Tag: Birbhum

Birbhum

  • Birbhum:  অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, বীরভূমে যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকে নম্বরও সমান

    Birbhum: অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, বীরভূমে যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকে নম্বরও সমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাটের দুই যমজ ভাইয়ের মাধ্যমিকের ফল দেখে হতবাক হয়ে যান এলাকাবাসী। কারণ, যমজ পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর সমান। আর দু’জনের নম্বর এক হওয়ায় স্কুলের মধ্যে যুগ্মভাবে প্রথম হয়েছে তারা। এই ঘটনাই অবাক করেছে অভিভাবক, প্রতিবেশী থেকে শুরু করে স্কুল শিক্ষকদেরও। ফল বের হওয়ার পর দুই ভাইয়ের নম্বর একই হওয়ায় পাড়া প্রতিবেশী স্বচক্ষে তাদের মার্কশিট দেখতে বাড়়িতে হাজির হয়েছিলেন। অনেকে আবার দুজনের ছবিও মোবাইলবন্দি করেছেন। তবে, কোনও অঙ্কে তারা দুজনেই মাধ্যমিক পরীক্ষায় এক নম্বর পেল তা তারা নিজেরাও জানে না।

    যমজদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৭ (Birbhum)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই পড়ুয়ার নাম মহম্মদ মোক্তার নাবিল এবং মহম্মদ মোক্তার জাহিন। তারা যমজ ভাই। দু’জনের জন্মের সময়ের পার্থক্য মাত্র এক মিনিটের। দুই ভাই দেখতেও হুবহু এক। রামপুরহাট (Birbhum) এক নম্বর ব্লকের কাষ্ঠগড়া রামকৃষ্ণ নেতাজি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র তারা দুজনেই। আর এই দুই ছাত্রই এবার দিয়েছিল মাধ্যমিক পরীক্ষা। ফলাফল প্রকাশ হতেই কার্যত চোখ ছানাবড়া হয়েছে অভিভাবক থেকে প্রতিবেশীদের। কারণ, জমজ এই দুই ভাইয়ের ঝুলিতে এসেছে যমজ নম্বর। তাদের দু’জনেরই মোট প্রাপ্ত নম্বর ৬৭৭। দুই যমজ ভাইয়ের বক্তব্য, আমরা একসঙ্গে নিময় মেনে পড়াশুনা করতাম এমন নয়। তবে, দুজনেই যতটুকু পড়তাম মন দিয়ে পড়তাম। আমরা ভাল ফল করার আশা করেছিলাম। তবে, দুই ভাই একই নম্বর পাব তা আশা করিনি। আমরাও অবাক হয়ে গিয়েছি।

    স্কুলের শিক্ষকরা কী বললেন?

    স্কুলের শিক্ষকদের বক্তব্য, জন্মসূত্রে তারা যমজ। এটা ওদের দুজনকে দেখলেই সবাই বলে দেবে। একসঙ্গেই বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা দুই ভাইয়ের একই স্কুলে। পড়াশুনায় দুজনেই ভাল।  যমজ হওয়ায় দুইজনের একাধিক মিল রয়েছে। দুজনে ভাল ফল করবে তা আমরা আশা করেছিলাম। তবে, দুজনেই যে একই নম্বর পাবে আমরা ভাবতে পারছি না। এটা আমাদের সকলকে অবাক করেছে।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল,” বীরভূমে ভোট প্রচারে বিস্ফোরক মোদি

    Narendra Modi: “রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল,” বীরভূমে ভোট প্রচারে বিস্ফোরক মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই রাজ্যে দুর্নীতির দোকান খুলে বসেছে তৃণমূল। তৃণমূল নেতারা দুর্নীতিতে রেকর্ড করেছে। শুক্রবার বোলপুরে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়া সাহা ও বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী দেবতনু ভট্টাচার্যের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে এসে রাজ্যের শাসক দলকে এভাবেই তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সন্দেশখালির ঘটনা নিয়েও তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সন্দেশখালি যে ঘটনা ঘটেছে তা তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা সবকিছু জানত।

    ছোটদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছে তৃণমূল (Narendra Modi)

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, তৃণমূলের তোলাবাজি চলতে দেব না। এটা মোদীর গ্যারান্টি। সমস্ত লুঠ, সমস্ত দুর্নীতির তদন্ত হবেই। বাংলার বিকাশের জন্য সব বুথে বিজেপিকে জেতাতে হবে। প্রিয়া সাহা, দেবতনু ভট্টাচার্যকে জেতাতে হবে। তাঁরা যে ভোট পাবেন তাতে মোদির শক্তি বাড়বে। প্রতিটা ভোট মোদির খাতায় যাবে। তিনি বলেন, শিক্ষকরা ছেলেমেয়ের ভবিষ্যৎ তৈরি করে। তৃণমূল তাতেও দুর্নীতি করেছে। শিক্ষকদের চাকরি তো গিয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে ছোটদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছে তৃণমূল সরকার।

    আরও পড়ুন: “নামটা শাহজাহান বলেই কি বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    দেশে তৃণমূল ১৫টি আসন, কংগ্রেস ৫০টি আসন পাবে!

    এদিন নদিয়ার তেহট্টের শ্যামনগরে কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী রানিমা অমৃতা রায় ও রানাঘাটের দলীয় প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের সমর্থনে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। মঞ্চে উঠে প্রায় ২৫ মিনিট বক্তব্য রাখেন মোদি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি (Narendra Modi) বলেন, গোটা দেশজুড়ে তৃণমূল ১৫টির বেশি আসন পাবে না। আর কংগ্রেসকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, কংগ্রেসের যা অবস্থা তাতে হাফ সেঞ্চুরি পার করতে পারবে না কংগ্রেস। সেই কারণে এ বছর একমাত্র সরকার গড়তে পারে বিজেপির এনডিএ সরকার। পাশাপাশি বাম মোর্চার লাল ঝান্ডা বিলীন হয়ে গিয়েছে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন, এবারের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ সরকার এলে দেশে আরও উন্নয়ন হবে। তৃণমূল যেভাবে তোলাবাজি করেছে আর মহিলাদের ওপর অত্যাচার করেছে, তাতে এবার সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে সাজা দিতে চায়। গ্রাম কিংবা শহর সবাই একই কথা বলছে, এইবার মোদি সরকার। তিনি বলেন, কৃষ্ণনগর এবং রানাঘাটের সাধারণ মানুষকে গ্যারান্টি দিচ্ছি, যেখানে যেখানে তৃণমূল তোলাবাজি করেছে সেই টাকার হিসাব নেওয়া হবে। সেই টাকা সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সিএএ নিয়েও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, তৃণমূল যতই চেষ্টা করুক সিএএ লাগু হওয়া থেকে আটকাতে পারবে না। সাধারণ মানুষ তাদের প্রাপ্য অধিকার পাবে। তিনি বলেন, তৃণমূল কখনও সাংবিধান মেনে কাজ করে না।

    হুমায়ুন কবীরের সমালোচনা করলেন মোদি

    দুদিন আগে মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদ জেলায় আমরা ৭০ শতাংশ রয়েছি। আর তোমরা ৩০ শতাংশ রয়েছ। মনে করলে দুঘণ্টার মধ্যে ভাগীরথীর জলে ফেলে দিতে পারি। নাম না করে হিন্দুদের হুঁশিয়ারি দেওয়ার এই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। এদিন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেন, তৃণমূল বিধায়ক প্রকাশ্যে হিন্দুদের জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এই রাজ্যে হিন্দুদের কী অবস্থা। এটা একজন বিধায়কের মুখে ভাষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: রাস্তার কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, ফের প্রচারে বেরিয়ে তোপের মুখে শতাব্দী

    Lok Sabha Election 2024: রাস্তার কাজে দুর্নীতির অভিযোগ, ফের প্রচারে বেরিয়ে তোপের মুখে শতাব্দী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তার কাজের মান নিয়ে ফের তোপের মুখে শতাব্দী রায়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সিউড়ি ১ ব্লকের আলুন্দা পঞ্চায়েতে নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। কিন্তু রাস্তায় নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে এবং মানুষের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলিকে পূরণ না করার অভিযোগে আগেও সরব হয়েছেন জেলার মানুষ। যদিও এদিনের অভিযোগের কথা গুরুত্ব দিতে নারাজ ছিল এই তৃণমূল প্রার্থী। পাল্টা এলাকার মানুষের দাবি ভোটে বোঝাবো।

    প্রচারে ফের তোপের মুখে (Lok Sabha Election 2024)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের ইটাগড়িয়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে পৌঁছালে স্থানীয় কয়েকজন যুবক, তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী বলেন সিউড়ি-সাঁইথিয়া রাস্তা সারাইয়ের ক্ষেত্রে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে বলে তোপ দাগেন। এখনেই শেষ নয়, রাস্তার পিচ তুলে নিয়ে দেখান বলেও জানা গিয়েছে। এলাকার মানুষের আরও অভিযোগ ছিল, দীর্ঘ দিন ধরে বেহাল অবস্থায় ছিল এই রাস্তা। কিছু দিন আগে পূর্ত দফতর কাজ শুরু করেছিল। কিন্তু এই কাজ নিয়ম মেনে করা হচ্ছে না। আবার স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াকুবউদ্দিন বলেন, “রাস্তায় পিচ কি কখনও হাতে করে তুলে দেওয়া যায়? এই কাজে প্রচুর দুর্নীতি হয়েছে। এই বিষয়ে আমরা তাঁকে বললাম। কোনও কাজ হবে না বলে মনে করছি। ভোটে আমরাও বোঝাবো।”

    পূর্ত দফতরের বক্তব্য

    পূর্ত দফতরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার উৎপল চৌধুরী বলেন, “বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় মানুষেরা নানা কারণে কাজ আটকে রেখেছেন, না হলে কাজ কয়েক মাস আগেই শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। যেখানে কাজ হয়ে গিয়েছে সেখানে কোনও ত্রুটি নেই।”

    আরও পড়ুনঃ “নামটা শাহজাহান বলেই কী বাঁচানোর চেষ্টা!,” সংখ্যালঘু ইস্যুতে তৃণমূলকে তোপ মোদির

    তৃণমূলের বক্তব্য

    আবার তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “এখন জেলায় প্রচুর তাপমাত্রা রয়েছে। ফলে নতুন কাজ হওয়া রাস্তায় পিচ কিছুটা নরম হয়ে গিয়েছে। ফলে ভুল ত্রুটি ধরতে যাওয়াটা ঠিক নয়।” অবশ্য শতাব্দী যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে মানুষের এই অভিযোগ বা তোপকে মানতে নারাজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: যোগীর সভায় যাওয়ার কারণে বিজেপি কর্মীকে বেধড়়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Birbhum: যোগীর সভায় যাওয়ার কারণে বিজেপি কর্মীকে বেধড়়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদিত্যনাথ যোগীর জনসভায় গিয়েছিলেন। এটাই বিজেপি কর্মীর অপরাধ। আর তার জেরেই প্রকাশ্যেই বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) সিউড়ি থানার গাংটে গ্রামে। আহত বিজেপি কর্মীর নাম মিলন বেদে। তিনি এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসাবে পরিচিত। ভোটের আগে এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    স্থানীয় ও  দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপি কর্মী মিলনবাবুর বাড়ি বীরভূমের (Birbhum) সিউড়ি থানার গাংটে গ্রামে। মঙ্গলবার বীরভূমের সিউড়িতে যোগী সভা করতে আসেন। সেই সভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন মিলনবাবু। সভা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। এমনকী ছেলেকে মারতে দেখে তাঁর মা বাঁচাতে যান। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাঁর মাকেও মারধর করে বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানার পরই গ্রামে যায় পুলিশ। জখম বিজেপি কর্মী ও তাঁর মাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। জখম বিজেপি কর্মী মিলন বেদে বলেন, যোগীর সভা থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। সেই সময় তৃণমূল দুষ্কৃতী গ্রামের মধ্যে আমার ওপর হামলা করে। মদ খেয়ে ছিল সকলে। আমার মাকেও মেরেছে তৃণমূলের বুথ সভাপতি। আবার বিজেপির মিটিংয়ে গেলে আরও খারাপ অবস্থা করব বলে হুমকি দিয়ে যায়। চরম আতঙ্কে রয়েছি।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, আসলে যোগীর জনসভায় জমায়েত দেখে তৃণমূলের ঘুম উড়ে গিয়েছে। এখন এভাবে কর্মীদের ওপর সন্ত্রাস করে মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। অন্যদিকে, তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, এটা ওদের পারিবারিক ঘটনা। নিজেদের মধ্যে বিবাদ হচ্ছিল। সেই কারণেই হয়েছে। রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Debashis Dhar: মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে গেলেন দেবাশিস ধর

    Debashis Dhar: মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে গেলেন দেবাশিস ধর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারের তরফে নো ডিউ সার্টিফিকেট না মেলায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করেছেন রিটার্নিং অফিসার। সরকারের বৈমাতৃসুলভ আচরণের প্রতিবাদে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হলেন প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর (Debashis Dhar)। রাজ্য প্রশাসনের অঙ্গুলিহেলনে পুলিশের দীর্ঘদিন কোনঠাসা ছিলেন। পুলিশের চাকরি ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছিলেন তিনি। অভিযোগ ছিল শীতলখুচিকান্ডের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্দেশেই তাঁকে পুলিশে কোণঠাসা করে রাখা হয়।

    একাধিক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ (Debashis Dhar)

    দেবাশিস (Debashis Dhar) আগেই জানিয়েছেন শীতলখুচি (Sitalkuchi) কান্ডর পর বিভিন্ন মামলায় সাক্ষী করা হলেও আসামীর মত ব্যবহার করা হয় তাঁর সঙ্গে। একাধিক অনিয়মের মামলায় ফাঁসানো হয় তাঁকে। যদিও সাজানো মামলা ঠান্ডা ঘরে চলে গিয়েছে। চাকরি থেকে সাসপেন্ড ছিলেন দীর্ঘকাল। রাজনৈতিক জীবনেও তাঁর পথে কাঁটা বিছিয়ে রেখেছে রাজ্য। লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন দিয়েছিলেন দেবাশীষ ধর (Debashis Dhar)। পুলিশের চাকরি ছেড়ে দলে আসা দেবাশিসকে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট দিয়েছিল বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী শতাব্দী রায়। ভয় না পেয়ে তিনি কার্যত জোর কদমে লড়াই শুরু করেছিলেন। গত সপ্তাহে তিনি মনোনয়ন জমা দেন। কিন্তু সরকারের তরফে নো ডিউ সার্টিফিকেট তাঁকে না দেওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। বিকল্প প্রার্থী হিসেবে দেবতনু ভট্টাচার্যকে (Debtanu Bhattacharya) এই কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুনঃ “টানা ৬দিন পানীয় জল নেই,” সৌগত রায়কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ মহিলাদের

    বিজেপির বক্তব্য

    প্রসঙ্গত বীরভূমের প্রার্থীর (Debashis Dhar) মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পর বিজেপির (BJP) রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (Jagannath Chattopadhyay) সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)) চ্যালেঞ্জ জানানো হবে। এরপরই সোমবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন দেবাশীষ বাবু। বিজেপি নেতার আইনজীবী জানিয়েছেন, “লোকসভা নির্বাচন যেহেতু আসন্ন। তাই এই মামলার যাতে দ্রুত শুনানি হয় এবং আদালত যাতে মক্কেলকে রাজ্য সরকারকে দ্রুত নো ডিউ সার্টিফিকেট প্রদান করে সেই আবেদন করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum BJP Candidate: বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধরের  মনোনয়ন বাতিল, লড়াইয়ে এবার দেবতনু

    Birbhum BJP Candidate: বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধরের মনোনয়ন বাতিল, লড়াইয়ে এবার দেবতনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পুরো দমে চলছে ভোটের হাওয়া। আর এরই মধ্যে এবার বীরভূমের (Birbhum) বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধরের (Debasish Dhar) মনোনয়ন বাতিল করল নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৩ মে, চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ বীরভূম কেন্দ্রে। আর তার আগে শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তরফ থেকে এই প্রাক্তন আইপিএসের প্রার্থী (Birbhum BJP Candidate) পদ বাতিল করা হয়েছে।

    ঠিক কী কারনে মনোনয়ন বাতিল (Birbhum BJP Candidate)?

    জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের তরফে ‘নো ডিউজ’ সার্টিফিকেট না দেওয়ায় বাতিল করা হয়েছে প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিসের (Birbhum BJP Candidate) মনোনয়ন। মনোনয়ন (Nomination) বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে দেবাশিস জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব এই বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবেন তিনি।

    নতুন প্রার্থীর নাম ঘোষণা বিজেপির

    তবে কোনও পরিস্থিতিতেই জমি ছাড়তে নারাজ বিজেপি। দেবাশিসের (Birbhum BJP Candidate) মনোনয়ন বাতিল হতেই তড়িঘড়ি ওই আসনে নতুন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। নয়া প্রার্থীর নাম দেবতনু ভট্টাচার্য। ২০২১ সালের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন দেবতনু। বিজেপি সূত্রে খবর, এ বারের লোকসভা ভোটে বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রের সাংগঠনিক কাজকর্ম করছিলেন দেবতনু। বুধবার পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী, কালনা, কাটোয়ায় সাংগঠনিক বৈঠকেও ছিলেন তিনি। এরপর বৃহস্পতিবার বিজেপির তরফ থেকে তাঁকে সিউড়িতে চলে আসতে বলা হয়। তারপর ওই দিন তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    আরও পড়ুন:”বিজেপিকে ভোট দিন”, তৃণমূল প্রার্থীর নামে বিতর্কিত লিফলেটে শোরগোল বালুরঘাটে

    আঁচ আগেই পেয়েছিল বিজেপি

    যদিও এমন কিছু যে ঘটতে পারে তার আঁচ আগেই টের পেয়েছিল বিজেপি। বিজেপি (BJP) সূত্রে দাবি করা হয়েছিল, দেবাশিসের (Birbhum BJP Candidate) প্রার্থিপদ নিয়ে কিছু সমস্যা রয়েছে। মূলত নথিপত্র সংক্রান্ত সমস্যা। সেই কারণেই বিকল্প হিসাবে দেবতনুর নাম ভাবা হয়েছে। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে সাঁইথিয়ার পুনুর গ্রামে ঢোল বাজিয়ে প্রচারে মেতেছিলেন দেবাশিস। ঠিক সেই সময়েই বীরভূম আসনে পদ্ম প্রতীকেই মনোনয়নপত্র জমা দেন দেবতনু ভট্টাচার্য। এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্য়ায় জানিয়েছিলেন, “কোনও ষড়যন্ত্র করা হতে পারে, তাই এই সিদ্ধান্ত।” আর তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বাতিল হল দেবাশিস ধরের প্রার্থী পদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: শতাব্দীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে তিনশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    Birbhum: শতাব্দীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে তিনশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘু ভোটের ওপর ভরসা করেই তৃণমূল অনেক আসনে বাজিমাত করে। বিশেষ করে বীরভূমে (Birbhum) সংখ্যালঘু ভোট তৃণমূলের মস্ত বড় ভোটব্যাঙ্ক। এমনই দাবি বিরোধীদের। এবার সেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষও কি তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে? তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানিয়ে প্রায় ৩০০টি সংখ্যালঘু পরিবার বিজেপিতে যোগদান করল। ভোটের মুখে এই যোগদানে বিজেপি কর্মীরা নতুন করে অক্সিজেন পেতে শুরু করেছেন।

    কথা রাখেননি শতাব্দী, ক্ষোভ উগরে দিলেন সংখ্যালঘুরা (Birbhum)

    সম্প্রতি বীরভূমের (Birbhum) মহম্মদবাজারের বাটেরবাঁধ গ্রামে প্রচারে যান শতাব্দী। সেই সময় তাঁকে দেখে বিজেপির পতাকা হাতে প্রতিবাদ জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গ্রামে উন্নয়ন হয়নি। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি রাকেশ মণ্ডলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তারই প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। ওই গ্রামেরই সংখ্যালঘু পরিবার এবার বিজেপিতে যোগদান করলেন। বিজেপিতে যোগদানের সময়ও শতাব্দীর বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন। শেখ মইনুল নামে এক যোগদানকারী বলেন, “শতাব্দী রায় বলেছিলেন, আর কিছু দিতে না পারি, জল আর আলো পাবেন। এর জন্য দরখাস্তও লিখেছি। জল তো দূরে থাকুক। আলোও দিল না। এমনকী তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় মিছিলের সময় আমাদের সঙ্গে কথা বলার যোগ্য মনে করলেন না। আরে আমাদের ভোটে তো সাংসদ হয়েছিলেন। তাহলে আমাদের সঙ্গে এরকম আচরণ কেন?” শেখ সাবির আলি বলে আরও এক যোগদানকারী বলেন, “আমরা আলোর জন্য বলেছিলাম। কিছুই হল না। সব কিছুই তৃণমূলের ঢপের কাজ। কার্যকর কিছু হয় না।”

    আরও পড়ুন: বজরংবলীকে কেন আমরা আদর্শ মানি? পড়ুন হনুমান চরিত্রের বিশ্লেষণ

    অনুন্নয়ন নিয়ে বার বার বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন শতাব্দী

    তবে, এবার তৃণমূল প্রার্থী প্রচারে বেরিয়ে অনুন্নয়ন নিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। একবার নয়, একাধিকবার এই ঘটনা ঘটেছে। আর সেই খবর সংবাদে প্রকাশিত হওয়ায় সম্প্রতি, সংবাদ মাধ্যমের ওপর মেজাজ হারাতেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এই সব আবহের মধ্যেই এবার দেখা গেল শতাব্দীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দল ছাড়লেন তিনশোটি সংখ্যালঘু পরিবার। যোগ দিলেন বিজেপি-তে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ভোটের বাজারে উলট পুরাণ সিউড়িতে! তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের বিজেপির

    Birbhum: ভোটের বাজারে উলট পুরাণ সিউড়িতে! তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগেই বীরভূমে (Birbhum) জোর চঞ্চল্য। একসঙ্গে প্রায় ৪০ জন তৃণমূল (TMC) নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে বসল বিজেপি। পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেছে। ফলে জোর রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে দুই শিবিরেই। তাহলে কি আসন্ন লোকসভায় পরিস্থিতি বদল হতে শুরু হয়েছে কেষ্টহীন (Abubrata Mondal) বীরভূমে? তৃণমূলের অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার।

    সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ (Birbhum)

    স্থানীয় (Birbhum) সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির অভিযোগ তুলে জানিয়েছে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানো ও ভয় দেখানোর কাজ করে রাজ্যের শাসক দল। আর তাই একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে মোট ৪০ জন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ভোটের বাজারে এহেন রাজনৈতিক মামলা দায়ের করার রেওয়াজ রয়েছে বঙ্গে। তবে সাধারণত বিরোধীদের বিরুদ্ধে মামলা করার অনন্য সাক্ষী থেকেছে এই বাংলার মানুষ।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির বীরভূম জেলার সহ সভাপতি দীপক বোস বলেন, “অভিযোগ সম্পূর্ণ সত্যি। কে কোথায় কবে সন্ত্রাস করেছে তা সকলের জানা। দু’নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি ভাবছে। আগামী দিনে প্রমাণ হয়ে যাবে তৃণমূল কতটা জলে আছে। দু’নম্বর ব্লক স্পর্শকাতর ঘোষণা হতে চলেছে। আমরা যা যা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তা গ্রহণ করব। আমরা সমস্ত বুথে এজেন্ট বসাব। বিজেপির ব্লক অফিস ঘিরে রাখার চেষ্টা করছে তৃণমূল। বিগত দিনে প্রার্থী দিতে দেয়নি আমাদের। নুরুল ইসলাম ভেবেছেন সিউড়ি জুড়ে সন্ত্রাস চালাবেন, এটা হতে পারে না।”

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূল নেতা হয়েও রেহাই পেলেন না পুলিশের কাছে, আমডাঙায় জুটল মার!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় সিউড়ি (Siuri) ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলাম সাংবাদিক বৈঠক করে বলেছেন, “যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলকে চাপে ফেলতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ব্যতিক্রমী ঘটনা! সবাইকে তাক লাগিয়ে দ্বিজা হল সিউড়ির পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী

    Birbhum: ব্যতিক্রমী ঘটনা! সবাইকে তাক লাগিয়ে দ্বিজা হল সিউড়ির পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফকির লালন বলেছিলেন, “বামুন চিনি পৈতে প্রমাণ, বামনি চিনি কী প্রকারে?”। সত্যিই, পৈতে তো শুধু ব্রাহ্মণ ছেলেদেরই হয়, মেয়েদের তো হয় না। ফকির লালনশাহের এই প্রশ্নের উত্তর ছিল না যুগ যুগ ধরে। কিন্তু আজ ২০২৪ সালে ঠিক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটল বীরভূমের (Birbhum) সিউড়িতে। শোনা যায় বৈদিক যুগে মেয়েরাও ‘দ্বিজা’ হতেন, অর্থাৎ মেয়েদেরও পৈতে হত। আর সেই হারিয়ে যাওয়া বৈদিক যুগের রীতি অনুযায়ী আবার প্রথমবার সবাইকে তাক লাগিয়ে দ্বিজা হল সিউড়ির পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী কৈরভী। কৈরভী এখনও জানে না, ধর্ম, নিয়ম, রীতি, বৈদিক যুগ কী জিনিস। তবে তার মা-বাবার এরকম একটা অতুলনীয় সিদ্ধান্ত গোটা ভারতবর্ষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে।

    সাধারণ পৈতের নিয়ম মেনেই হল সবকিছু, দেখতে ভিড় (Birbhum)

    এই ধরনের একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দেখতে ভিড় করে আশপাশের অনেক মানুষ। সবাই এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। কৈরভীর মা-বাবা কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকেন। তাঁরা চিকিৎসক দম্পত্তি। কিন্তু এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি। ছেলেদের পৈতে হয়, সে তো সবাই জানে। কিন্তু প্রথমবার মেয়ের পৈতের ব্যাপারটি নিয়ে অনেক বিস্ময়সূচক প্রশ্নের জবাব দিতে হয় কৈরভীর মা কৌশানী চট্টোপাধ্যায়কে (Birbhum)। আর সব প্রশ্ন, বিস্ময়কে কাটিয়ে সমাজে মেয়েদের ভূমিকা, অধিকার বুঝিয়ে দিতেই তাঁদের ইচ্ছা পূরণ করে ফেলেন। এই সিদ্ধান্ত যে শুধুমাত্র ইচ্ছার ওপর ভর করেই সম্পন্ন হয়েছে তা নয়, বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণ, ইতিহাস ঘেঁটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসক দম্পতি। বৈদিক যুগে প্রচলিত ছিল মেয়েদের দ্বিজা প্রথা। আর সেই বৈদিক যুগের পর বর্তমানে পুনরাবৃত্তি হল সেই প্রথার।

    বৈদিক যুগে কি সত্যিই মেয়েদের উপনয়ন হত? কী বলছে শাস্ত্র?

    বৈদিক যুগে নারীদের পবিত্র ব্রহ্মসূত্র দ্বারা দীক্ষিত করা হত, অর্থাৎ তাঁদের উপনয়ন হত।  তাঁরা গায়ত্রী মন্ত্র জপ করতেন, এমনকি পবিত্র অগ্নিযজ্ঞ আরাধনা করতেন, যা একজন পুরুষের সমান। সেই যুগের নারীকে দুই ভাগে ভাগ করা হত। এক সদ্যবধূ ও ব্রহ্মবাদিনী। এক পবিত্র উৎসবের দ্বারা ব্রহ্মসূত্রে উপনীত করে যাদের বিবাহ হত, সেই নারীকে সদ্যবধূ বলা হত। অপরদিকে ব্রহ্মবাদিনীরা বিবাহ করতেন না, তাঁরা সেই যুগের পুরুষদের মতোই ব্রহ্মচর্য পালন করতেন। মহাভারতে পান্ডব মাতা কুন্তীও ব্রহ্মসূত্রে ভূষিতা ছিলেন অর্থাৎ তাঁর পৈতে ছিল (Birbhum)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    Birbhum: সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন আরেকটা সন্দেশখালি (Sandeshkhali)! এবার বীরভূমে (Birbhum) বউ সুন্দরী না হলে রাজ্য সরকারের প্রকল্প (Govt Schemes) থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তুললেন গ্রামবাসীরা। তাই নির্বাচনী প্রচারে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী (TMC Candidate) শতাব্দী রায় (Satabdi Ray)। তিনবারের এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি থামিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় জনতা। কোথাও পানীয় জল নেই, কোথাও রাস্তা খারাপ, আবার কোথাও তৃণমূল না করায় মেলেনি বাড়িও। ভোটের আগে ফের আরেকবার তোপের মুখে শতাব্দী।

    বীরভূমের কোথায় তোপের মুখে শতাব্দী (Birbhum)?

    কেন বিক্ষোভ করছেন? জিজ্ঞেস করায় গ্রামবাসীদের যা অভিযোগ, তা শুনলে যে কোনও সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্ত মাথায় উঠে যাবে। “বউ সুন্দরী হলে তবেই মিলবে সরকারি প্রকল্পের টাকা।” শতাব্দীকে সামনে পেয়ে এমনই অভিযোগ করলেন মোহাম্মদ বাজার (Birbhum) ব্লকের লাউজোড়া গ্রামের বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, এদিন এই এলাকায় প্রচারে এসেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ শতাব্দী রায়। সাংসদকে হাতের নাগালে পেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ওঠে। সেই সঙ্গে এলাকার এক মহিলা বলেন, “যাঁদের বউ দেখতে ভালো তাঁরা সরকারি টাকা পাচ্ছে। আর যাঁদের বউ দেখতে ভালো নয়, তাঁদের সরকারি টাকা দেওয়া হচ্ছে না।” গ্রামবাসীদের এই ভয়ঙ্কর অভিযোগ শুনে শতাব্দী রায়ের মুখের চিত্রটা বদলে যায়। এমনকী স্থানীয় অপর আরেক মহিলা অভিযোগ করে বলেন, “সাংসদকে ভোটের পর আর দেখা যায় না। তাই আগে প্রকল্পের সুবিধা, তারপর ভোট।”

    কী বললেন শতাব্দী?

    বীরভূমে (Birbhum) নির্বাচনী প্রচারে বিক্ষোভের মুখে পড়ে শতাব্দী রায় বলেন, “যদি কেউ বলে ভোট দেব টাকা নেব, তাহলে এই মন্তব্যের আমি কী আর বলব? কয়েকজন গ্রামবাসী কোনও প্রকল্প পায়নি শুনেছি। স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে সেগুলো যাতে তাঁরা পান তার ব্যবস্থা করব।” অভিযোগ আরও উঠেছে যারা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত তারাই টাকা পাচ্ছে। অথচ সাধারণ মানুষ যারা কোনও দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয় তারা সুবিধা পাচ্ছে না। অনেকে আবার তৃণমূলে যোগ না দেওয়ায় কেন্দ্র সরকারের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘরবাড়ি ও পায়নি বলে অভিযোগও উঠছে।

    আরও পড়ুনঃ ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ-র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল?

     

    বিজেপি প্রতিক্রিয়া

    সম্প্রতি সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর নির্যাতনের অভিযোগে সারা দেশে রাজনৈতিক ঝড় উঠেছিল। শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের অভিযোগ ছিল প্রচুর। এছাড়াও রাত্রিবেলা পিঠে বানানোর নামে মহিলাদের তুলে নিয়ে রাতভর চলত তৃণমূল পার্টি অফিসে যৌন নির্যাতন। শাহজাহানেরা চাষের জমিতে নোনা জল ঢুকিয়ে ভেড়ি বানিয়ে করত জমি দখল। সেই পথেই কি তাহলে বীরভূম পা বাড়িয়েছে? শাসক দলের তৃণমূল নেতাদের আচরণ ঘিরে মানুষের যা অভিযোগ, তাতে এই প্রশ্ন এখন ঘোরাফেরা করছে সর্বত্র। তৃণমূল সন্দেশখালি ইস্যুতে আগে থেকেই কোণঠাসা। তবে নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসক দলের নেতার চোখে চোখ রেখে অভিযোগ তুলে ধরার ঘটনা খুবই বিরল। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা এই মারাত্মক অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, “বাংলার প্রতিটি কোণে কোণে এরকম সন্দেশখালি তৈরি হয়েছে। তার মধ্যে বীরভূম (Birbhum) জেলাও রয়েছে। মানুষের এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। তাই এখন তাঁরা আর ভয় পাচ্ছেন না। নির্বাচনে তৃণমূলকে মানুষ বয়কট করবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share