Tag: Birbhum

Birbhum

  • Birbhum: নির্বাচনী প্রচারে শতাব্দীকে ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, রাস্তা সারাইয়ের দাবি

    Birbhum: নির্বাচনী প্রচারে শতাব্দীকে ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, রাস্তা সারাইয়ের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট প্রচারে বেড়িয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শতাব্দী রায়। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) নলহাটি -২ নম্বর ব্লকের নোয়াপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গোকুলপুর গ্রামে। তবে এই তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে এরকম প্রতিবাদ নতুন কিছু নয়। নিজের সংসদীয় ক্ষেত্রে আগেও এলাকাবাসী নিজেদের প্রাপ্য ঘর, রাস্তা, পানীয় জল অথবা নিকাশি ব্যবস্থার সমস্যায় ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবে এই ভোটের প্রচারে ঘটনায় তীব্র অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে তাঁকে।

    রাস্তা সারাইয়ের দাবীতে বিক্ষোভ (Birbhum)

    আজ গোকুলপুর (Birbhum) গ্রামে ভোট প্রচারে যান বীরভূমের তিনবারের সাংসদ ও চতুর্থবারের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শতাব্দী রায়। সেই সময় গ্রামবাসীরা রাস্তা সারাইয়ের দাবীতে তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান। গ্রামবাসীদের মধ্যে শুভ্র মার্জিত অভিযোগ করে বলেন, “দীর্ঘদিন গ্রামের রাস্তা সারাই না হওয়ায় যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। তাই এদিন তাঁকে সেই ভাঙা-কর্দমাক্ত রাস্তায় পায়ে হেঁটে যাওয়ার দাবী করি আমরা। এই রাস্তা চলাচলের যোগ্য নয়। কোনও টোটো ঢুকতে পারে না। ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে যেতে পারছেনা। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে বিরাট সমস্যা রয়েছে।” পরে শতাব্দী রায় প্রতিশ্রুতি দিলে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ সরিয়ে নেন। ঘটনায় বিরাট বিড়ম্বনায় পড়েন এই তৃণমূল প্রার্থী।

    আরও পড়ুনঃ মোদির প্রশংসায় প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ ডালু বাবু, পাল্টা তৃণমূলকে তুলোধনা

    শতাব্দীর বক্তব্য

    এই ঘটনায় এলাকার (Birbhum) গ্রামবাসীদের বক্তব্য, “আমি দেখলাম রাস্তা খুব খারাপ। এখানে কে জন প্রতিনিধি ছিল জানার দরকার নেই, আমি দায়িত্ব নেবো। তবে রাস্তার জন্য ৮০ লক্ষ বাজেট করা হয়েছে। আগামী ১৩ এপ্রিল তারিখের মধ্যে মোটামুটি চলাচলের যোগ্য করা হবে।” ঘটনায় এলাকার মধ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। উল্লেখ্য গত পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং পুরসভার নির্বাচনে বারবার মানুষের অভিযোগের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। একাধিক সময়ে আবার দলীয় কর্মীদের উপর নিজের রাগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। দলের কেউ কেউ তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন। সবটা মিলিয়ে এই তারকা প্রার্থীর প্রচার যে খুব একটা সহজ মসৃণ হচ্ছে না তাও আরও একবার প্রকাশিত হল। এখন মানুষের ভোট কোন দিকে যায় তাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

    Birbhum: অনুব্রতের গড়ে বিজেপির প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর, প্রধান ইস্যু ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে বিজেপির প্রার্থী হলেন প্রাক্তন আইপিএস দেবাশিস ধর। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা হবে তাঁর নির্বাচনী হাতিয়ার। বিজেপি লোকসভা নির্বাচনের অষ্টম লিস্টে বীরভূম (Birbhum) কেন্দ্র এবং ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আজ তাঁরাপীঠে পুজো দিয়ে নিজের কেন্দ্রে প্রচার শুরু করবেন বীরভূমের এই বিজেপি প্রার্থী।

    উল্লেখ্য, গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারের শীতলকুচির ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি ব্যাপক উত্তাল হয়ে গিয়েছিল। বুথ কেন্দ্র থেকে এক সাধারণ ভোটারকে দুষ্কৃতীরা গুলি করে হত্যা করে। অপরে ভোট কেন্দ্রে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হামলা করলে সিআইএসএফ জওয়ানরা গুলি চালায়। ঘটনায় কয়েকজন তৃণমূল দুষ্কৃতীর মৃত্যু হয়। এরপর রাজ্য সরকার ঘটনায় কেন্দ্রী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ছড়ায় বলে জানা যায়। সেই সময় জেলা পুলিশ সুপার ছিলেন দেবসিশ ধর। তাঁকেও শাসক দলের রোষে পড়তে হয়।

    কী বললেন দেবসিশ (Birbhum)?

    এদিন বীরভূমে (Birbhum) বিজেপি প্রার্থী হয়ে দেবসিশ বলেন, “যে সুযোগ দেওয়া হয়েছে এটা আমার জীবনের নতুন অধ্যায়। আমি যেন মানুষের জন্য কাজ করতে পারি। রাজ্যের পুলিশ এবং রাজনীতি প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত রয়েছে। একে অপরের পরিপূরক মাত্র। আমি যখন ল অ্যান্ড অর্ডার সামলাতে ইউনিফর্মে ছিলাম, তখন ছিলাম মুদ্রার এক দিকে। কিন্তু এখন আমি অন্য দিকে রয়েছি। এখন এই আইনের শাসনকে প্রতিষ্ঠিত করাই আমার এক মাত্র লক্ষ্য। এই জেলায় আইন শৃঙ্খলা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। আমি চাই মানুষ সুবিচার পাক। আমার সঙ্গে  যে ঘটনা ঘটেছে তা যেন কোনও অপফিসারের সঙ্গে আর না ঘটে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘দিলীপ কলিযুগের মহিষাসুর’, তৃণমূল প্রার্থী কীর্তি আজাদের মন্তব্যে নিন্দার ঝড়

    বীরভূমের আইন শৃঙ্ঘখলা?

    তৃণমূলের শাসনে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলাকে তলানিতে নামিয়ে এনেছে শাসক দল। এই জেলায় (Birbhum) তৃণমূল নেতা কেষ্ট পালা করে একক দায়িত্ব নিয়ে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের গাঁজা কেস এবং বাড়ি ঘর ভাংচুর করতেন। এমনকী থানা জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত  দিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষ কার্যত এমনটাই অভিযোগ করেন। বিজেপির দাবি প্রশাসন এবং তৃণমূল নেতাদের যৌথ উদ্যোগে কয়লা, বালি, গরু পাচার, শিক্ষক দুর্নীতিতে এই জেলা সব থেকে এগিয়ে। এইবারের নির্বাচনে তাই এই কেন্দ্রে ‘আইন শৃঙ্খলা রক্ষা’ একটি প্রধান বিষয় হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: সরকারি ভবনে তৃণমূলের নির্বাচনী সভা! কমিশনের কাছে বিধিভঙ্গের অভিযোগ বিজেপির

    Malda: সরকারি ভবনে তৃণমূলের নির্বাচনী সভা! কমিশনের কাছে বিধিভঙ্গের অভিযোগ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি ভবনে তৃণমূল দলীয় বৈঠক করার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করল বিজেপি। ঘটনা ঘটেছে মালদায় (Malda)। লোকসভার নির্বাচনী বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জেলা পরিষদের গেস্ট হাউসে বৈঠক করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মূলত তৃণমূল দলের দলীয় নির্বাচনী বৈঠকের কথা জানা গিয়েছে।

    কীভাবে হল বৈঠক (Malda)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের লোকসভা নির্বাচনের আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হওয়ার পরেও শাসক দল নিজেদের নির্বাচনী কাজের জন্য সরকারি গেস্ট হাউসকে ব্যবহার করছে শাসক দল। রাজ্য সরকারের সরকারি দফতর, আধিকারিক এবং প্রশাসনকে তৃণমূলের হয়ে ভোট করানোর অভিযোগ উঠেছে। যদিও তৃণমূলের বক্তব্য সরকারি গেস্ট হাউস এক প্রকার ভাড়া নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। কিন্তু বিজেপির অভিযোগ মালদায় (Malda) তৃণমূল হারার ভয়ে ভোট চুরির কৌশল করছে। তাই বিজেপির জেলা নেতৃত্ব নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করেছে।

    ৪০ জন তৃণমূল নেতা বৈঠক করেন

    গত বৃহস্পতিবার মালদা (Malda) জেলা পরিষদের গেস্ট হাউসে তৃণমূলের নির্বাচনী বৈঠক হয়েছিল। সেই সময় বৈঠকে হাজির ছিলেন জেলা সভাপতি আবদুল রহিম বক্সি, জেলার ২ প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রায়হান এবং তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে জেলার ৪০ জন নেতা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দলীয় কাজে প্রশাসনকে কাজে লাগানোর কথা বলে আবদুল রহিমের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। একই ভাবে উত্তর মালদার বিজেপি প্রার্থী খগেন মুর্মু কমিশনে অভিযোগ করেন।

    বিজপির বক্তব্য

    এই বিষয়ে মালদা (Malda) বিজেপি সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত বলেন, “গত বৃহস্পতিবার বার্লো স্কুলের উল্টো দিকে জেলা পরিষদের অতিথি নিবাসে তৃণমূলের নির্বাচনী বৈঠক হয়। তৃণমূল সরকারি সম্পত্তিকে দলীয় সম্পত্তি হিসাবে ভাবতে শুরু করেছে। দলের জন্য সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার করা ভীষণ অন্যায়।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় তৃণমূল নেতা আবদুল রহিম বক্সি বলেন, “জেলা (Malda) পরিষদের অতিথি নিবাস ভাড়া দেওয়া হয়েছিল আমাদের কাছে। আমরা ভাড়া নিয়ে কাজ করেছি। আমাদের কাছে রসিদ রয়েছে।” পাল্টা বিজেপির দাবি তৃণমূলের রসিদ ভুয়ো।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: স্কুলেই রাজনৈতিক সভা! ভোটের প্রচারে আইন ভাঙলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক

    Birbhum: স্কুলেই রাজনৈতিক সভা! ভোটের প্রচারে আইন ভাঙলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছুটির আগেই ছুটি হল স্কুলপড়ুয়াদের। এর কারণ হল স্কুলে হবে তৃণমূলের সভা। নির্বাচনী আইন ভঙ্গ করে বীরভূমে (Birbhum) রাজনৈতিক সভা করলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। স্কুলে এই সভা করার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিজেপি। বীরভূমের নানুরে সময়ের আগেই মাদ্রাসা ছুটি দিয়ে জনসভা করলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক ৷ বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অসিত মালের সমর্থনে জনসভায় আইনমন্ত্রী সহ উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও একাধিক বিধায়ক ৷ স্কুল পড়ুয়াদের স্কুল বাতিল করায় প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। রাজ্যের আইনমন্ত্রীই তাহলে কি আইন ভেঙে জনসভা করলেন? তবে মন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খোলেননি। 

    স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য(Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) পাপুড়ি হাইমাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ফকরুল আলম বলেন, “সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টে ১৫ মিনিট পর্যন্ত আমাদের ক্লাস হয়। আমাদের ছুটি পরে যাচ্ছে রোজার জন্য। তাই আজ এক দুই পিয়ড করে ছুটি দিয়ে দিয়েছি।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের আগেই উত্তপ্ত ক্যানিং, বিজেপির কর্মীদের ব্যাপক মারধর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    সভার জন্য স্কুল ছুটি?

    নুরের পাপুড়ি হাইমাদ্রাসায় (Birbhum) একটি জনসভা করে তৃণমূল-কংগ্রেস ৷ সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত মাদ্রাসার ক্লাস হয়ে থাকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী। কিন্তু, দেখা গেল এদিন বিকেল ৩ টে থেকে জনসভার ডাক দেওয়া হয়েছিল কিন্তু ৩ টে বাজার অনেক আগেই ছুটি হয়ে গিয়েছে মাদ্রাসা। পুরো মাদ্রাসা তৃণমূলের দলীয় পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। বড় বড় মাইক, বক্স লাগিয়ে দুপুর থেকেই জনসভার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল তৃণমূলের নেতারা। এই জনসভার ডাক দিয়েছিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। উপস্থিত ছিলেন খোদ রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক সহ নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাজি, লাভপুরের বিধায়ক অভিজিৎ সিংহ, সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী, বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অসিত কুমার মাল, কেতগ্রামের বিধায়ক শেখ শাহনাওয়াজ প্রমুখ ৷ সময়ের আগেই মাদ্রাসা ছুটি দিয়ে জনসভা করা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ৷ খোদ রাজ্যের আইনমন্ত্রী কীভাবে এহেন কাজ করতে পারেন বলে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির বীরভূম (Birbhum) জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সব্যসাচী রায় বলেন, “আইন ভাঙায় ওস্তাদ তৃণমূল মন্ত্রী। কীভাবে মাদ্রাসা ছুটি দিয়ে রাজ্যের আইনমন্ত্রী সভা করলেন। এই প্রশ্ন তুলে আমরা নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিচ্ছি আজই।” আবার বোলপুর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী পিয়া সাহা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন নয় শাসকের আইন চলছে। রাজনৈতিক প্রোগাম কীভাবে স্কুলে হল এই বিষয় নিয়ে আমরা কমিশনের কাছে অভিযোগ করব। এই আইনমন্ত্রীকে কয়লা পাচারকাণ্ডে একাধিকবার তলব করা হয়েছিল কিন্তু হাজিরা দেননি তিনি সিবিআই দফতরে। আইন মন্ত্রী আইন ভাঙেন শুধু।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বগটুইকাণ্ডের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে স্বজন হারানো পরিবারের পাশে বিজেপি

    Birbhum: বগটুইকাণ্ডের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে স্বজন হারানো পরিবারের পাশে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) রামপুরহাটের বগটুইকাণ্ডে দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তিতে স্বজন হারানো পরিবারের পাশে বিজেপিদ্বিতীয় বর্ষ পূর্তিতে স্বজন হারানো পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপির প্রতিনিধিদল। এদিন নিহতদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানালেন বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা, মহিলা মোর্চার জেলা সভানেত্রী রশ্মি দে সহ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। একই সঙ্গে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করল বিজেপি।

    ঘটনা কী ঘটেছিল (Birbhum)?

    ২০২২ সালের ২১ মার্চ এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের উপ-প্রধান ভাদু শেখকে বোমা মেরে ও গুলি করে খুন করা হয়। সেইরাতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বগটুই গ্রাম। প্রথমে কোপানো হয় এবং এরপর বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে খুন করা হয় ১০ জন শিশু ও মহিলাকে। ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি সরগরম হয়ে ওঠে। এলাকায় তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়। ২০২৩ সালের ২১ মার্চ সেই ঘটনার প্রথম বর্ষপূর্তিতে বগটুই গ্রামে (Birbhum) একই ঘটনায় দুটি শহীদ বেদী তৈরী করা হয়। একটি শহীদ বেদীতে মাল্যদান করেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্যটিতে মাল্যদান করেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। আজ সেই বগটুই গণহত্যাকাণ্ডের দ্বিতীয় বর্ষ পূর্তি। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার মধ্যে বগটুই ফের রাজনৈতিক দলগুলির নজরে।

    বিজপির বক্তব্য

    ঘটনায় বিজেপির জেলা (Birbhum) সভাপতি ধ্রুব সাহা দাবি করে বলেন, “স্বজন হারানো পরিবারের সদস্য মিহিলাল শেখ সহ তাঁর আত্মীয় স্বজনেরা বিজেপি দলের সঙ্গে যুক্ত। তাই একজন সহযোদ্ধা হিসেবে আমরা তাঁর বাড়িতে সমবেদনা জানাতে এসেছি। পাশাপাশি নিহতদের আত্মার প্রতি শান্তি কামনা করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আমরা এসেছি। তৃণমূল দুষ্কৃতী এবং খুনিদের কঠিন শাস্তি চাই।”

    পরিবারের বক্তব্য

    বগটুই গ্রামে (Birbhum) স্বজনহারাদের পরিবারের পক্ষে মিহিলাল শেখ বলেন, “আমার খুব ভালো লাগল, আমার এই শোকের দিনে জেলা বিজেপির নেতারা আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজে আমাকে চাকরি থেকে বঞ্চনা করেছেন। আমার চাকরির বেতন বন্ধ করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের উপর আমাদের ভরসা নেই। সিবিআই তদন্ত করার ফলে অভিযুক্তেরা জেলে রয়েছে। রাজ্য প্রশাসন তদন্ত করলে এতদিনে মুক্তি পেয়ে যেতো। তৃণমূল প্রতিশ্রুতি দিলেও আমাদের জন্য কোন কিছুই করেনি। দোষীদের শাস্তি চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Satabdi Roy: ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে রয়েছে’, বেফাঁস শতাব্দী রায়

    Satabdi Roy: ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে রয়েছে’, বেফাঁস শতাব্দী রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন তিহার জেলে রয়েছেন। দলে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত কাজল সেখ বেশ কিছুদিন ধরে বীরভূমে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁর দাপাদাপিতে কেষ্ট অনুগামীরা এখন কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। লোকসভা ভোটের মুখে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এই অবস্থায় দলের গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়ের (Satabdi Roy) বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন শতাব্দী রায়? (Satabdi Roy)

    লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বুধবার সিউড়ি তৃণমূল কার্যালয়ে ছিল বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির বৈঠক। আর সেই বৈঠকেই উপস্থিত ছিলেন কোর কমিটির সদস্য বিকাশ রায়চৌধুরী, চন্দ্রনাথ সিনহা, অভিজিৎ সিংহ, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অসিত মাল এবং বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। মূলত কোর কমিটির এদিনের এই বৈঠকে বীরভূম জেলায় লোকসভা ভোটের কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিজেপির দখলে থাকা দুবরাজপুর বিধানসভা এলাকায় কীভাবে বেশি মার্জিনে ভোট টানা যাবে তা নিয়েও আলোচনা হয়। ভোটের আগে জেলায় যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা হয় বলে তৃণমূল সূত্রে খবর। এদিনের এই বৈঠকের পর সাঁইথিয়ায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে শতাব্দী রায় বলেন, “গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে বেশি মাথা ঘামাবেন না, ওটা এখন তৃণমূলের সিলেবাসের মধ্যে পড়ে গিয়েছে। যে লোকগুলোর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলে তোমরা রিপোর্ট দেখাবে, তারাই দেখবে আবার দুদিন পর হাতে হাত ধরে ভোট করতে যাবে, তখন তোমাদের ওই রিপোর্টটা বেকার হয়ে যাবে।” ফলে, জেলায় যে গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে তা বিদায়ী সাংসদ স্বীকার করে নেন। তৃণমূল প্রার্থীর এই বক্তব্য নিয়ে দলের কর্মীদের মধ্যে চর্চা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে মহিলাদের তাড়া খেয়ে ছুটে ঘরে ঢুকে প্রাণ বাঁচালেন দুই তৃণমূল নেতা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের ভোজ খেয়ে ৪০ শিশু সহ অসুস্থ ৮৫, এলাকায় চাঞ্চল্য

    Birbhum: শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের ভোজ খেয়ে ৪০ শিশু সহ অসুস্থ ৮৫, এলাকায় চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে গিয়ে মুড়ি, বোঁদে খেয়েছিলেন। তারপরই বাড়ি ফিরে প্রথমে দু-একজন, তারপর একের পর এক নিমন্ত্রিত ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সকলেরই উপসর্গ ছিল- বমি, পেট খারাপ। সবমিলিয়ে প্রায় ৮৫ জন অসুস্থ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চল্লিশের বেশি শিশু। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়া থানার সংড়া পঞ্চায়েতের পাগলাডাঙ্গা গ্রামে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়া থানার সংড়া পঞ্চায়েতের পাগলাডাঙ্গা গ্রামে এলাকারই এক মহিলার শ্রাদ্ধের কাজে গিয়েছিলেন দাসপুর, কামারশাল ও পাগলাডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দারা। সেখানেই মুড়ি, বোঁদে খান তাঁরা। তারপর বাড়ি যেতেই একের পর এক অসুস্থ হয়ে পড়েন। আশপাশের গ্রাম থেকে অসুস্থ হওয়ার খবর আসতে থাকে। সন্ধ্যা থেকেই বমি, পায়খানার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। অসুস্থ হয়ে পড়ে আশপাশের গ্রামের বহু শিশু। মোট ৮৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে, অসুস্থ লোকজনের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। অনেককেই ভর্তি করা হয়েছে সিউড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়।

    প্রশাসনের কর্তারা কী বললেন?

    রোগী ও রোগীর পরিজনদের সঙ্গে দেখা করেন অতিরিক্ত জেলাশাসক বিশ্বজিৎ মোদক, মহকুমা শাসক সুপ্রতীক সিনহা, সাঁইথিয়া ব্লকের বিডিও, সাঁইথিয়া থানার ওসি, সিউড়ি থানার আইসি সহ অন্যান্যরা। অতিরিক্ত জেলাশাসক বিশ্বজিৎ মোদক মনে করছেন খাবারে বিষক্রিয়া থেকেই এমনটা হয়েছে। তিনি বলেন, শ্রাদ্ধ বাড়ি যে খাবার খেয়েছিলেন তাতে বিষক্রিয়া থেকেই এটা হয়ে থাকতে পারে বলে আমাদের মনে হচ্ছে। তবে, আসল কারণটা কী তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগেও রাজনগরে এরকম ঘটনা ঘটেছে। তবে এতটা ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। রোগীদের জন্য স্যালাইন সহ যাবতীয় প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যেকেই এখন স্থিতিশীল রয়েছেন। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি চালাচ্ছি। অসুস্থদের সকলের সুচিকিৎসা দেওয়ার জন্য যা যা করার দরকার তা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: সেনাবাহিনীতে ‘অগ্নিবীর’ সুমন, প্রত্যন্ত গ্রামে প্রথম সরকারি চাকরিতে খুশির হাওয়া

    Birbhum: সেনাবাহিনীতে ‘অগ্নিবীর’ সুমন, প্রত্যন্ত গ্রামে প্রথম সরকারি চাকরিতে খুশির হাওয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতারাতি সেলিব্রিটি বীরভূমের (Birbhum) গ্রামের ছেলে। না, কোনও সিনেমায় অভিনয় বা অন্য কোনও কাজ করে নয়, সরকারি চাকরি পেয়ে সেলিব্রিটি তিনি। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনছেন, গ্রামের প্রথম সরকারি চাকরি বলে কথা। বীরভূমের সিউড়ির নগরী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বড়গ্রামের এক সামান্য দিনমজুরের ছেলে সুমন। ছোট থেকেই পড়াশোনাতে অনেক সুনাম। তারই প্রতিফলন সেনাবাহিনীতে অগ্নিবীর হিসেবে সাফল্য পাওয়া। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্রামের মানুষজন শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় করছেন সুমনের ছোট্ট মাটির কুঁড়ে ঘরে।

    সংসারের হাল ধরতে পড়াশোনা শেষের আগেই চাকরির সিদ্ধান্ত (Birbhum)

    নগরী গ্রামের সুধাংশু বদনি শিক্ষানিকেতন স্কুল থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর বিশ্বভারতীতে বিএসসি অনার্স নিয়ে পড়াশোনা সুমনের। ইচ্ছে ছিল নেট-সেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পিএইচডি করে অধ্যাপক হওয়ার। কিন্তু বিএসসি পঞ্চম সেমেস্টার সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই সেনাবাহিনী থেকে ডাক পড়ে সুমনের। অনেক কষ্টের মধ্যে দিয়ে দিন যেত সুমনের। বাবা রাজমিস্ত্রির শ্রমিক, কোনও দিন হাতে কাজ থাকত, আবার কোনও দিন তাও থাকত না। তাই সুমনের মা সিউড়িতে বাড়ির পরিচারিকার কাজ করতেন। সেই থেকেই সুমনের পড়াশোনার খরচ চলত বলে জানিয়েছে পরিবার। কিন্তু সুমন থেমে থাকেননি, এত কষ্টের মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছেন। সংসারের হাল ধরতেই সেনাবাহিনীর জন্য আবেদন করেন সুমন, আর প্রথমবারেই সাফল্য। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্রামে খুশির জোয়ার। কারণ বড়গ্রামের বাউড়িপাড়া অঞ্চলে প্রথম সরকারি চাকরি পেয়েছেন সুমন। আগামী ২২ এপ্রিল থেকেই সেনাবাহিনীর কর্মী হিসেবে নিযুক্ত হবেন তিনি (Birbhum)।

    সুমন নিজে কী জানিয়েছেন?

    সুমনের এই সাফল্যের পর খুশি গোটা গ্রামবাসী থেকে তাঁর পরিবার। এই বিষয়ে সুমন বলেন, “যেহেতু আমি একটি গরিব ঘরের ছাত্র, আমার বাবা দিনমজুর এবং মা পরিচারিকার কাজ করে, তাই সংসার খুব কষ্ট করেই চলত আমাদের। এতে আমার পড়াশোনার খরচও চালাতে হত। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিই সেনাবাহিনীতে আবেদন করার। প্রথমবারই আমি সাফল্য পেয়েছি। আর গ্রামে প্রথম সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে নিজেকে আজ প্রতিষ্ঠা করেছি। তাই গ্রামবাসীও খুব খুশি।” সুমনের মা বলেন, “ছেলের পড়াশোনা করার খুবই ইচ্ছে ছিল। তাই খুব কষ্ট করে পড়াশোনা করাচ্ছিলাম। ও সরকারি চাকরি পাওয়ায় আমরা খুবই খুশি। এবার পরিবারের (Birbhum) অভাব কিছুটা হলেও মিটবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: তৃণমূলে মোহভঙ্গ! কেষ্ট গড়ে বহু সংখ্যালঘু পরিবার যোগদান করল বিজেপিতে

    Birbhum: তৃণমূলে মোহভঙ্গ! কেষ্ট গড়ে বহু সংখ্যালঘু পরিবার যোগদান করল বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি। তার আগেই কেষ্ট গড়ে ধাক্কা খেল তৃণমূল। তৃণমূলে ভাঙন ধরিয়ে বীরভূমে (Birbhum) শক্তি বাড়াল বিজেপি। ভোটের মুখে বহু সংখ্যালঘু পরিবার বিজেপিতে যোগদান করলেন। স্বাভাবিকভাবে বিজেপি কর্মীরা উজ্জীবিত।

    তৃণমূল দলটাতে শুধুই দুর্নীতি (Birbhum)

    বীরভূম (Birbhum) জেলার দুবরাজপুর পুরসভার ৭, ৯, ১০, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ২০ টি সংখ্যালঘু পরিবার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। এদিন দুবরাজপুর শহর মণ্ডল বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে তাঁদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেন দুবরাজপুর বিধানসভার বিধায়ক অনুপ কুমার সাহা। এদিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক টুটুন নন্দী, সংখ্যালঘু মোর্চার জেলা সভাপতি মোতাহার খান, সহ সভানেত্রী রুবিনা বিবি, টিকলু খান, শহর মণ্ডল সভাপতি করুণাময় মুখোপাধ্যায়, গ্রামীণ মণ্ডলের সভাপতি শম্ভুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে মহম্মদ হামিদ খান ওরফে ভাসান বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করে আসছি। কিন্তু, আমরা তৃণমূল দলে থেকে কিছু পাইনি। তৃণমূল দলটাতে শুধুই দুর্নীতি। বেকার ছেলেরা কিছু পায় না। আমার সঙ্গে যাঁরা বেকার ছেলেরা রয়েছে তাঁদেরও কিছু দেয়নি এই তৃণমূল দল। তাই, আমরা বিজেপিতে যোগদান করলাম। যদিও বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্ব মুখ খুলতে চাননি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    দুবরাজপুর বিধানসভার বিজেপি-র বিধায়ক অনুপ কুমার সাহা বলেন, দুবরাজপুর পুরসভার ৪ টি ওয়ার্ডের ২০ টি পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। তৃণমূল দলে যাঁরা এতদিন ছিল এবং ভেবেছিল দল তাঁদের পাশে থাকবে। কিন্তু, তা হয়নি। কারণ, দুবরাজপুর শহরের নেতারা যে ভাবে বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা দুর্নীতি করছে তাতে মানুষ সোচ্চার হয়েছে। তৃণমূলে মোহভঙ্গ হয়েছে। তারজন্যই বিজেপিতে যোগদান করছে। আগামীদিনে আরও অনেকে বিজেপিতে যোগদান করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: স্কুল থেকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নামে ছাত্রীর গণধর্ষণ! গ্রেফতার তৃণমূল নেত্রীর ছেলে

    Birbhum: স্কুল থেকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নামে ছাত্রীর গণধর্ষণ! গ্রেফতার তৃণমূল নেত্রীর ছেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার স্কুল থেকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নামে নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল। মূল অভিযুক্ত এলাকার তৃণমূল নেত্রীর ছেলে এবং আরও দুই জন। এই তিনজনকেই গ্রেফতার করেছে বীরভূম পুলিশ। ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) পাইকর থানার নতুনপুকুর গ্রামে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে। যদিও তৃণমূল নেত্রী অভিযোগ অস্বীকার করছেন।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (Birbhum)?

    স্থানীয় (Birbhum) সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মোটর সাইকেলে তুলে নিয়ে গিয়ে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এলাকার এক তৃণমূল নেত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনায় পাইকর থানার পুলিশ তিনজকে গ্রেফতার করেছে। বীরভূমের (Birbhum) ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, “মঙ্গলবার বিকেল ৪ টে নাগাদ স্কুল থেকে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিল আমাদের মেয়ে। মেয়ে নবম শ্রেণিতে পড়াশুনা করে। বাড়ি পৌছে দেওয়ার নাম করে তাঁকে তিন যুবক বাইকে করে নিয়ে যায়। এরপর ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। সেই সময় এলাকার কয়েকজন মানুষ পাশ দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎ তাঁরা আড়ালে চিৎকার এবং কান্নার শব্দ শুনে তিন যুবককে ধরে ফেলে পুলিশে খবর দেন। এরপর অত্যাচারের শিকার হওয়া আমাদের মেয়েকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা ওই অভিযুক্তের ফাঁসি চাই।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ধৃতদের আজ রামপুরহাট (Birbhum) মহকুমা আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিষয়ে অভিযুক্ত যুবকের মা তথা ব্লক সভাপতি তৃণমূল নেত্রী বলেন, “ছেলে সেই দিন আমার ঘরে ছিল না। বাইক নিয়ে বেরিয়েছিল। একটি মেয়ে ফোন করে বলে বিপদে পড়েছে এবং তাকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে। আর ওকে বাঁচাতে গিয়ে লোকজন খুব মারধর করে আমার ছেলেকে। ওর বাইক আটকে রেখে দেয়। এই সবের মধ্যে আমার ছেলে ছিল না। বাইক ফেরত চাইলে আরও মারধর করে। ও নির্দোষ।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share