও বড়সড় রদ বদল এনেছে তৃণমূল। সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়েছে দিব্যেন্দু সিংহ মহাপাত্রকে, তাঁর বদলে এসেছেন অরূপ চক্রবর্তী। বিষ্ণুপুর সংগঠনিক জেলা সভাপতি পদে আনা হয়েছে বিক্রমজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। দার্জিলিং (পাহাড়) সাংগঠনিক জেলায় শান্তার ছেত্রীকে সভাপতি করেছে তৃণমূল। বসিরহাট সাংগঠনিক জেলায় চেয়ারপার্সন থেকে হাজি নুরুল ইসলামকে সভাপতি করা হয়েছে। সভাপতি থাকা সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়ারপার্সন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum News: বীরভূমে কোন্দল শাসক দলে, কাজল শেখ দায়িত্ব পেতেই ছাঁটাই কেষ্ট-ঘনিষ্ঠরা?

    Birbhum News: বীরভূমে কোন্দল শাসক দলে, কাজল শেখ দায়িত্ব পেতেই ছাঁটাই কেষ্ট-ঘনিষ্ঠরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমে তৃণমূল কংগ্রেসের গৃহযুদ্ধ চরম আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে জেলবন্দি রয়েছেন জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর অনুপস্থিতিতে জেলা পরিষদের সভাধিপতির দায়িত্বভার রাজ্য নেতৃত্ব দিয়েছে অনুব্রতর বিরোধী নেতা বলে পরিচিত কাজল শেখকে (Birbhum News)। এবার জেলা পরিষদের সভাধিপতির দায়িত্ব পাওয়া মাত্রই অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের ছাঁটতে শুরু করেছেন কাজল শেখ, এমনই অভিযোগ শোনা যাচ্ছে জেলা তৃণমূলের অন্দরে।

    প্রথমবার জিতেই জেলা সভাধিপতি কাজল শেখ

    বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ চৌধুরিকে সরিয়ে ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সভাধিপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় কাজল শেখকে (Birbhum News)। এবার জেলা পরিষদের কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ কর্মাধ্যক্ষদের সরানোর তোড়জোড় শুরু করেছেন কাজল শেখ, এমনই অভিযোগ অনুব্রত গোষ্ঠীর। এ নিয়ে তৃণমূলকে রীতিমতো কটাক্ষ করেছেন জেলা বিজেপির সভাপতি ধ্রুব সাহা। কাজল শেখ অবশ্য বলছেন, যে কাজ করবে সেই স্থান পাবে। পুরনোরা কি সারাজীবন থেকে যাবে? নতুনরা কি চান্স পাবে না? খুব স্বাভাবিকভাবে অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের সরানোর সিদ্ধান্ত যে সঠিক, তা আকারে-ইঙ্গিতে এভাবেই বুঝিয়ে দিচ্ছেন কাজল শেখ। জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদে ছিলেন অনুব্রত অনুগামী নারায়ন হালদার এবং রবি মুর্মু। তাঁরা নিজেরাই চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন যে তাঁরা পদে থাকতে চাইছেন না। পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে কাজল শেখ (Birbhum News) ইতিমধ্যে তাই নাম ঘোষণা করেছেন নুরুল ইসলামের।

    গোষ্ঠী কোন্দল জেলা তৃণমূলে (Birbhum News)

    বীরভূম তৃণমূলের অন্দরের এই কোন্দল অবশ্য জনগণের কাছেও ধামাচাপা থাকেনি। কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই বিভিন্ন কাট-আউটে দেখা যেত অনুব্রত মণ্ডলের ছবি। কিন্তু হাল আমলে অনুব্রতর ছবি বাদ গেছে। সর্বত্র দেখা যাচ্ছে কাজল শেখের ছবি। বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহার দাবি, ‘‘দাদার ভক্ত হবে না ভাইজানের ভক্ত হবে, এই লড়াই যত দিন যাবে, তত সামনে আসবে। শুধু এলোমেলো করে দে মা, লুটেপুটে খাই। এই ব্যবস্থাই চলছে (Birbhum News) তৃণমূলের।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Amartya Sen: জমি-বিবাদে অমর্ত্য সেনকে ‘চরমপত্র’! এবার কি তাহলে উচ্ছেদ অভিযানে নামতে চলেছে বিশ্বভারতী?

    Amartya Sen: জমি-বিবাদে অমর্ত্য সেনকে ‘চরমপত্র’! এবার কি তাহলে উচ্ছেদ অভিযানে নামতে চলেছে বিশ্বভারতী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতী বনাম নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) জমি-বিবাদ এবার মারাত্মক দিকে মোড় নিল। এতদিন বিষয়টি আলাপ-আলোচনা বা চিঠি-চালাচালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এখনও তাই-ই আছে। কিন্তু এবার বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ অমর্ত্য সেনকে যে নোটিশ পাঠিয়েছে, তার বিষয়বস্তু নিয়ে ব্যাপক জলঘোলা শুরু হয়েছে। অমর্ত্য সেনের আইনজীবী গোরাচাঁদ চক্রবর্তীকে ই-মেইল মারফত যে নোটিশ বিশ্বভারতীর রেজিস্ট্রার পাঠিয়েছেন, তাতে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ১৯ শে এপ্রিল ১৯৭১ সালের দখলদার উচ্ছেদ আইন অনুযায়ী ‘কড়া পদক্ষেপ’ নেবে কর্তৃপক্ষ। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি এবার সরাসরি উচ্ছেদ অভিযানে নামতে চলেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ? 

    কী নিয়ে উভয়পক্ষের এই বিবাদ?

    বিবাদের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অমর্ত্য সেনের লিজ নেওয়া জমি। অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) দাবি, জমির পরিমাণ ১.৩৮ একর। বিশ্বভারতীর বক্তব্য, জমির পরিমাণ আরও কম এবং সেটা হল ১.২৫ একর। বিশ্বভারতীর অভিযোগ, ওই বাড়তি জমি অমর্ত্য সেন জোর করে দখল করে রেখেছেন এবং তা ভোগদখল করছেন। তাই তা আসলে বিশ্বভারতীর নিজস্ব সম্পত্তি। অন্যদিকে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের দাবি, বিশ্বভারতী ঠিক কথা বলছে না। ওই জমি কিনেছিলেন তাঁর বাবা। সেই সংক্রান্ত কাগজপত্রও তাঁর কাছে রয়েছে। 

    কেন পরিস্থিতি জটিল দিকে মোড় নিল?

    বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৯ শে মার্চ এই বিষয়ে আলোচনার জন্য অমর্ত্য সেনকে (Amartya Sen) ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। কিন্তু তিনি আসতে পারেননি। আরও কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছিল তাঁর পক্ষ থেকে। বিশ্বভারতীর বক্তব্য, আইন মোতাবেক তাঁকে সাতদিনের বেশি সময় দেওয়া যায় না। যেখানে অমর্ত্য সেন চেয়েছিলেন আরও চার মাস সময়। নোটিশে একথাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ১৯ তারিখ চাইলে অমর্ত্য সেনের আইনজীবী হাজির থাকতে পারবেন, এমনকি তিনি চাইলে ই-মেইলে তাঁর বক্তব্য জানাতে পারেন।

    পুলিশ-প্রশাসন কী ব্যবস্থা নিচ্ছে?

    অমর্ত্য সেন (Amartya Sen) এখন রয়েছেন বিদেশে। তিনি আগামী ১৯ শে এপ্রিলের মধ্যে আসতে পারবেন, এমন সম্ভাবনাও নেই বলেই জানা গিয়েছে। তাই ‘প্রতীচী’ বাড়ি ঘিরে যে কোনও ধরনের গণ্ডগোল হতে পারে, এরকম একটা আশঙ্কা রয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে অমর্ত্য সেনের এই বাড়ি ঘিরে যাতে শান্তি বজায় থাকে, তা দেখতে স্থানীয় পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED Raid: কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী চন্দ্রনাথের বোলপুরের বাড়িতে ইডি হানা, বাড়ি ঘিরে রেখেছে বাহিনী

    ED Raid: কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী চন্দ্রনাথের বোলপুরের বাড়িতে ইডি হানা, বাড়ি ঘিরে রেখেছে বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকালে বোলপুরের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার বাড়িতে ইডির হানা (ED Raid)। সাত সকালেই ইডির তিনটি গাড়ি ঢোকে মন্ত্রীর নিচুপট্টির বাড়িতে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী চন্দ্রনাথের বাড়ি ঘিরে রয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই হানা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিভিন্ন মহল থেকে বিভিন্ন মত উঠে আসছে। তবে এটা নিশ্চিত যে নিয়োগ দুর্নীতি বা গরু পাচারের তদন্তেই এই ইডি হানা। প্রসঙ্গত, অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসাবেই জেলার রাজনীতিতে পরিচিত চন্দ্রনাথ সিনহা। অনুব্রত মণ্ডলের পাড়াতেই তাঁর বাড়ি।

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    অনুব্রত ঘনিষ্ঠ চন্দ্রনাথ 

    চন্দ্রনাথ সিনহা রাজ্যের ক্ষুদ্র এবং কুটির শিল্প মন্ত্রী রয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসেই দেখা গিয়েছিল, বোলপুরে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ির ঠিক পাশের তৃণমূলের কার্যালয়ে হানা দেয় ইডি (ED Raid)। একইসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল যে কালীপুজো করতেন, সেই প্রতিমার বিপুল গয়নার উৎস জানতে স্থানীয় ব্যাঙ্কেও যায় ইডির দল। এবার রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছল ইডির দল। যদিও স্থানীয়রা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে নিজের বাড়িতে নেই চন্দ্রনাথ। তিনি রয়েছেন তাঁর গ্রামের বাড়ি মুরারইতে। বোলপুরের বাড়িতে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী এবং দুই ছেলে।

    একাধিক জায়গায় ইডি হানা 

    উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে শুধু বোলপুর নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় অভিযানে নেমেছে ইডি। একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন ইডি (ED Raid) আধিকারিকেরা। জানা গিয়েছে, চেতলা, লেকটাউন-সহ মোট তিন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চলছে। সূত্রের খবর, চেতলায় পিয়ারীমোহন রায় রোডের বিশ্বরূপ বসু নামের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে এদিন হানা দেয় ইডি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি পরিবহণ সংক্রান্ত ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

    আরও পড়ুুন: “বাংলায়ও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি”, কাকে খোঁচা দিলেন সুকান্ত?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share