Tag: bjp mp

bjp mp

  • Saline Controversy: স্যালাইনকাণ্ডে হস্তক্ষেপ দাবি করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডাকে চিঠি বিজেপি সাংসদের

    Saline Controversy: স্যালাইনকাণ্ডে হস্তক্ষেপ দাবি করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাড্ডাকে চিঠি বিজেপি সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেদিনীপুরে স্যালাইনকাণ্ডে (Saline Controversy) তোলপাড় গোটা রাজ্য। রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এই আবহের মধ্যে এবার স্যালাইনকাণ্ডে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি দিলেন পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ (BJP MP) জ্যোতির্ময় সিং মাহাত।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Saline Controversy)

    মূলত, সন্তান প্রসবের পরই, মৃত্যুর কোলে (Saline Controversy) ঢলে পড়েছেন এক প্রসূতি। তিনজন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে। তার মধ্যে দু’জন ভেন্টিলেশনে। পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালের তৈরি রিঙ্গার্স ল্যাকটেট স্যালাইন ব্যবহারের ফলেই এই পরিণতি বলে অভিযোগ। এই প্রেক্ষাপটে আবার রোগীর পরিবারের থেকে মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কিন্তু, এতগুলো মানুষকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলল কারা? কারা এই ঘটনার জন্য দায়ী? এই প্রশ্ন যখন উঠছে, গাফিলতির কথা মেনে নিয়েছেন মুখ্যসচিবও। তাঁর মুখে শোনা গেছে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি চিকিৎসকদের প্রসঙ্গ। বুধবার মুখ্যসচিব বলেছিলেন, প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে, গুরুতর গাফিলতি রয়েছে ইউনিটের, যাঁরা তখন ডিউটিতে ছিলেন। তা সত্ত্বেও, আমরা আরও বিশদ তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি। প্রাথমিকভাবে যেটা হয়, সবসময় একজন সিনিয়র ডাক্তারের উপস্থিতিতেই এটা করা হয়। কিন্তু, ওখানে যাঁরা ছিলেন, তাঁরা ট্রেনি চিকিৎসক, ওরাই এটা সামলেছেন। সেজন্য আমরা মনে করি, এটা গাইডলাইন অনুযায়ী হয়নি।

    আরও পড়ুন: নিজের বাড়িতেই ছুরি দিয়ে কোপানো হল অভিনেতা সইফ আলি খানকে, ভর্তি হাসপাতালে

    চিঠিতে কী দাবি জানালেন বিজেপি সাংসদ?

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডাকে (Saline Controversy) চিঠি দিয়ে বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত জানিয়েছেন, ‘‘বর্তমান সরকারের আমলে বেহাল বাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার গাফিলতির ছবি প্রকাশ্যে চলে এসেছে। তদন্ত কমিটি গঠন ও স্যালাইনের স্টক সরানোর ছাড়া রাজ্য কোনও উপযুক্ত পদক্ষেপ করেনি। সরকারি হাসপাতালের ওপর থেকে মানুষের আস্থা উঠে যাচ্ছে। প্রকৃত তদন্ত না করে আরজি করকাণ্ডে আন্দোলনে সামিল হওয়া জুনিয়র ডাক্তারদের দায়ী করা হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন এই সব জুনিয়র ডাক্তাররা। জাল ওষুধ চক্রের হাব হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ। বেআইনি ওষুধ চক্রের রমরমা নিয়ে সিবিআই তদন্ত হওয়া উচিত।”

    সরব শুভেন্দুও

    বুধবার শুভেন্দু অধিকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘‘মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, মনে হচ্ছে, আপনি এবং স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম চাইছেন, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের (Saline Controversy) ঘটনার পুরো দায় স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিষয়ক বিভাগের দিকে ঠেলে দিতে। আপনাদের পরিকল্পনা হল, জুনিয়র এবং ট্রেনি চিকিৎসকদের কাঠগড়ায় তোলা। সাংবাদিক বৈঠকে ‘গাফিলতি’ শব্দটা একাধিকবার বলা, তার ইঙ্গিত দিচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তাঁর ছবি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্ট, পুলিশে নালিশ জানালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: তাঁর ছবি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্ট, পুলিশে নালিশ জানালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) ছবি লাগিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্ট করার অভিযোগ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। বিষয়টি নজরে আসে খোদ বিজেপির রাজ্য সভাপতির। তিনি এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার জন্য জেলা সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Sukanta Majumdar)

    বেসরকারি লোন দানকারী সংস্থার বিজ্ঞাপনে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) ছবি দেওয়া রয়েছে। সেখানে বড় বড় হরফে লেখা রয়েছে সুদ ছাড়াই ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন দেওয়া হচ্ছে মা, বোনেদের। আর এই ছবি সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে দেখা মিলতেই নড়েচড়ে বসেছে বিজেপির আইটি সেল। সুকান্ত মজুমদারের অ্যাসিস্ট্যান্ট পার্সোনাল সেক্রেটারি বিষয়টি প্রথমে নজরে আনেন। আর তারপরই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সুকান্তবাবু। রাজনৈতিক কাজে এই মুহূর্তে জেলার বাইরে রয়েছেন তিনি। সেখান থেকেই জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর নাম ও ছবি অনুমতি ছাড়াই কেন ওই ঋণদানকারী সংস্থা ব্যবহার করছে তা জানতে চান। পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন,“আমি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি যে আমার ছবি অবৈধভাবে ব্যবহার করে একটি অ্যাপে ঋণ দেওয়ার একটি প্রকল্পের প্রচার করা হচ্ছিল। আমি দেখেছি ওই অ্যাপগুলোতে শুধু আমি নই, দেশের বহু মুখ্যমন্ত্রী ও বিভিন্ন মন্ত্রীদের ছবি নিয়ে তারা এইরকম অপপ্রচার করছে। তারা কম সুদে লোন দেবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। আমি এই বিষয়ে নিয়ে অভিযোগ করেছি। আমি আশা করছি পুলিশ এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “গদ্দারকে কেউ বিশ্বাস করবে না”, মুকুটমণি প্রার্থী হতেই তোপ জগন্নাথের

    Ranaghat: “গদ্দারকে কেউ বিশ্বাস করবে না”, মুকুটমণি প্রার্থী হতেই তোপ জগন্নাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বড় ব্যবধানে জিতবো। তৃণমূল এই গদ্দার মুকুটমণি অধিকারীকে কেউ বিশ্বাস করবে না। তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণার পর কড়া আক্রমণ করলেন রানাঘাটের (Ranaghat) বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। তিনি বলেন, ভোটে আরও ভালো ফলাফল হবে। সাধারণ মানুষের কোনও উপকার করেনি মুকুটমণি। তাই এবার ওই এলাকার বিজেপি কর্মীরা আরও ভালোভাবে নির্বাচনে লড়াই করতে পারবে।

    তৃণমূল ডুবন্ত নৌকা (Ranaghat)

    ব্রিগেডের জনগর্জন সভা থেকে রাজ্যের ৪২ টি আসনে লোকসভা প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। একের পর এক চমকও রয়েছে সেই প্রার্থী তালিকায়। তবে, রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রে সদ্য বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান করা এবং রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারীকে প্রার্থী নির্বাচিত করল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও তার  সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপির রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ  জগন্নাথ সরকার। সুতরাং,এবছর ভোটের লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তার কারণ মুকুটমণি অধিকারী এবং জগন্নাথ সরকারকে নিয়ে বিজেপির দ্বন্দ্ব এর আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। তারপরেই মুকুটের দলবদল এবং রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে তার প্রার্থী হওয়ার কারণ। জগন্নাথ বলেন, তৃণমূল দল এখন ডুবন্ত নৌকা। এখানে সবাই চোর। যারা আদর্শ বিজেপি কর্মী তারা কখনও বিজেপি ছেড়ে অন্য দলে যোগদান করে না। তাঁর মস্তিষ্ক সুস্থ রয়েছে বলে আমার মনে হয় না। তবে, এর প্রভাব লোকসভা ভোটে পড়বে না।

    গদ্দারকে কেউ বিশ্বাস করবে না

    তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরই রানাঘাট (Ranaghat) লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী  মুকুটমণি অধিকারীকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, অন্য কেউ ভোটে দাঁড়ালে হয়তো জয়ের ব্যবধানটা এক লক্ষ হত। তবে, মুকুট ভোটে দাঁড়ানোর কারণে ব্যবধানটা দু লক্ষ পেরিয়ে যাবে। কারণ, তৃণমূল এই গদ্দার মুকুটমণি অধিকারীকে কেউ বিশ্বাস করবে না। আর সাধারণ মানুষ তৃণমূলের দুর্নীতি এবং তাদের হিংস্রতা চোখের সামনে দেখেছে। শুধু তাই নয় মুকুটমণি অধিকারীকে অনভিজ্ঞ, অপরিণত,লোভী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও অভিহিত করেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagannath Sarkar: প্রচারে বেরিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ, দেওয়াল লিখলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    Jagannath Sarkar: প্রচারে বেরিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ, দেওয়াল লিখলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম ঘোষণা হতেই প্রচারে নেমে পড়েছেন রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar)। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পুরোদমে চলছে দেওয়াল লিখনের কাজ। মঙ্গলবার নদিয়ার চাকদা বিধানসভা এলাকায় চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন সাংসদ তথা বিজেপি প্রার্থী।

    দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেওয়াল লিখলেন প্রার্থী (Jagannath Sarkar)

    নদিয়ার কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর (Jagannath Sarkar) নাম ঘোষণা না করলেও দিল্লি থেকে দিন কয়েক আগে রানাঘাট কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৯ সালে সমতলে সবথেকে বেশি ব্যবধানে জেতা প্রার্থী তথা বর্তমান সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে পুনরায় প্রার্থী করেছে বিজেপি। দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর থেকে পুরোদমে ভোট প্রচারে নেমে পড়েছেন বিজেপি কর্মীরা। সেইমতো পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী প্রতিটি জায়গায় প্রচারে যাচ্ছেন তিনি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই চলছে বিজেপি প্রার্থীর প্রচার। প্রথমে চাকদা বিধানসভার বিজেপি মণ্ডল পাঁচ এর উদ্যোগে একটি রক্তদান শিবিরে যোগদান করেন তিনি। এরপরই একাধিক জায়গায় দেওয়াল লিখন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। জগন্নাথ সরকার নিজের হাতেই একাধিক দেওয়াল লিখে দলীয় কর্মীদের উৎসাহিত করেন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ সহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

    আরও পড়ুন: অপুর ‘পয়া’ টোটো চালিয়ে বাজিমাত করেছিলেন, এবারও সেই টোটোতে প্রচার সুভাষের

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar) বলেন, গতবারও মন্দিরে পুজো দিয়ে আমি প্রচার শুরু করেছিলাম। এবার নাম ঘোষণা হওয়ার পরই মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেছি। সমস্ত বিধানসভায় দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষের যা সমর্থন পেয়েছিলাম, এবারের লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ মানুষের উন্মাদনা আরও বেশি। প্রচুর মানুষ আমাকে আশীর্বাদ করছেন। গত পাঁচ বছরে মানুষের কাছে যে উন্নয়ন পৌঁছে দিয়েছি,আগামীদিনে আরও যাতে উন্নয়ন পৌঁছে দিতে পারি সেই লক্ষ্য নিয়েই ভোট প্রচার করছি। নরেন্দ্র মোদির হাত শক্ত করতে আগামী পাঁচ বছর আরও বেশি ভোটের ব্যবধানে সাধারণ মানুষ আমাকে জয়ী করবেন বলে আমি আশাবাদী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: রানাঘাট মাতৃভূমি লোকাল ট্রেনে চালু হচ্ছে এসি কোচ! কী কী সুবিধা রয়েছে জানেন?

    Ranaghat: রানাঘাট মাতৃভূমি লোকাল ট্রেনে চালু হচ্ছে এসি কোচ! কী কী সুবিধা রয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মাতৃভূমি স্পেশাল ট্রেনে আধুনিক পরিষেবা সংযোজিত হল। এবার থেকে এই ট্রেনে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত দুটি কামরা থাকবে। গরমকালে এসি পরিষেবা পাবেন যাত্রীরা। তবে, বিশেষ এই কামরায় উঠতে যাত্রীদের সামান্য বেশি ভাড়া গুনতে হবে। আর মহিলা যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ এই ট্রেনের কামরার সংখ্যাও বাড়ানো হল। রবিবার নতুন পরিষেবা যুক্ত মাতৃভূমি স্পেশাল ট্রেনের উদ্বোধন করেন সাংসদ জগন্নাথ সরকার। উপস্থিত ছিলেন শিয়ালদার  ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার দীপক নিগম। এই ট্রেনটিতে মিলবে একাধিক যাত্রী পরিষেবা। এদিন সকাল ১০:৪৫ মিনিট নাগাদ রানাঘাট (Ranaghat) পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রেনটি ছাড়়ে।

    মাতৃভূমি ট্রেনে কী কী সুবিধা রয়েছে? (Ranaghat)

    এই ট্রেনটিতে রয়েছে দুটি স্পেশাল কামরা। রয়েছে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণি। এছাড়াও জনসাধারণের জন্য জেনারেল কামরা রয়েছে। প্রথম শ্রেণির কোচের আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা সহ সিসিটিভি ক্যামেরা, নিরাপত্তা, মোবাইল চার্জিং ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও একাধিক সুবিধা রয়েছে। এর আগেও রানাঘাট (Ranaghat) থেকে শিয়ালদা মাতৃভূমি ট্রেন চলত। কিন্তু, সেই ট্রেনটিতে ছিল মূলত নয়টি কামরা। এবার ট্রেনের কামরা সংখ্যা বাড়িয়ে করা হল ১২টি। দুটি কামরা স্পেশাল করা হয়েছে। যেখানে রয়েছে উন্নত মানের বসার চেয়ার এবং নিরাপত্তার কারণে রাখা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে ভবিষ্যতে আরও উন্নত করা হবে এই ট্রেনগুলিকে। এক মহিলা যাত্রী বলেন, আগে ৯ কামরা ছিল। এবার ১২টি কামরা করা হয়েছে। শুধু মহিলাদের জন্য আরও গুরুত্ব দিয়ে পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    ট্রেন উদ্বোধনের শেষে বিজেপি সংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, লোকাল ট্রেনে এসি কামরার সুবিধা পূর্ব ভারতে প্রথম। ইস্টার্ন রেলওয়ে এই প্রথম লোকাল ট্রেনে এই ধরনের পরিষেবা চালু করেছে। মুম্বইয়ের পর দ্বিতীয় এই ট্রেন। সপ্তাহে রবিবার বাদে প্রতিদিনই রানাঘাট (Ranaghat) স্টেশন থেকে ৭:৪৫ মিনিটে শিয়ালদাগামী এই ট্রেন ছাড়বে। আমি অত্যন্ত খুশি ইস্টার্ন রেলওয়ের এই উদ্যোগে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: দ্বিতীয়বার সংসদ রত্ন সম্মান পাচ্ছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

    Sukanta Majumdar: দ্বিতীয়বার সংসদ রত্ন সম্মান পাচ্ছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক প্রচারে রাজ্য সভাপতি হিসেবে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় তিনি দিয়েছেন। এবার জনপ্রতিনিধি হিসেবেও তাঁর মুকুটে  জুড়তে চলেছে নয়া পালক। লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে সংসদ রত্ন সম্মান পাচ্ছেন বালুরঘাট লোকসভা আসন থেকে প্রতিনিধিত্ব করা বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    সংসদ রত্ন সম্মান কেন দেওয়া হয়?

    গত বছর বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) প্রথমবার সংসদ রত্ন সম্মান পেয়েছিলেন। এবারে লোকসভা সময়কালের শেষ লগ্নে জনপ্রতিনিধি হিসেবে যে পাঁচজন এই সন্মান পাচ্ছেন, সেই তালিকায় দ্বিতীয়বার ঠাঁই হয়েছে বাংলার এই বিজেপি সাংসদের। জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন ড: এপিজে আব্দুল কালামের পরামর্শেই সংসদ রত্ন সম্মান প্রদান করা শুরু করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। বর্তমানে এই কমিটির শীর্ষে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। মূলত সংসদ ভবনে সাংসদদের পারফরম্যান্স, প্রশ্নোত্তর পর্বে করা প্রশ্নের ভিত্তিতে প্রাইম পয়েন্ট ফাউন্ডেশন নামের একটি সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতেই সাংসদদের পারফরম্যান্সের বিচার করা হয় এবং এই সম্মান প্রদান করা হয়। লোকসভার আগে যা এক বড় জয় বাংলার এই গেরুয়া নেতার। লোকসভা অধিবেশনে সুকান্ত মজুমদারকে একাধিকবার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করতে দেখা গিয়েছে। তিনি বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি, হিন্দি ও সংস্কৃত ভাষাতেও বক্তব্য রেখেছেন সংসদে। পাশাপাশি তিনি সাংসদ হিসেবে জেলা, উত্তরবঙ্গ ও বাংলার কথা তুলে ধরেছেন নিপুনভাবে।

     দ্বিতীয়বার সংসদ রত্ন সম্মান পাচ্ছেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    উত্তরবঙ্গের সাংসদরা সংসদে গিয়ে কথা বলেন না, এই অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। তবে, ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বালুরঘাট থেকে সাংসদ নির্বাচিত হওয়া আরএসপির প্রশান্ত মজুমদার সেই অভিযোগ কিছুটা খন্ডন করেছিলেন। লোকসভার তথ্য অনুযায়ী, প্রশান্ত মজুমদার সংসদে ৪৬৮ টি প্রশ্ন তুলেছেন। ১৩৮ বার বিতর্কে অংশ নিয়েছেন ও দুইবার বিলের উপর বক্তব্য রেখেছিলেন। সুকান্তবাবু বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাঁকেও ছাড়িয়ে গিয়েছেন। একেবারে নিজস্ব ভঙ্গিমায় লোকসভায় দ্যুতি ছড়িয়েছেন। সংসদে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তাঁর বাকপটু বক্তৃতায় হাউসের মনোযোগ কেড়েছেন এবং অনেক তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তিনি সংসদে রেকর্ড-ব্রেকিং ৬৩৫ টি প্রশ্ন করেছেন। ৪৪ টি বিতর্কে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিকে সামনে নিয়ে এসেছেন। সুকান্তবাবু সংসদে সাতটি বেসরকারি বিলও উত্থাপন করেছেন। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, পরিকাঠামো, কৃষি এবং পরিবেশ সহ বিস্তৃত বিষয়গুলির উপর রয়েছে তাঁর প্রশ্ন। তাই লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে সংসদ রত্ন পুরস্কারের তালিকায় ফের সুকান্ত মজুমদার মনোনয়ন পাওয়ায় খুশি সকলে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bagdogra: শুরু হচ্ছে বাগডোগরা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের কাজ, উদ্যোগী কেন্দ্র

    Bagdogra: শুরু হচ্ছে বাগডোগরা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের কাজ, উদ্যোগী কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাগডোগরা (Bagdogra) বিমানবন্দর নিয়ে বড়সড়় সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার সিদ্ধান্ত কার্যকর করার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়ে গেল। ডিসেম্বর মাসে বড়দিনের আগেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা খরচ করে বাগডোগরা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের কাজ ভূমিপুজো দিয়ে শুরু হতে চলেছে।

    বিমানবন্দরে কী উন্নয়নমূল কাজ করা হবে? (Bagdogra)

    বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমান বিমানবন্দরের (Bagdogra) টার্মিনালের আয়তন সাড়ে আট হাজার বর্গমিটারের মতো। সকাল থেকে বিকাল অবধি বিমানবন্দর ভিড়ে ঠাসা থাকে। অনেকেই দাঁড়ানো বা বসার ঠিকঠাক জায়গা পান না। তাই, বিমানবন্দরের পরিকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে ১০৪ একরের মতো জমি অধিগ্রহণ এবং সমীক্ষা করে প্রথম পর্যায়ের ৯৫০.৪৫ কোটি টাকার নতুন টার্মিনাল ভবনের পরিকাঠামো উন্নয়নের টেন্ডার করা হয়েছে। প্রায় এক লক্ষ বর্গমিটারের নতুন টার্মিনাল ভবন এবং আধুনিক পরিকাঠামো তৈরি হবে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে ‘এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া’ প্রথম বাগডোগরার নতুন বিমানবন্দরের নকশা এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য দেশের তো বটেই, এশিয়ার নামকরা একটি সংস্থাকে পরামর্শদাতা হিসাবে নিয়োগ করে। ডিসেম্বরে ভূমিপুজোর পরে, ২০২৪ সালের গোড়ায় কাজ শুরু করে তা ২০২৬ সালের পুজোর আগে শেষ হওয়ার কথা। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রক বাগডোগরার জন্য ১,৮৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেছে। এই টেন্ডারে প্রথম পর্যায়ে ৯৫০.৪৫ কোটি টাকার টেন্ডার হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হওয়ার পর বাকি টাকা বরাদ্দ করা হবে।

    বিমানবন্দরের পরামর্শদাতা কমিটির চেয়ারম্যান কী বললেন?

    বাগডোগরা (Bagdogra) বিমানবন্দরের পরামর্শদাতা কমিটির চেয়ারম্যান তথা দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, ইতিমধ্যেই টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে কারা কাজ করবে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে। ডিসেম্বরে ভূমি পুজো হচ্ছে। দিনক্ষণ দ্রুত ঠিক করা হবে। নতুন বছর থেকে পুরোদস্তুর কাজ চলবে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই অঞ্চলকে গুরুত্ব বুঝেই বিপুল পরিমাণ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বিজেপি সাংসদের উদ্যোগ, ৪২ লক্ষ টাকা খরচ করে গড়ে উঠছে বৈদ্যুতিক চুল্লি

    Nadia: বিজেপি সাংসদের উদ্যোগ, ৪২ লক্ষ টাকা খরচ করে গড়ে উঠছে বৈদ্যুতিক চুল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে গিয়ে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাসে বৈদ্যুতিক চুল্লি তৈরি করার কথা ঘোষণা করেছিলেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তিন মাসের মধ্যে তিনি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলেন। সাংসদের হাত ধরে এলাকাবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবির অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বৈদ্যুতিক চুল্লি পেতে চলেছেন নদিয়ার (Nadia) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস এলাকার বাসিন্দারা।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (Nadia)

    নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাস একটি ধর্মীয় তীর্থস্থান হওয়ার সুবাদে সারা বছর দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে ওই এলাকায়। পাশাপাশি ধর্মীয় স্থান হওয়ার সুবাদে একটি অত্যাধুনিক বৈদ্যুতিক চুল্লি নির্মাণের মধ্যে দিয়ে মহাশ্মশান গড়ে তোলার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই জানিয়ে আসছিলেন এলাকাবাসীরা। গত ১৮ই অগাস্ট ভারত ভুক্তি অনুষ্ঠানে যোগদান করতে এসে এলাকাবাসীদের দাবি মতো শিবনিবাসে একটি বৈদ্যুতিক চুল্লি গড়ে তোলার আশ্বাস দেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। এরই মধ্যে এলাকার উন্নতির স্বার্থে শুকদেব ঘোষ নামের স্থানীয় এক সহৃদয়ক ব্যক্তি বৈদ্যুতিক চুল্লি নির্মাণের জন্য স্বেচ্ছায় জমি দান করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এমনকী সরকারকে তিনি জমি রেজিস্ট্রি পর্যন্ত করে দেন। মূলত তারই পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসীদের দীর্ঘ প্রত্যাশিত বৈদ্যুতিক চুল্লি তৈরির কাজ বাস্তবায়িত হতে চলেছে। চূর্ণি নদীর ধারে বৈদ্যুতিক চুল্লি তৈরির কাজ শুরু হতে চলেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, সাংসদ প্রতিশ্রুতি দেওয়ার তিনমাসের মধ্যে কাজ শুরু হওয়ায় খুব ভালো লাগছে।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, এই এলাকার মানুষের এটা দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। গত অগাস্ট মাসে তাঁদের দাবির বিষয়টি জানতে পারি। এরপরই আমি উদ্যোগী হয়ে ৪২ লক্ষ টাকা অনুমোদনের ব্যবস্থা করি। আসলে এই চুল্লিটি তৈরি হলে কৃষ্ণগঞ্জ, শিবনিবাস এলাকা ছাড়াও আশপাশের একাধিক গ্রামের বাসিন্দাদের শবদেহ দাহ করার ক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধা হবে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: সেইলের জমিতে উচ্ছেদের আগে দিতে হবে পুনর্বাসন, দাবি বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়ার

    Durgapur: সেইলের জমিতে উচ্ছেদের আগে দিতে হবে পুনর্বাসন, দাবি বিজেপি সাংসদ আলুওয়ালিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুটি ওয়ার্ডে সেইল-এর জমিতে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ নিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল দুর্গাপুর (Durgapur)। ঠিক তখন সাংবাদিক বৈঠকে দুর্গাপুরের ৩২ ও ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সেইল-এর জমিতে বসবাসকারীদের উচ্ছেদ নিয়ে মানুষের পাশেই থাকলেন বিজেপি সাংসদ এসএস আলুওয়ালিয়া। বিজেপি সাংসদ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করলে বুলডোজারের সামনে আমি রুখে দাঁড়াবো। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সেইল-এর অধীনস্থ দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা এবং মিশ্র ইস্পাত কারখানার জমি দখল করে বসবাসকারী মানুষদের উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়াতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    নিজের বাড়িতে (Durgapur) সাংবাদিক সম্মেলন

    সেইল উচ্ছেদের নোটিশ দিতেই পুনর্বাসবের দাবিতে দুর্গাপুরের ৩২ এবং ৩৩ নং ওয়ার্ডের মানুষ বিক্ষোভে নেমেছে। পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করা হলে রুখে দাঁড়ানোর বার্তা বিজেপি সাংসদ সুরেন্দ্রর সিং আলুওয়ালিয়ার। শনিবার সকালে দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে সাংসদ বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির সম্প্রসারণ করতে যেমন জমির প্রয়োজন, তেমনি ওই জমির উপর বসবাসকারী মানুষদের উচ্ছেদ করতে গেলে পুনর্বাসনের প্রয়োজন। পুনর্বাসন যতক্ষণ না দেওয়া হবে, ততক্ষণ জমি কেউ ছাড়বেন না। কেন্দ্রীয় সংস্থা উচ্ছেদ করতে গেলে বুলডোজারের সামনে দাঁড়িয়ে উচ্ছেদ রুখবো। দুর্গাপুর (Durgapur) থেকে কড়া হুঁশিয়ারি বিজেপি সাংসদের।

    আরও কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    এছাড়াও তিনি জানান, তিনি সাংসদ হওয়ার আগে দুর্গাপুর (Durgapur) ইস্পাত কারখানা অর্থাৎ সেইল-এর আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণ সমস্ত রাজনৈতিক দলই চেয়েছে, সাধারণ মানুষ চেয়েছে, আন্দোলন হয়েছে। কিন্তু ইস্পাত কারখানার সম্প্রসারণ তো আর হাওয়ায় হবে না, তার জন্য জমি দরকার। কিন্তু যাঁরা এত বছর ধরে বসবাস করছেন, তাঁদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা আগে করতে হবে এবং সেজন্য সবাইকে হাতে হাত মিলিয়ে একমত হতে হবে। কারণ  দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার সম্প্রসারণ হলে তাতে উৎপাদন যেমন বৃদ্ধি হবে, তেমন কর্মসংস্থানও বাড়বে। কিন্তু জমির জন্য তা করা যাচ্ছে না। তাই বসবাসকারীরা জমি ছেড়ে দিলে এই কারখানা আরও বৃহৎ আকার ধারণ করবে। তবে তার আগে পুনর্বাসন হওয়াটাও ভীষণভাবে জরুরি। যাঁরা এত বছর ধরে বসবাস করছেন, তাঁদের সঙ্গে তিনি রয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: “মোদিজিকে দেখে মমতাদির শেখা উচিত”, আমতা ঘুরে মন্তব্য বিজেপির মহিলা সাংসদদের

    Howrah: “মোদিজিকে দেখে মমতাদির শেখা উচিত”, আমতা ঘুরে মন্তব্য বিজেপির মহিলা সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে মহিলাদের উপর হিংসার তথ্য নিতে উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার পর এবার হাওড়ার আমতা (Howrah)। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এখানে ভোটের পর ব্যাপক সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠেছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ঘরবাড়ি। রেহাই পাননি মহিলারাও। এদিন ওই গ্রামে পৌঁছে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বললেন বিজেপির মহিলা তথ্যানুসন্ধান দলের পাঁচ সাংসদ। উল্লেখ্য, শুধু আমতা নয়, পঞ্চায়েত ভোটের পরে গোটা হাওড়া জেলা জুড়েই বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটছে। এমনকী বিজেপি কর্মীদের বাড়িঘর পুড়িয়ে তাদের এলাকা ছাড়া করারও অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধে।

    কী বললেন দলের প্রতিনিধিরা (Howrah)?

    এইসব জিনিস খতিয়ে দেখতে আজ বুধবার সকালে আমতায় (Howrah) যান রমা দেবী, কবিতা পাতিদার, অপরাজিতা ষড়ঙ্গী, সন্ধ্যা রায় এবং সরোজ পাণ্ডে। উপদ্রুত এলাকা ঘুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন কমিটির সদস্যারা। তাঁরা জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজিকে দেখে মমতাদির শেখা উচিত, কীভাবে গ্রামীণ গরিব মানুষদের উন্নয়ন করেছেন তিনি। কীভাবে তাঁদের রুজি রোজগারের উপায় করেছেন। কীভাবে বাড়িঘর, পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আর এখানে গরিব মানুষদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মহিলারাও আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না। তাঁদের  অভিযোগ, বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটের নামে কেবল হিংসা হয়েছে। বিরোধী রাজনীতি করলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর ধেয়ে আসছে আক্রমণ। শুধু ওই ব্যক্তিই নয়, তাঁর পরিবারের উপরও হিংসার আঁচ এসে পড়ছে। তাঁদের বাড়িতে আগুন ধরানো হচ্ছে। মহিলাদের হেনস্থা করা হচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেখানে এক জন মহিলা, সেখানে এমন ঘটনা একেবারেই অনভিপ্রেত বলে কটাক্ষ করেছে এই তথ্যানুসন্ধান দল। এদিন প্রতিনিধিদলের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নির্যাতিতা মহিলারা।

    রিপোর্ট দেবেন নাড্ডাকে

    তাঁরা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঙ্গালুরু গিয়ে ইন্ডিয়ার কথা বলছেন। অথচ তাঁর প্রদেশে (Howrah) কী ঘটছে, তা তিনি চোখে পটি বেঁধে আছেন না দেখার জন্য। দলের সদস্যেরা জানিয়েছেন, দিল্লি ফিরে গিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডাকে এ নিয়ে রিপোর্ট দেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share