Tag: BJP Rally

BJP Rally

  • Mithun Chakraborty: “ভাগীরথীতে ফেলব না, কেটে মাটিতে পুঁতে দেব”, কাদের উদ্দেশে বললেন মিঠুন?

    Mithun Chakraborty: “ভাগীরথীতে ফেলব না, কেটে মাটিতে পুঁতে দেব”, কাদের উদ্দেশে বললেন মিঠুন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এখন আমি বলছি আমরা তাদের কেটে মাটিতে পুঁতে দেব।” এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির (BJP Rally) তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সদস্য সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচিতে যোগ দিতে কলকাতায় এসেছেন মিঠুন। তখনই নিশানা করেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবিরকে।

    কী বলেছিলেন হুমায়ুন

    লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে হুমায়ুন বলেছিলেন, আপনারা এখানে ৩০ শতাংশ। কিন্তু আমরা ৭০ শতাংশ… যদি আপনারা মনে করেন যে মসজিদ ধ্বংস করবেন আর মুসলিমরা চুপচাপ বসে থাকবে… তাহলে ভুল করবেন। আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব যদি আপনাদের ভগীরথীতে ডোবাতে না পারি…।

    মিঠুনের পাল্টা জবাব

    এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে বিজেপির তারকা নেতা বলেন, “একজন নেতা (পড়ুন হুমায়ুন) বলছেন এখানে ৭০ শতাংশ মুসলমান ও ৩০ শতাংশ হিন্দু রয়েছে। তিনি তাঁদের কেটে ভাগীরথীতে ফেলে দেবেন…আমি ভেবেছিলাম মুখ্যমন্ত্রী (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) কিছু বলবেন। তিনি কিছু বলেননি…তাই এখন আমি বলছি, আমরা তাদের কেটে মাটিতে পুঁতে দেব।” মিঠুন বলেন, “আমি বলছি আমরা তোমাদের কেটে টুকরো টুকরো করব। তোমাদের ভগীরথীতে ফেলব না। কারণ তিনি আমাদের মা। কিন্তু আমরা তোমাদের মাটিতে পুঁতে দেব।” আগামী মাসেই রাজ্যের পাঁচ জেলার ৬টি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন রয়েছে। তার আগে মিঠুনের (Mithun Chakraborty) এহেন মন্তব্যে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি।

    আরও পড়ুন: ঝাড়খণ্ডে বিজেপির তারকা প্রচারকের তালিকায় মোদি-শাহ-আদিত্যনাথের সঙ্গে শুভেন্দুও

    মিঠুন বলেন, “আমি মুখ্যমন্ত্রী নই… কিন্তু আমি বলছি, আমরা বাংলার মসনদ জয়ের জন্য যে কোনও কিছু করব… ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর এ রাজ্য বিজেপির হবে।” রাজ্যের শাসক দলকে সতর্ক করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি বারবার বলছি… আমরা যে কোনও কিছু করব (২০২৬ সালের নির্বাচন জেতার জন্য)… যে কোনও কিছু। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজির সামনে বসেই এটা বলছি – আমরা যে কোনও কিছু করব।” এই বিজেপি নেতার অভিযোগ, বাংলার রাজ্য সরকার হিন্দু সম্প্রদায়কে ভোট দিতে দেয় না। বিজেপি (BJP Rally) কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে মিঠুন (Mithun Chakraborty) বলেন, “আমরা সেই সব লোককে চাই, যাঁরা লড়াই করতে পারবেন…যাঁরা দাঁড়িয়ে বলতে পারবেন, গুলি করো…আমায় দেখতে দাও কত বুলেট তোমাদের আছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta HighCourt: মিলল হাইকোর্টের অনুমতি, বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবার পথে নামছে বিজেপি

    Calcutta HighCourt: মিলল হাইকোর্টের অনুমতি, বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবার পথে নামছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিজেপির মিছিলে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta HighCourt)। রাজ্যের সর্বত্র অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির অভিযোগ উঠছে। এর প্রতিবাদে মিছিলের কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। সেই কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি না পেয়ে, হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তারা। এদিন শুনানি পর্বে, আদালত শর্ত সাপেক্ষে বিজেপিকে প্রতিবাদ মিছিলের (BJP Rally) নির্দেশ দেয়। 

    কবে, কোথায় হবে এই প্রতিবাদ মিছিল? (BJP Rally) 

    শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় কর্মসূচির দিন এবং সময় জানিয়েছে আদালত। আগামী ২৬ জুলাই কর্মসূচির দিন ধার্য করা হয়েছে। আদালত (Calcutta HighCourt) তরফে বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থা সিইএসসির দফতর কলকাতার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ধর্নার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দুপুর ২.৩০ থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা ধর্নায় বসা যাবে সেখানে। সেই সঙ্গে মিছিলও করতে পারবেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির মুরলীধর সেন লেনের দফতর থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ।

    আরও পড়ুন: মাইক্রোসফ্‌টের সমস্যায় বিশ্ব জুড়ে ব্যাহত বিমান পরিষেবা, ব্যাঙ্ক ও শেয়ার বাজার

    কর্মসূচির জন্য মানতে হবে বেশ কিছু শর্ত

    তবে আদালত (Calcutta HighCourt) তরফে বিজেপির এই কর্মসূচির জন্য বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচির আয়োজন করতে বলেছে আদালত। এক হাজারের বেশি মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না। কর্মসূচিতে এমন কিছু করা যাবে না, যাতে সাধারণ মানুষের ক্ষতি হয়। বিজেপির এই কর্মসূচিতে নিরাপত্তা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনের জন্য কলকাতার যুগ্ম সচিবকে নির্দেশও দিয়েছে আদালত। 
    উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে বিদ্যুতের বিল অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। যার জেরে নাভিশ্বাস উঠছে আমজনতার। অনেকে বলছেন, গ্রীষ্মকালে সারা দিন বাতানুকূল যন্ত্র চালিয়ে রেখেও যে বিল দিতে হয়নি, তা এখন দিতে হচ্ছে। ফলে চড়া হারে বর্ধিত বিলের প্রতিবাদেই এবার পথে (BJP Rally) নামতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: “উল্টে ঝুলিয়ে এমন শাস্তি দিতাম, দাঙ্গার কথা ভাবতে পারত না”, কড়া বার্তা যোগীর

    Yogi Adityanath: “উল্টে ঝুলিয়ে এমন শাস্তি দিতাম, দাঙ্গার কথা ভাবতে পারত না”, কড়া বার্তা যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম নবমীর দিন মুর্শিদাবাদের বহরমপুর লোকসভার শক্তিপুরে রামভক্তদের ওপর দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছিল। বাড়িঘর ভাঙচুরের পাশাপাশি দোকান লুট করেছিল। বোমাবাজি করেছিল এলাকায়। এলাকায় দাঙ্গার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। এবার সেই শক্তিপুরের প্রতাপ সিংহের মাঠে জনসভায় বিজেপি প্রার্থী নির্মল সাহার সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দাঙ্গাকারীদের কড়া বার্তা দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)।

    দাঙ্গাকারীদের কড়া বার্তা (Yogi Adityanath)

    মঙ্গলবার জনসভা থেকে যোগী (Yogi Adityanath) বলেন, সাত বছর আগে উত্তরপ্রদেশের হাল বাংলার মতোই ছিল। আমি আসার পর সব ঠিক করে দিয়েছি। আর সেখানে রাম নবমীতে কোনও দাঙ্গা হয় না। কার্ফু লাগাতে হয় না। এখানে এসে শুনলাম রাম নবমীর দিন হামলা হয়েছিল।  আমার উত্তরপ্রদেশ হলে দাঙ্গাকারীদের উল্টে ঝুলিয়ে এমন শাস্তি দিতাম, আগামী সাত প্রজন্ম দাঙ্গার কথা ভাবতে পারত না। উত্তরপ্রদেশে আমি আসার আগে মাফিয়া রাজ চলত। আজ সেগুলি অতীত, আমি আজ এখানে এসেছি এটাই বলতে বাংলার এই দাঙ্গা, যে বাংলা রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা, যে বাংলায় সম্প্রীতির বাংলা সেই বাংলায় কেন আজ এত দাঙ্গা, অবিলম্বে এই দাঙ্গা বন্ধ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    সোনার বাংলা হবে

    যোগী (Yogi Adityanath) আরও বলেন, এই বাংলার সন্তান স্বামী বিবেকানন্দ। তিনি বলেছিলেন, গর্ব করে বলো আমি হিন্দু। আর আজ সেই বাংলাকে  হিন্দু বিহীন করার চক্রান্ত চলছে। এই বাংলায় আজ কংগ্রেস, তৃণমূল নাটক শুরু করেছে। আর বাংলার বাইরে গিয়ে তারা এক হচ্ছে। এদেরকে চিনে রাখুন নাহলে সমূহ বিপদ। যদি উত্তরপ্রদেশের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করতে পারে, কেন এই বাংলায় মানুষের মধ্যে এত বিরোধ। বাংলাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি লুণ্ঠনকারীদের হাত থেকে আপনারা সবাই বাঁচান এবং মানুষ আজ যেভাবে উত্তরপ্রদেশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলছে, আমি কথা দিচ্ছি এই বাংলায় কোনও দাঙ্গা হবে না বাংলা আবার তার পুরনো সংস্কৃতি ফিরে পাবে। সোনার বাংলা হবে।

    কেন্দ্রের সব সুবিধা পায় উত্তরপ্রদেশ, বাংলা কেন বঞ্চিত?

    তিনি (Yogi Adityanath) আরও বলেন, এই বাংলা সংস্কৃতি এবং সভ্যতার এক নতুন দিশা দেখিয়েছিল। ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এক নতুন আলো দেখাচ্ছিল। আজ সেই বাংলার কেন দিশাহীন  অবস্থা? যে বাংলায় মা দুর্গার পুজো হয়, সেই বাংলায় কী করে সন্দেশখালির মত ঘটনা ঘটে, সে প্রশ্ন আমি আজ বহরমপুর থেকে বাংলার সরকারের কাছে রাখছি। তিনি বলেন, কংগ্রেস এবং তৃণমূল এই দুজনেই এক থালায় খাওয়া লোক। এই দুই দল বাংলাকে লুটার জন্য, আর ভারতকে বদনামের জন্য এক। কেন্দ্রের সমস্ত পরিষেবা ইউপি সরকার পাচ্ছে বাংলায় তা পাঠানো সত্ত্বেও কেন বাংলার মানুষ আজ বঞ্চিত হচ্ছে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে শুভেন্দুর সভা

    Suvendu Adhikari: ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে শুভেন্দুর সভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান গ্রেপ্তার হওয়ার খুশিতে সন্দেশখালির সরবেড়িয়া বাজার, শেখ শাহজাহান মার্কেটসহ একাধিক জায়গায় মিষ্টি বিতরণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আগামী ১০ মার্চ তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের দিনেই সন্দেশখালিতে বিশেষ সভা করবেন তিনি। সেই সঙ্গে বলেন, “পুলিশ যদি সভার অনুমতি না দেয় তাহলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হব।” রেশন দুর্নীতি, জোর করে জমি দখল এবং হিন্দু মহিলাদের বাড়ি থেকে পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে যৌননির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানের পুলিশি গ্রেফতারে  তীব্র শোরগোল পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

    হাইকোর্টের অনুমতিতে ফের সন্দেশখালিতে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    আগামী ১০ মার্চ সন্দেশখালি-মিনাখাঁ বিধানসভায় দুটি জায়গায়কে ঠিক করেছে নিজেপি। সকাল ১০টায় এই সভা হবে বলে জানানো হয়েছে। আজ কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্দেশখালির জেলিয়াখালিতে গিয়েছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। রাস্তায় রামপুর ফেরিঘাট থেকে লঞ্চে করে সন্দেশখালি বাজারে পৌঁছান তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এবং অর্চনা মজুমদার। তিনি পৌঁছে হালদার পাড়া সহ একাধিক জায়গায় পরিদর্শন করে মানুষের অভাব, অভিযোগের কথা শুনেছেন। সেই সঙ্গে এলাকার মানুষ শঙ্খ, উলু ধ্বনি, এবং পুষ্প বর্ষণ করে গ্রামের মহিলারা বরণ করে নেন। বেশ কিছু জায়গায় পায়ে হেঁটে আবার টোটোতে চেপে ঘুরে দেখেন তিনি। এর মধ্যেই সাংবাদিকদের সঙ্গে নানা বিষয়ে কথা বলেন।

    কী বললেন শুভেন্দু?

    আজ বৃহস্পতিবার সন্দেশখালিতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “একজন বলেছিলেন সন্দেশখালিতে এলে আমার ছাল আর চামড়া ছাড়িয়ে নেবেন। তাই আজ এসে মিষ্টি খেয়ে গেলাম। জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমি বাড়িতে বসে থাকতে পারিনা। মানুষ নিজের উপর তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে ন্যায় বিচার চাইছে। তাই মানুষের দাবিকে সমানে রেখে আমাদের আন্দোলন চলবে। মানুষ অত্যন্ত দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন, দোষীদের শাস্তি হবে তো? বিচার পাবো তো? ফের এলাকায় ফিরে এসে শাহজাহান অত্যাচার করবে না তো। তাই মানুষকে ভয় মুক্ত করা আমাদের একমাত্র কাজ। সন্দেশখালি এবং মিনাখাঁ এই দুই বিধানসভাকে নিয়ে আমরা ৩০ হাজারের মানুষের সভা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Rally: শাহি সভায় হাজির হতে সকাল থেকেই কর্মীদের ভিড়ে উপচে পড়ল ট্রেন

    BJP Rally: শাহি সভায় হাজির হতে সকাল থেকেই কর্মীদের ভিড়ে উপচে পড়ল ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মতলায় শাহি সভায় (BJP Rally) যোগ দিতে মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গের নেতা-কর্মীরা ট্রেনে আসতে শুরু করেন। বুধবার সকাল থেকে হাওড়া, শিয়ালদা স্টেশনে বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব ক্যাম্প করে দলীয় কর্মীদের সুষ্ঠুভাবে সভায় পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন। পাশাপাশি এদিন সকাল থেকে বর্ধমান, আসানসোল, দুর্গাপুর, কৃষ্ণনগর সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি থেকে কর্মীরা ট্রেনে করে সভায় হাজির হয়েছেন।

    আসানসোল, দুর্গাপুর থেকে সকালের ট্রেনেই কর্মীদের ভিড় (BJP Rally)

    এদিন সকালে আসানসোল স্টেশনে আসানসোলের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বাপ্পা চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কয়েকশো কর্মী-সমর্থক ট্রেনে করে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন। আসানসোল শিল্পাঞ্চল ও দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল থেকে সকালের ট্রেনগুলিতে কয়েক হাজার কর্মী, সমর্থক কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় বলেন, দলীয় কর্মীরা মিছিল করে স্টেশনে জমায়েত হন। ভোর থেকে কর্মীরা ট্রেনে করে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন। বেলা যত গড়িয়েছে সভায় (BJP Rally) যাওয়ার জন্য ট্রেনে কর্মীদের ভিড় বেড়়েছে।

    বর্ধমানে তৃণমূলীদের বাধার মুখে বিজেপি কর্মীরা

    এদিন সকাল থেকেই বর্ধমান শহরে দলে দলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা সভার উদ্দেশে (BJP Rally) যেতে শুরু করেছেন। পূর্ব বর্ধমান জেলা সহ বর্ধমান শহর থেকে ট্রেন ও বাসে করে যাচ্ছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। বিজেপির দলীয় পতাকা নিয়ে দফায় দফায় বিজেপি কর্মীদের ট্রেনে চাপতে দেখা গিয়েছে বর্ধমান স্টেশনে। জেলা বিজেপির নেতা মনোজ মাহাত বলেন, এদিন সকাল ৬.১৫ মিনিট নাগাদ কর্মীরা ট্রেনে করে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন। ট্রেনপথে কোনও বাধা আমাদের আসেনি। তবে, বাসপথে দলীয় কর্মীদের বহু জায়গায় তৃণমূল বাধা দিচ্ছে। তবে, অনেক জায়গায় তৃণমূলের শত বাধা পেরিয়ে কর্মীরা সভার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। বেলা সাড়ে দশটার ট্রেনেও হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক সভার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

    ট্রেনে আসা কর্মীদের ভিড়ে কলকাতার রাজপথ জনপ্লাবন

    বারাকপুর, বারাসত, বনগাঁ, চুঁচুড়া, কৃষ্ণনগর, গেদে, বহরমপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর সহ আশপাশের এলাকা থেকে এদিন সকালের ট্রেনগুলিতে কর্মীদের ভি়ড় উপচে পড়ে। অধিকাংশ ট্রেনেই হাজার হাজার কর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। সকাল থেকেই হাওড়া এবং শিয়ালদা স্টেশন কর্মীদের ভিড়ে কলকাতার রাজপথ জন প্লাবনের আকার নেয়। পাশাপাশি বাস, প্রাইভেট গাড়়ি করেও হাজার হাজার কর্মীরা সভার উদ্দেশে রওনা হয়ে গিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Rally: ধর্মতলায় অমিত শাহের সভা, ট্রেনে-বাসে জেলা থেকে দলে দলে আসছেন বিজেপি কর্মীরা

    BJP Rally: ধর্মতলায় অমিত শাহের সভা, ট্রেনে-বাসে জেলা থেকে দলে দলে আসছেন বিজেপি কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল কলকাতার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বিজেপির (BJP Rally) বিক্ষোভসভা। সভায় যোগদান করবেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যদিও এই সভায় প্রথমে রাজ্য প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। পরবর্তীকালে হাইকোর্টে মামলা হয় এবং বিচারপতির নির্দেশে এই সভার অনুমতি মেলে। বিজেপির এই সভার মূল উদ্দেশ্য হল রাজ্য জুড়ে চলা তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। সেই সঙ্গে কেন্দ্র সরকারের প্রকল্পের সুবিধাকে কার্যকর না করে সাধারণ মানুষকে প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদসভা। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রত্যেক জেলা থেকে আসবেন বিজেপি কর্মীরা। উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণবঙ্গ থেকে আসবে বিশেষ ট্রেন। জমায়েত হবেন লক্ষ লক্ষ বিজেপি কর্মী।

    উত্তরবঙ্গ থেকে আসবে বিশেষ ট্রেন (BJP Rally)

    উত্তরবঙ্গের বিজেপি কর্মীদের আনার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে একাধিক ট্রেনের। মঙ্গলবার রাতে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে একটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই ট্রেনে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং এবং উত্তর দিনাজপুর থেকে দলে দলে বিজেপি কর্মীরা কলকাতার সভায় যোগদান করবেন। এদিন রাতেই মালদা থেকে আরও একটি ট্রেন বিজেপি (BJP rally) কর্মীদের নিয়ে আসবে। এই ট্রেনে দক্ষিণ মালদা, উত্তর মালদার সাংগঠনিক কার্যকর্তা এবং কর্মীরা আসবেন বলে জানা গিয়েছে। সাড়ে চার হাজার কার্যকর্তা এই ট্রেনে আসবেন বলে জানা গিয়েছে। ট্রেনে মোট ২২টি বগি থাকবে। মালদা থেকে ট্রেনটি ফরাক্কা হয়ে একে একে জঙ্গিপুর, আজিমগঞ্জ, কাটোয়া, ব্যান্ডেল, নৈহাটি হয়ে শিয়ালদা স্টেশনে পৌঁছবে ভোর পাঁচটায়। পাশাপাশি, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট থেকে মঙ্গলবার রাত দশটায় একটি স্পেশাল ট্রেন ছাড়া হবে। ট্রেনটি গঙ্গারামপুর, গাজোল, মালদা, আজিমগঞ্জ কাটোয়া, ব্যান্ডেল, নৈহাটি হয়ে ভোর ছ’টায় শিয়ালদা স্টেশনে পৌঁছাবে। এই ট্রেনে আসবেন বিজেপির(BJP Rally) বুথ, মণ্ডল এবং জেলাস্তরের অসংখ্য কর্মী।

    দক্ষিণবঙ্গেও ব্যবস্থা করা হয়েছে ট্রেনের

    উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া, আসানসোল, নদিয়া থেকে একটি করে ট্রেনে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে আসা হবে। এছাড়াও মেদিনীপুর থেকে ২টি বিশেষ ট্রেনে বিজেপি (BJP Rally) সমর্থকরা কলকাতায় পৌঁছবেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর, বীরভূমের বোলপুর থেকে একটি পৃথক ট্রেনে করে গেরুয়া সমর্থকরা আসবেন বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কলকাতা সংলগ্ন শহর-শহরতলি থেকে বহু বাস, লরি, ম্যাটাডোর ভাড়া করা হয়েছে। আসবেন লক্ষ লক্ষ বিজেপির কর্মী সমর্থরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Rally: ‘‘গেরুয়া সুনামি দেখবে শহরবাসী’’, বুধবারের শাহি-সভা নিয়ে প্রত্যয়ী সুকান্ত

    BJP Rally: ‘‘গেরুয়া সুনামি দেখবে শহরবাসী’’, বুধবারের শাহি-সভা নিয়ে প্রত্যয়ী সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন’বছর বাদে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে সভা করতে চলেছে বিজেপি (BJP Rally)। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ‘ওয়ার্মআপ’ জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। ধর্মতলায় চলছে মঞ্চ বাঁধার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সভাস্থলের কাজ খতিয়ে দেখতে সেখানে রয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    ‘শাহি’ সমাবেশ

    সভায় বঞ্চিতদের নিয়ে আসতে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় একাধিক সভা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সভাস্থল পরিদর্শনে এসে সুকান্ত বলেন, “বুধবার গেরুয়া সুনামি দেখতে চলেছেন রাজ্যবাসী।” ওয়াই চ্যানেলের সামনে এর আগে ‘শাহি’ সমাবেশ হয়েছে ২০১৪ সালে। তবে তখন অমিত শাহ ছিলেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি। সেই সভায়ও তিনি আক্রমণ শানিয়েছিলেন তৃণমূলকে। সেবারও ইস্যু ছিল তৃণমূলের দুর্নীতি। এই ন’ বছরে গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। রাজ্যে পায়ের নিচের মাটি শক্ত করেছে বিজেপি।

    কলঙ্কের কালি তৃণমূলের গায়ে 

    ইতিমধ্যেই রাজ্যের শাসক দলের গায়ে লেগেছে একাধিক কলঙ্কের কালি। এর মধ্যে যেমন রয়েছে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, তেমনি রয়েছে রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারি। কয়লা ও গরু পাচারের আঁশটে গন্ধও লেগেছে তৃণমূলের গায়ে। এহেন আবহে রাজ্যে আসতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপির (BJP Rally) রাজ্য সভাপতি বলেন, “এই সরকারের দুর্নীতির শেষ নেই। চাল চুরি, একশো দিনের কাজ থেকে শুরু করে কয়লা চুরি, সব কিছুই দেখেছেন রাজ্যবাসী। শিক্ষিত ছেলেদের চাকরি নেই। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি দেওয়া হয়েছে এলাকার তৃণমূল কর্মীদের। বিজেপি কর্মীদের সব কিছু থেকে ব্রাত্য করা হচ্ছে। এই অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধেই আগামিকাল আমাদের সমাবেশ।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘কালীঘাটের কাকুর নামে কুন্তল আমার কাছ থেকে টাকা তুলত’’, ফের মুখ খুললেন তাপস

    বিজেপি সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই কলকাতায় আসতে শুরু করেছেন দলীয় কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিতরা। সুকান্ত বলেন, “গেরুয়া সমর্থকরা ইতিমধ্যেই জেলা থেকে রওনা দিয়ে দিয়েছেন। আজ (মঙ্গলবার) রাতেও অনেকে চলে আসবেন। আগামিকাল রাজপথে গেরুয়া সুনামি দেখতে চলেছেন শহরবাসী। স্তব্ধ হয়ে যাবে গোটা কলকাতা।” তিনি বলেন, “আগেরবার নবান্ন অভিযানে গিয়ে আমরা বাধার সম্মুখীন হয়েছিলাম। এবার যদি ফের পুলিশ বাধা দেয়, তবে তা হবে আদালত অবমাননার শামিল। আমাদের কর্মীরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। যদি কাল কিছু হয়, তাহলে আমরাও প্রতিবাদ জানাব (BJP Rally)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sukanta Majumder: “ঝান্ডা আর ডাণ্ডাকে ঠান্ডা করবে বিজেপি”, শাহি-মঞ্চে বার্তা সুকান্তর

    Sukanta Majumder: “ঝান্ডা আর ডাণ্ডাকে ঠান্ডা করবে বিজেপি”, শাহি-মঞ্চে বার্তা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ঝান্ডা আর ডাণ্ডাকে ঠান্ডা করবে বিজেপি।” বুধ-দুপুরে ‘শাহি’ মঞ্চে কথাগুলি বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে এদিন সভা ছিল বিজেপির। সভার প্রধান আকর্ষণ ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    ঠিক কী বললেন সুকান্ত?

    শাহি-ভাষণের আগে বক্তব্য রাখতে ওঠেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, “অমিত শাহের ভয়ে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর ভাইপো। ভয় পাচ্ছেন। ভাবছেন, ধরে নিয়ে যাবে। পুলিশ-প্রশাসন বাধা দিয়েছে। এদের চিনে রাখুন। ঝান্ডা আর ডাণ্ডাকে ঠান্ডা করবে বিজেপি। লোকসভা নির্বাচনে অমিত শাহের ৩৫ লক্ষ্যমাত্রা পার করব। এই বার, ৩৫ পার।” সুকান্ত (Sukanta Majumder) বলেন, “আগামী লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৪২টি আসনের মধ্যে ৩৫টি জিতবে বিজেপি। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ফের কেন্দ্রে সরকার গড়বে বিজেপি। ২০২৬ সালে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনেও এ রাজ্যের ক্ষমতায় আসবে বিজেপি।”

    শাহি-বচন 

    বাংলায় বিজেপি সরকার গড়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি বলেন, “২০২৬ সালে বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ রাজ্যে সিএএ চালু হবে। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার সিএএ চালু করতে চাইলেও, তৃণমূল সরকার তা করতে দিচ্ছে না।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভোট-হিংসা সব চেয়ে বেশি হয় বাংলায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে পারেননি। যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুপ্রবেশ রুখতে পার্লামেন্ট চলতে দেননি, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড করে দিচ্ছেন। বাংলায় অনুপ্রবেশকারীদের আধার কার্ড করে দেওয়া হচ্ছে। তাও আবার রীতিমতো সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিয়ে।”

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের ‘নিস্তরঙ্গ’ আন্দোলনে ‘সুনামি’ আনলেন শুভেন্দু, দিলেন “মমতা চোর” স্লোগানও

    বিজেপির সেকেন্ড-ইন-কমান্ড বলেন, “এক সময় যে বাংলায় রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনা যেত, এখন সেখানে কেবলই শোনা যায় বোমার শব্দ। আমি গুজরাটে কোনও নেতার বাড়ি থেকে এত টাকা উদ্ধার হতে দেখিনি। যে বাংলা এক সময় গোটা দেশকে নেতৃত্ব দিত, সেই বাংলাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন দিদি।” তিনি বলেন, “মোদিজির পাঠানো টাকা আত্মসাৎ করেছে তৃণমূলের সিন্ডিকেট। বিজেপি কর্মীদের খুন করেছেন। ভোট দিয়ে বিজেপি কর্মীরা বদলা নেবেন এই প্রতিটি রাজনৈতিক হত্যার।” শাহ বলেন, “মোদিজিকে উন্নয়ন করতে (Sukanta Majumder) দিচ্ছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Suvendu Adhikari: তৃণমূলের ‘নিস্তরঙ্গ’ আন্দোলনে ‘সুনামি’ আনলেন শুভেন্দু, দিলেন “মমতা চোর” স্লোগানও

    Suvendu Adhikari: তৃণমূলের ‘নিস্তরঙ্গ’ আন্দোলনে ‘সুনামি’ আনলেন শুভেন্দু, দিলেন “মমতা চোর” স্লোগানও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে যখন সরগরম বিজেপির ধর্মতলার সভামঞ্চ, ঠিক তখনই রাজ্যবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বিধানসভা চত্বরে ধরনায় বসল তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ আবার কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে। তৃণমূলের এই ‘নিস্তরঙ্গ’আন্দোলনে ‘সুনামি’আনলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ধর্মতলার সভা শেষ করে তিনি সটান চলে যান বিধানসভা চত্বরে। সেখানে ঢুকেই ‘মমতা চোর’স্লোগান দিতে থাকেন।

    বিজেপির সভা

    বিস্তর কাঠখড় পোড়ানোর পরে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে সভা করে বিজেপি। সভামঞ্চ আলোকিত করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বঙ্গ বিজেপির একঝাঁক নেতার উপস্থিতিও জৌলুস বাড়িয়েছিল পদ্ম-সভার। বিজেপির এই সভার উদ্দেশ্য ছিল, কীভাবে তৃণমূল বিরোধী মানুষদের বঞ্চিত করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা থেকে। কীভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা লুটেপুটে খেয়েছেন তৃণমূলের এক শ্রেণির নেতা-কর্মী। সভা উপলক্ষে এদিন আক্ষরিক অর্থেই যখন অল রোডস লিড টু ধর্মতলা, ঠিক তখনই কালো পোশাক পরে শাসক দলের বিধায়করা বসেছিলেন বিধানসভা চত্বরের ধর্নায়। ধর্নায় যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তবে তাতে যে আদতে বিশেষ লাভ হয়েছে, তা মনে করছেন না রাজনীতির কারবারিরাও। তাঁদের মতে, এদিন তামাম রাজ্যের ফোকাসে ছিলেন অমিত শাহ। তিনিই কেড়ে নিয়েছিলেন প্রচারের (Suvendu Adhikari) সবটুকু আলো। তাই হালে পানি পাননি মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা।

    শুভেন্দুর আগমনে উঠল ঢেউ 

    এই ধর্নায়ই অবশ্য হাজার ক্যামেরার ফ্ল্যাশ বাল্ব ঝলসে উঠল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আগমনের পর। সভা শেষের পর দলীয় বিধায়কদের নিয়ে ‘জায়ান্ট কিলার’ (নন্দীগ্রামে তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পর রাজ্যবাসী তাঁকে চেনেন এই নামেই) চলে আসেন বিধানসভা চত্বরে। ‘চোর’, ‘চোর’স্লোগান দিতে দিতে তিনি চলে আসেন নাট্য-রঙ্গের মূল দৃশ্যে। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘চোর’, ‘চোর’, ‘মমতা চোর’। ‘চাকরি চোর মমতা’, ‘ডিএ চোর মমতা’। তাঁর সতীর্থরা ধ্বনি দিতে থাকেন, ‘চোর ধরো, জেল ভরো’। পরে বিধানসভার প্রধান প্রবেশদ্বারের মুখে বসে পড়েন গেরুয়া বিধায়করা। পদ্ম ও ঘাসফুল শিবিরের স্লোগান ও পাল্টা স্লোগানে সরগরম বিধানসভা চত্বর। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এই সরকার চোর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চোর। তিনিই সব দুর্নীতির মাথা। আমরা তাঁর শাস্তি চাই।”

    আরও পড়ুুন: “কোটি কোটি টাকা পাঠাচ্ছে কেন্দ্র, লুটছে তৃণমূলের সিন্ডিকেট-রাজ, বঞ্চিত গরিবরা”, তোপ শাহের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     
  • Amit Shah: “কোটি কোটি টাকা পাঠাচ্ছে কেন্দ্র, লুটছে তৃণমূলের সিন্ডিকেট-রাজ, বঞ্চিত গরিবরা”, তোপ শাহের

    Amit Shah: “কোটি কোটি টাকা পাঠাচ্ছে কেন্দ্র, লুটছে তৃণমূলের সিন্ডিকেট-রাজ, বঞ্চিত গরিবরা”, তোপ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলার জন্য কোটি কোটি টাকা পাঠাচ্ছেন মোদিজি। কিন্তু তৃণমূলের সিন্ডিকেট রাজের জন্য সেই টাকা পৌঁছচ্ছে না বাংলার গরিব মানুষের ঘরে।” বুধ-দুপুরে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে বিজেপির সভায় কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মোদি সরকার দেশকে কী কী দিয়েছে, এদিন তারও ফিরিস্তি দেন শাহ। বলেন, “গোটা দেশে মোদিজি কীভাবে বিকাশ করছেন! গরিবদের জীবনে কত পরিবর্তন এসেছে। ওঁদের ঘর দিয়েছেন, শৌচালয় দিয়েছেন, জল দিয়েছেন। শৌচালয়ের সঙ্গে ৫ লক্ষের স্বাস্থ্যবীমাও দিয়েছেন। করোনা অতিমারি রুখতে গোটা দেশে টিকাকরণও করেছেন মোদিজি। গোটা দেশে সন্ত্রাসবাদও দমন করেছেন তিনি।”

    তৃণমূলের সিন্ডিকেট রাজ!

    বাংলার জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও, তৃণমূলের সিন্ডিকেট রাজের জন্য তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ শাহের। বলেন, “জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, অনুব্রত মণ্ডল, পার্থ চট্টোপাধ্যায গরু চুরি হোক বা কয়লা চুরি কিংবা নিয়োগ দুর্নীতি, বাংলার মানুষের টাকা এঁরা খেয়েছেন। মমতাজিকে বলছি, হিম্মত থাকলে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, অনুব্রত মণ্ডল, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড করে দেখান।”

    ‘শাহি’ পরিসংখ্যান 

    কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছ তৃণমূল। এদিন ওয়াই চ্যানেলের সভায় তারই জবাব দেন শাহ (Amit Shah)। রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি দেখিয়ে দেন, ১০ বছরের ইউপিএ জমানার চেয়ে ৯ বছরের বিজেপি আমলে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ঢের বেশি টাকা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস জমানার সরকার দিয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা। আর ন’ বছরে মোদি সরকার পাঠিয়েছে ৬ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা।” তিনি বলেন, “আমরা মমতাদির কাছে অনেকবার হিসেব চেয়েছি। উনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, মোদিজি বাংলার জন্য কী করেছেন? আমি হিসেব নিয়ে এসেছি। কান খুলে শুনন। যে ইউপিএ সরকারে আপনি মন্ত্রী ছিলেন, সমর্থন করেছেন, তারা বাংলাকে মাত্র ২ লক্ষ কোটি টাকা দিয়েছিল। আর মোদিজি দিয়েছেন ৬ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা।”

    আরও পড়ুুন: “সিএএ দেশের আইন, বাংলায় লাগু করবই”, ধর্মতলার সভা থেকে শাহি-বার্তা

    শাহ বলেন, “এছাড়াও আমরা এক লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছি। ইউপিএ সরকার ১৪ হাজার কোটি টাকা দিয়েছিল। মোদিজি দিয়েছেন ৫৪ হাজার কোটি টাকা। একশো দিনের কাজ সহ বিভিন্ন প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে এক লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা। জাতীয় সড়কের জন্য দেওয়া হয়েছে ৭০ হাজার কোটি টাকা। রেলে এবং বন্দরে দেওয়া হয়েছে যথাক্রমে ১৬ হাজার ও এক হাজার কোটি টাকা। সেচ খাতে দেওয়া হয়েছে তিন হাজার কোটি টাকা। সব মিলিয়ে আপনার ২ লক্ষ কোটি টাকার জায়গায় ভারতীয় জনতা পার্টি (Amit Shah) দিয়েছে ৮ লক্ষ কোটি টাকা।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

     

LinkedIn
Share