Tag: Biriyani

Biriyani

  • Dakshin Dinajpur: বিরিয়ানিতে কি রং, বাসি-পচা মাংস? খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অভিযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Dakshin Dinajpur: বিরিয়ানিতে কি রং, বাসি-পচা মাংস? খাদ্য সুরক্ষা দফতরের অভিযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরিয়ানির কথা শুনলেই ভোজন রসিকদের জিভে জল চলে আসে। এবার এই বিরিয়ানির গুণগত মান এবং তা স্বাস্থ্যসম্মত কতটা, তা যাচাই করতে খাদ্য সুরক্ষা দফতর অভিযান চালিয়েছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur) নিম্নমানের খাবার বিক্রি করার অভিযোগে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং খাবারের দোকানে হানা দেয় খাদ্য সুরক্ষা দফতর। এছাড়াও এই অভিযানে ছিল ক্রেতা সুরক্ষা দফতর এবং এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। ওই অভিযানে খাবারের মান নিয়ে উঠে এসেছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। আধিকারিকরা দেখেন, দোকানের ফ্রিজে মজুত করা হয়েছে পচা ভাত। এছাড়াও বাসি-পচা মাংস দিয়েই চলছে রান্না। আবার বিরিয়ানিতে দেওয়া হয়েছে ক্ষতিকর রং। পচা ও নিম্নমানের জিনিসের খোঁজ পাওয়ার পর সেসব নষ্ট করেন দফতরের আধিকারিকরা।

    জেলা প্রশাসনের বক্তব্য (Dakshin Dinajpur)

    দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ক্রেতাদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে খাদ্য সুরক্ষা দফতর এই ধরনের অভিযান শুরু করেছে এবং আগামী দিনে আরও করবে। এই প্রসঙ্গে জেলার ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের সহ অধিকর্তা মনোজিৎ রাহা বলেন, “বালুরঘাটে অনেক দোকানের বিরিয়ানি খাবারের মান এবং পরিচ্ছন্নতার মান সন্তোষজনক নয়। শুধু গুণগত মান নয়, সেই সঙ্গে বাসি খাবারের নমুনাও পাওয়া গেছে”। একই ভাবে জেলার ফুড সেফটি অফিসার দীপক গুরুং বলেন, “খাবারের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলেও সেই খাবার দোকানে রাখা হয়েছে। এই ভাবে যদি খাবার নিয়ে অবহেলা করা হয়, অভিযান আরও চলবে। প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক হরেরাম সাহা বলেন, “যে সমস্ত বিরিয়ানি ব্যবসায়ী ওই ধরনের খাবারের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রেখে ব্যবসা করতে বলা হয়েছে। যদি অনিয়ম করা হয় এবং প্রশাসন যদি ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাহলে আমাদের কিছু করার থাকবে না। আমরা প্রশাসনের ভূমিকাকেই সমর্থন করব।”

    সামনেই পুজো, তাই বিরিয়ানি প্রেমীরা কতটা বিধিসম্মত খাবার খাচ্ছেন, তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন একাংশের মানুষ। অপর দিকে কলকাতা শহর এবং শহরতলিতে যত্রতত্র গজিয়ে উঠছে বিরিয়ানির দোকান। অতিরিক্তি ভিড়ের মধ্যে হোটেল, রেস্তোরাঁ কতটা নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশন করছে, সেই বিষয়েও কি নমুনা সংগ্রহ করে অভিযান চালাবে খাদ্য সুরক্ষা দফতর? সেটাই এখন ভোজন রসিকদের মনে প্রশ্ন!

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Heat Wave: তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচাবে তরমুজ-ডাবের জল, বিরিয়ানি কিংবা মদ্যপান কি বাড়াবে বিপদ?

    Heat Wave: তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচাবে তরমুজ-ডাবের জল, বিরিয়ানি কিংবা মদ্যপান কি বাড়াবে বিপদ?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কলকাতা, বাঁকুড়া, বর্ধমান থেকে মেদিনীপুর। তাপপ্রবাহ (Heat Wave) অব্যাহত! প্রত্যেকদিন বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। তার সঙ্গে বাড়ছে অস্বস্তি! শিশু, বয়স্কদের পাশাপাশি সকলেই এই অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় অসুস্থ বোধ করছেন। এই গরমে কীভাবে স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখবেন? হিট স্ট্রোক কিংবা মাশল ক্র্যাম্পের মতো বিপদ এড়াতে কী করবেন আর কোন দিক থেকে বাড়তে পারে বিপদ? কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    গরমে সুস্থ থাকতে কোন কোন খাবার তালিকায় রাখতে হবে? 

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই মারাত্মক গরমে (Heat Wave) সুস্থ থাকতে খাবারের তালিকায় অবশ্যই বিশেষ নজর দিতে হবে। কারণ, নিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে শারীরিক সুস্থতার সম্পর্ক ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে থাকে। তাছাড়া, এই গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা দেখা যায়। অর্থাৎ শরীরে জলের পরিমাণ কমে যায়। যা মৃত্যুর আশঙ্কাও বাড়িয়ে তোলে। তাই কী খাওয়া হচ্ছে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। 
    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ফল খেতে হবে। বিশেষত, তরমুজ, পেঁপে, লেবু মেনুতে রাখতে হবে। তরমুজ, পেঁপের মতো ফলের মধ্যে জল থাকে, যা শরীরকে ঠান্ডা রাখে। শরীরে বাড়তি জলের জোগান দেয়। লেবুতে থাকে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি, যা যে কোনও রোগের মোকাবিলায় সাহায্য করে। তাই এই গরমে শরীর সুস্থ রাখতে তরমুজ, পেঁপের মতো ফল জলখাবারে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। পাশপাশি, ডাবের জল খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। কারণ, ডাবের জলের মধ্যে কার্বোহাইড্রেট থাকে। তা শরীরে লবণ ও জলের ভারসাম্যকে বজায় রাখে, তাতে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে। তাছাড়া ডাবের জলে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম থাকে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য এই গরমে ডাবের জল বিশেষ উপকারী। তাছাড়া ত্বক ভালো রাখতেও ডাবের জল সাহায্য করে। তাই নিয়মিত একটা করে ডাব খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। 
    দুপুর কিংবা রাতের খাবারের তালিকাতেও হাল্কা ও সহজপাচ্য খাবার রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ, এই গরমে যদি বদহজম হয়, তাহলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। বিশেষত যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে, তাদের জন্য বিপদ আরও বেশি। তাই কম তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। ভাত, সব্জি, হালকা সহজপাচ্য মাছের ঝোল খাবারের মেনুতে থাক, মত চিকিৎসকদের। 
    পর্যাপ্ত পরিমাণ জল অবশ্যই খেতে হবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বাড়ির বাইরে থাকলে জলের পাশপাশি নুন-চিনির সরবত সঙ্গে রাখতে হবে। এটি ওআরএসের মতো কাজ করবে। পরিমাণমতো জল না খেলে, শারীরিক সমস্যা বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। অতিরিক্ত ঘাম হলে একাধিকবার স্নানের পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। তাতে শরীর ঠান্ডা হবে, নানান শারীরিক অস্বস্তি এড়ানো যাবে। 

    কোন কোন দিক অবশ্যই এড়িয়ে যেতে হবে?

    খাবারের মেনুতে অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার একেবারেই রাখা যাবে না। বিরিয়ানি, মোগলাই পরোটার মতো খাবার এই গরমে খেলে হজমের সমস্যা আরও বাড়বে, যা নানান শারীরিক অসুস্থতার কারণ হয়ে উঠতে পারে। এই গরমে মদ্যপানেও রাশ টানার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষত, অতিরিক্ত বিয়ার সেবন বিপদ ডাকতে পারে বলেও স্পষ্ট মত তাঁদের। অনেকেই চিলড বিয়ার পান করে গরম (Heat Wave) থেকে সাময়িক আরাম পেতে চাইছেন। কিন্তু এই অভ্যাস বিপদ বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছে চিকিৎসক মহল। কারণ, বিয়ার পান করলে অতিরিক্ত ঘাম হয়। আর্দ্রতা বেশি থাকায় এমনিতেই দক্ষিণবঙ্গে গরমে ঘাম হয়। তার উপরে আরও বেশি ঘাম হলে, শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই মদ্যপানে রাশ টানা জরুরি। সফট ড্রিংকস, আইসক্রিমের ক্ষেত্রেও রাশ টানার পরামর্শ চিকিৎসকদের। বিশেষত রাস্তার রঙিন পানীয় স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলেই মত তাঁদের। 
    এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিশেষ সতর্কতা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। অনেকক্ষণ ঘরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত কম করে রাখার পর হঠাৎ ঘর থেকে বাইরে গেলে সর্দি-কাশি-জ্বর দেখা দিতে পারে। দ্রুত তাপমাত্রার তারতম্য বিপদ বাড়াবে। তাই এসি ঘর থেকে বেরনোর আগে কিছুক্ষণ এসি বন্ধ করে ধাতস্থ হয়ে বাইরে যাওয়া জরুরি। 
    ট্যালকম পাউডার ব্যবহার একেবারেই নয়। কারণ, এতে লোমকূপ ঢেকে যায়। ঘাম দেহ থেকে বেরতে পারে না। ফলে, শরীরের উত্তাপ বাড়ে, আবার নানান চর্মরোগ দেখা দিতে পারে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Swiggy: বছরের শেষ দিন ৩.৫ লক্ষ বিরিয়ানি ডেলিভারি করল সুইগি

    Swiggy: বছরের শেষ দিন ৩.৫ লক্ষ বিরিয়ানি ডেলিভারি করল সুইগি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল বর্ষবরণের রাতে মেতেছিল গোটা দেশ। যেকোনও উৎসব পেটপুজো ছাড়া অসম্পূর্ণ। ৩১ ডিসেম্বরের রাত থেকেই উৎসব, আনন্দে মেতেছেন সকলে। কারোর বাড়িতে হয়েছে পিকনিক, কেউ আবার বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে পার্টিতে মত্ত। আর উৎসবের দিনে অনেকেই রান্না-বান্না থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন। আর তার জন্যে আমরা মূলত ভরসা করি ফুড ডেলিভ্যারি অ্যাপেই (Swiggy)। সবাই উৎসবের আনন্দে মেতে থাকলেও এই দিনগুলিতে ব্যস্ততা বেড়ে যায় ডেলিভারি বয়দের। এই দিন দেশজুড়ে লক্ষাধিক অর্ডার ডেলিভারি দিলেন ডেলিভারি বয়রা।

    কী জানিয়েছে সুইগি? 

    সুইগি (Swiggy) জানিয়েছে, বর্ষবরণের রাতে দেশে সবচেয়ে বেশি চাহিদা ছিল বিরিয়ানির। সন্ধে ৭টা বেজে ২০ মিনিটের মধ্যেই ১ লক্ষ ৬৫ হাজার বিরিয়ানির অর্ডার জমা পড়ে তাদের কাছে। সবমিলিয়ে বর্ষবরণে রাতে সাড়ে তিন লক্ষ বিরিয়ানি বিকিয়েছে তাদের অ্যাপ থেকে। সুইগি আরও জানিয়েছে, শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর তাদের অ্যাপে সবথেকে বেশি বিরিয়ানি অর্ডার হয়েছে। অর্ডারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পিৎজা। রাত ১০টা বেজে ২৫ মিনিট পর্যন্ত ৬১ হাজার পিৎজা বিকিয়েছে তাদের অ্যাপ মারফত। বাকি হিসেব এখনও মেলেনি।

    আরও পড়ুন: নাসিকের কারখানায় আগুন, মৃত ২, আহত কমপক্ষে ১৭

    বর্ষবরণের (Swiggy) রাতে মোট যা বিক্রি হয়েছে সেই নিরিখে বিরিয়ানির অর্ডারে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানি। হায়দ্রাবাদি বিরিয়ানি অর্ডার করেন, মোট বিক্রি হওয়া বিরিয়ানির ৭৫.৪ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে ছিল লখনউয়ি বিরিয়ানি, ১৪.২ শতাংশ। কলকাতার বিরিয়ানি বিক্রি হয়েছে ১০.৪ শতাংশ।

    হায়দ্রাবাদের অন্যতম জনপ্রিয় বিরিয়ানি রেস্তোরাঁর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ষবরণের রাতে প্রতি মিনিটে দুই প্যাকেট বিরিয়ানির ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বরের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার জন্য ১৫ টন বিরিয়ানি তৈরি করা হয়েছিল।

    শনিবার রাত ১০ টা ২৫ মিনিটে সুইগির (Swiggy) তরফে একটি ট্যুইটবার্তায় বলা হয়, ‘ডোমিনোজ ইন্ডিয়া, ৬১,২৮৭ পিৎজার ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে। ওগুলির সঙ্গে কতগুলি ওরিগ্যানোর প্যাকেট যাচ্ছে, শুধু সেটা ভাবুন।’

    সেইসঙ্গে শনিবার সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত ১.৭৬ লাখ প্যাকেট চিপস সরবরাহ করা হয়েছে। পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার রাত ৯ টা ১৮ মিনিট পর্যন্ত ভারতের ১২,৩৪৪ জন খিচুড়ির অর্ডার দিয়েছিলেন। তারই মধ্যে শনিবার সন্ধ্যায় সুইগির সিইও শ্রীহর্ষ মাজেটি বলেন, “দ্রুতগতিতে শুরু হয়েছে পার্টি। ইতিমধ্যে আমরা ১৫ লাখ অর্ডার দিয়েছি। তা চলছে। এই নিউ ইয়ার্স ইভকে অবিস্মরণীয় করে তুলে আমাদের বাহিনী ও সহযোগী রেস্তোরাঁগুলি তৈরি আছে। বিশেষ পরামর্শ দিচ্ছি – ভিড় এড়াতে দ্রুত অর্ডার দিন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

     

LinkedIn
Share