Tag: BJP MLA

BJP MLA

  • Suvendu Adhikari: ‘‘হিন্দুদের কাছে আপনি কোয়েশ্চেন মার্ক হয়ে গিয়েছেন’’, মমতাকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘হিন্দুদের কাছে আপনি কোয়েশ্চেন মার্ক হয়ে গিয়েছেন’’, মমতাকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি বিধানসভায় মহাকুম্ভকে ‘মৃত্যুকুম্ভ’ বলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মমতার (Mamata Banerjee) এই মন্তব্যে প্রবল নিন্দার ঝড় শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। প্রতিবাদ জানান সাধু-সন্তরাও। এবার এরই প্রতিবাদে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ জানালেন বিজেপি বিধায়করা। সূত্রের খবর, এদিন বিধানসভার কার্যবিবরণী থেকে মৃত্যুকুম্ভ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন গেরুয়া ব্রিগেডের বিধায়করা। একইসঙ্গে এই ইস্যুতে ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে চাঁচাছোলা ভাষায় তোপ দাগলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতার দাবি, ‘‘সনাতন ধর্ম যতদিন থাকবে ততদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জারি থাকবে।’’ একইসঙ্গে রাজ্যপালের বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, এটা মৃত্যুঞ্জয় মহাকুম্ভ। মানে মৃত্যুকে জয় করা যেতে পারে এই কুম্ভ থেকে। এটাই আমাদের মতো সনাতনীদের আস্থা।

    মন্তব্যের পরেও কোনও অনুশোচনা নেই, দাবি শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পরে চারিদিকে সমালোচনার ঝড় উঠলেও এখনও নির্বিকার রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যাপক আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলায় এই ধরনের শব্দ রেকর্ডে থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘৪৮ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। কোনও তাপ-উত্তাপ নেই। কোনও অনুশোচনা নেই। রাজ্যপাল স্পিকারকে বলুন এক্সপাঞ্জ করতে। আমরা চাই না রেকর্ডে থাকুক। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলায় এই শব্দ রেকর্ডে থাকুক আমরা চাই না।’’

    মমতার বিরুদ্ধে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করার অভিযোগ

    একইসঙ্গে মমতার বিরুদ্ধে মুসলিমদের নিয়ে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করার অভিযোগও তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, ‘‘রাজ্যপাল নিজে বলেছেন মৃত্যুঞ্জয় মহাকুম্ভ। মানে মৃত্যুকে জয় করা যেতে পারে এই কুম্ভ থেকে। এটা আমাদের মতো সনাতনীদের আস্থা। আর উনি বলছেন মৃত্যুকম্ভ। তাই আমাদের প্রতিবাদ জারি থাকবে। সনাতন সমাজ যতদিন থাকবে ততদিন প্রতিবাদ চলবে। আমরা আমাদের ধর্মের সঙ্গে তঞ্চকতা বিগত দিনে করিনি। আমরা রেড রোডে অন্য ধর্মের প্রার্থনায় চলে যান। সেখানে বিরক্ত হন লোকেরা। কিন্তু আপনি চলে যান ভোটের জন্য। আপনার মতলব সবাই জানে।’’

    হিন্দু ভোটে জিতেছে বিজেপি!

    এদিন সাংবাদিকদের সামনে আরও একবার স্পষ্ট ভাষায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানান যে বিজেপি জিতেছে হিন্দুদের ভোটে, জনজাতিদের ভোটে। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘আমাকে ইঙ্গিত করে অনেক কথা বলেছিলেন। নতুন হিন্দু নেতা বলেছিলেন। আমি হিন্দু ধর্মীয় নেতা নই। হিন্দু নেতা শঙ্করাচার্যরা। আখড়ার যাঁরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। আমাদের রাজ্যে যেমন কার্তিক মহারাজরা রয়েছেন। এরা ধর্মীয় নেতা। আধ্যাত্মিক চেতনা জাগ্রত করছেন। শুভেন্দুর সাফ দাবি, মুসলিমদের ভোটে জেতেনি বিজেপি। জয় এসেছিল সনতনীদের ভোট, জনজাতিদের ভোটে।’’

    মুখ্যমন্ত্রীকে সাম্প্রদায়িক বলে আক্রমণ

    এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে ফের একবার ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গও টেনে আনেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। এর পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে সাম্প্রদায়িকতা ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণের রাজনীতির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আপনি কতটা সাম্প্রদায়িক সেটা আমি নন্দীগ্রামে দেখেছি। তখন আমি নন্দীগ্রামে তাঁদের ভোট নিয়ে আপনাকে হারিয়েছি। তাই যাঁদের ভোট নিয়ে জিতেছি তাঁদের ধর্মীয় আঘাত, তাঁদের শাস্ত্রে যদি সরকার, সরকারি দল দেয় প্রতিবাদ আমরা করব। আমি তো বারেবারে বলেছি আমরা বিজেপির বিধায়করা মুসলিমদের ভোটে কেউ জিতিনি। হিন্দুদের ভোটে জিতেছি। জনজাতিরাও আমাদের ভোট দিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে আমরা দায়বদ্ধ সনাতনী এবং জনজাতিদের কাছে। এটা নিয়ে সাজাসাজির বিষয় নেই।’’

    হিন্দুদের কাছে মমতা কোয়েশ্চেন মার্ক, দাবি শুভেন্দুর

    রাজ্যের বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিন্দু-বিরোধী বলে তোপ দাগেন বিজেপি বিধায়করা। এই আবহে বিধানসভায় দীর্ঘ ভাষণ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেনিয়েই কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় দীর্ঘ ভাষণ প্রসঙ্গে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘‘এক ঘণ্টা বাইশ মিনিট ধরে যা খুশি বলে গেলেন। আমি ব্যানার্জি, আমি ব্রাহ্মণ, খুব ভালো লাগছে দেখে! আসলে হিন্দুদের কাছে আপনি কোয়েশ্চেন মার্ক হয়ে গিয়েছেন। তাই আপনাকে বলতে হচ্ছে আমি হিন্দু। তাই বলতে হচ্ছে আমি ব্যানার্জি পরিবার। বাধ্য হয়ে বলতে হচ্ছে আমি শিবঠাকুরের দিকে মাথা করে ঘুমাই। খুব ভালো লাগছে। আপনি লাইনে এসে গিয়েছেন।’’

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক কী বলেছিলেন?

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিধানসভায় বক্তব্য রাখার সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ আমি নাই বা বললাম ৷ ওটা এখন মৃত্যুকুম্ভ হয়ে গিয়েছে ৷ মৃত্যুকূপের মতো ৷’’ এর পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমাজের একাংশে। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন সাধু-সন্ত ও বিজেপি নেতারা। জেলায়-জেলায় বিক্ষোভে নামে বিজেপি। এবার মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলল গেরুয়া শিবির।

  • Saline Controversy: ‘‘এটা মৃত্যু নয়, হত্যা”, স্যালাইনকাণ্ডে থানায় এফআইআর দায়ের বিজেপি বিধায়ক শঙ্করের

    Saline Controversy: ‘‘এটা মৃত্যু নয়, হত্যা”, স্যালাইনকাণ্ডে থানায় এফআইআর দায়ের বিজেপি বিধায়ক শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্যালাইন নিষিদ্ধ (Saline Controversy) করার পরও এরাজ্যে কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘বিষাক্ত’ স্যালাইন? সেই প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে। দু’টি জনস্বার্থ মামলাই দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতি। এই আবহের মাঝে এবার স্যালাইন বিভ্রাটে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায়, স্যালাইন প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক? (Saline Controversy)

    মঙ্গলবার দুপুরে শিলিগুড়ি থানায় পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালের (Saline Controversy) বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন শঙ্কর ঘোষ। তিনি (Sankar Ghosh) বলেন, ‘‘এর আগে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল-সহ কিছু মেডিক্যাল কলেজে স্যালাইন প্রস্তুতকারী সংস্থার উৎপাদিত স্যালাইনের ব্যবহার বন্ধ করল। মৃত্যুও হয়েছিল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল। তারপরেও এই সংস্থার স্যালাইন কীভাবে সব মেডিক্যাল সাপ্লাই দিল রাজ্য?’’ এ নিয়ে এদিন তিনি আরও  বলেন, ‘‘এই স্যালাইনের ব্যবহারেই অতীতের মৃত্যু হয়েছিল কিনা দেখা হোক। স্বতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিক সরকার। পাশাপাশি দোষীদের গ্রেফতারও করতে হবে।” তিনি বলেন, ‘‘এটা মৃত্যু নয়, হত্যা।’’ এই সংস্থার একটি অফিস শিলিগুড়িতে, সংস্থার আরেক ডিরেক্টর মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধেই মূলত অভিযোগ করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আগেই অভিযোগ করেছিলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালের ডিরেক্টর বহরমপুরের মুকুল ঘোষ। তাঁর সঙ্গে সরাসরি কালীঘাটের যোগ রয়েছে। টাকার বিনিময়ে জাল ওষুধ সাপ্লাই করে। ডিসিজিআই-কে দিয়েও তদন্তের অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে।”

    ঠিক কী অভিযোগ?

    ২০২৪-এর মার্চ মাসেই কর্নাটক সরকার এই স্যালাইন (Saline Controversy) প্রস্তুতকারী সংস্থাকে নিষিদ্ধ বলে উল্লেখ করেছিলেন। ওই রাজ্যে চার প্রসূতির মৃত্যু হয়েছিল। তারপরই নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে। ডিসিজিআই-কে চিঠিও দিয়েছিলেন ওই রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কর্নাটক যে স্যালাইনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল, সেই স্যালাইন কেন রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে রমরমিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে মৃত্যু হয় এক প্রসূতির। এসএসকেএমে লড়াই চলছে আরও তিন প্রসূতির। জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে গ্রিন করিডর করে ওই তিন প্রসূতিকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল থেকে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনার পর থেকে হাসপাতালের স্যালাইন (রিঙ্গার্স ল্যাকটেট) নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বস্তুত ‘রিঙ্গার্স ল্যাকটেট’ স্যালাইনের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় গত ১০ ডিসেম্বর ওই স্যালাইনের উৎপাদন ও সরবরাহ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোল। তারপরও কীকরে হাসপাতালে তা ব্যবহার করা হল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: চিন্ময় প্রভুকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে বাংলাদেশের ভিসা বাতিলের হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু

    BJP: চিন্ময় প্রভুকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে বাংলাদেশের ভিসা বাতিলের হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সনাতন জাগরণ মঞ্চের অন্যতম মুখ সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুর জামিন খারিজ হতেই কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনারের অফিস ঘেরাও করার ডাক দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি (BJP) বিধায়করা বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনারের অফিস ঘেরাও করেন। সেখানেই বাংলাদেশ সরকারকে কড়া বার্তা দিলেন বিরোধী দলনেতা। জানিয়ে দিলেন, চিন্ময় প্রভুকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। না হলে এবার বাংলাদেশের ভিসা বাতিলের দাবিতে কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানাবে বঙ্গ বিজেপি। একই সঙ্গে সোমবার থেকে সীমান্ত অবরোধের ডাকও দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা?(BJP)

    শুভেন্দু বলেন, “এর আগেও বাংলাদেশের অনেক সরকার দেখেছি। তবে এই রকম ভারত বিরোধী আচরণ, হিন্দুদের ওপর নির্যাতন আগের কোনও সরকারকে করতে দেখিনি।” বাংলাদেশে সনাতন জাগরণ মঞ্চের অন্যতম মুখ সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর পাশে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলনেতা (BJP) বলেন, “উনি কোনও অন্যায় করেননি। মিথ্যা কেসে ফাঁসিয়েছে ইউনূসের তালিবান সরকার। তারই প্রতিবাদে বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনারের অফিসে দাবি জানিয়ে গেলাম।” তিনি আরও বলেন, “প্রয়োজনে ১ দিন অপেক্ষা করে ভিসা দফতরে যাব। কেন্দ্রকে বলব, এরকম চলতে থাকলে বাংলাদেশের ভিসা বন্ধ করে নিন। বাকিটা আমরা সীমান্তে বুঝে নেব।”

    আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত ইজরায়েল-হিজবুল্লার! কেন এই সিদ্ধান্ত, কী ভাবছেন নেতানিয়াহু?

    প্রসঙ্গত, কোটা বিরোধী আন্দোলনের (BJP) জেরে গত অগাস্টে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই বাংলাদেশে গঠিত হয় ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সরকারের বিরুদ্ধে বার বার সেদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের সনাতন জাগরণ মঞ্চের অন্যতম মুখ সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেফতার করেছে ইউনূসের সরকার। তার প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছে বাংলাদেশ। সেই আন্দোলনের ঢেউ আছড়ে পড়েছে ভারতেও। মঙ্গলবার থেকে পথে নেমেছে বিজেপি। লাগাতার কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP MLA: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে এবার রাজ্যের ‘শিক্ষারত্ন’ পুরস্কার ফেরালেন কাঁথির বিজেপি বিধায়ক

    BJP MLA: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে এবার রাজ্যের ‘শিক্ষারত্ন’ পুরস্কার ফেরালেন কাঁথির বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Protest)  এবং বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ-আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু দুর্গাপুজো ক্লাব সরকারি অনুদান ফিরিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারের দেওয়া সম্মান ফেরাতে শুরু করেছেন শিক্ষক এবং নাট্যব্যক্তিত্বরা। সেই আবহে এবার রাজ্য সরকারের দেওয়া দেওয়া ‘শিক্ষারত্ন’ পুরস্কার ফেরানোর কথা ঘোষণা করলেন পূর্ব মেদিনীপুরের দক্ষিণ কাঁথির বিজেপি বিধায়ক (BJP MLA) তথা প্রাক্তন শিক্ষক অরূপকুমার দাস। বৃহস্পতিবার শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কাঁথিতে একটি কর্মসূচিতে শামিল হয়েছিলেন তিনি। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্য জেলা নেতৃত্ব। সেই মঞ্চে দাঁড়িয়েই রাজ্য সরকারের দেওয়া পুরস্কার ফেরানোর কথা ঘোষণা করলেন তিনি।

    কবে পেয়েছিলেন পুরস্কার? (BJP MLA)

    ২০১১ সালে কাঁথি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অরূপবাবু রাজ্য সরকারের ‘শিক্ষারত্ন’ পুরস্কার পেয়েছিলেন। ২০১৭ সালে চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগদান করেন। এরপর দক্ষিণ কাঁথি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করে তিনি বিধায়ক (BJP MLA) হন। এবার তিনি ‘শিক্ষারত্ন’ পুরস্কার ফিরিয়ে আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ জানালেন। এর আগে,  আলিপুরদুয়ারের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পরিমল দে রাজ্য সরকারের দেওয়া ‘বঙ্গরত্ন’ পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। নাট্যক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মান ‘দীনবন্ধু মিত্র পুরস্কার’ ফিরিয়েছেন নাট্যকার চন্দন সেন। একই ভাবে নাট্য অ্যাকাডেমির দেওয়া সেরা নির্দেশকের পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন নাট্য নির্দেশক বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়। বামফ্রন্ট জমানায় সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম ঘটনার প্রতিবাদে এভাবেই পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের হিড়িক দেখা গিয়েছিল। এবার তৃণমূল সরকারের আমলে একের পর এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব পুরস্কার ফেরত দিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এই ঘটনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: সাতসকালে সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে হানা ইডির, তালা খুলে ঢুকলেন অফিসাররা

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর পাশে দাঁড়িয়ে পুরস্কার ফেরানোর কথা জানান তিনি। অরূপবাবু (BJP MLA) বলেন, “আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে দেশ জুড়ে আন্দোলন চলছে। আমরাও প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছি। এবার আমি সরকারের দেওয়া এই সম্মান ফিরিয়ে দিলাম। শিক্ষক দিবসের দিনকেই এই ঘোষণার দিন হিসাবে বেছে নিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Bangla Bandh: শান্তিপূর্ণ অবস্থান সত্ত্বেও ২ বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতার মমতার পুলিশের

    BJP Bangla Bandh: শান্তিপূর্ণ অবস্থান সত্ত্বেও ২ বিজেপি বিধায়ককে গ্রেফতার মমতার পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযানে পুলিশি হামলায় তুলকালাম পরিস্থিতির প্রতিবাদে বুধবার বিজেপি ১২ ঘণ্টার বাংলা বন‍্‍ধ (BJP Bangla Bandh) ডাকে। সকাল ৬টা থেকে বন‍্‍ধ শুরু হয়। কোচবিহারে (Cooch Behar) বন‍্‍ধ পালন করতে গিয়ে আটক হন দুই বিজেপি বিধায়ক। তাঁদের জোর করে টেনে হিঁচড়ে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। এলাকায় বিশাল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BJP Bangla Bandh)

    এদিন সকালেই বিজেপির দুই বিধায়ক মালতী রাভা রায় এবং নিখিল রঞ্জন দে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার বাস টার্মিনাসের সামনে আসেন। বাস আটকানোর চেষ্টা করেন। উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণের নতুন বাসস্ট্যান্ডের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে (BJP Bangla Bandh) বসেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। বাসের সামনে বসে পড়ে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। এরপরই আটক করা হয় তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় ও কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে-কে। বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের টেনে-হিঁচড়ে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    মালদায় সরব বিজেপি সাংসদ

    অন্যদিকে, এদিন সকালে পুরাতন মালদার বুলবুলি মোড় এলাকার ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। সেই সময় উল্টোদিক থেকে তৃণমূলের একটি মিছিল আসে। তারা বনধের বিরোধিতায় মিছিল করছিল। দুই মিছিল সামনা-সামনি হয়ে যাওয়ায় সেখানে উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল ও বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। পুলিশের সামনেই চলে ধাক্কাধাক্কি। একে অপরকে ঠেলাঠেলি করতে শুরু করে দেন। প্রতিবাদে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে পুরাতন মালদা-নালাগোলা রাজ্য সড়কে বসে পড়েন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। বুলবুলি মোড় থেকে পুরাতন মালদায় যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি। সাংসদের অভিযোগ, বুলবুলি মোড়ে তাঁকে আটকে দেয় পুলিশ। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মালদা-মুর্শিদাবাদকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি তুললেন বিজেপি বিধায়ক

    Murshidabad: মালদা-মুর্শিদাবাদকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি তুললেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মালদা-মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলাকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের তালিকাভুক্ত করার দাবি তুললেন মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ। কারণ, স্থানীয় বিধায়ক হিসেবে জেলায় কীভাবে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকছে তা তিনি আঁচ করেই আগেও এই দাবির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। এমনকী বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেও এই বিষয় নিয়ে জোর সওয়াল করেছেন। যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। এবার সেই একই দাবি আরও একবার শোনা গেল বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্করের গলায়।

    কী বলেছেন বিজেপি বিধায়ক? (Murshidabad)

    জানা গিয়েছে, ২০২২ সালেই এই একই দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি দিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক। তিনি বলেন, “এই দাবি অনেক আগেই  আমি তুলেছিলাম। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছিলাম, মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) -মালদায় যেভাবে অনুপ্রবেশ ঘটছে, তাতে আগামীদিন দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। যে শক্তি ভারতকে আবারও ভাঙতে চায়, বাংলাদেশ থেকে তারা মুর্শিদাবাদ-মালদা হয়ে ভারতে ঢুকছে। সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয় প্রশাসন দলদাসের মতো কাজ করে। এই রাজ্যের শাসকদল শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। দেশের নিরাপত্তার কথা তারা ভাবে না। তাই আমি বলেছিলাম, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে মালদা-মুর্শিদাবাদ এবং ঝাড়খণ্ড-বিহারের কিছু অংশ নিয়ে যদি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা যায়, তাহলে দেশকে সুরক্ষিত রাখা যাবে। আশা করি, আগামীদিনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই দাবিকে প্রাধান্য দেবেন এবং এই দাবির যৌক্তিকতা বিবেচনা করে এই অঞ্চলকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল করে দেশকে সুরক্ষিত করবেন।” আর বিজেপি সাংসদের মাধ্যমে লোকসভায় বিষয়টি ওঠায় সেই দাবি অনেকটাই মান্যতা পেল বলে মনে করছেন বিজেপি বিধায়ক।

    আরও পড়ুন: ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস, দেশের ইতিহাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিন

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    লোকসভা নির্বাচনের আগে শক্তিপুরে (Murshidabad) তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর সরাসরি ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন। সেখানে দাঙ্গা লাগার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বিজেপির (BJP) জেলা নেতাদের বক্তব্য, মুর্শিদাবাদে সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশের কারণে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে পড়ছে। আর বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ তৃণমূলকে সমর্থন করায়, অনুপ্রবেশ নিয়ে রাজ্য সরকার মুখ খুলছে না। ফলে, বিজেপি (BJP) সাংসদ লোকসভায় যে দাবি করেছেন, তার দাবি মেনে কেন্দ্রীয় সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন দুই জেলার মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pravati Parida: ওড়িশার প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! ইতিহাস গড়লেন প্রভাতী পারিদা

    Pravati Parida: ওড়িশার প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! ইতিহাস গড়লেন প্রভাতী পারিদা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই মঙ্গলবার ওড়িশায় নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও উপ মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। ওড়িশার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মোহনচরণ মাঝি। আর নবনির্বাচিত বিজেপি সরকারে একইসঙ্গে উপ মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন কনকবর্ধন সিংদেও এবং প্রভাতী পারিদা (Pravati Parida)। আর এখানেই আছে চমক। কারন বিজেপি বিধায়ক প্রভাতী পারিদাই প্রথম মহিলা যিনি ওড়িশার উপ-মুখ্যমন্ত্রী (Odisha’s First Female Deputy CM) পদে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়লেন। এদিন উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হওয়ার পর দলের সহকর্মী এবং ছয় বারের বিধায়ক কনকবর্ধন সিংদেওর সঙ্গে তাঁর পদটি ভাগ করে নিয়েছেন।    

    কে এই প্রভাতী পারিদা? (Pravati Parida)

    প্রভাতী পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি ভুবনেশ্বরের উৎকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করে পরবর্তীতে ওড়িশা হাইকোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে যুক্ত হন। সাম্প্রতিক রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে নিমাপাড়া আসনে বিজেডির দিলীপকুমার নায়ককে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হন তিনি। জানা গিয়েছে, বুধবারই উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহন করার কথা তাঁর। 

    আরও পড়ুন: চাকরি ‘বিক্রি’ করে ব্যাঙ্কে ৭২ কোটি! এসএসসিকাণ্ডে ধৃত প্রসন্নর বিরুদ্ধে নয়া তথ্য ফাঁস ইডির

    ওড়িশার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেন মোহনচরণ মাঝি 

    ৫৩ বছর বয়সি মোহন মাঝি আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। ২০০০ সালে প্রথম তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন। চারবারের বিধায়ক মোহন মাঝি (Mohan Majhi) জনসেবা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এবারের নির্বাচনে কেওনঝড় বিধানসভা থেকে মোহন মাঝি বিজেডির মীনা মাঝিকে হারিয়ে ৮৭ হাজার ৮১৫ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। এদিনের বৈঠক শেষে রাজনাথ বলেন, “মোহন মাঝি হলেন একজন নবীন এবং দক্ষ কার্যকর্তা। তিনি ওড়িশাকে আগামিদিনে প্রগতি ও উন্নতির  পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।” উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের সঙ্গেই ওড়িশায় (Odisha) বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। সেই ভোটে ২৪ বছরের বিজু জনতা দলের মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক জমানার শেষ হয়। অন্যদিকে ২০০০ এবং ২০০৪ সালে নবীনের সঙ্গে জোট সরকারে থাকলেও ওড়িশায় এককভাবে বিজেপি (BJP) এই প্রথম সরকার গঠন করতে চলেছে। 
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: বিজেপি বিধায়কের চেষ্টায় হল্টের জন্য তোড়জোড় শুরু করল রেল

    Asansol: বিজেপি বিধায়কের চেষ্টায় হল্টের জন্য তোড়জোড় শুরু করল রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালিপাহাড়ি ও রানীগঞ্জের মাঝামাঝি কুমাডিতে হল্ট স্টেশন করার দাবি স্থানীয়দের অনেক দিনের। এলাকার মানুষের দাবি, কর্মক্ষেত্রে যেতে যোগাযোগের সুবিধা প্রয়োজন। এই এলাকায় আশেপাশে বহু গ্রাম রয়েছে যেমন – টিরাত, চাপুই, রতি বাটি, চেলোদ, কুমাডি, হাড়ভাঙ্গা, নিমচা। এই অঞ্চলের গরিব মানুষকে কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের জন্য প্রত্যেকদিন যেতে হয় রানিগঞ্জ, নয় কালিপাহাড়ি অথবা আসানসোলে (Asansol)। এছাড়াও মহিলাদের ট্রেন ধরতে অনেক অসুবিধা হয়। এবার রেলের আধিকারিকরা পরিদর্শনে এলেন। বিজপি বিধায়কের চেষ্টায় হল্টের জন্য তোড়জোড় শুরু করল রেল। উল্লেখ্য, বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল দাবি করেন, “কুমাডিতে একটি হল্ট স্টেশন হলে এখানকার মানুষের অনেক সুবিধা হবে। সেই কথা অনুযায়ী আসানসোলের ডিআরএম–এর কাছে হল্ট স্টেশনের প্রস্তাব রেখেছি।”

    কী বলল রেল?

    আসানসোল (Asansol) রেলের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, “এলাকার অনেক দিনের যাতায়াতের সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে হল্টের দাবি জানানো হয়েছিল। আমরা আজ এলাকা পরিদর্শন করেছি। এরপর আমরা ঊর্ধবতন কর্তৃপক্ষের কাছে  রিপোর্ট জমা করবো।”

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক (Asansol)?

    প্রস্তাব অনুযায়ী শুক্রবার বিধায়ক ও রেল কর্তৃপক্ষ সরজমিনে পরিদর্শনে আসেন। সব কিছু দেখার পর উচ্চ কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়। বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল (Asansol) এই প্রসঙ্গে বলেন, “এই অঞ্চলের আশেপাশের মানুষের দীর্ঘদিনের চাহিদা, এখানে একটি লোকাল ট্রেনের হল্ট স্টেশন হোক। আর তা হলে এখানকার সাধারণ মানুষ ভীষণ ভাবে উপকৃত হবেন। তাই তাঁদের অসুবিধার কথা শুনে আমরা রেলের উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষকে জানাই। এরপর সেই অনুযায়ী এখানকার রেলের কর্তৃপক্ষ সমস্ত বিষয় দেখেছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী ও রেলমন্ত্রীর উপর আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে। যদি কোনও বড় সমস্যা না হয় তাহলে হল্ট স্টেশন খুব দ্রুত সম্পাদন করা হবে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে এই অঞ্চলের (Asansol) তৃণমূলের চেয়ারম্যান বিনোদ নুনিয়া বলেন, “অনেকে এসেছেন আবার অনেকে চলেও গিয়েছেন কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এর আগেও বাবুল সুপ্রিয় যখন বিজেপিতে ছিলেন, তখন বলেছিলেন হল্ট স্টেশন এখানে হবে, কিন্তু তা হয়নি। এবার বিজেপির বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল এসেছেন। সামনে ভোট, এলাকা গরম করতে এসেছেন বিজেপির নেত্রী। এর আগে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী ছিলেন সেই সময় পশ্চিমবঙ্গে অনেক কাজ হয়েছে। বিজেপি শুধু যখন ভোট আসে তখন অনেক প্রতিশ্রুতি দেয় কাজের কাজ কিছু হয় না। যদি হয়, তা হলে ভালোই হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: সজলধারা প্রকল্পের নামে সরকারি জায়গা নিয়ে হচ্ছে ব্যক্তিগত বাড়ি! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

    Arambagh: সজলধারা প্রকল্পের নামে সরকারি জায়গা নিয়ে হচ্ছে ব্যক্তিগত বাড়ি! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার মদতে সরকারি জায়গা দখল করার অভিযোগ। আর সেই জায়গা দখল করেই চলেছে পাকা বাড়ি তৈরির কাজ। আর কেউ প্রতিবাদ করলেই জুটছে হুমকি। আরামবাগের (Arambagh) কাষ্টদহী এলাকায় এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ (Arambagh) মহকুমার মায়াপুর ২ নং পঞ্চায়েতের কাষ্টদহী এলাকা। সেখানেই গ্রামের পাকা রাস্তার মোড়ে হঠাৎ করেই দেখা যায়, রাস্তার ধারে রাতের অন্ধকারে সরকারি জায়গা দখল করে শুরু হয় পাকা বাড়ি তৈরির কাজ। অভিযোগ, স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শান্তিরাম মালিক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজেই অন্যের নামে এই বাড়ি তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকী কেউ প্রতিবাদ করতে গেলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। যদিও ঘটনার খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন আরামবাগের মহকুমা শাসক সুভাষিনী ই।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ওই সরকারি জায়গা দেখিয়ে সজলধারা প্রকল্পের জন্য আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু, গ্রামের উন্নয়নমূলক কাজের পরিবর্তে রাজনৈতিক ক্ষমতা বলে সেখানেই তৈরি হচ্ছে নেতার দোকান ঘর। যা কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তাই আমরা একজোট হয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অন্যদিকে, সরকারি সম্পত্তি দখল প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য শান্তিরাম মালিক বলেন, আমি পেশায় রাজমিস্ত্রী। ওই এলাকার এক ব্যক্তি আমার থেকে জমি বিক্রির টাকা পেত। সেই টাকার পরিবর্তে আমি তাঁকে বাড়ি করে দিচ্ছি। সরকারি জমি দখল করে কেন বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিজের নামে আমি কোনও জায়গা দখল করিনি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে একটা জায়গাকে তিনবার বিক্রি করা, সরকারি সম্পত্তি দখল করা এটা তৃণমূল নেতাদের বৈশিষ্ট্য। আগামী আর কয়েক মাসের মধ্যে তৃণমূল দলটা আর থাকবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘প্রতি মাসে ১০০ জন নন্দীগ্রামবাসীকে রাম মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হবে’, ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘প্রতি মাসে ১০০ জন নন্দীগ্রামবাসীকে রাম মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হবে’, ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় অর্ধশতকের আইনি লড়াইয়ের পর অযোধ্যার বিতর্কিত প্রাঙ্গনে রাম মন্দির তৈরির অনুমতি দেয় আদালত। রাম মন্দিরে জোর কদমে চলছে প্রস্তুতি। আগামী ২২ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় উদ্বোধন হতে চলেছে রাম মন্দিরের। স্বাভাবিকভাবে ঐতিহাসিক এই দিনের সাক্ষী থাকতে চাইছেন দেশবাসী। রেলের পক্ষ থেকে দেশের সমস্ত প্রান্তের মানুষদের নিয়ে যাওযার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নন্দীগ্রামের মানুষদের রাম মন্দির দর্শনে নিয়ে যাবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু।

    রাম মন্দির দর্শন নিয়ে ঠিক কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রবিবার বছরের শেষ দিন নন্দীগ্রাম বজরং কমিটি আয়োজিত হনুমান পুজোয় অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। স্থানীয়দের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, যাঁরা নিজের টাকায় রাম মন্দির দর্শনে যেতে পারবেন না, তাঁদের সঙ্গে সেবক শুভেন্দু সব সময় আছে। রাম মন্দির দর্শনের জন্য গোটা দেশ থেকে ৭০০ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে ভারতীয় রেল। সেই সব ট্রেনে টিকিট কেটে উঠতে হবে। নন্দীগ্রামের যাঁরা টিকিট কেটে রাম মন্দির দর্শনে যেতে পারবেন না, প্রতি মাসে আমি ১০০ জন করে ট্রেনে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেব। জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখের পর থেকে নন্দীগ্রামে রাম মন্দির দর্শন কর্মসূচি শুরু হবে। যাঁরা নিজেদের ক্ষমতায় যেতে পারবেন যাবেন, যাঁরা পারবেন না তাঁদের রাম মন্দির নিয়ে যাওয়ার সমরকম ব্যবস্থা আমি করে দেব।

    রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে দিঘায় জগন্নাথ মন্দির তৈরি করা হয়েছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, রাম মন্দির তৈরি হয়েছে সনাতনীদের দেওয়া অর্থ দিয়ে। সনাতনীরা বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে যে টাকা দিয়েছেন, তা দিয়ে তৈরি হয়েছে এই রাম মন্দির। দিঘার জগন্নাথ কালচারাল সেন্টারের মতো সরকারি টাকায় তৈরি নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share