Tag: bjp government

bjp government

  • Arijit Das Thakur: তোলাবাজির অভিযোগে ফের গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর, তালিকায় এবার অরিজিৎ দাস ঠাকুর

    Arijit Das Thakur: তোলাবাজির অভিযোগে ফের গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর, তালিকায় এবার অরিজিৎ দাস ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই একের পর এক শাসকদলের বিদায়ী নেতা ও কাউন্সিলরের গ্রেফতারির পালা চলছে। সুদীপ পোল্লে এবং সচিন সিংয়ের পর এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কলকাতা পুরনিগমের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অরিজিৎ দাস ঠাকুর (Arijit Das Thakur)। তোলাবাজিসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে গড়ফা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। বুধবারই তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। গত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি এবং তোলাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বিজেপি সরকার।

    ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ (Arijit Das Thakur)

    তৃণমূল নেতাদের (TMC Councillor) বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তৎকালীন বিরোধী দল হিসেবে বিজেপি এই নিয়ে বারবার সরব হলেও, শাসকদলের পক্ষ থেকে কোনও সদর্থক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠত। তবে রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চিত্রটি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আইন এখন নিজের পথে চলছে এবং একের পর এক প্রভাবশালী নেতার শ্রীঘরে ঠাঁই হচ্ছে। অরিজিতের বিরুদ্ধে মূলত স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা তোলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই এভাবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ধরপাকড় চলছে।

    অরিজিৎ দাস ঠাকুর (Arijit Das Thakur) তৃণমূলের দীর্ঘদিনের প্রবীণ নেতা দুলাল দাস ঠাকুরের পুত্র। এলাকায় তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল। অথচ, সম্প্রতি দল তাঁকে নিজেদের আইটি (IT) সেলে বড়সড় দায়িত্বও দিয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না; ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গড়ফা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।

    এক নজরে সাম্প্রতিক গ্রেফতারি

    কলকাতা পুরনিগমে এই নিয়ে পরপর তিনজন তৃণমূল কাউন্সিলর (TMC Councillor) পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। যারা যারা অসৎ উপায় অবলম্বন করে মানুষের জনজীবনকে বিপন্নকে করেছেন তাঁদের আরও কয়েকজন সম্পর্কে অভিযোগগুলি ছিল ভীষণ গুরুতর। সুদীপ পোল্লে, ওয়ার্ড নম্বর ১২৩, কলকাতা পুরনিগমের প্রথম কাউন্সিলর হিসেবে কয়েকদিন আগে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। এরপর সচিন সিং, ওয়ার্ড নম্বর ৩৬, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভাঙচুর, লুটপাট ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে গত ২৭ মে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

    সচিন সিংয়ের গ্রেফতারির নেপথ্যে রয়েছে ২০২১ সালের ৪ মে-র একটি ঘটনা। অভিযোগকারী আদর্শ পাণ্ডে দাবি করেন, ওই দিন বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ সচিন সিংয়ের নেতৃত্বে একদল দুষ্কৃতী তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়। বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর পাশাপাশি তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। সেই পুরনো মামলার তদন্তে নেমেই পুলিশ সচিনকে গ্রেফতার করে। আর তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পুলিশের জালে ধরা পড়লেন ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের অরিজিৎ দাস ঠাকুর (Arijit Das Thakur)।

  • Suvendu Adhikari: বুধবার থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার অর্থ মিলবে, তারকেশ্বর থেকেই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

    Suvendu Adhikari: বুধবার থেকেই অন্নপূর্ণা যোজনার অর্থ মিলবে, তারকেশ্বর থেকেই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বর্তমান শাসকদলের একাধিক জনকল্যাণমুখী রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবায়ন করতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এক বড় ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, “অন্নপূর্ণা যোজনা-র (Annapurna Yojana) আওতায় প্রতিশ্রুতি মতন অর্থ প্রদানের প্রক্রিয়া বুধবার (৩ জুন) থেকেই শুরু হতে চলেছে।” এই প্রসঙ্গে তিনি মঙ্গলবার তারকেশ্বর থেকে আরও বলেন, “যত দ্রুত ফর্ম ফিলআপ হবে, তত দ্রুতই চালু হবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার।” এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বিধানসভা নির্বাচন-পরবর্তী আবহে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল ও পারদ চড়তে শুরু করেছে।

    ঘুষপেটিয়াকে টাকা দেওয়া হবে না (Annapurna Yojana)

    উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে রাজ্যের মহিলাদের জন্য এই ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’-র (Annapurna Yojana) কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। শাসকদলের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের বিকল্প হিসেবে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, তারা ক্ষমতায় এলে রাজ্যের মহিলাদের আর্থিক সহায়তার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে। এরপর বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায় যে রাজ্যে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছে। ২০২৬ সালে ঐতিহাসিক রায়ে বিধানসভায় বিজেপি সরকার গড়তেই ঠিক কথা মতো কাজ শুরু করে দিয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তারকেশ্বরে বলেন, “কাল থেকেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া শুরু হবে। যাঁরা ফর্ম পূরণ করেছেন, তাঁরা টাকা পাবেন। আমরা যা বলি, ভেবেচিন্তেই বলি। কোনও ঘুষপেটিয়াকে টাকা দেওয়া হবে না। সরকারি ভাতা যোগ্যদের পাশাপাশি অযোগ্যদের খাতায়ও ঢুকেছে। যাঁরা অন্নপূর্ণার ফর্ম এখনও পূরণ করেননি, তাঁরাও বঞ্চিত হবেন না। তাঁদের অ্যাকাউন্টেও আগের মতো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকবে।”

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার লুঠ করেছেন, ছাড়ব না

    এই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “আগামীকাল থেকেই যোগ্য উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই যোজনার অর্থ সরাসরি প্রেরণের প্রক্রিয়া আরম্ভ হবে। যাঁরা ১২ পাতা, ১৬ পাতা, ১৮ পাতা করছেন, এই জনগণের দ্বারা রিজেক্টেড নেতা এবং তাঁদের দলের লোকেদের বলব যে, এই সংখ্যাটা কত হবে আমরা জানি না। তাঁদের আমলে অনুপ্রবেশকারীরা তো ভাতা পেয়েছেনই, তার সঙ্গে হাজার হাজার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা, যাঁরা মহিলা নন বা এই কর্মসূচির আওতায় আসেন না, তাঁরাও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Annapurna Yojana) লুঠ করেছেন। আমি কাউকে ছাড়বো না।”

    দুর্নীতি নিয়ে সরব

    একই সঙ্গে, এই কর্মসূচির ঘোষণা মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্যের বর্তমান শাসকদল ও রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “রাজ্যের বর্তমান প্রশাসন সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও কেন্দ্রীয় অনুদান সুপরিকল্পিতভাবে সাধারণের কাছে পৌঁছাতে বাধা দিচ্ছে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতি প্রশ্রয় পাচ্ছে। এসআইআরে নাম বাদ যাওয়া এবং এই রাকিবুল, মুস্তাফিজুর, তারিকুলরা মিলে অন্তত ৩০ লক্ষ ভুয়া লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা তুলেছে। ৩০ লক্ষ গুণিতক ১৫০০ টাকা করে যদি হিসাব করেন, জনগণের কত হাজার কোটি টাকা এরা লুঠ করেছে, এটা তার প্রমাণ। আমরা এদের একেবারে গ্রাসরুট থেকে ক্র্যাক ডাউন করব আইনের মাধ্যমে।”

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে শুভেন্দু অধিকারীর এই দ্রুত পদক্ষেপ (Annapurna Yojana) এবং পাল্টা প্রকল্প চালুর ঘোষণা আসলে আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে গ্রামীণ ও শহরতলীর মহিলা ভোটারদের নিজেদের পক্ষে ধরে রাখার একটি সুদূরপ্রসারী কৌশল।

  • Swachh App: যত্রতত্র থুতু বা নোংরা ফেললেই জরিমানা! আসছে ‘স্বচ্ছ’ অ্যাপ, শনিবার উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

    Swachh App: যত্রতত্র থুতু বা নোংরা ফেললেই জরিমানা! আসছে ‘স্বচ্ছ’ অ্যাপ, শনিবার উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গকে আরও পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত করে তুলতে এক বড়সড় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছে রাজ্য সরকার (BJP Government)। এবার থেকে প্রকাশ্য রাস্তায় যেখানে-সেখানে থুতু ফেলা, পান-মশলার পিক ফেলা কিংবা প্লাস্টিকের প্যাকেট ও ময়লা-আবর্জনা ছড়ানোর অভ্যেসে রাশ টানতে কড়া অবস্থান নেওয়া হচ্ছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যজুড়ে এই নিয়ম অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি আর্থিক জরিমানা ও আইনি পদক্ষেপ শুরু হবে। শনিবার চালু হবে ‘স্বচ্ছ অ্যাপ’ (Swachh App) প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সময়সীমা বা ডেডলাইন ঘোষণা করলেন পুর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

    তিন মাসের সচেতনতা পর্ব ও পরিকাঠামো উন্নয়ন (Swachh App)

    রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী (BJP Government) অগ্নিমিত্রা পাল এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বলেন, “নাগরিকদের সচেতন করা এবং অভ্যেস শোধরানোর সুযোগ দিতে আগামী তিন মাস অর্থাৎ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হবে। তবে এই সময়সীমা পার হওয়া মাত্রই ১ সেপ্টেম্বর থেকে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ এবং পুর প্রশাসন যৌথভাবে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করবে। রাজ্যে চালু হবে স্বচ্ছ অ্যাপের (Swachh App) পরিষেবা।”

    শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার পরিকাঠামো তৈরিতেও বিশেষ জোর দিচ্ছে রাজ্য। পথচারীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে রাজ্যের সমস্ত পুর এলাকায় প্রতি ১০০ মিটার দূরত্ব অন্তর ডাস্টবিন বা আবর্জনা ফেলার পাত্র বসানো হবে। এ ছাড়াও যাত্রী সাধারণ যাতে যত্রতত্র আবর্জনা না ফেলেন, তার জন্য সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি বাসের ভেতরে নোংরা ফেলার ব্যাগ বা ডাস্টবিন রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    আসছে ‘স্বচ্ছ’ (Swachh) অ্যাপ

    নাগরিকদের সরাসরি এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে শামিল করতে রাজ্য সরকার একটি জিও-ট্যাগড (Geo-tagged) ডেডিকেট মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে আসছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্বচ্ছ অ্যাপ’ (Swachh App)। এই অ্যাপের মাধ্যমে যে কোনও নাগরিক রাস্তার ধারে জমে থাকা আবর্জনার ছবি তুলে আপলোড করতে পারবেন। ছবি আপলোড হওয়ামাত্রই সেই সুনির্দিষ্ট এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান (Location) স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরসভার কন্ট্রোল রুমে পৌঁছে যাবে এবং অভিযোগ জমা পড়ার মাত্র ২ ঘণ্টার মধ্যে পুরকর্মীরা সেই আবর্জনা পরিষ্কার করে দেবেন।

    পাইলট প্রজেক্ট

    শনিবার, ৩০ জুন কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী মনোহর লাল খাট্টর এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে এই অ্যাপটি (Swachh App) আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করবে। প্রাথমিক পর্যায়ে রাজ্যের ১০টি পুরসভাকে (BJP Government) বেছে নিয়ে এই পাইলট প্রজেক্টের কাজ শুরু করা হচ্ছে।

    পুর দফতর সূত্রে জানা গেছে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একদিকে যেমন পুরসভার কাজে গতি আসবে, তেমনই সাধারণ মানুষও সরাসরি শহরের রূপ বদলে অংশীদার হতে পারবেন। ৩ মাসের এই সচেতনতা পর্ব শেষ হতেই ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাস্তায় নোংরা ফেলার ক্ষেত্রে প্রশাসন আর কোনও রকম রেয়াত করবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: বাংলার আমলা-সংস্কৃতির ভোল বদলালেন শুভেন্দু, পদ্ম-জমানায় ফিরল ‘আপনি’ সম্বোধন

    Suvendu Adhikari: বাংলার আমলা-সংস্কৃতির ভোল বদলালেন শুভেন্দু, পদ্ম-জমানায় ফিরল ‘আপনি’ সম্বোধন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের হাল ধরেছেন পদ্ম-নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী পদে তিনি বসেছেন সপ্তাহ দুয়েক হল। এর মধ্যেই নন্দীগ্রামের ‘ভূমিপুত্র’ (রাজনৈতিক মহলের একাংশ তাঁকে এই সম্বোধনই করেন) শুভেন্দু নবান্নে ফিরিয়ে এনেছেন বাংলার হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি (Bengal Bureaucratic Culture)। শুভেন্দু যে চেয়ারে বসেছেন, টানা ১৫ বছর ধরে তাতে বসেছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর প্রাক্তন সতীর্থ তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মা-মাটি-মানুষের দলের নেত্রী মমতা নবান্নেও ‘কলতলার কালচার’ শুরু করেছিলেন বলে অভিযোগ। সরকারি বিভিন্ন বৈঠকে তিনি আমলাদেরও ‘আপনি’র পরিবর্তে ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করতেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এহেন সম্বোধন শুনতে অভ্যস্ত না হলেও, শুনতে শুনতে সয়ে নিয়েছিলেন আইএএস-আইপিএস পরীক্ষা দিয়ে পাশ করা আধিকারিকরা। রাজ্যে বিজেপি জমানা শুরু হতেই বাংলার হারানো সংস্কৃতি ফেরালেন শুভেন্দু।

    নৈশভোজের আসরেও বদলের বার্তা (Suvendu Adhikari)

    ফেরা যাক খবরে। সোমবার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলাদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের এক নৈশভোজের। আলিপুরের ‘সৌজন্য অডিটোরিয়ামে’ হওয়া এই ভোজসভাকে অনেকেই সাধারণ সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন না। প্রশাসনিক মহলের পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিনের সংঘাতমুখী প্রশাসনিক পরিবেশের পর নয়া বিজেপি সরকার রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও আমলাতন্ত্রের সম্পর্ককে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাইছে। কয়েকজন আধিকারিকের মতে, এহেন উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল আমলাদের এই বলে আশ্বস্ত করা যে, শুভেন্দুর প্রশাসন আরও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা, সমন্বয় এবং কম প্রকাশ্য সংঘাতের মাধ্যমে পরিচালিত হবে (Suvendu Adhikari)।

    ‘তুই’, ‘তুমি’ কিংবা ‘আপনি’-র ফারাক

    শুভেন্দুর প্রশাসনিক শৈলীর সবচেয়ে আলোচিত দিকগুলির অন্যতম হল সরকারি আধিকারিকদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে তাঁর ভাষা ব্যবহার। নবান্ন সূত্রে খবর, নয়া মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের পরামর্শ দিয়েছেন এই বলে যে, সরকারি বৈঠকে যাতে আমলাদের ক্যাজুয়ালি সম্বোধন না করা হয়, বজায় রাখা হয় প্রশাসনিক মর্যাদা এবং প্রোটোকল (Bengal Bureaucratic Culture)। নয়া রাজ্য সরকারের এই ‘সাংস্কৃতিক’ পরিবর্তনটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে আমলাদের। কারণ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা প্রশাসনিক বৈঠকে প্রায়ই আধিকারিকদের ‘তুমি’ বলেই সম্বোধন করতেন (Suvendu Adhikari)। পদ্ম-জমানায় ইতি পড়েছে এই সংস্কৃতিতে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু সিনিয়র আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ‘আপনি’ ব্যবহার করছেন। ইংরেজিতে অবশ্য ‘তুই’, ‘তুমি’ কিংবা ‘আপনি’ সম্বোধন করতে ‘ইউ’ ব্যবহার করা হয়। তবে বাংলার সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে এদের ব্যবহারে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।

    আধিকারিকদের বিব্রত করত আগের সরকার

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তন কম ভীতিপ্রদ এবং আরও প্রাতিষ্ঠানিক প্রশাসনিক ভাবমূর্তি তুলে ধরার বৃহত্তর প্রচেষ্টারই অংশ (Bengal Bureaucratic Culture)। মমতার রাজত্বে আধিকারিকদের ট্যাঁ-ফোঁ করার অধিকার ছিল না বলেই অভিযোগ। তিনি নিজেকে  ‘আয়রন লেডি’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন, যিনি দুর্নীতি, প্রশাসনিক গাফিলতি ও শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা নিয়ে সরাসরি আধিকারিকদের প্রশ্ন করতেন (Suvendu Adhikari)। তাঁর অনেক প্রশাসনিক বৈঠক টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত হত। সেখানে প্রায়ই জেলাশাসক, পুলিশ আধিকারিক এবং আমলাদের প্রকাশ্যে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে দেখা যেত।

    আধিকারিকদের প্রকাশ্যে ভর্ৎসনা

    সব চেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলির একটি ঘটেছিল ২০২২ সালে, পুরুলিয়ার এক প্রশাসনিক বৈঠকে। সেখানে মমতা প্রকাশ্যে জেলাশাসক রাহুল মজুমদারকে ইটভাটা রাজস্ব সংগ্রহে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “আপনি জেলাটা কীভাবে চালাচ্ছেন?” বিষয়টি তদন্তের নির্দেশও দিয়েছিলেন। এই ধরনের ঘটনা তাঁর সরকারের সময় একাধিকবার ঘটেছে। ২০১৭ সালে উত্তর ২৪ পরগনার একটি প্রশাসনিক বৈঠকে টিটাগড় থানার তৎকালীন আইসিকে একটি জাহাজ নির্মাণ ইউনিটের দখলদারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে প্রকাশ্যে তিরস্কার করেছিলেন তৃণমূল পরিচালিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী।

    শুভেন্দুর আশ্বাস

    মমতার স্তাবকদের মতে, এই ধরনের হস্তক্ষেপ ছিল জবাবদিহি নিশ্চিত করার শক্ত অবস্থান (Suvendu Adhikari)। তবে সমালোচকদের দাবি, প্রকাশ্যে বারবার ভর্ৎসনা প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। আধিকারিকদের দাবি, শুভেন্দু আমলাদের এই মর্মে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছেন যে তাঁরা নির্ভয়ে কাজ করতে পারবেন (Bengal Bureaucratic Culture)। সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বিশেষভাবে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় দফতরগুলির মধ্যে মসৃণ সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়েছেন, বিশেষ করে বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্প রূপায়ণের কথা ঘোষণা করার পরে।

    তাই এই নৈশভোজকে এখন অনেকেই একটি প্রতীকী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে নতুন ধরনের আমলাতান্ত্রিক সংস্কৃতির সূচনা করার বার্তা দিতে চাইছে বিজেপি সরকার। তাদের দাবি, এই সংস্কৃতি প্রকাশ্য সংঘাতের পরিবর্তে পেশাদারিত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেবে (Suvendu Adhikari)।

     

  • Ghatal Master Plan: ৫০:৫০ ফর্মুলা বরাদ্দে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান রূপায়ণে নয়া দিশা, কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ উদ্যোগে স্থায়ী সমাধানের পথে নবান্ন

    Ghatal Master Plan: ৫০:৫০ ফর্মুলা বরাদ্দে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান রূপায়ণে নয়া দিশা, কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ উদ্যোগে স্থায়ী সমাধানের পথে নবান্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ (Ghatal Master Plan) রূপায়ণের ক্ষেত্রে এক ইতিবাচক ও নয়া দিশা দেখাতে চলেছে বিজেপি সরকার। পূর্ববর্তী সরকারের একরোখা নীতি থেকে সরে এসে, এবার কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ অংশীদারিত্বে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে হাঁটছে নবান্ন। সোমবার সচিব পর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠকে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই বিষয়ে তাঁর সরকারের অবস্থান ও নতুন আর্থিক ফর্মুলার কথা ঘোষণা করেছেন।

    অর্থ বরাদ্দে ৫০:৫০ ফর্মুলা (Ghatal Master Plan)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নতুন রূপরেখা অনুযায়ী, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান (Ghatal Master Plan) বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় মোট ব্যয়ের ৫০ শতাংশ বহন করবে কেন্দ্রীয় সরকার এবং অবশিষ্ট ৫০ শতাংশ দেবে রাজ্য সরকার। রাজ্যে ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুফলকে কাজে লাগিয়েই এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বন্যা সমস্যার একটি স্থায়ী ও বিজ্ঞানসম্মত সমাধান খুঁজছে বর্তমান প্রশাসন। এদিনের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) সেচ দফতরের পদস্থ আধিকারিকদের এই বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ করার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের সঙ্গে অবিলম্বে বিশদ আলোচনা শুরু করার জন্য সেচ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    পূর্বতন নীতিতে আমূল বদল

    উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের আমলে কেন্দ্রের সঙ্গে টানাপোড়েনের জেরে এককভাবেই এই মাস্টারপ্ল্যান (Ghatal Master Plan) বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন রাজ্য সরকারের অভিযোগ ছিল, এই প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের তরফে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা মিলছে না। ফলত, মূল প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ১২৭০ কোটি টাকা হলেও, রাজ্য নিজস্ব তহবিল থেকে প্রথম দফার জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে কাজ শুরুর ঘোষণা করেছিল। তবে তাতে কেন্দ্রীয় সহযোগিতার কোনও রূপরেখা ছিল না। বর্তমানে রাজ্যে ক্ষমতার হাতবদলের পর সেই পুরনো পরিকল্পনাকে পুরোপুরি বদলে ফেলা হচ্ছে।

    প্রেক্ষাপট ২০২৬

    ২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘাটালে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, রাজ্যে নতুন সরকার গঠিত হলে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান (Ghatal Master Plan) দ্রুত বাস্তবায়িত করা হবে। বর্তমান প্রশাসনের লক্ষ্য, কেন্দ্রের সঙ্গে সুসংগত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যৌথভাবে এই বৃহৎ পরিকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পন্ন করা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, পূর্বতন সরকারের ১২৭০ কোটি টাকার প্রস্তাবটির তুলনায় বর্তমান বাস্তবতায় প্রকল্প ব্যয়ের পরিমাণ অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে, যা খতিয়ে দেখেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    উল্লেখ্য প্রতিবার ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেস ভোট চাইতে এসে বারবার ঘাটাল মাস্টার প্লানের প্রতিশ্রুতি দিলেও কোনও বার সদর্থক ভূমিকা করতে দেখা যায়নি। তিন তিন বারের সাংসদ দেব রাজ্য জুড়ে ভোটের প্রচারেও নিজের কেন্দ্র কীভাবে বর্ষার সময় জনজীবন বিপন্নের মুখোমুখি হয়ে পড়েন তা দেখেও না দেখার ভান করেছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে মন্তব্য করলেও কার্যকর নিয়ে কোনও রকম সদর্থক ভূমিকা নেননি। এই অবস্থায় ভরা ডুবির পর সাংসদ দেব বলছেন রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফিরে যাবেন।

    বিগত সরকারের সদিচ্ছার অভাব ছিল: শীতল কপাট

    মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) এই নয়া উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট পূর্ববর্তী সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ অংশগ্রহণ ছাড়া ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের (Ghatal Master Plan) মতো একটি মেগা প্রকল্প সম্পন্ন করা অসম্ভব। তিনি দাবি করেন—

    • ● এই বিশাল প্রকল্পের জন্য ৫০০ কোটি টাকা কোনওভাবেই পর্যাপ্ত নয়; এর জন্য ন্যূনতম ৪,০০০ কোটি টাকার প্রয়োজন।
    • ● বিগত সরকারের এই প্রকল্প রূপায়ণে প্রকৃত সদিচ্ছার অভাব ছিল। মাস্টারপ্ল্যানের অজুহাতে নদীগর্ভ থেকে বালি ও মাটি উত্তোলনের অনিয়মই ছিল মুখ্য।
    • ● বালি ও মাটি মাফিয়ার দাপটে সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিঘ্নিত হয়েছে। তবে এবার কেন্দ্রে ও রাজ্যে সমমনোভাপন্ন সরকার থাকায়, ‘ডাবল ইঞ্জিন’-এর গতিতে এই মাস্টারপ্ল্যান একশো শতাংশ সফল হবে।

    দীর্ঘদিনের জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তির আশা

    বছরের পর বছর ধরে বর্ষার মরশুমে ঘাটাল (Ghatal Master Plan), দাসপুরসহ মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। বন্যা পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ ও খাদ্য সংকটের সম্মুখীন হতে হয়, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিধায়ক উল্লেখ করেন, এই দুর্যোগকালীন সময়ে শুভেন্দু অধিকারী সর্বদা ঘাটালবাসীর পাশে থেকেছেন এবং ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিগত পাঁচ বছর তাঁদের কাজ করার ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা ছিল। তবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র এক মাসের মধ্যেই নতুন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) এই জনস্বার্থবাহী প্রকল্পে বিশেষ নজর দিয়েছেন। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আর্থিক ও প্রশাসনিক সমন্বয় বজায় থাকলে ঘাটালবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। এখন দেখার, পূর্ববর্তী রূপরেখাকেই পরিমার্জন করা হয় নাকি সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে এই রূপায়ণের কাজ শুরু হয়।

  • Illegal Construction: রাজু নস্কর, সোনাপাপু ও ফৈয়াজের অবৈধ নির্মাণের ওপর চলছে বুলডোজার, জোর কদমে চলছে ভাঙার কাজ, ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    Illegal Construction: রাজু নস্কর, সোনাপাপু ও ফৈয়াজের অবৈধ নির্মাণের ওপর চলছে বুলডোজার, জোর কদমে চলছে ভাঙার কাজ, ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারের পর সোমবারেও রাজ্য সরকারের (BJP Government) বুলডোজার অ্যাকশন অব্যাহত। কোন্নগরে সরকারি জমি দখল করে গজিয়ে ওঠা তৃণমূলের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি কলকাতায় বেলেঘাটার ত্রাস রাজু নস্করের বহুতল গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে শহরের কমপক্ষে ৬ জায়গায় বুলডোজার দিয়ে রাজু নস্কর, সোনা পাপ্পু এবং জাভেদ খানের বেআইনি নির্মাণ এবং বহুতলের ইমারত আগাম নোটিশ দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে। দুর্নীতি, তোলাবাজি, জবর দখল, সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ করার বিরুদ্ধে রাজ্যের নব নির্বাচিত বিজেপি সরকার কড়া অবস্থান নিয়েছে। এই তালিকায় তৃণমূল (Illegal Construction) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তিও রয়েছে। কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি বাড়িতে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে ইতিমধ্যে নোটিশ জারি করেছে কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ।

    প্রশাসনের নাকের ডগায় কীভাবে অবৈধ নির্মাণ (Illegal Construction)

    হুগলি জেলার কোন্নগরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত একটি তৃণমূল পার্টি অফিসে চালানো হয়েছে বুলডোজার। স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর (Illegal Construction) খোকন পালের সেই বেআইনি নির্মাণটি সম্পূর্ণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কার্যত সরকারি জায়গা দখল করে তৎকালীন শাসক দলের দলীয় কার্যালয় নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছিলেন এই তৃণমূল নেতা। এবার সরকার বদলে যেতেই চরম বিপাকে তৃণমূলের অবৈধ দখলদারিরা। অপরদিকে, রবিবার কলকাতার কসবা, তিলজলা এবং বেলেঘাটা—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একাধিক বেআইনি নির্মাণ ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে সরকারের (BJP Government) এই অভিযানের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এতদিন ধরে প্রশাসনের নাকের ডগায় কীভাবে এই ধরনের অবৈধ নির্মাণগুলি সগৌরবে টিকে ছিল? তৃণমূলের শাসনকালে কলকাতা পুরসভা কেন এদের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি? রাজ্যের নবনিযুক্ত পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল খোদ এই প্রশ্নটি উত্থাপন করেছেন। দিকে দিকে তৃণমূলের অবৈধ দখলকারী নেতা-নেত্রীরা এখন ব্যাপক অস্বস্তিতে।

    স্থানীয়দের চোখের সামনেই একটু একটু করে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছিল বিশালাকার সব বহুতল। যার প্রতিটিই ছিল নিয়মবহির্ভূত এবং সম্পূর্ণ গায়ের জোরে নির্মিত। এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিয়ে রাজ্যের নতুন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “একটি অত্যন্ত সংকীর্ণ স্থানে নিয়ম লঙ্ঘন করে বহুতল নির্মাণ করতে দেওয়া হয়েছে। এই খবর কি তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের কাছে ছিল না? ফিরহাদ হাকিম ও তাঁর দলবল, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কিংবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়—যাঁরা বড় বড় কথা বলতেন, তাঁরা কি কিছুই জানতেন না? আমরা মাত্র ১৫ দিন ক্ষমতায় এসেই যদি সব জানতে পারি, তবে তাঁরা কেন জানতেন না? আসলে অর্থ ও ঘুষের বিনিময়ে তাঁরা নীরব ছিলেন। যাঁরা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের শাস্তি হবে।”

    পুরোদমে বুলডোজার-অ্যাকশন

    রাজ্যে নতুন সরকার (BJP Government) গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা বা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের কড়া বার্তা দেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের পরপরই কলকাতা পুরসভা পুরোদমে বুলডোজার-অ্যাকশনে নামে। তিলজলা এলাকার দুটি বহুতলে ইতিমধ্যেই বুলডোজার চালানো হয়েছে। পুরসভা সূত্রে খবর, এই দুটি বহুতলই তৃণমূল বিধায়ক (Illegal Construction) জাভেদ খানের পুত্র ফৈয়াজ আহমেদ খানের। এমনকি খোদ জাভেদ খানের কার্যালয়েও কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

    কলকাতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলায় তৃণমূল জমানায় রাজ্যজুড়ে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছিল অসংখ্য অবৈধ আবাসন ও নির্মাণ। এই বিপুল পরিমাণ বেআইনি কাজ কি সত্যিই প্রশাসনের অলক্ষ্যে ঘটছিল, তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন রয়েই যাচ্ছে। তবে রাজনৈতিক পালাবদলের পর নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার যে এই অবৈধ নির্মাণ সংস্কৃতির বিরুদ্ধে শুরু থেকেই অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে, তা স্পষ্ট।

    কুলিয়া রোডের দুটি বহুতলে মোট ১৬টি ফ্ল্যাট অবৈধ

    সোমবার তৃণমূল নেতা (Illegal Constructইওন) তথা প্রোমোটার রাজু নস্করের একটি নির্মীয়মাণ বেআইনি বহুতলে কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে বুলডোজার চালানো হয়। বেলেঘাটার ৩৭ নম্বর বারোয়ারিতলা রোড এবং ১ই ইস্ট কুলিয়া রোডের দুটি বহুতলে মোট ১৬টি ফ্ল্যাট রয়েছে। পুরসভার তদন্তে প্রমাণিত হয় যে, ভবন দুটি সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত ও বেআইনিভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। ফলস্বরূপ, পুর কর্তৃপক্ষ আবাসন দুটি ভেঙে ফেলার নোটিশ জারি করে এবং সোমবারই ইস্ট কুলিয়া রোডের বহুতলটির একাংশ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

    এই ভাঙচুরের খবর পাওয়া মাত্রই সর্বস্বান্ত হওয়ার আশঙ্কায় ফ্ল্যাটের ক্রেতা ও বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। ঠিক সেই সময় রাজু নস্করের এক সহযোগীকে স্কুটার চড়ে ওই এলাকা দিয়ে যেতে দেখে উত্তেজিত বাসিন্দারা তাঁকে ঘিরে ধরেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং শুরু হয় তীব্র বাগবিতণ্ডা। অভিযোগ, উত্তেজিত জনতা ওই ব্যক্তিকে মারধরও করে। স্থানীয়দের দাবি, আক্রান্ত ব্যক্তি আদতে একজন দালাল, যিনি রাজু নস্করের রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে আসছিলেন। এদিন এই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের লোকজন।

    বেআইনি জমির ওপর এই বহুতল নির্মাণ

    রাজুর বিরুদ্ধে বিজেপির (BJP Government) অভিযোগ রয়েছে, বেআইনি জমির ওপর এই বহুতল নির্মাণ করা হচ্ছিল এবং তা গ্রাহকদের সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখেই করা হয়েছিল। বুকিংয়ের সময় সমস্ত বৈধ নথিপত্র রয়েছে বলে দাবি করা হলেও, আজ পর্যন্ত তাঁদের কোনও ‘বিল্ডিং প্ল্যান’ বা ‘অ্যাগগ্রিমেন্ট পেপার’ বা চুক্তিপত্র দেওয়া হয়নি; অথচ সম্পূর্ণ টাকা ইতিমধ্যেই হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সংকটের মুখে ক্রেতারা বারবার রাজুর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁর কার্যালয়টি সম্পূর্ণ তালাবন্ধ অবস্থায় রয়েছে।

    জোর কদমে চলছে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ

    পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (BJP Government), পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে এলাকায় ঘুরে ঘুরে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজ পরিদর্শন করেছেন। কোথাও সরু গলির মধ্যে ৬-৭ তলা বিল্ডিং তুলে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার দুটো বিল্ডিংয়ের মাঝে ৩ ফুটও জায়গা নেই। বিল্ডিং ভাঙার জন্য সেখানে বুলডোজার পর্যন্ত ঢুকতে পারেনি। বাধ্য হয়ে হাতুড়ি দিয়ে ম্যানুয়ালি বিল্ডিং ভাঙার কাজ করছেন পুরসভার কর্মীরা। ২৩ তারিখ বেআইনি বিল্ডিং ভাঙতে নোটিস দিয়েছিল পুরসভা। এরপরেই রবিবার সকাল থেকে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বিল্ডিং ভাঙতে অভিযানে নামে কলকাতা পুরসভা।

  • Free Bus Service: আসছে ‘পিঙ্ক কার্ড’! রাজ্যজুড়ে মহিলাদের বিনামূল্যে বাসযাত্রা শুরু ১ জুন, কীভাবে মিলবে সুবিধা? প্রকাশ গাইডলাইন

    Free Bus Service: আসছে ‘পিঙ্ক কার্ড’! রাজ্যজুড়ে মহিলাদের বিনামূল্যে বাসযাত্রা শুরু ১ জুন, কীভাবে মিলবে সুবিধা? প্রকাশ গাইডলাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ জুন থেকে রাজ্যজুড়ে মহিলাদের জন্য সরকারি বাসে যাতায়াত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে (Free Bus Service) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন বিজেপি সরকার (BJP Government)। এই পরিষেবাকে মসৃণ করতে এবং কলকাতার পাশাপাশি সমগ্র রাজ্যে সরকারি বাসের সংখ্যা বাড়াতে তৎপর হয়েছে পরিবহন দফতর। তবে বিগত সরকারের আমলে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবসহ নানাবিধ কারণে বহু সরকারি বাস বর্তমানে অচল হয়ে পড়ে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন বাস কীভাবে দ্রুত রাস্তায় নামানো যায়, তা নিয়ে পরিবহন দফতরের ময়দান তাঁবুতে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পরিবহন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (MD) এবং দফতরের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নিখরচায় এই যাতায়াতের ক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রাথমিক শর্তাবলি ও নির্দেশিকাও চূড়ান্ত করা হয়েছে এই বৈঠকে।

    বিনামূল্যে সফরের প্রাথমিক শর্তাবলি (Free Bus Service)

    বৈঠক সূত্রে খবর, এই সুবিধার মূল শর্ত (Free Bus Service) হল— সংশ্লিষ্ট মহিলা যাত্রীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। ভিড়ের মধ্যে কন্ডাক্টররা কীভাবে তা যাচাই করবেন, তা নিয়ে প্রাথমিকভাবে একটি রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে:

    • ● কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদিত (BJP Government) যে কোনও একটি বৈধ পরিচয়পত্র (মোট ১১টি বিকল্পের মধ্যে) যাত্রীদের সঙ্গে রাখতে হবে।
    • ● বাসে ওঠার পর কন্ডাক্টর বাধ্যতামূলকভাবে সেই পরিচয়পত্র পরীক্ষা করবেন।
    • ● যাচাইকরণের পর, কন্ডাক্টর তাঁর টিকিট পাঞ্চিং মেশিন থেকে ওই মহিলা যাত্রীর জন্য একটি ‘শূন্য মূল্যের’ কুপন বা টিকিট ইস্যু করবেন।
    • ● প্রতি মাসে ইস্যু করা এই টিকিটের সমপরিমাণ অর্থ রাজ্য সরকার গড় হিসেব অনুযায়ী পরিবহন নিগমকে ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করবে।

    ভবিষ্যতের পরিকল্পনা: ‘পিঙ্ক কার্ড’ বা স্মার্ট কার্ড

    পরিচয়পত্র যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বাসে যে জটিলতা বা জাল নথির সমস্যা তৈরি হতে পারে, তা স্বীকার করেছেন কর্মকর্তারা (BJP Government)। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে পরিবহন দফতর আগামীদিনে রাজ্যবাসী মহিলাদের জন্য কিউআর (QR) কোড সমৃদ্ধ বিশেষ ‘পিঙ্ক কার্ড’ বা স্মার্ট কার্ড চালু (Free Bus Service) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসডিও (SDO) বা বিডিও (BDO) অফিসের মাধ্যমে এই কার্ডের জন্য আবেদন করা যাবে। বাসে এই বিশেষ কার্ড দেখালেই সরাসরি কুপন মিলবে, অন্য কোনো নথি দেখানোর প্রয়োজন হবে না।

    স্মার্ট কার্ডের আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নথি:

    আবেদনকারীকে সাম্প্রতিক রঙিন ছবির সঙ্গে নিচের যেকোনও একটি পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে:

    • ● ভোটার আইডি (EPIC)
    • ● আধার কার্ড
    • ● ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড
    • ● আয়ুষ্মান ভারত কার্ড
    • ● ড্রাইভিং লাইসেন্স
    • ● প্যান কার্ড
    • ● পাসপোর্ট
    • ● ছবিসহ পেনশনের নথি
    • ● স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত পরিচয়পত্র
    • ● রাজ্য সরকার অনুমোদিত অন্য যেকোনো বৈধ পরিচয়পত্র

    পরিষেবা ও পরিকাঠামো উন্নয়ন

    বিজেপি সরকারের পরিবহন দফতর (BJP Government) সূত্রে জানানো হয়েছে, কোটি কোটি মহিলার জন্য স্মার্ট কার্ড (Free Bus Service) তৈরি ও তা বণ্টন করা সময়সাপেক্ষ। তাই কার্ড বিলি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত প্রাথমিক নিয়ম (পরিচয়পত্র দেখানো) অনুসারেই যাতায়াত করা যাবে। এছাড়া, রাজ্যের বিভিন্ন ডিপোতে পড়ে থাকা অচল বাসগুলির দ্রুত সংস্কার ও মেরামত করে ধাপে ধাপে রাস্তায় নামানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে নতুন সরকারি বাস কেনার প্রক্রিয়াও শুরু করছে পরিবহন দফতর।

  • Yuva Bharati Stadium: খুলছে মেসি ফাইল! যুবভারতীর সামনে থেকে ‘বিদঘুটে’ ভাস্কর্য সরানোর নির্দেশ নিশীথের

    Yuva Bharati Stadium: খুলছে মেসি ফাইল! যুবভারতীর সামনে থেকে ‘বিদঘুটে’ ভাস্কর্য সরানোর নির্দেশ নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের (Yuva Bharati Stadium) ভিভিআইপি (VVIP) প্রবেশদ্বারের সম্মুখে অবস্থিত পূর্বতন শাসকদলের আমলে নির্মিত বিতর্কিত ভাস্কর্যটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবগঠিত রাজ্য সরকার। গত রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী ‘ডার্বি’ ম্যাচ উপভোগ করতে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের  ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্টেডিয়ামের নান্দনিক পরিবেশ ও পরিকাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে এই ভাস্কর্যটি স্থানান্তরের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

    বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল (Nisith Pramanik)

    তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে নির্মিত এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নকশাকৃত এই ভাস্কর্যটিতে মানব অবয়বের নিম্নাংশের ওপর ‘বিশ্ববাংলা’র প্রতীক ও ফুটবল প্রদর্শিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, শিল্পসম্মত উৎকর্ষের অভাব এবং ক্রীড়াঙ্গনের (Yuva Bharati Stadium) প্রবেশদ্বারের নান্দনিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় ভাস্কর্যটি অপসারণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক মন্তব্য করেন, ‘‘শিল্পটির গঠনে এক প্রকার অসঙ্গতি রয়েছে এবং এর কোনও সুনির্দিষ্ট অর্থ বা তাৎপর্য প্রকাশ পায় না। এরকম বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল । আমার তো মনে হয় এই মূর্তি লাগানোর পর থেকেই বিগত সরকারের খারাপ দিন আসা শুরু হয়েছে। তারপর মেসি কাণ্ড হল, সরকার চলে গেল। এমন একটা মূর্তি যার কোনও অর্থ নেই, কোনও মানে নেই সেটা আমরা রাখব না, আমরা পরিবর্তন করব।’’ তিনি মজা করে আরও বলেন, ‘‘এই ভাস্কর্যটি স্থাপনের পর থেকেই পূর্বতন সরকারের শাসনব্যবস্থায় নানাবিধ জটিলতা ও বিপর্যয় দৃশ্যমান হয়েছিল।’’

    ফুড কোর্ট স্থাপন করা হবে

    ভাস্কর্য অপসারণের পাশাপাশি যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগত সংস্কারের কথা ঘোষণা করেন ক্রীড়ামন্ত্রী। তিনি বলেন, “স্টেডিয়াম চত্বরে দর্শকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যুক্ত ফুড কোর্ট (Food Court) স্থাপন করা হবে। সেখানে পরিবেশিত খাবারের গুণগত মান কঠোরভাবে বজায় রাখতে ফুড টেস্টিং অফিসার বা খাদ্য পরিদর্শকদের নিয়মিত নিয়োজিত করা হবে, যা দর্শকদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবে।” ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে তিনি আরও জানান যে, প্রশাসনিক ব্যস্ততা না থাকলে যুবভারতীতে (Yuva Bharati Stadium) আয়োজিত ফুটবল ও ক্রিকেট ম্যাচগুলোতে তিনি সশরীরে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড় ও দর্শকদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করবেন।

    মেসি ফাইল’ ওপেন

    সাংবাদিক বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীত প্রামাণিক বিগত সময়ে যুবভারতীকে (Yuva Bharati Stadium) কেন্দ্র করে ঘটা বহুল আলোচিত ‘মেসি ফাইল’ বা ম্যাচ সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের তদন্ত প্রসঙ্গেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন, যেসকল ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে প্রতারিত ও অসম্মানিত বোধ করেছিলেন, সরকার তাঁদের সেই সম্মান ও অধিকার ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর। সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং দর্শকদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে ক্রীড়া মন্ত্রক সর্বতোভাবে সহায়তা প্রদান করবে।

  • New Namaz Guidelines: শহরের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের নয়া গাইডলাইন কার্যকর করার নির্দেশ

    New Namaz Guidelines: শহরের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের নয়া গাইডলাইন কার্যকর করার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার শহরে মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই দেখা গেল পরিবর্তনের ছবি। শহরের বিভিন্ন মসজিদে (Mosques) মুসল্লিরা রাস্তার ওপর নন, মসজিদ চত্বরের মধ্যেই নমাজ আদায় করেন (New Namaz Guidelines)। নয়া সরকারের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলার ওপর জোর দেওয়ার নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পুলিশ মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিল। বিভিন্ন এলাকায় সমাজের প্রবীণ ব্যক্তি, মসজিদ কমিটি এবং পুলিশ একসঙ্গে সমন্বয় করে যাতে কোনও বিঘ্ন ছাড়াই নমাজ আদায়-পর্ব সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করেন। অনেক মসজিদে ইমামরা খুতবার সময় মুসল্লিদের রাস্তার ওপর নমাজ না পড়ার অনুরোধ জানান।

    মৌখিক নির্দেশেই হয়েছে কাজ (New Namaz Guidelines)

    রাজ্যের নয়া সরকার সম্প্রতি উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অগ্রাধিকারের কথা জানিয়েছিল। সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সরকার সোমবার পুলিশকে নির্দেশ দেয় যে ধর্মীয় স্থানের বাইরে লাউডস্পিকারের শব্দ যেন না যায় এবং বিশেষ অনুষ্ঠান ছাড়া প্রার্থনার জমায়েত যেন রাস্তা অবরুদ্ধ করে সাধারণ মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি না করে। যদিও এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় থানাগুলি থেকে মৌখিক নির্দেশ পৌঁছে দেওয়া হয়। শুক্রবার বড় বড় মসজিদের সামনে পুলিশ মোতায়েন ছিল, যাতে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় আয়োজকদের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করা যায়।

    নমাজ শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরেই হবে

    রবীন্দ্র সরণির কাছে নাখোদা মসজিদে শুক্রবার সকাল থেকেই পুলিশ ঘোষণা করে, নমাজ শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরেই হবে। নমাজের সময় ঘনিয়ে আসতেই বহু মুসল্লি মসজিদে প্রবেশের জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ান। অনেককে ভেতরে জায়গা দেওয়া হলেও, কিছু মানুষ জায়গা না পেয়ে পাশের ফুটপাথে নমাজ পড়ার অনুমতি চান (New Namaz Guidelines)। প্রথমে পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি, তবে জায়গার অভাবের কারণে পরে সীমিত সংখ্যক মুসল্লিকে ফুটপাথে নমাজ পড়তে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ আধিকারিকরা জানান, এই ব্যবস্থা সাময়িক। এক পুলিশ অফিসার বলেন, “আগামী সপ্তাহ থেকে সবাইকে মসজিদের ভেতরেই নমাজ পড়তে হবে (Mosques)।”

    নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টির বক্তব্য

    নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টিরা জানান, আগামী শুক্রবার থেকে বেশি সংখ্যক মানুষের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে। মসজিদের ট্রাস্টি নাসের ইব্রাহিম বলেন, “আমরা দুই দফায় নমাজ আদায়ের ব্যবস্থা করার কথা ভাবছি।” নমাজ শুরু হওয়ার আগে ইমাম শফিক কাসমি মুসল্লিদের মসজিদের ভেতরে নমাজ পড়ার আহ্বান জানান। কলকাতার রয়েড স্ট্রিট, বেনিয়াপুকুর, খিদিরপুর, মোমিনপুর, তপসিয়া এবং পার্ক সার্কাস-সহ বিভিন্ন এলাকায়ও একই ধরনের দৃশ্য দেখা গিয়েছে। সর্বত্রই অধিকাংশ মুসল্লি মসজিদের ভেতরেই নমাজ আদায় করেছেন।কিছু জায়গায় যাঁরা ভেতরে জায়গা পাননি, তাঁরা মসজিদ লাগোয়া ফুটপাথে নমাজ আদায় করেন। যদিও মূল রাস্তা খোলা রাখা হয়েছিল যান চলাচলের জন্য।

    কী বললেন রয়েড স্ট্রিট মসজিদের ইমাম

    রয়েড স্ট্রিট মসজিদের ইমাম মওলানা শাব্বির মিসবাহি বলেন, “স্থানীয় থানা থেকে আমাদের বলা হয়েছিল, বাইরে নমাজ আদায় করায় নিরুৎসাহিত করতে হবে (New Namaz Guidelines)।” স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানান, অনেক মুসল্লি স্থানীয় মসজিদে জায়গা না পেয়ে স্বেচ্ছায় কাছাকাছি অন্য মসজিদে চলে গিয়েছিলেন। রাজাবাজার এলাকায় একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনায় কিছু মানুষের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির সহায়তায় দ্রুত সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হয়। পরে মুসল্লিদের পাশের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। জুম্মার নমাজের সময় কলকাতার অধিকাংশ এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল (Mosques)।

     

  • Agnimitra Paul: শহরের পরিচ্ছন্নতায় ডিজিটাল পদক্ষেপ, অভিযোগ জানাতে নতুন অ্যাপ আনছে রাজ্য সরকার

    Agnimitra Paul: শহরের পরিচ্ছন্নতায় ডিজিটাল পদক্ষেপ, অভিযোগ জানাতে নতুন অ্যাপ আনছে রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গকে নির্মল ও পরিচ্ছন্ন (Instant Garbage Cleaning) করে তুলতে এক অভিনব প্রযুক্তিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বর্তমান রাজ্য সরকার (BJP Government)। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) বলেন, “রাস্তায় জমে থাকা আবর্জনা দ্রুত অপসারণে একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন (App) চালু করতে চলেছে পূর্ত দফতর।”

    অ্যাপের কার্যকারিতা ও মন্ত্রীর বক্তব্য (Instant Garbage Cleaning)

    মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) বলেন, “সারা পশ্চিমবঙ্গের যেকোনও প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষ এই অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারবেন। দীর্ঘদিনের জঞ্জাল সমস্যার (Instant Garbage Cleaning) স্থায়ী সমাধানে এটি অত্যন্ত কার্যকর হবে।” ইতিমধ্যে সমস্ত কাজকর্মে নজর রাখতে পুরসভা এলাকায় ১২৮টি সিসিক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন সরকার।

    • জিয়ো-ট্যাগিং প্রযুক্তি: এই অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকরা রাস্তায় পড়ে থাকা আবর্জনার ছবি তুলে পাঠাতে পারবেন। জিয়ো-ট্যাগিং ব্যবস্থার মাধ্যমে আবর্জনার সঠিক অবস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিহ্নিত হয়ে যাবে।
    • দ্রুত পরিষেবা: অভিযোগ পাওয়ার ১ থেকে ২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট পুরসভাকে সেই স্থান পরিষ্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    পরিকাঠামো উন্নয়ন ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) পূর্বতন সরকারের শাসনকালের অব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করে বলেন, “ড্রেন পরিষ্কার না হওয়া বা যত্রতত্র আবর্জনা পড়ে থাকার সংস্কৃতি এবার বন্ধ হবে। কলকাতার মতো সুন্দর শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের অঙ্গীকার। নগরোন্নয়ন দফতরের কর্মকর্তাদের সাথে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই অ্যাপটি জনসমক্ষে আনা হবে।”

    অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

    প্রশাসনিক সংস্কারের পাশাপাশি অবৈধ নির্মাণ উচ্ছেদেও বর্তমানে সরকার অত্যন্ত সক্রিয়। সম্প্রতি কলকাতা পুরসভা গড়িয়া মিতালি সঙ্ঘের নিকটবর্তী একটি অবৈধ ‘ক্লক টাওয়ার’ ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করেছে। আদালতের নির্দেশানুসারে মাঠের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা এই নির্মাণটি অপসারণ করা হচ্ছে। তিলজলার পর গড়িয়ার এই পদক্ষেপ সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে।

    প্রযুক্তি এবং কড়া প্রশাসনিক নজরদারির মেলবন্ধনে রাজ্যের পৌর পরিষেবাগুলিতে এক আমূল পরিবর্তন আনতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। এই ডিজিটাল উদ্যোগ (Instant Garbage Cleaning) সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি করবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share