Tag: bjp fact finding team

bjp fact finding team

  • Howrah: “মোদিজিকে দেখে মমতাদির শেখা উচিত”, আমতা ঘুরে মন্তব্য বিজেপির মহিলা সাংসদদের

    Howrah: “মোদিজিকে দেখে মমতাদির শেখা উচিত”, আমতা ঘুরে মন্তব্য বিজেপির মহিলা সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে মহিলাদের উপর হিংসার তথ্য নিতে উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার পর এবার হাওড়ার আমতা (Howrah)। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এখানে ভোটের পর ব্যাপক সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়ি। রেহাই পাননি মহিলারাও। এদিন ওই গ্রামে পৌঁছে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বললেন বিজেপির মহিলা তথ্যানুসন্ধান দলের পাঁচ সাংসদ। উল্লেখ্য, শুধু আমতা নয়, পঞ্চায়েত ভোটের পরে গোটা হাওড়া জেলা জুড়েই বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটছে। এমনকী বিজেপি কর্মীদের বাড়িঘর পুড়িয়ে তাদের এলাকা ছাড়া করারও অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে।

    কী বললেন দলের প্রতিনিধিরা (Howrah)?

    এইসব জিনিস খতিয়ে দেখতে আজ বুধবার সকালে আমতায় (Howrah) যান রমা দেবী, কবিতা পাতিদার, অপরাজিতা ষড়ঙ্গী, সন্ধ্যা রায় এবং সরোজ পাণ্ডে। উপদ্রুত এলাকা ঘুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন কমিটির সদস্যারা। তাঁরা জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে দেখে মমতাদির শেখা উচিত, কীভাবে গ্রামীণ গরিব মানুষদের উন্নয়ন করেছেন তিনি। কীভাবে তাঁদের রুজি রোজগারের উপায় করেছেন। কীভাবে বাড়িঘর, পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আর এখানে গরিব মানুষদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মহিলারাও আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না। তাঁদের  অভিযোগ, বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটের নামে কেবল হিংসা হয়েছে। বিরোধী রাজনীতি করলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর ধেয়ে আসছে আক্রমণ। শুধু ওই ব্যক্তিই নয়, তাঁর পরিবারের উপরও হিংসার আঁচ এসে পড়ছে। তাঁদের বাড়িতে আগুন ধরানো হচ্ছে। মহিলাদের হেনস্থা করা হচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেখানে এক জন মহিলা, সেখানে এমন ঘটনা একেবারেই অনভিপ্রেত বলে কটাক্ষ করেছে এই তথ্যানুসন্ধান দল। এদিন প্রতিনিধিদলের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নির্যাতিতা মহিলারা।

    রিপোর্ট দেবেন নাড্ডাকে

    তাঁরা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঙ্গালুরু গিয়ে ইন্ডিয়ার কথা বলছেন। অথচ তাঁর প্রদেশে (Howrah) কী ঘটছে, তা তিনি চোখে পটি বেঁধে আছেন না দেখার জন্য। দলের সদস্যেরা জানিয়েছেন, দিল্লি ফিরে গিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডাকে এ নিয়ে রিপোর্ট দেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Fact Finding Team: সন্দেশখালির পথে ফের বাধা, কী বলল ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম?

    BJP Fact Finding Team: সন্দেশখালির পথে ফের বাধা, কী বলল ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি যাওয়ার পথে ফের বাধার মুখে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম (BJP Fact Finding Team)। এর আগেও একবার সন্দেশখালি যেতে গিয়ে বাধা পেয়ে ফিরতে হয় ওই দলকে। রবিবার আরও একবার যেতে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেন ওই টিমের সদস্যরা। গ্রেফতারও করা হয় টিমের ছয় সদস্যকে। পরে অবশ্য জামিনে মুক্তি পান তাঁরা। করেন সাংবাদিক বৈঠক।

    ‘লোকাল পুলিশ আমাদের আটকায়’

    প্রসঙ্গত, টিমে রয়েছেন পাটনা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি নরসিমা রেড্ডি, রজপাল সিং, ওপপ্রকাশ ব্যাস, সঞ্জীব নায়ক, ভাবনা বাজাজ, এবং চারু আলি খান্না। আইনজীবী তথা এনসিডাব্লুর সদস্য চারু আলি খান্না বলেন, “এদিন আমরা সন্দেশখালিতে যাচ্ছিলাম। তখন লোকাল পুলিশ আমাদের আটকায়। ওঁদের যুক্তি, ওখানে ১৪৪ ধারা চলছে, তাই যাওয়া যাবে না। আমরা বলি, আমাদের এই দলে ৬ জন রয়েছেন, ২ জন মহিলাও রয়েছেন। অন্তত আমাদের শুধু মহিলা সদস্যদের যেতে দিন। পুলিশ আমাদের কথা কানে তোলেনি। ভোজেরহাটে ২ জন আইপিএস অফিসার আমাদের আটকান। আমরা বলি, আমাদের আটকানোর (BJP Fact Finding Team) কারণ কি? ওখানে তো মন্ত্রী, বিধায়করা যাচ্ছেন।”

    টিমের অভিযোগ

    টিমের অভিযোগ, “এর পর আচমকাই পুলিশ অ্যাগ্রেসিভ হয়ে যায়। আমাদের তোলা হয় পুলিশ ভ্যানে। পরে আমাদের লালবাজারে নিয়ে আসা হয়। বন্ডে সই করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ডে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের যেতে দেওয়া হলেও, আমাদের যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে। আমরা রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করব। পুরো ঘটনাটি খুলে বলব। বিজেপির এই টিমের সদস্যদের অভিযোগ, আমরা পুলিশকে জানিয়েছিলাম, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, নিরাপত্তার কোনও খামতি হবে না। বর্তমান সরকার গোটা বিষয়টা সাপোর্ট করছে। যাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট সার্কুলার জারি করা হয়েছে, তাঁকে প্রোটেক্ট করার চেষ্টা চলছে।”

    আরও পড়ুুন: “১৮তম লোকসভা দেশের তরুণদের আকাঙ্খার প্রতীক”, মন কি বাতে বললেন মোদি

    ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম যে ফের একবার সন্দেশখালিতে যাওয়ার চেষ্টা করবে, তা জানিয়ে দিয়েছেন এই টিমের সদস্যরা। তাঁরা বলেন, “আমরা ফের যাওয়ার কথা ভাবছি। আমাদের সাইকোলজিকাল টর্চার করা হয়েছে। পুলিশ আমাদের জোরপূর্বক আটকেছে।”

    শনিবার পুরো বিষয়টি তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন। তার পরেও এদিন পুলিশ তাঁদের সন্দেশখালি যেতে বাধা দেওয়ায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ ওই টিমের সদস্যরা (BJP Fact Finding Team)। তাঁরা বলেন, “রামনবমীর দিনও আমাদের এভাবে হ্যারাস করা হয়েছে। পুলিশ পলিটিক্যাল এজেন্ট। আমরা আবারও আসব। আবারও গ্রেফতার হব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে শিশু নিগ্রহের ঘটনায় পদক্ষেপ জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশনের

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে শিশু নিগ্রহের ঘটনায় পদক্ষেপ জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে শিশু নিগ্রহের ঘটনায় পদক্ষেপ করল জাতীয় শিশু অধিকার রক্ষা কমিশন। যে শিশুটিকে কেন্দ্র (Sandeshkhali) করে এই অভিযোগ, তার চিকিৎসার যাবতীয় ব্যবস্থা করার নির্দেশও কমিশন দিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসককে। ওই শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    কমিশনের নির্দেশ

    পরিবারটিকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে কমিশন। যারা একাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনকে জানাতে হবে, প্রশাসন কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে। জেলাশাসকের কাছে রিপোর্টও তলব করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপ করেছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন।

    শিশুটির পরিবারে হামলা

    প্রসঙ্গত, ১০ ফেব্রুয়ারি (Sandeshkhali) একদল দুষ্কৃতী পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে ওই শিশুটির পরিবারে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর চালানো হয় বাড়িঘরে। হেনস্থা করা হয় শিশুটির মাকে। মায়ের কোল থেকে শিশুটিকে ছিনিয়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলা হয় বলেও অভিযোগ। শিশুটির মা বলেন, “আমার কোলেই ছিল বাচ্চা। আমার হাতের কাছে ধরে টানাটানি করছিল ওরা। বাচ্চাটা কোলে ছিল। তাকে ফেলে দিয়েছে। আমার বাচ্চার বয়স সাত মাস।” কমিশনের মতে, এতে শিশুটির অধিকার খর্ব হয়েছে। কমিশনের এই পদক্ষেপের পাশাপাশি শুক্রবারই জাতীয় এসসি কমিশন রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট পেশ করে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি করেছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সন্দেশখালি গিয়েই ছাড়ব’’, রাজভবনে রিপোর্ট দিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    এদিনই সকালে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা। এই দলে অগ্নিমিত্রা পাল এবং সুনীতা দুগ্গল ছাড়াও ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক প্রমুখ। রামপুর এলাকায় তাঁদের পথ আগলায় পুলিশ। এনিয়ে দু পক্ষে বচসা শুরু হয়। বিজেপির তরফে পাঁচজনকে যেতে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। অভিযোগ, তাতে কর্ণপাত করেনি পুলিশ। এর পরেই ওই এলাকায় রাস্তার ওপর বসে পড়েন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা। তাঁদের তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়। বেশ কিছুক্ষণ পরে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন বিজেপির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সটান চলে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে (Sandeshkhali)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

      

  • Sandeshkhali: ‘‘সন্দেশখালি গিয়েই ছাড়ব’’, রাজভবনে রিপোর্ট দিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    Sandeshkhali: ‘‘সন্দেশখালি গিয়েই ছাড়ব’’, রাজভবনে রিপোর্ট দিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশি বাধায় সন্দেশখালি (Sandeshkhali) না গিয়েই কলকাতায় ফিরতে হল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যদের। এর পরেই তাঁরা সটান চলে যান রাজভবনে। বিজেপির এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমে ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, হরিয়ানার সিরসার সাংসদ সুনীতা দুগ্গলও। শুক্রবার সুনীতা বলেন, “আমরা শুনতে পাচ্ছি যে আমাদের সঙ্গে যে মহিলারা কথা বলেছেন, তাঁদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এরকম প্রতিটি ঘটনার রিপোর্ট আমরা দেব মহামহিমকে।” তিনি বলেন, “আমরা শুনতে পেলাম, যে মহিলারা ভিডিও কলে আমাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাঁদের এখন মারধর করছে পুলিশ।” এ ব্যাপারে অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছে পুলিশ।

    ১৪৪ ধারা

    আদালতের নির্দেশে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়া হয়েছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে। কয়েকটি পকেটে অবশ্য এখনও জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। এদিন সকালে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দেন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা। এই দলে অগ্নিমিত্রা এবং সুনীতা ছাড়াও ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক প্রমুখ। রামপুর এলাকায় তাঁদের পথ আগলায় পুলিশ। জানিয়ে দেয়, জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। এনিয়ে দু’পক্ষে বচসা শুরু হয়। বিজেপির তরফে পাঁচজনকে যেতে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। অভিযোগ, তাতে কর্ণপাত করেনি পুলিশ।

    প্রতিবাদ বিজেপির 

    এর পরেই ওই এলাকায় রাস্তার ওপর বসে পড়েন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের সদস্যরা। তাঁদের তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয়। তৃণমূল বিরোধী স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। বেশ কিছুক্ষণ পরে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন বিজেপির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সটান চলে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে। রাজভবনে একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বিজেপির ওই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের তরফে। অগ্নিমিত্রা বলেন, “সন্দেশখালি যাওয়ার চেষ্টা করি। রামপুরে আটকে দেয়। রাজ্যপালকে বলি। উনিও দুঃখিত। আমরা উচ্চ আদালতে বিষয়টি জানাব। সন্দেশখালি গিয়ে ছাড়ব। যাঁদের ওপর অত্যাচার করেছে, তাঁদের সঙ্গে দেখা করবই। পুলিশ এখন রক্ষক নেই। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে।”

    আরও পড়ুুন: কেন দলে দলে কংগ্রেস ত্যাগ করছেন নেতারা? আসল কারণ খোলসা করলেন মোদি

    প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি মামলায় সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডির আধিকারিকরা। তার পরেই গা ঢাকা দেয় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। এবার শাহজাহানের দলবলের বিরুদ্ধে মহিলাদের রাতে ডেকে নির্যাতন করা হত বলে অভিযোগ। তার জেরেই তপ্ত হয়ে রয়েছে সন্দেশখালি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share