Tag: BJP Rally

BJP Rally

  • Nitin Nabin in Kolkata: ‘বাংলায় হেরে দিল্লিতে কাঁদছেন’, কলকাতায় দাঁড়িয়ে মমতাকে নিশানা! রাহুলকে বিদেশি শক্তির টুলকিট বললেন নবীন

    Nitin Nabin in Kolkata: ‘বাংলায় হেরে দিল্লিতে কাঁদছেন’, কলকাতায় দাঁড়িয়ে মমতাকে নিশানা! রাহুলকে বিদেশি শক্তির টুলকিট বললেন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ ইতিমধ্যেই পুরোপুরি মমতামুক্ত হয়েছে। নিজের রাজ্যে হারের ধাক্কা সামলাতে না পেরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এখন দিল্লিতে গিয়ে কান্নাকাটি করছেন। এবার দিল্লিকেও দ্রুত রাহুলমুক্ত করতে হবে। সোমবার শহর কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে একযোগে নিশানা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin in Kolkata)। এদিন নিতিন বলেন, ‘‘বাংলা বিজেপিময়, ৪ মে অরাজকতা শেষ হয়েছে। বাংলায় হেরে দিল্লিতে গিয়ে কাঁদছেন মমতা। বিরোধীদের কাছে ব্যক্তিস্বার্থ আগে, দেশ পরে। বিজেপির কাছে দেশ সবার প্রথমে, বাকি সব পরে। রাহুলের নেতৃত্বে দেশে অরাজকতার চেষ্টা করছে বিরোধীরা। গণতন্ত্র বাঁচানোই বিজেপির আসল উদ্দেশ্য। মমতা-মুক্ত বাংলা, এবার দিল্লি রাহুল-মুক্ত করব।’’

    ভোট বাঁচাও-এর পরিবর্তে গণতন্ত্র বাঁচাও

    রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তুলে ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও কর্মসূচি করেছিল ‘ইন্ডিয়া’ (INDI Alliance)। সোমবার তার পাল্টা কলকাতায় বিজেপির ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হঠাও’ পদযাত্রা ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল তৈরি হল। কলেজ স্ট্রিট থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin), রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। পদযাত্রা শেষে আয়োজিত জনসভা থেকে তৃণমূলের বিগত শাসনকাল, ও দিল্লিতে কংগ্রেস শাসনকে একযোগে নিশানা করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্ব। এই জনসভার মঞ্চ থেকে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার নিজস্ব রাজনৈতিক ব্যাখ্যা তুলে ধরে তৃণমূল ও বিরোধীদের তুলোধনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘‘বিরোধীদের কাছে এসআইআর যাই হোক না কেন, আমাদের কাছে এসআইআরের আসল অর্থ হল – অনুপ্রবেশকারী হঠাও, ভারত বাঁচাও।’’

    পরিবারতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে তোষণের রাজনীতি

    বিরোধী শিবিরকে তীব্র আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন, ‘‘দুর্নীতি ও জেলযাত্রা থেকে নিজেদের বাঁচাতে, পরিবারতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে এবং তোষণের রাজনীতিকে ব্যাকডোরে ফিরিয়ে আনতে যারা আজ একজোট হয়েছে, তাদের মনে করিয়ে দিই – ২০২৬ সালের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের জনগণ ২ কোটি ৯২ লক্ষ ভোট দিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টিকে নির্বাচিত করেছে। তাই তারা আজ বাংলায় অরাজকতা তৈরি করতে চাইছে।’’ এর পাশাপাশি দিমাগী নকশাল, জেহাদি, মাওবাদী, অরাজকতাবাদী ও ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দেন যে, আগামী কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নির্বাচনে ব্যালট বাক্সে বিরোধীদের এর উপযুক্ত জবাব বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

    পুরসভা ভোটে ট্রিপল ইঞ্জিন সরকারের বার্তা

    এদিনও পুরসভা ভোট প্রসঙ্গে ট্রিপল ইঞ্জিন সরকারের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার মানুষের উদ্দেশে তাঁর বার্তা ছিল, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উন্নয়নের মূলমন্ত্রে ভরসা রেখে আপনারা রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়েছিলেন। এবার মুখ্যমন্ত্রীর আর্জিতে আপনাদের পুরসভাগুলিতে ‘ট্রিপল ইঞ্জিন’ দিতে হবে। হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা আমাদের দিতে হবে, তবেই শহরের পরিকাঠামো ও নাগরিক পরিষেবায় আমূল পরিবর্তন সম্ভব হবে।’’

    বিদেশি শক্তির ইশারায় চলেন রাহুল

    মমতা-ইন্ডি জোটকে আক্রমণ করে এদিন নিতিন নবীন বলেন,‘‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কড়া জবাব দিয়েছে মমতাকে। বাংলার মানুষ মুক্তি পয়েছেন মমতার হাত থেকে। উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি গড়াগড়ি খাচ্ছে। রাহুল গান্ধী ভোটের আগে মমতার হয়ে বড় বড় কথা বলেছিল। এখন মমতা হেরে গিয়ে দিল্লিতে গিয়ে কাঁদছে। এখনও রাহুলকে পরামর্শ দিতে চাই। নিজেদের ব্যর্থতা থেকে শিখুন, না হলে দেশে আর কংগ্রেস থাকবে না। রাহুল শুধু নিজের পরিবারের কথা ভাবে। দুর্নীতি, তোষণ, পরিবারবাদ বাঁচাতে বিরোধীদের জোট। বিদেশি শক্তির ইশারায় চলেন রাহুল গান্ধী। ১৪০ কোটি জনতার কথা ভাবেন প্রধানমন্ত্রী। দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াবোই, পশ্চিমবঙ্গ থেকেও সরাব।’’

    তৃণমূলের গুন্ডাগিরি বন্ধ করে দিয়েছে শুভেন্দু

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা শোনা গেল বিজেপি সভাপতির গলায়। তিনি বলেন,‘‘অনুপ্রবেশকারী হঠাতে বিরোধীদের রামলীলা-যাত্রা। যখন কেউ মোদিজিকে অপমান করেন, মানুষ তখনই তাদের সরিয়ে দিয়েছে। বাংলায় রাম রাজ্য চলছে, কংগ্রেস, তৃণমূলকে দেখলেই দয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীকে বলব জান-প্রাণ দিয়ে লড়াই করুন। আপনি সরকার বানিয়েছেন বাংলার মানুষকে পরিষেবা দেবেন। রাজ্যের মানুষের জন্য কাজ করবেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২৯-এ ফের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। ২০২৯-লালকেল্লায় তিরঙ্গা উড়াবেন প্রধানমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গ থেকে তোলাবাজি সমাপ্ত, তোলাবাজি এখন তালাবন্ধ। তৃণমূলের গুন্ডাগিরি বন্ধ করে দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী।’’

    বাংলা এখন বিজেপিময়

    জাতীয় পতাকা হাতে কয়েকশো কর্মী-সমর্থক এদিন কলেজ স্কোয়ার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলে হাঁটেন। বিরোধী জোটের এসআইআর-বিরোধী আন্দোলনের পালটা হিসেবেই দেশজুড়ে এই কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এদিন বলেন, ‘‘বাংলা এখন বিজেপিময়, বাংলা এখন রামময়। বাংলায় রামরাজ্য ফিরে এসেছে।’’ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কঠোর অবস্থান এবং তাঁদের কোনও অধিকার না দেওয়ার নীতির কথা উল্লেখ করেন তিনি। বিজেপির বক্তব্য, ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অনুপ্রবেশের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

    রাহুল বিদেশি শক্তির টুলকিট

    ধর্মতলার সভা থেকে রাহুল গান্ধীকে সরাসরি নিশানা করেন নিতিন নবীন। তাঁর অভিযোগ, নেপাল-সহ ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তার নেপথ্যে থাকা শক্তিগুলির ‘টুলকিট’হিসেবে কাজ করছেন রাহুল। বিজেপি সভাপতির দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অরাজকতা তৈরির পিছনেও ওই শক্তিগুলির ভূমিকা রয়েছে। রাহুলের নেতৃত্বেই সেই শক্তিগুলি সক্রিয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলা ও বিহারের পর উত্তরপ্রদেশেও বিরোধী শিবিরের পতন নিশ্চিত। কংগ্রেসের অতীতের দুর্নীতির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। টুজি কেলেঙ্কারি-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের কথা উল্লেখ করে তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেসের পরাজয় থেকে রাহুল গান্ধীর শিক্ষা নেওয়া উচিত। ২০১৪ সালে দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্রসীমার বাইরে এসেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে নিতিন নবীনের বক্তব্য, নির্বাচনে পরাজয়ের দায় নির্বাচন কমিশনের উপর চাপিয়ে লাভ নেই। তাঁর প্রশ্ন, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণেই যদি বিরোধীরা হেরে থাকে, তা হলে কেরল ও তামিলনাড়ুতে তারা জয় পেল কী ভাবে? তাঁর দাবি, ভোটার তালিকায় অনুপ্রবেশকারীদের নাম থাকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রায় ছ’কোটি নামের মধ্যে তিন কোটি অনুপ্রবেশকারীর প্রভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    ২০২৯ সালে নরেন্দ্র মোদিই ক্ষমতায় থাকবেন

    কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন নীতিন নবীন। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কংগ্রেস নেতারা যখনই কটূক্তি করেছেন, তখনই দেশের মানুষ ভোটের মাধ্যমে তার জবাব দিয়েছেন। বিরোধীদের ২০২৯ সালের রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি । তাঁর দাবি, যারা বলছে ২০২৯ সালে মোদি আর ক্ষমতায় ফিরবেন না, তাদের জেনে রাখা উচিত, ওই নির্বাচনেও নরেন্দ্র মোদিই ফিরে আসবেন। বিজেপি সভাপতি আরও বলেন, বিরোধী দলগুলি ভোটের সময় সক্রিয় থাকলেও ভোট মিটে গেলে অনেক সময় জনজীবন থেকে উধাও হয়ে যায়। অন্য দিকে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা ২৪ ঘণ্টা মানুষের পাশে থেকে কাজ করেন বলে দাবি তাঁর ।

  • BJP: এসআইআর-বিরোধী আন্দোলনের পালটা কলকাতার রাজপথে বিজেপি, মিছিলে নীতিন নবীন-শুভেন্দু-শমীক

    BJP: এসআইআর-বিরোধী আন্দোলনের পালটা কলকাতার রাজপথে বিজেপি, মিছিলে নীতিন নবীন-শুভেন্দু-শমীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন) ঘিরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের লাগাতার আন্দোলনের পালটা এবার রাজপথে নামল বিজেপি (BJP)। সোমবার কলকাতায় ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ স্লোগান সামনে রেখে পদযাত্রা করে গেরুয়া শিবির। কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু হয়ে মিছিল শেষ হয় ধর্মতলায় গিয়ে। এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। তাঁর সঙ্গে মিছিলে হাঁটেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। জাতীয় পতাকা হাতে কয়েকশো দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকও এই পদযাত্রায় অংশ নেন (Kolkata Rally)।

    সোমবার বিকেলে কলকাতায় পৌঁছন নীতিন নবীন। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর দু’জনে কলেজ স্ট্রিটে পৌঁছন। তাঁদের ঘিরে তখন থেকেই এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে। নির্ধারিত সময়ে কলেজ স্কোয়ার থেকে পদযাত্রা শুরু হয়। মিছিলের সামনের সারিতে জাতীয় পতাকা হাতে দেখা যায় নীতিন নবীন, শুভেন্দু এবং শমীককে। কলেজ স্ট্রিট থেকে মধ্য কলকাতার বিভিন্ন রাস্তা ধরে মিছিল এগিয়ে যায় ধর্মতলার দিকে।

    গণতন্ত্র রক্ষার বার্তা (BJP)

    কর্মসূচি শুরুর আগে বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বিরোধীদের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীরা গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। সেই প্রবণতার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছে গণতন্ত্র রক্ষার বার্তা পৌঁছে দিতেই এই পদযাত্রার আয়োজন। তিনি বলেন, “সত্যের পক্ষে এবং মিথ্যার বিরুদ্ধে রয়েছেন মানুষ।”

    একই সুর শোনা যায় বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিংয়ের গলায়ও। তাঁর অভিযোগ, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে। এই কাজে বিদেশি শক্তির আর্থিক মদত রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই সরব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতেও একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে বিরোধী শিবির। বিভিন্ন রাজ্যে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে একাধিক রাজনৈতিক সংগঠন। এই আন্দোলনের পালটা হিসেবে দেশজুড়ে জনসংযোগ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিজেপি। দলের পক্ষ থেকে একাধিক শহরে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    মমতা-রাহুলকে নিশানা

    সোমবার কলকাতার পাশাপাশি বিহারের ভাগলপুরেও একই ধরনের কর্মসূচিতে অংশ নেন নীতিন নবীন। সেখানে এসআইআর-বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করেন তিনি। বিজেপির এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে হায়দরাবাদে জাতীয় পতাকা কাঁধে পদযাত্রায় অংশ নেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও (BJP)।

    তবে কলকাতায় বিজেপির এই পদযাত্রা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাম শিবির। সিপিএম বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমান রানা এই কর্মসূচির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীদের আন্দোলনের তেমন কোনও প্রভাব এ রাজ্যে পড়েনি। রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর মাত্র ছ’মাস হয়েছে। তাহলে এখনই কলকাতায় এই ধরনের মিছিলের প্রয়োজনীয়তা কোথায়, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের লাগাতার প্রতিবাদের আবহে বিজেপির এই পদযাত্রা নিছক একটি সাংগঠনিক কর্মসূচি নয়, বরং পালটা রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টাও (Kolkata Rally)। একদিকে বিরোধীদের আন্দোলনের মোকাবিলা, অন্যদিকে দলের নেতা-কর্মীদের সক্রিয়তা বাড়ানো এবং জনসমক্ষে নিজেদের (BJP) অবস্থান তুলে ধরাই ছিল এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। বিহার থেকে কলকাতা, পরপর দুই রাজ্যে নীতিন নবীনের কর্মসূচি ঘিরে এসআইআরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংঘাত যে আরও বিস্তৃত হচ্ছে, তা স্পষ্ট।

     

  • BJP Rally in Kolkata: আজ রাজপথে বিজেপি! ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ ইস্যুতে নিতিন নবীনের নেতৃত্বে মহা মিছিল, সভাতে শুভেন্দু- শমীকরা

    BJP Rally in Kolkata: আজ রাজপথে বিজেপি! ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ ইস্যুতে নিতিন নবীনের নেতৃত্বে মহা মিছিল, সভাতে শুভেন্দু- শমীকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজপথে মহা মিছিলের (BJP Rally in Kolkata) ডাক দিল গেরুয়া শিবির। ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের (Nitin Nabin in Kolkata) নেতৃত্বে আদ, সোমবার কলকাতার কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ শীর্ষক মহামিছিল হতে চলেছে। গত কয়েক দিন ধরে জেলায় জেলায় ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ ইস্যুকে সামনে রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করছে বিজেপি। আগামী দিনেও জেলার বিভিন্ন প্রান্তে হবে মিছিল, সমাবেশ।

    কারা কারা থাকবেন?

    আজ মেগা এই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের নেতৃত্বে মহা মিছিলে অংশ নেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব এদিনের মিছিলে পা মেলাবেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, শান্তনু ঠাকুর, রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য স্বপন দাশগুপ্ত, দিলীপ ঘোষ, তাপস রায়, অগ্নিমিত্রা পাল, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, দুধকুমার মণ্ডল, অর্জুন সিং, ক্ষুদিরাম টুডু, ইন্দ্রনীল খাঁ, সুমনা সরকার, মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র, দীপঙ্কর জানা, উমেশ রাই-সহ মন্ত্রীরা। উপস্থিত থাকবেন সজল ঘোষ, বিজয় ওঝা, রীতেশ তিওয়ারি, পাপিয়া অধিকারী, শর্বরী মুখোপাধ্যায়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, দেবাশিস ধর, শঙ্কর শিকদার, কৌস্তভ বাগচী, রাজেশ কুমার, দেবদাস মণ্ডল, শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়, পীযূষ কানোরিয়া, তরুণজ্যোতি তিওয়ারি, বিমান ঘোষ, সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়, বঙ্কিম ঘোষ – সহ বিধায়করা। এছাড়া, পাঁচ রাজ্য সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, বিজন গোস্বামী, শশী অগ্নিহোত্রী, সৌমিত্র খাঁ সহ বিভিন্ন পদাধিকারীদের থাকার কথা।

    বিশেষ বিমানে কলকাতায় নিতিন

    দুপুর আড়াইটে নাগাদ বিশেষ বিমানে কলকাতায় পৌঁছোনোর কথা বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের। বিকেলে কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করবে বিজেপি। সেখানে যোগ দেবেন নিতিন। মিছিল শেষে বক্তৃতাও করার কথা তাঁর। ইতিমধ্যেই রবিবার রাতে কর্মসূচি স্থলের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব। সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ, অমিতাভ চক্রবর্তী, তমোঘ্ন ঘোষ-সহ অন্যান্য পদ্ম নেতৃত্ব প্রস্তুতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। প্রসঙ্গত, দেশ জুড়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে বিরোধীরা। সরব হচ্ছে ভোট চুরির অভিযোগ নিয়েও। রবিবার ইন্ডি জোটের দিল্লির আন্দোলনে শামিল হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এর ঠিক পরের দিনই কলকাতায় বিজেপির মেগা রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে রাজনীতির পারদ চড়ছে।

    বিরোধীদের আন্দোলন অরাজকতা সৃষ্টি করছে

    বিরোধীদের আন্দোলন বর্তমানে আর শুধু রাজনীতির দৈনন্দিন কর্মসূচিতে আটকে নেই। তা অরাজকতা সৃষ্টি করছে, তেমনটাই মনে করছেন দেশের শাসক দল বিজেপি। এই আবহে বিরোধীদের পাল্টা রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েছে পদ্ম শিবির। কর্মসূচির পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও অরাজকতা হটাও।’ গত শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের নিউ ইন্ডিয়ান মাঠে গণতন্ত্র বাঁচাও অরাজকতা হটাও শীর্ষক সভার আয়োজন করেছিল বিজেপি। গত শনিবার পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতাতেও একই ইস্যুকে সামনে রেখে রাজনৈতিক সভার আয়োজন করা হয়েছিল। যে দুই কর্মসূচির প্রধান বক্তা ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    একাধিক রাজ্যে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হঠাও’ যাত্রা

    রবিবার একাধিক রাজ্যে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হঠাও’ যাত্রা করে বিজেপি। একদিকে যখন ভোটচুরির অভিযোগকে হাতিয়ার করে দিল্লিতে মেগা কর্মসূচি করছে বিরোধী জোট, সেদিনই একাধিক রাজ্যে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হঠাও’ যাত্রা করল বিজেপি। হরিয়ানার রোহতকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের নেতৃত্বে হয় ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হঠাও’ যাত্রা। কোথাও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। সিমলায় ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হঠাও’ যাত্রায় নেতৃত্ব দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। মিছিলে ছিলেন অনুরাগ ঠাকুর-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব।

  • BJP Rally: ‘অরাজকতা মানা হবে না’, সাংবাদিক নিগ্রহের প্রতিবাদে জাতীয় পতাকা হাতে কলকাতার রাজপথে বিজেপি

    BJP Rally: ‘অরাজকতা মানা হবে না’, সাংবাদিক নিগ্রহের প্রতিবাদে জাতীয় পতাকা হাতে কলকাতার রাজপথে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত শুক্রবার নিট আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ধর্মতলায় উত্তেজনা, হিংসা এবং সাংবাদিক নিগ্রহের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কলকাতার দুই প্রান্তে জাতীয় পতাকা হাতে পালটা মিছিল করল বঙ্গ বিজেপি (BJP Rally)। দলীয় পতাকার পরিবর্তে জাতীয় পতাকা (National Flag March) নিয়েই শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা এবং গোলপার্ক থেকে যাদবপুর পর্যন্ত দুটি পৃথক মিছিলের আয়োজন করা হয়।

    দুই প্রান্তে বিজেপির মিছিল (BJP Rally)

    বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলার উদ্দেশে মিছিল (BJP Rally) শুরু হয়। এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়, বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ, শঙ্কুদেব পণ্ডা, তমোঘ্ন ঘোষ-সহ একাধিক বিজেপি নেতা ও কর্মী। একই সময়ে গোলপার্ক থেকে যাদবপুর পর্যন্ত আরও একটি মিছিল (BJP Rally) বের করা হয়।

    হিংসা ও সাংবাদিক নিগ্রহের প্রতিবাদ

    বিজেপির অভিযোগ, গত শুক্রবার নিট আন্দোলনের নামে ধর্মতলায় অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল। আন্দোলনের সময় হিংসা ছড়ানো, সাংবাদিকদের উপর হামলা এবং দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তারা। এই ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই জাতীয় পতাকা হাতে (National Flag March) পথে নামার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি বিজেপির।

    বিজেপি নেতাদের বক্তব্য

    মন্ত্রী তাপস রায় বলেন, “নিট আন্দোলনের নামে অরাজকতা বা দেশবিরোধী স্লোগান কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যারা হিংসা ছড়িয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এর আগে কংগ্রেস সরকারের আমলে বহুবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল।” বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের প্রশ্ন, যারা হিংসায় জড়িত, তারা কীভাবে নিজেদের ছাত্র বলে দাবি করতে পারে? তিনি অভিযোগ করেন, সিপিএম, কংগ্রেস এবং তৃণমূল একসঙ্গে আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দিয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবিও জানান তিনি।

    ‘পড়ুয়াদের ব্যবহার করা হচ্ছে’ 

    বিজেপি নেত্রী তথা মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পলের অভিযোগ, দেশের পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। পড়ুয়াদের সামনে রেখে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    কড়া পদক্ষেপের দাবি

    মিছিল থেকে অভিযুক্তদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলে বিজেপি পালটা স্লোগান দেয়। আন্দোলনের নামে হিংসা ও অরাজকতার বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেয় দলের নেতৃত্ব।

  • BJP: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’কে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ বলে দেগে দিলেন বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীন

    BJP: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’কে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ বলে দেগে দিলেন বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’কে (Cockroach Janta Party) ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ বলে দেগে দিলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। ২৯ জুন, সোমবার তেলঙ্গনার ওয়ারাঙ্গলে এক জনসভায় এই অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর মতে, এই ধরনের সংগঠন দেশকে দুর্বল ও বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি জানান, এই ধরনের ‘ভাইরাস ও ককরোচসদৃশ’ শক্তির বিরুদ্ধে বিজেপি কঠোর পদক্ষেপ করবে।

    নিতিন নবীনের সাফ কথা (BJP)

    ওয়ারাঙ্গলের জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিতিন নবীন বলেন, “দেশে ভাইরাস এবং ককরোচের মতো কিছু দল ও গোষ্ঠীর উদ্ভব হচ্ছে। এরা দেশের ভিত ফাঁপা করে দিতে চায়। এই ভাইরাস ও ককরোচসদৃশ মানুষদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এরা ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ, যারা দেশকে ভাগ করতে চায়। বিজেপি এদের উপযুক্ত জবাব দেবে, এবং দলের প্রতিটি কর্মী তা নিশ্চিত করবে।” উল্লেখ্য, ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) নামে এই ব্যঙ্গাত্মক প্রচারাভিযানের সূচনা করেন অভিজিৎ দিপকে। চলতি বছরের শুরুতে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এটি প্রথমে অনলাইন ব্যঙ্গ প্রচার হিসেবে শুরু হলেও, পরে তা বিভিন্ন ইস্যুকে সামনে রেখে ফিল্ড পর্যায়ের কর্মসূচির রূপ নেয়। সম্প্রতি নিট ইউজি (NEET UG)-র প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুকে কেন্দ্র করে সংগঠনটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। দিল্লির যন্তর মন্তরে আয়োজিত একাধিক বিক্ষোভ সমাবেশে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও জানানো হয়।

    আড়ালে চলছে রাজনৈতিক প্রচার!

    এদিকে, সমালোচকদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের স্বার্থের প্রশ্নকে ঢাল করে এই আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রচার চালানো হচ্ছে। গত সপ্তাহে যন্তর মন্তরের এক বিক্ষোভে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (JNUSU) যুগ্ম সম্পাদক দানিশ আলি বক্তব্য রাখতে গিয়ে হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে ‘আজাদি’ স্লোগানও দেওয়া হয়। এটি পরীক্ষা-সংক্রান্ত দাবির (BJP) আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অভিযোগ আরও জোরালো করে। এর আগে, গত ৬ জুন যন্তর মন্তরে আয়োজিত আর একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে খবর করতে যাওয়া কয়েকজন মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় (BJP)। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন বিক্ষোভকারী এক মহিলা সাংবাদিককে ঘিরে স্লোগান দিচ্ছেন, এবং তাঁর উদ্দেশে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করছেন। ঘটনায় নিন্দার ঝড় ওঠে সাংবাদিক মহলে, তীব্র প্রতিক্রিয়া (Cockroach Janta Party) দেখা দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

     

LinkedIn
Share