Tag: Birbhum

Birbhum

  • Bomb Blast:  বোমা বিস্ফোরণে উড়ল তৃণমূল নেতার বাড়ি, কোথায় দেখে নিন?

    Bomb Blast: বোমা বিস্ফোরণে উড়ল তৃণমূল নেতার বাড়ি, কোথায় দেখে নিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) উড়ে গেল তৃণমূল নেতার বাড়ি। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের পাঁড়ুই থানার ভেড়ামারি গ্রামে। তৃণমূল নেতার নাম হাফিজুল শেখ। তিনি তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সদস্য। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শাসক দলের নেতার বাড়িতে এরকম বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ শেখ রিন্টু এবং শেখ গোলাম নামে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। গত চারদিন ধরে এই জেলায় এত পরিমাণ বোমা এবং আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনায় জেলা জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    তৃণমূল নেতার বাড়িতে কী করে বোমা বিস্ফোরণ হল?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতার বাড়ির গোয়াল ঘরে চারটি  ড্রামের মধ্যে বোমা (Bomb Blast) রাখা ছিল। শুক্রবার রাতে সেই বোমা ভরতি ড্রাম কোনওভাবে নীচে পড়ে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। গোয়াল ঘরে থাকা বেশ কয়েকটি ছাগলও মারা যায়। বিস্ফোরণে (Bomb Blast) তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে তৃণমূল নেতার কংক্রিটের বাড়ি একেবারে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাতে আচমকাই বিকট শব্দে গোটা গ্রাম কেঁপে ওঠে। প্রথমে কী হয়েছে তা বুঝতে পারিনি। ঘর থেকে বেরিয়ে দেখি, হাফিজুলের বাড়়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ওই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে আগে থেকে বোমা মজুত ছিল, না বিরোধীরা বোমা রেখে ছিল তা তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। তবে, পুলিশি তদন্তে ওই তৃণমূল কর্মী দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে দলগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বীরভূম জেলায় পাল্লা দিয়ে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ১ মার্চ নানুর থানা এলাকায় বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। ২ মার্চও নানুর থানা এলাকা থেকে ৩ ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে ৩ মার্চ সাঁইথিয়ার বাতাসপুর এলাকায় প্রচুর পরিমাণে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। আর ৩ মার্চ রাতে সাঁইথিয়ার পর পাঁড়ুই থানা এলাকায় তৃণমূল নেতার আস্ত একটি বাড়িই কার্যত উড়ে গেল। বিরোধীদের বক্তব্য, পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, বোমা বারুদের ভর কেন্দ্র হয়ে উঠছে এই জেলা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Birbhum: চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ! নলহাটিতে উদ্ধার ত্রিপুরার যুবক

    Birbhum: চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ! নলহাটিতে উদ্ধার ত্রিপুরার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বচসার জেরে চলন্ত ট্রেন থেকে যুবককে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। বীরভূমের নলহাটিতে ট্রেন লাইনের ধার থেকে এক রক্তাক্ত যুবককে উদ্ধার করল এলাকার মানুষজন। বৃহস্পতিবার নলহাটি থানার পাইকপাড়া থেকে মথুরা যাওয়ার পথে কাদিরপুর গ্রামে ওই রক্তাক্ত যুবককে উদ্ধার করে স্থানীয়রা।  ওই যুবকের বাড়ি ত্রিপুরায়। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই যুবক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    ঘটনার বিবরণ

    উদ্ধার হওয়া ওই যুবকের নাম শিপুল নাথ। তার বাড়ি দক্ষিণ ত্রিপুরার পুরনো রাজবাড়ি থানার তেবাডিয়া গ্রামে। ওই যুবকের কথা অনুযায়ী, আগরতলা থেকে ট্রেনে বেঙ্গালুরু যাচ্ছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিল আরও ৩ বন্ধু।  কামরায় তাদের সঙ্গে ছিল ৫ যুবক। তুচ্ছ কারণে তাদের সঙ্গে ওই যুবকদের বচসা বেধে যায়। ক্রমেই তা বড় আকার নেয়। ট্রেনের মধ্যেই শুরু হয় হাতাহাতি। অল্প সময়ের মধ্যেই তা সংঘর্ষের চেহারা নেয়। আহত যুবকের অভিযোগ, “মারধর করে আমাদের ব্যাগ, টাকা পয়সা কেড়ে নেওয়া হয়। আমিও পালানোর চেষ্টা করি। কিন্তু ওরা আমাকে ধরে ফেলেয তারপর মারধর করে ট্রেন থেকে ফেলে দেয়।” বাকি তিন বন্ধু কোথায় কীভাবে আছেন, এখনও জানেন না শিপুল।

    আরও পড়ুন: এখনই বেতন ফেরাতে হচ্ছে না গ্রুপ ডি কর্মীদের, স্থগিতাদেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে

    পরপর এক ঘটনা

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়। এর আগেও এহেন ঘটনা ঘটেছে বীরভূমে। তারাপীঠ রোড ও রামপুরহাট স্টেশনের মাঝে এক যাত্রীকে ধাক্কা দিয়ে ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। ভাইরাল হয়েছিল সেই ঘটনার ভিডিও। ট্রেন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার আরও ঘটনা ঘটেছে বীরভূমে। গত বছর এপ্রিল মাসেই মোবাইল চিনতাইয়ে বাধা দেওয়াও এক যুবতীকে ট্রন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটে নলহাটি থানার লোহাপুর রেল স্টেশনের কাছে। গুরুতর জখম হন ওই কলেজ ছাত্রী। গত বছর ১৫ অক্টোবর হাওড়া-মালদা ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে সজল শেখ নামে এক যাত্রীকে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া হয়।  এই ঘটনার কয়েক দিন পর মুল অভিযুক্ত কলকাতা পুলিশে কর্মরত বোলপুরের বাসিন্দা মন্টু মণ্ডলকে গ্রেফতার করে রেল পুলিশ। গত ২১ জানুয়ারি  রামপুরহাট সংলগ্ন আয়াস গ্রামের এক ব্যাক্তিকে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটে ছিল। ফের এই ধরনের ঘটনা ঘটায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Birbhum: বীরভূমে জাল স্লিপ দিয়ে তোলা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা, সিবিআই তদন্তের দাবি

    Birbhum: বীরভূমে জাল স্লিপ দিয়ে তোলা হচ্ছে কোটি কোটি টাকা, সিবিআই তদন্তের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্বন স্লিপের মাধ্যমে পাথর বোঝাই লরির চালকদের কাছ থেকে ফি দিন আদায় হয় কাঁচা টাকা। সম্পূর্ণ ক্যাশে আদায় হয় অর্থ। সরকারিভাবে স্লিপ দেওয়া হলেও, আদায় করা অর্থ জমা পড়ে না সরকারের ঘরে। কারণ স্লিপটি নকল। বীরভূমে (Birbhum) প্রতিদিন এভাবে প্রায় ৩ কোটি টাকা তোলাবাজি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন রামপুরহাট পুরসভার কাউন্সিলর, সঞ্জীব মল্লিক।

    ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সরকার…

    ওই মামলায় আদালত মনে করছে, এতে একদিকে যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সরকার, তেমনি অযথা দাম বেড়ে যাচ্ছে পাথরের। বৃহস্পতিবার সরকারের তরফে কোনও প্রতিনিধি শুনানিতে উপস্থিত না থাকায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, অবিলম্বে এই বিষয়ে আবেদনকারীকে রাজ্যের এডভোকেট জেনারেলকে নোটিশ দিয়ে জানাতে হবে। রাজ্য সরকারকে মামলায় যুক্ত করতে হবে। রাজ্যের লিগ্যাল রিমাম্ব্রান্সরকেও যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে সোমবার।

    ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের (Birbhum) কাউন্সিলরের আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, মুরারই, রামপুরহাট, মহম্মদবাজার, নলহাটি সহ বীরভূম জেলার ছটি জায়গা থেকে কার্বন স্লিপের মাধ্যমে পাথর বোঝাই লরির ড্রাইভারদের কাছ থেকে কাঁচা টাকা আদায় করা হয়। সরকারিভাবে ওই স্লিপ দেওয়া হলেও, আদায় করা টাকা জমা পড়ে না সরকারের ঘরে। কারণ স্লিপটি জাল। জাল ওই স্লিপটিও এদিন আদালতে পেশ করেন মামলাকারীর আইনজীবী।

    আরও পড়ুুন: চাকরি বাতিল ১৯১১ জন গ্রুপ ডি কর্মীর, ফেরত দিতে হবে বেতনও

    বীরভূমে এই অর্থ আদায় নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে দুই গোষ্ঠীর। অন্তত আবেদনকারীর দাবি এমনই। তাঁর মতে, বগটুইয়ে ভাদু শেখের খুনের নেপথ্যেও রয়েছে এই পাথর খাদানের তোলা বাঁটোয়ারার বিষয়টি। বগটুইকাণ্ডের পর কিছু দিন বন্ধ থাকলেও, ফের সেই তোলাবাজি শুরু হয়েছে। আবেদনকারীর অভিযোগ, প্রতিদিন প্রায় তিন কোটি টাকা নগদে আদায় হলেও, রাজ্যের কোষাগারে জমা পড়ছে না। চলছে বেআইনি লেনদেন। তৃণমূলের বীরভূম (Birbhum) জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের লোকজনই একাজ করছে বলে অভিযোগ। বিচারপতি মান্থা বলেন, এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের বক্তব্য শোনা বিশেষ জরুরি। তাই ফের সব পক্ষকে নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় আবেদনকারীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Chit Fund: বীরভূমে চিটফান্ডের হদিশ, আত্মসাত ৩০ কোটি, যুবক গ্রেফতার

    Chit Fund: বীরভূমে চিটফান্ডের হদিশ, আত্মসাত ৩০ কোটি, যুবক গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) জেলা বীরভূম। এবার পর্দা ফাঁস চিটফান্ডকাণ্ডের (Chit Fund)। ৩০ কোটিরও বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ। জেলার প্রায় দেড়শো যুবকের কাছে সুদ সহ টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই পরিমাণ টাকা তোলা হয়েছে। পরে সংস্থাকে দেউলিয়া ঘোষণা করে গা ঢাকা দেন সংস্থার কর্ণধার শুভ্রায়ন শীল নামে এক যুবক। রবিবার তাঁকে আটক করেছে বোলপুর থানার পুলিশ। বীরভূমে গোরুপাচার মামলার তদন্তে নেমে একাধিক দুর্নীতির হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। ওই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। বর্তমানে তিনি বন্দি জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে। সিবিআইয়ের দাবি, লটারির টিকিটের মাধ্যমে গোরু পাচারের কোটি কোটি কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। এহেন আবহে জেলায় চিটফান্ডের হদিশ মেলায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    কারবার…

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এসএস কনসালটেন্সি নামের একটি সংস্থা (Chit Fund) শেয়ার বাজারে লগ্নির নামে বাজার থেকে তুলেছে কোটি কোটি টাকা। চড়া সুদ সহ টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে ব্যক্তি বিশেষে দু লাখ থেকে শুরু করে দু কোটি টাকা পর্যন্ত তুলেছে এই সংস্থা। এভাবে তারা বাজার থেকে তুলেছে ৩০ কোটি টাকারও বেশি। পরবর্তীকালে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে গা ঢাকা দেন সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা। মাস তিনেক পরে সংস্থার কর্ণধার শুভ্রায়নকে খুঁজে পান লগ্নিকারীরা। তাঁর বিরুদ্ধে প্রলোভন দেখিয়ে ১৫০ জনেরও বেশি যুবকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: বাজেটে রেকর্ড বরাদ্দ, অথচ জমি জটে আটকে রেল প্রকল্প, খরচ কীভাবে?

    শুভ্রায়নকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করেছে বোলপুর থানার পুলিশ। তিনি শহরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। শুভ্রায়নের গ্রেফতারির খবর পেয়ে তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান লগ্নিকারীরা। তিনি বলেন, আমি একটা কোম্পানি খুলেছিলাম। তাতে আমার অনেক টাকা লোকসান হয়েছে। টাকা ফিরিয়ে দেব বলে আমি ওঁদের কাছে সময় চেয়েছিলাম।

    কয়েকজন লগ্নিকারী বলেন, সুদ সহ টাকা ফেরত দেবে বলে আমাদের কাছে টাকা তুলেছিল (Chit Fund)। বোলপুরের শতাধিক ছেলে লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েছে। সেই টাকা না ফিরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। ৩০ কোটির বেশি টাকা লুঠ করেছে। আমরা চাই পুলিশ আমাদের টাকা আদায় করে দিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: আরও ১৪ দিন জেলের অন্ধকার কুঠুরিতেই থাকতে হবে অনুব্রত মণ্ডলকে

    Anubrata Mondal: আরও ১৪ দিন জেলের অন্ধকার কুঠুরিতেই থাকতে হবে অনুব্রত মণ্ডলকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও ১৪ দিন জেলের অন্ধকার কুঠুরিতেই থাকতে হবে তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। গরু পাচার (Cow Smuggling) মামলায় আজ, শুক্রবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। ১৯ জানুয়ারিও অনুব্রতকে তোলা হয়েছিল আদালতে। সেদিন বিচারকের কাছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই দাবি করেছিল, আরও বেনামি অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে।

    বেনামি অ্যাকাউন্ট…

    বীরভূমের কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ১৭৭টি বেনামি অ্যাকাউন্টের কথা জানা গিয়েছিল আগেই। পরে আরও ৫৪টি বেনামি অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে। সিবিআইয়ের (CBI) তরফে এমনই তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল বিচারকের কাছে। সিবিআইয়ের আইনজীবী সেদিন আদালতে জানিয়েছিলেন, ওইগুলি সব বাফার অ্যাকাউন্ট। ওই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে অনুব্রত (Anubrata Mondal) ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল ঘুরপথে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করেছেন। ওই দিনের পর ফের তল্লাশি চালায় সিবিআই। হদিশ মেলে ১৫০টি নয়া অ্যাকাউন্টের। এই সব তথ্যই তুলে ধরা হয় বিচারকের কাছে।

    আরও পড়ুুন: ‘১০ লাখ চাকরির কথা বলা হয়েছিল, এবার কী হবে?’, আদানিকাণ্ডে রাজ্যকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    এদিকে, এবার দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অনুব্রত। দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্টে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছে। তার পরেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি। বৃহস্পতিবার অনুব্রতর জামিনের আর্জিতে ইডির বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিশ জারি করে দিল্লি হাইকোর্ট। গরু পাচার মামলায় আসানসোল জেলে থাকাকালীনই অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) গ্রেফতার করেছিল ইডি। পরে তাঁকে দিল্লিতে হাজির করানোর পরোয়ানা জারি করেছিল দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্ট।

    ইডি যাতে অনুব্রতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে, তাই। ওই পরোয়ানার বিরুদ্ধে এবং রাউস অ্যাভেনিউ কোর্টের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে আগেই দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছেন অনুব্রত। ইডি তাঁকে গ্রেফতারের পরে কারণ দর্শিয়ে কোনও নথি দেয়নি বলে অভিযোগ জানিয়েও মামলা করা হয়েছে। এই মোট চারটি মামলায়ই এদিন ইডির বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিশ জারি করেছেন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি অনুপ জয়রাম ভাম্বানি। ৮ ফেব্রুয়ারি হবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। এর মধ্যেই ফের ১৪ দিন বাড়ল অনুব্রতের জেল হেফাজতের মেয়াদ। শুক্রবার আদালতে পেশ করার সময় অনুব্রতকে অসুস্থ লাগছিল। তবে আদালতে পেশ করার আগে প্রাথমিক পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তিনি সুস্থই রয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Cow Smuggling Case: গরু পাচারকাণ্ডে এবার সিবিআই নজরে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতারা, জানেন তাঁরা কারা?

    Cow Smuggling Case: গরু পাচারকাণ্ডে এবার সিবিআই নজরে কেষ্ট ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতারা, জানেন তাঁরা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবে মাত্র ‘কেষ্ট-সংস্রব’ এড়িয়ে জেলা ছেড়েছেন তৃণমূল (TMC) নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরে পরেই গরু পাচারকাণ্ডে (Cow Smuggling Case) ফের তৎপর হল সিবিআই (CBI)। অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) আপ্ত সহায়ক ও তাঁর পরিচারককে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। বৃহস্পতিবার বীরভূমের বোলপুরে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে ডেকে পাঠানো হয় অর্ক দত্ত ও বিজয় রজককে। গোয়েন্দাদের দাবি, অর্ক অনুব্রতর আপ্ত সহায়ক ও বিজয় পরিচারক হিসেবে কাজ করতেন।

    সিবিআই নজরে…

    এদিনই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বাহিরি পঞ্চায়েতের প্রধান শুভঙ্কর সাধু ও অনুব্রত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। বিশ্বজ্যোতি ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। বিশ্বজ্যোতির নামেই অনুব্রত গাড়ি কিনেছিলেন বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রত মণ্ডলের কোটি টাকার লটারি জেতার নেপথ্যের কারিগর শুভঙ্কর। এর বিনিময়ে এই তৃণমূল নেতা কী পেয়েছেন, তা জানতে চায় সিবিআই। বিজয় রজক নামে আরও একজনকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছে সিবিআই। তাঁর নামে বেশ কয়েকটি বেনামী অ্যাকাউন্টের খোঁজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: রামলালার বিগ্রহ তৈরির জন্য নেপাল থেকে শিলা পৌঁছাল অযোধ্যায়

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের জেল বন্দি তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ অর্ক দত্তকে জেরা করে বেশ কিছু তথ্য (Cow Smuggling Case) মিলেছে। তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু নথিও পাওয়া গিয়েছে। তদন্তকারীদের হাতে বেশ কিছু ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টও পৌঁছেছে। অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই বেনামে ওই অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছিল বলে সিবিআই সূত্রে খবর। গাড়ি কেনা ও ব্যাঙ্ক লেনদেনের পিছনে গরু পাচারের টাকা রয়েছে কিনা, তা জানতে চাইছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

    বুধবার বীরভূমের প্রশাসনিক সভা থেকে নাম না করে অনুব্রত ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন মমতা। তিনি বলেন, আমার দলের দু একজন নেতাকে গ্রেফতার (Cow Smuggling Case) করেছে। এমনিতেই ভোটের সময় তাঁদের বাড়ির বাইরে বের হতে দিত না। তা সত্ত্বেও মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছেন। সে যতদিন ফিরে না আসবে, ততদিন বীরভূমের সংগঠন আমি দেখব। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তৃণমূল নেত্রী মুখে একথা বললেও, সতেচনভাবে এই দফায় বীরভূম সফরে তিনি এড়িয়ে গিয়েছেন কেষ্ট-সংস্রব। কারণ তৃণমূল নেত্রীর বীরভূম সফরের জন্য যেসব পোস্টার, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন ছাপানো হয়েছিল, তাতে কোথাও কেষ্টর নামগন্ধ পর্যন্ত নেই। পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেষ্ট অনুগামীদের দাক্ষিণ্য পেতেই কী মমতার এই সস্তা কুম্ভীরাশ্রু বিসর্জন? প্রশ্ন দলেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mamata Banerjee: মমতার পাশে নেই কেষ্ট! অনুব্রত-হীন বীরভূমে মুখ বাঁচাতে নয়া কৌশল তৃণমূলের?

    Mamata Banerjee: মমতার পাশে নেই কেষ্ট! অনুব্রত-হীন বীরভূমে মুখ বাঁচাতে নয়া কৌশল তৃণমূলের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের সফরে আজ, সোমবার  বীরভূমে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  তোরণে তোরণে সাজিয়ে তোলা হয়েছে বীরভূমের নানা প্রান্ত। সেখানে বড় বড় করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়, একাধিক জনপ্রতিনিধির ছবি। কিন্তু ব্রাত্য অনুব্রত মণ্ডল। গরুপাচার মামলায় অভিযুক্ত হয়ে আপাতত জেলবন্দি বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন তাই তাঁকে দূরে রেখেই কী পরিকল্পনা সারতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো? প্রশ্ন বোলপুরের অলিতে গলিতে।

    দূরত্ব বাড়ছে!

    জেলার বাসিন্দাদের কথায়, বীরভূমের যে কোনও উৎসব-অনুষ্ঠানের প্রচারে অনুব্রতর ছবি থাকা কার্যত নিয়ম ছিল। সেই বোলপুরেই এবার ব্রাত্য একদা দিদির স্নেহ ধন্য কেষ্ট। কখনও জনসভা, কখনও প্রশাসনিক বৈঠক থেকে বারেবারেই অনুব্রতর পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে দলনেত্রীকে। এমনকি বহু বার জেলা সফরে এসেও অনুব্রতর পাশে দাঁড়িয়ে বিরোধীদের আক্রমণ করেছেন মমতা। এর আগে গত বছর মার্চে বগটুইয়ের ঘটনার পরে পরেই মমতা বীরভূম সফরে এসেছিলেন । তখনও দলের জেলা সভাপতি তথা তাঁর স্নেহের কেষ্টকে পাশে পেয়েছিলেন দলনেত্রী। কিন্তু এখন জল গড়িয়েছে অনেক দূর। এখন তিনি জেলে। তাই অনেকের মতে, দলীয় প্রচারে অনুব্রতর ছবি তোরণে থাকলে জনমানসে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। সেকারণেই ফ্লেক্স থেকে উধাও বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ছবি। 

    আরও পড়ুন: বিজেপি ক্ষমতায় এলেই সিএএ লাগু! মালদার সভায় বিস্ফোরক সুকান্ত

    প্রভাবশালী তকমা এড়াতে!

    অনেকের মতে, আসলে তৃণমূলের কর্মসূচির তোরণে যদি জেলবন্দির অনুব্রতর ছবি থাকে তবে প্রভাবশালী তকমায় ফের ভূষিত হতে পারেন তিনি। এর জেরে অনুব্রতর জামিন পেতে সমস্য়া হতে পারে। সেকারণেই তোরণ থেকে সুকৌশলে জেলবন্দি অনুব্রতর ছবি সরিয়ে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসীচরণ মণ্ডল বলেন, ‘‘ওঁকে বীরের আখ্যা থেকে শুরু করে নানা রকম আখ্যা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত কোনও কিছুতেই কিছু না হওয়ায়, আজ দল থেকে ছেঁটে ফেলতেই ফ্লেক্স থেকে তাঁর ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এ কাজ অনেক আগেই করা উচিত ছিল তৃণমূলের।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Didir Doot: বীরভূমে ফের বিক্ষোভের মুখে ‘দিদির দূত’! অস্বস্তি এড়াতে পাশ কাটিয়ে গেলেন বিধায়ক

    Didir Doot: বীরভূমে ফের বিক্ষোভের মুখে ‘দিদির দূত’! অস্বস্তি এড়াতে পাশ কাটিয়ে গেলেন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিক্ষোভের মুখে ‘দিদির দূত’ (Didir Doot)! এবারও ঘটনাস্থল সেই অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) খাসতালুক বীরভূম। শুক্রবার দিদির দূত হয়ে এলাকায় গিয়েছিলেন সিউড়ির বিধায়ক তৃণমূলের (TMC) বিকাশ রায় চৌধুরী। আবাস দুর্নীতি ইস্যুতে স্থানীয় প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিধায়ককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূলেরই কর্মী-সমর্থকরা। বিকাশের সামনে তাঁরই বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন তৃণমূলের লোকজন। অস্বস্তি এড়াতে দ্রুত পাশ কাটিয়ে চলে যান বিকাশ। ঘটনার জেরে অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব।

    দিদির দূত…

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার সকালে সিউড়ির আলুন্দা পঞ্চায়েতের জুনিদপুর গ্রামে দিদির দূত (Didir Doot) হয়ে গিয়েছিলেন বিকাশ। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির জন্য কাটমানি নিয়েছেন প্রধান। আবাস যোজনায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁদের। এলাকার নিকাশি ব্যবস্থাও বেহাল বলে অভিযোগ তাঁদের। ঘটনার জেরে অস্বস্তিতে পড়ে যান বিধায়ক। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পাশ কাটিয়ে চলে যান তিনি। পরিস্থিতি সামাল দিতে সাফাই গাইতে থাকেন প্রধান। তিনি বলেন, সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। প্রধান বলেন, কে কী করছে, সেটা আমি বলতে পারব না। এখন জব কার্ড হচ্ছে না। জব কার্ড দেওয়ার ক্ষমতা এখন কারও নেই। অপপ্রচার চলছে।

    আরও পড়ুুন: মোষের গাড়িতে কয়লা পাচার! পুলিশ দেখেই অন্ধকারে মিলিয়ে গেল চালকরা

    প্রধানের দাবি, যাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, তাঁরা বিরোধী দলের সদস্য। স্থানীয় সূত্রে খবর, কিছুক্ষণ পরে অবশ্য স্থানীয় একটি ক্লাবে বসে গ্রামবাসীদের অভাব অভিযোগের কথা শোনেন বিধায়ক। প্রধানের পাশে দাঁড়িয়েই এদিন তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও নেতা যদি মানুষকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার, দল তা নেবে।

    বিধায়কের পাশাপাশি এদিন জন-বিক্ষোভের মুখে পড়েন সাংসদ তৃণমূলের শতাব্দী রায়। দিদির দূত (Didir Doot) হয়ে গিয়ে এর আগেও একবার বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তিনি। এদিন পড়লেন ফের। স্থানীয় সূত্রে খবর, সিউড়ির কৈখি গ্রামে তাঁর গাড়ি আটকে রাস্তা ও পানীয় জল নিয়ে অভিযোগ করেন এক বৃদ্ধা। পরে গ্রামে গেলে সেখানেও সাংসদকে ঘিরে রাস্তা এবং নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয়রা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জন-মন যাচাই করতে দিদির দূত কর্মসূচি হাতে নেয় তৃণমূল। তা যে এমন বুমেরাং হয়ে ফিরবে, তা বোধহয় ভাবতেও পারেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Coal Smuggling: মোষের গাড়িতে কয়লা পাচার! পুলিশ দেখেই অন্ধকারে মিলিয়ে গেল চালকরা

    Coal Smuggling: মোষের গাড়িতে কয়লা পাচার! পুলিশ দেখেই অন্ধকারে মিলিয়ে গেল চালকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুলকি চালে চলছে মোষের গাড়ি। মোষের পিঠে লাঠির ঘা দিতে দিতে চালক বলছেন, হ্যাট, হ্যাট। মার খেয়ে জোরে গাড়ি টানার চেষ্টা করছে মোষ। বাঁশ আর চটে ঘেরা মোষের গাড়িতে  পাচার হচ্ছিল কয়লা (Coal Smuggling)। বস্তায় ভরা। ওপরে ছড়ানো ছিল খড়। এক ঝলক দেখলে মনে হয়, গবাদি পশুর খাবার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে মোষের গাড়ি টানার ধরন দেখে সন্দেহ হয় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের। গাড়ি থামান তাঁরা। পুলিশ দেখে আঁধার রাতে গা ঢাকা দিয়েছেন মোষের গাড়ির চালকরা। খড় সরিয়ে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। দেখে, বস্তায় ভর্তি কয়লা। পরপর ছটি গাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয় প্রায় ১২ টন কয়লা। শুক্রবার গভীর রাতে ওই কয়লা বাজেয়াপ্ত হয়েছে বীরভূমের (Birbhum) সদাইপুর থানার রেঙ্গুনি গ্রামের রাস্তা থেকে। ছটি গাড়ি ভর্তি কয়লা কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    কয়লা পাচার…

    পুলিশ জানিয়েছে, দুবরাজপুরের সালুঞ্চি গ্রাম থেকে সদাইপুর এলাকা হয়ে সিউড়ির দিকে যাচ্ছিল ৬টি মোষের গাড়ি। সূত্র মারফত খবর পেয়ে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, মোষের গাড়িগুলিতে কয়লা বোঝাই রয়েছে। সেই মতো রেঙ্গুনি গ্রামের রাস্তায় ওত পেতেছিল পুলিশ। গাড়িগুলি ওই এলাকায় আসতেই সেগুলিকে আটক করা হয়। বাজেয়াপ্ত হয় কয়লা।

    এদিকে, কয়লা পাচার করতে গিয়ে মহম্মদবাজার থানার পুলিশের হাতে ধৃত এক ট্রাক চালক। ভুয়ো চালান কেটে ইসিএলের খনি থেকে কলয়া পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, ট্রাক চালক যে চালান দেখান, তাতে মুর্শিদাবাদের এক ব্যক্তির নাম ছিল। যদিও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, এই কয়লা তাঁর নয় বলে পুলিশকে জানিয়ে দেন ওই ব্যক্তি। পরে অবশ্য ওই কয়লা ঝাড়খণ্ডে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে স্বীকার করেন ট্রাক চালক। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: বেনামি অ্যাকাউন্টে নথি কার? গরুপাচার কাণ্ডে আরও ঘনীভূত রহস্য

    এর আগেও বীরভূমের বিভিন্ন এালাকায় কয়লা পাচারের অভিযোগ উঠেছে। লরি, পিকআপ ভ্যানের পাশাপাশি মোষের গাড়ি মায় বাইকে করেও কয়লা পাচারের অভিযোগ উঠেছে। কয়লা পাচারকে কেন্দ্র করে কোটি কোটি টাকা লেনদেন হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করছে ইডি, সিবিআই। গ্রেফতার করা হয়েছে অনেককে। তার পরেও রাশ টানা যায়নি কালো হীরে পাচারে। বীরভূম রয়েছে বীরভূমেই!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

     

  • Shatabdi Roy: ‘পোজ’ দিয়েই মাংস-ভাত ছেড়ে উঠে গেলেন শতাব্দী, বীরভূমের ঘটনায় অস্বস্তিতে তৃণমূল

    Shatabdi Roy: ‘পোজ’ দিয়েই মাংস-ভাত ছেড়ে উঠে গেলেন শতাব্দী, বীরভূমের ঘটনায় অস্বস্তিতে তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শালপাতায় সাজানো ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত। ভাতের পাশেই সাজানো অদিনের এঁচোড়ের তরকারি, মাছ, খাসির মাংস। দাওয়ায় পাতা এই পাতের আসনে যিনি বসে রয়েছেন তিনি বীরভূমের (Birbhum)  সাংসদ তৃণমূলের (TMC) শতাব্দী রায় (Shatabdi Roy)। তাঁর ডানদিক বাঁদিকের আসনে বসেছেন তৃণমূলেরই আরও কয়েকজন নেতা। নেত্রী পাতে বসেই সযত্নে টেনে নিলেন ভাতের পাতা। সঙ্গে সঙ্গে ঝলসে উঠল সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরা।

    অস্বস্তিপর্ব…

    পোজ দেওয়া শেষ হতেই পাত ছেড়ে শতাব্দী পড়লেন উঠে। খাবেন বলে যাঁরা এতক্ষণ ভাত নিয়ে নাড়াচাড়া করছিলেন, তাঁরা খানিক থমকে গেলেন। অস্বস্তিপর্ব কাটিয়ে তাঁরা অবশ্য জমিয়ে খেলেন মাংসভাত। শুক্র-দুপুরে এ দৃশ্য দেখা গেল বিষ্ণুপুরে, এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে। ঘটনার জেরে যারপরনাই অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। কেন ভাত না খেয়েই পাত ছেড়ে উঠে গেলেন, সে ব্যাপারে মুখে কুলুপ শতাব্দীর। তবে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার সাফাই, দিদি হয়তো বাড়ির ভিতরে বসে খেয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: দিল্লির পাক দূতাবাসে যৌন হেনস্থা! ভিসার জন্য অস্বস্তিকর প্রশ্নের সামনে ভারতীয় মহিলা

    এদিন দিদির সুরক্ষাকবচ কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন শতাব্দী। তেঁতুলিয়া গ্রামে দলীয় এক কর্মীর বাড়িতে করা হয়েছিল মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন। সেখানেই দলকে অস্বস্তিতে ফেললেন শতাব্দী (Shatabdi Roy)। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জনসংযোগ বাড়াতে দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি শুরু করেছে তৃণমূল। গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষের কথা শুনবেন দলের নেতারা। সেই অনুযায়ী ময়দানে নেমেও পড়েছেন তাঁরা। এই কর্মসূচিতে যোগ দিতে বীরভূমে গিয়ে দলকে বিড়ম্বনায় ফেললেন তৃণমূল নেত্রী। বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, ছবি তোলার ছিল, তোলা হয়ে গিয়েছে, উঠে পড়েছেন। খেতে যে পারবেন না সে তো জানাই ছিল।

    এদিকে, এদিন দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন শতাব্দী। রামপুরহাটের মাড়গ্রামে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা করেন তিনি (Shatabdi Roy)। পরে বলেন, অনেকরই অভিযোগ, তাঁরা আবাস যোজনার বাড়ি, বার্ধক্যভাতা পাননি। দুয়ারে সরকারের সুবিধাও কেউ কেউ পাননি বলে জানালেন। তাঁদের কথা শুনেছি। সকলের যেমন হয়েছে, ওঁদেরও হবে। তিনি বলেন, সকলেই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share