Tag: Birbhum

Birbhum

  • Visva Bharati: প্রাক্তন উপাচার্যের বাড়িতে ঢুকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ, করা হল ভিডিও

    Visva Bharati: প্রাক্তন উপাচার্যের বাড়িতে ঢুকে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ, করা হল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলায় দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে বীরভূম জেলার পুলিশ। এদিন প্রাক্তন উপাচার্যের বাড়তিতে ঢুকেই পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় করা হয়েছে ভিডিও রেকর্ডিং এবং পুরো প্রক্রিয়াকে লিখিত আকারে নেওয়া হয়েছে। শেষে প্রাক্তন উপাচার্যকে দিয়ে সইও করানো হয় বলে জানা গিয়েছে।

    রাজ্য সরকারের সঙ্গে সংঘাত (Visva Bharati)

    বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রাক্তন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী নিজের কার্যকালে একাধিক বিষয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে গিয়েছিলেন। শাসক দলের নেতারা ক্যাম্পাসে দৌরাত্ম্য চালায়। তৃণমূলের নেতাদের অবৈধভাবে জায়গা দখল, পৌষমেলা বন্ধ, মেলার মাঠে বেআইনি দখল, বসন্ত উৎসবের নামে অপসংস্কৃতি থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসে দেওয়াল দেওয়া ইত্যাদি নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সর্বোপরি অমর্ত্য সেনের জমি দখলকে ঘিরে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সংঘাতে গিয়েছিলেন তিনি। ফলে শাসক দল, পুলিশকে দিয়ে প্রাক্তন উপাচার্যের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক স্বার্থে প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে বলে মনে করছে অনেকেই।

    ফলক বিতর্ক

    বিদ্যুৎ চক্রবর্তী উপাচার্য থাকার সময় ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সম্মান পাবার পর থেকেই বিশ্বভারতী (Visva Bharati) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পসের একাধিক জায়গায় ফলক লাগানো হয়। আর তা থেকে শুরু হয়েছিল তুমুল বিতর্ক। বিতর্কের কারণ ছিল ফলকে উপাচার্য হিসাবে বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, আচার্য হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর নাম ছিল। ছিল না রবীন্দ্রনাথের নাম। আর নাম না থাকার কারণে বিভিন্ন মহলে প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল।

    নোটিশ পাঠিয়েছিলেন শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সদস্য

    এই ফলক বিতর্কের জন্যই বিশ্বভারতীর (Visva Bharati) প্রাক্তন উপাচার্যকে নোটিশ পাঠিয়েছিল পুলিশ। সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নোটিশে মূল অভিযোগ করেছিলেন শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার। গত ১৪ নবভেম্বর বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে শান্তিনিকেতন থানায় হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই ফলকে নাম নিয়ে রাজ্যের রাজ্যাপাল সিভি আনন্দ বোসও তৎকালীন উপাচার্যের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছিলেন। যদিও ইতিমধ্যেই বিশ্বভারতীর ফলক পরিবর্তনের জন্য নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। গঠন করা হয়েছে চার সদস্যের একটি কমিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কেষ্টহীন বীরভূমে প্রশ্নের মুখে এবার তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী

    Anubrata Mondal: কেষ্টহীন বীরভূমে প্রশ্নের মুখে এবার তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর পর বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন সব রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কমবেশি করা হয়। ক্ষমতায় আসার পর থেকে তৃণমূল এই কর্মসূচি ঘটা করেই পালন করে। আর তৃণমূলের বীরভূম জেলার ‘বেতাজ বাদশা’ অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) তাঁর খাসতালুকে বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করতেন জাঁকজমক করে। কেষ্ট হীন বীরভূমে এবার দুর্গাপুজোর পর কালীপুজো পেরিয়ে গেলেও তৃণমূল বিজয়া সম্মিলনীক আয়োজন করতে পারল না বলে দলের অন্দরেই গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

    গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহ ভাড়া করে হত কেষ্ট-র বিজয়া সম্মিলনী (Anubrata Mondal)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) প্রতি বছর বোলপুরের গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহ ভাড়া করে বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করতেন। জেলার সাংসদ, বিধায়ক, ব্লক সভাপতি, জেলাপরিষদের কর্মাধ্যক্ষ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহসভাপতি, প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং দলের শাখা সংগঠনের নেতারা থাকতেনই। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ থাকলেও জেলা স্তরে এখনও বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করতে পারেননি বর্তমান জেলা নেতৃত্ব। কবে হবে সেই আয়োজন, স্পষ্ট নয় সেটাও। দলের কর্মীদের একাংশের দাবি, এর থেকেই পরিষ্কার, অনুব্রত এক বছরের বেশি সময় ধরে না-থাকলেও এখনও দলের ‘ছন্নছাড়া’ ভাবটা কাটেনি। কেষ্ট অনুগামী এক তৃণমূল নেতা বলেন, কেষ্টদা থাকলে এসব ভাবা যেত না। গতবারও বিজয়া সম্মিলনী হয়েছিল সুন্দরভাবে। এবার সেটা হল না। এমনিতেই তিহার জেলে কেষ্ট থাকার পরও দল এতদিন তাঁর উপর আস্থা রেখেছিলেন। কিন্ত, এবার জেলা সভাপতি ও চেয়ারম্যানেদের নামের যে তালিকা দলের পক্ষ থেকে প্রকাশিত হয়েছে, তাতে অনুব্রত মণ্ডলের নাম নেই। ফলে, তাঁকে ছেঁটে ফেলা হল বলেই মনে করছেন অনুব্রতের অনুগামীরা। জানা গিয়েছে, শুধু বিজয়া সম্মিলনী নয়, নিজেদের মধ্যে সমন্বয়, বোঝাপড়ার অভাব, জেলার বিভিন্ন সাংগঠনিক সমস্যা নিয়ে আলোচনাও বকেয়া। সেই জন্য আগামী ২৩ নভেম্বর বৈঠক হতে পারে কোর কমিটির। তার পরেই সিদ্ধান্ত সামনে আসার সম্ভাবনা।

    জেলা তৃণমূলের এক নেতার কী বক্তব্য?

    জেলা তৃণমূলের কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী  বলেন, অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) থাকাকালীন বিজয়া সম্মিলনী জেলা স্তরেই সীমাবদ্ধ ছিল। এবার সেটা ব্লক ও অঞ্চল স্তরে নামানো হয়েছে। সেইজন্য দেরি হচ্ছে। আমরা শীঘ্রই বৈঠক করে এ ব্যাপারে দিনক্ষণ চূড়ান্ত করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: সোমবারও তারাপীঠে ব্যাপক ভিড়, রেকর্ড ভক্ত সমাগম নৈহাটির বড়মার মন্দিরে

    Kali Puja 2023: সোমবারও তারাপীঠে ব্যাপক ভিড়, রেকর্ড ভক্ত সমাগম নৈহাটির বড়মার মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর (Kali Puja 2023) দিন সোমবারও শক্তিপীঠ তারাপীঠে ব্যাপক ভক্তের ভিড়ের চিত্র দেখা গেল। সতীর একান্নপীঠের মধ্যে একটি হল এই তারাপীঠ। সাধক বামাক্ষ্যাপার সাধনার কেন্দ্র ছিল এই তারা মায়ের মন্দির। মা তারা এদিন শ্যামা রূপে পূজিত হলেন।

    অপর দিকে বঙ্গে কালীপুজোর বড় আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকে নৈহাটির বড় মায়ের কালীপুজো। এই বছর রেকর্ড ভক্তের সমাগম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই বছর বড় মায়ের কালীপুজো শতবর্ষে পদার্পণ করেছে। লাখ লাখ মানুষ দর্শন করে পুজো দিলেন। পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি, বড় মা এখন শুধু নৈহাটির মা কালী নন সারা বিশ্বের জননী।

    তারা রূপে শ্যামা মায়ের পুজো (Kali Puja 2023)

    কালীপুজোর (Kali Puja 2023) দিনে ভোর ৫টা থেকে তারাপীঠে মায়ের মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়। এখানে মায়ের আরাধনা করা হয় তন্ত্রমতে। কথিত আছে দেবীর মাতৃরূপ দেখতে চেয়েছিলেন বশিষ্ঠ মুনি। মা তারা মাতৃ রূপে দর্শন দিয়েছিলেন তাঁকে। এখানেই তপস্যা করে সিদ্ধপুরুষ হন সাধক বামাক্ষ্যাপা। পুজোতে তারা মাকে নিবেদন করে এদিন পোড়া শোলমাছের মাথা দিয়ে অন্নভোগ দেওয়া হয়। এদিন নিয়ম মেনে দেওয়া হয় মাকে শীতল ভোগও। মঙ্গলারতি, সন্ধ্যারতির সময় মায়ের পুজো করতে ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

    নৈহাটির বড় মায়ের কালীপুজো

    শ্যামাপুজোর (Kali Puja 2023) মূল আকর্ষণের কেন্দ্র হল নৈহাটির অরবিন্দ রোডের বড়মা কালী। এই পুজো জেলার কালীপুজোর পরিধি অতিক্রম করে রাজ্য, দেশ এবং বিশ্বের বড় মা হিসাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এই কালীর মাহাত্ম্য এমনই যে মানত করলে মা ভক্তদের মনের বাসনা পূরণ করেন। মায়ের পুজো দিলে ভক্তরা খালি হাতে কেউ বাড়ি ফেরেন না। এই বারের মূর্তি হয়েছে উচ্চতায় ২২ ফুট। উপচে পড়েছে ভক্তদের ভিড়। রীতিমতো ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে পুলিশ প্রশাসনকে। নবদ্বীপের রাস মেলায় গিয়ে বড় মূর্তি দেখার পর জুটমিলের কর্মী ভবেশ চক্রবর্তী বড় মায়ের কালী পুজোর প্রচলন শুরু করেছিলেন। মায়ের পুজো দিতে লক্ষাধিক মানুষ দণ্ডি কেটে পুজো দেন বলে জানা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ‘কেষ্ট’ বিহনে উধাও জাঁকজমক, সোনার বদলে মায়ের গায়ে ইমিটেশনের গয়না!

    Anubrata Mondal: ‘কেষ্ট’ বিহনে উধাও জাঁকজমক, সোনার বদলে মায়ের গায়ে ইমিটেশনের গয়না!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম জেলার বেতাজ বাদশা ছিলেন তিনি (Anubrata Mondal)। ফলে তাঁর কালীপুজোয় যে কেমন জাঁকজমক হবে, তা বলাই বাহুল্য। বাস্তবে হতও তাই। আসলে পুজোটা হত বীরভূমে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে। কিন্তু জেলার লোক জানতেন, এই পুজোর সর্বেসর্বা একজনই, তিনি আর কেউ নন, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, মানে ‘কেষ্টদা’। শোনা যায়, প্রায় ৩০০ ভরি সোনার গয়না দিয়ে সাজানো হত মাকে। এমনকি ২০২১ সালে নাকি মায়ের গায়ে উঠেছিল ৫৬০ ভরি সোনার গয়না, যার বাজারমূল্য ছিল আড়াই কোটি টাকার মতো। পুজোর জাঁকজমকও ছিল দেখার মতো। শুধুমাত্র মায়ের সাজ দেখতেই দলে দলে মানুষ ভিড় জমাতেন এই পুজোয়।

    গরু পাচার কাণ্ডে তিনি এখন তিহার জেলে বন্দি। স্বাভাবিকভাবে কেষ্টহীন অবস্থায় এবার পুজোয় কেমন আড়ম্বর হবে, তা নিয়ে জেলার রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা ছিল। দেখা গেল, কেষ্ট নেই, জাঁকজমকও নেই। সবচেয়ে বড় কথা, সোনার বদলে মায়ের গায়ে উঠেছে ইমিটেশনের গয়না!

    অনুব্রতর সময় কেমন ছিল পুজো(Anubrata Mondal)

    তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, আশির দশকের শেষের দিকে কেষ্টর (Anubrata Mondal) হাত ধরে এই পুজো শুরু হয়। তবে, তখন খুব বেশি জাঁকজমক হত না। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পুজোর আড়ম্বর ক্রমশ বাড়তে শুরু করে। যদি দিন গিয়েছে, জেলা তথা রাজ্য রাজনীতিতে কেষ্টর জমি ততই শক্ত হয়েছে। আর ফি বছর মায়ের পুজোর জাঁকজমক তত বেড়েছে। ২০২০ সালে মাকে সোনার মুকুট, বাউটি, বাজুবন্ধন, কানের দুল, গলার হার, হাতের আংটি, কোমর বিছে মিলিয়ে প্রায় ৩০০ ভরির বেশি সোনার গয়নায় সাজানো হয়েছিল। গত বছর গরু পাচার মামলায় অনুব্রত সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায়। এবারও আর পুজোতে তিনি থাকতে পারবেন না। ফলে, পুজোর সেই আড়ম্বরও এবার অনেকটাই ম্লান। দলীয় কার্যালয়ে থাকা মা কালীর বিপুল পরিমাণ গয়নাও তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই গয়না দিয়েছিলেন যে ব্যবসায়ী, তাঁকেও আগে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।

    কী বলছেন তৃণমূলের নেতারা?

    তৃণমূল নেতারা বলছেন, এবার মায়ের গায়ে দু-একটা সোনার গয়না থাকবে, বাকিটা ইমিটেশন। তাঁরা স্বীকার করছেন, তাঁদের দাদা (Anubrata Mondal) থাকলে পুজোয় যে আমেজ থাকত, দাদাবিহীন পুজোয় তা নেই। তাছাড়া ওই সব সোনার গয়না দাদা নাকি নিজে হাতে মাকে পরিয়ে দিতেন। তাই নাকি এবার গয়নায় কাটছাঁট। তাঁরা এও বলছেন, সবার মনও নাকি ভালো নেই। যদিও বিরোধীরা আড়ালে বলতে ছাড়ছেন না, আসলে এবারও যদি মায়ের গায়ে ওই বিপুল সোনার গয়না ওঠে, তাহলে তা তদন্তকারী সংস্থার নজর এড়াবে না। সেই গয়নারও খোঁজখবর শুরু হয়ে যাবে। আরও জোরদার হবে প্রভাবশালী তত্ত্ব। অগত্যা…

    বীরভূম জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় একটি সংবাদ মাধ্যমে দাবি করেছেন, এবার মা কালীকে তাঁরা প্রায় ৭০ ভরি সোনার গয়না পরিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: সিদ্ধপীঠ তারাপীঠে শুরু হয়েছে মা তারার অঙ্গে শ্যামার আরাধনা, ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    Tarapith: সিদ্ধপীঠ তারাপীঠে শুরু হয়েছে মা তারার অঙ্গে শ্যামার আরাধনা, ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ কালীপুজো। সিদ্ধপীঠ তারাপীঠে (Tarapith) চলছে তারার অঙ্গে শ্যামার আরাধনা। সেই পুজো দেখতে পুণ্যার্থীদের ভিড় জমেছে তারাপীঠে। আজ দুপুর ২ টো ৩৪ মিনিটে শুরু হবে অমাবস্যার তিথি। অমাবস্যা তিথি শুরু হতেই মা তারাকে পুজো দেওয়ার হিড়িক শুরু হবে। তারই প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে। সেইসঙ্গে দক্ষিণা কালী রূপে পূজিত হন নলহাটিতে মা নলাটেশ্বরী।

    তারা মায়ের অঙ্গে শ্যামাপুজো (Tarapith)

    আজ ভোর চারটের সময় তারাপীঠের (Tarapith) মা তারার শিলামূর্তিকে মহাস্নান করানো হয়েছে। তারপর মা তারাকে রাজবেশে সাজিয়ে মঙ্গলারতি করা হয়েছে। তারপরেই ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। ভোর থেকে মা তারাকে শ্যামা রূপে পুজো করা হচ্ছে। তারাপীঠে মা তারা সব দেবীর উর্ধ্বে। তাই তারাপীঠে কোনও দেবী মূর্তি পুজোর চল নেই। সেই কারণেই মা তারার অঙ্গে শ্যামা পুজো করা হচ্ছে।

    আজ সারা রাত মায়ের গর্ভগৃহ খোলা

    মা তারাকে (Tarapith) দুপুরে ভাত, পোলাও, ডাল, পাঁচ রকম ভাজা, পাঁচ রকম তরকারি, মাছ, বলির পাঁঠার মাংস, শোল মাছ পোড়া, চাটনি, পায়েস, পাঁচ রকম মিষ্টি ও কারণবারি দিয়ে মা তারাকে মধ্যাহ্ন ভোগ নিবেদন করা হবে। সন্ধ্যা ছ’টা নাগাদ করা হবে সন্ধ্যা আরতি। তারপর খই, মুড়কি, লুচি ও মিষ্টি দিয়ে শীতল ভোগ নিবেদন করা হবে। রাত্রি ১০ টা নাগাদ মা তারাকে স্বর্ণ অলঙ্কার ও ডাকের সাজে রাজ রাজেশ্বরী বেশে সাজানো হবে। তারপর শুরু হবে নিশি পুজো এবং বিশেষ আরতি। আজ সারারাত মন্দিরের গর্ভগৃহের দরজা খোলা থাকবে।

    নলাটেশ্বরী মন্দিরেও ব্যাপক ভক্ত সমাগম

    তারাপীঠের (Tarapith) সতীর একান্নপীঠের মতো অন্যতম এক সতীপীঠ বীরভূমের নলহাটির নলাটেশ্বরী। কথিত আছে দক্ষ যজ্ঞের সময় সতীর দেহ খণ্ডিত হয়ে এই নলহাটিতে সতীর কণ্ঠনালী পড়েছিল। তাই দেবীকে এখানে নলাটেশ্বরী রূপে পুজো করা হয়। আজ দীপান্বিতা অমাবস্যা। এই দিনটিতে নলাটেশ্বরী মন্দিরে উপচে পড়েছে পুণ্যার্থীদের ভিড়। ভোর চারটের সময় মঙ্গল আরতির পর মন্দিরের গর্ভগৃহের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। দিনভর পুজো দেওয়ার পর দুপুরে মা নলাটেশ্বরীকে অন্নভোগ নিবেদন করা হবে। ভোগে থাকবে অন্ন, পোলাও, ডাল, পাঁচ রকম ভাজা, পাঁচ রকম তরকারি, মাছ, বলির পাঁঠার মাংস, চাটনী, পায়েস ও পাঁচ রকমের মিষ্টি। তবে এই ভোগ নিবেদন করা হয় সবার চোখের অন্তরালে। আজ দুপুর আড়াইটে নাগাদ অমাবস্যার তিথি শুরু হওয়ার পর দেবী নলাটেশ্বরীকে ডাকের সাজে সাজানো হবে। তারপর সন্ধ্যায় হবে সন্ধ্যা আরতি। রাত দশটায় নিশিরাতে নলাটেশ্বরীকে দক্ষিণা কালী রূপে পুজো করা হবে। আজ সারারাত মন্দিরের দরজা খোলা থাকবে। ইতিমধ্যেই ভক্ত সমাগমে পরিপূর্ণ সতীর এই পীঠ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ৩০০ ভরি সোনার গয়নায় কালীমাকে সাজিয়েছিলেন কেষ্ট, এবার কী হবে?

    Anubrata Mondal: ৩০০ ভরি সোনার গয়নায় কালীমাকে সাজিয়েছিলেন কেষ্ট, এবার কী হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় বীরভূম জেলার শেষ কথা ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। গরু পাচার কাণ্ডে তিনি এখন তিহার জেলে রয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে কেষ্টহীন অবস্থায় এবারও পুজো হবে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে। আর কেষ্ট ছাড়া এবার পুজোয় কেমন আড়ম্বর হবে, তা নিয়ে জেলার রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    অনুব্রতর সময় পুজোর আয়োজন কেমন হত? (Anubrata Mondal)

    তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, আশির দশকের শেষের দিকে কেষ্টর (Anubrata Mondal) হাত ধরে এই পুজো শুরু হয়। তবে, তখন খুব বেশি জাঁকজমক হত না। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পুজোর আড়ম্বর ক্রমশ বাড়তে শুরু করে। যদি দিন গিয়েছে, জেলা তথা রাজ্য রাজনীতিতে কেষ্টর জমি ততই শক্ত হয়েছে। আর ফি বছর মায়ের পুজোর জাঁকজমক তত বেড়েছে। ২০২০ সালে মাকে সোনার মুকুট, বাউটি, বাজুবন্ধন, কানের দুল, গলার হার, হাতের আংটি, কোমর বিছে মিলিয়ে প্রায় ৩০০ ভরির বেশি সোনার গয়নায় সাজানো হয়েছিল। গত বছর গরু পাচার মামলায় অনুব্রত সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায়। এবারও আর পুজোতে তিনি থাকতে পারবেন না। ফলে, পুজোর সেই আড়ম্বরও এবার অনেকটাই ম্লান। দলীয় কার্যালয়ে থাকা মা কালীর বিপুল পরিমাণ গয়নাও তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। সেই গয়না দিয়েছিলেন যে ব্যবসায়ী, তাঁকেও আগে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলার সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, কেষ্টদা (Anubrata Mondal) এবার পুজোয় থাকবেন আমরা সকলেই আশা করেছিলাম। কিন্তু, সেটা তো হল না। খারাপ লাগছে। নিয়ম মেনে পুজোর আয়োজন করা হবে। প্রশ্নে তাঁর জবাব, অন্তরের শ্রদ্ধাই বড় কথা, কতটা গয়না দেবীকে পরানো হল, বড় কথা নয়। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর যেটুকু গয়না পরানো হয়েছিল, এ বছর তার থেকেও কম অলঙ্কারে সাজানো হবে কালীকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “ভোট চাইতে এলে বিজেপি কর্মীদের গাছে বেঁধে রাখুন” তৃণমূল নেতার হুমকিতে তীব্র বিতর্ক

    Birbhum: “ভোট চাইতে এলে বিজেপি কর্মীদের গাছে বেঁধে রাখুন” তৃণমূল নেতার হুমকিতে তীব্র বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট চাইতে এলে বিজেপি কর্মীদেরকে গাছে বেঁধে রাখার নিদান দিলেন তৃণমূলের নেতা। বীরভূমের (Birbhum) রূপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজয়া সম্মেলনের আয়োজন হয়েছিল। আর এই সম্মেলনের সভা থেকে বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লকের নেতা বাবু দাস হুমকি দিয়ে বলেন, “সামনে লোকসভার ভোট। তাই এবার বিজেপি ভোট চাইলে গাছে বেঁধে রাখবেন।” এই মন্তব্যে জেলায় তীব্র শোরগোল পড়েছে। রাজ্যে শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীদের হুমকির ঘটনা নতুন কিছু নয়। গত ২০২১ সালের বিধানসভা এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল রাজ্য জুড়ে। ফলে বিজেপিকে হুমকির ঘটনায় আরও একবার কাঠগড়ায় উঠল তৃণমূল।

    তৃণমূলের বক্তব্য (Birbhum)

    বিজেপিকে হুমকি দিয়ে তৃণমূল নেতা বাবু দাস (Birbhum) বলেন, “মাত্র হাতে গোনা কয়েকমাস পরেই লোকসভার নির্বাচন। সকল দলের নেতারা ভোট চাইতে আসবেন। বুথের সমস্ত কর্মীদের বলে দিচ্ছি, বিজেপি যদি ভোট চাইতে আসে তাহলে তাঁদের গাছে বেঁধে রাখবেন। গাছে দড়ি দিয়ে বেঁধে ১০০ দিনের টাকার হিসাব চাইবেন। বাংলাকে কেন বঞ্চনা করা হচ্ছে জানতে চাইবেন।”

    আর কী বলেন?

    কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কথা বলে কার্যত বিজেপি কর্মীদের আতঙ্কিত করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। তবে বোলপুর- শ্রীনিকেতন ব্লকের (Birbhum) নেতা বাবু দাস নিজের বক্তব্যে স্থির থেকে বলেন, “কে কীভাবে নিচ্ছে আমি জানিনা। বিজেপি যদি একে হুমকি হিসাবে নেয় তাহলে মন্তব্যের বিশ্লেষণ ভুল করা হবে। এলাকায় ভোট চাইতে গেলে ১০০ দিনের কাজের টাকা দিতে হবে। কাজ করাবে অথচ টাকা দেবেনা এমন টা চলতে পারেনা।”

    বিজেপির বক্তব্য

    এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বীরভূম (Birbhum) জেলার বিজেপি সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, “তৃণমূল দলের এটাই সংস্কৃতি। তৃণমূল কু কথা না বললে, ভোটে জয়ী হতে পারে না তাই ওঁদের কু কথা বলতেই হয়। সমানে লোকসভার ভোট তাই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এই মন্তব্যকে আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য! ভেঙে পড়তে পারে দুই রাজ্যের সংযোগকারী সেতু, হুঁশ নেই প্রশাসনের

    Birbhum: বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য! ভেঙে পড়তে পারে দুই রাজ্যের সংযোগকারী সেতু, হুঁশ নেই প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞাকে তোয়াক্কা না করেই বীরভূম (Birbhum) জেলায় ঝাড়খন্ড লাগোয়া সেতুর কাছেই নদী থেকে অবাধে চলছে বালি উত্তোলন। ফলে, ফাঁকা হয়ে গিয়েছে সেতুর পিলারের নিচের অংশ। পিলারের তলা থেকে বালি ও মাটি সরে যাওয়ায় বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে বাংলা ও ঝাড়খন্ডের সংযোগকারী সেতু। সেতুটি ভেঙ্গে পড়লে সমস্যায় পড়বেন পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খন্ডের বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। এলাকার বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে যেকোনও সময় সেতুটি ভেঙ্গে পড়ার আতঙ্কে রয়েছেন তাঁরা।

    প্রতিদিন নদী থেকে কত গাড়ি বালি তোলা হয়? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাট থানার নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শালবুনি গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে ব্রাহ্মনী নদী। নদীর ওপারে ঝাড়খন্ডের পাকুড় জেলার পাখুড়িয়া থানার বেড়াশিমপুর গ্রাম। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ঝাড়খন্ডের যোগাযোগ করার জন্য ব্রাহ্মনী নদীর উপর গড়ে তোলা হয়েছে ব্রাহ্মনী সেতু। সেতু নির্মাণের সময় থেকেই দুই রাজ্যের প্রশাসন পক্ষ থেকে সেতুর দুই পাশে পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নদী বক্ষ থেকে বালি ও মাটি তোলার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিন্তু, সেই নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে অবাধে চলছে বালি উত্তোলন। এলাকাবাসীদের দাবী প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক হাজার থেকে ১২০০ ট্রাক্টর বালি তোলে মাফিয়ারা। ব্রাহ্মনী নদীর সেই বালি পাচার হচ্ছে রামপুরহাটের বিভিন্ন এলাকায়। দিনের বেলায় প্রকাশ্য দিবালোকে বালি মাফিয়াদের রমরমা থাকলেও রাতের অন্ধকারে তাদের দাপট আরও বেড়ে যায়। বড় বড় ডাম্পারে করে রামপুরহাট থানার শালবুনী থেকে নারায়ণপুর গ্রামের রাস্তা দিয়ে বালি বোঝায় গাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সেতুর কাছে থেকে বালি তুলতে বারণ করলেও আমাদের কথায় আমল দেয় না বালি মাফিয়ারা। উল্টে তাদের রক্তচক্ষুর শিকার হতে হয়। এরাজ্যের বালি মাফিয়াদের এতটাই দাপট যে তারা ঝাড়খন্ডের পুলিশের উপরেও চড়াও হতে পিছু পা হয় না। সেতুর কাছ থেকে বালি তোলা রুখতে আসা ঝাড়খন্ডের পাখুরীয়া থানার ওসির উপরেও বীরভূমের (Birbhum) শালবুনী এলাকার বালি মাফিয়ারা চড়াও হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকে বালি মাফিয়াদের দাপটে মুখ বুজে থাকতে হয় আমাদের। তাছাড়া মাফিয়াদের পিছনে শাসকদলের মদত রয়েছে। ফলে, জেলার পুলিশও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ভয় পায়। আমাদের দাবি, দুই রাজ্যের প্রশাসন যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন বন্ধ করে সেতুটিকে রক্ষা করুক।

    স্থানীয় বিধায়ক কী বললেন?

    স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক তথা ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নদী থেকে বালি তোলার বিষয়টি  আমি জানি। এটা বন্ধ হওয়া দরকার। নাহলে সেতুর ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সব স্তরে জানাব। প্রয়োজনে সেচমন্ত্রীকে বলব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ‘বীরভূম জেলায় জোড়া ফুল ছাড়া অন্য কিছু থাকবে না’, ফের কেষ্ট ঢঙে হুঙ্কার কাজলের

    Birbhum: ‘বীরভূম জেলায় জোড়া ফুল ছাড়া অন্য কিছু থাকবে না’, ফের কেষ্ট ঢঙে হুঙ্কার কাজলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার কাণ্ডে তিহারে রয়েছেন। জেলায় তাঁর অনুগামীরা কার্যত কোণঠাসা। কেষ্ট বিরোধী হিসেবে পরিচিত কাজল সেখ এখন জেলায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু, কেষ্ট কালচার থেকে এখনও বের হত পারল না জেলার নেতারা। জেলা থেকে ব্লক স্তর পর্যন্ত সকলের মুখে কেষ্টর ফাটা ক্যাসেট বাজছে। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। বীরভূমের বেতাজ বাদশার ডায়লগ ব্যবহার করেই কর্মীদের চাঙা করতে চাইছে এই জেলার শাসক দলের নেতারা। এমনই মত রাজনৈতিক মহলের। তাই, দলীয় সভায় বার বার কেষ্টর ঢঙে হুমকি দিচ্ছেন তৃণমূলের বীরভূম (Birbhum) জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল সেখ।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল নেতা? (Birbhum)

    শুক্রবার তারাপীঠে তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে গিয়ে জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ হুমকি দিয়ে বলেন, ‘বীরভূম (Birbhum) জেলার বুকে জোড়া ফুল ছাড়া কিছু থাকবে না। দুই কেন্দ্রের সাংসদই হবেন তৃণমূলের। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, পায়ে পা মিলিয়ে সেই কাজই করতে হবে আমাদের।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কাজ আমরা করে যাব। যখনই ডাকবেন আমরা যাব। কিন্তু বীরভূম জেলার বুকে জোড়া ফুল ছাড়া অন্য কিছু থাকবে না। বীরভূম জেলার বুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া অন্য কেউ থাকবে না। বীরভূম জেলার আমরা সকলে একসঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চব্বিশের নির্বাচনে দুটি লোকসভা আসনে কম করে ২ লক্ষের বেশি ভোটে জিততে হবে।’ এর আগে বহুবার প্রকাশ্যে অনুব্রত বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে কাজল সেখকে। সেই কাজলকে এখন কেষ্ট ঢঙে কথা বলতে দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন। দুদিন আগেই রামপুরহাটে দলীয় সভায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সৈয়দ জিম্মি, বিরোধীদের হাত-পা কেটে ফেলার নিদান দিয়েছিলেন। এদিন আবার কাজল সেখ লোকসভা ভোটে জেলায় বিরোধী শূন্য করার হুঁশিয়ারি দেওয়ায় কেষ্ট হুঙ্কারের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Birbhum: কেষ্টর ঢঙে বিরোধীদের পা-মাথা কাটার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা জিম্মি, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Birbhum: কেষ্টর ঢঙে বিরোধীদের পা-মাথা কাটার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা জিম্মি, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সেই অনুব্রতর গড়ে তাঁর ঢঙে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের নেতাদের। দুদিন আগেই বীরভূম (Birbhum) জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল সেখ দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেষ্টর বুলিই আওড়েছেন। এবার দলের আর এক নেতা সৈয়দ সিরাজ জিম্মি বিরোধীদের পা-মাথা কাটার নিদান দিয়েছেন।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূলের ওই নেতা? (Birbhum)  

    বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাটে এক সরকারি স্কুলের অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসের রামপুরহাট -১ নম্বর ব্লকের সভাপতি সৈয়দ সিরাজ জিম্মি। বক্তব্য রাখার সময় মঞ্চ থেকে কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন,  ‘আপনার বাঁচার অধিকার আছে। আপনার সন্তানদের রক্ষা করার অধিকার আপনার আছে। যদি কেউ মনে করে আপনাদের ওপর আক্রমণ করবে, আপনাদের ক্ষতি করবে, আপনাদের চোখ রাঙাবে, তাহলে আত্মরক্ষার্থে পা কাটবেন, নাকি মাথা কাটবেন, নাকি তার গলা কাটবেন, কিচ্ছু দেখবেন না। আমরা আছি আপনার পাশে। নির্ভয়ে, নিশ্চিন্তে এগিয়ে যাবেন।’ এরপরই তিনি বলেন, আমরা ভোটে জয়ী হব। কোনও বিরোধী শক্তি আপনাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না। শুধু নিজে জ্বলে উঠুন। জিম্মির এই বক্তব্য নিয়ে যখন রাজনৈতিক মহলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে, তখন ওই তৃণমূল নেতার বক্তব্য, তিনি যা বলেছেন ভেবেচিন্তেই বলেছেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জিম্মি বলেন, ‘ঢোড়া সাপ হলে সবাই মাড়িয়ে দিয়ে চলে যাবে। তাই কেউটে সাপ হতে হবে। নিজেকে বাঁচানোর জন্য কেউটে সাপের তেজ রাখতে হবে বলে আমি মনে করি। তাই আমি আমার কর্মীদের এ কথা বলেছি।’

    বিরোধী নেতাদের কী বক্তব্য?

    বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্য, কেষ্ট বড় বড় কথা বলে আজ তিহারে রয়েছে। এত কিছুর পরও তৃণমূল নেতাদের শিক্ষা হয়নি। আসলে তৃণমূল নেতারা যত এসব কথা বলবে, তত দলের অবস্থা খারাপ হতে শুরু করবে। এসব করে কোনও লাভ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share