Tag: BJP candidate

BJP candidate

  • Lok Sabha Elections 2024: ‘আমি অভিভূত’, গাজিয়াবাদে রোড-শো করে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Lok Sabha Elections 2024: ‘আমি অভিভূত’, গাজিয়াবাদে রোড-শো করে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। তার আগে এই প্রথম রোড-শো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে প্রধানমন্ত্রীর ওই রোড-শোয়ে অংশ নিয়েছিলেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। গাজিয়াবাদে এবার পদ্ম-প্রার্থী অতুল গর্গ। তাঁর সমর্থনেই এদিন রোড-শো করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর হাতে পদ্ম (Lok Sabha Elections 2024)

    প্রধানমন্ত্রীর হাতে ধরা ছিল দলীয় প্রতীক পদ্ম। প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে এদিন গাজিয়াবাদে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী যখন হাত নাড়াচ্ছেন, তখন এলাকা কাঁপছে ‘হর হর মোদি’ এবং ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে। প্রধানমন্ত্রীর (Lok Sabha Elections 2024) রোড-শো শুরু হয় মালিবাদ চকে। শেষ হয় দেড় কিলোমিটার দূরের চৌধুরী মডে গিয়ে। রোড-শোয়ে যোগ দিয়ে আমজনতার যে সমর্থন তিনি পেয়েছেন, তাতে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক চোখের দেখা দেখতে ভিড় করেছিলেন প্রচুর সাধারণ মানুষও।

    ‘নব ভারতের রূপকার’কে এক ঝলক দেখতে ভিড়

    মহিলাদের অনেকেই হলুদ শাড়ি পরেছিলেন। মাথায় পাগড়ি বেঁধেছিলেন গেরুয়া রংয়ের। প্রখর রোদ উপেক্ষা করেও তাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন ‘নব ভারতের রূপকার’কে এক ঝলক দেখতে। জনতার এই আবেগ ছুঁয়ে গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকেও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “বিশেষত যুব শক্তি ও নারী শক্তিকে রোড-শোয়ে প্রচুর পরিমাণে অংশ নিতে দেখে আমি আপ্লুত। এতেই স্পষ্ট যে, আমাদের সুশাসনে মানুষ খুশি।” তিনি বলেন, “আগামী বছরগুলিতে আমরা গাজিয়াবাদে আরও অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করব। আমার লক্ষ্যই হল কীভাবে জীবনের মানোন্নয়ন করা যায়, কীভাবে মানুষকে আরও বেশি করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নানা সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যায়। শিক্ষা, পরিবহণ এবং আরও অনেক কিছুর মানোনয়ন্নন ঘটাতে হবে। আমরা গাজিয়াবাদ থেকে তরুণদের চাই, যারা ভারতের বৃদ্ধিকে নিয়ে যাবে উন্নতির শিখরে। গাজিয়াবাদ সব সময় বিজেপিকে সমর্থন করে এসেছে। আমাদের পার্টি সর্বদা গাজিয়াবাদের উন্নয়নে সচেষ্ট। গত দশ বছরে উন্নয়নমূলক কাজ, বিশেষত শহুরে পরিকাঠামোর উন্নয়ন, যোগাযোগ ও হাউজিংয়ের ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে। তার জেরে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন হয়েছে অনায়াস।” প্রসঙ্গত, গাজিয়াবাদে নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) হবে ২৬ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফায়।

    আরও পড়ুুন: “মোদিই আমাদের রক্ষাকর্তা, ভোটটা তাঁকেই দেব”, বলছেন উত্তরপ্রদেশের হিন্দু শরণার্থীরা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

  • Raju Bista: “কেন্দ্র টাকা দিলেও তৃণমূলের দুর্নীতির জন্য জল পাচ্ছেন না মানুষ”, বিস্ফোরক রাজু বিস্তা

    Raju Bista: “কেন্দ্র টাকা দিলেও তৃণমূলের দুর্নীতির জন্য জল পাচ্ছেন না মানুষ”, বিস্ফোরক রাজু বিস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনগণের থেকে ট্যাক্স (Tax) নিয়ে জনগণকে জল না দিলে রাজ্য জনস্বাস্থ্য কারিগরি (PHE) দফতরের ইঞ্জিনিয়ারদের ওপর আইনের ডান্ডা চলবে। বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া ফাঁসিদেওয়ার (Fasidewa) গ্রামীণ এলাকায় জনসংযোগ যাত্রা করেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি প্রার্থী বিদায়ী সাংসদ রাজু বিস্তা (Raju Bista)। ভোট প্রচারে এলাকাবাসী মুখে জলের কষ্টের কথা শোনার পর রাজু বিস্তা PHE ইঞ্জিনিয়ারদের এই ভাষায় সতর্ক করেন।

    কেন একথা বললেন রাজু বিস্তা?

    এদিন ভোট প্রচারে ফাঁসিদেওয়া ব্লকের চটহাট, লেউসিপাকুরি, জালাসনিজনমতারা সহ বিস্তীর্ণ এলাকা চষে বেড়ান রাজু বিস্তা। প্রায় প্রতিটি জায়গাতেই বাসিন্দারা বিদায়ী সংসদের কাছে এলাকার দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সমস্যার(Water Scarcity)  কথা তুলে ধরেন। একথা শোনার পর রাজু বিস্তার বলেন, “গ্রামের ঘরে ঘরে জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য কেন্দ্র সরকার প্রয়োজনীয় টাকা রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে দিয়েছে। কিন্তু সেই টাকায় দুর্নীতি (Scam) হয়েছে। PHE ইঞ্জিনিয়াররা মানুষের ঘরে জল পৌঁছে দেননি। তাই আমি বলছি  জনগণের টাকায় জনগণকে জল দিতে হবে।  তা নাহলে ওই ইঞ্জিনিয়ারদের উপর আইনের ডান্ডা চলবে। আমি যতটা ভদ্র ভাবে কথা বলি কাজের ক্ষেত্রে তার থেকে আরও বেশি কঠোর পদক্ষেপ করি।”

    আরও পড়ুন: “সন্দেশখালির দোষীদের সারা জীবন জেলেই কাটাতে হবে,” কোচবিহারে কড়া হুঁশিয়ারি মোদির

     গরু চুরি নিয়েও সরব বিজেপি প্রার্থী

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত (Border) লাগোয়া ফাঁসিদেওয়ার গ্রামগুলিতে প্রতিদিনই গরু চুরির (Cattle Smugling) অভিযোগ রয়েছে। প্রায় প্রতি রাতেই গৃহস্থের গোয়াল থেকে গরু চুরি হয়ে যাচ্ছে।  এদিন প্রচারে বিদায়ী সাংসদকে  গ্রামবাসীরা তাদের এই সমস্যার কথাও জানান। এ প্রসঙ্গে রাজু বিস্তা বলেন,  “প্রতিদিনই ফাঁসিদেওয়ার এই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে গরু চুরি হয়। পুলিশ এর সঙ্গে যুক্ত না থাকলেই এটা সম্ভব নয়। যেভাবে গরু চুরি সহ অন্যান্য চুরির ঘটনা বেড়েই চলেছে তাতে এই জেলাকে চুরির জেলা হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। তাই পুলিশ প্রশাসনকে আমি এ ব্যাপারে সতর্ক করছি, গরু চুরি বন্ধ করার ব্যাপারে নিরপেক্ষ ভূমিকা নেওয়ার জন্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: মানিকচকের হাটে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থী, সবজি বিক্রি করে নজর কাড়লেন শ্রীরূপা

    Malda: মানিকচকের হাটে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থী, সবজি বিক্রি করে নজর কাড়লেন শ্রীরূপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ মালদা (Malda) লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী শনিবার দুপুরে মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর হাটে এক অভিনব নির্বাচনী ভোট প্রচারে অংশ গ্রহণ করলেন। হাটে তিনি নিজের হাতে সবজি বিক্রি ও মাটির সামগ্রিক বিক্রি করেন। শুধু তাই নয় দলীয় কর্মী নেতৃত্বদের নিয়ে চায়ের দোকানে নিজের হাতে চা বানিয়ে চায়ে পে চর্চা করতেও দেখা যায়। আসন্ন লোকসভার ভোটে এই অভিনব প্রচারে এলাকার ভোটারদের নজর কাড়লেন তিনি। এলাকায় ব্যাপক সাড়া বলে দাবি বিজেপির।

    হাটে এসে কী বললেন শ্রীরূপা?

    শনিবার দুপুরের মানিকচকের মথরাপুর হাটে এক অভিনব প্রচারে ভোটারদের কাছে গেলেন বিজেপি প্রার্থী। তিনি প্রচারে অংশ নিয়ে বলেন, “গ্রামের হাট হল গ্রামীণ বাংলার আসল চিত্র। কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ এই কথা বলেছেন। এই হাট, গ্রাম বাংলার সচেতনতাকে উপস্থাপন করে। হাটে এলে সমগ্র পৃথিবীকে দেখতে পাই। মানুষ নিজের মনের কথা বলতে পারেন হাটে এসে। মানুষের সুবিধা-অসুবিধাকে প্রকাশ করে থাকেন এই বাজারে। হাটে বেচাকেনা মূল উদ্দেশ্যে নয় মানুষের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তিকে তুলে ধরে মানুষ। আমি আজ এই নির্বাচনী প্রচারের মধ্যে দিয়ে হাট-বাজারের মানুষের মনকে বুঝতে পরেছি। তাঁদের পছন্দ অপছন্দের ভাবকে বুঝতে এসেছি এই হাটে।”

    আরও পড়ুনঃ সরকারি ভবনে তৃণমূলের নির্বাচনী সভা! কমিশনের কাছে বিধিভঙ্গের অভিযোগ বিজেপির

    সজনে ডাঁটা বিক্রি করলেন

    এদিন মাণিকচকের (Malda) হাটের সবজির দোকানে শাক-সবজি বিক্রি করতে দেখা যায় মালদা দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্রকে। নিজের হাতে পাল্লা-বাটখারা নিয়ে সজনে ডাঁটা বিক্রি করতে দেখা যায় তাঁকে। নিজেই ক্রেতাদের কাছে সবজি বিক্রি করে হিসেবও করলেন। দোকানে সবজি হিসাবে ছিল ঢেরস, পটল, উচ্ছে, কাঁচা লঙ্কা, শাকপাতা ইত্যাদি। অপর দিকে নিজেই চায়ের দোকানে চা বানিয়ে কর্মীদের চা পান করালেন। একই সঙ্গে চায়ে পে চর্চায় মানুষের সঙ্গে জন সংযোগ করলেন।

    উল্লেখ্য, প্রথম থেকেই নির্বাচনী প্রচারে তিনি দৃষ্টি কেড়েছেন। সীমান্ত এলাকায় ভারত-বাংলাদেশের কাঁটা তারের ওপারে থাকা ভারতীয় পরিবারগুলির জীবন উন্নয়নের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। পানীয় জল, রেশনের সুবিধা থেকে বঞ্চনার অভিযোগে একাধিক বিষয়ে রাজ্যের শাসক দল এবং কংগ্রেসের সাংসদদের আক্রমণ করেন। তাঁর প্রচার অভিযানে মালদায় বিজেপির প্রচার এখন ব্যাপক জমজমাট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বিজেপি প্রার্থীর গাড়িতে হামলা, কর্মীদের মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Nadia: বিজেপি প্রার্থীর গাড়িতে হামলা, কর্মীদের মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচারে বেরিয়ে নদিয়ার (Nadia) রানাঘাটে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হামলার মুখে পড়েন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার চাকদা বিধানসভার এক নম্বর চাঁদুড়িয়া এলাকায়। বাধা দিতে গিয়ে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ছিঁড়ে নেওয়া হয় এক বিজেপি কর্মীর সোনার চেন। পরিকল্পিতভাবেই এই হামলা বলে অভিযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার।

     ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    রবিবার নদিয়ার (Nadia) চাকদা বিধানসভার এক নম্বর চাঁদুড়িয়া মালাপাড়া মোড়ে স্থানীয়দের উদ্যোগে হরিনাম সংকীর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে যোগ দিতে যান রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার সময় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি পৌঁছতেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর গাড়ির ওপর চাড়াও হয়। গাড়ির ওপর চল, কিল,ঘুসি মারতে থাকে। গাড়ির ভিতরেই ছিলেন জগন্নাথবাবু। বিজেপি কর্মীরা এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাঁদের বেধড়ক মারধর করা হয়। বেশ কয়েকজন কর্মীকে, ছিঁড়ে দেওয়া হয় জামাকাপড়। এছাড়াও সোনার চেন ছিনতাই করার চেষ্টা করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পরে, বিজেপি প্রার্থীর নিরাপত্তা রক্ষীরা হামলাকারীদের সরিয়ে দেন। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। অভিযোগ পুলিশ প্রশাসনকে জানানো সত্ত্বেও কোনওরকম পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। এই ঘটনার পিছনে প্রশাসনের মদত আছে বলে অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। দুষ্কৃতীদের মারে আহত বিজেপির বুথ সভাপতি নীলকান্ত হালদার বলেন, বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার আমাদের আমন্ত্রনে হরিনাম সংকীর্তন এ উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু, আচমকা তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো হয়। আমরা প্রতিবাদ করাই আমাদের বেধড়ক মারধর করে তৃণমূলের লোকজন।

    প্রশাসনের মদতেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে

    এ বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, সম্পূর্ণ প্রশাসনের মদতে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আর এই ঘটনার জন্য চাকদা (Nadia) থানার আইসি দায়ী। শুধু আমার গাড়িতে হামলা হয়েছে তা নয়, আমাদের একাধিক কর্মীকে মারধর করেছে। পাশাপাশি গলার সোনার চেন সহ একাধিক জিনিস লুট করার চেষ্টা করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। আমার সামনেই দলীয় কর্মীদের বেধড়ক মারল তৃণমূলের লোকজন।

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর হাত ধরে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের ছেলে যোগ দিলেন বিজেপিতে

     তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এ বিষয়ে নদিয়ার (Nadia) জেলা তৃণমূল নেতা সনৎ চক্রবর্তী বলেন, সামনে ভোট বিজেপি প্রার্থী নিজেও জানেন এবারে তিনি পরাজিত হচ্ছেন। সেই কারণে তারা নিজেরাই এই ঘটনা ঘটিয়ে তৃণমূলকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: মন্দিরে পুজো দিয়ে অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন নিশীথ

    Nisith Pramanik: মন্দিরে পুজো দিয়ে অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন নিশীথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহার লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)-এর ফের নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই জোর কদমে চলছে প্রস্তুতি। চলছে দেওয়াল লিখনের কাজ। বৃহস্পতিবার মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তিনি। এদিন জেলাশাসকের দফতরে দলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক সুকুমার রায়, রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিজেপি প্রার্থী। দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মীরা।

    অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন নিশীথ

    ২ মার্চ বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই অনন্ত মহারাজ ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করে বলেছিলেন, শাহের সঙ্গে তাঁর ফোনে কথা হয়। তাঁকে জানানো হয়েছে, কোচবিহার পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হচ্ছে না। এমনকী তিনি এও বলেন, ‘সাধারণ মানুষ চাইলে আমি রাজ্যসভার সাংসদ পদ ত্যাগ করব।’ বিজেপি-র সঙ্গে কিছুটা দুরত্ব তৈরি হলেও নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) হস্তক্ষেপে সব সমস্যা মিটে যায়। রাজ্যসভা ভোটের টিকিট পাওয়ার সময় নিশীথই গিয়ে অনন্ত মহারাজের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। নিশীথের সঙ্গে অনন্তর সম্পর্ক ‘ভালো’ বলেই জানেন সকলে। কয়েকদিন আগে উত্তরবঙ্গে জনসভা করে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই জনসভায় মঞ্চে ছিলেন অনন্তও। তবে প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যেও মান ভাঙেনি তাঁর। এই আবহে বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তথা কোচবিহার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক যান অনন্ত মহারাজের সঙ্গে দেখা করতে। বৃহস্পতিার কোচবিহারের লোকসভা প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁকে থাকার অনুরোধ করেছিলেন। নিশীথের সঙ্গে সাক্ষাতের পর অনন্ত মহারাজ বলেন, ‘দলের নির্দেশে মনোনয়ন পেশের সময় আমি সেখানে থাকব। এর আগে দল আমাকে গুরুত্ব দিচ্ছিল না, তাই কোথাও যাচ্ছিলাম না। দল এখন ডেকেছে। তাই যাব।’ কথা রেখেছেন অনন্ত মহারাজ। এদিন বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে জেলা প্রশাসনিক ভবনে যান। মিছিলে প্রচুর কর্মী, সমর্থক হাজির ছিলেন। জেলা শাসকের দফতরে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে লিড দিলেই মিলবে আবাস যোজনার টাকা, বেফাঁস পার্থ ভৌমিক

    কী বললেন নিশীথ প্রামাণিক? (Nisith Pramanik)

    মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে আশীর্বাদ চাইলেন নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, আমরা যে উন্নয়নের অঙ্গীকার করেছিলাম সেই উন্নয়ন কেন্দ্রীয় সরকার করে চলেছে। কোথাও অন্যায় হলে আমরা রুখে দাঁড়াব।  পরিকাঠামোগত থেকে যোগাযোগ রক্ষার যে উন্নয়ন সারা দেশে হচ্ছে কোচবিহারেও তা জারি থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি যে স্বপ্ন দেখেছেন ভারতকে বিশ্বের দরবারে শ্রেষ্ঠ স্থানে পৌঁছে দেওয়ার, সেই বিষয় সাধারণ মানুষের কাছে আরও একবার আবেদন রাখবো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagannath Sarkar: প্রচারে বেরিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ, দেওয়াল লিখলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    Jagannath Sarkar: প্রচারে বেরিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ, দেওয়াল লিখলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম ঘোষণা হতেই প্রচারে নেমে পড়েছেন রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar)। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পুরোদমে চলছে দেওয়াল লিখনের কাজ। মঙ্গলবার নদিয়ার চাকদা বিধানসভা এলাকায় চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন সাংসদ তথা বিজেপি প্রার্থী।

    দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেওয়াল লিখলেন প্রার্থী (Jagannath Sarkar)

    নদিয়ার কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর (Jagannath Sarkar) নাম ঘোষণা না করলেও দিল্লি থেকে দিন কয়েক আগে রানাঘাট কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৯ সালে সমতলে সবথেকে বেশি ব্যবধানে জেতা প্রার্থী তথা বর্তমান সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে পুনরায় প্রার্থী করেছে বিজেপি। দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর থেকে পুরোদমে ভোট প্রচারে নেমে পড়েছেন বিজেপি কর্মীরা। সেইমতো পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী প্রতিটি জায়গায় প্রচারে যাচ্ছেন তিনি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই চলছে বিজেপি প্রার্থীর প্রচার। প্রথমে চাকদা বিধানসভার বিজেপি মণ্ডল পাঁচ এর উদ্যোগে একটি রক্তদান শিবিরে যোগদান করেন তিনি। এরপরই একাধিক জায়গায় দেওয়াল লিখন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। জগন্নাথ সরকার নিজের হাতেই একাধিক দেওয়াল লিখে দলীয় কর্মীদের উৎসাহিত করেন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ সহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

    আরও পড়ুন: অপুর ‘পয়া’ টোটো চালিয়ে বাজিমাত করেছিলেন, এবারও সেই টোটোতে প্রচার সুভাষের

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar) বলেন, গতবারও মন্দিরে পুজো দিয়ে আমি প্রচার শুরু করেছিলাম। এবার নাম ঘোষণা হওয়ার পরই মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেছি। সমস্ত বিধানসভায় দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষের যা সমর্থন পেয়েছিলাম, এবারের লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষের উন্মাদনা আরও বেশি। প্রচুর মানুষ আমাকে আশীর্বাদ করছেন। গত পাঁচ বছরে মানুষের কাছে যে উন্নয়ন পৌঁছে দিয়েছি,আগামীদিনে আরও যাতে উন্নয়ন পৌঁছে দিতে পারি সেই লক্ষ্য নিয়েই ভোট প্রচার করছি। নরেন্দ্র মোদির হাত শক্ত করতে আগামী পাঁচ বছর আরও বেশি ভোটের ব্যবধানে সাধারণ মানুষ আমাকে জয়ী করবেন বলে আমি আশাবাদী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Subhas Sarkar: অপুর ‘পয়া’ টোটো চালিয়ে বাজিমাত করেছিলেন, এবারও সেই টোটোতে প্রচার সুভাষের

    Subhas Sarkar: অপুর ‘পয়া’ টোটো চালিয়ে বাজিমাত করেছিলেন, এবারও সেই টোটোতে প্রচার সুভাষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রে সুভাষ সরকারের (Subhas Sarkar) ওপর ফের আস্থা রেখেছে বিজেপি। দ্বিতীয়বারের জন্য বিজেপি প্রার্থী হওয়ার পর “লাকি” টোটো চালিয়ে এলাকায় প্রচার শুরু করলেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ সারলেন। দলীয় কর্মীরাও এলাকায় এলাকা দলীয় প্রার্থীর নামে দেওয়াল লিখন শুরু করে দিলেন।

    টোটো নিয়ে প্রচারে ব্যাখ্যা দিলেন বিজেপি প্রার্থী (Subhas Sarkar)

    বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar) বলেন, ‘অন্ডাল এয়ারপোর্টে নামার সঙ্গে সঙ্গে বাঁকুড়ার সমস্ত কার্যকর্তারা সেখানে হাজির হয়ে আমাকে অভ্যর্থনা জানিয়েছে। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় রানিগঞ্জের রাস্তা হয়ে, মেজিয়া দুর্গাপুর মোড়, গঙ্গাজলঘাটি এলাকায় অসংখ্য মানুষ আমার জন্য অপেক্ষা করে থেকেছে, কাতারে কাতারে মানুষ রাস্তার দু’ধারে  বেরিয়ে এসেছে। সেই আমার অপু ভাই, ওর টোটো ২০১৯-এর চালিয়েছিলাম। ও অসুস্থ, আঘাত লেগেছে, তা সত্ত্বেও ও টোটো নিয়ে হাজির। তাই ওর টোটো চালিয়েছি, ওর টোটো খুব পয়মন্ত। সেই টোটো চালিয়েই মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করলাম।’ জানা গিয়েছে, গতবার ওই টোটো চালিয়ে প্রচার শুরু করে নির্বাচনে সাফল্য এসেছিল। এবারও সেই “পয়া” টোটো চালিয়ে প্রচার সারলেন বিজেপি প্রার্থী।

    জয়ের ব্যবধান হবে ৪ লক্ষ

    জয়ের বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী (Subhas Sarkar) বলেন, ‘২০১৯ সালে পৌনে ২ লাখ ভোটে জিতেছিলাম, তখন প্রতিপক্ষ প্রার্থী ছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এবারে পৌনে ২ লাখ নয়, পৌনে ৪ লাখ হবে। বাঁকুড়ার মানুষের জন্য যা যা করেছি সেগুলি বলতে পারব। ২ তারিখে ১১ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা বাঁকুড়া লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী বরাদ্দ করলেন। এছাড়াও অনেক প্রকল্প আছে।’ একইসঙ্গে সুভাষের দাবি বাঁকুড়ায় ভারতীয় জনতা পার্টির কোনও প্রতিপক্ষ নেই। ২০১৯ সালে পৌনে ২ লাখ ভোটে জিতেছিলাম, তখন প্রতিপক্ষ প্রার্থী ছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এবারে পৌনে ২ লাখ নয়, পৌনে ৪ লাখ হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা, এটাই কি গণতন্ত্র?’’ নিন্দা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা, এটাই কি গণতন্ত্র?’’ নিন্দা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী অশান্তির আঁচ ক্রমেই বাড়ছে। চারিদিকে আক্রান্ত রাজনৈতিক কর্মীরা। বোমা, গুলি, আগুন, আক্রমণ চলছেই। হাওড়ার আমতা জয়পুরে দুই বিজেপির (BJP) প্রার্থীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। গভীর রাতে একের পর এক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই পরিস্থিতিতে ট্যুইটে কড়া ভাষায় রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ট্যুইটে তিনি লিখলেন, ভোটে অংশ নেওয়ায় শাসকের অত্যাচার, এটাই কি গণতন্ত্র? 

    উত্তপ্ত আমতা

    বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী সোমা রায় সহ ৬ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধা অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন বলেও সূত্রের খবর। বিজেপির দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ছাড়া আর কেউ এ কাজ করতে পারে না। আমতা বিধানসভার অন্তর্গত আমড়াগোড়ি অঞ্চলের বিজেপির গ্রামসভার প্রার্থী সোমা রায়। বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটা নাগাদ দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। হাওড়া গ্রামীণের বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক দ্বিজেন অধিকারী জানিয়েছেন, অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘পুলিশ ওদের দলদাস। মনোনয়ন থেকে দেখছি, পুলিশ ওদের কথা মতো চলছে। বিজেপি বারবার আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কিছু করছে না।’

    আরও পড়ুন: জেতার পরও মেলেনি সার্টিফিকেট, আলিপুরদুয়ারে সরব একাধিক বিজেপি প্রার্থী

    শুভেন্দুর ট্যুইট বার্তা

    এ প্রসঙ্গেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) লেখেন, ‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা। হাজার হাজার বিরোধী দলের প্রার্থী, পার্টি কর্মী ও সমর্থক রাজ্য জুড়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন। তাঁদের বাড়িতে হামলা করা হচ্ছে। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সাবাং ব্লকের বিজেপি জেলা পরিষদের প্রার্থী তাপসী দাস বর্মণের মাথার উপর কোনও ছাদ নেই এবং তিনি ও তাঁর পরিবার বর্ষায় আশ্রয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ঘর খুঁজছে। শতাধিক সেফ হাউস চালু করেছে রাজ্য বিজেপি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য  বিজেপি এবং অন্যান্য বিরোধী প্রার্থীদের তৃণমূলের গুন্ডারা  নির্যাতন করছে। এটাই কি গণতন্ত্র?’  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share