Tag: birbhum suri

birbhum suri

  • Bengali Sweet: শতবর্ষ পেরিয়েও সমান জনপ্রিয় সিউড়ির তাঁতিপাড়ার জিলিপি! লুকিয়ে কোন রহস্য?

    Bengali Sweet: শতবর্ষ পেরিয়েও সমান জনপ্রিয় সিউড়ির তাঁতিপাড়ার জিলিপি! লুকিয়ে কোন রহস্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে প্রায় অনেক জেলাতেই তাদের নিজস্ব জনপ্রিয় মিষ্টি (Bengali Sweet) আছে। যেমন বীরভূমের মোরব্বা, বর্ধমানের মিহিদানা, সীতাভোগ, বাঁকুড়ার মেচা সন্দেশ সহ আরও অনেক কিছু। কিন্তু অনেকেরই অজানা বীরভূমের মোরব্বা ছাড়াও আরও একটি মিষ্টি জনপ্রিয়। সেটি হল সিউড়ির তাঁতিপাড়ার বিউলির ডালের জিলিপি। যা কিনা ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জনপ্রিয়। তাই এই মিষ্টিটি সিউড়ির মোরব্বার পাশাপাশি নিজস্ব একটি ঐতিহ্য বহন করে। কিন্তু তা এখনও থেকে গিয়েছে অনেকের অজানা।

    তাঁতিপাড়ার জিলিপির ইতিহাস কী? কেন এটি জনপ্রিয়?

    প্রায় এক শতক পেরিয়ে গেলেও আজও এই জিলিপি তার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। বীরভূমের একটি স্বনামধন্য মুসলিম ধর্মীয় স্থান “পাথর চাপুরি”। এখানে দাতাবাবার উদ্দেশে যে মেলা অনুষ্ঠিত হয়, তা বর্তমানে সমগ্র দেশ এমনকী বিশ্ব জুড়ে আন্তর্জাতিক মর্যাদা পেয়েছে। এই মেলা থেকেই জনপ্রিয় হয় তাঁতিপাড়ার দে পরিবারের জিলিপি (Bengali Sweet)। এই পরিবারের বর্তমান প্রজন্ম ও বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য অমৃতলাল দে জানান, তাঁতিপাড়া থেকে খাঁকি বাবার মাধ্যমেই পাথর চাপুরির জন্য মিষ্টির দোকান ডেকে এনেছিলেন স্বয়ং দাতাবাবা। এই খাঁকি বাবা ছিলেন বীরভূমের বক্রেশ্বরের একজন সাধক। তিনি তাঁতিপাড়া থেকে জিলিপি নিয়ে দাতাবাবাকে উপহার দেন। দু’জনের মধ্যে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কও ছিল বলে জানা যায়। তার পর থেকেই দাতাবাবার আমন্ত্রণে পাথর চাপুরি মেলায় এই দে পরিবারের বিখ্যাত জিলিপির দোকান খোলা হয়। আর ধীরে ধীরে তা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রথম জিলিপি দাতাবাবাকে তুলে দিয়ে তারপরে মেলায় বেচাকেনা করত দে পরিবার। এখনও পর্যন্ত সেই রীতি চলে আসছে ১০০ বছর ধরে। প্রথমে দাতাবাবার মাজারে জিলিপি উৎসর্গ করে তবেই মেলাতে সাধারণের জন্য বিক্রি শুরু হয়।

    তাঁতিপাড়ার জিলিপি কতটা আলাদা?

    সাধারণত এই জিলিপি অন্যান্য জিলিপির থেকে অনেকটাই আলাদা। এই জিলিপি তৈরি হয় বিউলির ডাল আর চালগুঁড়ো সহযোগে। মেলাতে দোকান করার এক মাস আগে থেকে শুরু হয় প্রস্তুতি। প্রথমে বিউলির ডাল, আতপ চালের গুঁড়ো তৈরি করতে হয়। ডাল ও চাল যোগে তৈরি হয় এই অনন্য জিলিপি (Bengali Sweet), যা দূর দূরান্তের অনেক মানুষের পছন্দের খাবার। মেলা ছাড়াও বারো মাস পাওয়া যায় এই জিলিপি।

    কোথায় এই তাঁতিপাড়া?

    বীরভূম জেলার মধ্যে অবস্থিত সতীর একান্ন পিঠের অন্যতম পিঠ বক্রেশ্বর ধাম। এর কাছে অবস্থিত তাঁতিপাড়া। বীরভূমের সদর শহর সিউড়ি থেকে মাত্র ২০ কিমি দূরে বাস সহযোগে পৌঁছানো যায় এখানে। যেখানে সকাল সকাল এই বিউলির ডালের জিলিপির (Bengali Sweet) দেখা মেলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের, সিউড়ি পুরসভার কাউন্সিলার এবং চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতা

    TMC: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের, সিউড়ি পুরসভার কাউন্সিলার এবং চেয়ারম্যান পদ ছাড়লেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোষ্ঠী কোন্দলের পরিণতি যে কোন জায়গায় পৌঁছাতে পারে, তার বড় প্রমাণ হয়ে দাঁড়াল সিউড়ি পুরসভা। রাজ্যে যেখানে পঞ্চায়েতের সামান্য তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা হাওয়ায় উড়েছে, সেখানে এই পুরসভার যাবতীয় ‘মায়া’ ত্যাগ করলেন তৃণমূলের (TMC) চেয়ারম্যান। শুধু চেয়ারম্যান পদই নয়, একই সঙ্গে কাউন্সিলার পদও ছেড়ে দিলেন এই পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রতিনিধি প্রণব কর ওরফে অঞ্জন কর। গত পুরসভা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি জয়লাভ করেছিলেন। তারপরেই অনুব্রত মণ্ডলের কাছের লোক হওয়ার সুবিধা নিয়ে তিনি চেয়ারম্যান পদে বিবেচিত হন। তারপর থেকে বিভিন্ন সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। অনুব্রত মণ্ডলের হাত মাথার ওপরে থাকার জন্য কেউ তাঁর টিকি স্পর্শ করতে পারেনি। কিন্তু বর্তমানে অনুব্রত মণ্ডল না থাকার কারণে তাঁকে পদত্যাগপত্র দিতে একপ্রকার বাধ্য করলেন অন্যান্য কাউন্সিলররা, এমনই ধারণা রাজনৈতিক মহলে।

    কেন স্বেচ্ছায় অবসর? গুঞ্জন এলাকায়

    দুর্নীতি নিয়ে বারবার বীরভূমের সিউড়ি পুরসভার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার টিকিট পাওয়ার জন্য রাজ্য নেতৃত্বের (TMC) কাছেও অনেকে দরবার করেছেন। কিন্তু এবারের ঘটনা ঠিক তার উল্টো। সোমবার এসডিওর কাছে তাঁর চেয়ারম্যান পদ এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলার দুটি পদ থেকেই ইস্তফাপত্র তুলে দেন প্রণব কর। অনেকেই বলছেন, পঞ্চায়েতের মধুভাণ্ড নিয়ে যখন রাজ্য জুড়ে কাড়াকাড়ি চলছে, দলের লোকই সহকর্মীকে খুন করছে, সেখানে এমন উলট-পুরাণ কেন? এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে লিখিতভাবে দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিলেন ১৩ জন কাউন্সিলার। ফলে বোঝাই যায়, স্বেচ্ছায় নয়, দলেরই একাংশের চাপে তাঁর এই ‘স্বেচ্ছাবসর’।

    কী বললেন বিদায়ী চেয়ারম্যান (TMC)?

    এই বিষয়ে অঞ্জন কর (TMC) জানিয়েছেন পারিবারিক এবং শারীরিক সমস্যার কথা। এছাড়া তিনি বলেছেন পুরসভার আর্থিক সমস্যার কথাও। তাঁর পদত্যাগপত্র এসডিও গ্রহণ করেছেন বলেও সুত্র মারফত জানা যাচ্ছে। সিউড়ি পুরসভার ইতিহাসে একসঙ্গে দুটি পদ যথা চেয়ারম্যান এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলয়ার থেকে পদত্যাগ করার ঘটনা এই প্রথম।

    তাঁর শেষ কথাটিও ইঙ্গিতপূর্ণ। অনুব্রত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনুব্রত মণ্ডল অনুব্রত মণ্ডলই। ওর বিকল্প কেউ হয় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share