Tag: Birbhum

Birbhum

  • Sushovan Bandyopadhyay: ওনার কথা আজও মনে পড়ে! প্রয়াত চিকিৎসক সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেয়েকে চিঠি মোদির

    Sushovan Bandyopadhyay: ওনার কথা আজও মনে পড়ে! প্রয়াত চিকিৎসক সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেয়েকে চিঠি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ্মশ্রী প্রাপ্ত ডাক্তার প্রয়াত সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেয়ে মন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শোকবার্তা পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। তিনি চিঠিতে লেখেন, ‘ডাক্তার সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বশ্রেষ্ঠ মানবাত্মার প্রতীক। অসংখ্য মানুষের রোগ উপশমকারী একজন দয়ালু ও উদারহৃদয় চিকিৎসক হিসেবেই তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর মৃত্যুতে আমি শোকাহত। তাঁর পরিবারের পাশে আছি। ওনার জায়গা পূরণ হওয়ার নয়। ওনার চলে যাওয়া এক অপূরণীয় ক্ষতি। উনি না থাকলেও ওনার আদর্শ এবং কাজ আমাদের মধ্যে চিরদিন থেকে যাবে।’ প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ‘পদ্ম পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের সময় তাঁর সঙ্গে মত বিনিময়ের কথা আমার আজও মনে আছে । তাঁর প্রয়াণে আমি ব্যথিত।’ এর আগে তাঁর প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করে ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী।

    গত ২৬ জুলাই প্রয়াত হন বোলপুরের ((Bolpur) অত্যন্ত জনপ্রিয় চিকিৎসক ‘১ টাকার ডাক্তার’ (1 Rupee doctor) সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায় (Sushobhan Banerjee)। কিডনির সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন তিনি। ৮৪ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ফেলেন (Demise) তিনি। বছরের পর বছর ধরে এলাকায় এক টাকার ডাক্তার হিসাবে পরিচিত ছিলেন, সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়। বোলপুরের হরগৌরিতলায় ৫৭ বছর ধরে মাত্র এক টাকায় রোগী দেখে আসছিলেন তিনি। গরিব মানুষদের জন্য তিনি ছিলেন নিবেদিত প্রাণ।

    আরও পড়ুন: ভালো নেই সলমন রুশদি, হারাতে পারেন একটি চোখ

    ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দের ৩০ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেছিলেন ডাক্তার সুশোভন ব্যানার্জি।  গত কয়েক মাস ধরেই কিডনি সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিলেন। ধারাবাহিকভাবে চলছিল তাঁর ডায়ালাইসিস। তবে এই ডায়ালাইসিস চলাকালীনও তিনি যতটা সম্ভব রোগীদের পরিষেবা দিয়েছেন। এরই মধ্যে ১৫-২০ দিন আগে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁকে ভর্তি করা হয় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সুশোভনবাবু আজীবন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট সদস্য ছিলেন। সাধারণ মানুষের আর্জি মেনে নিয়ে জীবিত অবস্থায় বোলপুরে তিনি নিজের মূর্তি উন্মোচন করেছিলেন।

  • Sukanta on Anubrata: “বাঁচার চেষ্টা করবেন…বেশিদিন বাঁচতে পারবেন না”, কার সম্পর্কে একথা বললেন সুকান্ত?

    Sukanta on Anubrata: “বাঁচার চেষ্টা করবেন…বেশিদিন বাঁচতে পারবেন না”, কার সম্পর্কে একথা বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বীরভূমের (birbhum) তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি ডেরায় গিয়ে এবার অনুব্রতকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তৃণমূল (tmc) নেতার অসুস্থতা সম্পর্কে তাঁর ইঙ্গিত, কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের এড়াতেই ফের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার ডেউচা-পাঁচামিতে ‘উচ্ছেদ বিরোধী’ পদযাত্রায় যোগ দিতে বীরভূম গিয়েছিলেন সুকান্ত। ছিলেন তারাপীঠের একটি হোটেলে। শুক্রবার সকালে যান তারাপীঠ মন্দিরে (tarapith temple)। সেখানেই সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অনুব্রতকে (Anubrata Mandal) নিয়ে মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, “বেশ কিছুদিন অসুস্থ থাকবেন তিনি। আমরা জানি তো। তিনি অসুস্থ থাকবেন এবং অসুস্থ থেকে বাঁচার চেষ্টা করবেন। তবে বেশিদিন বাঁচতে পারবেন না এটুকু বলতে পারি।”

    সিবিআই গ্রেফতারি এড়াতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অনুব্রত। পরে ৬ এপ্রিল অসুস্থ হয়ে পড়ায় ভর্তি হন এসএসকেএম হাসপাতালে। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও, বুধবার রাতে ফের বুকে ব্যথা অনুভর করেন। এবার ভর্তি হন বাইপাসের ধারের এক বেসরকারি হাসপাতালে। এই নিয়েই কটাক্ষ করেন সুকান্ত।

    কেবল অনুব্রত নন, এদিন সুকান্তের নিশানায় ছিল রাজ্য সরকারও। মাসখানেকের মধ্যে শুধু বীরভূমেই চারটি ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে সুকান্তের কটাক্ষ, রাজ্যে যেভাবে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে, তাতে মা-বোনেরা সুরক্ষিত নন। মা-বোনেদের সুরক্ষা চাওয়ার জন্যই মা তারার কাছে আজ পুজো দেওয়া। বিজেপির রাজ্য সভাপতি জানান, ইতিমধ্যেই একাধিক ধর্ষণ ও অন্যান্য ঘটনায় আদালত সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের এই সব নির্দেশেই স্পষ্ট, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। রাজ্য পুলিশের ওপর আদালতের বিচারকের কোনও ভরসা নেই।

    আরও পড়ুন : “বাংলা জেহাদিদের আঁতুড়ঘর”, বিএসএফের রাইফেল ছিনতাইকাণ্ডে ট্যুইট সুকান্তর

    রাজ্য পুলিশকেও কটাক্ষ করেছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, পুলিশ যে অপারগ, তা দেখা যাচ্ছে। যেখানে রাজনৈতিক কোনই ইন্ধন রয়েছে, সেখানে পুলিশকে দেখে বোঝা যাচ্ছে, তারা নখ-দন্তহীন কেমন একটা বাঘ।

     

  • Cbi on Bhadu Sheikh murder: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে খুন হন ভাদু শেখ, বলছে সিবিআই রিপোর্ট

    Cbi on Bhadu Sheikh murder: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে খুন হন ভাদু শেখ, বলছে সিবিআই রিপোর্ট

    কলকাতা: বখরার টাকার ভাগ বাঁটোয়ারার পরিণতিতেই বগটুইয়ের(bogtui) ঘটনা ঘটেছিল। সিবিআইয়ের (CBI) প্রাথমিক রিপোর্ট পাওয়ার পর অন্তত এমনই মনে করছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High court)। সেই কারণেই স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনেও (bhadu sheikh murder) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।

    ২১ মার্চ রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ খুন হন রামপুরহাটের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তৃণমূলের ভাদু শেখ। এর ঘণ্টা দুয়েক পরেই বগটুই গ্রামে কার্যত তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় ৯ জনকে। ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করে রাজ্য সরকার (West Bengal government)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) নির্দেশে তারাপীঠ থেকে সিট গ্রেফতার করে তৃণমূলের তৎকালীন ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেনকে (Anarul Hossain)। যদিও আনারুলের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আত্মসমর্পণ করেছেন তিনি।

    বগটুইকাণ্ডের তদন্তে সিবিআই দাবি করেন বিরোধীরা। স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সিবিআই তদন্তের (CBI investigation) নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টও। ৮ এপ্রিল সিবিআই প্রাথমিক রিপোর্ট দেয়। সেই রিপোর্ট থেকেই জানা যায়, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়ার জেরে ঘটে বগটুইয়ের ঘটনা। ওই রাতে ভাদু শেখ খুনের পরেই শুরু হয় বদলা নেওয়ার পালা। যার জেরে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে লাশ হয়ে যান ৯ জন। এর পরেই ভাদু শেখ খুনেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ। ভাদু শেখ খুনের নেপথ্যে যে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বখরা সংক্রান্ত কোনও বিবাদ রয়েছে, তা সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। একই দাবি জানিয়েছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। এদিন সিবিআইয়ের কাছ থেকে প্রাথমিক রিপোর্ট পেয়ে আদালতও মনে করছে, বখরা সংক্রান্ত গন্ডগোলের জেরেই বগটুইকাণ্ড। সেই কারণেই ভাদু শেখ খুনেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ।

LinkedIn
Share