Tag: Birbhum

Birbhum

  • Kajal Sheikh: লোকসভা ভোটের সময় কীভাবে ভোট করাবে তৃণমূল? কেষ্টকেই কি অনুসরণ কাজল শেখের?

    Kajal Sheikh: লোকসভা ভোটের সময় কীভাবে ভোট করাবে তৃণমূল? কেষ্টকেই কি অনুসরণ কাজল শেখের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট করানোর কৌশলে কাজল শেখ (Kajal Sheikh) কি অনুব্রতকেই অনুসরণ করবেন? ব্যক্তি বদলে গেলেও তৃণমূলের কৌশলের কোনও বদল হচ্ছে না। গরু পাচারকাণ্ডে তিহাড় জেলে রয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। ভোটের মুখে তাঁর মুখেই শোনা যেতো ‘উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে, চড়াম চড়াম ঢাক বাজবে।’ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বীরভূমে ভোট হবে এই নিয়ে জেলার রাজনীতির আঙ্গিনায় শোরগোল পড়ছে। তবে কেষ্ট বিহনে দলের দায়িত্ব কাজল শেখের হাতেই যে থাকবে এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তাই নির্বাচন কমিশন দিনক্ষণ ঘোষণা না করলেও কীভাবে ভোট হবে তার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন কাজল। আজ কঙ্কালিতলায় তৃণমূল কর্মীদের নিদান দিলেন ঠিক কী কী করতে হবে।

    কী বললেন কাজল (Kajal Sheikh)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের আসন ভোট প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কাজল শেখ (Kajal Sheikh) বলেন, “ভোটের সময় আমাদের টার্গেট কী হবে আপনারা শুনুন। কীভবে ভোট করতে হবে আগের দিন আমরা জানিয়ে দেবো। এই বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের তুলানায় ১০ হাজার করে লিড বেশি লাগবে। সকলে প্রস্তুত থাকুন। সকলকে এক ছাতার তলায় এসে থাকতে হবে।” ফলে এই মন্তব্যে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন ২০২১ সালের বিধান সভার নির্বাচনের পর রাজ্যে যে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছিল সেই পরিবেশ তৈরি হবে না তো! অবশ্য বিজেপি মনে করছে তৃণমূল অঞ্চলে অঞ্চলে সন্ত্রাস না চালালে ১০ হাজার করে লিড দেওয়া সম্ভব নয় তৃণমূলের পক্ষে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বীরভূমে নির্বাচনকে ঘিরে শাসক দলের দৃষ্টিভঙ্গির যে অবস্থান বদল হচ্ছে না তা বিজেপি বুঝতেই পেরেছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এক নেতা বলেন, “আগের দিন আর পরের দিন সম্পর্কে স্পষ্ট করে বুঝুন। ওঁর (Kajal Sheikh) ক্ষমতা মমতা বুঝে গিয়েছেন। তাই দলের কোর কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন। মানুষ ওঁদের যোগ্য জবাব দেবে। জেলায় বিজেপি বিরাট মার্জিনে জয়ী হবে। ভোটাররা যদি বুথে যেতে না পারে, তার জন্য কী করতে হবে বিজেপি খুব ভালো করেই জানে। ওঁদের সন্ত্রাসকে মোকাবেলা করবে সাধারণ মানুষ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ৫৬০ ভরি! কেষ্টর কালীপ্রতিমার গয়না রাখা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের লকারে ইডির তল্লাশি

    Anubrata Mondal: ৫৬০ ভরি! কেষ্টর কালীপ্রতিমার গয়না রাখা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের লকারে ইডির তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্কের লকারে রাখা রয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের  (Anubrata Mondal) কালীপ্রতিমার গয়না। বীরভূমের (Birbhum) বোলপুরের রাষ্ট্রায়ত্ত সেই ব্যাঙ্কে চলছে ইডির তল্লাশি। ২০২১ সালে সোনার মুকুট, কানের দুল, গলার হার মিলিয়ে ৫৬০ ভরি সোনার গয়না দিয়ে মা কালীকে সাজানো হয়েছিল। এই গয়নার আনুমানিক মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা। উল্লেখ্য এই সোনার অলঙ্কারে কালীপুজো হতো বেশ ধুমধাম করে। বর্তমানে কেষ্ট মণ্ডল গরু পাচার মামলায় দিল্লির তিহাড় জেলে বন্দি। আর্থিক দুর্নীতির মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা আজ ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে তাল্লাশি অভিযান চালিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    তল্লাশিতে উদ্ধার গহনা (Anubrata Mondal)

    ঠিক দুপুর ১২ টার সময় বোলপুরের (Birbhum) একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সামনে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির অফিসারেরা গাড়ি নিয়ে হাজির হন। এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে গোটা ব্যাঙ্ককে ঘিরে ফেলা হয়। এরপর ব্যাঙ্কের ভিতরে প্রবেশ করেন ইডির ৫ জন অফিসার। বোলপুর তৃণমূল পার্টি অফিসের ভিতরে পুজো হত এই কালীপ্রতিমার। এই পুজো কেষ্ট মণ্ডলের পুজো এবং প্রতিমার গায়ে থাকত এই বিপুল পরিমাণের গয়না। এই গয়নাকে পুজোর পর রাখা হত ব্যাঙ্কের লকারে। ফলে এই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্যই তল্লাশি অভিযান চালায় তদন্তকারী অফিসারেরা। ব্যাঙ্ক থেকে একাধিক কাজপত্র এবং নথি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    ২০১১ সাল থেকে

    ১৯৮৮ থেকে এই কালীপুজো শুরু হলেও কার্যত ২০১১ সালের পর থেকেই এই পুজোর জাঁকজমক বৃদ্ধি পায়। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পুজোর ব্যাপক আয়োজন বৃদ্ধি পায়। সবটার নেতৃত্বে থাকতেন বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। ২০২০ সালে এই পুজোর প্রতিমাকে ৩০০ ভরির সোনার গয়না দিয়ে সাজানো হয়েছিল। ২০২১ সালে সোনার মুকুট, বাউটি, বাজুবন্ধন, কানের দুল, গালার হার, হাতের আংটি, কোমরের বিছে মিলিয়ে প্রায় ৫৬০ ভরির গয়না দিয়ে সাজিয়ে ছিলেন এই তৃণমূল নেতা। এই গয়নার বাজার মূল্য প্রায় কয়েক কোটি টাকা। ফলে সম্পত্তির উৎস ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সন্ধান করছেন তদন্তকারী অফিসারেরা। তবে অনুব্রতর গ্রেফতারের পর থেকেই পুজোতে ভাটা দেখা দেয়। সোনার গয়নার বদলে ব্যবহার করা হচ্ছে ইমিটেশনের গয়না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: নাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দলীয় সভায় ব্যাপক বিক্ষোভ, ফাটল আরও স্পষ্ট

    Birbhum: নাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দলীয় সভায় ব্যাপক বিক্ষোভ, ফাটল আরও স্পষ্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার নাম ঘোষণা হতেই কোন্দল স্পষ্ট। চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বীরভূমে (Birbhum) কেষ্টমণ্ডলের গড়ে রাজ্যের মন্ত্রীর সামনেই তুমুল বিক্ষোভ দলীয় কর্মীদের লক্ষ্য করা যায়। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই কেষ্ট এবং কাজল শেখের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের কথা অনেক দিন ধরেই আলোচনার শীর্ষে ছিল। কেষ্ট মণ্ডল গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে। অপরে কাজল শেখের গুরুত্ব অপেক্ষাকৃত জেলায় বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও অনুষ্ঠানিক ভাবে দলের জেলা সভাপতিত্বের পদ থেকে সরানোনি। ফলে বীরভূমের শাসক দলের অন্দরে ফাটল স্পষ্ট।

    “জনগর্জন সভা”য় গোষ্ঠী কোন্দল (Birbhum)

    রাজ্যের মন্ত্রীর সামনে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের কোন্দল। এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। সোমবার ছিল তৃণমূলের দলীয় কর্মীদের সভা। আজ সোমবার, আগামী ১০ মার্চ ব্রিগেডে তৃণমূলের “জনগর্জন সভা”র একটি প্রস্তুতি সভা ছিল বীরভূমের (Birbhum) মুরারই পশুহাটে। এখানেই উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বস্ত্র, ক্ষুদ্র, কোটির শিল্প দফতরের মন্ত্রী তথা বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সাহা। এই সভায় মুরারই-১ নম্বর ব্লকের ডুমুরগ্রাম অঞ্চল কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসাবে কাজী আশরাফুল ইসলাম ওরফে নবাবের নাম ঘোষণা করেন তৃণমূলে সংখালঘু সেলের নেতা রাজ্য সম্পাদক আলি রেজা খান। নাম ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয় একংশের মধ্যে বিক্ষোভ। এমনকী তৃণমূল জেলা কংগ্রেসের জেলা সহ সভাপতি ত্রিদিব ভট্টাচার্য পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু তবুও কাজ হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ কর্মীরা সভা ছেড়ে চলে যান।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    বোলপুর (Birbhum) বিধায়ক তথা মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা অবশ্য দলের কর্মীদের সভায় বিক্ষোভ মানতে নারাজ। তিনি বলেন, “নির্বাচনে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত। সেই কারণে কর্মী সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল। সকলে অপেক্ষা করে আছেন কবে ভোট। আমরা বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হব। দল একটি সমষ্টি গত রূপ। এক কর্মী ভুল করলে অন্য কর্মী তাঁকে ঠিক করে দেবেন। কোনও কোন্দল নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Dancer: আমেরিকায় ভারতীয় নৃত্যশিল্পী অমরনাথকে গুলি করে খুন

    Indian Dancer: আমেরিকায় ভারতীয় নৃত্যশিল্পী অমরনাথকে গুলি করে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকায় খুন হলেন বীরভূমের নৃত্যশিল্পী অমরনাথ ঘোষ (Indian Dancer)। ঘটনা কীভাবে ঘটল এবং সত্যতা জানতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন ঘোষ পরিবার। নাচের শিক্ষক হিসাবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করতেন তিনি (Amar Nath Ghosh)। সম্প্রতি তাঁর এক আত্মীয়ের মাধ্যমে পরিবারের লোকজন ফোনে জানতে পারেন যে তিনি খুন হয়েছেন। এরপর থেকেই পরিবারের ছেলেকে নিয়ে তীব্র উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন সকলে।

    গুলি করে হত্যা করা হয়েছে (Indian Dancer Amarnath Ghosh)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের সিউড়িতে বাড়ি ছিল অমরনাথের (Amarnath Ghosh)। তাঁর নিজের পেশা ছিল নাচ শেখানো। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অমরনাথের বন্ধু বলে পরিচিত এক ব্যক্তি ফোন করে বলেন, “অমরনাথ (Indian Dancer) আমেরিকার রাস্তায় খুন হয়েছেন। তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।” এরপর একই ভাবে টিভি অভিনেত্রী দেবোলিনা ভট্টাচার্য শুক্রবার এই খুনের সম্পর্কে জানিয়েছেন। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কিছুই জানানো হয়নি। পরিবার এবং আত্মীয়রা দারুণ আশঙ্কায় দিনপাত করছেন।

    পরিবারের বক্তব্য

    খুনের সংবাদ পেয়ে অমরনাথের (Amarnath Ghosh) কাকিমা ভাগবতী ঘোষ বলেন, “দুই বছর আগে অমরনাথ (Indian Dancer) আমেরিকায় যান। তবে অমরনাথের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ ছিল। কিন্তু গত বেশ কিছু দিন ধরে ওঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অমরনাথের এক বন্ধু প্রবীণ পাউল ওরফে ক্রিস আমাদের এক আত্মীয়কে ফোন করে মৃত্যু সংবাদ দেন। তবে কী ভাবে হল, এখনও আমরা জানতে পারিনি।” ঘটনায় পরিবার অত্যন্ত দুশ্চিন্তা প্রকাশ করে বীরভূম জেলা শাসক এবং পুলিশের কাছে দ্বারস্থ হয়েছেন। আবার অমরনাথের ছোট কাকা শ্যামাল ঘোষ বলেন, “ফোনে অমরনাথের সঙ্গে আমার ছেলে মেয়েদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। কিন্তু বেশ কিছু দিন ধরে ফোনে যোগাযোগ করা যায়নি। কিন্তু আমাদের কাছে খবর আসে ওঁকে খুন করা হয়েছে। তাই পুলিশ–প্রশাসনের কাছে সত্যতা জানতে আসলাম।”

    কে ছিলেন অমরনাথ? (Indian Dancer)

    অমরনাথ (Amarnath Ghosh) নিজে একটা সময়ে কলকাতায় থাকতেন। তিনি একজন পেশাদার ভরতনাট্যম এবং কুচিপুড়ি নৃত্যশিল্পী ছিলেন। সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে নৃত্য বিষয়ে এমএফএ-তে পড়াশুনা করছিলেন। একই ভাবে চেন্নাইয়ের কলাক্ষেত্র একাডেমির প্রাক্তন ছাত্র ছিলেন তিনি। আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে কুচিপুড়ি নৃত্যের জন্য জাতীয় বৃত্তি পেয়েছিলেন। তিনি ববিতা দে সরকার, শ্রী এম ভি নরসিংহচারী এবং পদ্মশ্রী আদ্যার কে লক্ষ্মণের তত্ত্বাবধানে কাজ করেছিলেন। দেবোলিনা ভট্টাচার্যের নিজের এক্স হ্যন্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছেন, “অমরনাথ ঘোষ (Indian Dancer) পরিবারের একমাত্র সন্তান ছিলেন। তাঁর মা মারা গেছেন তিন বছর আগে। আবার শৈশবে তাঁর বাবাকে হারিয়েছিলেন তিনি।”

    দূতাবাসের বক্তব্য

    শিকাগোতে ভারতীয় কনস্যুলেট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ পোস্ট করেছেন। তিনি বলেন, “মৃত অমরনাথ (Amarnath Ghosh) ঘোষের পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। আমরা ফরেনসিক পরীক্ষা নিরীক্ষা অনুসরণ করছি। পুলিশের সঙ্গে তদন্তে সহায়তা প্রদান করছি। বন্দুক হামলায় মৃত্যুর তদন্তের জন্য সেন্ট লুইস পুলিশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে মামলাটি জোরালো ভাবে তুলে ধরেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tarapith: তারাপীঠে মা তারার মন্দিরে বিয়ে করতে চান? নিয়ম না মানলে কিন্তু ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে

    Tarapith: তারাপীঠে মা তারার মন্দিরে বিয়ে করতে চান? নিয়ম না মানলে কিন্তু ঠাঁই হতে পারে শ্রীঘরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠ (Tarapith) হল সতীর ৫১টি পীঠের একটি। এই পীঠস্থানে অনেক পাত্র-পাত্রীর বিবাহ সম্পন্ন হয়ে থাকে। এবার থেকে এই তারামায়ের মন্দিরে বিবাহ অনুষ্ঠানের নিয়ম-রীতি আরও কড়া করা হল। শুধু শাঁখা-পলা, সিঁদুর কৌটো নিয়ে হাজির হলে হবে না। নতুন নিয়মাবলীকে মান্যতা দিতে হবে। মা তারার মন্দিরে বিয়ে করার কী কী নিয়ম ঠিক করা হয়েছে, আসুন জেনে নিই।

    নতুন কী কী নিয়ম করা হল (Tarapith)?

    তারাপীঠে (Tarapith) এই নিয়ম নির্ধারণের পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ। সেগুলি স্পষ্ট করে জানিয়েছে তারাপীঠ মন্দির কমিটি। বিবাহের ক্ষেত্রে করোনাকাল থেকেই অনেক নিয়মাবলী প্রকাশ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। বিবাহবন্ধন যেন অটুট থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। যাঁরা দম্পতি হচ্ছেন, তাঁরা সারা জীবন যাতে সুখে সংসার করতে পারেন, সেই বিষয়ে নজর রাখাই মূল লক্ষ্য। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথমে দেখা হবে পাত্র-পাত্রীর পরিচয়পত্র। তার পর খবর দেওয়া হয় দু’পক্ষের পরিবারকে। নাবালক বা নাবালিকা যদি হয়, সেক্ষেত্রে বিয়ে দেওয়া যাবে না মন্দিরে। আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এমন কোনও বিষয় থাকলে বিবাহ দেওয়া যাবে না। এছাড়া অসাধু ব্যক্তিবর্গ অনেক সময় পাত্রীকে নেশাসক্ত করিয়ে বিবাহ করাতে চলে আসে। সেক্ষেত্র কোনও অসঙ্গতি লক্ষ্য করলে মন্দির কমিটি তৎক্ষণাৎ পুলিশ-প্রশাসনকে জানাতে বাধ্য থাকবে। সেই সঙ্গে তারাপীঠের হোটেলে প্রাপ্তবয়স্ক প্রেমিক-প্রেমিকাদের রুম দেওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কারণ, অনেকে মন্দিরে ভুয়ো বিয়ে করার ছবি তুলে রুম ভাড়া নিয়ে থাকে। এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে বিবাহের কাজ করা যাবে না। মায়ের মন্দিরের বাইরে অবস্থিত ছোট মন্দিরগুলিতে বিয়ে হতে পারে, যেমন ষষ্ঠী মন্দির, শিব মন্দির ইত্যাদি।

    মন্দির কমিটির বক্তব্য

    তারাপীঠ (Tarapith) মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কে কখন বিয়ে করল, সব সময় তো নজর রাখা সম্ভব হয় না। তবে যাঁরা পুরোহিত ডেকে বিয়ে করার কথা ভাবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আমরা একটা নিয়ম মেনে চলি। যদিও মন্দিরের বারান্দায় বন্ধুবান্ধব নিয়ে হইহুল্লোড় করে অনেকে বিয়ে সেরে নেন। এমনও ঘটনা নজরে আসে। তবে সব মিলিয়ে তারাপীঠ মন্দিরে বিয়ে করতে গেলে পাত্র-পাত্রীকে মানতে হবে নিয়ম। সঙ্গে থাকতে হবে সঠিক পরিচয়পত্র। পাত্রীকে থাকতে হবে শারীরিক ভাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক। সন্দেহ হলে আটকে যাবে বিয়ে। এমনকী যেতে হতে পারে শ্রীঘরেও।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “রাম বোধ হয় বিপিএল ছিলেন”! তৃণমূল সাংসদের মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক

    Birbhum: “রাম বোধ হয় বিপিএল ছিলেন”! তৃণমূল সাংসদের মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রাম বোধ হয় বিপিএল ছিলেন’ ঠিক এমন মন্তব্য করে তীব্র বিতর্ক উস্কে দিলেন বীরভূমের (Birbhum) সাংসদ শতাব্দী রায়। উল্লেখ্য, মাত্র আর কয়েকটা দিন পরেই অযোধ্যায় প্রভু শ্রীরামের মন্দির উদ্বোধন হবে। গর্ভগৃহে রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। দেশ জুড়ে এখন রাম ভক্তদের মধ্যে তীব্র উন্মাদনা। ঠিক এমন সময়েই তৃণমূল সাংসদ সাঁইথিয়ার রবীন্দ্রভবনে মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরাম চন্দ্রকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় ব্যাপক নিন্দার ঝড় শুরু হয়েছে। পালটা বিজেপির বক্তব্য ঝাঁটা দিয়ে তাড়া করা উচিত এই তৃণমূল নেত্রীকে।

    কী বললেন তৃণমূল সাংসদ (Birbhum)?

    সাঁইথিয়ায় (Birbhum) তৃণমূলের এক প্রশিক্ষণ শিবিরের এক সভায় বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, “বিজেপি রামকে নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করছে। রাম বোধ হয় বিপিএল! আমরা যেমন বিপিএল কার্ড দিয়ে বাড়ি মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছি, ঠিক সেই ভাবে রামকে বাড়ি দিয়েছে বিজেপি। রামের ছেলে লব-কুশকেও একটি করে বাড়ি দেওয়া প্রয়োজন।” ভিডিওর এই বক্তব্য সর্বত্র ভাইরাল হয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে। পরে অবশ্য সাংবাদিকদের নিজের সাফাই দিয়ে শতাব্দী বলেন, “বিজেপি বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করছে আমরা রামের বাড়ি করে দিয়েছি। এত ঔদ্ধত্য কোথা থেকে এলো, তারা ভগবানের বাড়ি করে দিচ্ছে!”

    বিজপির বক্তব্য

    বীরভূম (Birbhum) জেলার বিজেপি জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা তৃণমূল সাংসদকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “বীরভূমের সনাতনী মানুষকে বলব এলাকায় ভোট চাইতে এলে সাংসদ শতাব্দীকে যেন ঝাঁটা দিয়ে তাড়া করা হয়।” এলাকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “রামপুরহাটে শতাব্দী হারেন নি হেরেছে তৃণমূল। পুরনির্বাচনে দিদির পুলিশ, গুন্ডা বাহিনীর বোমা, কাটমানি, তোলাবাজি, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসের বাতাবরণের ভয় দেখিয়ে মনোনয়ন করতে দেওয়া হয়নি বিরোধীদের। ভোটাদের ভোট দিতে দেয়নি বলেই এলাকায় তৃণমূল জয়ী হতে পেরেছিল। আগামী দিনে স্বচ্ছ নির্বাচন হলে তৃণমূলকে খুঁজে পাওয়া যাবেনা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কেওয়াইসি আপডেটের নামে প্রতারণা, ব্যবসায়ীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে চুরি লক্ষাধিক টাকা

    Birbhum: কেওয়াইসি আপডেটের নামে প্রতারণা, ব্যবসায়ীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে চুরি লক্ষাধিক টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেওয়াইসি আপডেটের নামে এক ব্যবসায়ীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষাধিক টাকা প্রতারকরা চুরি করে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে আর তারপর এই বিপত্তি ঘটে। ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) সিউড়িতে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Birbhum)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার সিউড়ির (Birbhum) ব্যবসায়ী রামকৃষ্ণ সাহার কাছে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। বলা হয় কেওয়াইসি জমা করা হয়নি তাই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে আরও বলা হয়, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পরিষেবা চালু রাখতে গেলে কিছু তথ্য দিতে হবে। এপর যা ঘটে, প্রতারকের ফাঁদে পা দিয়ে দিলেন সোজাসুজি। ফোনের ওপার থেকে যা যা করতে বলা হয় রামকৃষ্ণবাবু ঠিক তাই তাই করেন। ঠিক ১২ টা ২ মিনিট এবং ১২ টা ৫ মিনিটে পরপর দুইবারে মোট ৩০ হাজার এবং ৬৮ হাজার টাকা তুলে নেয় প্রতারকরা।

    অভিযোগ সাইবার থানায়

    এই ভাবে কেওয়াইসি আপডেটের নামে আর্থিক প্রতারণার শিকার হয়ে রামকৃষ্ণবাবু সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যান ব্যাঙ্কে। কিন্তু গতকাল স্বামীজির জন্মদিনের জন্য ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকায় আরও সমস্যায় পরে যান তিনি। উপায় না বুঝে সিউড়ি (Birbhum) সাইবার ক্রাইম থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। কীভাবে তাঁর সঙ্গে এই জালিয়াতির ঘটনা ঘটল সবটা লিখিত ভাবে জানিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার কথা শুনে পুলিশ দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। উল্লেখ্য, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে চুরি যাওয়া টাকার সন্ধান এখনও পাননি বলে জানা গিয়েছে।

    সরকার, প্রশাসন এবং ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ বার বার গ্রাহকদের সর্তক করলেও প্রতারকদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। গ্রাহকেরা জালিয়াতির শিকার কোনও না কোনও ভাবে হয়েই চলেছে। অ্যাকাউন্ট বন্ধের ভয়কে হাতিয়ার করে কেওয়াইসি আপডেটের নামে প্রতারকদের এই ধরনের জালিয়াতির ঘটনা গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বিয়ের সাতদিন পর মেয়ে পালাল প্রেমিকের সঙ্গে, বাধা দিলে গাড়ি চাপায় মৃত বাবা

    Birbhum: বিয়ের সাতদিন পর মেয়ে পালাল প্রেমিকের সঙ্গে, বাধা দিলে গাড়ি চাপায় মৃত বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়ের সঙ্গে প্রেমিকের সম্পর্ক মেনে নেননি বাবা। কোনও রকমে মেয়েকে অন্য পাত্রের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই মেয়ে সাতদিন পর বাপের বাড়িতে আসতেই ঘটল বিপত্তি। আগের প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেল মেয়ে। আটকাতে গিয়ে মেয়ে যে গাড়িতে পালাচ্ছিল, তার নীচেই চাপা পড়ে মৃত্যু হল বাবার। মেয়ের প্রেমিককে অস্বীকার করার পরিণতি যে এমন ভয়ঙ্কর এবং মর্মান্তিক হতে পারে, তা কেউ বিশ্বাসই করতে পারছেন না। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই বীরভূমে (Birbhum) ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    বীরভূমে কোথায় ঘটল ঘটনা (Birbhum)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর থানা এলাকায়। মেয়ের বাবার নাম কুদ্দুস। মেয়েকে প্রেমিকের সঙ্গে পালাতে দেখে বাধা দিতে যান বাবা এবং একেবারে গাড়ির সামনে এসে পড়েন। তখনই তাঁকে চাপা দিয়ে চলে যায় গাড়ি। এতবড় ঘটনা চোখের সামনে ঘটতে দেখেও মেয়ে এবং তার প্রেমিক কিন্তু একটিবারের জন্য দাঁড়ায়নি, বাবার চিকিৎসা করা তো দূর অস্ত। এই ঘটনায় মারাত্মক জখম হন কুদ্দুস। গুরুতর অবস্থায় বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

    প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেননি বাবা

    স্থানীয় (Birbhum) বাসিন্দারা জানান, মেয়ের নাম কুতুবা খাতুন। সে গাজু শেখ নামে এক যুবকের সঙ্গে প্রেম করত। দু’জনের মধ্যে অনেক দিনের সম্পর্ক। কিন্তু কুতুবার পরিবার থেকে মেনে নেয়নি এই সম্পর্ক। অন্য জায়গায় সম্বন্ধ দেখে তারা বিয়ে দিয়ে দেয় কুতুবার। নিয়মমতো বিয়ের সাতদিনের মাথায় বাপের বাড়িতে নতুন স্বামীকে নিয়ে আসে কুতুবা। আগের প্রেমিকের সঙ্গে তার যোগাযোগ যা ভালোই রয়েছে, সেটাই এবার সামনে চলে আসে। আগের প্রেমিক গাজু একটি গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে আসে। তারপর সেই গাড়িতে করে পালানোর সময়ই চাপা দিয়ে পিষে দেয় বাবা কুদ্দুসকে।

    তদন্তে পুলিশ

    এই ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে বোলপুর (Birbhum) থানার পুলিশ। পরিবারের পক্ষ থেকে অপহরণের মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিত্বে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বীরভূমে ফের উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক! এর পিছনেও কি তৃণমূল নেতার হাত?

    Birbhum: বীরভূমে ফের উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক! এর পিছনেও কি তৃণমূল নেতার হাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক মজুত থাকার হদিশ পেল পুলিশ। মজুত করা বিষ্ফোরকগুলির মধ্যে রয়েছে জিলেটিন স্টিক, ডিটোনেটর ও অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) নলহাটি থানার বাহাদুরপুর পাথর শিল্পাঞ্চলের চন্দননগর গ্রামে। উল্লেখ্য আগেও এক তৃণমূল নেতাকে বিস্ফোরক উদ্ধারের জন্য কেন্দ্রিয় তদন্তকারী সংস্থা গ্রেফতার করে ছিল। এবারও কী তৃণমূল নেতার হাত রয়েছে? বিজেপির অবশ্য দাবি, বিস্ফোরক সামগ্রীর আসল মালিক তৃণমূলের নেতারাই। তাই রাজ্যের নয় কেন্দ্রিয় তদন্তকারি সংস্থার দ্বারা তদন্তের দাবিতে তুলেছে বিজেপি।

    উল্লেখ্য গত একবছরের বেশি আগে রামপুরহাটের বগটুই হত্যাকাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন অবৈধ বোমা, অস্ত্র, বিস্ফোরক উদ্ধারের জন্য। কিন্তু লাভ হয়নি। আবার এগরায় বাজি বিস্ফোরণের পরেও একই নির্দেশ দিয়েছিলেন কিন্তু তাতেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। উপরন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক পরিমাণে বিস্ফোরকের ব্যবহারে ভাঙর থেকে সালার সর্বত্র উত্তপ্ত হয়ে গিয়েছিল। এবারও ফের একবার বীরভূমে বিস্ফোরক উদ্ধারে প্রশাসনের বিরুদ্ধে আঙুল উঠছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।

    পুলিশ নিশ্চিত করেছে বিস্ফোরক (Birbhum)

    গতকাল শুক্রবার রাতে সূত্র মারফত খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নলহাটি (Birbhum) থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে চন্দননগর গ্রামের একটি বাড়িতে বিপুল পরিমানে বিষ্ফোরক মজুত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে। বাড়িটির চারিদিকে পুলিশ মোতায়েন করে ঘিরে রাখা হয়েছে। আজ শনিবার পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও বম্বস্কোয়ার্ডের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মজুত থাকা বিষ্ফোরকগুলি উদ্ধার করে।

    আগেও গ্রেফতার হয়েছনে তৃণমূল নেতা

    উল্লেখ্য রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন চালার সময় গত ১০ জুন এই বীরভূমের (Birbhum) এলাকা থেকে বিষ্ফোরক মজুত রাখার অভিযোগে মনোজ ঘোষ নামে এক তৃণমূল কংগ্রেসের গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যকে গ্রেফতার করে এনআইএ। তার পরেও ওই এলাকায় বিপুল পরিমানে বিষ্ফোরক মজুত থাকার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এরপর তাঁর সূত্র ধরে গ্রেফতার করা হয় ইসলাম চৌধুরী নামক এক ব্যক্তিকে।

    বিজেপির বক্তব্য

    এই ঘটনায় বীরভূমের (Birbhum) জেলা বিজেপির সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনেও এই বিস্ফোরক ব্যবহার করে মানুষের ভোট লুট করেছে তৃণমূল। পুলিশ সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের আশ্রয় দিয়েছিল। আজকে উদ্ধার হওয়া এই বিস্ফোরকের পিছনে তৃণমূলের বিকি শেখ হল প্রধান অভিযুক্ত। এলাকার তৃণমূল নেতা আসাদ উদ্দিন, বিধায়ক এই বিস্ফোরকের পিছনে জড়িত। রাজ্য প্রশাসনের উপর আমাদের কোনও বিশ্বাস নেই। কেন্দ্রিয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের দাবি জানাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “মিছিলে এত লোক ভোট বাক্সে কই?” প্রকাশ্য মঞ্চে তৃণমূল কর্মীদের প্রশ্ন শতাব্দীর

    Birbhum: “মিছিলে এত লোক ভোট বাক্সে কই?” প্রকাশ্য মঞ্চে তৃণমূল কর্মীদের প্রশ্ন শতাব্দীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের রামপুরহাটে কাজ করেও তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় ভোট পাচ্ছেননা বলে কর্মীদের অভিযোগ করলেন। তাঁর স্পষ্ট প্রশ্ন “মিছিলে এত লোক ভোট বাক্সে কই?” প্রশ্ন করে হতাশা ব্যক্ত করলেন তিনি। দলীয় কর্মীদের বিজয়া সম্মেলনের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই প্রশ্ন তোলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। বীরভূমের (Birbhum) উন্নয়ন তাহলে কোথায় গেল? উল্লেখ্য ২০১৯ সালের লোকসভার ভোটে এই এলাকায় বিজেপি থেকে শতাব্দী অনেক ভোটে পিছিয়ে ছিলেন। একাধিকবার জেলায় ভোটের প্রচারে গেলে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেওয়া হয়নি বলে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল শতাব্দীকে। ‘এলাকার ভোট কোথায় যায়?’ বলে সাংসদ শতাব্দী, দলের কর্মীদের কাছে প্রশ্ন করে বিড়ম্বনায় ফেলেন। অপরদিকে বিজেপি, ভোট না পাওয়ার পিছনে তৃণমূলকে দুর্নীতিকে দায়ী করেছে। 

    কী বললেন শতাব্দী?

    এলাকার (Birbhum) বিধানসভা ভোটের পরিসংখ্যান তুলে ধরে এদিন শতাব্দী রায় বলেন, “কাজের পর কাজ হয়েছে, বড় বড় মিছিল বেরোনোর পরেও ভোট বাক্সে ভোটটা কোথায় যায়? আমার জানতে ইচ্ছে করছে। রামপুরহাট শহরের লোক আমাকে ভোট দেয়নি। আপনাদের কোনও অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে জানাবেন। সংশোধন করার চেষ্টা করবো।” উল্লেখ্য শতাব্দী রায় যখন কর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে তাঁর আক্ষেপের কথা বলছিলেন, তখন মঞ্চে বসে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক তথা রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।

    রামপুরহাটে ভোটে পিছিয়ে থাকে তৃণমূল (Birbhum)

    রামপুরহাটে (Birbhum) এত কাজ এত বড় বড় মিছিল-মিটিং, সেই সঙ্গে তৃণমূল কর্মী থাকার পরও ভোট বাক্সের ভোটটা কোথায় যায়? দলের কর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। আজ বীরভূমের রামপুরহাটে একটি সরকারি স্কুলে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় কর্মীদের উদ্দ্যেশ্যে মাইকে এই কথাগুলি বলেন তিনি। গত তিনবার বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি। তাঁর সময়কালে এলাকায় তিনবার বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। আর সবকটি নির্বাচনেই রামপুরহাট শহর এলাকায় ভোটে পিছিয়ে থেকেছেন শতাব্দী। তাই কর্মীদের কারণ জানতে চেয়ে প্রশ্ন করলেন এদিন তিনি।

    বিজেপির বক্তব্য

    জেলার (Birbhum) বিজেপির পক্ষ থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলা হয়, রাজ্য জুড়ে এত সন্ত্রাস চালিয়েও মানুষের মত প্রকাশের অধিকারকে আটকাতে পারেনি তৃণমূল। দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের নেতাদের আচরণে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। আগামী দিনে লোকসভার ভোটে তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিজেপিকেই জয়ী করবে রামপুরহাটের মানুষ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share